গ্রেনেড কিংবা কবিতার সরল পঙক্তি

হাঁটু মুড়ে বসে আছে মানব সভ্যতা
চারপাশে ছড়ানো আধখাওয়া
সিগারেট; এক হাতে রক্তলাল গোলাপ,
অন্যহাতে পিন খোলা গ্রেনেড।

সময় সাত সেকেন্ড, বেঁচে থাকার
সাতটি মূল্যবান সেকেন্ড
পাঁচ সেকেন্ড কেটে গেল বিষম
চিন্তার অসীম আবরণে, শুরু হল



হাঁটু মুড়ে বসে আছে মানব সভ্যতা
চারপাশে ছড়ানো আধখাওয়া
সিগারেট; এক হাতে রক্তলাল গোলাপ,
অন্যহাতে পিন খোলা গ্রেনেড।

সময় সাত সেকেন্ড, বেঁচে থাকার
সাতটি মূল্যবান সেকেন্ড
পাঁচ সেকেন্ড কেটে গেল বিষম
চিন্তার অসীম আবরণে, শুরু হল
থিয়োরি অফ রিলেটিভিটির
প্র্যাকটিয়াকাল ক্লাস,
শিক্ষক যেখানে স্বয়ং ঈশ্বর।

দু সেকেন্ডের হিসেব শুরু
হয়েছিল কখন, নেই কারও জানা।
শুধু এটুকুই বাস্তবতা, এখনও এক
সেকেন্ড পেরোই নি; ধংসের
এখনও অনেক বাকি।

জানি না মানব সভ্যতা হবে কিনা
নুরুল; যার হাতের ছোড়া গ্রেনেড
একাত্তরে হার মানাত এনেগ্রা
রাইফেলকেও, অথবা থাকবে কিনা
কেউ, গোলাপটা তুলে দেবার
প্রেয়সীর হাতে।

স্বয়ং ঈশ্বর আজ কেবলই
শিক্ষক; আর দর্শক মহাকাল
টিকে যাবে তো আ সভ্যতা? প্রেয়সীর
হাতে ফুল দিয়ে বলা যাবে তো
‘ভালবাসি’?

হতে পারে ধ্বংসের প্রভাবক আজ
ভয়, হীনতা, আদিম মনস্তাত্তিকতা,
কিন্তু আমাদের আছে সাতশো কোটি জনতা
যাদের, এক একটি হুংকার
হার মানায় সুপার সনিক বোমা।

হাত কাঁপছে, নিঃশ্বাস হচ্ছে গাড়, ঘাম
ছুটছে কপাল দিয়ে আর হার্টবিট পড়ছে
দ্রুত, দর্শকদের।
এটাই মহাকালের শেষ প্রহর; অথবা
সৃষ্টির ঊষালগ্ন এক নতুন সভ্যতার।

১২ thoughts on “গ্রেনেড কিংবা কবিতার সরল পঙক্তি

  1. অনেক ভাল একটি কবিতা হতে হতে
    অনেক ভাল একটি কবিতা হতে হতে হলোনা। এ লাইন কতা ভাল লেগেছে ঃ)

    হাঁটু মুড়ে বসে আছে মানব সভ্যতা
    চারপাশে ছড়ানো আধখাওয়া
    সিগারেট; এক হাতে রক্তলাল গোলাপ,
    অন্যহাতে পিন খোলা গ্রেনেড।

    সময় সাত সেকেন্ড, বেঁচে থাকার
    সাতটি মূল্যবান সেকেন্ড
    পাঁচ সেকেন্ড কেটে গেল বিষম
    চিন্তার অসীম আবরণে, শুরু হল
    থিয়োরি অফ রিলেটিভিটির
    প্র্যাকটিয়াকাল ক্লাস,
    শিক্ষক যেখানে স্বয়ং ঈশ্বর।

Leave a Reply to ব্রহ্ম পুত্র Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *