নারী— ওই ঘরে গিয়া ঘুমাও, এখন আমি খ্যেঁচবো।

সিক্কি সিক্কি গেল কইইইই???
কোন নারী আমার কাম
নিবৃতি করতে পারছে,
গাঁজা করতে পারসে মুগ্ধ।
ঘুমাইয়া কি করুম??? ঘুমাইলে কিছু করন
যায়?? ঘুমাইলে খালি ঘুমাইনযায়।—
দেখবা দেখবা। কইবা আমরাই করসি, অথচ



সিক্কি সিক্কি গেল কইইইই???
কোন নারী আমার কাম
নিবৃতি করতে পারছে,
গাঁজা করতে পারসে মুগ্ধ।
ঘুমাইয়া কি করুম??? ঘুমাইলে কিছু করন
যায়?? ঘুমাইলে খালি ঘুমাইনযায়।—
দেখবা দেখবা। কইবা আমরাই করসি, অথচ

খে-য়ে দি-তে মু-ন চা-য়।—
বুঝনা? —
তুমি কি হাত-পাও ছুইড়া বিরক্তি প্রকাশ
করলা??—
তোমার শরীর
থেকে বেড়িয়ে আসছে ধোঁয়া—
শিল্পের ভান্ডার তুমি,
গাঁজা হচ্ছে তা আবিস্কারের পন্থা।—
বাল বুঝেনা???—
সিক্কি সিক্কি খেয়ে দিতে মুন চায় চুলকায়
বিছানা—
ঘুম তো নাক দিয়া মুখ দিয়া বাইড়
হইয়া গেছে—
বো-মা—। সেলুট>
ঢিংসা না ফিংশা না, ঢিংসানা ফিংশানা
ঢিংসা না ফিংশা না,
ঢিংসানা ফিংশানা—
তুমি একটা সে-ই মাপের বা-ল!—
মাদার ফাঁকার বাইনচোত—
এখন বুঝতেসি কতটা আক্রান্ত হয়ে গেছি—
আমাকে একটু একা থাকতে দে, আমি একটু
ল্যাংড হইয়া গুমাই—
কেন যাবিনা!?!—
তোমাদের অনেককেই আমি আমার
কামাঙ্গে বিধ্ব করতে চাই—
তোমরাও বিধ্ব হয়ে পুলকিত হও—
আমার অক্ষমতা বিধ্ব হতে না পারায়,
তোমার অক্ষমতা বিধ্ব করতে না পারায়।

আমাদের অক্ষমতাও পৃথক এক এক, সক্ষমতাও
পৃথক এক এক।
তোমার যোগ্যতাকে অক্ষমতা ভেবো না—
সঞ্চালোক বোলে আমিই তো প্রভু নই, তুমিই
তো ডেকে শিখিয়েছো ঢুকানোর ম্যাজিক।—
ন্যায়ের পক্ষে কথা কওয়াই ছাগলামি—
ন্যায়ের
মায়েরে আমি গিজি গিজি কইরা গোল দেই

অন্যায়ের পক্ষে গেলে মুক্তি, তো ন্যায়ের
পক্ষে যামু কে?
অন্যায়ের পক্ষের সৃজনই শিল্প,
বাকি যা শিল্প তা উ-ড়া-লে—
ওইখানে থাইক্কা কি করছ, সাপ উজাইছে,
শান্ত করতে দে—
ওই ঘরে গিয়া ঘুমাও, এখন আমি খ্যেচবো।—?

১৭ thoughts on “নারী— ওই ঘরে গিয়া ঘুমাও, এখন আমি খ্যেঁচবো।

  1. বুঝলাম না কি বললেন।— অমিত
    বুঝলাম না কি বললেন।— অমিত লাবণ্য।

    এর মধ্যে ভালোর কি দেখলেন? — রাইয়ান
    স্বপ্নকথক ।

  2. এমন নৃশংস কাব্যিক আক্রমণ
    এমন নৃশংস কাব্যিক আক্রমণ জীর্ণ প্রথাকে অনেক দিন হতে দেখিনি…
    :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :বুখেআয়বাবুল: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন: :রকঅন:
    অনিন্দ্য ভাই সেরাম লাগছে… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  3. যা খুশি, যেভাবে ইচ্ছে লেখার
    যা খুশি, যেভাবে ইচ্ছে লেখার নাম কবিতা হতে পারে বলে আমি মানি না । যদিও এই ইস্টাইলে লিখছে কেউ কেউ । কবিতা মানুষ কে সুস্থ করুক, মানুষ যেন কবিতাকে অসুস্থ করে না ফেলে ।

  4. আপনার সুস্থ-অসুস্থের
    আপনার সুস্থ-অসুস্থের মানদন্ডের অনুনুভুতি খারা করাইয়া যা কিছু যার সাথে করেন (মানে আর কি সামনে-পিসে উপর-নিচে চালনা), তারেই আমি ওই ঘরে গিয়া শুইতে কইলাম। যেহেতু সে গেসে তার সাথে আপনিও গিয়ে মুড়ি খান।
    দুঃখিত।

    1. আপনার মতো অভদ্র’র পক্ষেই
      আপনার মতো অভদ্র’র পক্ষেই কবিতার নামে মাতলামি করা সাজে । ফেইস বুকের মতো ব্লক করার ব্যবস্থা থাকলে এক্ষুনি তাই করতাম । ইডিয়ট !

Leave a Reply to রাইয়ান স্বপ্নকথক Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *