মিররের প্রতিবেদন নিয়ে অতি উত্তেজনা বাংলাদেশের সাংবাদিকতার লেজুরবৃত্তির আরেক প্রমাণ

আমরা অনুকরণ প্রিয় জাতি। সব কিছুতেই বিদেশীদের অনুকরণ করার চেষ্টা করি আমরা। হোক সেটা পোশাক পরিধান বা জাতীয় রাজনীতি। হাল আমলের ফ্যাশন শো থেকে শুরু করে কে হবে কোটিপতি পর্যন্ত।
রানা প্লাজা ধ্বংসের ১৭ দিন পরে উদ্ধার হওয়া রেশমাকে নিয়ে আমাদের দেশের মিডিয়াগুলোর ভূমিকা দেখে মনে হচ্ছে, এরা আমার মত সাধারণ নাগরিকের চেয়ে বেশি পরিমাণে ইউরোপীয়দের অনুকরণ করে। এদের মধ্যে দৈনিক প্রথম আলো সব চেয়ে বেশি ভোঁতা ।প্রথম আলো সন্দেহ প্রকাশ করেছে মিরর থেকে ধার করে।

আমরা অনুকরণ প্রিয় জাতি। সব কিছুতেই বিদেশীদের অনুকরণ করার চেষ্টা করি আমরা। হোক সেটা পোশাক পরিধান বা জাতীয় রাজনীতি। হাল আমলের ফ্যাশন শো থেকে শুরু করে কে হবে কোটিপতি পর্যন্ত।
রানা প্লাজা ধ্বংসের ১৭ দিন পরে উদ্ধার হওয়া রেশমাকে নিয়ে আমাদের দেশের মিডিয়াগুলোর ভূমিকা দেখে মনে হচ্ছে, এরা আমার মত সাধারণ নাগরিকের চেয়ে বেশি পরিমাণে ইউরোপীয়দের অনুকরণ করে। এদের মধ্যে দৈনিক প্রথম আলো সব চেয়ে বেশি ভোঁতা ।প্রথম আলো সন্দেহ প্রকাশ করেছে মিরর থেকে ধার করে।
দৈনিক আমার দেশ রেশমার উদ্ধারকে সাজানো নাটক বলে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। এই প্রতিবেদন নিয়ে আমাদের দেশের কোন সংবাদ মাধ্যমই কথা বলেনি। এমন কি এই প্রতিবেদনের যুক্তির দূর্বলতা নিয়েও কোন কথা বলতে দেখা গেল না সংবাদমাধ্যমগুলো। কিন্তু যেই না বৃটেন ভিত্তিক ডেইলি মিরর আমার দেশের সংবাদের অনুবাদ করে সংবাদ প্রকাশ করল, সেই আমাদের দেশের মিডিয়ার ঘুম হারাম হয়ে গেল। তারা মিররের সংবাদের অনুবাদ করেই প্রকাশ করতে শুরু করলো। যেন এমন অবস্থা আমার দেশ ভুল সংবাদ করলে কি হয়, কিন্তু বিদেশী সংবাদপত্র ভুল সংবাদ অনুবাদ করলেও প্রচার করা আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। কারণ তাদের নিকট থেকেই তো আমরা সাংবাদিকতা শিখি।
দৈনিক আমারদেশ ‘রানা প্লাজা ট্রাজেডি: রেশমা ‘উদ্ধার’ নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য’ শিরোনামে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের মাধ্যমে রেশমা উদ্ধারের ঘটনাকে নাটক বললেও এই প্রতিবেদনের দূর্বল যুক্তি এবং তথ্য-উপাত্তের ঘাটতিকে আমরা মেনে নিলাম। এমনকি আমারদেশের প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর পেশাদারিত্বের পরিচয় দেয়নি দেশের অন্যান্য প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমগুলো। আমারদেশের দাবির যৌক্তিকতার পক্ষে-বিপক্ষে কোন রকম কথা বলতে দেখা গেলো না। বিস্ময়করভাবে দেখা গেলো- যুক্তরাজ্যের দৈনিক মিররে আমারদেশের প্রতিবেদনটি একপ্রকার অনুবাদ করে প্রকাশের পর প্রথমসারির দৈনিকগুলো সরব হলো! আর বিদেশী সংবাদমাধ্যমের সংবাদের পর আমার দেশের সংবাদকে প্রচারে উঠে-পড়ে লাগলাম।
আমাদের দেশের সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যমের এই বিদেশী তোষণ নীতি দেখে বলতে বাধ্য হই, আমাদের মিডিয়া আজো বড় হয়ে উঠেনি। আজো শেখেনি নাগরিক সাংবাদিকতা কাকে বলে।
তথ্য সূত্র: http://www.notun-din.com/?p=3798

৭ thoughts on “মিররের প্রতিবেদন নিয়ে অতি উত্তেজনা বাংলাদেশের সাংবাদিকতার লেজুরবৃত্তির আরেক প্রমাণ

  1. সাইদির ফোন সেক্স ও জয়নাল
    সাইদির ফোন সেক্স ও জয়নাল আবেদিনের পরকীয়া বিষয়ে সত্য সংবাদ প্রচারে আমাদের মিডিয়া ভয় পায় অথচ চামার দেশের মিথ্যা বানোয়াট সংবাদকে বিদেশী মিডিয়ার বরাতে গুরুত্বের সাথে প্রচার করে!হায় সেলুকাস!
    হলুদ হতে হতে আমাদের সাংবাদিকরা লাল হয়ে যাচ্ছেন ।

  2. খেলা চলছে – আরও অনেক খেলা
    খেলা চলছে – আরও অনেক খেলা আসন্ন । তৃতীয় বিশ্ব ‘র দুর্বল অর্থ – কাঠামোর দেশ হিসেবে আমাদের কে ষড়যন্ত্র নতুন নয় । তবে আমাদের ভেবে চিনতে পদক্ষেপ নিতে হবে । মহাপ্রভুর পাতা ফাঁদে যেন পা দিয়ে না বসি । রেশমা নাটক না রুঢ় বাস্তবতার নাম । সেই প্রশ্ন আমার কাছে অবান্তর । আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ মনে হচ্ছে এগুলো কারা সামনে আনছে, কেন আনছে, তাদের উদ্দেশ্য কি … ?

  3. সাদা চামড়া দেখলে এখনও আমাদের
    সাদা চামড়া দেখলে এখনও আমাদের লোল ঝরে। ব্রিটিশের চামচামির জীন বহন করেই চলেছে একটা জাতি।

  4. ভালো লিখেছেন রেশমা নিয়ে নাটক
    ভালো লিখেছেন রেশমা নিয়ে নাটক কথাটার ভিত্তি আছে বলে মনে হয়না ছাগলের তৃতীয় বাচ্চারা ফালাবে এইটা স্বাভাবিক ………ফালাতে দেন একদিন ফালাতে ফালাতে দেখবেন ল্যাঙরা হয়ে যাবে …………

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *