স্বাস্থ্য নয় ব্যাধিই সংক্রামক; প্রসঙ্গঃ উগ্র নাস্তিকতা

গতকয়েক দিনের ইস্টিশন ব্লগের ব্লগীয় পরিবেশ নিয়ে আজই দুইটি বিশ্লেষণ মূলক পোস্ট এসেছে। যাদের লক্ষ্য করে রচনাদ্বয় পোস্টিত হয়েছে তাদের লিস্ট করতে হয়তো অনেকে ব্যস্ত। অনেকে অতি সরল মনে ইস্টিশন ব্লগের ব্লগারেরা ক্লাসিফাইড হয়ে যাবে এই ভয়ে এইসব বিষয়ে লিখতে কট্টর পোস্টকর্তাদের নিরুৎসাহিত করেন তীব্র জঙ্গি ভাষায়; আমার পর্যবেক্ষণে যা এসেছে তা হল গতদুইদিনে একজনকে হয়তো উগ্র (বা ছেলেমানুষী) নাস্তিক বলতে পারব অথচ আমার চোখে দুই বা ততোধিক ধর্মীয় মৌলবাদীর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। আবার নাস্তিকেরা আমার মতে ব্লগিয় আচরণ বিধি আর সংবিধানের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন না করলেও বিপরীতেরা তা করেছেন।


গতকয়েক দিনের ইস্টিশন ব্লগের ব্লগীয় পরিবেশ নিয়ে আজই দুইটি বিশ্লেষণ মূলক পোস্ট এসেছে। যাদের লক্ষ্য করে রচনাদ্বয় পোস্টিত হয়েছে তাদের লিস্ট করতে হয়তো অনেকে ব্যস্ত। অনেকে অতি সরল মনে ইস্টিশন ব্লগের ব্লগারেরা ক্লাসিফাইড হয়ে যাবে এই ভয়ে এইসব বিষয়ে লিখতে কট্টর পোস্টকর্তাদের নিরুৎসাহিত করেন তীব্র জঙ্গি ভাষায়; আমার পর্যবেক্ষণে যা এসেছে তা হল গতদুইদিনে একজনকে হয়তো উগ্র (বা ছেলেমানুষী) নাস্তিক বলতে পারব অথচ আমার চোখে দুই বা ততোধিক ধর্মীয় মৌলবাদীর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে। আবার নাস্তিকেরা আমার মতে ব্লগিয় আচরণ বিধি আর সংবিধানের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা লঙ্ঘন না করলেও বিপরীতেরা তা করেছেন।

এইবার একটা পাইকারি পরমানুগল্পঃ আফ্রিকার জঙ্গলে আমরা একদল সমাজ সংস্কারক গেলাম যার মধ্যে প্রায় অত্যাবশ্যকীয় সকল পেশার এক্সপার্ট ছিল যারমধ্যে একজন একটু বদমেজাজি। তো আমাদের অপারেশন শুরু হল দু-চারদিন না যেতেই বদরাগি টিম মেম্বার জংলীদের আদিম সংস্কারের তীব্র প্রতীবাদ করল আর আপত্তিকরভাবে তাদের অনুভূতিতে আঘাত করল। ফলশ্রুতিতে দু-দিন পর দেখা গেল জংলীরা আমাদের পুরা টিমকে তাড়িয়ে দিল আর ঐ টিমমেট কে খুন করে ফেলল।

এইবার একটা খুচরা গল্প (গল্পের চরিত্র কারো সাথে মিললে তা অনভিপ্রেত কাকতাল মাত্রঃ) এক বিশাল প্রভাবশালী ব্যবসায়ী অঢেল সহায়সম্পত্তি নাম তার এসএইচ চৌধুরী (মুসলিম থেকে কনভার্টেড খ্রিষ্টান), চৌধুরী সাহেবের তিন ছেলে স্যামুয়েল, তপন ও অঞ্জন চৌধুরী; তাদের মা হিন্দু। ফলশ্রুতিতে স্যামুয়েল হয়েছে খ্রিষ্টান, মেঝ ছেলে ননরিলিজিয়াস আর ছোট ছেলে মায়ের প্রিয় পুত্র হিন্ধু ধর্মালম্বি। একদিন খাবার টেবিলে তপন প্রাসঙ্গিক আলোচনায় বলল
-আচ্ছা বাবা তুমি নতুন ছেড়ে পুরাতনে গেলা কেন?
-যীশু অপেক্ষাকৃত শান্তি প্রিয় তিনি কোন প্রকার যুদ্ধ, গণহত্যা, বাল্যবিবাহ, বহুবিবাহ আর হিংসার কথা বলেন নাই তাই।।
এমন অনেক যুক্তি তর্কের ঘটনা ঘটে পরিবারটিতে কিন্তু কোন খুন বা হুমকি অথবা মারামারি হয় নি কখনও।

এইবার আসল কথা; এই বাংলায় গত মাস পাঁচেক ধরে অনেক নাটক হয়েছে। এ আর নতুন কি? এইটা আগের নাটকের শেষাংশ নাকি নতুন নাটক তা বিচারকর্তা হিসেবে ভবিষ্যৎই ভালভাবে বলতে পারবে। বাংলাদেশ ১৯৭১ সালে যে চেতনা আর আদর্শে পাক বাহিনী থেকে মুক্ত আর স্বাধীন হয়েছিল আমরা কি আজ সেই বাংলায় আছি? উত্তর সবার জানা; না , নাই!!
কেন নাই? কারনসমূহ জানতে নিচের লিখাগুলো পড়ুনঃ

১) কার পাপে আজ বাংলাদেশের এই অবস্থা?
২) অসাড় মাদ্রাসা শিক্ষাব্যবস্থা ও জামাতি সহিংসতা আর সরকারের করনীয়।
৩) ধর্মীয় মৌলবাদ একটি নিরাময় যোগ্য ব্যাধি।।
৪) ৭২-এর সংবিধানের প্রস্তাবনা ও জিয়া-সায়েমের সামরিকোচিত দূষণ
৫) ইসলামে গুজবের বিচার আর হেফাজত-জামাত-বিএনপি’র স্বরূপ।
৬) “হেফাজতের ১৩ দফা দাবি ও তার ব্যবচ্ছেদ…”।
৭) অনুপযুক্তদের (Misfit) জন্যে না, এই দুনিয়া …।

যখন এই সভ্যতা আর জ্ঞান বিজ্ঞান নিশ্চিতভাবে ধর্মীয় মৌলবাদকে নিরাময়যোগ্য ব্যধি বলছে তখন তাদের জংলী (পাইকারি গল্প দ্রষ্টব্য) আচরনে ভীত হয়ে কি আমরা সচেতন পরিকল্পিত টিমকে তার কাজ থেকে বিরত রাখব? মনে হয় না কেউ বলবেনঃ বিরত থাকব। প্রশ্ন একটাই ঐরকম বদরাগী টিমমেম্বার না থাকায় ভাল কিনা। তাই কোন সচেতন সুস্থ মানুষ যেন টেম্পার না হারিয়ে ফেলে তার দিকে নজর রাখতে হবে। এই জন্যে বাকিদের তার গঠনমূলক সমালোচনা করে ত্রুটিমুক্ত করতে হবে।

আমাদের বেশীর ভাগ ব্লগারের আক্ষেপ বা ক্ষোভ রাজীব তথা থাবা বাবার উপর। তবে একটাই কথা বলব আমাদের আগে বুজতে হবে “নাস্তিকতা নাকি প্রতিবাদী রাজীবের মৃত্যু তাকে শহীদের মর্যাদা দিল?“; যদি এই সিদ্ধান্ত নিতে গিয়ে আমরা বুঝতে পারি গত ৪২ বছরের ভুলপথে হাঁটা-টাই এরজন্যে সর্বাংশে দায়ী তাহলেই কেবল এবং কেবলমাত্র আমরা সঠিক ও ন্যায়সঙ্গত আচরণ করতে পারব।

শেষ করার আগে আরেকটা উদাহরণ দেয়। কোন ডাঃ কি কোন শিশুকে প্রাপ্তবয়স্কদের জন্যে প্রযোজ্য এন্টিবায়োটিক চিকিৎসা দেন? দেন না। শিশুদের জন্যে হালকা ডোজ আছে তাই কোন দুষ্কৃতিকারী যদি ঐ শিশুকে বিপদে ফেলার জন্যে কড়া ডোজের এন্টিবায়োটিক খাওয়ায় দেন তবে তার জন্যে ডাঃ বা এন্টিবায়োটিক আবিষ্কর্তা দায়ী থাকবেন না; এই ব্যাপারটা আমরা ভুলে এন্টিবায়োটিক আবিষ্কর্তা বা ডাঃ কেও তার কাজ বন্ধ করতে বলতে পারি না। তাই সকলকে রাজীব হত্যার জন্যে রাজীবকে দায়ী না করে মাহমুদুর কে দায়ী কড়া উচিৎ। আর এই হুমকি দিয়ে কোন লিখকের লিখনিকে বাধাগ্রস্থ করার কোন অধিকার কারো নাই।

আইনঃ

গনপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
তৃতীয় ভাগঃ মৌলিক অধিকার

অনুচ্ছেদ ৩৮: চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতা এবং বাক স্বাধীনতা
(১) চিন্তা ও বিবেকের স্বাধীনতার নিশ্চয়তা দান করা হইল।
(২) রাষ্ট্রের নিরাপত্তা, বিদেশী রাষ্ট্রসমূহের সহিত বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক, জনশৃঙ্খলা, শালীনতা বা নৈতিকতার স্বার্থে কিংবা আদালত অবমাননা, মানহানি বা অপরাধ সংঘটনে প্ররোচনা সম্পর্কে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধের সাপেক্ষে-
-(ক) প্রত্যেক নাগরিকের বাক ও ভাব প্রকাশের স্বাধীনতার অধিকারের, এবং
-(খ) সংবাদ ক্ষেত্রের স্বাধীনতার
নিশ্চয়তা দান করা হইল।

আর,

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ ( ২০০৬ সনের ৩৯ নং আইন ) [৮ অক্টোবর ২০০৬]
অষ্টম অধ্যায়ঃ অপরাধ, তদন্ত, বিচার, দন্ড ইত্যাদি

অনুচ্ছেদ ৫৭: ইলেক্ট্রনিক ফরমে মিথ্যা, অশ্লীল অথবা মানহানিকর তথ্য প্রকাশ সংক্রান্ত অপরাধ ও উহার দণ্ড
(১) কোন ব্যক্তি যদি ইচ্ছাকৃতভাবে ওয়েব সাইটে বা অন্য কোন ইলেক্ট্রনিক বিন্যাসে এমন কিছু প্রকাশ বা সম্প্রচার করেন, যাহা মিথ্যা ও অশ্লীল বা সংশ্লিষ্ট অবস্থা বিবেচনায় কেহ পড়িলে, দেখিলে বা শুনিলে নীতিভ্রষ্ট বা অসৎ হইতে উদ্বুদ্ধ হইতে পারেন অথবা যাহার দ্বারা মানহানি ঘটে, আইন শৃঙ্খলার অবনতি ঘটে বা ঘটার সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়, রাষ্ট্র ও ব্যক্তির ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয় বা ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে বা করিতে পারে বা এ ধরনের তথ্যাদির মাধ্যমে কোন ব্যক্তি বা সংগঠনের বিরুদ্ধে উস্কানী প্রদান করা হয়, তাহা ইহলে তাহার এই কার্য হইবে একটি অপরাধ।
(২) কোন ব্যক্তি উপ-ধারা (১) এর অধীন অপরাধ করিলে তিনি অনধিক দশ বত্সর কারাদণ্ডে এবং অনধিক এক কোটি টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন ।

গতদুইদিনের কোন পোস্টই আমার কাছে এই দুই আইনের একটারও পরিপন্থী মনে হয় নাই। তাই সকল পাঠক ও ব্লগারকে সবিনয়ে অনুরোধ করব; মাথা ঠাণ্ডা করে সবাইকে সবার মতামত প্রকাশ করতে দিন। কেউ ভুল করলে সবার আগে তার নিজের বিবেক, তারপর সংবিধান ও পরবর্তীতে সম্পূরক আইন পড়ে পথ বাতলিয়ে দিন; কিন্তু দয়া করে ব্যক্তিগত আক্রমন করবেন না। যেহেতু যথারীতি কোন নাস্তিক বা কথিত উগ্র নাস্তিক ইস্টিশনে কট্টর আস্তিক বা ধর্মীয় মৌলবাদীদের হুমকি দেয় নাই কিন্তু বিপরীতটা হয়েছে সেহেতু সবাইকে বিশেষ করে আস্তিকদের সংযমী আচরণ করতে অনুরোধ করলাম। আমি কিছু মিস করলে দুঃখিত ইস্টিশনের ভালর জন্যেই বলছি উপরোক্ত অনুরোধক্রমে কাজ করুণ।

কেউ যদি মনে করেন নাস্তিকদের নাস্তিকতা নিয়ে লিখা বারন তবে নাস্তিকের পোস্টে প্রতীবাদ করার আগে দুনিয়াব্যাপী যে জাকির নায়েক আর হারুন ইয়াহিয়া ইসলাম ছাড়া অন্য সকল ধর্ম আর ননরিলিজিয়াসদের বাতিল করে পাগল প্রমান করছেন তাদের প্রতীবাদ করুণ। মনে রাখবেন বাস্তবতা বলে; নাস্তিকতা উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদীদের জন্ম দেয় না বরং উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদ মৌলবাদী নাস্তিকের জন্ম দেয়।

তাই এখনই সময় আমাদের বুঝতে হবে কোনটা স্বাস্থ্য আর কোনটা ব্যাধি। আজ পর্যন্ত দুনিয়াব্যাপী কোন নাস্তিক বা উগ্র নাস্তিক কাউকে কোপাতে আসে নি তবে নিয়মানুসারে প্রত্যাশিতভাবে যথারীতি উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদিরা বরাবরের মত জ্ঞানতাপসীদের জবাই করে আসছে। সময় থাকতে যদি আমরা ব্যাধির প্রতীবাদ না করি তবে স্বাস্থ্য অধরায় থেকে যাবে।

৮৬ thoughts on “স্বাস্থ্য নয় ব্যাধিই সংক্রামক; প্রসঙ্গঃ উগ্র নাস্তিকতা

  1. এইবার একটা পাইকারি

    এইবার একটা পাইকারি পরমানুগল্পঃ আফ্রিকার জঙ্গলে আমরা একদল সমাজ সংস্কারক গেলাম যার মধ্যে প্রায় অত্যাবশ্যকীয় সকল পেশার এক্সপার্ট ছিল যারমধ্যে একজন একটু বদমেজাজি। তো আমাদের অপারেশন শুরু হল দু-চারদিন না যেতেই বদরাগি টিম মেম্বার জংলীদের আদিম সংস্কারের তীব্র প্রতীবাদ করল আর আপত্তিকরভাবে তাদের অনুভূতিতে আঘাত করল। ফলশ্রুতিতে দু-দিন পর দেখা গেল জংলীরা আমাদের পুরা টিমকে তাড়িয়ে দিল আর ঐ টিমমেট কে খুন করে ফেলল।

    গল্পের ঐ বদরাগী চরিত্রে আপনি থাবা ওরফে রাজীবকে বসিয়ে কল্পনা করুন, আমার বক্তব্য পরিষ্কার হয়ে যাবে আপনার কাছে। আর ইস্টিশনে কে কাকে থ্রেট দিয়েছে সেটার ব্যাপারে আপনার একচোখা পর্যবেক্ষন দেখে অবাক হইনি। কারন যতোই মুক্তমনা হইনা কেন, আজও আমরা “স্বজনপ্রীতির” বাইরে গিয়ে উদার হতে শিখিনি। এটা বোধ হয় বাঙালির ডিএনএর গঠনেই নাই।

    1. আতিক ভাই দিলেনতো ১০০ মার্কের
      আতিক ভাই দিলেনতো ১০০ মার্কের পরীক্ষায় ২০ মার্ক ভুল করেছি বলে বাকি ৮০ তেও শুন্য বসিয়ে!! খালি আমিই স্বজন প্রেমিক… ভালই বলেছেন!! আমি কিন্তু থাবা বাবাকে ঐ যায়গায় বসিয়ে বা কল্পনা করেই লিখেছি… ভাল করে পড়ে দেখেন!! আর মহাকবির পোস্টে তর্কের বাইরে আমার একটা কমেন্ট আছে ওইটা বোধহয় খেয়াল করেন নি! (পোস্টটিতো সরিয়ে ফেলা হয়েছে…)

      1. আমার পর্যবেক্ষণে যা এসেছে তা

        আমার পর্যবেক্ষণে যা এসেছে তা হল গতদুইদিনে একজনকে হয়তো উগ্র (বা ছেলেমানুষী) নাস্তিক বলতে পারব অথচ আমার চোখে দুই বা ততোধিক ধর্মীয় মৌলবাদীর আত্মপ্রকাশ ঘটেছে।

        আপনি এখানে ধর্মীয় মৌলবাদী বলতে কাকে বুঝিয়েছেন? ব্যাখ্যা দেন।

        যেহেতু যথারীতি কোন নাস্তিক বা কথিত উগ্র নাস্তিক ইস্টিশনে কট্টর আস্তিক বা ধর্মীয় মৌলবাদীদের হুমকি দেয় নাই কিন্তু বিপরীতটা হয়েছে

        মহাকবির মন্তব্যগুলো কি আপনার কাছে খুব উদার মনে হয়েছে? তাহলে কেন বলব না আপনি স্বজনপ্রীতির দোষে দুষ্ট?

        1. উগ্র (বা ছেলেমানুষী) নাস্তিক!
          উগ্র (বা ছেলেমানুষী) নাস্তিক! তার কোন স্বজন যদি আস্তিকে আক্রান্ত হয়ে থাকে তবে সে ব্লগে তার উষ্মা প্রকাশ করবে না?
          কোন নাস্তিক কস্মিনকালেও কাউকে আক্রান্ত করে নি! তাই কারো বায়বীয় হুমকি বা যৌক্তিক আক্রমণে আপনি আপনার হাঁটু বয়সি একজনের সাথে এমন আচরণ করতে পারেন না!
          আমি আপনাকে অনেক ভাল পাই, আপনাকে ইস্টিশনে আসার পর থেকেই একটা মানদণ্ড হিসেবে দেখে এসেছি। কিন্তু সত্যি বলতে কি আপনি একটা ছোকরার সাথে খুবই ছেলেমানুষিপূর্ণ তর্ক করেছেন। আমি তাই তর্কে যায় নাই একটা পোস্ট দিলাম সব কিছুকে ধনাত্মক দিকে প্রশমিত করতে।
          দুই বা ততোধিক ধর্মীয় মৌলবাদীর মধ্যে আপনি আছেন কিনা পোস্ট ফলো করলেই বুঝতে পারবেন। দেখেন কে কীভাবে কথা বলে তর্কে।
          ভাল থাকবেন… অসংখ্য ধন্যবাদ!! আর পোস্টটি একটা গঠনমূলক মন্তব্য আমার পাওনা ছিল, আমার বেশীরভাগ পোস্টে আপনি বা মোশফেক প্রথমে মন্তব্য করত!! :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

          1. হাঁটুর বয়সি ইঁচড়ে পাকা যদি
            হাঁটুর বয়সি ইঁচড়ে পাকা যদি কেউ মাল্টি পরিচয় নিয়ে(প্রমাণিত) অতি পাকনামি করতে আসে, তাহলে তাকে সেটা বুঝিয়ে দেওয়াটা কর্তব্য মনে করেছি। আর গঠন মূলক মন্তব্যের কি কোন দরকার আছে? আপনাদের কাছে কেউ যদি আস্তিক হয় সে তো আর পাতে তোলার যোগ্য থাকে না। অতি নিম্নস্তরের কিছু একটা হয়ে যায়। তাই অতি নিম্নস্তরের কেউ মন্তব্য করলেই কি, আর না করলেই কি? ভালো থাকবেন। অনেক হইছে। আমি সাধারণত এতো প্যাঁচাল পারিনা। কিন্তু ইঁচড়ে পাকামি দেখে মাথায় জিদ চেপেছিল, তাই করলাম। এখানেই আপাতত ইতি টানছি। কারন ফলাফল তো জানি- তালগাছ আমার।

          2. আতিক ভাই আপনি আমায় ভুল
            আতিক ভাই আপনি আমায় ভুল বুঝতেছেন! দেখেন আমি কিন্তু খুব চেষ্টা করেছে ঐ তর্কে না যেতে। আমার কোন পোস্টই এমন ইস্যুতে ছিল না!! ভাল থাকবেন…
            একটা কথা বলতে মঞ্চায়ঃ যারযার তালগাছ তারতার, রাষ্ট্র সবার!! 😉

          3. হাঁটুর বয়সি ইঁচড়ে পাকা যদি

            হাঁটুর বয়সি ইঁচড়ে পাকা যদি কেউ মাল্টি পরিচয় নিয়ে(প্রমাণিত) অতি পাকনামি করতে আসে, তাহলে তাকে সেটা বুঝিয়ে দেওয়াটা কর্তব্য মনে করেছি।

            হাটুর বয়সি ইঁচড়ে পাকা বলতে কি বুঝালেন? মাল্টি নিক তো আপনাদের মতে, সেটি তো বার বার চেঁচিয়েই যাচ্ছেন, চেঁচাতে থাকুন। আপনি বয়সকে যখন মানদণ্ড হিসেবে ধরলেন তখন আমি বলব- হা হা প গে। এখানে আপনি ব্লগিং করেন। বয়সে বড় বলে একটা স্রদ্ধা এবং সম্মান দেখাই। কিন্তু, রাজা পুরুর সেই উক্তিটি মনে আছে তো? হয়তো আছে। এখন আমি একটা উক্তি করি-

            যুদ্ধের ময়দানে, আমি তোমাকে একজন যোদ্ধা হিসেবে চিনি। এর বাইরে তোমার আর কোনো পরিচয় জানার দরকার নাই

          4. আগেও একবার বলেছি, আবারও বলছি-
            আগেও একবার বলেছি, আবারও বলছি- অমিত না বুঝে ফাল পাড়া আপনার একটা স্বভাব। বয়সের প্রসঙ্গ কে টেনেছে? আমি? নাকি তারিক লিংকন?

          5. @তারিক লিঙ্কন ভাই, বয়স টানাটা
            @তারিক লিঙ্কন ভাই, বয়স টানাটা ভাল লাগেনি। বয়স কখনো মানদণ্ড হতে পারেনা। সরি, আতিক ভাই।

          6. বয়স কোন মানদণ্ড নয়! এইটা
            বয়স কোন মানদণ্ড নয়! এইটা সবক্ষেত্রে খাটবে না…
            যেমন মাদ্রাসার ১৫-১৬ বছরের বাচ্চাকে দিয়ে যেকোন নাস্তিকের পিছনে কুকুরের মত লেলিয়ে দেয়া যায় কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক কাউকে দিয়ে এইটা করানো যাবে না… তাই আমি বলেছি টিনেজ মহাকবি মালাঊনের পোস্টে এইভাবে আমার-আতিক ভাইয়ের মত বয়সীদের এইভাবে তর্ক না করে উপদেশের সুরে বললেই ভাল হত!!
            আবার, আমাদের দেশের মুসলমানেরা যতটা অসহনশীল ততটা আরবের ধার্মিকেরা না, কারণ আমাদের নিকটপূর্ব পুরুষেরাই ছিলেন হিন্দু; ইসলামি সংস্কৃতি এই অঞ্চলে শৈশবে বা, কৈশোরেতো তাই এমন রিএকশন হয়!! এইটাও সবসময় ঠিকনাও হতে পারে। একটা সম্ভাবনার কথা বললাম…

  2. কি বলব ভাই, আমি খুবই
    কি বলব ভাই, আমি খুবই নিচুমানের ব্লগার। এধরনের পোস্ট লেখার এখনো যোগ্যতা হয়নি। অসাধারন একটা পোস্ট দিয়েছেন। অসাধারন… “কেউ শুভাকাঙ্খী আর কেউ শোভাখাঙ্কি”—–অমিত লাবণ্য জয় হোক সবার। :bow: :bow: :bow: :bow:

    1. শুভাকাঙ্খী থেকে
      শুভাকাঙ্খী থেকে শোভাখাঙ্কি?
      কোন কথা হবে না; :bow: :bow: :bow:
      অমিত অনেক অনেক ধন্যবাদ দ্রুত ফিডব্যাক দেয়ায় ভেবেছিলাম কেউ চাপাতি নিয়া আসব!
      দেখি প্রনাম দিচ্ছে… ধন্যবাদ :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

      1. পোস্ট টি আসলেই অনেক ভাল
        পোস্ট টি আসলেই অনেক ভাল লেগেছে। চাপাতি নিয়ে ইশটিশনে আসার মত কাউরে দেখিনি, তবে আসলে অবাক হবনা 😀

        1. এইটাই আমাদের দোষ। আমরা
          এইটাই আমাদের দোষ। আমরা মানুষকে বিশ্বাস করি কিন্তু মানুষের মধ্যে লুকিয়ে থাকা হায়েনাদের খুঁজে বের করি না! আবারও ধন্যবাদ……

  3. ভালো লাগলো পড়ে। কথা হলো কেউ
    ভালো লাগলো পড়ে। কথা হলো কেউ যদি গরু ছাগল, আকাশ বাতাস কলাগাছকে ইশ্বর হিসেবে ভেবে নেয় তাতে কোনো ধর্মের লোকেরই অসুবিধা হয় না। সমস্যা হয় অবিশ্বাস করলে। উদ্ভট!

    1. কেউ যদি গরু ছাগল, আকাশ বাতাস

      কেউ যদি গরু ছাগল, আকাশ বাতাস কলাগাছকে ইশ্বর হিসেবে ভেবে নেয় তাতে কোনো ধর্মের লোকেরই অসুবিধা হয় না। সমস্যা হয় অবিশ্বাস করলে। উদ্ভট!

      — ভাল বলেছেন!! এইবার বুঝান… 😉

  4. যাই হোক, আপনাকে আমার কোন
    যাই হোক, আপনাকে আমার কোন প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে না। তালগাছ আপনাকে দিয়ে দিলাম। আমি যা বুঝাতে চেয়েছিলাম সেই প্রসঙ্গে আলোচনায় না গিয়ে খুবই কৌশলে আলোচনা ভিন্নখাতে নিয়ে আমাকে ধর্মীয় মৌলবাদী প্রমাণে উঠে পড়ে লেগেছেন কয়েকজন। আমি কি সেটা আমি ভালোই জানি। ধন্যবাদ আপনাদের। চলুক মুক্তবুদ্ধির চর্চার নামে থাবাগিরি। মতের সাথে মিললেই সে শুভাকাঙ্ক্ষী, আর না মিললেই শোভাখাঙ্কি? এই যদি হয় মুক্তবুদ্ধির চর্চার মানদণ্ড তাহলে সেই মুক্তবুদ্ধির মুখে পি করি।

    1. আতিক ভাই , ভুল বুঝলেন আমার
      আতিক ভাই , ভুল বুঝলেন আমার কোট করা লাইনটার মানে। কি আর বলব, এটা আমি সকালে ফেসবুকে দিয়েছিলাম। আমি মনে প্রাণে বিশ্বাস করি, আপনি ধর্মীয় মৌলবাদী না। মতের অমিল একজিনিস, আর মতের বিরুদ্ধে না গিয়ে, সেটা নিয়ে কোনো যুক্তি, তরকে না গিয়ে লেখালিখি বন্ধ করার আহ্বান, এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে হুমকী অন্য জিনিষ।

    2. উত্তর আমি দিয়েছি!! এইখানে
      উত্তর আমি দিয়েছি!! এইখানে বল্লেন তালগাছ আমাদের দিয়ে দিয়েছেন!! আবার উপরে বললেন তালগাছ আপনার!(নাকি খুটা মারলেন?)!! 🙁 ভাই আমার তালগাছটা না হয় আমারই থাক… 😉

  5. নাস্তিকতা উগ্র ধর্মীয়

    নাস্তিকতা উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদীদের জন্ম দেয় না বরং উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদ মৌলবাদী নাস্তিকের জন্ম দেয়।

    কিছুটা সহমত .,কারণ যখন দেখবে ধর্মের নামে মানুষ খুণ হচ্ছে তখন ধর্মের দিকে আকৃষ্ট হবার চেয়ে তার প্রতি খারাপ দৃষ্টি ই আসবে .।
    কিন্তু সেই উগ্র.,মৌলবাদ তো ধর্মের আসলরূপ নয় .।

    আর নাস্তিকতা ও নাস্তিকতা সংবলিত লিখার প্রতিবাদ করা টাই কি মৌলবাদীতা? আমার মনে হয় না .। আবার দেখুন নাস্তিকতা সংবিলিত লিখা গুল পড়ে অনেক আস্তিকের ধর্মানুভুতিতে তীব্র আঘাত লাগে .। যার প্রতিবাদ করতে করতে হয়তো সে জঙ্গীতে পরিনত হতে পারে তাই নয় কি?

    এ দিক থেকে দেখলে মৌলবাদীতার জন্যেও কিন্তু নাস্তিকিতা ও দ্বায়ী .।

    1. তাহলেতো প্রমান হয়েই গেল
      তাহলেতো প্রমান হয়েই গেল ধর্মীয় মৌলবাদ নিরাময় যোগ্য মানসিক ব্যাধি…
      এইবার চিকিৎসার পালা।। কোন নাস্তিক বা তথাকথিত উগ্র নাস্তিক কাউকে ফিজিক্যাল আক্রামন করেনি!! ধন্যবাদ জয় ভাই… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

      1. ভাই ধর্মীয় মৌলবাদ নিরাময় যগ্য
        ভাই ধর্মীয় মৌলবাদ নিরাময় যগ্য ব্যধী কিন্তু নিজ ধর্মে বিশ্বাস করা মানেই কি ধর্মীয় মৌলবাদ?

        আর নাস্তিকতা ও নাস্তিকতা সংবলিত লিখার প্রতিবাদ করা টাই কি মৌলবাদীতা? আমার মনে হয় না .। আবার দেখুন নাস্তিকতা সংবিলিত লিখা গুল পড়ে অনেক আস্তিকের ধর্মানুভুতিতে তীব্র আঘাত লাগে .। যার প্রতিবাদ করতে করতে হয়তো সে জঙ্গীতে পরিনত হতে পারে তাই নয় কি?

        এটার উত্তর দেন নি!

        1. নিজ ধর্মে বিশ্বাস করা অবশ্যই
          নিজ ধর্মে বিশ্বাস করা অবশ্যই ধর্মীয় মৌলবাদ নয়, তবে অন্যের মতামতে সহনশীলতা না দেখানটাই ধর্মীয় মৌলবাদীতার অংশ…
          “Violence is the last refuge of the incompetent.”―Isaac Asimov…
          “সহিংসতা অযোগ্যের শেষ আশ্রয়স্থল…”– আইজ্যাক আসিমভ!!

          1. মন্তব্যসমুহের নিরপেক্ষ
            মন্তব্যসমুহের নিরপেক্ষ তুলনামূলক বিশ্লেষণ করলেই তা বুঝতে পারবেন…

  6. ওরে ভাই রে হইছে !! থামেন
    ওরে ভাই রে হইছে !! থামেন থামেন । । সব কিছুর ইতি টানি আসেন , প্রচুর হইছে , থামানর আহবান করছি । আসেন আগের মত সহব্লগার টাইপ (যেটা এখন নেই) হয়ে যাই আমরা । আহবান টা শুনলে ভাল , নয় আপনারা ত্যানা পেচাইলে আমরাও পেচামু । লভ্যাংশও =০ (লিঙ্কন ভাই পূর্ণ সঙ্খার হিসাব কইরেন নাহ যেন) ।
    :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য: :নৃত্য:

      1. ধুর মিয়া আবার ভুল ধরেন ক্যা?
        ধুর মিয়া আবার ভুল ধরেন ক্যা? ওকে তুল্লেন যখন , শনেন আমরা আপনারা এই বিভক্তি এখন সুর হয়ে বাজছে । সেটা বন্ধ করতেই কইছি । ভাই আগেই কইছি কেচালে কেচালের জন্ম হয় । অফ যান / উলটা বুইঝা ভুল ধইরেন নাহ , যেটা কইছি আহবান জানাইছি ভাল্ল;আগ্লে কোন সবাই আপনি লিঙ্কন ভাই সবাই । রনা হইলে আর কি , ক্যারি অন ত্যানা পেচানি /।আমরাও পেচামু এই আর কি

          1. ঢং কইরাও কারো অনুভূতিতে তুমি
            ঢং কইরাও কারো অনুভূতিতে তুমি আঘাত করতে পারো না… :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

          2. ঢং কইরাও কারো অনুভূতিতে তুমি

            ঢং কইরাও কারো অনুভূতিতে তুমি আঘাত করতে পারো না.

            লিঙ্কন ভাই INDIRECTLY খোঁচা মারা বন্ধ করেন । নাইলে উলটা খোঁচাতে একটু বেশি বেথা পাইবেন / :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান:

    1. আমি আপনার আর আতিক ভাইয়ের মত
      আমি আপনার আর আতিক ভাইয়ের মত কোন আক্রমণাত্মক তর্ক করি নি!
      আমি পোস্ট দিলাম আর আমার সহব্লগার হিসেবে এই কমেন্ট দিলেন? ওইদিকে আরেকজন আপনার আর আতিকভাইয়ের মনে আমার সম্পর্কে সন্দেহের বিষ ডুকিয়ে বিদ্বেষ ছড়িয়েছে বলে আমার সাথে এমন করছেন? খুবই কষ্ট পাইলাম!!
      আসেন আগের মত সহব্লগার টাইপ (যেটা এখন নেই) হয়ে যাই আমরা । — এর সাথে বিরোদ্ধাচারন করে এমন কিছু কি আছে আমার পোস্টে?

      1. ওরে ভাই আপনি মিয়া বড্ড
        ওরে ভাই আপনি মিয়া বড্ড সিরিয়াস? আপনার পোস্ট নিয়া কিছু কই নাই !! সবাইরে কইছি রে ভাই /…। ধুরর । আর আপনি আমি কেন !!! কিন্তু বাস্তবে যে কিছু একটা গোলমেলে এটা মানবেন !!!
        আর আপনার নামে বিদ্বেষ নাই ।
        নাহ আর ভাল্লাগছে নাহ !!!

        1. নাচতে নেমে গুমটা টানলে যেমন
          নাচতে নেমে গুমটা টানলে যেমন হয় তেমনি হবে যদি এই আলচনায় সেরিয়াস না থাকি… না থাকুক তাই আশা করি…
          ভাল থেকো মোশফেক!! :গোলাপ:

          1. হুম আপনারা নাচেন আমি দেখি ।
            হুম আপনারা নাচেন আমি দেখি । আমিও নাচতে জানি । কিন্তু আমার ঘুমটা টানার দরকার হয় নাহ ।কারন ঘুমটা জিনিসটা আমি ইউজ করি নাহ । :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান: :শয়তান:
            আর হা লিঙ্কন ভাই এতদিন কইতেন আপনি , হটাত আমারে তুমি বলা শুরু করলেন ।
            জুনিয়রদেরও আপনি বলা হয় ব্লগ এ ইউ নো দ্যাট ?
            ইটস নট ফেসবুক !!!
            বয়স নিয়ে ত্যানা হিঁচড়া ভাল্লাগে নাহ । আর সিনিওর জুনিওর দেখলে আমিও কইমু আপনি ব্লগিং এ আমার থেইকা জুনিয়র ।
            যাই হোক বয়স আউট অফ সিলেবাস রাখেন । :ক্ষেপছি: :মানেকি:

          2. :হাহাপগে
            লিঙ্কন ভাই ভাল

            :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে
            লিঙ্কন ভাই ভাল থাকবেন । 😀 😀 😀 😀 😀 😀 😀 😀 😀 :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

          3. (No subject)
            :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি: :ভেংচি:
            :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা:

  7. দুই বন্ধুর মিলে কথা
    দুই বন্ধুর মিলে কথা হচ্ছে…
    ১মঃ আর বলিস না, ছেলেটার যন্ত্রনায় ঘরে থাকাই দায়!খালি আবদার আর কান্নাকাটি।
    ২য়ঃ বলিস কি!ওতো শিশু,যখন যা চাইবে তাই দিয়ে দিলেই হয়।
    ১মঃ মানলাম তোর কথা।মনে কর আমি এখন শিশু।তুই আমার পিতা।দেখি আমি যা চাইব তা দিয়ে আমাকে শান্তি করতে পারিস কি না?
    ২য়ঃ ঠিকাছে।
    ১মঃ আমাকে একটা হাতি কিনে দে।
    ২য়ঃ দিলাম।
    ১মঃ একটা ছোট্র পলিথিন কিনে দে।
    ২য়ঃ দিলাম।
    ১মঃ এখন হাতিটা পলিথিনের ভেতর ভরে দে… ক্যা ক্যা ক্যা

    এই হল নাস্তিকতা।যত সব ফালতু আবদার আর ক্যাচাল।

    জামাত শিবির যেমন তেমন নাস্তিক সামলানোই দায়!

    ছেড়ে দে মা কেদে বাঁচি!

    1. কি অকাট্য যুক্তিরে বাবা পুরাই
      কি অকাট্য যুক্তিরে বাবা পুরাই কুপোকাত…

      “সকল প্রথাগত উদ্ধত[যুক্তিপ্রমাণ ব্যতিরেকে উপস্থাপিত] ধর্মাবলী হচ্ছে প্রতারণাপূর্ণ বা হেত্বাভাসমূলক যা কোন আত্মসম্মানবোধ সম্পন্ন মানুষের পক্ষে চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হতে পারে না”

    2. আমি সত্যি সুখি এটা জেনে যে
      আমি সত্যি সুখি এটা জেনে যে দেশে এখন নাস্তিক সামলানোই কঠিন ! জামাত শিবিরের চাইতেও নাস্তিক সামলানো দায় হয়ে পড়েছে …! শান্তি দিলেন ভাইয়া সৈয়দ গোলাম শহীদ !

  8. আমাদের দৌড়ের উপরই রাখুন!
    আমাদের দৌড়ের উপরই রাখুন! জামাত হেফাজত ক্ষমতায় আসলে আমাদেরকে দৌড়ের ঊপর রাখার জন্য আপনাদেরকে রাষ্ট্রীয় সম্মানে ভূষিত করবে!

  9. উগ্র আস্তিকতা মৌলবাদের জন্ম
    উগ্র আস্তিকতা মৌলবাদের জন্ম দেয় আর উগ্র নাস্তিকতা আদপাগল “হনু” দের জন্ম দেয়।

    মৌলবাদী এবং চুলকানি নাস্তিক (ওরফে হনু) দু পক্ষই মানসিক বিকার গ্রস্থ, এদের মধ্যে কোন ব্যাবধান নেই।

    1. আপনার তাল গাছ আমার জাতীয়
      আপনার তাল গাছ আমার জাতীয় মন্তব্যের প্রতিমন্তব্য করতে ইচ্ছা করছিল না। তবে দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়া হবে ভেবে কিছু বলতে মঞ্চায়!!
      নিজের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া বিশ্বাসকে সঠিক আর বাকি ৮০% মানুষকে বেঠিক ভাবার কতটুকু বৈজ্ঞানিক যুক্তি ও গ্রহণযোগ্য ভিত্তি আছে সেই সিদ্ধান্তও বিচারকর্তা হিসেবে অপ্রতিরদ্ধ সময়ই বলে দিবে।। [ক্লু-বিশ্বের কোন ধর্মের প্রেক্টিশিয়ান ফলোয়ারই ১৪০ কোটির বেশী না বরং ১২০ কোটিরও কম…!]

  10. আজ পর্যন্ত দুনিয়াব্যাপী কোন

    আজ পর্যন্ত দুনিয়াব্যাপী কোন নাস্তিক বা উগ্র নাস্তিক কাউকে কোপাতে আসে নি তবে নিয়মানুসারে প্রত্যাশিতভাবে যথারীতি উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদিরা বরাবরের মত জ্ঞানতাপসীদের জবাই করে আসছে।

    এর চেয়ে সত্য আর কিছু দেখি না। এবং এর কোন প্রতি উত্তরও কাউকে দিতে দেখি নি।
    বরং অত্যন্ত হাস্যকর ভাবে বলতে দেখি নাস্তিকতার জন্য চাপাতির কোপ খেয়েছে।
    এই কথা যারা সমর্থন করে তারা মৌলবাদের সমর্থক।
    ইস্টিশন ব্লগের সদস্যদের অনেক উদারমনা ভেবেছিলাম। কিন্তু সামান্য একটি পোস্টেই ( কোন আহামরি পোস্ট ছিল না) যে বিভেদের সৃষ্টি হয়েছে তা যত তাড়াতাড়ি সম্ভব দূর করতে পারলেই ভালো।

    1. স্বপ্নচারী-ভাই শুধু সমর্থক
      স্বপ্নচারী-ভাই শুধু সমর্থক বললে কম বলা হবে; বলতে হয় মৌলবাদের ইন্ধনদাতা…
      আর প্রতি উত্তর কি দিবেন! তারাতো ত্যানা পেঁচিয়ে যুক্তি থেকে সড়ে যাইতে চান!!
      ধন্যবাদ পাশে থাকার জন্যে ও সত্য উপলব্ধি করার জন্যে… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

      1. যারা বলেন, নাস্তিকতা বা তাদের
        যারা বলেন, নাস্তিকতা বা তাদের মতে উগ্র নাস্তিকতা চাপাতির কোপ খাওয়ার জন্য প্রধান কারন, ঠিক তারাই শুধু বলতে পারেন যে নারীর পোশাকই ধর্ষণের কারন।

        1. অমিত, আপনার স্বভাব তো দেখি
          অমিত, আপনার স্বভাব তো দেখি এরশাদ কাগুর মতো। সকালে এক কথা, বিকালে আরেক কথা। গতকাল রাতে আমার পোস্টের মূল বক্তব্যে সমর্থন দিয়ে, আজকে এখানে আবার সুর পাল্টে কথা বলছেন। ভালো তো… ভালো না?
          আর তারিক লিংকন ভাই, আপনার নাস্তিকতামূলক গোয়ার্তুমি দেখে অবাক হলাম। এখানে কেউ মৌলবাদকে ইন্ধন দেয়নি। কল্পনায় আপনি যা ইচ্ছা তাই দেখে নিতে পারেন সমস্যা নাই তো।
          আপনার কাছে আমি সরাসরি একটা প্রশ্ন জানতে চাচ্ছি, কারন অনেক ত্যানা প্যাচাইছেন আসল প্রশ্ন এড়িয়ে গিয়ে- আপনি কি থাবার মতো যারা বানোয়াট অশ্লীল কাহিনী ফেঁদে ধর্মের সমালোচনা করে নাস্তিকতার প্রচার করতে চায় তাদের সমর্থন করেন?

          1. মুল বক্তব্যের সাথে একমত আছি।
            মুল বক্তব্যের সাথে একমত আছি। থাবার সাথে আমি নাই। ভুল বুঝলে কিছু করার নাই ভাই

          2. যারা বলেন, নাস্তিকতা বা তাদের

            যারা বলেন, নাস্তিকতা বা তাদের মতে উগ্র নাস্তিকতা চাপাতির কোপ খাওয়ার জন্য প্রধান কারন, ঠিক তারাই শুধু বলতে পারেন যে নারীর পোশাকই ধর্ষণের কারন।

            তাহলে এটা কি? “তাঁদের মতে উগ্র নাস্তিকতা” দিয়ে আপনি কি বুঝাইছেন?
            আমার পোস্টের কোথাও বলা নাই উগ্র নাস্তিকতাই প্রধান কারন। নিজে নিজেই কল্পনা করে নিলে হবে? অস্বীকার করতে পারবেন থাবার লেখা দেখিয়ে দেখিয়ে গ্রামে গ্রামে, উপজেলায় উপজেলায় জামাত-হেফাজতিরা তাদের পক্ষে জনমত গড়েনি? তাহলে থাবার লেখা অস্ত্র হিসেবে ইউজড হইল কি হইল না? এই যুক্তি দিতে আইসেন না, থাবার লেখা না থাকলেও তারা অস্ত্র ঠিকই খুঁজে নিত। হুম সেটা আমিও এর আগে ফেসবুকসহ বিভিন্ন জায়গায় বলছি। সেক্ষেত্রে আমার পোস্ট লেখার প্রয়োজন পড়ত না। সিম্পল।

          3. উগ্র নাস্তিকতা বলে কিছু
            উগ্র নাস্তিকতা বলে কিছু নেই,আর উগ্র ধর্মচর্চা কারী বলে কিছু নেই। একজন ঈশ্বর বা আল্লাহ নিয়ে চটি লিখে ফেললে সেটাকে নাস্তিকতা বলা যায়না। যে জিনিসের অস্তিত্ব নেই, তাকে নিয়ে চটি লেখা যায়না। এটা শুধু ধর্মীয় উস্কানী জোগান দেয়। শুধু এটাই বলি, নাস্তিকতা বা তথাকথিত উগ্র নাস্তিকতা সমস্যা টা কি সৃষ্টি করছে? কই আমার বাবা-মা তো গিয়ে থাবা কে মারলো না। কারা মারলো জানেন? থাবার মত একদল লোক যারা থাবার চেয়ে হিংস্র।

          4. তাহলে যখন থাবার মতো লেখকরা
            তাহলে যখন থাবার মতো লেখকরা ওইধরনের লেখা লিখেছিল এবং সেটাকে নাস্তিকতার প্রচারণা হিসেবে দাবী করত তখন কোন নাস্তিক তো প্রতিবাদ করে নাই। বরং পিঠ চাপড়ে দিয়েছিলো। ধর্মকারীর অশ্লীল কার্টুন বাংলাদেশের অনলাইন জগতের বিখ্যাত বিখ্যাত নাস্তিকদের সগৌরবে শেয়ার করতে দেখেছি। তখন তো এই কথা কেউ বলে নাই এসবকে নাস্তিকতা বলা যায় না?
            আমি আমার লেখায় এই বিষয়টাই তুলে ধরতে চেয়েছি দেখে আকারে ইঙ্গিতে আমাকে মোউলবাদের ইন্ধনদাতা বানায়ে দিলেন আপনারা। এতো ডাবল স্ট্যান্ডার্ড নিয়ে চলেন কেন আপনারা?
            যাই হোক, আমি আমার উত্তর আপনার কাছ থেকে পেয়ে গেছি (যদিও আপনি এখনও কনফিউজিং লেভেলেই আছেন, কিন্তু হুদাই তর্ক করতে ভালো লাগছে না।) এখন তারিক লিংকন ভাইয়ের কাছে যে প্রশ্নটা রেখেছি সেটার উত্তর পেলে এই চ্যাপ্টার ক্লোজ।

          5. আমি কনফিউজড না। আমি জানি আমি
            আমি কনফিউজড না। আমি জানি আমি কি, তবে আপনারা এখনো ধরতে পারেন নি, কিছু লিখা লিখলেই টোন ভালকরে ধরতে পারবেন আশা করি। আমি জানি আপনি মৌলবাদের ইন্ধনদাতা নন। ইশটিশনে এমন কাউকেই এখনো দেখিনি। সো, এই কথা নিজের গায়ে মাখবেন না…সুস্থ থাকুন

          6. সুস্থ থাকুন আর মনে রাখুন
            সুস্থ থাকুন আর মনে রাখুন ধর্মীয় মৌলবাদ নিরাময়যোগ্য ব্যাধি… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

          7. আর আরেকটা কথা, যারা কোপানোর
            আর আরেকটা কথা, যারা কোপানোর তারা আমাকে পেলেও কোপাবে, যদিও আমি চটি লিখবোনা। এটাই হল পয়েন্ট, যারা ধর্ষণ করার তারা ৫ মাসের শিশুকেও ছাড়েনা…নগ্ন হয়ে রাস্তা দিয়ে গেলো কিনা সেটা তাদেরকাছে মুখ্য না

          8. ‘অশ্লীল’ শব্দটা যথার্থ
            ‘অশ্লীল’ শব্দটা যথার্থ বানোয়াট নয়!
            দুনিয়ার কোন আদর্শ বা বিশ্বাসই পূর্ববর্তী বিশ্বাস বা আদর্শের ভুল না ধরে প্রতিষ্ঠিত হয় নি।।
            যদি অপেক্ষাকৃত পূর্ববর্তীটা নির্বোধ মনে হয় তবে পরবর্তীটা ততটাই অমানবিক আর পাশবিক মনে হয়। আমি ভাই সবসময়ই অহিংস তাই রক্তপাত থেকে শান্তি পছন্দ করি কেননা ২+২=৩ ও ২+২=৫ দুইটাই সমান ভুল…

      2. আজ পর্যন্ত দুনিয়াব্যাপী কোন

        আজ পর্যন্ত দুনিয়াব্যাপী কোন নাস্তিক বা উগ্র নাস্তিক কাউকে কোপাতে আসে নি তবে নিয়মানুসারে প্রত্যাশিতভাবে যথারীতি উগ্র ধর্মীয় মৌলবাদিরা বরাবরের মত জ্ঞানতাপসীদের জবাই করে আসছে।

        এর চেয়ে সত্য আর কিছু দেখি না। এবং এর কোন প্রতি উত্তরও কাউকে দিতে দেখি নি।

        আমি প্রতিউত্তর দিচ্ছি। আজ পর্যন্ত দুনিয়াব্যাপি কোন নাস্তিক কাউকে কোপায় নাই, কিন্তু জোসেফ স্ট্যালিন শুধুমাত্র ১৯৩৭ সালেই মোর দ্যান ৮৫,০০০ অর্থোডক্স ক্রিশ্চিয়ান কে গুলি করে হত্যা করেছিলেন। বাকী ইতিহাস নেট ঘাঁটলেই পেয়ে যাবেন। তাই ক্ষমতায় থাকলে কে কিরকম আচরণ করতে পারে সেটা এতো নিশ্চিত হয়ে বলেন কিভাবে?

        আর রাজীব যে নাস্তিকতার জন্য চাপাতির কোপ খায়নি সেটা আপনি যেমন জানেন, আমিও জানি। কিন্তু হত্যাকারীদের মূল হোতা হত্যার ইন্ধন দিয়েছে রাজীবের লেখাগুলো দেখিয়েই। আমি গলা ফাটিয়ে সেটাই আপনাদের বুঝাতে চেয়ে ব্যর্থ হলাম। কারন পোস্টের শিরোনামে “নাস্তিক” শব্দ দেখেই সব নাস্তিকের অনুভূতিতে আঘাত লেগে গেছে। প্রতিক্রিয়াশীল তো আপনারাও কম না দেখা যাচ্ছে।

        1. স্ত্যালিন, হিটলার আর পলপট তিন
          স্ত্যালিন, হিটলার আর পলপট তিন জনেই অবিশ্বাসী বা নাস্তিক ছিলেন । তিন জনেই খুনি ছিলেন । লক্ষ লক্ষ লোক খুন করেছেন । খুনি তো খুনি ই, এই এই তিন জন তাই ইতিহাসে খুনি হয়েই আছেন । প্রশ্ন টা হোল সে খুন গুলো কি নাস্তিকতা রক্ষার জন্যে বা প্রসারের জন্যে ছিল ? নাকি রাজনৈতিক ক্ষমতা ধরে রাখার ও বিস্তারের জন্যে ছিল ? কিন্তু রাজনিতির বাইরে ধর্ম রক্ষার জন্যে খুন, হামলা, বসত থেকে উচ্ছেদ, উপাসনালয় ধ্বংস সে সবের সাথে স্ত্যালিন বা পলপট এর খুন গুলো কি এক ? দুই দল ই ঘৃণিত – একদল ধর্মের নামে আরেকদল ক্ষমতা দখল ও বাড়ানোর নামে খুন করেছে । আপনি দ্বিতীয় দলটির খুনের দায় নাস্তিকতার উপরে দিচ্ছেন। দিতেই পারেন । as if – স্ত্যালিন, হিটলার আর পলপট নাস্তিক না হলে এই খুন গুলো হতো না ? রিগ্যান – বুশ – ছোট বুশ – আর হাল আমলের অবামা এরা সবাই কিন্তু আস্তিক ! আপনার দেয়া উদাহরন টি আরেকবার ভেবে দেখবেন ?

          ডাক্তার আতিক, আপনি প্রতিক্রিয়া কে কি negatively নিচ্ছেন ? প্রতিক্রিয়া – দ্বিমত এর একটা ovbious meaning হচ্ছে আপনার লেখাটি অনেক কে ভাবিয়েছে । agree করা কিন্তু সব চেয়ে সহজ কাজ – দ্বিমত করা – প্রতিক্রিয়া দেখানো তার চেয়ে একটু কঠিন । আর constructive reaction is a positive outcome of your writings – অন্তত আমি তাইই মনে করি । lets write and let other people to write on that.

          1. Raised in the Georgian

            Raised in the Georgian Orthodox faith, Stalin became an atheist. He followed the position that religion was an opiate that needed to be removed in order to construct the ideal communist society. His government promoted atheism through special atheistic education in schools, anti-religious propaganda, the antireligious work of public institutions (Society of the Godless), discriminatory laws, and a terror campaign against religious believers. By the late 1930s it had become dangerous to be publicly associated with religion.

            স্ট্যালিন সম্পর্কে উইকিতে ঠিক এভাবেই লেখা আছে। বাংলাদেশে মৌলবাদী গোষ্ঠীও কি মনে করেন ধর্ম রক্ষার জন্য হত্যা করে? হা হা হা… তাহলে বলব আপনি বোকার স্বর্গে বসবাস করছেন। এখানেও সেই একই ক্ষমতার লোভে ধর্মকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। স্ট্যালিন যেভাবে এথিজমকে ব্যবহার করেছেন। এখানেই আমার মূল ফোকাস। উগ্রবাদীতা একটি অসুস্থ্যতা। সে ধার্মিক হোক, আর নিধার্মিক হোক, যে উগ্র সে উগ্রতার পথেই হাঁটবে। এটা অনেকটাই জেনেটিক গঠন এবং ছোট বেলা থেকে তার পারিবারিক-সামাজিক এবং অন্যান্য ফ্যাক্টরে বেড়ে ওঠার ফলেই অর্জন করে। বাংলাদেশে কয়জন ধার্মিক চাপাতি হাতে খুন করতে নেমে যায়? আপনি সবকিছু বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দিয়ে বিশ্লেষণ করতে পছন্দ করেন। ওয়েল, আমিও করি। তাহলে যুক্তি অনুযায়ী সকল ধার্মিকের উগ্র মৌলবাদী হওয়ার কথা। কেন হয় না? কারন, ঐ মানসিক গড়ন। তাই নাস্তিকতার মাঝেও যে উগ্রতার জন্মও নেবে না সেটা আপনি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারেন না। সংখ্যা গরিষ্ঠ হলে যাদের মানসিক গড়নে উগ্রতা আছে তারাও তখন চাপাতি হাতে ধার্মিক নিধনে নামবে, এটাই বেশী যুক্তিযুক্ত। আপনি মানুষের নৃ-তাত্ত্বিক ইতিহাস ঘাঁটলেই দেখবেন উগ্রতা মানুষের মধ্যে সবসময়ই ছিল। শেষ একটা প্রশ্ন করি- সমাজ থেকে ধর্ম বিলুপ্ত হয়ে গেলে কি মনে করেন হানাহানি বন্ধ হয়ে যাবে?

          2. আতিক, ধর্ম গ্রন্থ গুলো ধর্ম
            আতিক, ধর্ম গ্রন্থ গুলো ধর্ম রক্ষার জন্যে মানুষ হত্যা কে কি অনুমদন দেয় ? সরাসরি উত্তর জানা থাকলে বলবেন।

          3. ধর্ম গ্রন্থ আমার যতটুকু পড়া
            ধর্ম গ্রন্থ আমার যতটুকু পড়া আছে সেখানে অযথা মানুষ হত্যার অনুমোদন দেওয়া নেই। আপনি প্রশ্ন তুলেছেন ধর্ম রক্ষার জন্য হত্যার অনুমোদন দেয় কিনা? তাহলে পৃথিবী থেকে জাতীয়তাবাদ জিনিসটারও বিলুপ্তি ঘটানো দরকার। কারন দেশ রক্ষার জন্যও হানাহানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এবং পৃথিবীর ইতিহাসে রাজনৈতিক হানাহানির সংখ্যা অনেক অনেক বেশী। তাহলে রাজনীতিও বিলুপ্ত করা উচিৎ? ছেলেমানুষি প্রশ্ন করে ফেললাম সারোয়ার ভাই? আসলে আমি ধর্ম রক্ষাকর্তা হিসেবে মোটেও লেখালেখি শুরু করিনি, কিন্তু মনে হচ্ছে আলোচনার মোড় ঘুরতে ঘুরতে এমন একটা যায়গায় গিয়ে দাঁড়াচ্ছে আমাকে বোধ হয় হেফাজতের আল্লামা শফি বানায়ে ছাড়বেন। লোল…

          4. আপনার শেষ লাইনের বিপরীতে
            আপনার শেষ লাইনের বিপরীতে বলছি, মোটেও তা নয় । সকল হত্যা unacceptable সে রাজনৈতিক হা ধর্মীয় উন্মাদনা দিয়ে হোক না কেন। আপনার শঙ্কার বিপরীতে বলি … আমার বন্ধু দের value বুঝি, ভিন্ন মতের মানুশদের ও value আমি বুঝি, শত্রু দের value ও আমি বুঝি । একটু বেরুচ্ছি, পড়ে এই জায়গা থেকে শুরু করব।

          5. আমি এই বিতর্কে যাচ্ছি না,
            আমি এই বিতর্কে যাচ্ছি না, কারন যেই লাউ সেই কদু । কেউ কারো অবস্থান থেকে একচুল-ও সরবে না । মাঝখান থেকে সুন্দর একটা পরিবেশ নষ্ট হবে । তবে ইসলামে কি বলা হয়েছে মানুষ (যদি অন্য ধর্মাবল্মীদের মানুষ ধরা হয়,ইসলামে সর্বত্রই কাফির বলা হয়েছে) হত্যা সম্পর্কে তা আমি উল্লেখ করতে পারি আমার এক বন্ধুর লেখা থেকে । ধর্ম নিয়ে তর্ক করতে হলে তা ভালভাবে পড়লেই বোঝা যায়( যদিও একেকজনের একেকরকম প্রতিক্রিয়া হয়)
            -আর তাদেরকে হত্যাকর যেখানে পাও সেখানেই এবং তাদেরকে বের করে দাও সেখান থেকে যেখান থেকে তারা বের করেছে তোমাদেরকে| বস্তুত: ফেতনা ফ্যাসাদ বা দাঙ্গা-হাঙ্গামা সৃষ্টি করা হত্যার চেয়েও কঠিন অপরাধ| আর তাদের সাথে লড়াই করো না মসজিদুল হারামের নিকটে যতক্ষণ না তারা তোমাদের সাথে সেখানে লড়াই করে| অবশ্য যদি তারা নিজেরাই তোমাদের সাথে লড়াই করে| তাহলে তাদেরকে হত্যা কর| এই হল কাফেরদের শাস্তি| ২-১৯১

            -আর তারা যদি বিরত থাকে, তাহলে আল্লাহ্ অত্যন্ত দয়ালু| ২-১৯২

            -আর তোমরা তাদের সাথে লড়াই কর, যে পর্যন্ত না ফেতনার অবসান হয় এবং আল্লাহ্র দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হয়| অত:পর যদি তারা নিবৃত হয়ে যায় তাহলে কারো প্রতি কোন জবরদস্তি নেই, কিন্তু যারা যালেম (তাদের ব্যাপারে আলাদা)| ২-১৯৩

            -তোমাদের উপর যুদ্ধ ফরয করা হয়েছে, অথচ তা তোমাদের কাছে অপছন্দনীয়| পক্ষান্তরে তোমাদের কাছে হয়তো কোন একটা বিষয় পছন্দসই নয়, অথচ তা তোমাদের জন্য কল্যাণকর| আর হয়তোবা কোন একটি বিষয় তোমাদের কাছে পছন্দনীয় অথচ তোমাদের জন্যে অকল্যাণকর| বস্তুত: আল্লাহ্ই জানেন, তোমরা জান না| ২-২১৬

            -আল্লাহ্র পথে লড়াই কর এবং জেনে রাখ, নি:সন্দেহে আল্লাহ্ সবকিছু জানেন, সবকিছু শুনেন| ২-২৪৪

            -অতএব যারা কাফের হয়েছে, তাদেরকে আমি কঠিন শাস্তি দেবো দুনিয়াতে এবং আখেরাতে-তাদের কোন সাহায্যকারী নেই| ৩-৫৬

            -খুব শীঘ্রই আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করবো| কারণ, ওরা আল্লাহ্র সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করে যে সম্পর্কে কোন সনদ অবতীর্ণ করা হয়নি| আর ওদের ঠিকানা হলো দোযখের আগুন| বস্তুত: জালেমদের ঠিকানা অত্যন্ত নিকৃষ্ট| ৩-১৫১

            -কাজেই আল্লাহ্র কাছে যারা পার্থিব জীবনকে আখেরাতের পরিবর্তে বিক্রি করে দেয় তাদের জেহাদ করাই কর্তব্য| বস্তুত: যারা আল্লাহ্র রাহে লড়াই করে এবং অত:পর মৃত্যুবরণ করে কিংবা বিজয় অর্জন করে, আমি তাদেরকে মহাপুর্ণ্য দান করব| ৪-৭৪

            -তারা চায় যে, তারা যেমন কাফের, তোমরাও তেমনি কাফের হয়ে যাও, যাতে তোমরা এবং তারা সব সমান হয়ে যাও| অতএব, তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না, যে পর্যন্ত না তারা আল্লাহ্র পথে হিজরত করে চলে আসে| অত:পর যদি তারা বিমুখ হয়, তবে তাদেরকে পাকড়াও কর এবং যেখানে পাও হত্যা কর| তাদের মধ্যে কাউকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করো না এবং সাহায্যকারী বানিও না| ৪-৮৯

            -গৃহে উপবিষ্ট মুসলমান-যাদের কোন সঙ্গত ওযর নেই এবং ঐ মুসলমান যারা জান ও মাল দ্বারা আল্লাহ্র পথে জেহাদ করে,-সমান নয়| যারা জান ও মাল দ্বারা জেহাদ করে, আল্লাহ্ তাদের পদমর্যাদা বাড়িয়ে দিয়েছেন গৃহে উপবিষ্টদের তুলনায় এবং প্রত্যেকের সাথেই আল্লাহ্ কল্যাণের ওয়াদা করেছেন| আল্লাহ্ মুজাহেদীনকে উপবিষ্টদের উপর মহান প্রতিদানে শ্রেষ্ঠ করেছেন| ৪-৯৫

            -যারা আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের সাথে সংগ্রাম করে এবং দেশে হাঙ্গামা সৃষ্টি করতে সচেষ্ট হয়, তাদের শাস্তি হচ্ছে এই যে, তাদেরকে হত্যা করা হবে অথবা শূলীতে চড়ানো হবে অথবা তাদের হস্তপদসমূহ বিপরীত দিক থেকে কেটে দেয়া হবে অথবা দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে| এটি হল তাদের জন্য পার্থিব লাঞ্ছনা আর পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে কঠোর শাস্তি| ৫-৩৩

            -যখন নির্দেশ দান করেন ফেরেশতাদিগকে তোমাদের পরওয়ারদেগার যে, আমি সাথে রয়েছি তোমাদের, সুতরাং তোমরা মুসলমানদের চিত্তসমূহকে ধীরস্খির করে রাখ| আমি কাফেরদের মনে ভীতির সঞ্চার করে দেব| কাজেই গর্দানের উপর আঘাত হান এবং তাদেরকে কাট জোড়ায় জোড়ায়| ৮-১২

            -হে ঈমানদারগণ, তোমরা যখন কাফেরদের সাথে মুখোমুখী হবে, তখন পশ্চাদপসরণ করবে না| ৮-১৫

            -আর তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাক যতক্ষণ না ভ্রান্তি শেষ হয়ে যায়; এবং আল্লাহ্র সমস্ত হুকুম প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়| তারপর যদি তারা বিরত হয়ে যায়, তবে আল্লাহ্ তাদের কার্যকলাপ লক্ষ্য করেন|৮-৩৯

            -সুতরাং যদি কখনো তুমি তাদেরকে যুদ্ধে পেয়ে যাও, তবে তাদের এমন শাস্তি দাও, যেন তাদের উত্তরসূরিরা তাই দেখে পালিয়ে যায়; তাদেরও যেন শিক্ষা হয়| ৮-৫৭

            -আর কাফেররা যেন একা যা মনে না করে যে, তারা বেঁচে গেছে; কখনও এরা আমাকে পরিশ্রান্ত করতে পারবে না|৮-৫৯

            -আর প্রস্তুত কর তাদের সাথে যুদ্ধের জন্য যাই কিছু সংগ্রহ করতে পার নিজের শক্তি সামর্থ্যরে মধ্যে থেকে এবং পালিত ঘোড়া থেকে, যেন প্রভাব পড়ে আল্লাহ্র শুত্রুদের উপর এবং তোমাদের শত্রুদের উপর আর তাদেরকে ছাড়া অন্যান্যদের উপর ও যাদেরকে তোমরা জান না; আল্লাহ্ তাদেরকে চেনেন| বস্তুত: যা কিছু তোমরা ব্যয় করবে আল্লাহ্র রাহে, তা তোমরা পরিপূর্ণভাবে ফিরে পাবে এবং তোমাদের কোন হক অপূর্ণ থাকবে না ৮-৬০

            -অত:পর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর| আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক| কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও| নিশ্চয় আল্লাহ্ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু| ৯-৫

            -যুদ্ধ কর ওদের সাথে, আল্লাহ্ তোমাদের হস্তে তাদের শাস্তি দেবেন| তাদের লাঞ্ছিত করবেন, তাদের বিরুদ্ধে তোমাদের জয়ী করবেন এবং মুসলমানদের অন্তরসমূহ শান্ত করবেন| ৯-১৪

            -যারা ঈমান এনেছে, দেশ ত্যাগ করেছে এবং আল্লাহ্র রাহে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জেহাদ করেছে, তাদের বড় মর্যাদা রয়েছে আল্লাহ্র কাছে আর তারাই সফলকাম| ৯-২০

            -তোমরা যুদ্ধ কর আহলে-কিতাবের ঐ লোকদের সাথে, যারা আল্লাহ্ ও রোজ হাশরে ঈমান রাখে না, আল্লাহ্ ও তাঁর রসূল যা হারাম করে দিয়েছেন তা হারাম করে না এবং গ্রহণ করে না সত্য ধর্ম, যতক্ষণ না করজোড়ে তারা জিযিয়া প্রদান করে| ৯-২৯

            -ইহুদীরা বলে ওযাইর আল্লাহ্র পুত্র এবং নাসারারা বলে ‘মসীহ আল্লাহ্র পুত্র’| এ হচ্ছে তাদের মুখের কথা| এরা পূর্ববর্তী কাফেরদের মত কথা বলে| আল্লাহ্ এদের ধ্বংস করুন, এরা কোন উল্টা পথে চলে যাচ্ছে| ৯-৩০

            -হে ঈমানদারগণ, তোমাদের কি হল, যখন আল্লাহ্র পথে বের হবার জন্যে তোমাদের বলা হয়, তখন মাটি জড়িয়ে ধর, তোমরা কি আখেরাতের পরিবর্তে দুনিয়ার জীবনে পরিতুষ্ট হয়ে গেলে? অথচ আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের উপকরণ অতি অল্প| ৯-৩৮

            -যদি বের না হও, তবে আল্লাহ্ তোমাদের মর্মন্তুদ আযাব দেবেন এবং অপর জাতিকে তোমাদের স্খলাভিষিক্ত করবেন| তোমরা তাঁর কোন ক্ষতি করতে পারবে না, আর আল্লাহ্ সর্ববিষয়ে শক্তিমান| ৯-৩৯

            -তোমরা বের হয়ে পড় স্বল্প বা প্রচুর সরঞ্জামের সাথে এবং জেহাদ কর আল্লাহর পথে নিজেদের মাল ও জান দিয়ে, এটি তোমাদের জন্যে অতি উত্তম, যদি তোমরা বুঝতে পার| ৯-৪১

            -হে নবী, কাফেরদের সাথে যুদ্ধ করুন এবং মুনাফেকদের সাথে তাদের সাথে কঠোরতা অবলম্বন করুন| তাদের ঠিকানা হল দোযখ এবং তাহল নিকৃষ্ট ঠিকানা|৯-৭৩

            -কিন্তু রসূল এবং সেসব লোক যারা ঈমান এনেছে, তাঁর সাথে তারা যুদ্ধ করেছে নিজেদের জান ও মালের দ্বারা| তাদেরই জন্য নির্ধারিত রয়েছে কল্যাণসমূহ এবং তারাই মুক্তির লক্ষ্যে উপনীত হয়েছে| ৯-৮৮

            – আল্লাহ্ ক্রয় করে নিয়েছেন মুসলমানদের থেকে তাদের জান ও মাল এই মূল্যে যে, তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত| তারা যুদ্ধ করে আল্লাহ্র রাহে: অত:পর মারে ও মরে| তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল| আর আল্লাহ্র চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেন-দেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে| আর এ হল মহান সাফল্য| ৯-১১১

            -হে ঈমানদারগণ, তোমাদের নিকটবর্তী কাফেরদের সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যাও এবং তারা তোমাদের মধ্যে কঠোরতা অনুভব করুক্ আর জেনে রাখ, আল্লাহ্ মুত্তাকীদের সাথে রয়েছেন| ৯-১২৩

            -বরং আমি তাদেরকে এবং তাদের বাপ-দাদাকে ভোগসম্বার দিয়েছিলাম, এমনকি তাদের আয়ুস্কালও দীর্ঘ হয়েছিল| তারা কি দেখে না যে, আমি তাদের দেশকে চতুর্দিক থেকে হন্সাস করে আনছি| এরপরও কি তারা বিজয়ী হবে? ২১-৪৪

            -অতএব আপনি কাফেরদের আনুগত্য করবেন না এবং তাদের সাথে এর সাহায্যে কঠোর সংগ্রাম করুন| ২৫-৫২

            -অত:পর যখন তোমরা কাফেরদের সাথে যুদ্ধে অবতীর্ণ হও, তখন তাদের গর্দার মার, অবশেষে যখন তাদেরকে পূর্ণরূপে পরাভূত কর তখন তাদেরকে শক্ত করে বেধে ফেল| অত:পর হয় তাদের প্রতি অনুগ্রহ কর, না হয় তাদের নিকট হতে মুক্তিপণ লও| তোমরা যুদ্ধ চালিয়ে যাবে যে পর্যন্ত না শত্রুপক্ষ অস্ত্র সমর্পণ করবে! একথা শুনলে| আল্লাহ্ ইচ্ছা করলে তাদের কাছ থেকে প্রতিশোধ নিতে পারতেন| কিন্তু তিনি তোমাদের কতককে কতকের দ্বারা পরীক্ষা করতে চান| যারা আল্লাহ্র পথে শহীদ হয়, আল্লাহ্ কখনই তাদের কর্ম বিনষ্ট করবেন না| ৪৭-৪

            -অতএব, তোমরা হীনবল হয়ো না এবং সন্ধির আহবান জানিও না, তোমরাই হবে প্রবল| আল্লাহ্ই তোমাদের সাথে আছেন| তিনি কখনও তোমাদের কর্ম হন্সাস করবেন না| ৪৭-৩৫

            -অন্ধের জন্যে, খঞ্জের জন্যে ও রুগ্নের জন্যে কোন অপরাধ নাই এবং যে কেউ আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের অনুগত্য করবে তাকে তিনি জান্নাতে দাখিল করবেন, যার তলদেশে নদী প্রবাহিত হয়| পক্ষান্তরে যে, ব্যক্তি পৃষ্ঠপ্রদর্শন করবে, তাকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দিবেন| ৪৮-১৭

            -মুহাম্মদ আল্লাহ্র রসূল এবং তাঁর সহচরগণ কাফেরদের প্রতি কঠোর, নিজেদের মধ্যে পরস্পর সহানুভূতিশীল| আল্লাহ্র অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় আপনি তাদেরকে রুকু ও সেজদারত দেখবেন| তাদের মুখমন্ডলে রয়েছে সেজদার চিহ্ন| তওরাতে তাদের অবস্খা এরূপ এবং ইঞ্জিলে তাদের অবস্খা যেমন একটি চারা গাছ যা থেকে নির্গত হয় কিশলয়, অত:পর তা শক্ত ও মজবুত হয় এবং কান্ডের উপর দাঁড়ায় দৃঢ়ভাবে-চাষীকে আনন্দে অভিভুত করে-যাতে আল্লাহ্ তাদের দ্বারা কাফেরদের অন্তর্জবালা সৃষ্টি করেন| তাদের মধ্যে যারা বিশ্বাস স্খাপন করে এবং সৎকর্ম করে, আল্লাহ্ তাদেরকে ক্ষমা ও মহাপুরস্কারের ওয়াদা দিয়েছেন| ৪৮-২৯

            -আল্লাহ্ তাদেরকে ভালবাসেন, যারা তাঁর পথে সারিবদ্ধভাবে লড়াই করে, যেন তারা সীসাগালানো প্রাচীর| ৬১-৪

            -মুমিনগণ, আমি কি তোমাদেরকে এমন এক বানিজ্যের সন্ধান দিব, যা তোমাদেরকে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি থেকে মুক্তি দেবে? ৬১-১০

            -তা এই যে, তোমরা আল্লাহ্ ও তাঁর রসূলের প্রতি বিশ্বাস স্খাপন করবে এবং আল্লাহ্র পথে নিজেদের ধন-সম্পদ ও জীবনপণ করে জেহাদ করবে| এটাই তোমাদের জন্যে উত্তম; যদি তোমরা বোঝ| ৬১-১১

            -তিনি তোমাদের পাপরাশি ক্ষমা করবেন এবং এমন জান্নাতে দাখিল করবেন, যার পাদদেশে নদী প্রবাহিত এবং বসবাসের জান্নাতে উত্তম বাসগৃহে| এটা মহাসাফল্য| ৬১-১২

            -হে নবী! কাফের ও মুনাফিকদের বিরুদ্ধে জেহাদ করুন এবং তাদের প্রতি কঠোর হোন| তাদের ঠিকানা জাহান্নাম| সেটা কতই না নিকৃষ্ট স্খান| ৬৬-৯
            (এখানে প্রথমে সুরা ও পরে আয়াত নং দেয়া হয়েছে)

          6. একই বরাত কেউ
            একই বরাত কেউ (বাশেরকেল্লা/বখতিয়ারের ঘোড়া) দিবে জিহাদে উদ্বুদ্ধ করতে কেউ দিবে অমানবিকতা বুঝাতে!! হাইরে মানুষ…
            হাইরে মানবতা… ২০১৪ লাশের মিছিল দেখতে প্রস্তুতি নিন সবাই!!

          7. আমি কিন্তু এই আলোচনা একদম
            আমি কিন্তু এই আলোচনা একদম পছন্দ করি না । ডা: আতিক বললেন,
            “ধর্ম গ্রন্থ আমার যতটুকু পড়া আছে সেখানে অযথা মানুষ হত্যার অনুমোদন দেওয়া নেই। আপনি প্রশ্ন তুলেছেন ধর্ম রক্ষার জন্য হত্যার অনুমোদন দেয় কিনা? তাহলে পৃথিবী থেকে জাতীয়তাবাদ জিনিসটারও বিলুপ্তি ঘটানো দরকার। কারন দেশ রক্ষার জন্যও হানাহানির অনুমোদন দেওয়া হয়। এবং পৃথিবীর ইতিহাসে রাজনৈতিক হানাহানির সংখ্যা অনেক অনেক বেশী। তাহলে রাজনীতিও বিলুপ্ত করা উচিৎ?”
            এই প্রসঙ্গে এই রেফারেন্সগুলো (সংগৃহিত) দিলাম ।
            বেশি কিছুরতো দরকার নেই । হাতের কাছেই বাংলা কোরান রয়েছে,সুতরাং আমি যতদুর জানি বলে অনুমাননির্ভর কিছু বলারতো দরকার নেই । আপনিও আক্ষেপ করলেন…কিন্তু তাতে কিন্তু আপনার অবস্থান ষ্পষ্ট হয় না ( অবশ্য এটা অতি আবশ্যকীয় কোন আলোচনার বিষয় বলে আমি মনে করি না )
            এই আলোচনাটা বাদ দেয়াই ভালো ।

          8. বিশ্বাসীরা আপনার যুক্তির সাথে
            বিশ্বাসীরা আপনার যুক্তির সাথে নেয়া এই সাদা পতাকার পাত্তাই দিবে না।
            তবে আপনাকে সাধুবাদ… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

        2. আতিক ভাই, আপনি আমার অনেক
          আতিক ভাই, আপনি আমার অনেক সিনিয়ার, সেই সম্মান থেকে বলছি, প্রতিক্রিয়াটা আপনারাই একটু বেশি দেখাচ্ছনে। যে পোস্ট থেকে এই তর্কাতর্কির শুরু সেখানে কিন্তু আপনারাই বার বার বলে আসছেন এমন লেখা না লেখার জন্য। যেটা কোনভাবেই থাবা বাবার লেখার মতো লাগে নি আমার। হ্যাঁ একটু রসাত্মক ভঙ্গিতে লেখা ছিল। কিন্তু সেটা এমন কোন পোস্ট ছিল না যে বার বার এমন লেখা বন্ধ করার জন্য বলতে হবে। ওই লেখাতে ব্যক্তিগত কোন আক্রমণ ছিল না , গালাগালি পূর্ণ কোন লেখা ছিল না মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিপক্ষে ছিল না বা কারো দালালি পূর্ণ লেখাও ছিল না যে বার বার এমন লেখা বন্ধ করতে বলা হবে।
          সে একটা বিষয় নিয়ে নিজের চিন্তা কিছুটা রস মিশিয়ে লিখেছিল। সে বিষয়ে কারো দ্বিমত থাকলে মন্তব্য করেন, সমালোচনা করেন। কিন্তু এমন্ন লেখা বন্ধ করতে বার বার বলা , পাল্টাপাল্টি পোস্ট দেওয়া, সর্বোপরি “ত্যানা পেঁচানো ত্যানা পেঁচানো” বলে একটা বিরক্তিকর অবস্থায় নিয়ে যাওয়া কাম্য নয়।

          আমি কখনো বলবো না আমার মতো সবাই নাস্তিক হও। বা কেউ আমার সামনে নামাজ পড়লে আমি তাকে বাঁধা দিবো না। ব্লগে কেউ নাস্তিকতা চর্চা করলে আমি পড়ব, পড়ে মন্তব্য করবো। কেউ আস্তিকতা চর্চা করলেও আমি পড়ব, মন্তব্য করবো। কিন্তু বলবো না ভাই, আপনি আস্তিকতা চর্চা করিয়েন না।
          এখানেই আপনার সাথে আমার পার্থক্য।
          দয়া করে আমার মন্তব্য অন্য কোন অর্থে নিবেন না। যথাসম্ভব আমি আমার অবস্থান পরিষ্কার করেছি, কেউ ভুল বুঝলে কিছু করার নেই আর।
          হ্যাপি ব্লগিং…

        3. ১) জোসেফ স্টালিন নাস্তিকতার
          ১) জোসেফ স্টালিন নাস্তিকতার জন্যে ৮৫+K অর্থোডক্স ক্রিশ্চিয়ান কে গুলি করে?
          ২) এডলফ হিটলার কি নাস্তিক? আপনি একজনের গবেষণা তুলে ধরেছেন! আমি যদি বলি সে নাস্তিক না। আপনি অংশবিশেষ কোট করে ব্যাপারটার ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।। আমার এই দাবীর ভুল কোথায় ব্যাখ্যা করবেন আশা করি?
          ৩) স্টালিন-মাও-হিটলার-পলপট কেউ নাস্তিকতার জন্যে কোন হত্যাযোগ্য করেন নি। সবচে মজার ব্যাপার হল নাস্তিকতা কোন ধর্ম না যে তার মৌলবাদী সমর্থকেরা কোন ক্রুসেড করবে! প্রত্যেকজন মুক্তমনা (Freethinker), ধর্মনিরপেক্ষ (Secular) বা নাস্তিকদের (Atheist) আলাদা আলাদা চিন্তার জগত আছে। তারা কখনই এমন কোন কিছুতে বিশ্বাস করে না যাতে করে যুদ্ধ করতে হবে… নাস্তিকেরা কখনও কোন অশ্রও হাতে নেয় নি নাস্তিকতা রক্ষা করার জন্যে, কলম ছাড়া…
          ৪) একমাত্র যীশু আর গৌতম বুদ্ধ [যদিও বৌদ্ধ ধর্মকে ঠিক ধর্ম বলা যায় না…] ছাড়া আর কোন ধর্মগুরুই রক্তপাতহীন প্রক্রিয়ায় শান্তির বানী নিয়ে আসেন নি। তাদের ধর্মীয় যুদ্ধের প্রানহানির সংখ্যা নিয়ে কিছু বললাম না। আপনি আমার থেকে বেশী জানেন।
          ৫) স্টালিন-মাও-হিটলার-পলপট এরা সবাই মানুষহত্যা করেছে ঊগ্র জাতীয়তাবাদ বা রাজনৈতিক ধর্মীয় যুদ্ধ অথবা গোঁড়া সাম্রাজ্যবাদী আদর্শের জন্যে।। এখন যদি ১৯৭১ এ বাংলাদেশ হারত তবে বঙ্গবন্ধুর হাতে নিহতদের বলা হত নাস্তিকেরা খুন করেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই… আজও বলে হেফাজত-জামাতিরা…
          ৬) সমাজতন্ত্র আর নাস্তিকতা একসুত্রে গাঁথা সকল সাধারণ মানুষ তাই মনে করে। একটা কথা এই প্রসঙ্গেঃ ‘সকল নাস্তিকও সামাজতান্ত্রিক না আবার সকল সামাজতান্ত্রিকও নাস্তিক না’! তাই একমাত্র সফল ব্যক্তিস্বাধীনতা দিতে সক্ষম রাজনৈতিক আদর্শ সমাজতন্ত্র আর জীবনাদর্শ Freethinking… তাই এমন কোন প্রাসঙ্গিক ইতি টানা অসংলগ্ন হবে যে সকল সমাজতান্ত্রিকেরা নাস্তিকতা আদর্শের জন্যে USSR এ আস্তিকদের খুন করেছে। এইটা ক্ষমতার লড়াই ছিল যা কখনও মার্ক্সবাদে ছিল না…
          ৭) আপনি বা আপনারা হয়তো বোধ হয় ভুলে গেছেন যে ব্রুন থেকে হাইপেশিয়া, কোপার্নিকাস থেকে সক্রেতিস অথবা, বাংলার হুমায়ুন আজাদ থেকে রাজীব কাউকেই ধার্মিকেরা ছাড় দেই নি। কিন্তু কুরুক্ষেত্র থেকে হালের পিস টিভির কাউকেই কেউ আক্রমন করে নি। যে সব যুদ্ধ হয়েছে তা ধার্মিকেরা নিজেরা নিজেরা করেছে…
          একটাই কারন “অযোগ্যদের শেষ হাতিয়ার হচ্ছে সহিংসতা…”—আইজ্যাক আসিমভ!!

  11. ”কোন দুষ্কৃতিকারী যদি ঐ

    ”কোন দুষ্কৃতিকারী যদি ঐ শিশুকে বিপদে ফেলার জন্যে কড়া ডোজের এন্টিবায়োটিক খাওয়ায় দেন তবে তার জন্যে ডাঃ বা এন্টিবায়োটিক আবিষ্কর্তা দায়ী থাকবেন না; এই ব্যাপারটা আমরা ভুলে এন্টিবায়োটিক আবিষ্কর্তা বা ডাঃ কেও তার কাজ বন্ধ করতে বলতে পারি না।”

    কথাটা ভালো লেগেছে….

    1. ভাল লাগার জন্যে ধন্যবাদ…
      ভাল লাগার জন্যে ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
      অনেকে ভাবছে আমি নিজেকে ধন্যবাদ দিচ্ছি!! ভাবতে মজাই লাগছে…
      আজব দুনিয়া! আর আজব ব্লগিং সংস্কৃতি…

    1. আর কত ভাববেন? এইবার মুখ
      আর কত ভাববেন? এইবার মুখ খুলুন…
      :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

    2. ফাঁকিবাজ ব্রহ্মপুত্র
      ফাঁকিবাজ ব্রহ্মপুত্র :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

        1. ইদানিং একটু একটু মুখ খুলছে
          ইদানিং একটু একটু মুখ খুলছে … ইহা ভাল লক্ষণ !
          তাঁর মুখ পুরা খুলে দিতে হবে … যখন মানুষ এর মুখে কথা ফোটেনি তখন সে অঙ্গ ভঙ্গি দিয়ে ভাব প্রকাশ করতো । কারণ প্রকৃতির কাছে সে ভীষণ অসহায় ছিল । ব্রহ্মপুত্র কি আমাদের সেই আদিম ব্যবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যেতে চায় । তাঁর ইমোর উপরজপরি ব্যবহার সেই কথা স্মরণ করিয়ে দেয় না কি ? 😀

          1. গভীর…
            :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:
            :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
            :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:
            গভীর…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *