কাজলদানীর কাজল

কাজলের খুব শখ ছিল আমার চোখের অঞ্জন হওয়ার। ২০০২ থেকে ২০১৩ দীর্ঘ এগারো বছরে ফসলী জমিতে গড়ে ওঠেছে নতুন গ্রাম। পদ্মার বুকে বিশাল চর জেগেছে, মানুষে গড়েছে নন্দন কানন। সেখানে নাকি কপোত-কপোতীর দল ফানুস উড়ায়। পাশের বাড়ির এক হাড়ি ভাগ হয়ে চার হাড়ি হয়েছে। ছোট মুক্তা মা হয়েছে। অথচ কাজল কাজল-ই আছে আমার কাছে। এখানেই অভিমান কাজলের, কখনও অঞ্জন করতে চাই নাই কাজলকে।

কাজল ঈশ্বরের মত হিংসুক হস না। আমার চুল কেউ ছুঁতে পারবে না। তুই ছাড়া ঘ্রান কেউ নিতে পারবে না। এ যে অন্যায় দাবি। তোর বুক জ্বালা করে এ যে অকারণ অভিমান।


কাজলের খুব শখ ছিল আমার চোখের অঞ্জন হওয়ার। ২০০২ থেকে ২০১৩ দীর্ঘ এগারো বছরে ফসলী জমিতে গড়ে ওঠেছে নতুন গ্রাম। পদ্মার বুকে বিশাল চর জেগেছে, মানুষে গড়েছে নন্দন কানন। সেখানে নাকি কপোত-কপোতীর দল ফানুস উড়ায়। পাশের বাড়ির এক হাড়ি ভাগ হয়ে চার হাড়ি হয়েছে। ছোট মুক্তা মা হয়েছে। অথচ কাজল কাজল-ই আছে আমার কাছে। এখানেই অভিমান কাজলের, কখনও অঞ্জন করতে চাই নাই কাজলকে।

কাজল ঈশ্বরের মত হিংসুক হস না। আমার চুল কেউ ছুঁতে পারবে না। তুই ছাড়া ঘ্রান কেউ নিতে পারবে না। এ যে অন্যায় দাবি। তোর বুক জ্বালা করে এ যে অকারণ অভিমান।

আমি তো কখনও তোকে কোন আশ্বাস দেই নাই। যে আশ্বাসের বীজ বপন করে আমার প্রতীক্ষায় পথ চেয়ে আছিস। আমি কোন প্রলোভন দেখাই নাই। তবে কেন লোভ হল তোর।

মাঝে মাঝে আমার ভাগ্যকে হিংসা হয়। কিছু পরে কষ্ট দানা বাঁধে তোর না পাওয়া ঘিরে। কাউকে টেনে নে বুকে। দেখবি যেখানে আজ জ্বালা করে বুকের ওখানটায় তার জন্য ভালবাসার বুদ বুদ উঠছে।

মাসে না হোক বছরে একবার কথা হয় বন্ধুর পথে। তবু পথে সাথে আছি। অঞ্জন হলে জলে ধুয়ে হারায়ে যাবি। থাক না তুই আমার জীবন চলার বন্ধুর পথের বন্ধু হয়ে। সাথি হওয়া মানে কি জলে পা ডুবিয়ে জল কল্লোলের সুর শোনা?

না।
একদম না।

আমি আছি। কোন চৈত্রের দুপুরে, শরতের সন্ধ্যায়, শীতের রাতে হানা দিব তোর মনের বারান্দায়।

২৪ thoughts on “কাজলদানীর কাজল

  1. কি লিখছেন কিছুই তো বুঝা
    কি লিখছেন কিছুই তো বুঝা যাচ্ছেনা একটু গুছিয়ে লিখবেন যাতে আমাদের বুঝতে কষ্ট না হয় …………

      1. দুঃখিত আমার হওয়া উচিত ।লেখা
        দুঃখিত আমার হওয়া উচিত ।লেখা না বুঝতে পারা পাঠকের দোষ ।তবে আরেকটু গুছিয়ে লিখলে ভালো হয়

        1. চেষ্টা করব। পাঠক নারায়ণ-
          চেষ্টা করব। পাঠক নারায়ণ- নারায়ণের কষ্ট হলে লিখে লাভ কি। সেটা লেখার অপমান আমার কাছে। এই ছোট ব্যাপারটাকে টেনে বড় করার ইচ্ছে ছিল না। আপনি চাইলে আমি ব্যাখা করে দেই।

      2. আরেকটা কথা এখন বিভাগ বদল
        আরেকটা কথা এখন বিভাগ বদল করাতে ভালোই হয়েছে ।লেখা অণুগল্প টাইপের ছিলো না যার কারণে কারো কারো বুঝতে সমস্যা হয়েছিলো ।এখন তেমন একটা হবে না বোধহয়

  2. না বুঝার তো কিছু দেখলাম না।
    না বুঝার তো কিছু দেখলাম না। তবে অনুগল্পের চেয়ে এটাকে বরং ব্যক্তিগত কথাকাব্য মনে হোল যেন। ভাল্লাগছে।

    1. ধন্যবাদ বিভাগটার কথা বলার
      ধন্যবাদ বিভাগটার কথা বলার জন্য। আমি এত কানা কিছুই দেখি না। এইখানে যে কি কি বিভাগ আছে তাই জানি না এবং যখন যেটা খুঁজি সেটা পাই না। তাড়াহুড়া ছিল পোষ্ট করতে সময়।

  3. আমি আছি। কোন চৈত্রের দুপুরে,

    আমি আছি। কোন চৈত্রের দুপুরে, শরতের সন্ধ্যায়, শীতের রাতে হানা দিব তোর মনের বারান্দায়।

    আমি আছি আমি থাকবো…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *