অপারেশন ডারউইন

পৃথিবীতে মানুষের উৎপত্তি কীভাবে হল সে সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ অত্যন্ত প্রাচীন। এ সম্পর্কে মানুষের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক থিওরী আছে। তবে কথা হল এগুলো সবই থিওরী,কোনটিই প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্য(ফ্যাক্ট) নয়। যথা-অপেরনের থিওরী, বিবর্তনবাদ প্রভৃতি ।

তবে থিওরী যাই থাকুক না কেন, অনেক বিজ্ঞানীই বিশ্বাস করে পৃথিবীতে মানুষ তথা জীব জগতের উৎপত্তির পেছনে অলৌকিক কোন ব্যাপার আছে,কোন অজানা রহস্যময় শক্তির প্রভাব আছে। তাই প্রকৃত অর্থে বিজ্ঞান ঈশ্বরকে বিলুপ্ত করে না, বরঞ্চ প্রচলিত ঈশ্বরের ধারনা পাল্টে দেয়। স্রস্টাকে করে পরম বিজ্ঞানময় ।


পৃথিবীতে মানুষের উৎপত্তি কীভাবে হল সে সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ অত্যন্ত প্রাচীন। এ সম্পর্কে মানুষের বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক থিওরী আছে। তবে কথা হল এগুলো সবই থিওরী,কোনটিই প্রতিষ্ঠিত বৈজ্ঞানিক সত্য(ফ্যাক্ট) নয়। যথা-অপেরনের থিওরী, বিবর্তনবাদ প্রভৃতি ।

তবে থিওরী যাই থাকুক না কেন, অনেক বিজ্ঞানীই বিশ্বাস করে পৃথিবীতে মানুষ তথা জীব জগতের উৎপত্তির পেছনে অলৌকিক কোন ব্যাপার আছে,কোন অজানা রহস্যময় শক্তির প্রভাব আছে। তাই প্রকৃত অর্থে বিজ্ঞান ঈশ্বরকে বিলুপ্ত করে না, বরঞ্চ প্রচলিত ঈশ্বরের ধারনা পাল্টে দেয়। স্রস্টাকে করে পরম বিজ্ঞানময় ।

তাহলে আসুন দেখি প্রকৃতির আকস্মিকতায় বা বাইচান্স এ মানুষের উৎপত্তির ব্যাপারে বিজ্ঞানের দৃষ্টিকোণ…

১. জীব কোষের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান প্রোটিন অনু।প্রোটিন হল অসংখ্য অ্যামিনো এসিডের সমন্বয়ে গঠিত বৃহৎ যৌগিক জৈব অনু। গড়পড়তা একটি সাধারণ প্রোটিন অনু প্রকৃতি হতে বাছাইকৃত প্রয়োজনীয় রাসায়নিক উপাদান সমন্বয়ে সঠিক পরিমানে ও অনুপাতে রাসায়নিক বিন্যাসের মাধ্যমে গঠিত হয় তার সম্ভাবনা হিসাব করেছেন অনেক বিজ্ঞানী। এটা হিসাব করেছেন বায়োলজিস্ট ফ্র্যাংক স্যলিসবরী ,তুরস্কের বিবর্তনবিদ আলী ডেমিসেরী, বায়োলজিস্ট প্রফেসর হাবার্ট ইয়োকিসহ আরও অনেকে।

হিসাব মতে এ সম্ভাবনা হল মোটামুটি ১ বাই ১০ টু দি পাওয়ার ৯৫০। যারা বিজ্ঞানের ছাত্র তারা সম্ভাবনা কত ধরে ফেলেছেন। এর মানে এ সম্ভাবনা ০.০০০…এরকম ৯৪৯ টি শূন্য তারপর ১। একজন গনিতবিদ আপনাকে বলবে ১ বাই ১০ টু দি পাওয়ার ৫০ হলেই তা গনিতে শূন্য হিসেবে ধরা যায়। আর ভাবুন, এটা শুধু একটা অনু তৈরি হওয়ার হিসাব।

আর তার জন্য যে সময়ের প্রয়োজন তা হিসাব মতে, ১০ টু দি পাওয়ার ২৬৩ বছর। অর্থাৎ ১ এর পর ২৬৩ টি ০ বসালে যে সংখ্যা হয় তা । তার মানে, বিশ্বজগৎ সৃষ্টি হওয়ার সময়ের চেয়েও অনেক অনেক বেশি সময়। আর এ সবই একটি মাত্র মলিকুল তৈরির জন্য। আর ভেবে দেখুন একটা কোষে কত প্রোটিন অনু থাকে আর প্রোটিন অনু ছাড়াও কত অন্যান্য অনু থাকে একটি কোষে । আর কতটি কোষ মিলে তৈরি হয় মানবদেহ।

একটি মানবশিশু যখন জন্মায় তখন তার দেহে থাকে প্রায় ৬ বিলিয়ন বা ৬০০ কোটি মলিকুল থাকে। এসব ঘটনা আকস্মিকভাবে ঘটার সম্ভাবনা হিসেবাতীত ভাবে শূন্য।কোন সম্ভাবনাই নেই আকস্মিক ভাবে সৃষ্টি হওয়ার…। তাই বিজ্ঞান একথা স্বীকার করতে বাধ্য হয় যে জীব জগত তথা মানব সৃষ্টিতে কোন ব্যাখ্যাতীত ব্যাপার আছে,কারও প্রোগামিং,কোন কিছুর নির্দেশনা আছে নিশ্চয়ই। (তথ্যসূত্র Encarta reference library –Microsoft Corporation

২. জার্মান বিজ্ঞানী রেইনহার্ড জাঙ্কার ও সিগফ্রিড স্কিরার ১৯৮৬ সালে জীব উৎপত্তিতে রাসায়নিক বিবর্তনের বিষয় ব্যাখ্যা করেন। তারা ব্যাখ্যা করেন প্রানের উদ্ভবের জন্য যে প্রয়োজনীয় উপাদান বাছাই হয়ে সমন্বয় হয়েছে এবং ক্ষতিকর উপাদান হতে রক্ষা পেয়েছে তা -অসম্ভব,অকল্পনীয়। (তথ্যসূত্র Reinhard Junker & Siegfried Scherer, “Entstehung Gesiche Der Lebewesen”, Weyel, 1986)

৩. বিজ্ঞানী ফ্রান্সিস ক্রিক , যিনি জেমস ওয়াটসনের সাথে ডিএনএ এর ডাবল হেলিক্স মডেল আবিষ্কার করার জন্য ১৯৬৩ সালে নোবেল প্রাইজ পেয়েছেন, উপলব্ধি করেছেন এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এটা আশা করা যে, পৃথিবীতে জীবন আকস্মিক ভাবে সৃষ্টি হয়েছে। তাই তিনি সহ আরও অনেক বিখ্যাত বিজ্ঞানী এটা ব্যাখ্যার জন্য নতুন এক থিওরীর কথা ভাবেন-এক্সট্রাটিরেসট্রিয়াল ইন্টিলিজেন্ট পাওয়ার অর্থাৎ অন্য কোথাও হতে সৃষ্ট প্রাণ পৃথিবীতে এসেছে। Fabbri Britannica Science Encyclopaedia, Vol. 2 ,No. 22,

এখন আসুন ডারুইনের তত্ত্ব নিয়ে বিজ্ঞানীদের মতামত জানি

১. প্রথমে দেখি বিবর্তনবাদ নিয়ে স্বয়ং ডারউইন কী বলেছেন। যারা ডারউইনের অরিজিন অব স্পিসিস বইটা পড়েছেন তারা জানেন এ বইয়ের ৬ষ্ঠ অধ্যায়ের নাম ’ ডিফিকালটিস অন থিওরী’। অর্থাৎ বিবর্তনবাদ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে কী কী ব্যাখ্যাতীত সমস্যা রয়েছে তা আলোচনা করেছেন। ডারউইনের আশা ছিল ভবিষ্যতে হয়তো এসব ব্যাপারের ব্যাখ্যা মিলবে, কিন্তু যতই দিন গেল এসব সমস্যা আসলে ততই প্রকট হল,সেসব সমস্যার সমাধান আজ পর্যন্ত হয় নি। ডারউইন পরবর্তীতে নিজেই উপলব্ধি করলেন তার থিওরীতে এত বিভ্রান্তি রয়েছে যে সেসব থেকে বের হয়া যাবে না, তিনি তার বন্ধুদের কাছে বিভিন্ন চিঠিতে লেখেন তিনি দিন দিন তার থিওরীর উপর আস্থা হারাচ্ছেন। ডারউইনের ছেলে ফ্রান্সিস ডারউইন ডারউইনের চিঠিপত্র সংকলন করে বই প্রকাশ করেন -লাইফ অ্যান্ড লেটারস অব চার্লস ডারউইন- সেখানে দেখা যায় অধিকাংশ নিকট বন্ধু ও বিজ্ঞানীদের কাছে লেখা চিঠিতে ডারউইন তার থিওরী নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেন । তিনি হার্ভাড ইউনিভার্সিটির বায়োলজির প্রফেসর অ্যসা গ্রে কে এক চিঠিতে লেখেন-আমি চিন্তিত যে আমার কাজ গুলো সত্যিকারের বিজ্ঞান থেকে অনেক দূরে চলে যাচ্ছে। (তথ্যসূত্র ১.On the Origin of Species By Charles Darwin, October 1st, 1859.
২.N.C. Gillespie, Charles Darwin and the Problem of Creation, University of Chicago, 1979, p. 2.)
২. ফ্রেঞ্চ একাডেমী অব সায়েন্স এর একসময়কার প্রেসিডেন্ট পি পি গ্রাসে বিবর্তনবাদ নিয়ে লেখা-ইভলিউশন অব লিভিং অরগানিজমস-বইয়ের লেখক, তিনি বলেছেন- আজ আমাদের কর্তব্য বিবর্তনবাদের রূপকথাকে ধ্বংস করে ফেলা..বিবর্তনবাদের এ প্রতারণা কখনো অজান্তেই হচ্ছে আবার কিছু দল উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে এর অবাস্তবতা অস্বীকার করছে।(তথ্যসূত্র Pierre Paul Grassé, Evolution of Living Organisms, New York: Academic Press, 1977, p. 8.)

৩. এটা তাৎপর্যপূর্ণ যে ছাত্রাবস্থায় আমি যত বিবর্তনবাদের ব্যাপারে জেনেছি..এখন তার সবই তা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছি।-বলেছেন প্রফেসর ডেরেক অ্যাজের , সাবেক প্রেসিডেন্ট অব ব্রিটিশ অ্যাসেসিয়েশন ফর দ্য অ্যাডভান্চমেন্ট অব সায়েন্স এবং সোয়নসী ইউনির্ভাসিটির জিওলজি ও ওশানোগ্রাফি বিভাগের প্রধান। (তথ্যসূত্র Derek Ager, “The Nature of the Fossil Record.” Proceedings of the Geological Association, Vol. 87, No. 2, 1976, p. 132.

৪. পল লেমোনি, প্যারিসের ন্যাশনাল মিউজিয়াম অব ন্যাচারাল হিষ্ট্রি এর সাবেক ডিরেক্টর বলেছেন-
ইভোলিউশন থিওরী আজ পুরো পৃথিবীতে ছাত্রদের শেখানো হচ্ছে অথচ জুলজি, বোটানি প্রভৃতি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ গণ এ বিষয়ে একমত যে বিবর্তনবাদের কারও কাছে কোন সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা নেই।…এর ফলাফল বলে যে ইভোলিউশন থিওরী সম্পূর্ন অসম্ভব।(তথ্যসূত্র Introduction: De (Evolution), Encyclopedie Française, Vol. 5 (1937) p. 6.
7. François Jacob, Le Jeu des Possibles [“The Play of Possibilities”], Paris: LGF, 1986.)

৫. কোষ জেনেটিকসের অধ্যাপক ফ্রান্সিস জ্যাকব,১৯৬৫ সালে যিনি মেডিসিনের গবেষণার জন্য নোবেল প্রাইজ পেয়েছিলেন তিনি বলেছেন- বিবর্তনের ক্রিয়ার মাধ্যমে কোন বিশেষ বিষয়ের সিদ্ধান্তে আসতে আমরা অসমর্থ।(তথ্যসূত্রFrançois Jacob, Le Jeu des Possibles [“The Play of Possibilities”], Paris: LGF, 1986.)

ডা. কলিন প্যার্টাসন একজন বিবর্তনবিদ এবং প্যালিয়নটোলজিস্ট ( জীবাশ্মবিদ), তিনি লন্ডন ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়ামের কিউরেটর এবং মিউজিয়ম জার্নালের সম্পাদক, বিবর্তন নিয়ে তার লেখা একাধিক বই আছে, তার বিখ্যাত বই -ইভলিউশন। ১৯৮১ সালে তিনি তার Evolution and Creationism: Can You Tell Me Anything About Evolution? বইতে লেখেন-গত বছর আমার হঠাৎ উপলব্ধি হল গত বিশ বছর ধরে আমি বিবর্তন নিয়ে কাজ করেছি,অথচ এ নিয়ে আমার কাছে একটাও প্রমাণ নেই। এটা আমাকে হতবিহ্বল করে দিল যে কী করে মানুষ এতটা দিন ভুল পথ ধরে এগিয়েছে। পরবর্তী কয়েকসপ্তাহ আমি বিভিন্ন সভায় এবং বিভিন্ন ব্যক্তির কাছে একটি সহজ প্রশ্ন করেছি, আপনারা কেউ কি একটা কিছু বলতে পারেন বিবর্তনবাদের পক্ষে শুধুমাত্র একটা উদাহরণ কি কেউ দিতে পারেন যা সত্য। যার একটা উত্তরই আমি পেয়েছি তা হল -নীরবতা। এ প্রশ্ন আমি করেছি ইউনিভার্সিটি অব শিকাগোর ইভোলিউশনারী মরফোলজি সেমিনারের মেম্বারদের কাছে-অনেকক্ষণ নীরবতার পর বিবর্তনবাদ নিয়ে উচুপর্যায়ের এক ব্যক্তি বললেন-আমি শুধু আপনাকে এটা বলতে পারি এ বিষয়টা স্কুল কলেজে পড়ানো ঠিক নয়।’(তথ্যসূত্র Dr. Colin Patterson, “Evolution and Creationism: Can You Tell Me Anything About Evolution?”November 1981 Presentation at the American Museum of Natural History, New York City

আল্লাহ নেই এই এটা প্রমান করার চেয়ে অনেক অনেক সোজা হচ্ছে আল্লাহ আছেন এটা প্রমান করা,খুবই সহজ ব্যাপার যেকোন কিছু সৃষ্টি করতে একজন স্রষ্টা লাগে,ধুম করে কিছু নিজে নিজে সৃষ্টি হয় না,এই মানুষ, গাছপালা,নদি সমুদ্র,প্রর্বত, পৃথিবী,গ্রহ,নক্ষত্র,তারা নিজে নিজে সৃষ্টি হয় নাই।
অবিশ্বাসীদের জন্য প্রশ্ন,আজ পর্যন্ত কেউ দেখেছে নিজে নিজে কিছু সৃষ্টি হয়ছে যা কেউ সৃষ্টি করে নাই?
তার প্রত্যেকটা সৃষ্টিই অনেক জটিল আর মানুষ কে যে কত জটিল ভাবে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন তা তিনিই ভাল জানেন,এই জটিল নিয়ম গুলো এমনি এমনি নিজে থেক সৃষ্টি হয়েছে?

হাস্যকর ডারউইনিসম (তথা বানর তত্ত) দিন দিন হাস্যকর একটা কৌতুক এ পরিনত হচ্ছে , ডারউইন বেচারা ডি এন এ’র জটিল বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে জানতেন না।ডারওয়িনবাদের প্রধান সমস্যা যেটা উনারা আলোচনা করতে চাননা, সেটা হচ্ছে ,আজ পর্যন্ত যে যে ফসিল উনারা পেয়েছেন সবই প্রথম ও শেষ ধাপ এর ফসিল।কিন্তু মধ্যবর্তি কোন মানুষের ফসিল আজ পর্যন্ত উনারা তন্ন তন্ন করে গবেষনা করেও পৃথীবির কোথাও খুজে পান নি।অথচ মানুষ এর মত এত জটিল ও প্রখর বুদ্ধিসম্পন্ন প্রানীর বিবর্তন হয়ে গেল আর তার মধ্যবর্তি কোন ফসিল এই পৃথীবিতে নেই, এটা কোন ভাবেই হতে পারেনা।শুধুমাত্র অনুমানের ভিত্তি তে উনাদের এই (বান্দরবাদ) প্রতিষ্ঠিত, অনুমানের উপর ভর করেই মানুষ সৃস্টির মত গুরুত্বপূর্ন মতবাদ কে উনারা বিজ্ঞ্যান বলে চালিয়ে দিলেন ।তারা রব কে বিশ্বাস করে না বলেই চাচ্ছে মানুষ সৃস্টির বিকল্প কোন মতবাদ দাড় করাতে।

তথ্যগুলা একজন দিয়েছেন (জাজাকাল্লাহু খায়ের)আর আমি তা যথেষ্ট অগোছালোভাবে উপস্থাপন করেছি । শেষ কথা এটাই ছোটবেলা থেকে শুধুমাত্র ডারউইনের তত্ত্ব পড়ানো শুধুমাত্রই একটি বিশেষ উদ্দেশ্যের স্বার্থে । আর তা হল মানুষকে মিস্টিসিজম থেকে দূরে রাখা । এ কারণে যে মিস্টিসিজম তারা বিশ্বাস করে কিন্তু মানতে চায়না । কিন্তু মানুষ মানলে তাদের ক্ষমতা এই সব জোচ্চোরদেরচে অস্বাভাবিক বেশি হবে ,তাতে সর্বদা তারা থাকবে পরাজিত । কোরআনের আয়াত নাজিল হওয়ার সময় আবু জেহেল নিজের কানে শুনছে , সাথে উতবা আর শাইবা ছিল । একসময় তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হল তুমি কেন ইসলাম স্বীকার করনা । সে বলল করি কিন্তু মুহাম্মাদ(স)আমার গোত্রের না ।ইহুদিদের মুসলমান না হওয়ার কারণও এটাই । অন্যান্যদেরও একি । একটু ইদিক-সিদিক আরকি । আপাতত শেষ করছি ।ও হ্যা , বিজ্ঞান মনে হচ্ছে স্রস্টা নেই তা প্রমাণ করতে গিয়ে ভুলে প্রমাণ করে ফেলছে । আনসারটেইনেটি , কোয়ান্টাম , প্যারালাল , রিলেটিভিটি ক্রমশ সেদিকেই যাচ্ছে ।

অদূর ভবিষ্যতে ইভোলিউশান থিওরি যখন সন্দেহাতীতভাবে ভুল প্রমাণিত হবে, তখন আপনারা নতুন কি নিয়ে ত্যানা পেচাবেন তার অপেক্ষায় রইলাম । আপনারা মানে কারা , বোঝেনই তো !
আর ব্লগার মানেই নাস্তিক, সেই মহান তত্ত্বজ্ঞানী আস্তিকদেরও একটু চুলকে দিলাম । চুলকান ; বেশি সমস্যা হইলে লুঙ্গি উঠায়ে চুল্কান ।

:হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

৪৫ thoughts on “অপারেশন ডারউইন

  1. সামান্য একজন মানুষ কে সৃষ্টি
    সামান্য একজন মানুষ কে সৃষ্টি করতে যদি ঈশ্বর লাগে, তাইলে সরবশক্তিমান ঈশ্বর কে কিডা সৃষ্টি করলো ভাই? আপনা আপনি কেমনে সম্ভব? :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

    1. বিগ ব্যাঙ্গের আগে কি আছে ?
      বিগ ব্যাঙ্গের আগে কি আছে ? কিছু না । তেমনি ঈশ্বরের আগে কি আছে , কিছুই না । :হাসি: :হাসি: :হাসি:

      1. ঈশ্বরকে কে সৃষ্টি করল এ
        ঈশ্বরকে কে সৃষ্টি করল এ প্রশ্ন করার মানে ঈশ্বরকে স্বীকার করা । নাস্তিকতা দেখাতে গিয়ে অলক্ষ্যে আস্তিক হয়ে যাওয়া । আচ্ছা , ধরি আপনি আস্তিক ।এইক্ষেত্রে সাধারণত নাস্তিকরা প্রশ্ন করে থাকেন যে যদি ইশ্বর অনাদি অনন্ত হতে পারেন তবে মহাবিশ্বকে কেন অনাদি অনন্ত ধরে নেয়া যেতে পারে না?
        মহাবিশ্ব অনাদি অনন্ত হতে পারে না কারণ অসীম কোন প্রাকৃতিক সংখ্যা নয়। সময় অসীম হতে পারে না। আর মহাবিশ্বের যে একটি শুরু আছে তা অনেক আগে প্রমাণিত হয়ে গেছে। বিগব্যাং থিওরি বলুন আর উইলিয়াম হাবল এর সম্প্রসারণশীল মহাবিশ্ব তত্ত্ব বলুন, মহাবিশ্বের যে একটি শুরু আছে তা বৈজ্ঞানিক এবং দার্শনিক উভয়ভাবেই প্রমাণিত। তাই মহাবিশ্বকে আমরা অনাদি অনন্ত ভেবে নিতে পারি না।@ অমিত
        আর @ মালাউন , বংশের নামে নাম রেখছেন এটা ভালো কিন্তু ছবিটা ভালো না । নাস্তিক মুনাফিকদের মত লাগছে । ইস্লামের নামে মাহমুদুর রহমান যেমন কোরআন বুকে নিয়া মুনাফেকি দেখাইছে অনেকটা তেমন ।নাস্তিক ধর্মে আপনাকে লোকে মুনাফিক বলবে ; এতে হাসির কিছু নেই ।

        1. ও আমার মুমিন রে আগে জানলে ,
          ও আমার মুমিন রে আগে জানলে , আগে জানলে তোর হাস্যকর পোস্টে কমেন্ট করতাম না 😀

  2. কোরআনের আয়াত নাজিল হওয়ার

    কোরআনের আয়াত নাজিল হওয়ার সময় আবু জেহেল নিজের কানে শুনছে , সাথে উতবা আর শাইবা ছিল । একসময় তাকে যখন জিজ্ঞেস করা হল তুমি কেন ইসলাম স্বীকার করনা । সে বলল করি কিন্তু মুহাম্মাদ(স)আমার গোত্রের না ।ইহুদিদের মুসলমান না হওয়ার কারণও এটাই । অন্যান্যদেরও একি । একটু ইদিক-সিদিক আরকি ।

    এই লেখা কি ইস্টিশনের পরিপন্থী নয় ???

    ‘ইস্টিশন’ বিধি সমূহঃ
    ২. ‘ইস্টিশন’কে কখনই ধর্ম প্রচারের ক্ষেত্র হিসাবে ব্যবহার করা যাবেনা। যে কোন ধরণের সাম্প্রদায়িকতা, বর্ণবাদ, লিঙ্গ বৈষম্য, ধর্মীয় গোড়ামী এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রু ও গোষ্টি সম্পর্কে ‘ইস্টিশন’ জিরো টলারেন্স দেখাবে।

    1. থ্যাঙ্কস শাইখ সালেহ । আমার
      থ্যাঙ্কস শাইখ সালেহ । আমার পোস্টে অনেক মুমিন কে দেখলাম আমার পোস্ট দেয়া নিয়ে চুলকানি উঠতে। কিন্তু এই পোস্টে এসে তারা এই কথা বলছেনা। সব সুশীলের দল।

      1. তুই বলছিলি কমেন্ট করবিনা ,
        তুই বলছিলি কমেন্ট করবিনা , আমি বলছিলাম করবি । এখন দেখ নির্লজ্জ । তোর পোস্টে তোর সাথ অনেকেই বাত করছে ; আমি করিনাই । কে নাস্তিক আর কে বেকুব নাস্তিক সেই তফাত আমি জানি ।

    2. না ; কারন এখানে ”ধর্ম” নামে
      না ; কারন এখানে ”ধর্ম” নামে একটি বিভাগ আছে । আপনি যাই বলবেন সেটাই কিন্তু প্রচার । গল্প লিখেন তার মোরাল ও একটা প্রচার । রাজিনিতি বা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে লেখালেখিও একটা প্রচার । সুতরাং ব্যাপারটি যদি এমনি হয় ধর্ম নিয়া লেখালেখির বিভাগটি বন্ধ করে দেয়া হোক । এবং একি সাথে নাস্তিকতা নিয়ে লেখালেখিও বন্ধ হউক । এট ধর্মীয় গোঁড়ামি নায় । এককভাবে ধর্ম আমি টানিনাই ।

      1. @শোভন ১৩ , এটা কি ধর্মীয়
        @শোভন ১৩ , এটা কি ধর্মীয় গোড়ামী নাকি ধর্ম প্রচারের ক্ষেত্র ??? আমার চেয়ে ইস্টিশন মাস্টারই ভাল বুঝবে । ইস্টিশন মাস্টার কি পদক্ষেপ নিবে তাই দেখতে চাই ।

        1. ইস্টিশন মাস্টার কি পদক্ষেপ
          ইস্টিশন মাস্টার কি পদক্ষেপ নিবে সেটা নিয়ে আমি মোটেও চিন্তিত না ; চিন্তিত আপনারভোগাস যুক্তি দেখে । “কোরআন আল্লাহর বানী নয়” শীর্ষক একটি পোস্ট দেখি সগর্বে দাঁড়িয়ে আছে । কিন্তু যখন বললাম কোরআন আল্লাহর বানী ; তখনি আমি মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির স্বপক্ষে , এই চিন্তা কোন সুস্থ বিবেকে আসেনা ।

          1. ধীরে ভাইজান। উনি আপনাকে
            ধীরে ভাইজান। উনি আপনাকে মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তির পক্ষে বলেন নাই। উনি ইস্টিশনের একটা বিধি কোট করেছেন। সেখানে আপনার বিরুদ্ধে উনি যেই অভিযোগের আঙুল তুলেছেন সেই অংশগুলো বোল্ড করে দিয়েছেন। আশা করি আপনার বিভ্রান্তি দূর হবে।

          2. কোটেশনে আমি কি বুঝাতে চেয়েছি
            কোটেশনে আমি কি বুঝাতে চেয়েছি এটা বুঝলে উনার বিভ্রান্তি দূর হবে । তবে হ্যা ধর্ম নামক ট্যাগটি(ব্লগপোস্টের নিচে) যদি ধর্মহিন বা ধর্ম নেই প্রমাণমূলক কন্টেন্টের জন্য দলীল করা থাকে তাইলে এটা বলে দেয়া উচিত , তাইলে অবশ্যই এটা এই পোস্ট করার যায়গা এটা না । এমন করলে কেউ ধর্ম নিয়ে কথাই বলবে না । কারন যখনই কেউ বলবে তাকে এই বিধি দিয়া থামানির অপচেষ্টা করা হবে । নিয়া একটা পোস্ট করার ইচ্ছা ছিল । তবে এই পোস্টেই সমস্যাটা তৈরি হওয়ায় ভালো হল । প্রশ্ন হল ইস্টিশন কি ধর্মের পক্ষে , বিপক্ষে না নিরপেক্ষ । পক্ষে বিপক্ষে হলে এখানে লেখা ছেড়ে দিব আর যদি সংবিধানের ন্যায় ধর্ম নিরপেক্ষ হয় তাইলে ক্রমাগত ফালতু পোস্ট চলবে ।

          3. @ ডাক্তার আতিক ; আপনাকে মেইল
            @ ডাক্তার আতিক ; আপনাকে মেইল করেছি । কাইন্ডলি চেক করেন । একটা পদ্ধতি জানার ইচ্ছা ছিল ।

          4. কি জানার ইচ্ছা হইছে এইখানেই
            কি জানার ইচ্ছা হইছে এইখানেই জিগান না রে ভাই। এতো রাইতে জিমেইল বেচারার ঘুম ভাঙাইতে ইচ্ছা করতেছে না। :ভেংচি:

          5. ১ ওয়েল , সেদিন ব্লগ আর
            ১ ওয়েল , সেদিন ব্লগ আর ফেসবুক নিয়া পার্থক্যের কথা উঠেছিল , ব্লগে অপছন্দের কাউরে কি ব্লক করার সিস্টেম আছে ? না থাকলে এটা অবশ্যই ব্লগের দুর্বলতা ।

            ২ এটা নিয়া একটা পোস্ট করার ইচ্ছা ছিল কিন্তু তাতে সুবিধাবাদীদের চোখে পড়বে ভেবে করিনাই । যেটা হচ্ছে আস্তিক বা নাস্তিকতা এগুলোর মধ্যে যার যেটা ভালো লাগবে সে সেটা বলবে । কারর হয়ত কবিতা বা নাটক ভাল্লাগবে । এই সব-ই প্রচার । প্রশ্ন হচ্ছে ধর্ম বা নাস্তিকতার প্রচার কি অপরাধ ।ধরা যাক মুক্তিযুদ্ধে পাকিরা যা করছিল সেটা পরিষ্কার অন্যায় । এর বিচার হোক তা আস্তিক তার আস্তিকতার আইনে চায় নাস্তিক তার নাস্তিকতার আইনে চায় । এ ব্যাপারে দুদলি একমত । দুদলি কাধে কাঁধ মিলিয়ে শাহবাগে অবস্থান করেছে । আস্তিকতা বা নাস্তিকতা মানুষের জীবনের অবধারিত অংশ কিন্তু অপরাধ না ; তবে কেন তা প্রচার করা যাবেনা ? এতে মুক্তিযুদ্ধের সাথে সাংঘরসিক কি আছে ? মুক্তি যুদ্ধে আস্তিক নাস্তিক মিলে বাঙ্গালি-তো করেছে ।পিয়াল বলেন , জেবতিক বলেন বা আরিফ আর হোসেইন বলেন প্রায় সমস্ত ব্লগার-ই এই ব্যাপারে লিখছেন । হাদিস বলছেন ; কোরআনের আয়াত দিচ্ছেন । আবার যারা আস্তিক না এটাকে খন্ডন করতে চাচ্ছেন । এতে নোংরামির কিছু তো দেখছি না ।

            শুধু আপনার কাছেই জানতে চাচ্ছি ; ইভেন ইস্টিশন মাস্টারের কাছেও না । কারন তিনি এই বিধি দিয়েছেন যে ধর্ম প্রচার করা যাবেনা । তাই আমার মুক্তচিন্তার সুযোগ রইলনা
            প্রশ্নটা আস্তিক নাস্তিকতার বাইরে নিরপেক্ষ দাক্তার আতিককে করলাম ; কারন ইস্টিশনের শুরুর দিকে আপনি ছিলেন ।

          6. ইস্টিশনে কোন ব্লগারকে কোন
            ইস্টিশনে কোন ব্লগারকে কোন ব্লগার ব্লক করার ক্ষমতা রাখেন না বলেই জানি। এবং আমার কাছে সেটা খুব গুরুত্বপুর্ন ফ্যাক্টর মনেও হয় না। আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই তর্ক বিতর্ক চলুক। কিন্তু তর্কের এক পর্যায়ে গিয়ে গালিগালাজ, তুই তোকারি শুরু করাটা একদম অপছন্দনিয়।
            আস্তিক-নাস্তিক তর্কে আমি আজ পর্যন্ত কোন সুফল দেখিনি। তাই এই বিষয়ে আমি বিরক্ত।
            আর ইস্টিশনবিধিতে ধর্ম প্রচার না করতে বলা কেন সেটা তো কর্তৃপক্ষই ভালো বলতে পারবেন। তবে আমার অভিজ্ঞতায় দেখেছি, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে ছাগুরা প্রথমে ধর্ম প্রচারের উদ্দেশ্যে আসে, তারপর ধীরে ধীরে ল্যাদানো শুরু করে (এটা আবার নিজের গায়ে নিয়ে নেবেন না প্লীজ। যাকে তাকে ছাগু বলার কোন স্বভাব আমার নাই)। এইজন্যই হয়ত এই বিধি। তবে এই পর্যন্ত ধর্ম সংক্রান্ত (আস্তিকতা বা নাস্তিকতা) কোন পোস্টে আমি যে কয়টা ব্লগে ঘুরছি কখনই সুস্থ্য ব্লগিং হতে দেখিনি। দুই চারটা মন্তব্যের পরই শুরু হয়ে যায় গালিগালাজ এবং তুই তোকারি। মা-বোন নিয়ে টানাটানি ইত্যাদি ইত্যাদি।

          7. আমি তুই তোকারি শুরু করিনাই ;
            আমি তুই তোকারি শুরু করিনাই ; কোন নাস্তিকের পোস্টে যায়া বাঁধাও দেইনাই । ”অন্যায়ের প্রতিবাদ ঈমানী” দায়িত্ব ; এই উদ্দেশ্যে আমার গুরু আর তার ডাকে লোকেরা মুক্তিযুদ্ধে গেছিল ।
            রাজাকারের বিচার , রক্তের ঋণ শোধ করা ঈমানী দায়িত্ব । এই উদ্দেশ্যে আমি শাহবাগে ছিলাম । নিজের হাতে শিবির পিটাইছি । আমি নিজের ছবি তুলিনাই ; ব্লগেও এননিমাস , তাই বললাম। আমার আস্তিকতা কি সুফল বয়ে আনেনাই ? আজকে যদি নাস্তিকরা একটু সহনশিল হত তাইলে কি শিবির এই সুযোগ পাইত ? সঠিক আস্তিকতার চর্চা যদি হত লাখে লাখে বিভ্রান্ত হেফাজত অবশ্যই তৈরি হত না । কেবল নাস্তিকরা দেশকে ভালবেসে যদি কিছু সময় একটু ঠানডা মাথায় থেকে আস্তিকদের সমর্থন দিয়ে বিচারটা হয়ে যাওয়ার পর আবার লাগত তবে কি খুব ক্ষতি হত ? এই যে তারা সমানে আমার সাথে লাগছে কিন্তু একজন আস্তিকও আমার পাশে নাই (আমার দরকারও নাই) ; এটাই কি ইস্টিশনের জন্য ভালো হল ? মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ধর্ম অনেক সাহায্য করবে । অন্তত দেশের এই ওয়েদারে অবশ্যই নাস্তিকদের ঠান্ডা মাথায় খেলা উচিৎ । আর কিছু বলার নাই । কেন যেন মনে হচ্ছে ইস্টিশনে পোস্ট করার সম্ভাবনা ধীরে ধীরে কমে আসছে । খালি একটাই কথা এই ধর্মীয় ওয়েদারে আপনি ভণ্ড আস্তিকদের নাস্তিক হয়ে রুখতে পারবেননা । মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় ব্লগ খুলা ভালো ; কিন্তু একটা ব্লগে ধর্মপ্রচার করা যাবেনা এটি আস্তিকদের চেতনায় কিরুপ প্রভাব ফেলবে সেই ধারনা আশা করি ইস্টিশন মাস্টারের আছে । শেখ মুজিব নিজে বলেছিলেন ”এই দেশকে মুক্ত করে ছাড়ব “ইনশাআল্লাহ ! ” এবং তিনি ধরমকেন্দ্রিক ওয়েদারের সুবিধা নেননাই আমি জানি । তো যেই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে এবং বিপক্ষে ধর্ম এসেছে সেখানে একটা ব্লগ ধর্মপ্রচার করতে দিবেনা ভাবা যায়না । আমাদের এর প্রতি বিতৃষ্ণা কারন আমরা গালাগ্লি করি । আস্তিক নাস্তিক ক্যাচাল বন্ধ না কইরা আপাতত নাস্তিক ক্যাচাল বন করা উচিত । সময়ের প্রয়োজনে । এটা ইস্টিশনের প্রতি পরামর্শ । যাই হোক আপনার সময় নষ্ট করছি ।অসংখ্য ধন্যবাদ আমার প্রতিটি পোস্টে কমেন্ট করার জন্য । কেউ একজন আমার পোস্টে কমেন্ট করে মূল্যবান সময় ব্যয় করছেন এটি আমি সমান করি । কিন্তু কেউ খোঁচা দিলে ধৈর্য ধরতে পারিনা । এটি আমার অক্ষমতা । আমি মনে করছি ইস্টিশনমাস্টারের এটিতে নাক গলানো জরুরি কারন কুনটা ভুল কুন্টা এই ব্লগ যার বলার অধিকার তার । আমাকে আমার ভুলটি ঠিকমত বোঝাতে পারলে অবশ্যই পোস্ট করা ছেড়ে দেবো । কারণ অপরাধ নাই এমন বিষয় অথচ আমি আমার চিন্তাকে প্রকাশ করতে পারছিনা ; আমি যত নিচু যাতের ব্লগার-ই হই পোস্ট করা ছেড়ে দেবো ।

          8. ভাইরে, এইটা ধর্ম নিয়ে ক্যাচাল
            ভাইরে, এইটা ধর্ম নিয়ে ক্যাচাল করার টাইম না, এটা আমরা সবাই বুঝি। কিন্তু কেউ মেনে চলতে নারাজ। এটাই বাস্তবতা। তবে এটা আপনাকে স্বীকার করতেই হবে আগে ব্লগে যেভাবে ধর্ম নিয়ে কটূক্তি করা হতো এখন সেটা একদমই কম, নেই বললেই চলে। একজন নাস্তিকেরও অধিকার আছে যুক্তি দিয়ে তার কথা বলার। কিন্তু কে ধারছে যুক্তির ধার? যুক্তি দিয়ে পোস্ট দিলেও অনেকেই গালিগালাজ করছে। সেটার প্রভাব আপনার পোস্টে পড়েছে। সবাই যদি অসহনশীল হয়ে যাই তাইলে ক্যাম্নে কি? :মাথাঠুকি:

          9. এখানে কিন্তু কেউয়ি গালিগালাজ
            এখানে কিন্তু কেউয়ি গালিগালাজ করেনি ; মালাউন একটু চটে গেছে । এমন দু-একটা থাকে । আমি যে থিওরিগুলি দিছি তা নিয়ে কেউ কথা বলেনি ; প্রশ্ন যা করেছে তা কমন । খুব নিরপেক্ষভাবে বলছি এটা আস্তিকের দেশ । এখানে মানুষ যা কিছুই করবে সবার আগে দেখবে তার ধর্মে কি বলা আছে । যদি এটি নাও হয় তার ধর্মের অবমাননা হচ্ছে কিনা সে দেখবে । যদিও নিজে না মানলে আরও জঘন্য অবমাননা হয় এটি তারা জানেনা । তো এই ক্ষেত্রে ”ধর্ম নিয়া ক্যাচাল না” বরঞ্চ ধর্ম নিয়া ক্যাচাল ঠিক না কইরা উপায় আছে ?কিন্তু ধর্মের প্রচার বন্ধ করলে যৌক্তিকভাবেই আপনি এটি বন্ধ করতে পারবেন না । এই পোস্টে নাস্তিকের প্রতি ক্রোধ প্রকাশেরচে আস্তিকদের একত্রিত করার প্রয়াস ছিল অনেক বেশি । যদি তাই না হত আমি নাস্তিকদের নিজে যায়া ডিফিট কইরা আসতাম । যেকোনভাবেই হোক ব্লগটি নাস্তিকের অভয়ারণ্য কিনা এটাও টেসট হচ্ছে কারন এই পোস্টে আস্তিক দেখতে পাচ্ছিনা । ধর্মীয় ইনভায়রনমেন্টে বিচারটা পানিরমত সহজ হত যদি শাহবাগ ঠানডা মাথায় খেলত । মাঝখান দিয়া আমরা আস্তিকরা মহল্লার শিবিরের কাছে নাস্তিক হইছি যে কোন দিন আক্রমণ করতে পারে আর নাস্তিকের কাছে কুত্তা হইছি । কিন্তু আমাদের সংখ্যা অনেক । এর সুষ্ঠু বণ্টন না হলে কেউ উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারবেনা ।

  3. ধর্মীয় গোড়ামীর প্রচার আর
    ধর্মীয় গোড়ামীর প্রচার আর ধর্মপ্রচার এক না । এই পোস্টের কোথায় মহান মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রুদের স্বপক্ষে কথা বলা হইছে কইলজা থাকলে কেউ দেখান । ঈশ্বরবাদ নিয়া বলায় যদি মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শত্রুদের স্বপক্ষে কথা বলা হয় তারচে হাস্যকর নাস্তিক গোঁড়ামি আর কিছু নাই । এইগুলা আরেক ছাগু

    1. ঈশ্বরবাদ প্রচার করা যাবেনা
      ঈশ্বরবাদ প্রচার করা যাবেনা ভাই। ডারউইনের মতবাদ ভুল প্রমানে যে পোস্ট টি করেছেন তার জন্য ধন্যবাদ। কিন্তু সেখানে

      আল্লাহ নেই এই এটা প্রমান করার চেয়ে অনেক অনেক সোজা হচ্ছে আল্লাহ আছেন এটা প্রমান করা,খুবই সহজ ব্যাপার যেকোন কিছু সৃষ্টি করতে একজন স্রষ্টা লাগে,ধুম করে কিছু নিজে নিজে সৃষ্টি হয় না,এই মানুষ, গাছপালা,নদি সমুদ্র,প্রর্বত, পৃথিবী,গ্রহ,নক্ষত্র,তারা নিজে নিজে সৃষ্টি হয় নাই।
      অবিশ্বাসীদের জন্য প্রশ্ন,আজ পর্যন্ত কেউ দেখেছে নিজে নিজে কিছু সৃষ্টি হয়ছে যা কেউ সৃষ্টি করে নাই?
      তার প্রত্যেকটা সৃষ্টিই অনেক জটিল আর মানুষ কে যে কত জটিল ভাবে আল্লাহ সৃষ্টি করেছেন তা তিনিই ভাল জানেন,এই জটিল নিয়ম গুলো এমনি এমনি নিজে থেক সৃষ্টি হয়েছে?

      কোনো মানে নেই

      1. ঈশ্বরবাদ প্রচার করা যাবে ।কেউ
        ঈশ্বরবাদ প্রচার করা যাবে ।কেউ ঈশ্বরবাদ আর রাজাকারে এক না হলেই হল । মানে নাই , সেটা আপনি না মানলে কেউ আপনাকে জোর করে মানাবে না ।

  4. ওহে! বাংলা ব্লগে অনেকদিন
    ওহে! বাংলা ব্লগে অনেকদিন আনাগোনা কমিয়ে দিয়েছি। নতুন শিং (পড়েন বাল) গজাইন্যা আস্তিক এয়েছে। তারা ধর্ম প্রচারে লেগেছে। আরেক দল এয়েছে, তারা ধর্ম পঁচাতে লেগেছে। ইস্টিশন মাস্টার সময় থাকতে সাবধান! দুই দলকেই সাবধান করেন। এরা কেউই জাতির জন্য মঙ্গল বয়ে আনবেনা। ধর্মের পক্ষে যদি বলা যায়, তাহলে ধর্মের বিপক্ষে কেন বলা যাবেনা? রাখলে দুইটা অপসনই রাখেন, না হলে একটাও দরকার নাই।

    1. ধন্যবাদ ;@দুলাল, আস্তিকের যদি
      ধন্যবাদ ;@দুলাল, আস্তিকের যদি শিং থাগে নাস্তিকে লেঞ্জা কেম্নে ঢাকে ? হ্যা দুটো ট্যাগ রাখা হউক বা বন্ধ করা হউক । তাইলে কেউ বিভ্রান্তিতে পড়বেনা ।
      সেট যদি নতুন কিনেন , ট্যাব যদি নতুন কিনেন তাইলে নতুন আস্তিকে সমস্যা কি ? আর পুরান মাল সর্বদা পরিত্যাজ্য । আকরাম খান আর নাসির হোসেনের ব্যাটিংতো এক না । বুঝেনই তো আকরাম খানের বাল পইড়া গেছে । নতুন পুরান সস্তা গেম না খেলাই ভালো ।

      1. নতুনদের নিয়ে এই এক সমস্যা!
        নতুনদের নিয়ে এই এক সমস্যা! কোনটা প্র্যাকটিস আর কোনটা ম্যাচ এটাই বুঝতে পারেনা।

        একটা কথা মনে রাখবেন- ধর্ম সব সময় যুক্তির কাছে অসহায়!
        এটা আপনি মানেন আর না মানেন, সেটা একান্তই আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার। কিন্তু এটাই সত্য। ধর্ম মানেই অন্ধ বিশ্বাস! যুক্তির কাছে কোন অন্ধ বিশ্বাস টিকতে পারেনা। তাই, ধর্মের চর্চা ব্যক্তিগত পর্যায়ে থাকাটাই ভাল। আবার যুক্তির কথা বলতে গিয়ে অনেকেরই কাছে শ্রদ্ধা ও সম্মানের কাউকে অযথা গালিগালাজ করা, মন্দ বলা, চরিত্রের প্রতি কু ইঙ্গিত করা ঠিক না। তাই, আমি সব সময়ই বলি, ধর্ম কখনই বহু চিন্তার সমাবেশে উপস্থাপন করা ঠিক না। আবার ধর্মীয় গোড়ামীর বিরুদ্ধে আলোচনা করতে গিয়ে ধর্মীয় গুরুদের সম্পর্কে ফালতু মন্তব্য করাও ঠিক না। ধর্ম ব্যক্তিগত চর্চার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলেই সবার জন্য ভাল।

        1. যাকে আপ্নারা যুক্তির মানদণ্ড
          যাকে আপ্নারা যুক্তির মানদণ্ড ধরছেন সেই বিজ্ঞানও যুক্তির কাছে অসহায় । http://istishon.blog/node/2707 । আপনি আমাকে শিং গজাইন্যা বলেছেন বলেই আমি ল্যাজের প্রসংগ তুলসি । বয়সে বড় এবং এটা করা অবশ্যই ঠিকনা । কিন্তু পুরনোদের এই চিন্তা থেকে সরে আসা উচিত । আপনাদের আইন্সটাইন প্রচার করে গেছেন “বিজ্ঞান ধর্ম ছাড়া খঞ্জ আর ধর্ম বিজ্ঞান ছাড়া অন্ধ” ; যদিও তার প্রচার নিয়া কিছু বলার সাহস আপনাদের নাই । আরেকটা কথা ; আমার নবি বলেছেন ”একহাতে চাঁদ আর একহাতে সূর্য এনে দিলেও আমি ইসলাম প্রচার থেকে বিরত হবনা ।” যাই হোক যে কোন কারনেই সবাই আমারে ভুল বুঝছেন ; তবে আমার গুরু যার হাতে এবং পায়ে মুক্তিযুদ্ধের সময় বুলেট আগছিল আর তিনি শাহবাগেও ছিলেন । তার মুখ ভর্তি দাড়ি । আর আপনাদের কমেন্ট দেখে আমার দীর্ঘশ্বাস

          1. ইস্টিশন কর্তৃপক্ষকে কাউকেই
            ইস্টিশন কর্তৃপক্ষকে কাউকেই স্পেশাল খাতির করতে দেখি নাই। এইজন্যই সবাইই দেখি নাখোশ। আম্বারাও নাখোশ, বামরাও নাখোশ, আস্তিকরাও নাখোশ, নাস্তিকরাও নাখোশ। আবার আমরাই বলি নিরপেক্ষতার কথা। একটা প্ল্যাটফর্মে সবাইরেই সন্তুষ্ট করা সম্ভব না। তবুও আমি ব্যক্তিগতভাবে চাই ইস্টিশন তার নীতিতে অটল থাকুক।

          2. ইয়েস দ্যাটস অল ; ইস্টিশন
            ইয়েস দ্যাটস অল ; ইস্টিশন ইস্টিশনের নীতিতে অটল থাকুক ; আমি আমার নীতিতে অটল থাকছি । আমিও ইস্টিশনকে স্পেশাল খাতির করবনা । করিনাই ।

          3. 69 এই দুটি গাণিতিক সংখ্যাকে
            69 এই দুটি গাণিতিক সংখ্যাকে আপনি আমার বিপরীত দিক থেকে দেখলে যা দেখবেন, আমি আপনার বিপরীত দিক থেকে দেখলে একই দেখব! দেখা একই হলেও, দুইজনের কাছে হয়ত একই দেখার অর্থ ভিন্ন হবে। এখন কোনটা যুক্তিযুক্ত সেটা বেছে নেওয়ার দায়িত্ব আমাদের।

            আপনার এই পোস্টে আপনি হয়ত ভাবছেন আমি কট্টর নাস্তিক। কিন্তু অন্য এক পোস্টে কতিপয় নতুন **** গজাইন্যা নব্য নাস্তিক আমাকে ভাবতেছে চাপাতি আস্তিক!

            আপনি ডারউইনকে আপনার সিমিত ধার করা জ্ঞান দিয়ে যেমন ফেলে দিতে পারেন না, আবার বিবর্তনবাদের দুই পৃষ্টা পড়ে কি একটা হয়ে গেছিরে ভাব নিয়ে আইনস্টাইকেও কেউ ফেলে দিতে পারবেনা। আমি এই দুই গোষ্টির বিরুদ্ধে।

            আশাকরি 69 এর মর্মভেদটা বুঝতে পারবেন।

          4. আমি কিছুই ভাবছিনা ; আর ”আমি
            আমি কিছুই ভাবছিনা ; আর ”আমি কি হনুরে!” এমন কিছু পোস্টে ছিলও না , তবে চাপায় দিলে কিছুই বলব না । প্রথমে দুনিয়া আমারচে আপনি অনেক দেখছেন , আপনার কথা ফেলে দিচ্ছিনা । তবে চাপাতি আস্তিক তাইপের ডুয়েল ক্যারেকটার থাকা ঠিকনা ; নিজের কাছে সৎ থাকতে পারছেননা। আর আমার ভুল না হলে আপনি নাস্তিক । কট্টর না , সহনশিল , তবে পুরনো ব্লগারের পোশাকটি খুলে ফেল্লেই হল । পড়ছি , দেখছি , শিখছি , লেখছি এপর্যন্তই । 69 থিওরি কাটবে স্পিরিচুয়াল কিছুর সম্মুখীন হলে । ঠিক এ ব্যাপারটির সাথে পরিচিত হওয়ার আগে আপনার বিশ্বাস করা লাগবে । যেমন বলেছিলাম টেলিফোন আবিস্কারের আগে বিজ্ঞানি সেটি বিশ্বাস করেছিল । আমি জানি আপনি ট্রাই করেছেন , কিন্তু সবাই কৃতকারয হয়না । কিন্তু লেগে থাকলে হয় । উপদেশ দিচ্ছিনা ; অনুরোধ রইল । আর আপনি কুন গোষ্ঠীর পক্ষে জানা নেই । ব্লগ গুলি ঘাটা হয়নি । ঘাটলে আশা করি জানতে পারব ।

  5. বেকার পেইন, পুরাই বেকার। শোভন
    বেকার পেইন, পুরাই বেকার। শোভন ১৩ আপনার পোস্টটি আমার চোখে অন্যায় কোনো পোস্ট নয়। আপনি ডারউইনের মতবাদের বিরুদ্ধে যেতে পারেন। তবে ইস্টিশন ব্লগে ধর্ম প্রচার করা যাবেনা। স্পস্ট বলা আছে। কিন্তু নাস্তিকতা প্রচার করা যাবে কিনা সেটা নিয়ে কিছু বলা হয়নি। যাকগেম ব্লগের পরিবেশ সুন্দর দেখতে চাই। এবং আপনাকে স্পেশাল অনুরোধ, আপনাকে প্রায়ই দেখেছি মানুষের পোস্টে গালাগালি দিতে, দয়া করে এটা আর করবেন না।

    1. আমি মানুষের পোস্টে গালাগালি
      আমি মানুষের পোস্টে গালাগালি করছি ? 😀 আমি একটা মেয়ে (কি যেন নাম, রাইন সম্ভবত) ছাড়া এই ব্লগের কারর পোস্টে কমেন্ট করিনাই । আপনার মিথ্যাচার এতে পরিস্কার । শেষ মুহূর্তে এই জাতিয় নোংরা কথা বলবেন সেটা আমার ধারনাতেই ছিলনা । :হাসি: মজা পাইলাম । হোয়াটেভার জেলাস হলে এ জাতিয় ব্যাপার হয় । কি আর করাহ ! এ সম্পর্কে প্রমাণ থাকলে স্ক্রিনশটে দিন । আর না পারলে এক কাম করেন আমার নামে একটা আইডি খুইলা আজকের মধ্যে গালিগালাজ শুরু করেন ; চালু চালু করেন ! দেইখা যাই ।

      1. তাহলে বোধয় আমার ভুল হচ্ছে।
        তাহলে বোধয় আমার ভুল হচ্ছে। তবে আপনি স্বীকার করলেন যে আপনি গালাগালি করে থাকেন। সুন্দর ব্লগিং এর আমন্ত্রন। আজে বাজে পোস্ট দিয়ে হিট কামাইতে চাইলে চটি ব্লগে যান। ব্যাপক হিট খাইবেন :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে:

        1. এবং চাপায়া দিলেও কেউ বলবেনা
          এবং চাপায়া দিলেও কেউ বলবেনা যে আমি মানুষের পোস্টে গালি দিছি । যে পোস্টে মন্তব্য করছি সেটাতেও গালি দেইনাই ; আপনি প্রমাণও দেখাতে পারেননাই । উলটা অপদস্থ হইলেন । চটি যে লেখে সেই ব্লগার । পিয়াল ভাইরেও লোকে না পাইরা এই মন্তব্য করে । গুরুর উপাধি পাইছি ; আমার ব্লগ জীবন সার্থক ।

          ও ফেইক আইডি খুল্লেও লাভ নাই … জানেনতো ; আপনি মিথ্যা দিয়া বেশিদূর যাইতে পারবেননা । আর আমার হিট খাওয়ার যোগ্যতা নাই ; তবে মিথ্যুকরে পাড়া দিয়া ধরার যোগ্যতা আছে ।

          1. শোভন ১৩ আপনাকে ব্লগে সবাই
            শোভন ১৩ আপনাকে ব্লগে সবাই ভালভাবে চেনে। ভাল পোস্ট দিন। আজাইরা পোস্ট আর গালাগালি দিয়ে হিট কামানো যায় প্রানে প্রাণ মেলানো যায় না। ভাল থাকবেন

          2. এ জন্যই তো মিথ্যা বলে লাভ
            এ জন্যই তো মিথ্যা বলে লাভ হবেনা । আপনার মত মহান তাত্ত্বিক কি ভাবে আজাইরা পোস্টে লাফান সেটা বোধগম্য না । তবে এটা জানি আপনার নাম ছিল ”অচিন্ত্য দূর্বাঘাস” । অচিন্ত্য মানে চেতনাশূন্য । আর ঘাস যার প্রিয় তার মাথায়্য শিং আছে ।শিংঅলা কারর কথা শুনে প্রাণ মিলে না , প্রাণ হারায় । যেমব আপনার হারিয়েছে ; তাই মানুষের পোস্টে যাইয়া গালি দেই এটা বলছেন । রিউভ করে লাভ হবেনা । স্ক্রিনশট নেয়া আছে , বতস !

          3. আমার নাম ‘অচিন্ত্য দূর্বাঘাস’
            আমার নাম ‘অচিন্ত্য দূর্বাঘাস’ ছিলো? বাহ, বেশ বেশ। শোভন ১৩ দা ফেমস্লাট নামের একটা একাউন্ট খুলেন, ভাল হবে। আপনার উদ্দেশ্য সফল, আপনার পোস্টে অনেক কমেন্ট পড়েছে। ভালা থাইকেন কইলাম। :ফুল:

          4. ওহ ! সরি , এটা আপনার না , আমি
            ওহ ! সরি , এটা আপনার না , আমি ভুলে গেশিলাম । এটা আরেকজনের । আমি স্বীকার করলাম ।কিন্তু মিথ্যা বলে আপনি স্বীকার করেননাই । ”অচিন্ত্য দূর্বাঘাস’ নামে কেউ একজন আমার সাথে লাগত আগে । আপনি খুজলে পাবেন । নাম চেঞ্জ করে ফেলেছে । হ্যা আপনারে হিট খাওয়ায়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ । আপ্নে না ত্থাক্লে কি যে হত ! যাই হোক কেউ হিট খাইলে কিছু লোকের একটু লাগেই ; ব্যাপারনা ! পোস্ট করছি 8:45 এ আর হিট শুরু হইছে 12:33 এ ; এমন অলৌকিক হিট কেউ খাইছে কিনা জানানাই । ebong prothom comment apnar ; kemne khal kaitta hangor anlen dekhen :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *