কথা বলতে দেবেনা

আমি কথা বলতে গেলে-
টুটি চেপে ধরে কল্পিত অক্টোপাস,
রক্তের সন্ধানে হাজির হয় সাদা হাঙ্গর।
মৌচাকে সদ্য অগ্নিসংযোগের ফলে,
রাগান্বিত একঝাক মৌমাছি উড়ে আসে-
হুল ফোটাবার জন্য আমার মুখমন্ডলে।

আমি কথা বলতে গেলেই-
আমার ঘাড় চেপে ধরে কল্পিত ব্যাঘ্রথাবা,
প্রসাদের লোভে ভিড় করে শেয়াল-শকুনেরা।



আমি কথা বলতে গেলে-
টুটি চেপে ধরে কল্পিত অক্টোপাস,
রক্তের সন্ধানে হাজির হয় সাদা হাঙ্গর।
মৌচাকে সদ্য অগ্নিসংযোগের ফলে,
রাগান্বিত একঝাক মৌমাছি উড়ে আসে-
হুল ফোটাবার জন্য আমার মুখমন্ডলে।

আমি কথা বলতে গেলেই-
আমার ঘাড় চেপে ধরে কল্পিত ব্যাঘ্রথাবা,
প্রসাদের লোভে ভিড় করে শেয়াল-শকুনেরা।
অবৈধ সাম্রাজ্যে ধ্বস নামানোর অপরাধে,
একদল উন্মাদ সাম্রাজ্যবাদী ছুটে আসে-
আঘাত করার জন্য নগ্ন তরবারি নিয়ে।

আমি যখনই কিছু বলতে যাই-
আমার সমগ্র চিন্তা-চেতনা ঘিরে ধরে হায়েনারা,
বিষাক্ত ব্ল্যাক মাম্বারা তেড়ে আসে ফণা উঁচিয়ে।
ধর্মীয় অনুভূতির আঁতে ঘা দেয়ার অপরাধে,
জিহাদ জিহাদ বলে চেঁচিয়ে ছুটে আসে-
তালেবান আদর্শ লালনকারী কিছু মৌলবাদী।

এতো প্রতিবন্ধকতার মাঝেও ,
দু’একটা কথা বলে ফেলেছি কাব্যিকতার সাথে,
তাই, অগ্নিস্ফুলিঙ্গ জ্বলে উঠেছে তাদের দেহে।
সমস্বরে হাজার নৃশংস কন্ঠ, আমার কন্ঠকে
পদদলিত করার আকাঙ্খায় হাঁক দিচ্ছে আজ।
শুধু বলব, বেঁচে থাক মুক্তচিন্তা। সকল
কূপমণ্ডূকের ঘরে জ্বলে উঠুক দীপ হয়ে।

উৎসর্গঃ অসমাপ্ত অভিযান

৫৪ thoughts on “কথা বলতে দেবেনা

  1. কবিতা ভালোই লিখেছেন। সাহিত্য
    কবিতা ভালোই লিখেছেন। সাহিত্য বিচারের দিকে যাচ্ছিনা। একটা ক্ষোভ থেকেই এই লেখার সূত্রপাত সেটা বুঝেই বলছি। কথা কিন্তু আমার দেশের সম্পাদক মাহমুদুর রহমানও বলতে চায়। আপনাকে ঐ কুলাঙ্গারের সাথে তুলনা করছি ভাববেন না। শুধু মনে করিয়ে দিয়ে চাই, কথা বলতে পারাটাই মানুষ হিসেবে একমাত্র যোগ্যতা নয়। কথাটা কিভাবে, কখন, কোথায়, কোন পরিস্থিতিতে, কোন প্রেক্ষাপটে কিভাবে বলতে হয় সেটাও একটা বড় শিক্ষা। আপনার কণ্ঠ কেউ চেপে ধরেনি এখানে। শুধু উপরের কথাগুলো মাথায় রাখবেন তাহলেই হবে। গোয়ার্তুমি করে কিছু হয় না অমিত। একটা ব্লগ প্ল্যাটফর্ম দাড় করানো অনেক কষ্টের এবং পরিশ্রমসাধ্য ও ব্যয়সাধ্য কাজ। সেটাকে ফেয়ার ইউজ কিভাবে করা যায় সেটা নিয়ে ভাবুন। গোয়ার্তুমি করে কথা বলার প্ল্যাটফর্মটাকেই নষ্ট করে ফেলবেন না।

    1. মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। এখন
      মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। এখন বলি-

      অবৈধ সাম্রাজ্যে ধ্বস নামানোর অপরাধে,
      একদল উন্মাদ সাম্রাজ্যবাদী ছুটে আসে-

      ধর্মীয় অনুভূতির আঁতে ঘা দেয়ার অপরাধে,
      জিহাদ জিহাদ বলে চেঁচিয়ে ছুটে আসে-
      তালেবান আদর্শ লালনকারী কিছু মৌলবাদী।

      আপনি বিচক্ষন একজন মানুষ হয়ে কেন বলছেন ক্ষোভ এর উপর থেকে লিখা? তাহলে কি এখন থেকে মৌলবাদ নিয়ে কিছু লিখা যাবেনা? সেটা গোঁয়ার্তুমি হয়ে যাবে? কি লিখলে লিখাটি ভাল হতো, আপনিই বলুন?

      1. মৌলবাদের বিরুদ্ধে লেখা, আর
        মৌলবাদের বিরুদ্ধে লেখা, আর একটা ধর্মের বিরুদ্ধে ন্যাংটা হয়ে লাগার পার্থক্য আশা করি এতদিনে বুঝেছেন। থাবা বাবা, আসিফ মহিউদ্দিন, ইকারাস এইরকম অনেকগুলো নিক এবং ধর্মকারির মতো ব্লগ থেকে আমাদের সমাজ কিভাবে উপকৃত হয়েছে একটু বুঝিয়ে বলবেন? আমরা ঠিক কতখানি মুক্তমনা হওয়ার পথে অগ্রসর হয়েছি? নাকি আরও পিছিয়ে দিয়েছে এরা?
        আপনার লেখনীর শক্তি মৌলবাদী জামাত-শিবিরের বিরুদ্ধে কাজে লাগান। কিন্তু সেটা না করে দেশের কোটি কোটি মানুষের বিশ্বাসে আঘাত দিয়ে যে সুবিধা পাওয়ার চেয়ে নিজেরাই আমরা আরও কোণঠাসা হয়ে পড়েছি সেটা কি অস্বীকার করবেন? করতে পারেন। গায়ের জোরে অনেক কিছুই অস্বীকার করা যায়। কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন জিনিস। থাবার লেখাগুলো যখন মানুষের সামনে প্রকাশিত হলো, তখন কেন মুক্তমনারা উঠে পড়ে লেগেছিল ওইগুলো থাবার লেখা নয় বলে প্রমাণ করতে? নূরানি চাপা হয়ত থাবার নিজের তৈরি ব্লগ নয়। আমার দেশের মতো কুলাঙ্গাররাই তৈরি করে থাবার নামে প্রচার করেছে। কিন্তু ঐ টাইপের লেখা, এমনকি তারচেয়েও জঘন্য লেখা থাবা এবং অন্যেরা লিখে গেছে দিনের পর দিন। তখন মুক্তমনারা তাদের পিঠ চাপড়ে দিয়েছেন। আর আমরা যারা ভদ্র ভাষায় প্রতিবাদ করেছিলাম এভাবে না লেখার জন্য তখন আমাদের কূপমণ্ডূক, সংকীর্ণমনা ইত্যাদি বলে দাবীয়ে দেওয়া হয়েছে। তাহলে কেন পরবর্তিতে ওইধরনের লেখাগুলো অস্বীকার করা হলো? আমি একটা কথা বারবার বলেছি, এখন আবারও বলছি ঐ স্টাইলে ধর্মকে আঘাত করে কিছুতেই আপনি কিছুতেই সমাজ থেকে মৌলবাদকে উৎখাত করতে পারবেন না। নিজেরা নিজেদের পিঠ চাপড়ে দিয়ে সাময়িক স্বস্তি পেলেও পেতে পারেন। কিন্তু পরোক্ষে মৌলবাদকে আরও উস্কেই দেওয়া হয় এতে করে।

        1. আপনার সাথে একমত। ব্লগের
          আপনার সাথে একমত। ব্লগের সবাইকে আমি যথেষ্ট ভালবাসি এবং শ্রদ্ধা করি। কারো সাথে আমার ব্যাক্তিগত কোনো বিরোধ নেই। আমার বিরোধ মৌলবাদী ও দেশদ্রোহীদের সাথে। আশা করি আপনি ব্যাপারটা বুঝতে পারবেন।

    2. ক্ষোভ আমার মৌলবাদীদের প্রতি।
      ক্ষোভ আমার মৌলবাদীদের প্রতি। সেটা আমি থামাতে পারবোনা, জয়তু বিপ্লব।

    3. এই কবিতা তো দুধ ভাত। এর চেয়ে
      এই কবিতা তো দুধ ভাত। এর চেয়ে হাজার গুন গোঁয়ার্তুমি করেছি মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে, তবে এরকম করে জামাত-শিবির ও কখনো বলেনি…

    4. গোয়ার্তুমি করে কিছু হয় না

      গোয়ার্তুমি করে কিছু হয় না অমিত। একটা ব্লগ প্ল্যাটফর্ম দাড় করানো অনেক কষ্টের এবং পরিশ্রমসাধ্য ও ব্যয়সাধ্য কাজ। সেটাকে ফেয়ার ইউজ কিভাবে করা যায় সেটা নিয়ে ভাবুন। গোয়ার্তুমি করে কথা বলার প্ল্যাটফর্মটাকেই নষ্ট করে ফেলবেন না।

      — কিন্তু আতিক ভাই,

      কুসংস্কারকে সত্য হিসেবে শিক্ষা দেয়া একটি ভয়ংকরতম বিষয়।

      এইসবের প্রতীবাদ করা শিক্ষিত মানুষ হিসেবে আপনার আমার কর্তব্য…

  2. সমস্বরে হাজার নৃশংস কন্ঠ,
    সমস্বরে হাজার নৃশংস কন্ঠ, আমার কন্ঠকে
    পদদলিত করার আকাঙ্খায় হাঁক দিচ্ছে আজ।
    শুধু বলব, বেঁচে থাক মুক্তচিন্তা। সকল
    কূপমণ্ডূকের ঘরে জ্বলে উঠুক দীপ হয়ে
    +++++++++++

  3. “আমি নতজানু হওয়ার বদলে

    “আমি নতজানু হওয়ার বদলে নিগ্রহকে বরণ করেছিলাম। এটা ওদের সহ্য হয় নি।

    আমি বেঁচে ছিলাম অন্যদের সময়ে।

    কবিতা পছন্দ হয়েছে…

    1. আমার প্রিয় পঙ্কতির একটি বলে
      আমার প্রিয় পঙ্কতির একটি বলে দিলেন। ধন্যবাদ। ভাল লেগেছে জেনে সুখী হলাম 🙂

  4. বলার ভাষা কখনোই রোধ করা উচিত
    বলার ভাষা কখনোই রোধ করা উচিত নয় ।আর ধন্যবাদ দাদা উত্‍সর্গটা আমাকে করার জন্য

  5. আর কিছুই বলার নাই।।
    আর কিছুই বলার নাই।। :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:
    এইটাই তো কবির যথার্থ ভাষা।
    পুরা দিনের সকল ধকল এক কবিতায় পুষিয়ে দিয়েছেন গুরু!!

  6. অমিত ভাই ওইসব ধর্মান্ধদের
    অমিত ভাই ওইসব ধর্মান্ধদের দারুণ এক চপেটাঘাত দিলেন!
    আপনি কবি বটে!! :bow: :bow: :bow: :salute: :salute: :salute:

  7. আপনি আপনার কবিতায় যা বোঝাতে
    আপনি আপনার কবিতায় যা বোঝাতে চেয়েছেন তা খুব পরিস্কার ভাবেই প্রকাশ পেয়েছে। আপনার মুক্তমনা হওয়ার জন্য যতগুলো দরজা জানালা খোলা দরকার খুলবেন।আর কেউ দরজা জানালা বন্ধ করে রাখলে তাতে টোকা বা আঘাত তো করতেই হয়। চালিয়ে যান।

    ডাঃ আতিক সাহেবকে বলছি, আপনার কথার সুরটা আমি খুব ভাল মতই বুঝতে পারলাম, একারণেই দ্বিমত পোষন করছি।

    1. দ্বিমত পোষণ করতেই পারেন।
      দ্বিমত পোষণ করতেই পারেন। সমস্যা নাই। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে আপনাদের দৌড় আমার জানা আছে। আপনাদের সাথে ভিন্নমত পোষণ করলে আপনারাও মৌলবাদীদের মতোই আচরণ করেন। মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ।

      1. আতিক ভাই, একটা কবিতা পোস্ট
        আতিক ভাই, একটা কবিতা পোস্ট করলাম। তাতেও আপনি অযথা ধর্মের গন্ধ খুজে আনছেন তাহলে কিতা বুঝতাম??? কবিতা লেখা বাদ দিয়ে “লাল সালু” লিখলেও আপনি আমাকে কি এই ধরনের কথা বলবেন?

        1. আমি সামগ্রিক বিবেচনায় মন্তব্য
          আমি সামগ্রিক বিবেচনায় মন্তব্য দিয়েছি। সেটা প্রথমেই উল্লেখ করে দিয়েছি। আর কবিতা আপনি কোন প্রেক্ষিতে পোস্ট করেছেন সেটা না বুঝার মতো অবুঝ তো আমি না। আমি সেই প্রেক্ষিতেই মন্তব্য করেছি।
          এখন আমার একটা প্রশ্ন- আমি তো চাপাতি হাতে আপনার/আপনাদের দিকে তেড়ে যাওয়ার ভয় দেখাইনি, ভিন্নমত জানিয়েছি। তাও খুবই ভদ্র এবং যৌক্তিক ভাষায়। সেটা কেন আপনারা হজম করতে পারছেন না? তাহলে অন্যদের কেন দোষারোপ করেন তারা যখন ভিন্নমত পোষণ করায় আপনার সাথে রিয়াকশন দেখায়? যাই হোক আমি আর এই বিষয়ে কথা বলতে ইচ্ছুক নই। বুঝেও না বুঝার ভান করলে মেজাজ খারাপ হয়।

          1. ভিন্নমত মানে কোন মত?
            ভিন্নমত মানে কোন মত? মৌলবাদীদের বিরুদ্ধে লিখলে আপনি ভিন্নমত পোষণ করবেন? তাহলে আগে পরিষ্কার করুন আপনার অবস্থান…

          2. আবারও কেন ত্যানা পেঁচাচ্ছেন?
            আবারও কেন ত্যানা পেঁচাচ্ছেন? আমি মৌলবাদের বিরুদ্ধে না লিখতে কখন বললাম? এখন কিন্তু আপনি ফাইজলামি শুরু করছেন। আমি কি বিষয়ে কথা বলছি সেটা না বুঝার মতো অবুঝ তো আপনাকে মনে হয় না। বেশ তো দুইটা নিক ভালোই চালিয়ে নিচ্ছেন। তাহলে এখন এতো অবুঝ হওয়ার ভান করছেন কেন?
            আবারও কান খুলে শুনে রাখুন, আমি থাবা বাবা স্টাইলে ধর্ম নিয়ে ফাউল পোস্ট লেখার বিরোধিতা করে কথা বলছি। নাউ ক্লিয়ার?

          3. ইয়েস ক্লিয়ার। থাবা বাবা
            ইয়েস ক্লিয়ার। থাবা বাবা স্টাইলে আমি কোনো পোস্ট দেইনি। কান খুলেই শুনে রাখছি। আমাকে বলছেন আমি দুটো নিক চালিয়ে যাচ্ছি। বেশ! আপনার কয়টা নিক আছে তা আমার জানার দরকার নাই। ইশটিশনে আসছি লিখতে, মানুষের নিকের গোয়েন্দাগিরি করতে না। আমার আরো কিছু নিক আছে ইশটিশনে, সেটা জানেন?

          4. থাবার স্টাইল আপনি মহাকবি
            থাবার স্টাইল আপনি মহাকবি মালাউন দিয়ে কেবল সূচনা করেছিলেন। তথাকথিত মুক্তমনাদের পিঠ চাপড়ানো শুরু হলেই আরও এগ্রসিভ লেখা লিখবেন সেটা মহাকবি মালাউন নিকের আচরণ থেকেই বুঝা যায়। আমার অতো ভনিতা করার প্রয়োজন পড়ে না। তাই একটা নিকই যথেষ্ট।

          5. তাই নাকি? কি বলব বড় ভাই?
            তাই নাকি? কি বলব বড় ভাই? পর্দার আড়ালে যে কতকিছু হইতে পারে, তা বিভিন্ন ব্লগ ঘুইরা বুঝতে পারসি। যাউকগা, আপনি আমার স্রদ্ধার পাত্র, আপনার সাথে আমার ব্যাক্তিগত কোনো ক্যাচাল ও নাই। আপনি জামাত-শিবির ও না। আশা করি ভাল পোস্টে সহযোগীতা পাব, পরামর্শ এবং মন্তব্য দিয়ে সাহায্য করবেন। ভাল থাকবেন, কমেন্টে রাফ বিহেভ নজরে পড়লে খমাসুন্দর দৃষ্টি তে দেখবেন। :ফুল: :ফুল: :ফুল:

  8. “” কিন্তু
    বাস্তবতা হচ্ছে

    “” কিন্তু
    বাস্তবতা হচ্ছে আপনাদের দৌড় আমার জানা আছে। “” বেশ বেশ জানুন। বলছি কথার ধরনটা আমার খুব পরিচিত। আমরা খুব ভাল মতই জানি কি করছি— “” ধরুন একটা বিশাল গাছ, প্রতিদিন এর থেকে ঝরে যাওয়া পাতাগুলো হল
    ময়লা, এই ময়লা ঝেরে তো আপনি ময়লা হওয়া রোধ করতে পারবেন না।”” এবং কি করতে হবে। @ ডাঃ আতিক।

    1. বিশাল গাছ কেটে ফেলার সিস্টেম
      বিশাল গাছ কেটে ফেলার সিস্টেম আছে। আপনারা চান এক কোপে বিশাল গাছ কেটে ফেলবেন। সেখানেই সমস্যা।

      1. আতিক ভাই, প্রথমে আপনার কমেন্ট
        আতিক ভাই, প্রথমে আপনার কমেন্ট বুঝতে পারিনাই। তাই সম্পাদন কইরা কমেন্ট করলাম।

  9. আর আপনারা কী ধিরে ধিরে
    আর আপনারা কী ধিরে ধিরে কাটছেন তা তো দেখতেই পাচ্ছি। আমরা কি করব তা ভেবে এবং আমার বক্তব্য গ্রহন করার ধরণ দেখলেই বোঝা যায় আপনারাই প্রতিক্রিয়াশীলতাকে পুষছেন।

    1. সেই
      সেই ক্যাচাল………..
      অনিচ্ছাসত্বেও কমেন্ট করতে বাধ্য হলাম।অনিন্দ্য অনি, আতিক ভাইয়ের কমেন্টে আপনার দ্বিমত অবস্হানটা ক্লিয়ার করেন দেখি? কাইন্ডলি,আপনার আপত্তি খোলাসা করেন?

  10. একটা কথা প্রায় শুনা যায়, যে
    একটা কথা প্রায় শুনা যায়, যে নাস্তিকের সাথে একমত না হলে তারাও মৌলবাদীদের মত উগ্র হয়ে যায়।
    আচ্ছা, আজ পর্যন্ত কোন নাস্তিকের হাতে কোন আস্তিক চাপাতির কোপ খেয়েছে???? :কনফিউজড:

  11. ওয়েল, সবার মন্তব্য আবারও
    ওয়েল, সবার মন্তব্য আবারও মনোযোগ দিয়ে পড়লাম এবং বুঝলাম আমি আমার বক্তব্য বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। যারা নাস্তিকতার চর্চা করে তাদের আমার বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই মনে হয়েছে একটু হলেও জ্ঞ্যান বেশী রাখে, তাই ভেবেছিলাম তাদের বুঝার ক্ষমতাও একটু ভালো হবে।
    প্রথমত, ধর্ম নিয়ে আমার বিশেষ আলাদা কোন চুলকানি নেই। অর্থাৎ কে আস্তিক, কে নাস্তিক এটা দিয়ে আমি মানুষ বিচার করিনা। আমার কাছে একজন মানুষের মানবীয় গুণাবলীই প্রথম বিবেচ্য। কারন ভালো মানুষ না হলে সে ভালো আস্তিকও হতে পারেনা, তেমনি ভালো নাস্তিকও হতে পারেনা। যারা নাস্তিকতার চর্চা এবং প্রচার প্রসার করতে চান তাদের কাছে সবসময়ই আমি একটা প্রশ্ন করি- আপনার এই প্রচারনার উদ্দেশ্য কি? উদ্দেশ্যবিহীন কিছু হতে পারে না। বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই উনারা এই প্রশ্নটি এড়িয়ে গিয়ে নানান বিষয় নিয়ে ত্যানা প্যাচান। সেক্ষেত্রে আমি ধরেই নিলাম, উদ্দেশ্য হচ্ছে একজন নাস্তিক্যবাদের প্রচারক চান সমাজ থেকে ধর্ম জিনিসটার বিলুপ্তি ঘটুক। তো সমাজের কোটি কোটি মানুষ ধার্মিক বা আস্তিক। এই কোটি কোটি মানুষের মন থেকে ধর্মীয় অনুভূতি মুছে ফেলতে হলে তাদেরকে আপনার বুঝাতে হবে এবং কনভিন্সড করতে হবে। না হলে কখনই সেটা সম্ভব নয়। এখন প্রথমেই যদি আপনি বাজে ভাষায় তার ধর্ম নিয়ে লেখালেখি করে তাকে বুঝাতে যান তার ফল কি হতে পারে? যারা উগ্র ধার্মিক না তাদা হয়ত লেখায় এসে আপত্তি জানাতে পারে, ক্ষেত্র বিশেষে উভয়ের বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে গিয়ে গালিগালাজ শুরু হয়, এটাই দেখে এসেছি আজ পর্যন্ত। আর উগ্র ধার্মিকেরা কি করতে পারে সেটা আমার চেয়ে আপনারা আরও ভালো জানেন বলেই মনে করি। কারন আপনারা সবার হাতেই একটা করে চাপাতি দেখতে পান দেখতে পাচ্ছি। তাহলে আপনার লেখালেখির মূল উদ্দেশ্য কি পূরণ হোল? একটা উদাহরণ দেই, নকশাল আন্দোলনের ইতিহাস নিশ্চয়ই জানা থাকার কথা। একদল স্বপ্ন দেখা তরুণ সমাজ বদলে দেবার মহৎ উদ্দেশ্য নিয়েই আন্দোলন শুরু করেছিল। তাদের উদ্দেশ্য ছিল সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করা। উদ্দেশ্য কিন্তু মহৎ। কিন্তু তাদের ফল কি হয়েছিল? বেশীর ভাগ পুলিশের গুলিতে বা টর্চারে হয় মারা গেছে না হয় চিরতরে পঙ্গু হয়েছে। আর কিছু দেশ থেকে পালিয়ে সেই বুর্জয়া দেশে গিয়ে আশ্রয় নিয়ে প্রাণে বেঁচেছে। আন্দোলন ব্যর্থ হওয়ার কারণটা কি কখনও বুঝে দেখার চেষ্টা করেছেন? করেন নি। তাদের ব্যর্থ হওয়ার মূল কারন ছিল জনবিচ্ছিন্নতা। পৃথিবীর কোন আন্দোলনই জনবিচ্ছিন্ন হয়ে সফল হতে পারেনি, পারবেও না। কারন আপনি আন্দোলনটা করছেনই জনগণের জন্য। সেই জনগনকেই যদি আপনি আপনার পাশে না পান তাহলে সেই আন্দোলন সফল হবে কিভাবে? শাহবাগের আন্দোলনের প্রথম পর্যায়ের কথা চিন্তা করুন। যদি লাখ লাখ মানুষ একাত্মতা না জানাত তাহলে শাহবাগ আন্দোলন নামে কোন কিছুর জন্ম হতোনা। সেটা নিছকই ৩০-৪০ জনের একটা তথাকথিত মানববন্ধনেই সীমাবদ্ধ থাকত। এটা যারা আন্দোলনের সাথে একদম শুরুতেই অংশ নিয়ে ৫ফেব্রুয়ারি বিকেলে শাহবাগে গিয়ে দাঁড়িয়েছিলেন তারা নিজেরাও জানেন এবং স্বীকার করেন। তাই আন্দোলনের মূল শক্তি হচ্ছে জনগণ। সেই জনগনকেই যদি আপনি প্রথমেই ক্ষেপিয়ে তুলে নিজের বিরুদ্ধে নিয়ে যান তাহলে ফলাফল শুন্য, এবং ক্ষেত্র বিশেষে আপনার জন্য ফল আরও খারাপ হবে। আপনি গোয়ার্তুমি করে বলতেই পারেন, জনগণ মুর্খ, তারা বুঝে না। কিন্তু এটা বলে তো আপনি পার পেয়ে যেতে পারেন না। তাহলে আপনার আন্দোলন না কোন কনসেপ্টকে প্রতিষ্ঠিত করার যোগ্যতাই নেই। থাবা বাবাদের মতো সুড়সুড়ি মার্কা লেখা লিখে আরেকজন উগ্র নাস্তিকের কাছ থেকে বাহবা পাবেন হয়ত, এর বেশী কিছু নয়। আপনার উদ্দেশ্য যদি হয় আরেকজন নাস্তিকের বাহবা কুড়নো তাহলে বলার কিছু নাই। আরেকটা জিনিস আমি খেয়াল করেছি বেশীর ভাগ নাস্তিকের মধ্যে এই প্রবণতা আছে। যখনই তারা ব্লগে একজনকে দেখে সে খুব ভালো লেখালেখি করে বিভিন্ন বিষয়ে, কিন্তু সে আস্তিক… সে আস্তিক এটা টের পাবার সাথে সাথেই তাকে আর মানুষ বলেই গন্য করতে চান না। তার স্থান অনেক নিচুতে নামিয়ে ফেলেন। কেন? নিজেকে খুব বেশী জ্ঞ্যানি মনে হয় তাই না? আজকের প্রেক্ষাপট ভিন্ন। শাহবাগের উত্থানের আগ পর্যন্তও দেখেছি ব্লগে কেউ ধর্ম নিয়ে পোস্ট দিলেই উগ্র নাস্তিকের দল কিভাবে তার উপরে হামলে পড়েছে। ভার্চুয়ালি তাকে শেষ না করে তারা ক্ষ্যান্ত হন নাই। আমি এইজায়গায় বলতে চেয়েছি, তাহলে একজন উগ্র আস্তিকের সাথে আপনার পার্থক্য কোথায়? আজকে আপনি সংখ্যা লঘু (শব্দটা অন্য সেন্সে নেবেন না) বলেই হয়ত ভার্চুয়ালি নাস্তানাবুদ করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ আছেন। কিন্তু আমার তো মনে হয় কখনও যদি পৃথিবীতে নাস্তিকেরা সংখ্যাগুরু হয় তাহলে এই ধরনের যারা উগ্র নাস্তিক তারাও চাপাতি হাতে ধার্মিক কোপাতে পিছপা হবে না। কারন হচ্ছে মানসিকতা। তাদের মানসিকতা উগ্র ধার্মিকদের মতোই উগ্র।
    সেই প্রথম প্রশ্নে ফিরে আসি। নাস্তিক্যবাদ নিয়ে আপনার লেখালেখির উদ্দেশ্য কি? টার্গেট কি? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজুন, আমার বক্তব্য বুঝতে সমস্যা হবে না। এর পড়েও কেউ না বুঝলে মুড়ি খান গিয়া। আপনাই আপনার জ্ঞ্যান আপনার মাথায় রাখবেন না পাছায় মাখবেন আপনার ব্যাপার।

    1. চমৎকার যুক্তি আতিক ভাই । আমি
      চমৎকার যুক্তি আতিক ভাই । আমি এই কথা গুলায় বলতে চাইছিলাম । বাট বলতে বলতে বলি নি । :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন:

    2. না বুঝার কিছুই নাই। ধন্যবাদ।
      না বুঝার কিছুই নাই। ধন্যবাদ। নাস্তানাবুদ ব্যাপারটা আসলে কি? নাস্তানাবুদ করার কিছুই নেই, সুন্দর বক্তব্যের মাধ্যমে আমার মনের ভাব প্রকাশ করাই আমার উদ্দেশ্য। ধন্যবাদ। ব্লগে ক্যাচাল চাইনা তার মানে এইনা যে আমার মত বিরোধী কোন কাজ দেখেও মুখ বন্ধ কড়ে থাকব। তাহলে সেটা হবে আমার চুশীলতা। সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ

          1. আপনার লেখালেখির উদ্দেশ্য কি?
            আপনার লেখালেখির উদ্দেশ্য কি? বিশেষ করে নাস্তিকতা নিয়ে বা ধর্মের বিরুদ্ধে? আর আপনার কাছে কি সব ধার্মিককেই মৌলবাদী মনে হয়?

          2. সব ধার্মিক মৌলবাদী না, কিন্তু
            সব ধার্মিক মৌলবাদী না, কিন্তু কোনো মৌলবাদী ই ধার্মিক না। গানিতিক ব্যাখামুলক একটা পোস্ট আসতে পারে রাতে। সেখানে আমি আপনাদের কথা বিবেচনায় রেখে কোনো ধর্মের নামই উল্লেখ করবোনা। পোস্ট টা পড়ে দেখবেন। আশা করি ভাল লাগবে।

          3. প্রত্যেক ধর্মের ত্রুটি এবং
            প্রত্যেক ধর্মের ত্রুটি এবং খুতগুলো মানুষের সামনে তুলে ধরাই আমার উদ্দেশ্য। কাউকে হেরাস করা নয়…

          4. তুলে ধরে কি করতে চান? সমাজ
            তুলে ধরে কি করতে চান? সমাজ থেকে ধর্ম নির্মূল হোক সেটাই তো? এবার আমার উপরের মন্তব্য আবার ভালো করে পড়ার অনুরোধ জানাচ্ছি।

          5. ধর্ম নির্মূল হোক চাইনা। তবে,
            ধর্ম নির্মূল হোক চাইনা। তবে, গতানুগতিক ধর্মীয় সমস্যাগুলো দূর করতে চাই। এবং এগুলো নিয়ে কেউ না কেউ লিখতেই হবে। একটা প্রশ্নের উত্তর জানার ইচ্ছা, জন্মনিয়ন্ত্রন নিয়ে ধর্ম কি বলে? আই মিন আপনার ধর্মে? আমি জানিনা। তবে শুনিছি কিছু…

          6. জন্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইসলাম
            জন্মনিয়ন্ত্রণ নিয়ে ইসলাম ধর্মে কোন বাঁধা নাই। মোল্লাদের কথায় নাচলে তো হবে না। নবীর সময়েই জন্মনিয়ন্ত্রণের জন্য পথ বাতলে দেওয়ার উদাহরণ আছে। তখন তো আর কনডম বা পিল ছিলোনা। যেই উয়াপ্যে সম্ভব সেই উপায়ই বাতলে দেওয়া হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *