রাম রাবনের রাজনীতি

বেজন্মা কুত্তার ঘরে জন্ম নেয়া শুকুরেরা বড্ড বেশি ফালাফালি করে , করে সমাবেশ।
তাদের মুহুর্মুহু করতালিতে উত্তেজিত হয় আমার লিঙ্গ ,
যাকে আমি আদর করে ঈস্বর বলে ডাকি ..
মাগিরা আমাকে দেখে নাক কুঁচকায়,
ওদের দেখে আমার ঈস্বর আক্রোশে বলে ওঠে
‘ যতো ,বড় মুখ নয়, ততো বড় পাছা ‘ ।
ওদিকে শকুনেরা জি এস পি’র ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে শুরু করেছে হিসাব নিকাশ
আর এদিকে আমি
তাঁ দিয়ে যাই আমার তৈলাক্ত গোঁফে ,
হে কাঠাল ! তুমি আমায় করেছ মহান ।
আমার মজ্জায় আর মগজে যখন চলে কাম তৃষ্ণা,
তখন সীতার সতীত্ব নিয়ে
রাম আর রাবন খেলে রাজনীতি ।।

বেজন্মা কুত্তার ঘরে জন্ম নেয়া শুকুরেরা বড্ড বেশি ফালাফালি করে , করে সমাবেশ।
তাদের মুহুর্মুহু করতালিতে উত্তেজিত হয় আমার লিঙ্গ ,
যাকে আমি আদর করে ঈস্বর বলে ডাকি ..
মাগিরা আমাকে দেখে নাক কুঁচকায়,
ওদের দেখে আমার ঈস্বর আক্রোশে বলে ওঠে
‘ যতো ,বড় মুখ নয়, ততো বড় পাছা ‘ ।
ওদিকে শকুনেরা জি এস পি’র ভাগ বাটোয়ারা নিয়ে শুরু করেছে হিসাব নিকাশ
আর এদিকে আমি
তাঁ দিয়ে যাই আমার তৈলাক্ত গোঁফে ,
হে কাঠাল ! তুমি আমায় করেছ মহান ।
আমার মজ্জায় আর মগজে যখন চলে কাম তৃষ্ণা,
তখন সীতার সতীত্ব নিয়ে
রাম আর রাবন খেলে রাজনীতি ।।
আমার ইশ্বর তখন সমকামিতায় ব্যস্ত কাম দেবতার সাথে ,
আর আদর্শ তখন টাকার উল্টো পিঠে শুয়ে খায়
গড়াগরি ।
আমার ঈশ্বর আজ বাষোট্টি কলায় পূর্ণ ,
চেয়ে থাকে অপলক তোমার কেশবন্দী স্তনের
বোঁটায়,
তোমার নিতম্ব আজ যেন ঝলসানো মানচিত্র ….!

১২ thoughts on “রাম রাবনের রাজনীতি

  1. “”আমার লিঙ্গ
    যাকে আমি আদর করে

    “”আমার লিঙ্গ
    যাকে আমি আদর করে ইশ্বর বলে ডাকি””

    বেশ।
    শেষ লাইনটা একটা পরিচিত লাইনের সাথে মিলে গেছে । ফলে শেষ লাইনটা ঝুলে গেছে। এমনিতে শক্ত হয়ে উঠছে। ভাল লাগল।

  2. কবিতা বেশ সুন্দর হয়েছে।
    কবিতা বেশ সুন্দর হয়েছে। একধরনের চেতনা লক্ষ্য করলাম। কিন্তু এসব চেতনা কি শুধু আপনারা কবিতায় সীমাবদ্ধ রাখেন? গতকাল আমার একটি পোস্টে যখন উগ্রবাদীরা মন্তব্য করলো তখন তো ভাই কাউকে কমেন্টের জন্য পাওয়া যায়নি——http://istishon.blog/node/3129

  3. অসাধারন একটা বিদ্রপাত্নক
    অসাধারন একটা বিদ্রপাত্নক পোষ্ট সেয়রাম বালা লাচ্ছে ম্যান আর মনে হইছে এই বুঝে ৭১ এসে পড়ল এইবার আমাদের পালা………

  4. চমৎকার কবিতা !!!
    শিশ্ন, যোনি,

    চমৎকার কবিতা !!!
    শিশ্ন, যোনি, স্তন, নিতম্ব ইত্যাদি শব্দ জুড়ে দিলে তা কবিতা হয়না । প্রতিটি চরণ পংতি কে কবিতা হয়ে উঠতে হয় । এবং তা হয়ে উঠতে গেলে অনেক দূর পথ পাড়ি দিতে হয় । সেই দীর্ঘ পথের বাঁকে বাঁকে থাকে কবির – দেখার, শোনার, অনুভব করার বিচিত্র অভিজ্ঞতা ।

    এই কথাগুলো একারণে বলা – এই ব্লগে অনেকের কবিতা পড়েছি । অধিকাংশই আমার কাছে ফালতু বাতিল কবিতা মনে হয়েছে । গতকাল একজনের অকবিতা পড়লাম । লিঙ্গ – যোনি টোনি শব্দযোগে লেখার চেষ্টা করে । তাকে একটা ভদ্র কমেন্ট করেছিলাম । কিন্তু তা সহ্য করার কবিসুলভ ঔদার্য তার ছিলনা , তার বালখিল্যতায় পূর্ণ কবিতার মত বাজেভাবে আমাকে রিপ্লাই দিলো ।

    আজকে আপনার কবিতায় উক্ত শব্দগুলো দারুণভাবে মিশে গেছে প্রতিবাদ, বিদ্রূপ এর কোরাস হয়ে । আপনাকে ধন্যবাদ !

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *