মানুষের মাঝে বাঁচতে ইচ্ছে করে। সেটা কি সম্ভব ? অন্তত এই বঙ্গদেশে !

মানুষের মাঝে বাঁচতে ইচ্ছে করে। সেটা কি সম্ভব ? অন্তত এই বঙ্গদেশে ! আমি আবারও আমার দেশের জন্য গর্বিত । পশুদের সাথে বাস করা মানে পশু হয়ে যাওয়া নয় কি ! একটা ধর্ষনের খবর শুনে দিন শুরু করে ছিলাম , আরেকটা ধর্ষন শুনে ঘুমাতে যাব ! এটাও মনে হয় একটা প্রথা হয়ে দাড়িয়েছে । হয়তো প্রতিদিনি এমন শুনতে হবে , কারন ঐ পশুদের বিচার করার মত কেউ নেই । জ্বলছি, আফসোস করছি। কিন্তু লাভ কিছুই হচ্ছে না । কঠোর ভাবে আইনের প্রয়োগ না হলে কোন লাভ নাই। চলতেই থাকবে পশুদের উল্লাস ।


মানুষের মাঝে বাঁচতে ইচ্ছে করে। সেটা কি সম্ভব ? অন্তত এই বঙ্গদেশে ! আমি আবারও আমার দেশের জন্য গর্বিত । পশুদের সাথে বাস করা মানে পশু হয়ে যাওয়া নয় কি ! একটা ধর্ষনের খবর শুনে দিন শুরু করে ছিলাম , আরেকটা ধর্ষন শুনে ঘুমাতে যাব ! এটাও মনে হয় একটা প্রথা হয়ে দাড়িয়েছে । হয়তো প্রতিদিনি এমন শুনতে হবে , কারন ঐ পশুদের বিচার করার মত কেউ নেই । জ্বলছি, আফসোস করছি। কিন্তু লাভ কিছুই হচ্ছে না । কঠোর ভাবে আইনের প্রয়োগ না হলে কোন লাভ নাই। চলতেই থাকবে পশুদের উল্লাস ।

নওগাঁর মান্দায় এক নারীকে (২৫) তিন দিন আটকে রেখে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ধর্ষিতা ওই নারী ২৯ জুন শনিবার সেখান থেকে পালিয়ে থানায় এসে ধর্ষকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। উপজেলার ভারশোঁ ইউনিয়নের ভারশোঁ মধ্যপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষিতা জানান, মোবাইল ফোনের মাধ্যমে সুবাস চন্দ্র কিংকর ওরফে কিনু (৩৫) নামে এক যুবকের সঙ্গে তার পরিচয় ঘটে। কিনু বিয়ের প্রলোভন দিয়ে গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে দেলুয়াবাড়ি বাজারে ডেকে নেয়। পরে ওই রাতেই তাকে ভারশোঁ মধ্যপাড়া গ্রামে মোস্তফার বাড়িতে নিয়ে রাখা হয়। ওই বাড়িতে কিনু তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। শুক্রবার রাতে ভিকটিমকে গ্রামের আলমগীর হোসেনের নির্জন বাড়িতে স্থানান্তর করা হয়। সেখানে অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাবেক ইউপি সদস্য হারেজ আলী, আলমগীর হোসেনসহ আরো কয়েকজন মিলে তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করে। ভিকটিম শনিবার ভোররাতে সেখান থেকে পালিয়ে মোস্তফার বাড়িতে আশ্রয় নেয়। পরে এলাকাবাসির সহায়তায় থানায় গিয়ে শনিবার রাতে কিনু, হারেজ মেম্বার, আলমগীর হোসেনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।

#আমরা লিখছি, পড়ছি, মন মেজাজ খারাপ করছি, ঘৃণা জন্মাচ্ছে। তাতে কোন পরিবর্তন কি হচ্ছে? হচ্ছে না।

#এই জানোয়ারদের দেখা মাত্র গুলির অর্ডার দিলেও কি শাস্তিটা কম হয়ে যায়না ?

৪ thoughts on “মানুষের মাঝে বাঁচতে ইচ্ছে করে। সেটা কি সম্ভব ? অন্তত এই বঙ্গদেশে !

  1. নারী নির্যাতন বিষয়ে থানায়
    নারী নির্যাতন বিষয়ে থানায় দেয়া জবানবন্দি বা এফআইআর এ বর্নিত কোন ঘটনা সংবাদপত্রে হুবহু ছাপা হলে আমি সেটা পুরোপুরি বিশ্বাস করি না ।কেননা প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করতে ঘটনাকে পুরোপুরি সাজিয়ে মামলা দায়ের করা হয়ে থাকে ।

  2. আমি পত্রিকা পরিনা শুধুমাত্র
    আমি পত্রিকা পরিনা শুধুমাত্র এই ধর্ষণের খবর দেখতে হবে তাই ………… সমাজ ব্যবস্থা বদলানোর স্লোগান অনেক দিলাম কিন্তু কাজের কাম কিচ্ছু হইনায় আর কিছু হবে বলে মনে ও হয়না কেননা ধর্ষকরা কিন্তু কোন না কোন রাজনৈতিক দলের ছত্রছায়ার মাঝেই থাকে যা আমাদের ধরা ছোঁয়ার বাইরে…………………

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *