উগ্র নাস্তিকতা বিষয়ক কতিপয় প্রতি ভাবনা

ডাক্তার আতিক, বহুদিন পরে অথবা সম্ভবত প্রথম বারের মতো আপনার কোনও লেখার সাথে সম্পূর্ণ ভিন্নমত পোষণ করছি । কোনও সন্দেহ নাই আপনার লেখাটি খুবই কনস্ট্রাকটিভ, আর তা না হয়ে পারেনা কারন আপনি ব্যক্তি মানুষ হিশেবে খুবই গঠনমূলক । আপনার লেখার উদ্দেশ্য নিয়ে তাই বিন্দু মাত্র প্রশ্ন না তুলে আপনার যুক্তির কাঠামো নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই । আশা করি আপনি এটাকে ব্যক্তিগত আক্রমন হিসেবে নেবেন না, আমি জানি আমরা পরস্পরের সখা – দর্শনে – বিশ্বাসে ও স্বপ্নে ।

আতিক আপনার লেখাটির শুরুতেই দুইটি বিষয় পরিষ্কার করে নেয়া দরকার ছিল । প্রথমত “উগ্র নাস্তিকতা” বলতে আপনি আসলে ঠিক কি বোঝাতে চাচ্ছেন ? নাম উচ্চারন না করেও আপনি “উগ্র নাস্তিক” দের কিছু ফিচার উল্লেখ করতে পারতেন তাতে পাঠক হিসেবে আমাদের বোঝার সুবিধা হতো । দ্বিতীয়ত আপনার লেখাটি তে অনেক বার একটি বিশেষ শব্দ ব্যবহার করেছন তা হোল – “চুলকানি” , এই শব্দ টিও আপনি ঠিক কি অর্থে ব্যবহার করেছেন খুব একটা পরিশকার নয় । আপনি যেহেতু পেশায় ডাক্তার, ধরে নিচ্ছি আপনি “চুলকানি” বলতে কোনও ধরনের এলারজিক রিএকশন (যা সাধারনত ত্বক এ হয়) বা মানসিক বিরক্তি বোধ কে বুঝিয়েছেন ! অর্থাৎ যে সমস্ত লেখা পড়লে আমাদের ধার্মিক ও সাধারন মানুশদের মনে বিরক্তিকর প্রতিক্রিয়া তৈরি হয় !

প্রথমে বলি, উগ্র আস্তিকতা বলতে আমরা (অন্তত আমি যা বুঝি) বুঝি যারা সমাজের সকল কিছু কেই ধর্ম বিশ্বাস দিয়ে ব্যক্ষা করতে চান, বিভক্ত করতে চান বা categorize করতে চান । শুধু বিভক্ত করেই তাঁরা শান্ত হন না, তাঁরা বিরোধী পক্ষ কে নানান ভাবে বাধ্য করেন হয় তাঁদের বিশ্বাস এর বদল করতে অথবা দেশ ছেড়ে চলে যেতে । আর এই জন্যে তাঁরা যেকোনো বিধ্বংসী কাজ – উদ্যোগ নিতেও দ্বিধা বোধ করেন না । যেমন হুমকি দেয়া, শারিরিক ভাবে আঘাত করা, হত্যা করা, প্রতিষ্ঠান কে ভেঙ্গে ফেলা, আগুন ধরিয়ে দেয়া ইত্যাদি । আর এই সমস্ত কর্মকাণ্ডের শিকার যে শুধু মাত্র ধর্ম অবিশ্বাসী রা তা কিন্তু নয় – পাকিস্তানে গত ছয় মাসে ১০৭৯ জন মানুষ মারা গেছেন আর ২৫৬৬ জন মানুষ মারাত্তক আহত হয়ে পঙ্গু হয়েছেন । এদের প্রত্যেকেই ছিলেন মুসলমান আর এদের হামলা কারী রাও ছিলেন মুসলমান । এই সেই দিন, যে মুসল্লি রা সারা বাংলাদেশ জুড়ে তানডোব চালাল এবং পুলিশ যাদের উপর সমানে গুলি করলো, যে মানুষ গুলো মারা গেলো – আহত হোল তাঁরা সকলেই কিন্তু আস্তিক । আক্রমন কারী রাও আস্তিক পাল্টা আক্রমন কারী রাও আস্তিক । যে সমস্ত হিন্দু ও ভিন্ন ধর্মী রা আক্রান্ত হয়েছিলেন, তারাও কিন্তু আস্তিক । আস্তিক তো শুধু মুসলমানেরা নয়, আস্তিক তো সকল ধর্মের ই হতে পারে, তাই না ? যারা মারা গেলেন তারাও আস্তিক যারা মারলেন তারাও আস্তিক – ধর্ম প্রান মানুষ । আমার একটা সরল প্রশ্ন – আপনি যাদেরকে “উগ্র নাস্তিক” বলছেন, তাঁরা কি এই “উগ্র আস্তিক” ভাইদেরই সম্পুরক কোনও একটি গোত্র ? উগ্র নাস্তিকেরাও কি একই রকমের কাজ গুলো করে থাকেন ? প্রায়ই ? আপনি খুব ছোট করে এক লাইন লিখেছেন শেশের দিকে, আপনি বলেছেন যে “উগ্র নাস্তিক” এরা হয়ত চাপাতি নিয়ে খুন করতে বের হয় না ? তাহলে তাঁরা কি করে যে আপনি “উগ্র আস্তিক” দের মতো করে তাঁদের কেও এক ধরনের synonym title দিচ্ছেন “উগ্র নাস্তিক” বলে ? কি করে তাঁরা ? পিস্তল দিয়ে আস্তিক দের কে খুন করে ? মসজিদ মন্দির ভেঙ্গে দেয় ? মসজিদের ভিতরে আত্মঘাতী বোমা ফেলে ? its your call Dr Atiq, দয়া করে পরিষ্কার করবেন আপনার সংজ্ঞায়িত “উগ্র নাস্তিক” এরা আসলে কেন “উগ্র” ?

আপনি বলবেন, এরা অযথা ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করে, নবী রাসুল নিয়ে গালি গালাজ করে ব্লগে লেখে । প্রসঙ্গত আমার মতামত টি বলে রাখি, আমি মনে করি – ব্যক্তিগত গালাগালি করাটা এক ধরনের মানসিক অসুস্থতা । এবং এই অসুস্থতায় সব চাইতে বেশী আক্রান্ত আস্তিকেরাই । একটু চোখ বুলিয়ে দেখেন, অনলাইনে কারা সব চাইতে বেশী ‘চ’ বর্গীয় শব্দ গুলো ব্যবহার করছে । অনলাইনে লক্ষ লক্ষ আস্তিক ভাইয়েরা “চ” বর্গীয় শব্দ ছুড়ে দিচ্ছেন আমাদের দিকে, একটু মুক্তমনা মেয়েদের দিকে, সে সব নিয়ে কি কোনও নাস্তিক কে শুনেছেন কখনও দাঙ্গা হাঙ্গামা করতে ? বাংলাদেশের তিন লক্ষ মসজিদে কতবার প্রগতিশীল মুক্ত মনাদের কে গালিগালাজ করা হয় আপনি জানেন ? কতবার কৌশলে রবিন্দ্রনাথ কে বিধর্মী দের কবি/লেখক বলে ফতওয়া দেয়া হয় জানেন ? কতবার নারী দের নুনতম অধিকার নিয়ে কটাক্ষ করা হয় জানেন ? কতবার কার্ল মার্ক্স এর মেয়েদের কে হামবুর্গ বেশ্যালয়ের বাসিন্দা বানান হয় জানেন ? এই সব লক্ষ লক্ষ ঘিন ঘিনে কথার বিপরীতে মাত্র কয়েকজন নাস্তিকের “উগ্র” কথাই সব ধংসের কারন হয়ে গেলো ?

আপনি থাবা বাবার কথা বলেছেন এবং নাম উল্লেখ না করে আরও কয়েকজনের কথা বলেছেন । কিন্তু থাবা বাবা তো একজন, যদি ধরেও নিই যে ওই নামে সত্যিই কেউ লিখতেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার তো অনেক এজেন্সি বাংলাদেশে আছে – ছিল তাই নয় কি ? বাংলাদেশে ব্লাস ফেমি আইন নেই কিন্তু যেকোনো আইনের তয়াক্কা না করেই কি প্রতিনিয়ত হাজার মানুষ কে আটক করা হচ্ছে না ? আর থাবা বাবার লেখা বা ওই নাম না বলা নাস্তিকদের লেখাই যে মোল্লাদের কে সারা দেশ ব্যপি ধ্বংস লিলা চালানর অস্ত্র হাতে তুলে দিল, এটা কি করে এত টা নিশ্চিত হচ্ছেন ? এই মোল্লারাই কি প্রায় ২০ বছর আগে শামসুর রাহমান কে মুরতাদ বলে সিলেটের মাটি থেকে বিতাড়িত করেনি ? প্রোফেসর আহমদ শরিফ কে গৃহ বন্দী করে রাখেনি ? হুমায়ুন আজাদ কে খুন করার চেষ্টা করেনি ? আহ্মদিয়া দের কে রক্তাক্ত করেনি ? এদের আসলে হামলা করতে, হত্যা করতে, পুড়িয়ে দিতে কোনও কারন দরকার হয় না, শুধু দরকার হয় একটা অজুহাত বা উছিলা ! আর এখানেই আপনার “উগ্র নাস্তিক” বিষয়ক ব্যাখ্যা । যাদের লেখা কে অজুহাত করে এই মোল্লারা ধ্বংস লীলায় মেতে ওঠে আপনি আসলে তাঁদের কেই বলছেন “উগ্র নাস্তিক” ! আপনি কি নিশ্চিত যে এই কয়েকজন “উগ্র নাস্তিক” লেখা লেখি বন্ধ করে দিলেই আমাদের মোল্লা হুজুরেরা বাংলাদেশ টা কে একটা ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড় এ পরিনত করবে ? আপনি কি আমাকে বলবেন, কেন কাজি নজরুল ইসলাম , সৈয়দ ওয়ালী উল্লাহ বা বেগম রোকেয়ার লেখা নিয়ে কোনও রায়ট হয় নি ?

লেখা লম্বা হয়ে যাচ্ছে, ছোট করে বলি – সঙ্কট টা আসলে আস্তিক বা নাস্তিক দের কে নিয়ে নয় । আমাদের সমাজের যে মউলবাদিকরন ঘটেছে গত ৪০ বছরে, আজকের সঙ্কট টা হোল তার ই ফসল । দুচারজন “উগ্র নাস্তিক” লেখা বন্ধ করে দিলেও আমাদের হুজুর ভাইয়েরা কিন্তু ঘরে বসে নিদ্রা যাবেন না – জাবর কাটবেন না । আমাদের naiveness কে মহিমান্বিত করে আমরা বিশ্রাম নিয়েছি গত ৪০ বছর আর এই সুযোগে বাংলাদেশে মাদ্রাসা হয়েছে ৪০ হাজার আর মসজিদ হয়েছে ৩ লক্ষ । সমস্যা টা সিস্টেমিক – লোকাল নয় ।

শাহবাগ আন্দোলনের ৯৯% ভাগ অংশগ্রহন কারী যে নাস্তিক ছিল না, সে কথা তো আপ্নিও জানেন আমরাও জানি । সুতরাং মোল্লারা এই অজুহাত টিকে সফল ভাবে ব্যবহার করতে পেরেছে কারন শাহবাগ আন্দোলনের যথেষ্ট হোম ওয়ার্ক এর অভাব ছিল । একথা নেতৃবৃন্দ স্বীকার ও করেছেন । হোম ওয়ার্ক না থাকা টা খুব বড়ো দোষের কিছু নয়, ইতিহাস এভাবেই এগিয়ে যায় । আর মোল্লারা এই অজুহাত টিকে সফল ভাবে ব্যবহার করতে পেরেছেন বলেই কি ওই ১% এর ও কম নাস্তিকদের কে “উগ্র “ বলে লেবেল করতে হবে ? ওই ১% কে শাহবাগ আন্দোলন থেকে বের করে দিলে কি মাহমুদুর রহমানের আর কোনই ঘুঁটি বা চাল থাকতো না ?
অধ্যাপক রিচারড ডকিন্স এর একটা সংলাপ দিয়ে শেষ করি – আজকে যে ধ্বংস দেখছেন তার পুরোটাই হয়েছে আমাদের নিরবতার কারনে, আমরা কথা বললে এই ধ্বংস টা কম হতো । আমরা যদি এখনও কথা না বলি, ধ্বংস টা থেমে থাকবে না । প্লিজ ডোন্ট বি সো নাইভ, স্পিক আউট ।
ভালো থাকবেন।

৪৩ thoughts on “উগ্র নাস্তিকতা বিষয়ক কতিপয় প্রতি ভাবনা

  1. প্রথমত , একজন এর পোস্ট এর
    প্রথমত , একজন এর পোস্ট এর বদৌলতে পোস্ট প্রদান কেমন একটা সাস্পেকট তৈরি করে । আর সবচেয়ে বড় কথা এটা ইষ্টিশন এ আপনার প্রথম লেখা। একটু কেমন কেমন লাগছে ।
    কেন জানি মনে হচ্ছে । আপনি উস্কানি দিচ্ছেন ।

    এবার আসি মুল বক্তব্য বিষয় নিয়ে ।

    আপনার মুল বক্তব্য টা পুরাটাই ডাঃ আতিক এর পোস্ট এর রিভিউ টাইপ । তাহলে আপনি কি মনে করেন নাহ , এটা তার পোস্ট এর মন্তব্য অংশে করা উচিত ছিল । আলাদা পোস্ট দেওয়ার কারন এবং সমুচিত কোন কার্যকর ব্যাখ্যা থাকলে দিতে পারেন । নিয়ম বহির্ভূত কথা বলবেন নাহ ।

    উগ্র আস্তিক রা কি করে !!! আপনি একটা প্রশ্নের উত্তর দিন- ‘উগ্র নাস্তিকরা যদি আজ সংখ্যাগরিষ্ঠতায় ব্রশি হত তাইলে কি হত?
    এবার আসি বৃহৎ স্বার্থে – আপনি সবশেষে বলেছেন –

    অধ্যাপক রিচারড ডকিন্স এর একটা সংলাপ দিয়ে শেষ করি – আজকে যে ধ্বংস দেখছেন তার পুরোটাই হয়েছে আমাদের নিরবতার কারনে, আমরা কথা বললে এই ধ্বংস টা কম হতো । আমরা যদি এখনও কথা না বলি, ধ্বংস টা থেমে থাকবে না । প্লিজ ডোন্ট বি সো নাইভ, স্পিক আউট ।
    ভালো থাকবেন।

    ভাইজান আমি সাধারন মানুষ । আমি বাস্তব বাদি মানুষ। ”হতো” , ”করা যেত” এই সম্ভাব্য টাইপ কথাগুলা আমি পারসনালি ঘৃণা করি । কথাগুলা অকেজো ।
    আর তার সুরে আপনি হটাত ব্লগ এর একটি পোস্ট এর সমালোচনায় অপ্রত্যক্ষ ভাবে নাস্তিকতা তথা উগ্র নাস্তিকতাকে উস্কে দিচ্ছেন ।

    আর মোল্লারা এই অজুহাত টিকে সফল ভাবে ব্যবহার করতে পেরেছেন বলেই কি ওই ১% এর ও কম নাস্তিকদের কে “উগ্র “ বলে লেবেল করতে হবে ? ওই ১% কে শাহবাগ আন্দোলন থেকে বের করে দিলে কি মাহমুদুর রহমানের আর কোনই ঘুঁটি বা চাল থাকতো না ?

    এবার আসি আবার এক সম্ভাব্য টাইপ কথা নিয়ে । ঐ ১ % কে শাহবাগ থেকে বের করার আগে আসুন , সুত্রপাত ওরায় , হেফাজতের উত্থান এই উগ্রনাস্তিকতার জন্য । আশা করি এটা আপনি অস্বীকার করেন নাহ ।
    এখন এদের বের করে দেওয়ার কথা বলেছেন আপনি , অ্যারে ভাই শুরুটা তো হয়েই গেছে , তা বের করে কি হতো ।
    একটা জিনিস খেয়াল করুন নাস্তিকদের বের করে দিলেও মাচুদুর রহমান সেই ইস্যু টেনে ধরত, ইস্যু কিন্তু ঐটাই থাকতো , সেটা হল ”নাস্তিক শাহবাগি ” যতই আপনি বের করে দেন নাহ কেন !!
    এটাই সত্য ।

    এখন আসি বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপট নিয়ে , প্রেক্ষাপটের সাপেক্ষে বলুন , এখন আপনাদের এই নাস্তিক্যবাদ প্রদর্শন এ আদৌ কি কোন কল্যাণ লুকিয়ে আছে?

    অযথা ধর্মীয় বিভেদ বাড়বে , আপনাদের কাছে আস্তিক বলতেই সমস্যা , চাপাতিওায়ালা । কিন্তু আসলেই কি তাই !!
    আর আপনারা কথা বলবেন কি লাভ তাতে?
    আপনাদের নাস্তকতার ফল পুরবেও দেখেছি দুইদিন এই ইষ্টিশন এও দেখলাম ।
    বিভেদ আর ধর্মীয় ক্রন্দল ছাড়া কিছুই তৈরি হবে নাহ । এটাই বাস্তবতা ।

    1. ভাই মোশফেক, আপনার মন্তব্য টি
      ভাই মোশফেক, আপনার মন্তব্য টি তে ধার আছে, আমার মতো অর্ধ শিক্ষিত – ভোতা মানুষের জন্যে একটু বেশী ভারী হয়ে গেলো । তবুও দেখি আপনার কথার পিঠে কিছু বলা যায় কিনা ।
      ১/ এই মন্তব্বের প্রথমেই বলেছি আমি একজন অর্ধ শিক্ষিত মানুষ আর ব্লগ বিষয়ক নিয়ম কানুনের দিক থেকে আমি পুরোটাই অশিক্ষিত । আমার মনে হয়েছে যেহেতু লেখা টির দৈর্ঘ্য বেশ খানিকটা লম্বা হয়ে গেছে, এটা মনে হয় মন্তব্য হিসেবে দেয়া যাবে না । তাই পোস্ট হিসেবে দেয়া । আমি আপনার সাথে ১০০% একমত, এটা ডাক্তার আতিকের লেখাটির প্রতিমন্তব্য ছাড়া আর কিছুই না (আপনি রিভিউ বলে আমাকে সম্মানিত করেছেন, ধন্যবাদ)। সুতরাং, এত লম্বা লেখা যদি মন্তব্য হিসেবে দেয়াতে কোনও সমস্যা না থাকে, তা হলে, with due apology, আমি লেখা টিকে সরিয়ে নিয়ে মন্তব্য হিসেবে পেস্ট করে দিতে পারি। হোল তো ?
      ২/ suspect করাটা খুব ই বৈজ্ঞানিক, সকল বিজ্ঞান শুরু হয়েছে সংশয় সন্দেহ থেকে…… সুতরাং আমাকে তো বটেই, সকল কেই suspect করুন। আমি আপনার এই সংশয় সন্দেহ কে অভিনন্দন জানাই ।
      ৩/ উস্কানি ? আমি তো জানতাম উস্কানি দেয়া যায় পলটন এর জমায়েত এ, গুলিস্থান এর মব এ কিম্বা কানসাট এর গ্রাম বাসিদের – যারা তাঁদের নিজেদের আন্দোলনের ফসল বিদ্যুৎ কেন্দ্র টি জালিয়ে দিতে পারে ……… ইষ্টিশন এর পাঠক ও লেখক দের কেও যে উস্কানি দেয়া যায়, সেটা জানা ছিল না । আপনি নিজে কি উস্কানি আক্রান্ত বোধ করছেন ? না, আমি উস্কানি দিচ্ছি না, আমি শুধু আমার অবস্থান টুকু জানিয়েছি ।
      ৪/ আপনার ব্যক্তিগত ঘৃণা কে আমি admit করি । আপনি আমার পুরো বক্তব্য টিকেই ঘৃণা করতে পারেন । ব্যক্তি হিসেবে আমাকেও ঘৃণা করতে পারেন । বলুন, আর কিভাবে আপনার ঘৃণা কে আমি endorse করতে পারি ?
      ৫/শাহবাগ আন্দলনে নাস্তিক দের কে বের করে দেয়ার বিষয় টি একটা বিদ্রূপ, আপনি হয়ত মিস করেছেন । আমি মনে করি শাহবাগ আন্দোলনের সকল মানুষের অংশগ্রহন তার অধিকার, ঠিক যেভাবে ১৯৭১ মানুষ অংশ নিয়েছিল ……… তখন কিন্তু ১% নয়, গোটা জাতি টাকেই নাস্তিক – মুরতাদ – হিন্দু দের দালাল বলা হয়েছিল । আফসোস, তখন কার মানুষ আস্তিকতা নাস্তিকতার চাইতেও দেশ টাকে বেশী গুরুত্ব দিয়েছিল । আমরা তো জ্ঞানে বিজ্ঞানে অনেক এগিয়ে গেছি – তাই দেশ টাকে এখন শুধু আস্তিক দের – শুধু মুসলমান দের বলে ভাবছি । তাতে ঝামেলা কম ।
      ৬/ আমি কোথাও বলেছি আস্তিক মানেই চাপাতি ওয়ালা ? আমি শুধু আমার কষ্টের কথা বলেছি যে – যিনি মারছেন আর যিনি মরছেন উভয়েই আস্তিক । একজন নাস্তিকের হাতে একজন আস্তিক খুন হচ্ছেন এটা একটা বিরল ঘটনা কিন্তু একজন আস্তিকের হাতে আস্তিক খুন হচ্ছেন এটা প্রতিদিনের ঘটনা। অস্বীকার করবেন ?
      ৭/ নাস্তিকতা আরেকটি ধর্ম বিশ্বাস নয়, নাস্তিকতা হচ্ছে নিরন্তর প্রশ্ন করা । আর আমাদের প্রশ্ন গুলো কেই আপনারা বলেন কটূক্তি ……… বিশেশত, উত্তর গুলো যখন আপনাদের জানা থাকে না ।
      অনেক ভালবাসা আপনার জন্যে ।

      1. যুক্তির আড়ালে আসল বিষয় টা
        যুক্তির আড়ালে আসল বিষয় টা ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে ।
        একটা প্রশ্নের উত্তর দিন –
        ”বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে , নাস্তিক্যবাদ প্রচার কি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ?”
        জাতির বৃহৎ স্বার্থে আমাদের এক হতে হবে । প্রানে প্রান মেলাতে হবে । যদি , আমরা এভাবে আস্তিক নাস্তিক এ দুই ভাগ হয়ে যাই , তাহলে লাভ টা কাদের? বুঝতে পারছেন?
        স্বাধীনতার স্বপক্ষের শক্তি আমরা , আমাদের মধ্যে বিভেদ ঘটলে আর কি অবশিষ্ট থাকবে?

        1. নাস্তিক্যবাদ তো প্রচার এর
          নাস্তিক্যবাদ তো প্রচার এর বিষয় নয় । নাস্তিক মানুশেরাও তাঁদের অপিনিওন দেবে ঠিক যেভাবে অন্য সকল মানুষ দিয়ে থাকে, এটা কি তাঁদের অধিকার নয় ? আর বিভক্তির প্রশ্নটা তো আস্তিকদের করা । নাস্তিকেরা কি কখনও বলেছে যে শাহবাগ আন্দলনে প্রচুর আস্তিক আছে আমরা অখানে যাবনা ? যাই হোক, আপনাদের মোদ্দা কথা টা হচ্ছে – “অহে নাস্তিক সকল, এখন একটু চুপ কইরা থাক, কোনও কথা কইও না, প্রশ্ন কইর না, আমরা তাইলে যুদ্ধ টা জিতে যাব ” – তাই তো ? খুব ভালো আইডিয়া ।

          1. নাস্তিকেরা কি কখনও বলেছে যে

            নাস্তিকেরা কি কখনও বলেছে যে শাহবাগ আন্দলনে প্রচুর আস্তিক আছে আমরা অখানে যাবনা

            আমি তো ঈশ্বরে বিশ্বাস করি ভাই,আমিও তো আস্তিক আমি তো কখন ও বলি নি শাহবাগে নাস্তিক আছে আমি যাব না, যারা বলেছে তারা ভিন্ন মতবাদের, তারা কখনও শাহাবাগ কে সমর্থন করেনি। তাদের আস্তিক হিসেবে বিভেদ তৈরী না করে ভিন্ন মতবাদের লোক মনে করলে হয়তো ভাল হত।

          2. জয়, আপনি বলেননি, বেশির ভাগ
            জয়, আপনি বলেননি, বেশির ভাগ মানুষই বলেন নি, কারন শাহবাগ আন্দোলনের সবাই বাংলাদেশের মানুষ !বাঙালি। প্রশ্ন টা তো সেখানেই, কিছু সংখ্যক মানুষ, শাহবাগ আন্দোলনের ব্যর্থতার দায় চাপানর চেষ্টা করছেন এর সাথে জড়িত কিছু মানুষের লেখা লেখি কে যারা তাঁদের ব্যক্তিগত মতামতের দিক থেকে নিজেদের কে নাস্তিক মনে করেন । আমরা অনেকেই মনে করছি, এই নাস্তিক মানুষ গুলা যদি আন্দলনে না থাকতো, বা একটু চুপ চাপ থাকতো তাহলে আমরা এতদিনে সোনার কাপ টা ঘরে নিয়ে আসতে পারতাম । দেশে হেফাজত হইত না । সাইদি কে চাঁদ এ দেখা যেত না .. ইত্যাদি ইত্যাদি । এই ধারনা টির সাথে আমি একমত নই । আমি মানুষ কে আস্তিক নাস্তিক হিসেবে বিভাজিত করিনা এবং এর সাথে কোনও value judgment যোগ করি না । একজন নাস্তিক ও pedophil হতে পারে আবার আস্তিক ও হতে পারে, তাঁরা দুজনেই আমার কাছে সমান অপরাধি এবং তাঁদের কৃতকর্মের দায় যেমন আস্তিক্কবাদের নয় তেমনি নাস্তিক্কবাদের ও নয় । কখনও শুনেছেন, কেউ বলছে যে – অমুক তো খুব ই খারাপ, কারন সে আস্তিক ! বরং উল টা কথা টাই কি শোনা যায় না প্রতিদিন ? মোদ্দা কথা হচ্ছে, নাস্তিক মুক্ত মনা দের নিরবতা মৌলবাদী দের কে শান্ত করে না । করবে না । তাঁরা বাড়তেই থাকে, মাঝখানে ক্ষমতার ধান্দাবাজ রা লাভবান হয় । ভালো থাকবেন।

          3. এটাকে যদি আপনার নাস্তিক্কবাদ
            এটাকে যদি আপনার নাস্তিক্কবাদ প্রচার না মনে হয় , তাইলে বলব আপনি অতীবও জ্ঞানীর ছদ্মবেশে অতিশয় মূর্খ।
            আর ব্লগে কইজন আস্তিকদের দেখেছেন আস্তিক্কবাদ ছড়াইতে?

            বিভক্তির প্রশ্নটা তো আস্তিকদের করা

            তা বাস্তবতা কি বলে ভাই !!! যখন আপনারা জানেন আস্তিক রা বিভেদ করে, তাইলে কেন সেই বিভেদ টা সৃষ্টি হতে দেন ??????
            আপনারা কি সম্যক ভাবে দোষী নন এই বিভেদ এর পেছনে? একটু খিয়াল কইরা!!

          4. এইটা একটা খাটি কথা বলেছেন ।
            এইটা একটা খাটি কথা বলেছেন । আমি একটা মূর্খ মানুষ । কোনও সন্দেহ নাই তাতে । কিন্তু ছদ্মবেশ টা কোথায় ? আমি তো আপাদমস্তক একজন মূর্খ মানুষ ভাই, কিন্তু মূর্খ হওয়া টা কি পাপ ? অপরাধ ?

          5. প্রশ্নের জবাব টা দিন ।

            প্রশ্নের জবাব টা দিন ।

            বিভক্তির প্রশ্নটা তো আস্তিকদের করা

            তা বাস্তবতা কি বলে ভাই !!! যখন আপনারা জানেন আস্তিক রা বিভেদ করে, তাইলে কেন সেই বিভেদ টা সৃষ্টি হতে দেন ??????
            আপনারা কি সম্যক ভাবে দোষী নন এই বিভেদ এর পেছনে? একটু খিয়াল কইরা!!

            ◘◘◘◘◘◘◘◘◘◘◘◘◘◘◘

  2. নাস্তিকতা আসলে উগ্র আস্তিকদের
    নাস্তিকতা আসলে উগ্র আস্তিকদের আরো উগ্র করে তুলে ।তাছাড়া বর্তমান পরিস্থিতিতে একটু রয়ে সয়ে করা উচিত ।তবে অবশ্যই মুক্তমনা চিন্তা করার অধিকার আছে ।নাস্তিকরা দেশের জন্য অনেক আত্মত্যাগ করতে প্রস্তুত ।তাহলে এই ইস্যুটা কিছুদিন বন্ধ হোক ।উগ্রতা ভালো ফল বয়ে আনে না

  3. সারোয়ার ভাই, আমি আপনার লেখাটা
    সারোয়ার ভাই, আমি আপনার লেখাটা খুব দ্রুত একবার চোখ বুলিয়ে পড়েছি। এখন একটু বের হতে হচ্ছে আমাকে জরুরী কাজে। আবার আপনার লেখাটা মনোযোগ দিয়ে পড়ে আমার মতামত জানাবো। হুট করে কিছু লিখতে চাইছি না। পোস্টের জন্য ধন্যবাদ। এট লিস্ট আপনি ইস্টিশনে লিখছেন এটা দেখেই ভালো লাগছে।

  4. মাইরালা, মাইরালা …চরম
    মাইরালা, মাইরালা …চরম লিখেছেন ভাই

    “উগ্র “ বলে লেবেল করতে হবে ? ওই ১% কে শাহবাগ আন্দোলন থেকে বের করে দিলে কি মাহমুদুর রহমানের আর কোনই ঘুঁটি বা চাল থাকতো না ?
    অধ্যাপক রিচারড ডকিন্স এর একটা সংলাপ দিয়ে শেষ করি – আজকে যে ধ্বংস দেখছেন তার পুরোটাই হয়েছে আমাদের নিরবতার কারনে, আমরা কথা বললে এই ধ্বংস টা কম হতো । আমরা যদি এখনও কথা না বলি, ধ্বংস টা থেমে থাকবে না । প্লিজ ডোন্ট বি সো নাইভ, স্পিক আউট ।
    ভালো থাকবেন।

  5. আমার মনে হয় এই পোস্টের
    আমার মনে হয় এই পোস্টের ব্যাপারে যা বলার আতিকভাই ই বলবেন ।তাছাড়া মোশফেক ভাই আর লেখকের যুক্তিতর্কে এমন সব বিষয় উঠে এসেছে যে, আমাদেরকে নতুনকিছু বলার প্রয়োজনই নেই।

    যাইহোক, লেখকের প্রতি ধন্যবাদ জানিয়ে মোশফেক ভাইর করা একটি প্রশ্ন আমিও রেখে গেলাম, “যুক্তির আড়ালে আসল বিষয় টা ধামাচাপা পড়ে যাচ্ছে ।
    একটা প্রশ্নের উত্তর দিন –
    ”বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে , নাস্তিক্যবাদ প্রচার কি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ?””

    1. আমি আগেও বলেছি, আমি এটাকে
      আমি আগেও বলেছি, আমি এটাকে নাস্তকতার প্রচার বলে মনে করি না । আপনি আমার সাথে দ্বিমত পোষণ করতেই পারেন। এবং আমি মনে করি না বর্তমান বা কোনও পরিস্থিতিতেই যেকোনো মানুষের কথা বলার উপর কোনও বিধি নিশেধ থাকা উচিত । এবং আমি মনে করিনা, কিছু ভিন্নমতের মানুষের মুখ বা কলম বন্ধ হয়ে গেলেই আমাদের বিজয় দৌড়ে চলে আসবে আমাদের কাছে। সামাজিক রাজনৈতিক গেইম টা ফুটবল খেলার মতো নয় । তবে আমি আন্দোলনের প্রতি আপনাদের সবার আন্তরিকতার জায়গা টি কে শ্রদ্ধা করি ।

      1. এবং আমি মনে করিনা, কিছু

        এবং আমি মনে করিনা, কিছু ভিন্নমতের মানুষের মুখ বা কলম বন্ধ হয়ে গেলেই আমাদের বিজয় দৌড়ে চলে আসবে আমাদের কাছে।

        আপনার এ কথার সাথে সহমত জ্ঞাপন করেই বলছি , যে আসলেই বিজয় দৌড়ে চলে আসবেনা ,
        আর হা ভাই এখন তাহলে আপনার সব মেনে নিয়ে শেষ কথাটা বলি –

        আমি আস্তিক , আপনি নাস্তিক , সে আস্তিক , উনি আস্তিক । এখন এই ক্রমবর্ধমান হিসাবের আনুপাতিক হার অনুযায়ী আপনি আমি সবাই জানি এই যে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি আমরা , আমাদের মধ্যে আস্তিকদের সংখ্যা অত্তাধিক , এখন ধরেন আমরা সংখ্যাগুরু মোটামুটি টাইপ আস্তিকরা আপনাদের নাস্তিক্কবাদ বুঝি নাহ , আপনাদের উপর বিনাকারনে খিপ্ত হয় ,আপনাদের মতে এটা আমাদের ভুল – এটা বিবেচনা করেই বলছি , আন্দোলন টা তো আপনাদের এই আস্তিকদের সাথেই করতে হবে , সামনে এগিয়ে যেতে হবে এই আস্তিকদের সাথে , তাহলে বিভেদ যেটা তৈরি হচ্ছে, বাধা যেটা তৈরি হচ্ছে , ক্রন্দল যেটা তৈরি হচ্ছে আপনাদের নাস্তিকতার জন্য , এটার ফলাফল কি শুভ? জয়ের তো তবুও আশা আছে , যদি এভাবে বিভেদ হয় , তাইলে জয়ের আশা থাকবে না আদৌ । প্রেক্ষাপট আমাদের দেশ – পরিস্থিতি- বর্তমান সময়

  6. ক্ষমতা চূড়ায় অবস্থানকারীদের
    ক্ষমতা চূড়ায় অবস্থানকারীদের ইচ্ছের দাস হয়ে থাকাটা সাম্রাজ্যবাদী নিয়ম ।
    আস্তিক – নাস্তিক ইস্যুটা আমার কাছে ফালতু একটা ব্যাপার । এই নিয়ে আলোচনা করার কী কারণ থাকতে পারে । যে যার মতামত দেবে । উগ্র নাস্তিকতা বলে কোন টার্ম থাকতে পারে আমার জানা ছিলনা । আতিক ভাইর লেখা এখনো পড়িনি, তাই বলতে পারছিনা উনি আসলে কি বোঝাতে চেয়েছেন ।
    নাস্তিক শব্দটার থেকে ” একজন যুক্তিবাদী ও বিজ্ঞান মনস্ক মানুষ ” শব্দটা ব্যবহার করে বলছি – সে কখনো অমানবিক বা অবিবেচক হতে পারেনা । উগ্র নাস্তিক তাহলে কী করছে ? এখন কথা হল – আমরা বলার কে – একজন নাস্তিক বা যুক্তিবাদী অমুক সীমা পর্যন্ত লিখতে পারবে বা বলতে পারবে ? মোশফেক এর মতো অনেকে যে বলছেন নাস্তিক্যবাদ প্রচারের ( যদিও জানিনা নাস্তিক্যবাদ কবে ধর্মের মর্যাদা ! পেল যে তা প্রচার করতে হবে ) এর এখন সময় না । আসলে সময় কখন আসবে ? নাস্তিকদের বলে দেন । কোন কোন নাস্তিক আপাতত তার প্রচারণা বন্ধ করে দিলেও দিতে পারে …

    1. আসলে সময়টা কখন??? কখন
      আসলে সময়টা কখন??? কখন লিখবো??? আমি বার বার এই জিনিষটা বোঝাই, যে নাস্তিকতা ইস্যু না পাইলে কোনো না কোনো ইস্যু ওরা বের করত। ৭১ বের করেছিলো মালাউন ইস্য। তাইলে কি ৭১ এ মুজিব হিন্দুদের কে দেশ থেকে তাড়িয়ে দিয়েছিলো? জাফর মুন্সী কি নাস্তিক ছিলো?? তকি কি নাস্তিক ছিলো?

      1. কারো নিরবতা কাউকে হত্যায়
        কারো নিরবতা কাউকে হত্যায় উস্কানি দেয় তা নীরবেরা বুঝলে আর তারা নিরব থাকতো না। অমিত যখনই তোমার ইচ্ছা হবে লিখবা। মাথায় যা আসে গুছিয়ে তাৎক্ষনিক লিখে ফেলবা… এইটা কোন ডাঃ ডোজ না সময় ধরে খেতে হবে, এইটা জ্ঞানের আর তর্কের ব্যাপার তাই স্বতঃস্ফূর্তভাবেই ইখে ফেলবা।। :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

      2. আমি বার বার এই জিনিষটা বোঝাই,

        আমি বার বার এই জিনিষটা বোঝাই, যে নাস্তিকতা ইস্যু না পাইলে কোনো না কোনো ইস্যু ওরা বের করত।৭১ বের করেছিলো মালাউন ইস্য

        অমিত ভাই এখানে একটা কথা আছে ,কথাটা অতিশয় বাস্তব , বাংলার অধিকাংশ মুসলিম ধর্মান্ধ , ধরমান্ধ না হলেও এরা খুব একটা স্বশিক্ষিত নয় । বাস্তবতা কি জানেন ভাই , এই নাস্তিক ইস্যু ওরা না পাইলে এইটাই বের করত , কেননা বাম আছে , আর বাম বলতে বাংলার সাধারন মানুষ নাস্তিক বোঝে , ধর্মীয় ইস্যুর চেয়ে বড় ইস্যু হতে পারে নাহ , এটা নিশ্চয় আপনি মানবেন । আর ৭১ এর মালাউন ইস্যুর কথা যেটা বললেন , সেটা নিয়া বলি – আপনি নিশ্চয় জানেন উগ্র আস্তিক সমাজ হিন্দু বলতেই নাস্তিক ভাবে । দেখেন ভাই ইস্যু কিন্তু যেভাবেই হোক , সেই নাস্তিকতায় থাকছে । সো আমি বলব ওরা নাসিকতা ইস্যু না পাইলেও , যেভাবেই হোক এই ধর্মীয় ইস্যু টানতই !!!

  7. “সঙ্কট টা আসলে আস্তিক বা

    “সঙ্কট টা আসলে আস্তিক বা নাস্তিক দের কে নিয়ে নয় । আমাদের সমাজের যে মউলবাদিকরন ঘটেছে গত ৪০ বছরে, আজকের সঙ্কট টা হোল তার ই ফসল ।”

    — বানী হয়ে গেল দাদা!!
    ”বর্তমান পরিস্থিতির আলোকে , নাস্তিক্যবাদ প্রচার কি খুবই গুরুত্বপূর্ণ ?”– একটাই প্রাসঙ্গিক জোরাল প্রশ্ন, তাই উত্তর দেয়ার লোভ সামলাতে পারলাম না।
    হাজার বছরের ধর্মীয় মৌলবাদের প্রতীবাদ করাটাকে কি উগ্র নাস্তিক্যবাদ বলা উচিৎ?
    যেখানে গবেষণালব্ধ সিদ্ধান্ত হিসেবে ‘ধর্মীয় মৌলবাদ একটি নিরাময় যোগ্য ব্যাধি’ প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে? যাহোক প্রশ্নের উত্তরে প্রশ্ন নয় উত্তরই দিচ্ছি!
    উঃ হ্যাঁ। সেই ক্ষেত্রে নাস্তিক্যবাদ প্রচার ও তার প্রসার গুরুত্বপূর্ণ। কেননা যীশুর কাজ গুরুত্বপূর্ণ ছিল আগের জঞ্জাল দূর করতে।।
    ধন্যবাদ!!

    1. তারিক, হ্যাঁ একটু বানী ধরনের
      তারিক, হ্যাঁ একটু বানী ধরনের হয়ে গেছে, আমি বলতে চেয়েছি, আজকের হেফাজত ও মৌলবাদী দের আস্ফালন শুধু মাত্র গনজাগরন মঞ্চ বা কয়েকজন নাস্তিকের লেখা লেখির কারনে হয় নি, এটা অনেক পুরনো ব্যাধি, আমরা তো সবাই জানবা তা, তাই না ? আপনার যুক্তি টিও অকাট্য । ধন্যবাদ।

      1. এ কথা নিরাময় যোগ্য মানসিক
        এ কথা নিরাময় যোগ্য মানসিক ব্যধিতে আক্রান্তরা বুঝবে না কারণ ‘ধর্মের মুলেই বিশ্বাস যুক্তি তর্কের যায়গা ধর্ম না!’; আর নাচতে নামলে গুমটা না টানায় ভাল!!
        ভাল থাকবেন আশা করবো আপনি নিয়মিত লিখবেন… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

  8. স্যরি টু সে, আমি নাস্তিকদের
    স্যরি টু সে, আমি নাস্তিকদের অনেক জ্ঞ্যানি এবং বুঝবান মনে করতাম এবং এখনও করি। কিন্তু আফসোসের সাথে লক্ষ্য করলাম উনারা কেউই আমার লেখার মূল টোনটা ধরতে পারলেন না। আমি নাস্তিকতবাদ নিয়ে লেখালেখি বাদ দিতে বলিনি। বলেছি থাবার স্টাইলে লেখা না লিখতে। থাবার স্টাইল সম্পর্কে কারো জানা না থাকলে ভিন্ন কথা। আমার ধারণা বেশীর ভাগই আপনারা জানেন, কিন্তু এখন না জানার ভান করছেন।
    একটা উদাহরণ দেই, থাবার একটা লেখা ছিল নামাজের সেজদা কিভাবে ইসলাম ধর্মে আসল সেটার উপরে। সম্পুর্ন মনগড়া অশ্লীল এবং প্রকাশ অযোগ্য কথাবার্তা। কিভাবে সাহাবিরা একজন আরেকজনের সাথে সারারাত সমকামিতায় লিপ্ত থেকে মজা পেয়ে সিজদার ব্যাপারটা প্রচলন করেছিলেন এই টাইপের। বাধ্য হলাম ফালতু কথাগুলো লিখতে, কারন চোখে আঙুল দিয়ে খোঁচা না দেওয়া পর্যন্ত দেখছি আপনাদের চোখ খুলছে না। এখন আমাকে বুঝান এই ধরনের লেখালেখির মানে কি? উদ্দেশ্য কি? এবং ওইধরনের লেখাগুলোই আমার দেশ পত্রিকায় ছেপে বিদ্বেষ ছড়ানো হয়েছে। কেউ যদি এখন বলেন ঐ ধরনের কোন লেখা কখনও কোন নাস্তিক লেখেন নাই, তাইলে বলব আপনি চরম মিথ্যাবাদী। শুধু থাবা নয় এরকম আরও অনেকেই ইসলাম ধর্মের এইরকম নানান আচার বা নিয়ম রীতি নিয়ে বানোয়াট অশ্লীল লেখা লিখেছেন এবং আমাদের মুক্তমনা ভাইয়েরা দাঁত কেলিয়ে তাদের সমর্থন দিয়েছেন তখন। সেই লেখাগুলোই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে।
    আমি কারো কণ্ঠরোধের কথা বলতে পোস্ট লিখিনি। কিন্তু বাক-স্বাধীনতা মানে যা ইচ্ছে তা লেখা নয়। এই কথাটাই গতকাল থেকে বুঝানর চেষ্টা করে যাচ্ছি, আর আমার অতি জ্ঞ্যানি নাস্তিক ভাইয়েরা যেন মরণপণ শপথ করেছেন উনারা সেটা কিছুতেই বুঝতেই চাইবেন না। একে কি মুক্তচিন্তা বলে?
    আর একটা জিনিস আমি লক্ষ্য করেছি, অধিকাংশ নাস্তিকের মধ্যে একটা মনোভাব কাজ করে। একটা মানুষ হয়ত শিক্ষাগত যোগ্যতা, তার এক্সট্রা কারিকুলার একটিভিটিস ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে পারদর্শী, কিন্তু উনি যদি নাস্তিক না হন তাহলে উনি আর পাতে তোলার যোগ্য না। ঘৃন্য সংকীর্ণমনা কেউ হয়ে যান। কেন রে ভাই? আপনার যেমন নাস্তিক হওয়ার অধিকার আছে, আরেকজনের আস্তিক হওয়ার অধিকার আছে। সে যদি কোন অন্যায় আচরণ না করে থাকে, সে যদি তার আস্তিকতা নিয়েও উদার মনোভাব নিয়ে জীবন যাপন করেন তাহলে আপনার এতো আপত্তি থাকার কথা না তো। আপনি না মুক্তমনা? এক্ষেত্রে সংকীর্ণ মনোভাবের পরিচয় কে দিচ্ছে?

    1. আমার লেখায় আপনি –
      আমি

      আমার লেখায় আপনি –

      আমি নাস্তিকতবাদ নিয়ে লেখালেখি বাদ দিতে বলিনি। বলেছি থাবার স্টাইলে লেখা না লিখতে।

      কি এধরনের কিছু পেয়েছেন? তারপরেও আপনি অহেতুক টানাহ্যাচড়া করেননি এটা নিয়ে? সাধারণ একটা কবিতা নিয়ে টানাহ্যাচড়া করেননি?

      1. আপনার সমস্যা কি জানেন? আপনি
        আপনার সমস্যা কি জানেন? আপনি অহেতুক না বুঝে কথা বলেন অথবা বুঝেও না বুঝার ভান করেন। মহাকবি মালাউনের ব্লগিং করার স্টাইল দেখে আমি প্রথমেই তাকে সতর্ক করতে চেয়েছি যেন আরেকজন থাবার জন্ম না হয় বাংলা ব্লগে। কবিতার পোস্টে কবিতার বাইরের প্রসঙ্গ নিয়ে আলোচনা করাটা কি পাপ হয়েছে? এভাবে বুঝেও না বুঝার ভান করার চেষ্টা করলে আমি আপনার সাথে কথা বাড়াতে ইচ্ছুক নই। গোঁয়ারদের আমি সযত্নে এড়িয়ে চলতে পছন্দ করি।

      2. আর আমি উপরে যেই প্রশ্নগুলো
        আর আমি উপরে যেই প্রশ্নগুলো তুলেছি সেগুলো নিয়ে কথা বলেন। প্রশংগ ঘুরানর চেষ্টা করবেন না।

        1. আতিক ভাই, মহাকবির ব্যাপার টা
          আতিক ভাই, মহাকবির ব্যাপার টা সে জানে। আমি গতকালও একটা পোস্ট দিয়েছি, আশা করতে পারেন, এমন কোন কথা আমি বলবোনা, যেটাতে থাবা বাবার মত লেখা প্রকাশ পায়।

          1. জী, আমি সেটাই চাইছি। আপনার
            জী, আমি সেটাই চাইছি। আপনার আরেক সত্ত্বা মহাকবির মগজে এটা ঢুকিয়ে দিলে ভালো হয়। কৃতজ্ঞ হই।

  9. উস্কানিমূলক লেখা দিলেই সেটা
    উস্কানিমূলক লেখা দিলেই সেটা ধার্মিকদের! মনে আঘাত দেয় এবং তারা চাপাতি নিয়ে ছুটে আসে।
    থাবা বাবা উস্কানিমূলক লেখা দিয়েছে তাই সে প্রাণ হারিয়েছে!
    হুমায়ুন আজাদও কি উস্কানিমূলক কিছু লিখেছিলেন? নাকি যুক্তিপূর্ণ সমালোচনা করেছিলেন?
    তিনিও কি আক্রান্ত হন নি? শেষ পর্যন্ত হত্যা করা হয় নি?

    যদি বলা হয় নাস্তিকদের উস্কানিমূলক লেখার জন্যই তারা আক্রান্ত হন তবে এর চেয়ে ভ্রান্তিমূলক কথা আর কিছু হতে পারে না।

    1. অবাস্তব স্বপ্নচারী , হুমায়ুন
      অবাস্তব স্বপ্নচারী , হুমায়ুন আজাদ কে যখন হত্যা করা হয়েছিল, তখন বাজি না রেখেই বলা যেতে পারে, নাস্তিকতা টা এতো সক্রিয় হয় নি। তখন তিনি একটু কোন কিছু লিখলেই ধর্মান্ধ দের চোখের কাটা হয়ে যান। থাবারা এ নাস্তিকতাটাতে অন্য মাত্রা যুগিয়ে তোলে, যার ফলে এই বলিদান…..

      এটাকে আর কি বলব, মুসলমানেরা ঈহুদী নিয়ে ওয়াজ মাহফিল এ কোন না বললে ওয়াজ জমে না, আর অন্য কেউ মুসলমানদের কিছু বললে তাতে জ্বলে যায়….

      হায়!

  10. যাদের
    লেখা কে অজুহাত করে

    যাদের
    লেখা কে অজুহাত করে এই
    মোল্লারা ধ্বংস লীলায়
    মেতে ওঠে আপনি আসলে তাঁদের
    কেই বলছেন “উগ্র নাস্তিক” !

    সহমত।

  11. মোশফেক সাহেবরা কখনোই চান না
    মোশফেক সাহেবরা কখনোই চান না মুক্ত চিন্তার প্রচার হোক ।তাইতো তাদের এটা উপযুক্ত সময় না, সেইটা না এইরাম কত তালি বালি । কারণ যত মুক্ত মত প্রচার হবে তত মানুষের অবিশ্বাসের প্রবণতা বাড়বে । যা আস্তিকদের কাছে ভয়ের কারণ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *