অচল মাল

প্রতিরাতের মতোই ঘুম ভেঙে গেলো কলাপসিবল গেইট খোলার আওয়াজে। ঘুম ভেঙে গেলো বলাটা বোধ হয় ঠিক হলোনা। কারন বেশীর ভাগ রাতে একদম ভোরের আগে আমার ঘুম আসে না। মাঝে মাঝে শুয়ে থাকতে থাকতে নিদ্রাচ্ছন্ন হয়ে পড়ি হয়ত। সেই আচ্ছন্ন ভাবটাই কেটে গেলো গেইট খোলার শব্দে। প্রতিদিন একই সময়ে। নাহ এটাও ভুল বললাম। একই সময়েও ঠিক না, একটা বিশেষ মুহুর্তে। ঠিক ফজরের আজানের ১০ মিনিট পর। আমার বিছানার ঠিক মাথার কাছেই জানালা। মাঝে মাঝে শব্দ শুনে তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাবটা ছুটে গেলে জানালা দিয়ে দেখি সাদেক সাহেব সফেদ পাঞ্জাবি আর টুপি মাথায় দিয়ে গেইট খুলে ফজরের নামাজ পড়তে যাচ্ছেন। সাদেক সাহেব আমার কলিগ। সমাজের দৃষ্টিতে আপাদমস্তক একজন সফল মানুষ। এই কথাটা বেশী শুনতে হয় আমার স্ত্রীর কাছ থেকেই। সাথে আমার ব্যর্থতার ফিরিস্তি। অচল পয়সার মতো আমার নাকি দাম নেই সোসাইটিতে। কথাটা শুনলে প্রথম প্রথম খুব রেগে চিৎকার চেঁচামেচি করতাম। এখন আর কিছু বলি না। মাঝখানে মহাসমুদ্রের দূরত্ব পেরিয়ে আমার বলা কথা পৌঁছে না, সুতরাং বলে লাভ কি?

পড়ালেখা শেষ করে বেশ কয়েকটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরী করার অভিজ্ঞতা হয়েছে। কোন জায়গাতেই বেশীদিন টিকতে পারিনি। কারন সোসাইটিতে খুব চালু একটা শব্দ আছে “এডজাস্ট” করে নেওয়া, কিংবা বলা যেতে পারে “কম্প্রোমাইজ”। তো সেই জিনিসটার সাথে ঠিক এডজাস্ট করে নিতে পারিনি কখনও। তাই অচল পয়সার মতোই বাতিল মাল হিসেবে রিজেক্টেড হতে হয়েছে বারবার। এরপর কিভাবে কিভাবে যেন এই সরকারী চাকরীটা জুটে গেলো। সরকারী চাকরীর একটা সুবিধে হচ্ছে এডজাস্ট করে নেওয়ার কমতি থাকলে নানাভাবে হয়রানী হতে হলেও চাকরীটা এতো সহজে যায় না। তাই এখনও টিকে আছি। এডজাস্ট যে একেবারেই করতে হয়নি সেটা বলাটাও বোধ হয় ভুল হলো। ডিপার্টমেন্টে আমার এই এডজাস্ট না করতে পারার অক্ষমতাটি সবার গোচরে আসতে খুব বেশী সময় লাগেনি। কারন আমার অক্ষমতার কারনে অনেকেরই এডজাস্টমেন্টে বেশ অসুবিধে হয়ে যাচ্ছিলো। তাই ডিপার্টমেন্টে আমাকে এমন একটা পদে স্থিরতা দেওয়া হয়েছে যেখান থেকে অন্যদের এডজাস্টমেন্টের পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়ানোর কোন সুযোগ নেই। একটা জীবন থেকে এই এতটুকু শিক্ষা অন্তত হয়েছে জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে এডজাস্ট না করে উপায় থাকে না। এতে করে অবশ্য আমার অচল পয়সার উপাধির কোন হেরফের হয়নি। আজকাল ছেলেমেয়েরাও মুখ ফসকে বলে ফেলে। আমি না শোনার ভান করে এডজাস্ট করার আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাই। আসলে ইদানিং ক্লান্ত লাগে। তাই চুপ থাকাটাই উত্তম ডিফেন্স হিসেবে মন্দ মনে হয়না।

আমার সাথে যারা একই ডিপার্টমেন্টে কাজ করে তাদের অনেকেরই নামে বেনামে বাড়ি, গাড়ি, জমি অনেক কিছুই আছে। সামাজিক স্ট্যাটাস হিসেবে এসবের বিকল্প নেই বলেই তাদের চেহারায় সফলতার একটা ঝিলিক সবসময় চকচক করে। ঠিক যেন ব্যাংক থেকে সদ্য আনা চকচকে গোলাপি রঙের এক হাজার টাকার নোটের মতো। তাদের পোশাক আশাক থেকে শুরু করে পলিশ করা জুতোর চকচকে ডগাও সার্টিফাই করে সফলতার সংজ্ঞা কেমন হওয়া উচিৎ। এই যেমন আমার পাশের কোয়ার্টারে থাকেন সাদেক সাহেব যার কথা শুরুতেই বলছিলাম, যার কলাপসিবল গেইট খুলে দৈনিক ফজরের নামাজ পড়তে যাওয়ার শব্দে আমার তন্দ্রা ছুটে যায়, সেই সাদেক সাহেব সফলতার মুর্ত প্রতিক। এমনকি এই ভোর বেলাতেও উনার আয়রন করানো ভাঁজহীন সফেদ পাঞ্জাবির চকচকে ভাব থেকেও সফলতার ঝিলিক বের হয়ে আসে প্রতি সুবহে সাদেকে। এডজাস্টমেন্ট করার ব্যাপারে ডিপার্টমেন্টে উনার বেশ সুনাম আছে। বিভাগের বড় কর্তাদেরও কিভাবে ম্যানেজ করে চলতে হয় সেই ব্যাপারেও সাদেক সাহেবের বেশ সুখ্যাতি। আমি উনার ভোরের সফেদ পাঞ্জাবির নিভাঁজ উজ্জ্বলতা থেকে শুরু করে জুতো, টাই কিংবা হাল ফ্যাশনের ব্রান্ডেড শার্টের কলারের নিখুঁত কাটিং থেকেও সফলতা খুঁজে নিতে দেখি সবাইকে। একপাশে অচল পয়সার মতো আমি পড়ে থাকি নিতান্তই অদৃশ্য অস্পৃশ্য সত্ত্বার মতো। আসলে অদৃশ্য না হতে চাইলেও অচল পয়সার কদরহীন পড়ে থাকার মতোই পরিবারেও আমার মতো অচল মানুষদের অস্পৃশ্য হয়ে থাকাটাই নিয়ম। পরিবারের একজন সদস্য হিসেবে অন্যদের আলাপে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা কদাচিৎ জেগে উঠলেও স্ত্রী কিংবা পুত্র কন্যাদের আশ্লেষ মেশানো কথার বাউন্সে আমি আবার টুপ করে গুটিয়ে নেই নিজেকে, শামুকের খোলসে গুটিয়ে যাওয়ার মতোই।

প্রতি সুবহে সাদেকের মতো আজও কলাপসিবল গেট খোলার শব্দে আমার তন্দ্রা ছুটে গেলে আমি খোলস থেকে মুখ বের করার মতো করে জানালার ফাঁক দিয়ে তাকাই। গোলাপি রঙের এক হাজার টাকার নোটের মতোই ঝা চকচকে সফলতার ঝিলিক দেখতে পাই সদ্য ফজরের নামাজ ফেরত সাদেক সাহেবের সফেদ পাঞ্জাবী থেকে, নিভাঁজ টুপীর তীক্ষ্ণ ধার থেকে। গত বছর সস্ত্রীক হজ্জ করে ফেরার পর থেকে রাখা সফেদ দাড়ি থেকেও সফলতার ঝিলিক চমকায়। আর আমি অচল পয়সার মতো আবার ফিরে আসি বিছানার একপাশে। হয়ত ঘুম আসবে। ঘুমের মধ্যেই কেবল এডজাস্টমেন্টের শিকল থেকে মুক্ত থাকি আমি।

৫৫ thoughts on “অচল মাল

  1. ছোট্ট লেখার অলক্ষে তুলে
    ছোট্ট লেখার অলক্ষে তুলে ধরেছেন সমাজের একটা বাস্তব চিত্র । সমাজ বলা কি ঠিক হচ্ছে? !!
    হুম !! নাহ জীবনের চিত্র বলা যায় !!
    উপস্থাপনাটা ছুঁয়ে গেছে । লেখার বিশেষত্ব এখানে ।

    আর কিছু লাইন চমৎকার লেগেছে ।

    মাঝখানে মহাসমুদ্রের দূরত্ব পেরিয়ে আমার বলা কথা পৌঁছে না, সুতরাং বলে লাভ কি?

    চমৎকার উপমা । ছোট্ট লাইন তার নিগুঢ় তত্ত্বের সম্প্রসারিত ভাব বেশ দীর্ঘ ।

    কারন সোসাইটিতে খুব চালু একটা শব্দ আছে “এডজাস্ট” করে নেওয়া, কিংবা বলা যেতে পারে “কম্প্রোমাইজ”

    আর ২য় প্যারাতে কম্প্রমাইজের চিত্র ভাল্লাগছে কেননা পুনরায় বলছি বিশেষত্ব হচ্ছে তেমন কিছু নয় লেখা টা কিন্তু অনুধাবন করলে একটু হলেও ছুঁয়ে যাবে । লাস্ট এর প্যারা টা এর প্রকৃষ্ট উদাহারন

    সর্বোপরি :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. আপনার সমালোচনা গুরুত্বের সাথে
      আপনার সমালোচনা গুরুত্বের সাথে নেওয়ার অপেক্ষায় ছিলাম। লেখালেখি আসলে ঠিক আমার কম্ম না। শখের বশে মানুষ কতো অসাধ্য সাধনের চেষ্টাই না করে তার একটা উদাহরণ মাত্র।

      1. লেখাটা সাদামাটা হলেও ভাল লাগা
        লেখাটা সাদামাটা হলেও ভাল লাগা টা অন্য খানে । অনুধাবনে । লেখালেখি কম্ম নাহ হলেও আপনার লেখার হাত ভাল , হয়ত সেটা বেবহারিত হয় কমেন্টে বেশি । কিন্তু লেখক না হলেও বাংলা ব্লগিংএ আপনি অন্যতম একজন পাঠক !! সফলতা বিভিন্ন দিক এ ভাই 😛

  2. আমি এডজাস্ট করতে পারিনা,
    আমি এডজাস্ট করতে পারিনা, এইকারণে মানুষ এডজাস্ট করি আমার মতন কইরা 😀 😀

    চেষ্টা কইরা দেখতে পারেন। 😀 😀

  3. বেসেবা উপস্থাপন করেছেন
    কারন

    বেসেবা উপস্থাপন করেছেন 🙂

    কারন সোসাইটিতে খুব চালু একটা শব্দ আছে “এডজাস্ট” করে নেওয়া, কিংবা বলা যেতে পারে “কম্প্রোমাইজ”। তো সেই জিনিসটার সাথে ঠিক এডজাস্ট করে নিতে পারিনি কখনও। তাই অচল পয়সার মতোই বাতিল মাল হিসেবে রিজেক্টেড হতে হয়েছে বারবার।

  4. বাঙ্গালী ভদ্রলোক, এবং অবসশই
    বাঙ্গালী ভদ্রলোক, এবং অবসশই সম্মানীয়,উপরন্তু মান্যবর ধর্মপ্রাণরা এমনই হয়।এবং এমনই হয়।
    সমস্যা একটাইএরা যা প্রচার করে তা করে না।যা করে তা শুনলে নাক সিটকায়।যা লিখছেন তাই খুজতেছিলাম।
    অসাম।
    //////////////////////////////////////////////////////////////////

    1. সব লেখা সবার ভালো লাগবে এমন
      সব লেখা সবার ভালো লাগবে এমন নয়। আমি আসলে অনেক কিছু লেখার মধ্যে তুলে আনব এমন মানসিকতা নিয়ে বসি। কিন্তু শেষমেশ হয় না। তবু আপনার ভালো লেগেছে জেনে খুশী হলাম।

  5. এমন করেই আমরা ফেলে যাই আমাদের
    এমন করেই আমরা ফেলে যাই আমাদের সুখের অচল পয়সাকে।এই যুগের সচল পয়সা আমরা আর হতে পারব না।চাই না এমন করে সচল হতে।পা দিয়ে মাড়িয়ে গেলেও না। :ক্ষেপছি:

  6. গল্পটা ভালো লাগার সাথে
    গল্পটা ভালো লাগার সাথে আডজাস্ট করে নিলাম :বুখেআয়বাবুল:

    বেশ লিখেছেন :গোলাপ:

    আপনি রেগুলার গল্প লিখা শুরু করেন , ওয়েটিং

    1. রেগুলার হবে আতিক ভাই !!!!!!!
      রেগুলার হবে আতিক ভাই !!!!!!! হু হা হু হা !!! :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

      বছরে একবার কলম ওঠে ভাই এর হাত এ / 😀 😀 😀 😀 😀 😀 😀 😀 😀 😀

  7. ভাল লিখেছেন ।
    ভদ্রতার মুখোশ

    ভাল লিখেছেন । :-bd
    ভদ্রতার মুখোশ আরেকটু বিস্তারিত উম্নোচন করলে আরো ভালো লাগত।

  8. দাদা আমাদের জীবনের অচলচিত্র
    দাদা আমাদের জীবনের অচলচিত্র তুলে ধরেছেন. অনেকেই সমাজের কাছে অচল মাল,পরিবারের কাছে অচল মাল হয়ে থাকে!!! অপেক্ষা যদি রিসাইকেল হয় অচল মালের.এখানে কিছুটা আমার বাবার চরিত্রের মিল পেলাম
    :বুখেআয়বাবুল: তয় এই কয়েকদিন যা দেখলাম আপনি রাতে ঘুমান না :হাহাপগে:

  9. আতিক ভাই, লেখা খুভ ভাল হয়েছে
    আতিক ভাই, লেখা খুভ ভাল হয়েছে !আরো ভাল লেগেছে আকারের সংক্ষিপ্ততা ! গল্পটা বড় করলে বিশ্রি দেখাত, ছোট বিধায় অসমাপ্ততার মধ্য দিয়ে দীর্ঘশ্বাসটা বড় করে ফেলিছি!!
    কিন্তু কনফিউজড – ১০০০ হাজার টাকার নোট কি গোলাপী হয়? নাকি এ্যপলের ব্যায়বহুল পণ্যের মত সাদা রঙ্গা হয়। আবার এই মানুষগুলা তো সমাজের চোখে সাদা রঙ্গা ই!

    1. বড় লেখা আমি লিখতে পারিনা। খেই
      বড় লেখা আমি লিখতে পারিনা। খেই হারিয়ে ফেলি :বুখেআয়বাবুল:

      ১০০০ টাকার নোট দেখেন নাই? :খাইছে:

  10. এটা কি আপনার ব্যক্তিগত জীবন?
    এটা কি আপনার ব্যক্তিগত জীবন?

    দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। একটাই জীবন। এই জীবনকে মনের মত গড়তে পারে এমন মানুষের সংখ্যা খুব কম।

  11. ব্যাপারটা কোন এক ব্যক্তির
    ব্যাপারটা কোন এক ব্যক্তির কনফেস এর মত হয়ে গেলো। তার স্ত্রী,পুত্র,কন্যা,কলিগ,সাদেক সাহেবদের নিয়ে কাহিনী সাজালে চমৎকার হতো। একটা কাজ করেন না, এটার পরের অংশ নিয়ে একটা গল্প শুরু করেন।

    1. আমি একটু ন্যারেটিভ ধাচে গল্প
      আমি একটু ন্যারেটিভ ধাচে গল্প লিখতে চেয়েছি। কোন কাহিনী কুহিনি ছাড়াই। 😀

  12. “এডজাস্টমেন্টের” সাথে
    “এডজাস্টমেন্টের” সাথে “কম্প্রমাইজ” না করলেই মনে হয় ঝামেলা। অল্প পরিসরে একটা পুরোন সামাজিক ক্ষত নিয়ে সুন্দর লিখেছেন। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  13. বরাবরের মত লেট কাস্টমার।দাড়ান
    বরাবরের মত লেট কাস্টমার।দাড়ান আপনারে ট্যাগ দিয়ে শেয়ার দেই।আপনারে তাইলে একটু চেতান যায়।লেখাটা আমার কাছে ভাল ই লাগছে।তবে লেখাটা পড়ার সময় কল্পনায় মূল চরিত্রে আপনাকে ভাবছি।আপনার বউ ভেবে হাসি পাইছে। :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

    1. এতো হাসি কিয়ের?
      পুলাপাইন

      এতো হাসি কিয়ের? :মানেকি:
      পুলাপাইন দুঃখের গল্পের মধ্যেও হাসে। খুব খ্রাফ :দেখুমনা:

  14. “ব্যর্থরাই মহামানব আর সফলেরা
    “ব্যর্থরাই মহামানব আর সফলেরা শয়তান”–কথাটা মনে করিয়ে দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ!!
    আতিকভাই আপনার শব্দচয়ন ও বাক্য বিন্যাশ আমার বেশ লেগেছে একমাত্র বারবার সফেদ শব্দটার ব্যাবহার কিছুটা দৃষ্টিকটু লেগেছে! সবমিলিয়ে আপনার লিখাটা সুখপাঠ্য আর অসাধারণ বিশ্লেষণ ও দৃষ্টিভঙ্গির বিরল প্রচেষ্টা মনে হয়েছে!!
    আপনাকে অসংখ্য :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: ও :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:

    1. ধন্যবাদ তারিক ভাই গঠনমূলক
      ধন্যবাদ তারিক ভাই গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য। ভবিষ্যতে লেখার সময় ব্যাপারটা মাথায় থাকবে। :খুশি:

    1. ফাঁকিবাজ ব্রহ্মপুত্র

      ফাঁকিবাজ ব্রহ্মপুত্র :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

      আতিক ভাই এর সেই কমেন্ট এর কথা মনে পইড়া গেল !!! :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

  15. ভাল লেগেছে। তবে গল্প মনে হল
    ভাল লেগেছে। তবে গল্প মনে হল না বাস্তব লাগল। অবশ্য এইটাকেই আমি লেখকের স্বার্থকতা ভাবি

  16. নতুন গল্পটা পড়বার পর এই
    নতুন গল্পটা পড়বার পর এই গল্পটা পড়েছি। আগেরটা এতটাই ভাল লেগেছিল যে সেই তুলনাই এই গল্পটাকে নেহাতই সাদামাটা মনে হচ্ছে। রাইত হইসে ঘুমানো দরকার। আপনার এই গল্প আমার চক্ষে ঘুম আইনা দিসে। সেই কারণে হইলেও আপনারে ধইন্যা :ধইন্যাপাতা:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *