মৃত্যু

কোন মেডিকেল অথবা কোন একটা ক্লিনিক ।

এদিকে সেদিকে মানুষের ছুটোছুটি । তার কোন আপনজনকে সুস্থ করার জন্য তাদের এই ছুটোছুটি । ডাক্তার নার্স সবাই খুব ব্যস্ত ।
হাসপাতালের কোন একটা তলায় কোন একটা কেবিনের সামনে সামান্য একটা জটলা । ডাক্তার নার্সদের প্রায় কয়েকজন ওখানেই ছুটোছুটি করছে । কেবিনের বিছানায় শুয়ে আছে একটা ছেলে । বয়স ১৭-১৮ এরকম হবে । দেখেই বুঝা যায় খুব অসুখ তার । আশেপাশে আছে ৩-৪ জন ডাক্তার । আর আছে কয়েকটা নার্স । তারাও দাঁড়িয়ে । সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ ডাক্তারটি ছেলেটিকে পরীক্ষা করছে । স্যালাইন চলছে । সবাইকে একটু চিন্তিত মনে হল ।



কোন মেডিকেল অথবা কোন একটা ক্লিনিক ।

এদিকে সেদিকে মানুষের ছুটোছুটি । তার কোন আপনজনকে সুস্থ করার জন্য তাদের এই ছুটোছুটি । ডাক্তার নার্স সবাই খুব ব্যস্ত ।
হাসপাতালের কোন একটা তলায় কোন একটা কেবিনের সামনে সামান্য একটা জটলা । ডাক্তার নার্সদের প্রায় কয়েকজন ওখানেই ছুটোছুটি করছে । কেবিনের বিছানায় শুয়ে আছে একটা ছেলে । বয়স ১৭-১৮ এরকম হবে । দেখেই বুঝা যায় খুব অসুখ তার । আশেপাশে আছে ৩-৪ জন ডাক্তার । আর আছে কয়েকটা নার্স । তারাও দাঁড়িয়ে । সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ ডাক্তারটি ছেলেটিকে পরীক্ষা করছে । স্যালাইন চলছে । সবাইকে একটু চিন্তিত মনে হল । কারণ ছেলেটির অবস্থা খুব খারাপ । ধীরে ধীরে আরো খারাপের দিকে যাচ্ছে । কোন নাম না জানা রোগই হয়ত এর কারন ।

বাইরে অপেক্ষা করছে ছেলেটির সব আত্মীয় স্বজন । তাইতো জটলার সৃষ্টি হয়েছে । ভিড়ের মাঝে একটি মহিলাকে খুব ভেঙে পড়তে দেখা গেল । ছেলেটির মা । আজ ১৭ বছর ধরে সবকিছু দিয়ে নিজের বুকে আগলে রেখেছিলেন তিনি । আর আজ…….

ভিড়ের মাঝে ছেলেটির সেই প্রিয় মানুষটিকেও দেখা গেল । যাকে নিয়ে সে জীবনে বেঁচে থাকার, সুখী হওয়ার মিথ্যে স্বপ্ন দেখেছিল । আজ সেই মানুষটি তাকে দেখতে এসেছে ।

যাই হোক, যতই সময় গড়াচ্ছে ছেলেটির অবস্থা আরো খারাপ হচ্ছে । ডাক্তাররা জীবনের সমস্ত বিদ্যা দিয়ে ছেলেটিকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা করছে । কেউ কেউ ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করছে । আর তার ভালবাসার মানুষটি তার ফিরে আসার অপেক্ষায় নীরবে চোখের পানি ফেলছে ।

থমথমে পরিবেশ । মনে হচ্ছে প্রকৃতি, বাতাস, সবাই ছেলেটিকে বাঁচানোর জন্য ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনায় মগ্ন । কিন্তু কিছুতেই কিছু হলনা ।

ডাক্তারদের সব চেষ্টা, সবার প্রার্থনা, তার প্রিয় মানুষটির আশা, সবকিছুকে ব্যর্থ করে দিয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল ছেলেটি । যে পৃথিবী তাকে চায়নি সেই পৃথিবীর থেকে আজ সে বিদায় নিল । :'(

ডাক্তার নার্স সবাই ব্যাথিত মনে কেবিন থেকে বের হয়ে গেল । সান্তনা জানানোর মত ভাষা তাদের ছিলনা হয়ত । ছেলেটির মা ছেলেটির বুকে গিয়ে আছড়ে পড়ল । কারণ সে আর কোনদিন তাকে মা মা ডেকে বিরক্ত করবে না । ছেলেটিকে ঘিরে দাঁড়িয়ে আছে সবাই । সবাই কাঁদছে ।

দূরে দাড়িয়ে আছে সেই মানুষটি । মুখ লুকিয়ে কাঁদছে সে । নিজের মনকে হয়ত সে সান্তনা দিতে পারছেনা । এই ছেলেটা আর কোনদিন তাকে বিরক্ত করবেনা । বলবেনা, “এই পাগলি, আর পাগলামি কোরো না, I love you.”

পুরো হাসপাতাল চুপচাপ । কান্নার শব্দ ছাড়া কোথাও আর কোন শব্দ নেই । নিচে অ্যাম্বুলেন্স রেডি করা হচ্ছে লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য ।

কিছুক্ষণ পর লাশ নিয়ে যাওয়া হবে গ্রামের বাড়ি । আর কোনদিন ছেলেটির সাথে দেখা হবেনা, কথা হবেনা, I love you বলা হবেনা সেই মানুষটির ।

বেঁচে থাকতে পৃথিবীর সব মানুষকে কষ্ট দিত । আজ পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়ে সবাইকে মুক্তি দিয়ে গেল সে । আর কোনদিন কষ্ট দিতে আসবেনা সে । কোনদিন না । :'(

৯ thoughts on “মৃত্যু

  1. চিরাচরিত গল্পের মত ভিন্ন কিছু
    চিরাচরিত গল্পের মত ভিন্ন কিছু আনুন কারন মানুষ পরিবর্তনে বিশ্বাসী ………………শুভ কামনা রইল :ফুল:

  2. ঠিক গল্প মনে হলো না। মনে
    ঠিক গল্প মনে হলো না। মনে হচ্ছে নাটকের দৃশ্য বর্ননা করছেন। আর গল্পের মাঝে শোক বুঝাতে ইমোটিকন দিয়ে ব্যাপারটা হাস্যকর করে তুলেছেন। লিখতে থাকুন। শুভকামনা সবসময়ের জন্য।

    1. সহমত!! অনেককেই দেখেছি নিজের
      সহমত!! অনেককেই দেখেছি নিজের পোস্টেই ইমো দেন! আমি বরং ইস্টিশন মাস্টার-কে অনুরোধ করব শুধুমাত্র মন্তব্যে ইমো দেয়ার সুযোগ থাকুক, মূল পোস্টে এর কোন দরকার নাই……

Leave a Reply to নির্জন সৈকত Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *