প্রবস্ট্যাস সমূহ— [১]

প্রথমেই শিরোনামের ব্যাখ্যা করি। এই লেখাগুলো আমি বিগত কয়েক দিনে ফেসবুকে স্ট্যাটাস হিসেবে দিয়েছি। লেখাগুলো কিছুটা প্রবচনের মত দেখতে হওয়াতে, “স্ট্যাটাস” ও “প্রবচন” এই শব্দ দুটোকে মিলিয়ে লেখাগুলোর নাম দিলাম “”প্রবস্ট্যাস””।।।

________________________________________

যাদের পেশির শক্তি বেশি বা তার উপর নির্ভরশীল, তারা মেধার শক্তি ব্যাবহার করে না বা প্রয়োজনও পরে না। আর পেশির
শক্তি কম যাদের তারা মেধার শক্তি দিয়ে পেশি শক্তিশালীদের থেকেও এগিয়ে গিয়ে এগোনোর পথ দেখান, নিজেরা এগোতে পারেন
না।—

প্রথমেই শিরোনামের ব্যাখ্যা করি। এই লেখাগুলো আমি বিগত কয়েক দিনে ফেসবুকে স্ট্যাটাস হিসেবে দিয়েছি। লেখাগুলো কিছুটা প্রবচনের মত দেখতে হওয়াতে, “স্ট্যাটাস” ও “প্রবচন” এই শব্দ দুটোকে মিলিয়ে লেখাগুলোর নাম দিলাম “”প্রবস্ট্যাস””।।।

________________________________________

যাদের পেশির শক্তি বেশি বা তার উপর নির্ভরশীল, তারা মেধার শক্তি ব্যাবহার করে না বা প্রয়োজনও পরে না। আর পেশির
শক্তি কম যাদের তারা মেধার শক্তি দিয়ে পেশি শক্তিশালীদের থেকেও এগিয়ে গিয়ে এগোনোর পথ দেখান, নিজেরা এগোতে পারেন
না।—
আমরা ভাবি আর তাঁরা ভাবনা চুরি করে করে এগোয়। আমরা সতর্কতায় সিন্দুকে তালা দিয়েও রাখিনি রেখেছি উদাম। আমাদের কিছু নেই হারানোর।আর ওরা তো সাইড়া খাইতে পারা চোর। —

ওই শালার পেশি শক্তি বেশি, তবু বুদ্ধিমানগো লগে ঘেষি। —

ইদানিং ঘরেই মারি,
কারে মারি?
আমার কি কেউ আছে?—

তোমার কাছে মা-বাবার সাথে তোলা এমন কোন ছবি নেই দেয়ার জন্য, দেখানোর জন্য। না থাকাই ভাল। আমি চাইব না থাকুক।—

বিবেক কি জিনিষ??—
বিবেক কি শুধু ন্যায়ের পক্ষেই যাবে, কেন??—
ন্যায়দন্ড একটা নির্দিষ্ট জায়গায় মূলা ঝুলায় রাখে প্রত্যহ নিয়মতান্ত্রিকভাবে , এটাকেই বিবেকের খাদ্য বানানো হইসে,যাতে আমরা বৃত্তের বাইড়ে না যাইতে পারি।—
বিবেক হচ্ছে সময়ের সেরা গাঁঞ্জুট্টি।—
তুমি জ্বিভ বাইর করছ, আমি হাঁ হইয়া গেছি, আমার জ্বিভ কেটে নিয়ে গ্যাসে।
আমার বিবেক বলে কিচ্ছু নাই,
ঝাইরা ফালাইয়া দিসি।—

যতই উলঙ্গ হচ্ছি, ততই এগোচ্ছি
ভার কমে যাওয়ার সাথে সাথে বেগও বাড়ছে।
বাতসের ঘর্সনে একদিন ঝলসে যাব—

ভাঙ্গা রেডিওর এটাই এখন খবর—

এখন সবচেয়ে সস্তা মুদি দোকানেও প্রেম কিনতে পাওয়া যায়,
শরীর কিনতেই যা অর্থ খরচ হয়।—

প্রাক্তন ফোকাসে তো একটু মোটা হইবই,
আরাম পাইবা—

একটা স্বাধীন রাস্ট্রের সাথে একটা পরাধীন রাস্ট্রের কোন চুক্তি হইতে পারে না। যা হইতে পারে তা শোসন আগ্রাসন বা এর নামান্তর।
আর দুজন স্বাধীন ব্যাক্তির মোধ্যে কোন চুক্তির প্রয়োজন নাই।—

খেলে মাথা খোলে।—

ইম্যাচুরেট বর্ন
বেড়ে ওঠা অপুষ্ট শিশু—
বাংলাদেশ।

ভাগা ভাগিতে তোর সন্দেহ ছিল।—

হাতে যা ময়লা আসে, হেগুলার নাম হইল আল্লা।
খাবার আগে হাত ধুয়ে নেবেন—

হাত চাইট্টা চাইট্টা লেখার টাইম পাইতাসি না,
হাত কি করমু?
ধুইয়্যালামু।

আমার কবিতার লাইন আমার লিঙ্গমুন্ড দিয়া পিচ্ছিল আকারেও বাইর হয়—

কি ছটফটায়, সব বেহেস্তে পাবি—

আমরা গু সাঁতরাইয়া আসছি, গু সাঁতরাইয়া যামু।—

উটের প্রস্ব্রাব ঘন কইরা খাইয়া নেশা করতো কে জানেন???—

আমরা জন্মগতভাবেই চোষাচুষি শিখে এসেছি।
পুরুষের সবচেয়ে পছন্দের চোষার জিনিশ হচ্ছে নারীর স্তন।
আর নারীর?????—

সবাই একটা চরিত্র নিয়ে থাকে । সম্ভব্য আমির চরিত্রটা কি???—

আমার ডানায় ডেকে নেব সমুদ্রের ওঠানামা ঢেউ
সম্পর্ক হলেই শুধু বিছানায় গরাবে খেলা,
শর্ত প্রযোজ্য গমনে সম্পুর্ন ওরগাজম হয় না। কিছু মনে কোর না, ভাল লাগলে আমি তোমাকে প্রথম পরিচয়েই সঙ্গমের প্রস্তাব দেব—

পোলাপান পোলাপান ই,
এখনো বিস্কুট মাইপ্পা বড়টাই নিতে চায়।
চায়ের কাপে সিগারেট চুবালাম
পিরিচে ছাই না, চাই ভরাট করে জমুক খয়রী দাগ।—

যুদ্ধ ক্ষেত্রে শত্রুর সাথে পরিস্কার বিরোধিতা না রেখে লড়াই করা যায় না।—

ধরুন একটা বিশাল গাছ, প্রতিদিন এর
থেকে ঝরে যাওয়া পাতাগুলো হলো ময়লা, এই
ময়লা ঝেরে তো আপনি ময়লা হওয়া রোধ করতে পারবেন না।—

এইটা হইলে সমস্যা ওইটা হইলে সমস্যা এটা আগে করতে হবে তো ওইটা কেনো করবা?—
ইত্তাকার কথা কইয়া সমস্যা
দেখাইয়্যা সমস্যা সমাধানের পথে সমস্যা (এরাই প্রকৃত বাঁধা) হইয়া দাড়ান। আপনারাই
প্রতিক্রিয়াশীলতা পুষছেন। —

মন্দের ভালর ভালও একদিন ফুরাইয়া আসে ফুরাইয়া যায়।—

যারা রাইটি তাদের কাছে বাম হাতের কাজ শৌচ করা হতে পারে। যারা লেফটি তারা বাম হাতে ভাতও খায়।বাম হাতের কাজ সবসময়
খারাপই না, ভালও হতে পারে।—

আমাকেও দেখে আপনি বলতে পারেন “ছাগু”,
আমি দেখতে তেমন হব সে কারনে নয়, বরং আপনি চোখে রঙিন চশমা পড়েছেন তাই।—

শেখ মুজিব,
তোমার মৃত্যু বার্ষীকিতে আমাকে জবো দেয়া
হবে ফয়তা খাওয়ানোর জন্য।—ইতি মাতৃভূমি।

৮ thoughts on “প্রবস্ট্যাস সমূহ— [১]

  1. চরম এলোমেলো… তবে অনেক
    চরম এলোমেলো… :মানেকি: :মানেকি: :মানেকি: তবে অনেক ভাল ভাবনা ছিল, নষ্ট করে ফেলেছেন।।
    একটা নৌকা নদীতে নামিয়ে ৪ জন মাঝি চার দিকে বৈঠা মারলে যেমন হয় আরকি!! :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট: :মাথানষ্ট:

  2. এটা কি কবিতা নাকি? লেখাগুলোর
    এটা কি কবিতা নাকি? লেখাগুলোর নির্দিষ্ট গতি পথ নেই, ইচ্ছে করেই গুছিয়ে সাজাইনি। প্রত্যেকটাই আলাদা আলাদা, এখানে মাঝি চারজনের বেশিই হবে।তবে ধন্যবাদ।

  3. আলাদা করে বোঝার উপায় নেই
    আলাদা করে বোঝার উপায় নেই ।প্রত্যেকটা ব্যাপার আলাদা বলে বুঝতে ও কষ্ট হচ্ছে

  4. এক দুই লিখে দিলে ভাল হত? আমি
    এক দুই লিখে দিলে ভাল হত? আমি শুধু এক লাইন করে স্পেস রেখেছি আলাদা করে বোঝানোর জন্য। আমি তো তাও রাখতে চাই নি। আমি এই বিচ্ছিন্নতা বুঝে এবং সচেতনভাবেই দুর করার চেষ্টা করিনি ও রেখেছি। এই বিচ্ছিন্নতা বাস্তবতা বহির্ভুত কিছু না। আপনার কষ্ট হওয়ার জন্য দুঃখিত। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।
    @ অসমাপ্ত অভিযান

  5. ভাবনার এলোপাথাড়ি হাওয়ায়
    ভাবনার এলোপাথাড়ি হাওয়ায় দেখা মেলে মাথার উপর ওটা আকাশ নয়, ওটা বর্ণহীন বায়ূমন্ডল ….আসলেই খেলে মাথা খোলে… ।।

    পোষ্ট মডার্নিজমের এই যুগে আমাদের মস্তিস্কের চিন্তা গুলো ঠিক এভাবেই আমাদের নিউরনে নি:স্বরিত হচ্ছে অবিরত ।। তারই কিছু দৃষ্টান্ত দিয়েছেন আপনি , ধন্যবাদ পোষ্টটি দেয়ার জন্য ।।

  6. আপনি বুঝতে পেরেছেন বলে ভাল
    আপনি বুঝতে পেরেছেন বলে ভাল লাগল। আমি আমার লেখায় সময়ের একটা প্রভাব রাখতে চাই। তাই আমার লেখার এমন এব্রোথব্রো শরীর ভাঙাবুনন। অনেকের কাছেই এসব গ্রহন যোগ্য হচ্ছে না, হয়তো আগামীতে গ্রহনযোগ্য হওয়ার জন্য সংরক্ষিত। :আমারকুনোদোষনাই: :বুখেআয়বাবুল: ধন্যবাদ।

  7. এক একটা স্ট্যাটাস এক একটা
    এক একটা স্ট্যাটাস এক একটা সময়ের প্রেক্ষিতে দিয়েছিলেন। তাই এখন একসাথে পড়লে এলোমেলো লাগাটাই স্বাভাবিক। এই স্বাভাবিকতাকে অস্বাভাবিক ভাবে নেওয়ার যুক্তি নেই। ভালো লাগল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *