অচৈতন্য

সহস্রাব্দ ধরে হামাগুড়ি দিচ্ছি এখনও দরজার দেখা নাই। যখন মনে হচ্ছিল আমি বুরজ দুবাই বা হিমালয় থেকে পরছি তখন অনেক কিছুই মনে হচ্ছিল আমি আর কয় শতাব্দী এইভাবে পতিত হব? এই পতনের শেষ হবে না? তখনই খুব কোমলভাবে একটা শক্ত পাটাতনে পরলাম কেনইবা কোন ব্যাথা পেলাম না বুঝতেছি না। মাথাটা খুব খুব বেশী ধরছে। কিছুই মনে করতে পারছি না; আমি কোত্থেকে কোথায় পরলাম? কয়েক বছর চিন্তার পর আবিষ্কার করলাম আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের রুমের মেঝেতে শুয়ে আছি। আজ শেষ বর্ষের ভাইয়াদের র‍্যাগ ডে, সারাদিন আমরা রং ছুড়াছুঁড়ি সহ অনেক মজা করছি। সন্ধ্যায় সংস্কৃতি অনুষ্ঠান হয়েছে। রাত একটায় এলআরবি’র গান দিয়ে আজকের দিনের মূল আকর্ষণ শুরু একদম শেষে আর্টসেল উঠবে মাতাতে।

টেবিলের উপর বা মেঝে রাখা পানির বোতল কিছুই খুঁজে পেলাম না। আজ প্রথম ড্রিংকস করছি। বন্ধুরা নিয়ে আসছে কেরু এন্ড কো তারা নাকি দেশের সেরা স্পিরিট বানায়। বড় ভাইয়ারা এমন কি স্যাররাও র‍্যাগ ডে-তে এমন ড্রিংকস করে। ‘অনিমেষ’ ফাজিলটা পরে বলল একটা টান দে আরে এইটা হচ্ছে রাজার খাওন, টানলেই সুখ; আরেকজন বলে ভিজার সাথে শুকনা গ্রেট টেস্ট। তারপর থেকে আমি সব ভুলে গেছি আমাকে শুইয়ে দিয়ে সবাই চলে গেছে। তারপর যখন মনে হল আমি হিমালয় থেকে পরে যাচ্ছি তখন থেকেই ভাবছি একটু পানি হলে ভাল হত। চোখ মেলতে পারছি না আলোতে ধাঁদায় যাচ্ছে দৃষ্টি। একটা বোতল মনে হল চম্পকের টেবিলের কোনায়। অনেক সংগ্রাম করে কাছে গিয়ে অনেক কষ্টে মাথাটা একটু তুলে এক ডোক দিতেই মনে হল কেউ মনে হয় জ্বলন্ত আগুন ডেলে দিল। স্পিরিট ছিল আজ তারা ইয়েলো লেভেল কেরু আনছে জিনিস নাকি অনেক ভাল দুই বোতলে ৭৫০ মিলি করে ১.৫ লিটার আমরা মাত্র ৬ জন, প্রথমে ভালই লাগছিল। একে একে চোখের উপর সকল স্মৃতি ভেসে উঠতে লাগল খুব বেশী গা জ্বলছিল।। প্যান্টের মোবাইল পকেট হাতরিয়ে মোবাইল নিলাম! কাকে ফোন দিব? কিছুই মনে আসছে না ডায়াল লিস্টের প্রথম নাম্বারটাই কল দিলাম।
একবছর পর মনে হয় ঐ পাশে কেউ ধরল। আচ্ছা আমি কেন কল দিয়েছি? এইটা কি যন্ত্র? অপর প্রান্তের যাকে চাই তার সাথে কথা বলা যায় না? তাহলে কেমন হত? নানান প্রশ্ন মাথায় আসছে শুধু…
– হ্যালো… হ্যালো… (অপর প্রান্ত থেকে) শরীফ কথা বলছিস না কেন? কোন সমস্যা? আসতে হবে? কি হইছে তোর? কিছু হইছে? তুই গুঙ্গাচ্ছিস কেন? কি হল? হ্যালো… হ্যালো…
কথায় উত্তর দিতে পারছি না। শুধু ভাবছি… অনেক আজগুবি ভাবনা। কণ্ঠ শুনে মনে হল ভার্সিটি লাইফের সবচে ভাল ফ্রেন্ড আমার সেই কথা বলছে তার নাম যেন কি? মনে আসছে না। তাঁকেই পার্টি শুরুর আগে কল দিয়েছিলাম। আমি কেন ফোন দিয়েছিলাম তাঁকে? আমার এমন লাগছে কেন? ছোট বেলার কিছু স্মৃতি মনে আসছে কেন? আমি কি মরে যাচ্ছি? মৃত্যুর পর কি এমন লাগে? আচ্ছা মৃত্যু কি? এর পরে কি হবে?
– হ্যালো… হ্যালো…দাড়া আমি আসছি।
আমি জানতাম ও আসবে। একদিন ছোট বেলায় গ্রামের বাড়ির পুকুর পাড়ের জবা ফুল তুলতে গিয়ে পা পিছলে পরে গেছিলাম পুকুরের ভিতর। আমার বাড়ির একটা ক্লাস ফ্রেন্ড ছিল সে ক্লাসে আমার সবচে বড় প্রতিদ্বন্দ্বী। একবার আমি তো পরের বার সে প্রথম হত। সেই আমাকে বাঁচাল। সবাই এমন করে প্রতিদ্বন্দ্বীর বিপদে আগায় আসে না কেন? আজ কে আসবে আমাকে উদ্ধার করতে? তখন আমি ৫ম কি ষষ্ঠ শ্রেণীতে। তারপর বাড়ির সবার কি উল্লাস? আচ্ছা আজ কি সবাই আমাকে নিয়ে উল্লাস করবে? কেউ আসে না কেন?

আর কতদিন যাবে? আচ্ছা এত সময় যাচ্ছে আজকের রাতটা শেষ হচ্ছে না কেন? আচ্ছা এখনও কি রাত? এত আলো কেন? কেউ মনে হয় দৌড়াচ্ছে বারান্দায়। কইদিন আগে যখন ভার্সিটিতে গণ্ডগোল লাগল তখন মাত্র ১ মিনিটে আমি ৪ তলায় উঠে রুমে ডুকে দরজা বন্ধ করে দেই। আজ কেউ আসে না কেন? এত সময় লাগে কেন তাদের? অর্ক কি বুঝেছে? সে আসবে?
বাইরে থেকে দরজা খুলার শব্দ। অর্ক আর জোসেফ হুড়মুড় করে রুমে ডুকল। কিন হইছেরে তোরে? তুই নিচে কেন? তুই না খাটে ঘুমাইছিলি? পরে গেছিস? দুজনে সমানে প্রশ্ন করে যাচ্ছে! আমার কিছুই খেয়াল নাই। অনেক কষ্ট করে বললাম পানি খাব। আমার গায়ে পানির ছিটকা দিল একটু ভালই লাগল। আরেকজন বোতল থেকে পানি দিল মুখে। একটু মনে হয় শান্ত হলাম পরক্ষনেই মনে হল পেট ভরে বমি আসবে, ভাল শেষ পর্যন্ত আসল না। তারপর কিছুই মনে নাই বোধহয় ঘুমায় গেছিলাম। কিছুক্ষণ পরে মনেহল আমায় খাটিয়ায় তুলছি তারা দুজন মিলে ও পরে বিছানায় শুইয়ে দিল। কানে একটা গানের সুর আসল। কোথায়? কিসের গান বাজছে? আমি কি মরে গেছি? না! না! মরলে তো গান বাজার কথা না। তাহলে কি এ্যাম্বুলেন্সে করে নিয়ে যাচ্ছে? অনেক কষ্টে জিজ্ঞাস করলামঃ
– আচ্ছা এই আমি কোথায়?
– অর্ক বলল তুই আমাদের রুমে! একটু ঘুমানোর চেষ্টা কর।
জোসেফ বলল অর্ক সাইমনকে ফোন দিই। সাইমন আমাদের চট্টগ্রাম মেডিক্যালের বন্ধু খুব ভাল ছেলে। আচ্ছা আমার হাত পা কই? আমার হাত নাই কেন?
– অর্ক? এই অর্ক?
– কি হইছে শরীফ? বল! কি লাগবে?
– আচ্ছা আমার বাম হাত কাইটা ফেল। কিছুই বুঝতেছি না। মনে হয় অনেক ওজন পাথর হয়ে গেছে আর কাজে আসবে না এই হাত।
– শালার মাথা খারাপ হইছে। কে কইছে তারে খাইতে। (জোসেফ রেগে গিয়ে বকছে সমানে। ছেলেটা অনেক আবেগি আর চমৎকার অনেক ভাল স্টুডেন্ট)
– তুই চুপ কর জোসেফ সাইমন কে ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস কর।
– হ্যালো… সাইমন। শুন… অনেকক্ষণ পর।

জোসেফ চলে গেল ২১২ নাম্বার রুমে সুমনের টেবিলে আচার আছে আনতে।
অনেক কষ্টে আমি বললাম। অর্ক আমাকে আম্মার কাছে নিয়ে চল। তুই আমার সবচে ভাল বন্ধুন না? ফ্লিজ নিয়ে চল। আবার মাথাটা চক্কর দিয়ে উঠল। মনে হয় ঘণ্টা খানেক পর (আসলে ২/৩ মিনিট পর)।
– আমি কোথায় যাচ্ছি?
– তুই এখন এ্যাম্বুলেন্সে তোর বাসায় যাচ্ছিস।
– জানতাম তুই আমার বেস্ট ফ্রেন্ড। আচ্ছা এ্যাম্বুলেন্সে এই গান বাজে কেন?
– কি গান?
– এই যে ‘দিন গেল’ বাজতেছে!
– শালা জাতে মাতাল তালে ঠিক। এই গান শুনল কেমেন?

জোসেফ ফিরছে একটু আগে আচার নিয়ে, সুমনের রুমে পাই নাই পরে রাসেল রুম থেকে একটা খালি বোতল নিয়ে আসছে, তলানিতে ময়ালা যুক্ত পুরাতন বাসী কিছু আচার লেগে আছে। সাইমন বলেছে আচার বা লেবু অথবা অন্যকোন টক জাতীয় কিছু খাওয়াইতে। জোসেফের মাথা গরম, অলরেডি লোকাল ব্যান্ড গান শুরু করেছে হাবিবের ‘দিন গেল’ গাচ্ছে এখন চট্টগ্রামের লোকাল ব্যান্ড ‘ট্রায়েঙ্গেল’; আর মাতালটা শুয়ে শুয়ে এ্যাম্বুলেন্সে ‘দিন গেল’ শুনছে… জত্তসব! বলছিলাম আজ জামেলা করিস না! নতুন কাউকে খাওয়ানোর দরকার নাই না শুনিস নাই। অনবরত বকে যাচ্ছে জোসেফ। একটু বেশীই ছেলে মানুষ আর রাগি।

– অর্ক আর কতক্ষণ লাগবে? আম্মার সাথে কথা বলেছিস? আম্মা আমাকে দেখতে আসবে না?
– তুই হসপিটালে যাচ্ছিস কে বলল? তুকে বাসায় নিয়ে যাচ্ছি!
– আম্মা যদি বুঝে আমি মদ খায়ছি খুব কষ্ট পাবে। আমাকে সাইমনদের কাছে নিয়ে চল।
– আচ্ছা ঠিক আছে। (সান্ত্বনা দেয়ার জন্যে বলা…)
– আচ্ছা অর্ক আমার বাম হাত কেটে ফেলছিস? নাই তো বোধহয়!
– আমার খুব অবাক লাগছে তোর হাত কাটতে যাব কেন? দেখ সাইমন বলছে টক কিছু খাইতে এই আচারটুকু খেয়ে নে। সে হা করে অর্ক কিছু আচার মুখে তুলে দেই। একটা ডুক গিলল। কিছুক্ষণ(৫-৭ মিনিট) পর আবার আর মুখ খুলল! অর্ক আমি বাথরুমে যাব।জোসেফ না আসছিল? ও কই? আমারে একটু ঠাণ্ডা পানি দিতে বল না।
-চল আগে তোকে টইলেট করিয়ে আনি।
তারপর তাকে দুজনে ধরাধরি করে নামালো। তাকে নিয়ে কাধে ভর করিয়ে নিয়ে গেল বাথরুমে। ইউরিনালে প্রস্রাব করতে বলল। সে রাজি হচ্ছে না। বলে আমি মুসলমানের ছেলে দাঁড়িয়ে প্রস্রাব করি না। অনেক জোড় করেও পারল না। অগত্যা তাকে বাথরুমে দিল। মাতালটা ডুকেই দরজা লাগিয়ে দিল। ৫ মিনিট- ৭ মিনিট আর বের হয় না। অনেক ধাক্কা ধাক্কি করার পর সে দরজা খুলে বলে ঘুমায় পরছিলাম। অর্ক চিল্লায় জোসেফ কে বলে শরীফের গামছা আর লুঙ্গি আনতে। শরীফ বাথরুমে বসে পরছিল। তাকে গোসল করালে একটা ভাল কাজ হতে পারে। এই প্যান্টে বিছানায় শুতে দেয়া যাবে না। আচারের এফেক্টও শুরু হওয়ার কথা। তাকে গোসল করানো হল। অর্কই তাকে গোসল করাল। অনেকক্ষণ শাওয়ারের নিচে দাড় করিয়ে রাখল। তারপর তাকে রুমে নিয়ে গেল অর্ক বুঝতে পারল শরীফের জ্ঞান ফিরতে শুরু করেছে। আগের মত উল্টাপাল্টা কিছু বলছে না আর। কিছুক্ষণ একাও হেঁটেছে। রুমে গিয়ে দেখে জোসেফ সিগারেটে টান দিচ্ছে আর বোতল থেকে চুমুক দিচ্ছে অর্কও একফাকে এক রাউন্ড মেরে দিল। লোকাল ব্যান্ডের গান শেষ তারা রুমে আসছে যে প্রায় দেড় ঘণ্টা হতে চলল। লোকাল গান শেষ কিছুক্ষণ টিউনিং করেই বাচ্চু গান শুরু করবে। দুজনের আর তোর শয়ছে না। এদিকে শরীফ আবার সিগারেট চাচ্ছে। মহা সমস্যা, তবে জোসেফ বলে ও নরমাল হয়ে যাবে আর সাইমন বলেছে বেশী জামেলা করলে মাইর দিতে তাহলে নাকি হ্যাঙ্গওভার কাইটা যায়। জোসেফ ক্ষেপে আছে এলআরবি তার প্রিয় ব্যান্ড… সবাই মিলে নাচবে।

আমি শুয়ে পরলাম। মনে হচ্ছে নবজন্ম লাভ করেছি। খুব ফ্রেশ আর শান্তি লাগছে মনে হচ্ছে দুনিয়ার সেরা ঘুম দিব। আচ্ছা আমি যখন পৃথিবীতে একা আসি তখন আমার ‘মা’ই আমার সব ছিল আজও তাই। তাহলে এই বন্ধুরা আজ এত করল কেন? অর্ক ছেলেটাকে আমার খুব পছন্দ তবে একটু গোঁয়ার কিসিমের সে নিজেকে আলাদা কিছু মনে করে। খুব আত্মবিশ্বাস তার। সে সফলও, মাঝে মাঝে তাকে হিংসা হয়। মা তোমাকে খুব ভালোবাসি আর অর্ক-জোসেফ তোদেরও! খুব ঘুম আসছে… মনে হচ্ছে দুচোখ ভেঙ্গে ঘুম আসল। চোখ বন্ধ করলাম। অর্ক আর জোসেফের কণ্ঠ আসছে, তারা কি নিয়ে কথা বলছে? বুঝার চেষ্টা করতেও পারছি না। চোখও মেলতে পারছি না। তারপর আর খেয়াল নাই…

অর্ক আর জোসেফ দুইটা সিগারেট শেষ করার পর দেখে শরীফ গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন। তারা তাদের খাওয়া শেষে দরজাটা একটু চাপ দিয়ে কনসার্টে চলে যায়। তারা যাওয়ার পর অনিমেষ, চম্পক আর সুমন আসে তাদের রাউন্ড শেষ করতে। তখন রাত ৩:৩০ টা। এসে দেখে শরীফ এখনও ঘুমোচ্ছে। তারা শেষ করার পর হঠাৎ সুমনের মনে পরল এখনই ‘আর্টসেল’ উঠবে শরীফের খুব প্রিয়। ওরা এত কাহিনী জানত না। শরীফকে ডেকে তুলল। বলল কনসার্টে যাবি না?
অনেক ডাকা ডাকি করার পর…
-কইটা বাজে? এলআরবির কনসার্ট শেষ?
-হুম! এখনই আর্টসেল শুরু করবে! চল যায়…
শরীফ উঠে বসে। সে মুটামুটি স্বাভাবিক হয়ে উঠেছে। ২:৩০ ঘণ্টার ঘুমে সে খুবই সুস্থবোধ করে। তার আসলেই তেমন কিছুই মনে নেই। তারা মাঠের মূল মঞ্চের কিনারায় যখন পৌঁছে তখন টিউনিং শেষে আর্টসেলের লিঙ্কন গান শুরু করছে। কিছুক্ষণ পর সবাই একসাথে নাচতে লাগল।

“আমার… পথ চলা…
আ…মার… পথে……

আমার স্বপ্ন… আমার সাথে…
স্বপ্নে ফিরে আসে… স্বপ্ন হয়ে…”

-‘পথ চলা’- ‘অন্যসময়’- আর্টসেল!
[-সমাপ্তি-]

২২ thoughts on “অচৈতন্য

  1. নোটঃ চুয়েটের খুবই দুর্দান্ত
    নোটঃ চুয়েটের খুবই দুর্দান্ত একটা ট্র্যাডিশন। র‍্যাগ ডে তে কনসার্ট হয়। কনসার্ট শেষ হয় ফজরের আযানের আগে বা কখনও কখনও পরে। সেইবার কনসার্টের শেষ গান ছিল ‘অনিকেত প্রান্তর’ ১৬ মিনিট ২০ সেকেন্ডের এই একটি বারের মত আর্টসেল সম্পূর্ণটা লাইভ পারফর্ম করে…
    এর চরিত্রগুলো পরিবর্তিত তবে গল্পের কাহিনী সম্পূর্ণ সত্য ঘটনার আলোকে লিখা… খুবই দুঃখ লাগে যখন শুনি CUET এর সেই বিখ্যাত স্বতন্ত্র বৈশিষ্টের র‍্যাগ-ডে আজ বিলুপ্তির পথে!

  2. বর্ননা ভালো লিখছেন। বাস্তব
    বর্ননা ভালো লিখছেন। বাস্তব অভিজ্ঞতা না থাকলে সম্ভব হইত না। :ভেংচি: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:
    কিছু কিছু বানান ভুল আছে। ঠিক করে নিয়েন।

    1. ধন্যবাদ… তবে বস অভিজ্ঞতার
      ধন্যবাদ… তবে বস অভিজ্ঞতার কথা যায় বলেন- ফিলিংসটা চমৎকার!!
      আর লিখক কি অর্ক নাকি জোসেফ না শরীফ তা বুঝা দুষ্কর!!! একমাত্র আমিই জানি… 😉

  3. ভালই লাগল। “” কয়েক বছর
    ভালই লাগল। “” কয়েক বছর চিন্তার পর আবিষ্কার করলাম
    আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের হলের রুমের
    মেঝেতে শুয়ে আছি।”” এরকম অনুভুতিটা খুব মজাই লাগে। সুকনাতেই এই এফেক্টটা বেশি হয়।

    1. কোথায় কি? ভাই সুকান্ত আসল
      কোথায় কি? ভাই সুকান্ত আসল কেমনে? তবে ভাল লাগার জন্যে ধন্যবাদ!!
      :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  4. বেশ ভাল লিখেছেন । কিছু বানান
    বেশ ভাল লিখেছেন । কিছু বানান ঠিক করে নেন । লেখার মান আরও চমৎকার হবে । শুভেচ্ছা রইল । :ফুল: :ফুল: :ফুল:

    1. কোম্য মানে কি?
      পড়ার জন্যে

      কোম্য মানে কি?
      পড়ার জন্যে ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  5. এইটা আপ… হিক্ক…নে কি
    এইটা আপ… হিক্ক…নে কি হিক্ক… লিখলেন হিক্ক..হিক্ক? পইড়া হিক্ক… মজা পাইসি হিক্ক..হিক্ক :নৃত্য:

      1. পুরান কথা মনে পরলো।
        পুরান কথা মনে পরলো। হিক্ক..হিক্ক!!! আমি আবার গত এক বচ্ছর আগে “লাল পানি”রে তালাক দিসি, জন্মের লাইগগা! একটু অইন্য লাইন ধরসি। তয় পুরান পাপী তো, তাই এহন পইড়াই টাল হইলাম। খালি হিক্কা উঠতাসে। হিক্ক..হিক্ক!!! আপনি কাইন্ডলি সহকারে ডোন্ট মাইন্ড কইরেন প্লিজ। আপনার জিনিষটা ভালো হইসে হিক্ক..হিক্ক..!!! 😀

  6. █║▌│█│║▌║││█║▌│║▌║
    █║▌│█│║▌║│

    █║▌│█│║▌║││█║▌│║▌║
    █║▌│█│║▌║││█║▌│║▌║
    এইটার মানে কি?
    ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:

  7. স্টারটিং টা অসাধারন ছিলো। তবে
    স্টারটিং টা অসাধারন ছিলো। তবে মাঝখানে এসে মাথা বেশ খানিকটা ঘুরাইয়া গেসে … পরের গুলো আশা করি আরো ভাল হবে 🙂 :ফুল: :ফুল: :ফুল: :ফুল:

    1. oঅমিত! ধন্যবাদ…
      তবে

      oঅমিত! ধন্যবাদ… :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা: :ধইন্যাপাতা:
      তবে পরের লিখা (গল্প) লিখা কবে হবে জানা নাই।।
      আপাতত অন্য বিষয়ে মনঃসংযোগ!! তোমার গঠনমূলক সমালোচনা মনে থাকব…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *