একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প

চাকরি টা হওয়ার কথা ছিল নির্ঝরের/ কিন্তু না চাকরি হলো আবদুলের/ নির্ঝর আর আবদুল দুই বন্ধু/ শৈশবকাল থেকে একসাথে পড়াশুনা করছে/

নির্ঝর মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে/ ওরা 1 ভাই, 2 বোন/ অনেক কষ্টে নির্ঝর hsc পাশ করছে/ অনার্সে ভর্তি হইছে/ আগে পরিবারটা মোটামুটি ভালো চলত/ এখন আর চলেনা/ ছোটবোন কলেজে উঠছে/ পরিবার টা বড় হয়ে গেছে/ পিতার ইনকামে হয়না/ নির্ঝর একজন ছেলে তাই তার উপর দায়িত্ব/

মাস গেলেই বাড়ী ভাড়া দিতে হয়/ খাও না খাও বাড়ী ভাড়া তো দিতে হবে/ দিন দিন খরচ যেন বেড়েই চলেছে/ জিনিসপত্রের দামও প্রচুর/ সবকিছু নাগালের বাইরে/


চাকরি টা হওয়ার কথা ছিল নির্ঝরের/ কিন্তু না চাকরি হলো আবদুলের/ নির্ঝর আর আবদুল দুই বন্ধু/ শৈশবকাল থেকে একসাথে পড়াশুনা করছে/

নির্ঝর মধ্যবিত্ত পরিবারের ছেলে/ ওরা 1 ভাই, 2 বোন/ অনেক কষ্টে নির্ঝর hsc পাশ করছে/ অনার্সে ভর্তি হইছে/ আগে পরিবারটা মোটামুটি ভালো চলত/ এখন আর চলেনা/ ছোটবোন কলেজে উঠছে/ পরিবার টা বড় হয়ে গেছে/ পিতার ইনকামে হয়না/ নির্ঝর একজন ছেলে তাই তার উপর দায়িত্ব/

মাস গেলেই বাড়ী ভাড়া দিতে হয়/ খাও না খাও বাড়ী ভাড়া তো দিতে হবে/ দিন দিন খরচ যেন বেড়েই চলেছে/ জিনিসপত্রের দামও প্রচুর/ সবকিছু নাগালের বাইরে/

বেচারা চাকরি টা পাওয়ার জন্য বিনা টাকায় দুই মাস খাটছে/ কিন্তু বর্তমান অবস্থায় সবকিছুতে টাকা লাগে/আবদুল এর টাকা থাকাতে সে সহজেই চাকরি পেয়ে যায়/

নির্ঝরের পরিবারের অবস্থা এতটাই খারাপ যে তাকে কোন টাকা দিতে পারছেনা/ তাছাড়া নির্ঝরের জমানো কোন টাকা নেই/ 22 বছরের একটা ছেলের নূন্যতম হাতখরচ বলেও একটা কথা আছে/ এভাবেই দিন কাটছে/

নির্ঝর এলাকার অনেক প্রভাবশালী ব্যক্তিকে বলছে তার একটা চাকড়ি যোগাড় করে দিতে/ কিন্তু সমস্যা একটাই টাকা/ নির্ঝর টিউশনি করে কিছু টাকা জমা করেছে/ সেটাই সম্বল/ তার বন্ধুদেরও বলেছে চাকরি যোগাড় করতে/

অনেক অফিসেই নির্ঝর বায়োডাটা জমা দিছে/ এলাকার এক লোক তাকে বলল/ একটা ডিসপেনসারিতে বয় এর কাজ করতে/ থাকা-খাওয়া ফ্রি/ সেলারি 2000/ নির্ঝর খুব অপমানিত বোধ করে/ সে একজন অনার্স পড়ুয়া ছাত্র/ তার একটা মান-সম্মান বলে তো কথা আছে/ আরেকজন বলে তার দোকানে টিভি মেকানিক এর কাজ শিখতে/ নির্ঝর কিছু বলেনা/

অনেকে নির্ঝরকে নিয়ে ঠাট্টা করে/ ও একটু ভালো কাপড় পরে/ দামি মোবাইল ব্যবহার করে তাই/ এগুলা সব তার টিউশনি করে ইনকাম করা টাকা দিয়ে কেনা/ সবার সাথে একটু তো তাল মিলাতেই হবে/

নির্ঝর ভেবে পায়না তার কি হবে/ কেউ কোন খোঁজখবর নেয়না/ আবদুল তো পুরাই পার্ট এ/ সে এখন ম্যানেজার/ একজন বেকারকে কেন ফোন করবে/ একা একা আকাশের তারার দিকে তাকিয়ে থাকে নির্ঝর/ নিঝুমকে ফোন করে/ হয়তো একটু স্বান্তনাবাক্য শুনার আশায়/ নাহ সে আশায় গুড়েবালি/ নিঝুম কল ধরেনা/

নির্ঝর ডুকরে কেঁদে উঠে/ আজ তার পাশে কেউ নেই/ শুধু একজন আছে/ সেটা হলো হতাশা/ হতাশার মাঝে সে ডুবে গেছে/ উঠতে পারবে কি???

মধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেওয়া কি পাপ?? মাথার উপর অনেক বড় বোঝা/ এ বোঝা কি আদৌ নামবে/ অনেক উল্টাপাল্টা চিন্তা মাথায়/

নাহহ সব বাদ দিয়ে তাকে মাথা উচু করে দাড়াতে হবে/ তাই সে কোনরকমে কয়েকটা টিউশনি যোগাড় করে অল্প করে টাকা জমিয়ে টাকা দিয়ে চাকরি নেওয়ার আশায় থাকে/ যেহেতু গ্রামে থাকে তাই টিউশনিতে খুব কম টাকা/ কি আর করা/

এভাবেই সে ঘুরে দাড়ায়/ হয়তো সামনে তার চাকরি হবে/ অবস্থান একটু ভালো হবে/ কিন্তু মধ্যবিত্ত পরিবারের এমন অবস্থাই স্বাভাবিক/ যুদ্ধ করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গেলেও যে যুদ্ধ থামেনা/ এভাবেই বাঁচতে হয়/

তবুও দিনশেষে তাদের পরিবারে সবার মুখে এক পূর্ণতার হাসি দেখতে পাওয়া যায়/ যা দেখে তাদের কত সুখী মনে হয়/ আসলেই তাদের খুশি মুখটার মূল্য অনেক/ এ যে কষ্টের মুখ থেকে যুদ্ধ করে আনা সুখ/ অল্পতেই মুখে সুন্দর হাসি/ মা-বাবা-বোনদের নিয়ে নির্ঝরের সুখের সংসার/ দুবেলা দুমুঠো খাবার জুটলেই যেন অনেক বড় পাওয়া/ মনে হয় এতেই সবটুকু সুখ/ আর ছোট বোনদের ছোট ছোট চাওয়া পূরন/ বাহ ভালই তো আছে নির্ঝর/

৮ thoughts on “একটি মধ্যবিত্ত পরিবারের গল্প

  1. এত্ত স্লাশ দিছেন কেন ভাই !!
    এত্ত স্লাশ দিছেন কেন ভাই !! দেখতে খারাপ লাগছে তো !!! সম্পাদন করে স্লাশ গুলা সরিয়ে ফালান । ভাল্লাগবে । :খুশি:

  2. বাধ্য হয়ে দিছি/ মোবাইল আপডেট
    বাধ্য হয়ে দিছি/ মোবাইল আপডেট করার পর দাড়ি দিলেই রিস্টার্ট হয়/ ভার্সন ট্রাবল/ নেক্সট ভার্সন পাওয়ার আগ পর্যন্ত আমি পারতেছিনা দাড়ি দিতে/ দুঃখিত/

  3. কী লিখলেন এসব???? স্লেস আর
    কী লিখলেন এসব???? স্লেস আর সংখ্যা ইংরেজিতে লিখার কি মানে?
    যেমন খুশি তেমন লেখা।

Leave a Reply to অমিত লাবণ্য Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *