কুলাংগারদের বিচার না করে ঘরে ফিরবেনা।।।

আমাদের বিরোধী দলের কতিপয় মহিলা সদস্যগণ যতোটা না সুন্দরী তার থেকে বেশী অশ্লীল। তাদের ভাষা যেন লাগাম ছাড়া…পরিবার থেকে যিনি একটা ভদ্র ভাষা শিখতে পারেননি তিনি দেশ ও জাতিকে কি দেবেন? পাপিয়াকে ভবিষ্যতে পাকিরা ভারতের সাথে ঝগড়া করতে নিয়ে যাবে ।কারন সে বাংলাদেশ বেহায়া ঝগড়া কমিটির সভাপতি । আমার মা এর নামে যখন সংসদে দাঁড়িয়ে পাপিয়া কটূক্তি করে , তখন ভাবি দেশের জন্য শহীদজননী জাহানারা ইমাম ছেলেকে যুদ্ধে পাঠান। তার অবমাননা করছে পাপিয়া জাতীয় সংসদের মত পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায়। শহীদজননী জাহানারা ইমাম ভেবনা মা তোমার সন্তানরা আবার জেগে উঠেছে কুলাংগারদের বিচার না করে ঘরে ফিরবেনা।।।

৯ thoughts on “কুলাংগারদের বিচার না করে ঘরে ফিরবেনা।।।

  1. আফুমিনি বোধয় ফেসবুক আর ব্লগের
    আফুমিনি বোধয় ফেসবুক আর ব্লগের পার্থক্য বুঝদাসেন না। একটু সুন্দর কইরা বিস্তারিত লেখেন। ভাল থাকবেন

  2. “যা তোকে দেশের জন্য কুরবানি
    “যা তোকে দেশের জন্য কুরবানি দিয়ে দিলাম,যা তুই যুদ্ধেই যা।”-১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বড় ছেলে রুমীকে এভাবেই বিসর্জন দিয়েছিলেন শহীদজননী জাহানারা ইমাম।সেই রুমী যুদ্ধে যায়,দেশের জন্য লড়াই করে।মায়ের কোল থেকেই একদিন সেই রুমীকে ধরে নিয়ে যাওয়া হয়।সঙ্গে ছোট ভাই জামী আর বাবা শরীফ ইমাম কেও।রুমীকে তো আর তারা ছাড়ে না…….জামী ফিরে আসে,শরীফ ইমাম ফিরে আসেন,আরো অনেকে ফিরে আসে-কিন্তু ফেরে না রুমী,বদি,আজাদ-তাদের আরো অনেক সহযোদ্ধা।বুকে পাথর বেঁধে এই মায়েরা অপেক্ষা করতে থাকেন,কিন্তু তাদের সন্তান আর ফিরে আসে না।……….

    পাকিস্তানী বাহিনীর অত্যাচারের সুদূরপ্রসারী প্রতিক্রিয়ায় মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়েই মারা যান রুমীর বাবা শরীফ ইমাম।ছেলের সহযোদ্ধাদের,মুক্তিযোদ্ধাদের নিজ অবস্থান থেকে সবটুকু সাহায্য তিনি করে গেছেন।

    শহীদজননী জাহানারা ইমাম …….ছেলে তাঁর দেশের জন্য শহীদ।প্রতিবাদের অগ্নিশিখা হয়ে উঠলেন এই শহীদজননী।আন্দোলন গড়ে তুললেন সেসব কুলাঙ্গারদের বিরুদ্ধে যারা এদেশের মানুষ হয়েও দেশটার স্বাধীনতার বিরোধিতা করেছিল,দেশের মানুষকে হত্যা করেছিল,রুমীর মতো অসংখ্য মুক্তিযোদ্ধাকে হানাদার বাহিনীর হাতে তুলে দিয়েছিলো,অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে হত্যা করেছিলো।

    স্বাধীনতা বিরোধী শক্তির হাতে আমার এই মা কে পেতে হয়েছে দেশ দ্রোহীর অপবাদ , হতে হয়েছে দেশছাড়া । তার পর ও আমাদের উপর আস্থা রেখেছেন মা ।বলে গেছেন- “আমি জানি জনগনের চেয়ে বিশ্বস্ত কেউ নেই । জয় আমাদের হবেই ।”

    তাঁর জ্বালিয়ে দেওয়া সে প্রদীপ আজ আমাদের হাতে।সেই একই দাবিতে আমরা আবার এক হয়েছি।এদেশকে রাজাকার মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ।শহীদজননী র বাংলায় রাজাকারের ঠাই নাই । শহীদ রুমির বাংলায় , রাজাকারের ঠাই নাই ।

    আমার মা এর নামে যখন সংসদে দাঁড়িয়ে পাপিয়া কটূক্তি করে , তখন মনে হয়… না কিচ্ছু মনে হয় না – সব অনুভূতি হারিয়ে ফেলি ।এই সাংসদ বাঙালি ত ? বাঙালি হলে মা এর নামে কিভাবে কটূক্তি করে? চিৎকার করে কাঁদতে চাই , কাদতে পারি না । জাতীয় সংসদের মত পবিত্র এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় এসব পাকিস্তানি জারজ কিভাবে স্থান পায় ? এই কি আমার সোনার বাংলা ? আজকে আবার এক ই প্রশ্ন তুলতে হচ্ছে-সোনার বাংলা শ্মশান কেন ?

    মা , আমাদের ক্ষমা করবি ত ? আমরা তোর সন্তানেরা তোর স্বপ্ন সফল করার জন্য সারাজীবন লড়ে যাব , কথা দিলাম ।

    জয় বাংলা।জয় বঙ্গবন্ধু , জয় জনতা , জয় তারুন্য , জয় শাহবাগ । জয় হোক মুক্তিযুদ্ধের , জয় হোক স্বাধীনতার । ব্লগে বিস্তারিত আলোচনা করলাম ভায়েরা আমার।।।।

  3. কষ্ট করে ২ টা লেখা একসাথে
    কষ্ট করে ২ টা লেখা একসাথে দিলে ভালো হত কারন এখন লেখাটা সম্পূর্ণ অগোছালো………………

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *