একদিন পৃথিবীর সব কবি ধর্মঘট করবে

একদিন পৃথিবীর সব কবি ধর্মঘট করবে
সেদিন কবিতার খাতা হবে পঙক্তিশুন্য
যত কাব্যগ্রন্থ সব হয়ে যাবে সাদা কাগজ।
কবিরা সেদিন তাদের দাবী জানাবে।
কবিকে দিতে হবে অবাধ বিচরণের স্বাধীনতা।
হোটেল,রেস্তোরা,খেলার মাঠ,পতিতা পল্লী
কবির আগমনে অভ্যর্থনা জানাতে বাধ্য থাকবে।



একদিন পৃথিবীর সব কবি ধর্মঘট করবে
সেদিন কবিতার খাতা হবে পঙক্তিশুন্য
যত কাব্যগ্রন্থ সব হয়ে যাবে সাদা কাগজ।
কবিরা সেদিন তাদের দাবী জানাবে।
কবিকে দিতে হবে অবাধ বিচরণের স্বাধীনতা।
হোটেল,রেস্তোরা,খেলার মাঠ,পতিতা পল্লী
কবির আগমনে অভ্যর্থনা জানাতে বাধ্য থাকবে।
দিতে হবে সর্বোৎকৃষ্ট সেবা।
কবিকে দিতে হবে বিশ্ব নাগরিকের মর্যাদা।
কবির কোন ভিসা পাসপোর্ট থাকবেনা।
সকল বাস,ট্রেন,বিমানে অভিজাত আসনটি
সংরক্ষিত থাকবে শুধুমাত্র কবিদের জন্য।
অভিবাসন কর্মকর্তারা কবির আগমন সংবাদ পেলে
বন্দর বন্ধ করে দিয়ে
লাল গালিচা নিয়ে স্বাগত জানাতে লাইন ধরে দাঁড়াবে।
পৃথিবীর সব নয়নাভিরাম স্থানে
অভিজাত ভিলা থাকবে কবিদের জন্য।
একদিন কবিরা সত্যিই আন্দোলনে যাবে
দুর্ধর্ষ পিকেটিঙে অচল করে দেবে পৃথিবীর সুশীলতা।
পৃথিবীর সকল সিদ্ধান্তে কবির সাক্ষর গ্রহন
বাধ্যতামূলক করতে হবে।
জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে
একজন কবি প্রতিনিধি রাখতে হবে।
যত নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর,পারমানবিক যুদ্ধাস্ত্র
সব কবির নজরদারির ভেতর থাকবে।
সকল সেনাবাহিনীর সব সেনাপ্রধান
সকাল বিকাল স্যালুট জানিয়ে
তাদের প্রতিবেদন পেশ করবে একজন কবির কাছে।
আর হ্যাঁ, কবি সকল প্রকার যুদ্ধ নিষিদ্ধ ঘোষণা করবে।
গোলাবারুদগুলো খরচ করা হবে আতশবাজির উৎসবে।
সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনী থাকবে শুধু গোলাপ ফোটানর জন্য।
মাথাপিছু এক ডজন গোলাপ না ফোটালে
সিপাহির রেশন হবেনা।
একদিন কবিরা হরতাল ডাকবে
সেদিন কোথাও জাতীয় সঙ্গীত বাজবে না।
কবিরা দাবী জানাবে তাদের।
কবিতার আসরে কিংবা কাব্য সন্ধ্যায়
বাধ্যতামূলকভাবে রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিত থাকতে হবে।
কবির লম্বা চুল বা কানের দুল নিয়ে কটাক্ষ করা যাবেনা।
একজন কবি সকল বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করবে
যেন পূর্ণিমা রাতগুলোতে কদাকার
সড়ক বাতিগুলো জ্বলে না উঠে।
কবির কবিতা প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে
সবচেয়ে ভাল কাগজে আর ভাল ছাপায়।
বিমান থেকে লিফলেটের মতো বিলি করতে হবে
কবিতার বই।
একদিন কবিরা ধর্মঘট করবে
সেদিন স্বর্গও হয়ে যাবে অনাড়ম্বর,নিষ্প্রভ।

১৭ thoughts on “একদিন পৃথিবীর সব কবি ধর্মঘট করবে

  1. মারাত্মক মারাত্মক
    মারাত্মক মারাত্মক মারাত্মক

    একদিন পৃথিবীর সব কবি ধর্মঘট করবে
    সেদিন কবিতার খাতা হবে পঙক্তিশুন্য
    যত কাব্যগ্রন্থ সব হয়ে যাবে সাদা কাগজ।
    কবিরা সেদিন তাদের দাবী জানাবে।
    কবিকে দিতে হবে অবাধ বিচরণের স্বাধীনতা।
    হোটেল,রেস্তোরা,খেলার মাঠ,পতিতা পল্লী
    কবির আগমনে অভ্যর্থনা জানাতে বাধ্য থাকবে।
    দিতে হবে সর্বোৎকৃষ্ট সেবা।
    কবিকে দিতে হবে বিশ্ব নাগরিকের মর্যাদা।
    কবির কোন ভিসা পাসপোর্ট থাকবেনা।
    সকল বাস,ট্রেন,বিমানে অভিজাত আসনটি
    সংরক্ষিত থাকবে শুধুমাত্র কবিদের জন্য।
    অভিবাসন কর্মকর্তারা কবির আগমন সংবাদ পেলে
    বন্দর বন্ধ করে দিয়ে
    লাল গালিচা নিয়ে স্বাগত জানাতে লাইন ধরে দাঁড়াবে।
    পৃথিবীর সব নয়নাভিরাম স্থানে
    অভিজাত ভিলা থাকবে কবিদের জন্য।
    একদিন কবিরা সত্যিই আন্দোলনে যাবে
    দুর্ধর্ষ পিকেটিঙে অচল করে দেবে পৃথিবীর সুশীলতা।
    পৃথিবীর সকল সিদ্ধান্তে কবির সাক্ষর গ্রহন
    বাধ্যতামূলক করতে হবে।
    জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে
    একজন কবি প্রতিনিধি রাখতে হবে।
    যত নিউক্লিয়ার রিয়েক্টর,পারমানবিক যুদ্ধাস্ত্র
    সব কবির নজরদারির ভেতর থাকবে।
    সকল সেনাবাহিনীর সব সেনাপ্রধান
    সকাল বিকাল স্যালুট জানিয়ে
    তাদের প্রতিবেদন পেশ করবে একজন কবির কাছে।
    আর হ্যাঁ, কবি সকল প্রকার যুদ্ধ নিষিদ্ধ ঘোষণা করবে।
    গোলাবারুদগুলো খরচ করা হবে আতশবাজির উৎসবে।
    সুশৃঙ্খল সেনাবাহিনী থাকবে শুধু গোলাপ ফোটানর জন্য।
    মাথাপিছু এক ডজন গোলাপ না ফোটালে
    সিপাহির রেশন হবেনা।
    একদিন কবিরা হরতাল ডাকবে
    সেদিন কোথাও জাতীয় সঙ্গীত বাজবে না।
    কবিরা দাবী জানাবে তাদের।
    কবিতার আসরে কিংবা কাব্য সন্ধ্যায়
    বাধ্যতামূলকভাবে রাষ্ট্রপ্রধানদের উপস্থিত থাকতে হবে।
    কবির লম্বা চুল বা কানের দুল নিয়ে কটাক্ষ করা যাবেনা।
    একজন কবি সকল বিদ্যুৎ ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রন করবে
    যেন পূর্ণিমা রাতগুলোতে কদাকার
    সড়ক বাতিগুলো জ্বলে না উঠে।
    কবির কবিতা প্রকাশের ব্যবস্থা করতে হবে
    সবচেয়ে ভাল কাগজে আর ভাল ছাপায়।
    বিমান থেকে লিফলেটের মতো বিলি করতে হবে
    কবিতার বই।
    একদিন কবিরা ধর্মঘট করবে
    সেদিন স্বর্গও হয়ে যাবে অনাড়ম্বর,নিষ্প্রভ।

    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:

      1. এমন কবিতা চাই, যে কবিতা
        এমন কবিতা চাই, যে কবিতা প্রিয়তে নিতে বাধ্য হব। হাজার হাজার এমন কবিতা পড়তে চাই। লিখতে থাকুন, শুভকামনা 🙂

  2. আপনার লিখাটি পড়ে আহসান
    আপনার লিখাটি পড়ে আহসান হাবীবের লিখা ছোট বেলার একটি কবিতার কথা মনে পড়ে গেল ।কবিতার নাম ছিল, ‘মজার দেশ’ ।কবি কবিতাটির শেষ চার পংক্তিতে বলেছিলেন,
    মজার দেশের মজার কথা
    বলব কত আর
    চোখ খুল্লে যায়না দেখা
    মুদলে পরিস্কার!

    আপনার কথাগুলোই সত্যি হোক ।

    ভাল লিখেছেন ।অজস্র ধন্যবাদ ।

  3. সত্যি !! সেই দিনের অপেক্ষায়
    সত্যি !! সেই দিনের অপেক্ষায় থাকলাম । চমৎকার লিখেছেন.. পড়ে আরাম পেলাম ।।

  4. প্রথমেই শিরোনাম আমাকে চমকে
    প্রথমেই শিরোনাম আমাকে চমকে দিছে,শুরুটাও বেশ লাগলো,আবৃত্তি করছিলাম,মাঝখানে এসে কবিতাখানি কিছুটা ছন্দ হারিয়েছে,শেষটা ঠিকঠাক।একটু পন্ডিতি ঝাড়লাম মনে হয়।কারন কবিতাখানি আর বিষয়বস্তু শিরোনাম সবই খুব ভালো লেগেছে।শুভ কামনা।লিখা চলতে থাকুক। :ফুল: :ফুল: :ফুল:

    1. ভাই আমি ময়ুরপুচ্ছ কাক। কবি
      ভাই আমি ময়ুরপুচ্ছ কাক। কবি কবি ভাব ধরে থাকি আসলে কবি না তাই ছন্দ খানিকটা মন্দ হতেও পারে। :মাথাঠুকি: আপনার ‘পণ্ডিতি’ আমার ভাল লেগেছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *