প্রত্যেক ধর্মেয় রয়েছে শান্তির বাণী। কেউ অশান্তি চাই না।

প্রত্যেক ধর্মেয় রয়েছে শান্তির বাণী। কেউ অশান্তি চাই না। ধর্মীয় স্হাপনায় হামলা কারো কোন ধর্মের কম্যে নহে।

প্রায় আরাই হাজার (২৫০০ ) বছরে আগের বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মীয় তীর্থ স্তান ” বুদ্ধগয়া ” ভারতের বিহার রাজ্যে এটি অবস্তিত। বুদ্ধগয়া এমনি একটি প্রবিত্র স্তান যেখানে বুদ্ধ ধর্মের প্রর্বতক মহাকারুনিক গৌতম বুদ্ধ গয়ার বোধি মুলে ছয় বৎসর কঠোর সাধনা করে বুদ্ধর্ত্ব লাভ করে অহিংসা পরম নীতি প্রতিষ্টা করে জগৎ আলোকিত করেছিলেন।

প্রত্যেক ধর্মেয় রয়েছে শান্তির বাণী। কেউ অশান্তি চাই না। ধর্মীয় স্হাপনায় হামলা কারো কোন ধর্মের কম্যে নহে।

প্রায় আরাই হাজার (২৫০০ ) বছরে আগের বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মীয় তীর্থ স্তান ” বুদ্ধগয়া ” ভারতের বিহার রাজ্যে এটি অবস্তিত। বুদ্ধগয়া এমনি একটি প্রবিত্র স্তান যেখানে বুদ্ধ ধর্মের প্রর্বতক মহাকারুনিক গৌতম বুদ্ধ গয়ার বোধি মুলে ছয় বৎসর কঠোর সাধনা করে বুদ্ধর্ত্ব লাভ করে অহিংসা পরম নীতি প্রতিষ্টা করে জগৎ আলোকিত করেছিলেন।

বুদ্ধের বুদ্ধত্ব লাভের স্থান পবিত্র তীর্থ ভূমি গয়ার মহাবোধি মন্দিরে আজ সকাল ৫টা থেকে ৬ টার মধ্যে ৯ টি সিরিজি বোমা বিস্ফোরণ হয়েছে। বিস্ফোরণে ৫ জন আহত হয়েছে যার মধ্যে ২ জনের অবস্থা আশংকাজনক।

আমরা যদি পুরানো ইতিহাসের দিকে নরজ দিই, আফগানিস্তানের বামিয়ানের বুদ্ধমূর্ত্তি যারা ধ্বংস করেছিলো তাদের ধ্বংস যেইরুপে অচিরেই হয়েছিলো এখনো সেখানে দিনরাত হানাহানি। ধংস আর ধংসের লিলা ভুমি।

ঠিক তেমনি ভাবে যারা এই অপকর্ম সম্পাদন করেছে তাদের পরিণতি খুবই ভয়াভহ। বুদ্ধ গুন অন্তত।
পাপের শাস্তি ভোগ করেই যেতে হবে। কেউ নিস্তার পাবে না।
ভারতের আইন রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি তীব্র নিন্দা ঘাপন করতেছি। এত বড় একটা ধর্মীয় প্রতিষ্টানে নিরাপত্বাই কৃপণতা করায়। এটা শুধু ভারতের সম্পদ না এটা সমগ্র বৌদ্ধদের সম্পর্ত্বি কাজেই এই ঘটনার সুষ্ট তদর্ন্ত কামনা করতেছি এবং তার সাথে দোষি ব্যাক্তিদের কঠোর শাস্তির আবেদন জানাচ্ছি।

ইতিমধ্যে বৌদ্ধ রাষ্ট্র প্রধান দেশ গুলা ভারতে সংঘঠিত এ কর্মকান্ডের জন্যে ক্ষোপ এবং এর সুষ্ট বিচার করার জন্যে ভারত সরকারকে অনুরুধ জানানো হয়েছে। ভারতের প্রধান মন্ত্রি মনমোহন সিং এক বার্তায় বলেছেন অপরাধী যে হউক না কেন আমরা তার শাস্তির ব্যবস্তা করবো। এটা শুধু বৌদ্ধদের তীর্থ স্তান নয়, এটা আমাদের জাতীয় সম্পদ। আমাদের দেশের গৌরভ। আমরা যে কোন মুল্যেই হউক তার ব্যবস্তা যত দ্রত সম্ভব করার জন্যে অদেশ জারি করেছি। সবাই শান্ত থাকুন।

রাষ্ট্রীয় এক সংবাদ মাধ্যেমের মাধ্যেমে জাপানের প্রধান মন্ত্রি ও থাইল্যান্ডের প্রধান মন্ত্রি ইনলোকা সিনাওয়াত্রা বলেছেন যে কোন ভাবেই হউক সন্ত্রাসিদের গ্রেপ্তার করে কঠোর শাস্তি দেওয়া হউক। এবং বুদ্ধ গয়ায় সুষ্ট পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে ভারত সরকারকে হুসিয়ারি প্রধান করেছেন। বর্তমানে ভারতে আটটি জেলায় রের্ড এলার্ট জারি করা হয়েছে। দিল্লি, মুম্বাই, কোলকাতা, চেন্নাই, বিহার, পুনি, হায়দারাবাদ, এবং মাহারাষ্ট্র।

২৫ thoughts on “প্রত্যেক ধর্মেয় রয়েছে শান্তির বাণী। কেউ অশান্তি চাই না।

  1. লেখার শিরোনামের সাথে এক হতে
    লেখার শিরোনামের সাথে এক হতে পারলাম না। ধর্ম কনসেপ্ট না থাকলেই বরং কোনো অশান্তি হতো না। পৃথিবীজুড়ে অধিকাংশ অশান্তির মুলে ধর্ম জড়িত

    1. কালে কালে ধর্ম শান্তির নামে
      কালে কালে ধর্ম শান্তির নামে দুনিয়া জুড়ে কত অশান্তির আনায়ন করেছে তার ইয়ত্তা নাই…
      এদিকে একেরপর এক ধর্মের সফলভাবে ব্যর্থ হওয়া বারবার অন্য ধর্মের অবতারণা করেছে আর নতুন নতুন সমস্যার সৃষ্টি করেছে! এইসব বায়বীয় বিশ্বাস নয় কঠিন বাস্তবতা!!
      আশা করি একদিন ন্যায় ও সত্যের বিজয় হবে।।
      এদিকে পোস্টটি একটি বিশেষ ধর্মকে নিয়ে যা তুওনামুলক ধর্ম বিশ্লেষকেরা বারংবার ধর্ম হিসেবে অস্বীকার করেছে এই আদর্শবাদ বরং তার থেকে বেশী কিছু ছিল কিন্তু গতানুগতিক ধর্মীয় মোড়কে এসে সমপরিমাণ ধ্বংসলীলা করেছে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে।। আশা করি মানুষ একদিন শান্তির আসলরুপ চিনবে।। :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

      1. আশা করি মানুষ একদিন শান্তির

        আশা করি মানুষ একদিন শান্তির আসলরুপ চিনবে।

        মানুষের জীবনে শান্তি বলে কিছু নাই। মরন পর্যন্ত কোন না কোন কারনে তাকে দুঃখ পেতে হয়। পরকাল বলে একটা কথা আছে তাই সবাই ধর্ম কর্ম এসব করে। মরার পরে আমরা কে কোথায় যাবো সেটা কেউ বলতে পারবে না। যদি ভালো কাজ করি তার ফল ভাল হবে। নোংরা কাজ করলে তার ফল নোংরা হবে। বিচার হবে একদিন কেয়ামতের মাঠে। তখন জবাব দিতে হবে সুন্দর পৃথিবীতে কি কি ভালো আর অপকর্ম সম্পাদন করেছি।

        1. আর ইউ শিয়োর?
          শান্তি পাইনা কে

          আর ইউ শিয়োর?
          শান্তি পাইনা কে বললো, একটা অসাধারন মুভি দেখে, একটা অসাধারন বই পড়ে, কিংবা ফটীগ্রাফি দেখে দিব্যি শান্তি পাই

          1. আমি ধর্ম কর্ম না করেও শান্তি
            আমি ধর্ম কর্ম না করেও শান্তি পাই। জীবনানন্দ পড়ে, বিভুতি পড়ে। আমার স্বর্গ নরকে ভয় নেই, বিশ্বাস নেই…তবুও আমি খারাপ কাজ করিনা।

          2. কেউ বা আকাশের তারা পর্যবেক্ষণ
            কেউ বা আকাশের তারা পর্যবেক্ষণ করে শান্তি পাই,
            কেউ সমুদ্র তীরে বসে অথবা পাহাড়ের কোলে।।
            শান্তি আসলেই আরেকটি আপেক্ষিক ব্যাপার..
            আর যে সারাক্ষন মৃত্যু ভয়ে তটস্থ হয়ে ভীত থাকে আসলেই তার কোন শান্তি নাই, থাকারও কথা না!!

          3. বই পড়ে, মুভি দেখে, এটা সাময়িক
            বই পড়ে, মুভি দেখে, এটা সাময়িক সুখ। আসলে বাস্তবে মানুষের মনের সুখই হল বড় সুখ। যেদিন সে সুখ হারিয়ে যাবে, তখন হাজার কিছুতেই আপনার মনে শান্তির প্রশান্তি জাগাবে না।

    2. ধর্ম নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা
      ধর্ম নিয়ে আমার মাথা ব্যাথা আছে। তবুও আমি বলব, ধর্ম আছে বলেই পৃথিবী এখনো মুটামুটি চলছে। তবে ধর্মগ্রন্থ যারা এনেছে তাদের ভন্ডামি নিয়ে চুলকানি আছে। আর ধর্মগ্রন্থগুলোতে অনেক লেখা আছে যেগুলো মানবতার বিপরীতে।

      1. আপনি তো ভাই সব পক্ষে আছেন।
        আপনি তো ভাই সব পক্ষে আছেন। পৃথিবীর ইতিহাস ঘেটে দেখেন, ধর্ম যখন ছিল না তখন পৃথিবী ভালোই চলেছিল, মোটামুটি না। ধর্মের উৎপত্তির সাথে সাথে যুদ্ধ, গণহত্যা, জাতিবিদ্বেষ, নারীর দুরাবস্তাসহ আরো আরো জঘন্য কর্মকান্ডের শুরু

        1. আপনি কি বলতে চান পৃথিবীতে
          আপনি কি বলতে চান পৃথিবীতে ইসলাম আসার আগে আরবীয় দের অবস্থা ভাল ছিলো? আবার ভাববেন না যেন আমি ইসলামের পক্ষে কথা বলছি। কিন্তু বর্তমান প্রেক্ষাপটে দুনিয়ার মুসলিম দেশগুলো বেশিরভাগই দুরারোগ্যব্যাধিগ্রস্থ। আমি সব পক্ষে কথা বলার কারন হল- যদি আমার শত্রুর কাছে যুক্তি থাকে তাহলে আমি তা মেনে নেব to reveal the truth.

          1. অমিত কিছুটা অযাচিত হয়ে ডুকে
            অমিত কিছুটা অযাচিত হয়ে ডুকে পরলাম তোমাদের আলোচনায়! :কেউরেকইসনা: :কেউরেকইসনা:
            দেখ- ফুটন্ত কড়ায় থেকে জ্বলন্ত ঊনুনে হওয়ার ব্যাপারটা খুব মনে পরে গেল। ধর্ষক থেকে ধর্ষিতাকে বাঁচানোর জন্যে মধ্যযুগীয় সমাধান আমার কাছে কখনও বিবেকবান কোন কিছু মনে হয় নাই…
            ভারসাম্য রক্ষার সুশীল হওয়ার থেকে মৃত্যুই ভাল!! :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

          2. আমি সামগ্রিক ধর্ম কে কখনো ভাল
            আমি সামগ্রিক ধর্ম কে কখনো ভাল বলিনি। ধর্মের মুল বিষয়গুলো দেখুন-
            হিন্দু ধর্মের ৫ টি সাধারন লক্ষন এর একটিকেও আপনি ফেলতে পারবেন না।
            ১-হিংসা না করা
            ২-চুরি না করা
            ৩-সংযমী হওয়া
            ৪-শুচি থাকা
            ৫-সত্যাশ্রয়ী হওয়া

          3. অমিত মনে হয় জান না! নীতি
            অমিত মনে হয় জান না! নীতি শাস্ত্র কোন ধর্মের সম্পত্তি না…
            এইসব ধর্মের উৎপত্তির আগেই এসেছে! সো আরেকজনের ধার করা জ্ঞান বা নিয়ম-নীতি নিয়ে এত জাহির করার কিছু নাই!!
            ‘মানুষেতেই স্বর্গ-নরক মানুষেতেই সুরাসুর…’

          4. এই রখম ৫ টি সাধারন শিক্ষা পদ
            এই রখম ৫ টি সাধারন শিক্ষা পদ বৌদ্ধ ধর্ম হতেও আপনি পাবেন।
            যা পঞ্চশীল নামে অভিহিত।
            ১। প্রাণি হত্যা থেকে বিরত থাকা !
            ২। অদর্ত্ব বস্তু গ্রহন হতে বিরত থাকা !
            ৩। কাম চিন্তা থেকে বিরত থাকা !
            ৩। মিথ্যা কথা বলা থেকে বিরত থাকা !
            ৫। মাধক দৈব্র, নেশা পান হতে বিরত থাকা !

          5. ইসলাম আসার আগে আরবের অবস্থা
            ইসলাম আসার আগে আরবের অবস্থা আইয়ামে জাহেলিয়া ছিল এইটা নবীর আমলের প্রোপাগান্ডা। এদানিংকালের আওয়ামী লীগ বিএনপি যেমন একজন আরেকজনরে দোষে এমন।
            একজন জার্মান সৈনিকের অটোবায়োগ্রাফি আছে, ইসলামপূর্ব মক্কা নগরীর। তখন সেটার নাম ছিল ম্যাকাও। এখন যেটা হজ্জ নামে পরিচিত একি উৎসব মুহাম্মদের জন্মের আগের থেকেই হতো। বিভিন্ন দেশ থেকে মানুষ ম্যাকাও নগরীতে আসতো বছরের এই সময়টাতে। তখনকার নারীরা ছিল অধিকাংশ ব্যাবসা বানিজ্যের পরিচালনায়।
            আরবে নারীদের, সাধারন মানুষের এখন যে অবস্থা মুহাম্মদ থাকতেও এমন্টাই ছিল।

          6. এখন যেটা হজ্জ নামে পরিচিত একি

            এখন যেটা হজ্জ নামে পরিচিত একি উৎসব মুহাম্মদের জন্মের আগের থেকেই হতো।

            ইসলাম আৰ্বিভাবের পূৰ্বে কাবাগৃহে হ্বজের মতই প্রতি বৎসর মূৰ্তিপূজা অনুষ্ঠিত হত। মুহাম্মদের পূৰ্বসরিরাই সেই অনুষ্ঠান আয়োজন করত।

      2. আপনার কথার সাথে আমিও দ্বিমত
        আপনার কথার সাথে আমিও দ্বিমত পোষন করতেছি। ধর্মগ্রন্থ যারা এনেছেন কিংবা রচয়িতা উনার কিন্তু শান্তির বাণী প্রতিষ্টা করেছেন। কিন্তু যারা এই নিতির অনুসারী তারাই কিন্তু গন্ডোগল পাকাচ্ছে। ধর্মগ্রন্থ বলেছে একরখম করছে তার বিপরীত ।
        সুতরাং আর যাই বলুন ধর্ম নিয়ে বিতর্ক করা মানে বোকামির কাজ। যার যার ধর্ম তার তার কাছে নয়ন মণি। আর কি কারনে কিংবা কোন ধর্মীয় গোষ্টী এ নোংরা কাজে লিপ্ত সেটা কারো অজানা নায়। ধর্ম গুন অনন্ত। সত্যের জয় হবেই হবে।

        1. ****[মডারেটেড] করেছে ধর্ম
          ****[মডারেটেড] করেছে ধর্ম প্রচারক রা। চোরের দল, নিজেদের সুবিধামত ধর্মগ্রন্থ লিখেছে…

          1. যাক এইটা অন্তত জানা গেলো
            যাক এইটা অন্তত জানা গেলো ‘লিখিত গ্রন্থ’
            ধর্ম প্রচারকরা যা লিখেছে ধর্ম বলতে আপনি তো তাই জানেন। এই লেখার বাইরে ধর্ম যে ভালো এই কেমনে শিয়োর?

    3. @শামীমা মিতু
      প্রায় আরাই

      @শামীমা মিতু

      প্রায় আরাই হাজার (২৫০০ ) বছরে আগের বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মীয় তীর্থ স্তান ” বুদ্ধগয়া ” ভারতের বিহার রাজ্যে এটি অবস্তিত। বুদ্ধগয়া এমনি একটি প্রবিত্র স্তান যেখানে বুদ্ধ ধর্মের প্রর্বতক মহাকারুনিক গৌতম বুদ্ধ গয়ার বোধি মুলে ছয় বৎসর কঠোর সাধনা করে বুদ্ধর্ত্ব লাভ করে অহিংসা পরম নীতি প্রতিষ্টা করে জগৎ আলোকিত করেছিলেন। এই ” বৌদ্ধ গয়া ” তীর্থ স্তানটির সাথে বৌদ্ধ ধর্মের প্রর্বতক। সিদ্ধার্থ গৌতম থেকে শুরু করে বুদ্ধত্ব পারামি পুরন করে বুদ্ধর্ত্ব লাভ করেছিলেন। ধর্মীয় প্রতিষ্টানে হামলা করে নিজের ধর্মকে মহান করা যাই না। বরং সেই সব ধর্মাল্বীদের মনে প্রতিহিংসার আগুন দাও দাও করে জ্বলে উঠে। আপনি একটু খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন .. বৌদ্ধরা অহিংসা নিতির প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল। মন্দিরে হামলা করলেও তাদের প্রতিবাদ হয় শান্তি মুখর। রেলি নিয়ে রাস্তায় দাঁড়ায়, কারো ক্ষতি সাধন করে না। মৈত্রি পরায়ন হয়ে সব মাথা পেতে নেই। তারা এটাতে বিশ্বসী ” যে যেমন কর্ম করবে, সে ঠিক তার কর্মফল ভোগ করে যাবে ”
      হিংসায় বসিভুত হয়ে এ নোংরামি কে মেনে নেওয়া যাই না। অহিংসা নিতির প্রতি কতটা শ্রদ্ধাশীল। মন্দিরে হামলা করলেও তাদের প্রতিবাদ হয় শান্তি মুখর। রেলি নিয়ে রাস্তায় দাঁড়ায়, কারো ক্ষতি সাধন করে না। মৈত্রি পরায়ন হয়ে সব মাথা পেতে নেই। তারা এটাতে বিশ্বসী
      ” যে যেমন কর্ম করবে, সে ঠিক তার কর্মফল ভোগ করে যাবে ”
      হিংসায় বসিভুত হয়ে এ নোংরামি কে মেনে নেওয়া যাই না।

  2. এই বিষয়ে একটু আগেও একটা পোস্ট
    এই বিষয়ে একটু আগেও একটা পোস্ট দেয়া হয়েছে ।তবে ঐ পোস্টে শুধুমাত্র নিঊজটি কপি করা হয়েছিল ।যাইহোক, তুলনামুলক আপনার পোস্টটি যতেষ্ট ভাল এবং গুরুত্বের দাবী রাখে।সাধারনত ব্লগপোষ্টে আপনার মত বিশ্লেষনধর্মী লিখা, লিখা উচিৎ।

    ধর্মীয় উপাসনালয়ে যারা হামলা করে তারা বাস্তবে অপ্রকৃতিস্থ।এদের এই উগ্রতার পেছনে মোটেও ধর্ম দায়ী নয়, দায়ী ধর্মীয় কুসংস্কার ও রাজনীতি।এসব হামলা ভাংচুর আগেও ছিল, এখন ও আছে এবং আগামীতেও থাকবে।এটাই বাস্তবতা, ইহাই নিয়ম।মানুষ যতই সভ্য হোক না কেন, এসব কোন দিন কোন কালে বন্ধ হবে না।কালভেদে হয়তো কম আর বেশ ।

  3. এসব হামলা ভাংচুর আগেও ছিল,

    এসব হামলা ভাংচুর আগেও ছিল, এখন ও আছে এবং আগামীতেও থাকবে।এটাই বাস্তবতা, ইহাই নিয়ম।মানুষ যতই সভ্য হোক না কেন, এসব কোন দিন কোন কালে বন্ধ হবে না।কালভেদে হয়তো কম আর বেশ ।

    যারা অন্যের উপাসনালয় ভেঙ্গে তার ঠিক কোন ধর্মের সৃষ্টি করতে চাই বুঝা মুসকিল।
    তো তারা কি আদতে ধর্ম মানে কিংবা তাদের যে ধর্ম আছে সেটার অনুসরন করে ?
    যদি তাই হয় তাহলে কেন এই বর্বরতা। কেন এই জঘন্যে নোংরামি ? তাদের কি মানুষ বলে যাই ? কেয়ামত সবারি আসে কাল ভেদে। জবাব সবাইকে দিতে হবে । সেই দিনের জন্যে প্রহর গুনা দরকার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *