“ডিএনএ” কী? পর্ব-৩

“ডিএনএ” কী? পর্ব-৩
পর্ব-৩- RNA,TRANSCRIPION, CODON

পর্ব-২ – গঠন

পর্ব-১ -গঠন

পর্বটি চলতে থাকবে।

“ডিএনএ” কী? পর্ব-৩
পর্ব-৩- RNA,TRANSCRIPION, CODON

পর্ব-২ – গঠন

পর্ব-১ -গঠন

পর্বটি চলতে থাকবে।
ডিএনএর সংগে প্রানী বিবর্তনের সম্পর্ক-২০০৫ সালে বিজ্ঞানীগন শিম্পাঞ্জীর GENOME আবিস্কারে সমর্থ হন। GENOME বলা হয় কোন একটি প্রাণীর সম্পূর্ণ GENETIC CODE এর SET কে। বিজ্ঞানী গন দেখতে পান মানবের GENOME এর সংগে শিম্পাঞ্জীর GENOME প্রায় ৯৯% মিল। সম্প্রতি বিজ্ঞানীগন একই রকম মিলের আর একটি প্রানী মধ্য আফ্রিকায় আবিস্কার করেছেন যার নাম বনোবো। বিজ্ঞানীগন মনে করেন, মানব,শিম্পাঞ্জী ও বনোবোর একই পূর্ব পুরুষের বসবাস ছিল ৪০-৫০ লক্ষ বৎসর পূর্বে।

তবে বিজ্ঞানী গন এখনো নিশ্চিত হতে পারেন নাই যে সেই পূর্বপুরুষেরা দেখতে কেমন ছিল বা তাদের আচার আচরন ও কেমন ছিল? (১)
ডিএনএ সম্পর্কে পরবর্তিতে আরো কিছু বুঝতে গেলে আরএনএ সম্পর্কে এখনি কিছুটা জেনে নেওয়া দরকার। কারন ডিএনএ এর অনেক কাজ কামের সংগে আরএনএ সরাসরি জড়িত। এ কারনে আরএনএ কে ডিএনএর COUSIN ও আখ্যা দেওয়া হয়। আসুন তাহলে দেখা যাক
আরএনএ কি?

আরএনএ

আবিস্কার-

LEVENE নামে একজন রাসিয়ান বায়োকেমিষ্ট ১৯০৯ সালে একটি YEAST হতে পাচ কার্বন বিশিষ্ট একটি শর্করা অনু বের করেছিলেন। এর তখন নাম দিয়েছিলেন রিবোছ (RIBOSE)।
পরবর্তিতে ১৯২৯ সালে তিনি একটি প্রানীর থাইমাছ গ্লান্ডের নিউক্লীয়াছ হতে আর একটি পাচ কার্বন বিশিষ্ট শর্করা অনু বের করেছিলেন। কিন্তু এই অনুটি পূর্ববর্তী অনু হতে সামান্য কিছুটা পৃথক ছিল।এই অনুতে রিবোছ অনু হতে একটা অক্সিজেন অনু কম ছিল।

তিনি তখন এই দ্বিতীয় অনুটির নাম দিলেন ডিঅক্সিরিবোছ এবং প্রথমটির নাম দিলেন রিবোছ যা আর এনএ এর উপাদান এবং ডিঅক্সিরিবোছ ডি এন এ এর উপাদান।
এই পরীক্ষা হতেই ডিএনএ ও আরএনএ এর পার্থক্য ভিন্ন উপাদানের মধ্য দিয়ে ধরা পড়ে গেল এবং রিবোছ সম্বলিত নিউক্লীক এসিডটিকে “আরএনএ” নাম দেওয়া হইল।(২)
আর এন এ এর উপাদান-

আর এন এ ও ডিএনএ এর উপাদান ও আকৃতি প্রায় একই, অতএব এদের পার্থক্য ও সামঞ্জস্য টা দেখিয়ে দিলেই বুঝার জন্য যথেষ্ট হইবে।

১) রিবোছ অনুতে ডিঅক্সিরোছ হতে C2 তে OH অনু আকারে ১টি অক্সিজেন অনু বেশী আছে, যেখানে ডিঅক্সিরোছ এ শুধু মাত্র H অনু আছে। লক্ষ করুন চিত্র ১ ও ২।
২) ডিএনএ ডবল হেলিক্স, অর্থাৎ ২টা STRAND বা চেইন বিশিষ্ট হয়। কিন্তু আর এন এ এক চেইন বিশিষ্ট হয়।(চিত্র-৩,চিত্র-৭)

৩) আরএনএ তে থাইমিন বেছ নাই, তার স্থলে আছে ইউরাছিল বেছ (U)।(চিত্র-৩ ও ৭)।অতএব আর এন এ এর বেছ হইল, ACGU।আর সেখানে ডিঅক্সিরোছ এর বেছ হইলACGT।
আর এনএ এর চেইন ডিএনএ এর চেইন অপেক্ষা স্বল্প দৈর্ঘের হয়।

চিত্র-১ রিবোছ

চিত্র-২ ডি অক্সিরিবোছ

চিত্র-৩) ডিএন এ ২ চেইন বিশিষ্ট ও আর এন এ ১ চেইন বিশিষ্ট। এখানে উভয়ের বেছ এর পার্থক্য ও দেখানো হয়েছে।

আরএনএ চেইন ও ডিএন এ চেন এর মতই নিউক্লীওটাইড সংযোজন দ্বারা গঠিত এবং এর ও 5’ – 3’ PRIME END ও রয়েছে। এদের ও DNA NUCLEOTIDE এর মত 5’ PRIME প্রান্তে ফসফেট (PO4) ও 3’ PRIME প্রান্তে হাইড্রক্সিল (OH) অনু থাকে।চিত্র-৪

চিত্র-৪) এখানে একটি আরএনএ নিউক্লীওটাইড (ডানে) ও আর একটি ডি এন এ নিউক্লীওটাইড (বামে)কি ভাবে গঠিত হয়েছে এবং এদের পার্থক্য ও গঠন প্রকৃয়া দেখানো হয়েছে।

আর এনএ কত প্রকার ও তাদের প্রধান কাজ।
অনেক প্রকারের আরএনএ আছে এর মধ্যে প্রধান ৩ প্রকারের।এই ৩ প্রকারের কথাই প্রাথমিক ভাবে এখানে বলা হবে।

১) মেছেনজার আরএনএ (MESSENGER RNA) সংক্ষিপ্ত নাম এমআরএনএ (MRNA)-এম আর এন এর কাজ হল কোষের নিউক্লীয়াছের মধ্যে অবস্থিত ডিএনএ হতে GENETIC CODE হুবহু কপি করা। একে বলা হয় ট্রান্সক্রিপসন(FRANSCRIPTION)করা। একটি MRNA একসংগে মাত্র একটা GENE কে TRANSCRIBE করে বহন করে আনতে পারে।

কিন্তু একটি ডিএনএ SEQUENCE কে অসংখ্য MRNA বার বার কপি করে অসংখ্য প্রোটীন তৈরী করতে পারে।ডিএনএ কোড TRANSCRIBE সম্পূর্ণ ভাবে করার পর MRNA কোষের নিউক্লীয়াছ বেড়ী অতিক্রম করে কোষের CYTOPLASM এর মধ্যে চলে আসে। কোষের CYTOPLASM এর মধ্যে RIBOSOME নামে একটি অতিক্ষুদ্র কোষ একক(ORGANELLE) আছে। কোষের মধ্যে এটা প্রোটীন (আমিশ) তৈরীর কারখানা হিসাবে কাজ করে।

MRNA কপি কৃত GENE বহন করে RIBOSOME এর মধ্যে ঢুকে পড়ে।
২)রাইবোছোমাল আরএনএ(RRNA)- MRNA কপি কৃত GENE RIBOSOME এর মধ্যে আনলে, RIBOSOME এর মধ্যের RRNA, MRNA এর বহনকৃত আনা GENE CODE টি DECODE বা ভাষায় রুপান্তরিত করে ফেলে।একে TRANSLATION বলা হয়। ভাষায় রুপান্তরিত করার পর RIBOSOME তখন জানতে পারে প্রোটিন তৈরীর জন্য ডিএনএ কোন AMINO ACID টি তৈরীর নির্দেশ পাঠিয়েছে MRNA এর মাধ্যমে। কারণ GENETIC CODE এর SEQUENCE সংকেতটাই বলে দেয় কোন AMINO ACID টি তৈরীর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
যেহেতু আরএনএ তে THYMINE (T) এর পরিবর্তে URACIL (U) থাকে, এ কারণে কপিকৃত RNA কোডে T এর স্থলে U আসে।

প্রতি ৩টা ডিএনএ কোড বা কপিকৃত আরএনএ কোড এক একটা এমাইনো এসিডে নির্দেশক হিসাবে কাজ করে। একে CODON (কডন) বলা হয়। রাইবোছোমের অভ্যন্তরে RRNA,MRNA হতে প্রাপ্ত কপিকৃত কোড গুলীকে কডন টেবিলের চার্ট অনুসারে,কোন কডন হতে কোন এমাইনোএসিড উৎপন্ন করতে হবে তা রাইবোছোমকে ভাষায় রুপান্তরিত করে দেয়।
কডনকে ভাষায় রুপান্তর করার CODON TABLE দেখুন,চিত্র-৬, চিত্র-৭ (১৬)
তদনুসারে রাইবোছোম (চিত্র-৮) তখন তার কারখানায় DNA এর প্রেরিত নির্দেশ অনুসারে AMINO ACID গুলী দ্রুত তৈরী করে ফেলে।(১৭)

৩। TRANSFER RNA (TRNA)- রাইবোছোম তার কারখানায় সেই AMINO ACID টি তৈরী সম্পূর্ণ করার পর TRNA কে নির্দেশ দেয় AMINO ACID গুলীকে,যা DNA এর নির্দেশিত SEQUENCE সংকেত অনুসারে তৈরী করা হয়েছে,প্রোটিন সংগঠনে সংযোগ করিয়ে দিতে। তখন TRNA প্রোটীন SYNTHESIS এ প্রোটীনের প্রয়োজন অনুসারে কাজে লাগাতে থাকে(৩)
মনে রাখতে হবে প্রোটিন(আমিস) হইল জীব দেহের BUILDING BLOCK। পোটীন প্রানী দেহে শক্তি দেয় আবার এটা দেহের বৃদ্ধি,ও অসংখ্য রকমের BIOCHEMICAL কাজ কর্ম চালিয়ে প্রানীকে বাচিয়ে রাখে।

শরীরের সমস্ত প্রোটীন ডিএনএ, RNA কে নির্দেশের মধ্য দিয়ে করায়।
AMINO ACID হইল প্রোটীনের মৌলিক একক বা BUILDING BLOCK। অসংখ্য AMINO ACID এর বিভিন্ন ধরনের SEQUENCE এ সংযোগের ফলে, দেহের বিভিন্ন প্রয়োজনে অসংখ্য রকমের প্রোটীন তৈরী হওয়ার দরকার হয়।
মানব দেহের BIOCHEMICAL কার্যাবলী চালিয়ে লওয়ার জন্য অসংখ্য ENZYME কে অনবরত কাজ চালিয়ে যেতে হয়। ENZYME গুলীর কাজ বন্দ হয়ে গেলে প্রাণীটির পক্ষে আর বেচে থাকা সম্ভব নয়। এই ENZYME গুলী ও প্রোটীন হতেই তৈরী।
শরীরকে রোগ জীবানু হতে রক্ষার জন্য প্রানীর রোগ প্রতিরোধক বস্তু কনা IMMUNOGLOBULIN আমাদের রক্তের মধ্যে অবস্থান করিয়া অনবরত রোগ জীবানুর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করিয়া আমাদেরকে রক্ষা করিয়া রাখিতেছে।

এই IMMUNOGLOBULIN ও প্রোটীন হতে উৎপত্তি। আমাদের রক্তের কনিকা গুলীও তৈরী তে ও প্রোটীনের গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রয়েছে।
মাংসপেশী, চামড়া, এগুলীও প্রোটীন হতে সৃষ্টি।
শরীরের অনেক গুলী হরমোন প্রোটীন হতে তৈরী। এই গুলী শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ কার্য সাধন করে।

শরীরে প্রোটীনের ঘাটতি হলে গুরুত্পূর্ণ অর্গান “লিভার”ও ধ্বংস হয়ে যায়।
অতএব জীব দেহের সর্বত্রই প্রোটীনের গুরুত্ব অপরিসীম।আর DNA যখন যেখানে যে প্রোটীনটা প্রয়োজন হয় তা কোষের মধ্যে অবস্থিত RIBOSOME বা প্রোটীন নির্মানের ফ্যাক্টরী দিয়ে এভাবে করিয়ে দেহের প্রয়োজন মিটিয়ে আমাদেরকে সুস্থ ও জীবনকে চালিত রাখে।
পূর্বেই বলা হয়েছে MRNA ডিএনএ হতে GENETIC CODE, TRANSCRIBE করে লয়ে আসে।এবার তাহলে একটু দেখা যাক কি ভাবে TRANSCRIPTION করা হয়।
DNA TRANSCRIPTION

ট্রান্সক্রিপসন এমন একটা পদ্ধতি যার মাধ্যমে ডিএনএ, আরএনএকে GENETIC CODE কপি করে দেয় এবং সেই কপি কৃত বার্তা অনুসরন করিয়া শরীরের প্রোটীন তৈরী করা হয়।ডিএনএ এর অবস্থান কোষের নিউক্লীয়াসের মধ্যে। সেখান থেকে বার্তা পাঠিয়ে প্রোটীন তৈরীর নির্দেশ দিয়ে কোষের কর্মকান্ড নিয়ন্ত্রন করে। তবে ডিএনএ এই কাজটি নিজে সরাসরি কোষকে নির্দেশের মাধ্যমে কখনই করেনা। ডিএনএ নিজে সরাসরি এই কাজে জড়িত হয়ে পড়লে তাতে তার মধ্যে সংরক্ষিত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ GENETIC তথ্যাবলীর অস্তিত্বের উপর আঘাত আসার সম্ভাবনা থেকে যেত, এ কারনে ডিএনএ এ কাজটি আর এনএ এর মাধ্যমে তার কাছে নির্দেশের বা GENETIC CODE আকারে কপি করে পাঠিয়ে দিয়ে করায়।

নীচের ১ নং ও ২ ন VIDEO ২টায় ডিএনএ TRANSCRIPTION দেখতে পারেন।
১নং-ভিডিও ২নং-ভিডিও
১নং ভিডিও লিংক- http://www.youtube.com/watch?v=ztPkv7wc3yU
২নং ভিডিও লিংক- http://www.youtube.com/watch?v=h3b9ArupXZg
এই কপির কাজ কয়েকটা ধাপে করা হয় যা নীচে দেওয়া হল।(চিত্র-৫)
১)আরএনএ পলিমারেজ নামক একটি এনজাইম ডিএনএ হতে GENETIC CODE এর কপি করে। নিউক্লিওটাইডের বেছ এর বিশেষ ধারা (SEQUENCE) এনজাইমটাকে বলে দেয়, কপি করা কোথা থেকে আরম্ভ করতে হবে এবং কোথায় শেষ করতে হবে।আরএনএ পলিমালেজ, ডিএনএর একটা নির্দিষ্ট জায়গায় সংযুক্ত হয় যে জায়গার নাম দেওয়া হয়েছে “প্রোমোটার এরিয়া”।

২।“ট্রান্সক্রিপসন ফ্যাকটর” নামে এক ধরনের প্রোটীন, ডিএনএর প্যাচ কে উন্মুক্ত করে দেয়। এবার আরএনএ পলিমারেজ ডিএনএর একটি চেইন (নির্দিষ্ট খন্ডাংসের অংস)হইতে একটি আর এন এ কপি করে ফেলে। এই আরএনএ টার নাম PRECURSOR MRNA।
যে চেইন টাকে কপি করা হয় তাকে বলা হয় “SENSE চেইন” এবং যেটাকে কপি করা হয়না, তাকে বলা হয় “ANTISENSE চেইন”।
ডিএনএ বেছ এ থাকে কোড ATGC, সেখানে আরএনএ বেছ এ থাকে কোড AUGC। ডিএনএ কপি করার সময় ডিএনএ এর ANTISENSE এর A আরএনএ এর U এর সংগে এবং G আরএনএ এর C এর সংগে সংযুক্ত থাকে। (চিত্র-৫)

৩। TERMINATION (সমাপ্তি)-আরএনএ পলিমারেছ ডিএনএ চেইন বেয়ে চলতে থাকে যতক্ষন না TERMINATION SEQUENCE পর্যন্ত পৌছায়। TERMINATION SEQUENCE এ পৌছানো মাত্রই আরএনএ পলিমারেছ PRECURSOR MRNA কে ছেড়ে দেয় এবং ডিএনএ হতেও পৃথক করে দেয় ও DNA চেইন দুইকে পূর্বের ন্যায় একত্র পেচিয়ে দেয়।
তখন PRECURSOR MRNA নিউক্লীয়াছের বেড়ী হতে বেরিয়ে ছাইটোপ্লাজমের মধ্যে চলে আসে।
এবার একে বলা হয় MATURE MRNA বা MRNA ।(৭)
এর পরবর্তী কাজ ইতিপূর্বেই বলা হয়েছে।(৪)


চিত্র-৫, এখানে দেখানো হয়েছে কিভাবে ডিএনএ GENETIC CODE Mআরএনএর মধ্যে কপি করে পাঠাচ্ছে।
এ ছাড়াও আরএনএর আরো বহু ধরনের কাজ রয়েছে, যা পরে কখনো আলোচনা করা যেতে পারে।

ডিএন এ আলোচনার মাঝখানে আরএনএ সম্পর্কে আলোচনা করতে হল,কারণ এর পরবর্তিতে ডিএনএ সম্পর্কে বুঝতে গেলে, আর এনএ সম্পর্কে কিছুটা জ্ঞান থাকা আবশ্যক।এবার তাহলে আসুন আমরা আবার ডিএনএ তে ফিরে যাই।


চিত্র-৭ আরএনএ কডন সহ (১৬)

চিত্র-৮,রাইবোছোম, বা প্রোটিন তৈরীর কারখানা (১৭)

চলতে থাকবে।

সূত্র:-
১। http://www.bbc.co.uk/bengali/multimedia/2012/06/120616_mrk_science_june12.shtml
২। http://www.answers.com/topic/when-was-rna-discovered
৩। http://wiki.answers.com/Q/What_is_the_function_of_RNA
৪। http://biology.about.com/od/cellularprocesses/ss/Dna-Transcription.htm
৫। http://www.wiley.com/college/pratt/0471393878/student/animations/dna_replication/index.html
৬। http://www.johnkyrk.com/DNAreplication.html
৭। http://en.wikipedia.org/wiki/RNA ৮।http://www.nature.com/scitable/topicpage/dna-packaging-nucleosomes-and-chromatin-310

৯। http://en.wikipedia.org/wiki/DNA

১০। http://www4.utsouthwestern.edu/cellbio/shay-wright/intro/facts/sw_facts.html
১১। http://www.youtube.com/watch?v=AJNoTmWsE0s
১২। http://www.thedailybeast.com/newsweek/2009/10/05/the-science-behind-the-nobel-prize-for-medicine.html
১৩। http://www.youtube.com/watch?NR=1&feature=fvwrel&v=yqESR7E4b_8
১৪। http://www.bio.davidson.edu/Courses/Molbio/MolStudents/spring2010/Jordan/telomerase.html
১৫। http://en.wikipedia.org/wiki/Telomere
১৬। https://en.wikipedia.org/wiki/Genetic_code
১৭। http://www.google.com/imgres?imgurl=http://www.biogem.org/codon.jpg&imgrefurl=http://www.biogem.org/blog/rna-to-protein-translation-in-perl/&h=601&w=801&sz=151&tbnid=D6BMyUWwwEfHnM:&tbnh=86&tbnw=115&zoom=1&usg=__AJiamwU04yJnH-a8qUtxQaLxNEM=&docid=qJin3P9OsCpBIM&sa=X&ei=YCXMUdXmCKLC4AO-o4GYAQ&sqi=2&ved=0CEcQ9QEwBA&dur=66
১৮।http://www.google.com/imgres?imgurl=http://micro.magnet.fsu.edu/cells/ribosomes/images/ribosomesfigure1.jpg&imgrefurl=http://micro.magnet.fsu.edu/cells/ribosomes/ribosomes.html&h=266&w=404&sz=32&tbnid=MDsmfyUkzyf9RM:&tbnh=77&tbnw=117&zoom=1&usg=__I1OPy0Wd9Hv3areI20y_RUYsQ3E=&docid=wc1eW6Vhrl6VqM&sa=X&ei=_yrMUa_6LtLK4AOopYCQBg&sqi=2&ved=0CFgQ9QEwBg&dur=115

৭ thoughts on ““ডিএনএ” কী? পর্ব-৩

  1. মানুষের জীবনের পরিচালক ডিএনএ
    মানুষের জীবনের পরিচালক ডিএনএ সম্পর্কে ধারনা থাকাই তো উচিৎ।
    পড়ার জন্য ধন্যবাদ।

  2. বায়োকেমিস্ট্রি পড়ার সময় এগুলো
    বায়োকেমিস্ট্রি পড়ার সময় এগুলো বিস্তারিত পড়া হয়েছিলো। শেয়ার করার জন্য ধন্যবাদ। অনেকেই জানতে পারছে।

  3. পোষ্টটা আমি ভয়ে পরিনাই কিন্তু
    পোষ্টটা আমি ভয়ে পরিনাই কিন্তু ছবি গুলো দেখে ভাল লাগলো মাগার একটা কুইশ্চেন আছিলো যেহেতু ডাক্তারি আলুচনা চলছে তাই ডাক্তারি কুইশ্চেন ……

    ডাক্তারগন কেনো উনাদের লেখা এত সুন্দরভাবে বিশ্রি করে লেখেন

    ??

  4. মানব জীবনের মূল চাবি কাঠি
    মানব জীবনের মূল চাবি কাঠি ডিএনএনএ সম্পর্কে পড়ার জন্য সবাইকে ধন্যবাদ।

Leave a Reply to স্টুডেন্ট Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *