জামাত শিবিরের আক্রমনের শিকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করা এক নারী

সাবরিনা আলী। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করা এক নারী। গনজাগরণে শাহবাগ যখন উত্তাল স্বপরিবারে ছুটে গেছেন সাবরিনা। রাজাকারের ফাঁসির দাবীতে সোচ্চার হয়েছেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্র্যাট। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দশম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী। তাঁর স্বামী শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চের একজন সংগঠক। মুক্তমনা প্রগতিশীল চরিত্রের সাবরিনা আজ জামাতি অনলাইন প্রোপাগান্ডার নির্মম শিকার।
সাবরিনা আলীকে নিয়ে লেখা দাসত্ব শেকলের সেই জামাত শিবিরীয় আক্রমন


সাবরিনা আলী। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করা এক নারী। গনজাগরণে শাহবাগ যখন উত্তাল স্বপরিবারে ছুটে গেছেন সাবরিনা। রাজাকারের ফাঁসির দাবীতে সোচ্চার হয়েছেন। ঢাকার মেট্রোপলিটন আদালতের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্র্যাট। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের দশম ব্যাচের সাবেক শিক্ষার্থী। তাঁর স্বামী শাহবাগ গণজাগরণ মঞ্চের একজন সংগঠক। মুক্তমনা প্রগতিশীল চরিত্রের সাবরিনা আজ জামাতি অনলাইন প্রোপাগান্ডার নির্মম শিকার।
সাবরিনা আলীকে নিয়ে লেখা দাসত্ব শেকলের সেই জামাত শিবিরীয় আক্রমন

এখানে লেখা হয়েছে একজন ধর্ষকের তিনি জামিন মঞ্জুর করছেনে ৫ হাজার টাকায়। এরপর সেই পোস্টে অসংখ্য হায়েনারা অনলাইন ধর্ষকের ভূমিকা পালন করেছেন। কেউ কেউ ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে তাকে রেপ করার প্রস্তাবও দিয়েছেন। খুন করার মতো ডাকও দেয়া হয়েছে কোন কোন আইডি থেকে। জামাতি ম্যাৎকারে শেয়ারের পর শেয়ার হয়েছে সেই পোস্ট।কেউ কেউ পেছনের ঘটনা না জেনে সাধারন সেন্টিমেন্টে লাইক দিয়েছেন, শেয়ার করেছেন, দিয়েছেন কমেন্ট।

সাবরীনা আলীর ঘরে ফুটফুটে ছোট্ট শিশু কন্যা আছে। জামাতি হায়েনার দল সেই বাচ্চাকে নিয়েও নোংড়ামী করতে ছাড়েনি

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করে লাল পতাকা বুকে জড়িয়ে রাস্তায় নেমেছিল এই প্রজন্ম। স্বপ্ন দেখেছিল এদেশকে রাজাকার মুক্ত করার। স্বপ্ন দেখেছিলেন সাবরিনা আলীও। ফুটফুটে ছোট্ট মেয়েটির হাতে তুলে দিয়েছিলেন লাল সবুজের পতাকা।

জামাত শিবিরের এমন নোংড়া প্রোপাগান্ডায় ভেঙ্গে পড়েছেন সাবরিনা আলী। বন্ধু বান্ধব, আত্মীয় স্বজনরা ফোন দেন, পরিচিতরা ফোন দেন। ভাংতে ভাংতে অসুস্থ হয়ে পরেছেন। নিজের শিশু কন্যাকে নিয়ে এমন বিকৃত মন্তব্য সয়তে পারেন না।
মূল ঘটনা কী?
সাবরিনা কি আসলেই ৫ হাজার টাকার বিনিময়ে রেপিস্টকে জামিন দিয়েছেন?
বিচারিক নিয়মকানুন মেনেই সাবরিনা আলী জামিন দিয়েছেন এক আসামীকে, ৫ হাজার টাকার বন্ডে (যা পুরোপুরি রাষ্ট্রীয় আইনেই ধার্য)। আইন বিষয়ক ন্যূনতম জ্ঞান থাকা ব্যক্তিমাত্রই জানেন, জামিনের বিষয়টি পুরোপুরি আদালতের এখতিয়ারাধীন। সঠিকভাবে সাক্ষ্যপ্রমাণ দ্বারা অপরাধ প্রমাণ করার আগে আইনেই জামিনের বিধান রয়েছে। জামিন পাওয়া মানেই কিন্তু মুক্তি প্রদান বা খালাস পাওয়া নয়।

জামিন দানের এই প্রক্রিয়া সকল অভিযুক্ত অপরাধীর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। জামিন মিললেও পরবর্তীতে অভিযুক্ত অপরাধীকে আদালতে হাজির হয়ে বিচারের মুখোমুখি হতেই হয়। অথচ, ‘দাসত্ব শিকল’ ফেসবুক আইডি থেকে লেখা হলো, ‘একজন রপেস্টিকে জামনি মঞ্জুর করছেনে ৫ হাজার টাকায়।’ খেয়াল করুণ, ‘৫ হাজার বন্ডে জামিন প্রদান’কে ‘৫ হাজার টাকার বিনিময়ে’ ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে জামিন দানের অপপ্রচার করা হলো।
তাছাড়া যে মামলাটির কথা এখনে বলা হয়েছে, এক শিক্ষকের দ্বারা ছাত্রীর স্লীলতাহানী। তাও ঘটনার দেড় বছরের মাথায় মামলাটি করা।

সাবরিনা আলীর উপরে কেন এই আক্রমন? ইবনে সিনার বিরুদ্ধে মামলাই কি কারণ? আপনারা জানেন জামাত শিবির ও তাদের প্রতিষ্ঠানকে রুখে দেয়ার ডাক দিয়েছিল শাহবাগ। ছাত্র শ্রমিক জনতার সাথে সেই ডাকে এগিয়ে এলেন আরো একজন। সাবরিনা আলীর স্বামী ইনসান আলী রাজু। পেশায় তিনি আইনজীবী। অতএব আদালতেই তার সক্রিয়তার স্থান। তিনি জামাত শিবিরকে মোকাবেলা করবেন আদালতের মাধ্যমে। তাই, মামলা করলেন স্বাধীনতার বিরোধী শক্তির অর্থের বড় উৎস ‘ইবনে সিনা’র বিরূদ্ধে।

২৫ শতাংশ কম খরচে চিকিৎসা সেবার প্রতিশ্রুতি দিয়ে দ্বিগুণ বা তিনগুণ অর্থ আদায়ের মাধ্যমে সরলমতি মানুষের সাথে প্রতারণার ঘটনায় ইবনে সিনার বিরুদ্ধে মামলার তিনি আইনজীবি। ঢাকার বিজ্ঞ চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ৪২০/৪০৬/৩৪ ধারায় এই মামলাটি গত ২৫-০৩-১৩ তারিখে দায়ের করা হয়। মামলাটি এখন তদন্তাধীন। এই মামলা ইবনে সিনার আড়ালে জামাতের একটি শক্তিশালী অঙ্গ পঙ্গু করে দেয়ার মতো অবস্থা তৈরি করেছে।

মামলা চলমান অবস্থায় জামাতি অনলাইন সাপোর্টাররা বুঝেছে এই মামলা হায়েনাদের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। আর তার দায়ে যথারীতি স্বজন-প্রিয়জন সহ প্রাণনাশের হুমকি আসছে সাবরিনা আলীর। সাবরিনা আলীর ছবিকে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার তারই একটি অংশ।

এবার দেখি কে এই দাসত্বের শেকল।
https://www.facebook.com/dasotto.dasotto
তার প্রোফাইল ঘাটলে দেখা যায় শুধু সাবরিনা আলীই নয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সবার প্রিয় স্লোগান কন্যা লাকি, আওয়ালী লীগের বিভিন্ন নারীদের জড়িয়ে অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ আর মিচ্যাচার করেছে। কোনো লেখায় বঙ্গবন্ধুকে বানিয়েছে রাজাকার। তার অনেক লেখা পড়লে মনে হবে সে পুরাই পাকি ঔরসজাত।

আজ ভন্ড হেফাজতিদের মুখোশ যখন উন্মুক্ত তখন দেখেন এই আইডি থেকে কিভাবে মিথ্যাচার করা হয়েছে ৫ মে হেফাজতের সমাবেশকে কেন্দ্র করে

হাসনাত আব্দুল হাইয়ের লাকিকে নিয়ে সেই কুরুচিপূর্ণ লেখা নিয়ে যখন সারা দেশ তোড়পাড়, তখন এই আইডি জামাতি নোংড়ামী চালায় এভাবে

রাজাকারের ফাঁসির দাবিতে আপষহীন সংগ্রামী শাহরিয়ার কবির স্যার আমাদের কাছে অনেক সম্মানীয় ব্যাক্তি। শাহরিয়ার করির স্যারকে নিয়ে কিভাবে নোংড়ামীতে মেতেছে দেখেন এই জামাতী

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করেছিল বলেই কি সাবরিনা আলীকে এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে? আমাদের কি কিছু করনীয় নেই। আমরা কি চেয়ে চেয়ে দেখবো আমাদের মায়ের মতো, বোনের মতো সাবরিনা আলীকে অপমানিত হতে। আর একাত্তরের মতো দাঁত কেলিয়ে হাসবে জামাত শিবির হায়েনারা?

না আমরা তা হতে দেবো না। আমরা বুঝিয়ে দেবো ত্রিশ লক্ষ শহীদের বিনিময়ে আমাদের জন্ম হয়েছে। একাত্তরে যেমন মা বোনের সম্ভ্রম বাঁচাতে লক্ষ বাঙ্গালী প্রান দিতে প্রস্তুত ছিল তেমনি আমাদের বোনের মতো, মায়ের মতো সাবরিনা আলীর অপমান আমারা মানবো। দাঁত ভাঙ্গা জবাব দেবো জামাত শিবির রাজাকারের। শুধু সকলের হাত মুষ্টিবদ্ধ হওয়া চাই।

মূল পোষ্টের লিঙ্ক
https://www.facebook.com/photo.php?fbid=514069398648679&set=a.323832971005657.87477.100001368690119&type=1&relevant_count=1

২৮ thoughts on “জামাত শিবিরের আক্রমনের শিকার মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করা এক নারী

  1. তবে রাসেল রহমানের মত
    তবে রাসেল রহমানের মত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা (!)ধারীও, এদের চেয়ে কম যাননা, তার নমুনাও তো দেখতাছি।

  2. খুবই দুখঃজনক । সাবরিনার রেট
    খুবই দুখঃজনক । সাবরিনার রেট পাঁচ হাজার টাকা শিরোনামে আমারব্লগে একটি পোস্ট দেখে আমি নিজেও না জেনে সাবরিনা সম্পর্কে একটু বাজে মন্তব্য করেছিলাম । আজ নিজের প্রতি অনেক ঘৃনা হচ্ছে ।
    ধন্যবাদ সত্যটি তুলে ধরার জন্য ।

  3. আমাদের বাঙালির স্বভাবই হচ্ছে
    আমাদের বাঙালির স্বভাবই হচ্ছে চিল কানে নিয়েছে শুনেই চিলের পিছে দৌড়ান। হাত খানিকটা উঁচু করে কানে যে হাত দিয়ে দেখবে সেই কষ্ট টুকুও করতে রাজী নয়।
    আর দাসত্বের শেকল যে একটা জামাতি ছাগু এটা তো নতুন কিছু না। হেফাজতের প্রোপ্যাগান্ডার মাল মশলা সাপ্লাই দেয় সেই শুরু থেকেই। ভণ্ডদের মুখোশ উন্মোচন করার জন্য মিতু আপাকে ধন্যবাদ।

  4. পাঁচ হাজার টাকায় জামিন
    পাঁচ হাজার টাকায় জামিন দিয়েছেন — ঐ রামভোদাই কি জানে জামিন কাকে বলে? জামিন কে দেয়? জামিন প্রাপ্ত আসামী পালিয়ে গেলে (মিসিং)গেলে বন্ডের ঐ টাকা কাকে দিতে হবে? মনে হয় না জানে। আর যে এটা জানে না সে কিভাবে জানবে ম্যাজিস্টেট কোর্টে সাধারণত পাঁচ দশ হাজার টাকাই হয় বন্ড এ্যামাউন্টে। আসলে এটা কোন ব্যপার না। মূল ঘটনা বিরোধিতা করা, সেটাই করা হয়েছে।

  5. এ কি দেখাইলেন মিতু আপা? মাথা
    :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে:
    এ কি দেখাইলেন মিতু আপা? মাথা পুরাই নষ্ট। :মাথানষ্ট: তবে অবাক হই নাই কারণ ছাগুদের কাজই হচ্ছে অপপ্রচার চালিয়ে মনোবল ভেঙে দেওয়া। তবে দুঃখ লাগে আমাদের স্বাধীনতার সোল এজেন্টরাও যখন এই একই কাজ চালিয়ে যান ব্লগ আর ফেসবুকে। আমার মত সাধারণ ব্লগারকেই পরশু যেইভাবে আক্রমন করা হয়েছে তাঁতে যারা সক্রিয় কর্মী তাদেরকেই বা ছেড়ে কথা বলবে কেন? :মনখারাপ:

  6. দাসত্ব একটা ***** পুলা, তার
    দাসত্ব একটা ***** পুলা, তার পোস্ট আর বাঁশের কেল্লার পোস্টের সাথে অনেক মিল থাকে! তাই ধারনাকরা হয় সেই বাঁশের কেল্লার এডমিন!

    এসব ***** পুলাদের জন্য অনলাইনের এত বিভ্রান্তি, এত গুজব। এই দাসত্ব কোনরকম তথ্য ভিত্তি ছাড়াই নিজের মত করে পোস্ট করে। সে একটা এটেনশন সিকার। কিছুদিন আগে একটা লিস্ট প্রকাশ করছে যেখানে তার নাম প্রথমে, সেই লিস্ট নাকি সরকারের কাছে কে বা কারা দিছে। পরে দেখা যায় পুরা ভুয়া একটা পোস্ট ! এত প্রমানিত হল সে কতটুকু এটেনশন সিকার!

    সাবরিনা’র জন্য খারাপ লাগছে।

  7. এই জামাতি শ​য়তানের জারজগুলার
    এই জামাতি শ​য়তানের জারজগুলার জ্বালা থেকে কি বাঙালি কখনই বাঁচতে পারবে না?? কোর্ট জামিন না দিলে কি জামিন হাওয়া থেকে দেয়?

  8. ওরা আবার সগঘবদ্ধ হচ্ছে,
    ওরা আবার সগঘবদ্ধ হচ্ছে, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে । কাল কে দেখলাম কোন ছাগলে যেন আপ্নার আর আনিস ভাইয়ের পিছনেও লাগছে।

  9. ওরা আবার সগঘবদ্ধ হচ্ছে,
    ওরা আবার সগঘবদ্ধ হচ্ছে, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় প্রোপাগান্ডা ছড়াচ্ছে । কাল কে দেখলাম কোন ছাগলে যেন আপ্নার আর আনিস ভাইয়ের পিছনেও লাগছে।

  10. ধর্ষকের কোনো দেশ কাল জাতি
    ধর্ষকের কোনো দেশ কাল জাতি নেই, নেই পরিবার। ধর্ষক, ধর্ষকই- এসব শ্লোগান শুনলে আমার মেজাজ খারাপ হয় চরম। অবশ্যই ধর্ষকের কমন ক্যারেক্টার আছে। এরা সবই ধর্মীয় মৌলবাদী। তা সে যে ধর্মেরই হোক। অফলাইনের ধর্ষকরা এখন অনলাইনেও ছায়া ফেলছে।

    অনলাইনে থাকার কারণে তারা লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করা নারীটির গায়ের ওপর হামলে পড়তে পারে না, কিন্তু ঠিকই সেই নারীর ওপর ক্রমাগত চালিয়ে যায় পাশবিক নির্যাতন। ক্রমাগত অশ্লীল-অশ্রাব্য ভাষায় গালি আর মিথ্যাচারের পাশাপাশি অবদমনের পুরোটাই উগরে দেয়। আমাদের অনলাইনে আওয়ামী মৌলবাদী অনলাইন ধর্ষকদের চোটপাট তো কয়েকদিন দেখলাম। এবার দেখলাম জামাতি মৌলবাদী অনলাইন ধর্ষকের চেহারা।

    এদের বিরুদ্ধে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার।

  11. হাইরে , মার লগে বাচ্চা মেয়েরে
    হাইরে , মার লগে বাচ্চা মেয়েরে নিয়ে নোংরা কথা বলতেও ছাড়লো নাহ , বেজন্মাগুলা । কিউরিয়াস মাইন্ড ওয়ানটস টু নো – এই এক ডায়লগ শিখছে খালি – মানবিকতা শেখে নাই ।
    দাসত্ব শিকল এর আগের পোস্ট দেখেছি অনেক । ভিত্তিহীন পোস্ট দেয় বেশি । পোস্ট এর নির্ভরযোগ্য তথ্য সুত্র , রেফারেঞ্চ , প্রুফ কিছুই থাকে নাহ । মাইনসেরে আলু গিলাইতেছে ঝাল মরিচ দিয়ে তাই সাধারন মানুষ গিলা যাইতাছে । :দীর্ঘশ্বাস: :দীর্ঘশ্বাস: :দীর্ঘশ্বাস: :দীর্ঘশ্বাস: :দীর্ঘশ্বাস: :দীর্ঘশ্বাস: :দীর্ঘশ্বাস:

  12. ” খেয়াল করুণ, ‘৫ হাজার বন্ডে
    ” খেয়াল করুণ, ‘৫ হাজার বন্ডে জামিন প্রদান’কে ‘৫ হাজার টাকার বিনিময়ে’ ভুল ব্যাখ্যার মাধ্যমে জামিন দানের অপপ্রচার করা হলো।
    তাছাড়া যে মামলাটির কথা এখনে বলা হয়েছে, এক শিক্ষকের দ্বারা ছাত্রীর স্লীলতাহানী। তাও ঘটনার দেড় বছরের মাথায় মামলাটি করা।

    উপরের বোল্ড করা অংশে আপনি কি বুঝাতে চেয়েছেন তা যদি একটু ব্যাখ্যা করতেন……

    1. মামলার এজাহারে লেখা আছে,
      মামলার এজাহারে লেখা আছে, ঘটনাটি ঘটেছে ১৭.০৫.১২ তারিখে আর মামলা করা হয়েছে ১৮.০৬.১৩ তারিখে।

  13. আমার ধারণা ছিল কোন বিষয় না
    আমার ধারণা ছিল কোন বিষয় না জেনেই কথা বলার কালচার শুধু রাজনীতিবিদদেরই আছে! কিন্তু আজকাল দেখছি সুশিলদের জায়গা ব্লগেও এরূপ লোকের অভাব নাই…. আপসোস করা ছাড়া কোন গতান্তর দেখছি না…

  14. অনলাইনে এই ধরনের নোংরামী যারা
    অনলাইনে এই ধরনের নোংরামী যারা করে তাদের বিরুদ্ধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার হস্তক্ষেপ জরুরী হয়ে পড়েছে। গালিবাজ ও অনলাইন ধর্ষণকারীদের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হলে এভাবে আক্রান্ত আমরা সবাই হব। মানুষ কতটুকু নোংরা হতে পারে তা গত কিছুদিন যাবত দেখতেছি।

    আমরা চুপ করে বসে থাকলে এসব অনলাইন গালিবাজ ও ধর্ষনকারীদের হাত থেকে কেউ রক্ষা পাব না। সেটা জামায়াত-শিবির হোক কিংবা অন্য কোন দলেরই হোক।

  15. যে নিজের পরিচয়ে সন্দিহান সেই
    যে নিজের পরিচয়ে সন্দিহান সেই কেবল এমন ছদ্ধনামে লিখতে পারে…
    আসিফ সহ সকল নাস্তিকতার অভিযুক্তরাই স্বমহিমায় নিজ নামে বা পরিচয়ে লিখে!!
    আর কোথাকার আস্তিক দাসত্ব নাকি সিলিব্রেতি… আরে এমন হুজুগে কথা এরশাদও বলতে পারে- আন্দালিভও পারে!! আদর্শ কি নৈতিকতার ভিত্তি কি এইটাই আসল!!
    এইসব আজাইরা প্যাঁচাল দেইখা অসহ্য লাগে!! দাসত্ব লিখার মত কোনঅবস্থাতেই কোন বিষয় হতে পারে না!!

  16. জামাতি মিথ্যা অপপ্রচার
    জামাতি মিথ্যা অপপ্রচার এইভাবেই ধরা পড়বে , মিতু আপাকে ধন্যবাদ বিষয়টি তুলে ধরবার জন্য

  17. মাইরের চেয়ে বড় ওষুধ কিছু
    মাইরের চেয়ে বড় ওষুধ কিছু নাই…এই সব ‘হুজুগে জামাতীদের্ִ মাইরের উপর রাখতে হবে…যদি আজ আমরা ওদের ছেড়ে দেই তাহলে কাল ওরা এটাকে আমাদের দুর্বলতা ভেবে আমাদের মারার জন্য এগিয়ে আসবে…মরতে ভয় নাই…তবে শুধু জান দিলেও তো কাজ হবে না…দুই একটাকে সাথে নিয়ে মরতে হবে…

  18. হেরে দাম দিয়া কোন লাভ আছে ।
    হেরে দাম দিয়া কোন লাভ আছে । দাসত্ব শেকল ফাউল একজন । আমার জানা মতে ‘ বাশেরকেল্লা ‘ এর অ্যাডমিন । হের কথার দাম দিয়া লাভ আছে । সময় নষ্ট । সে তো এক জায়গায় লিখছিল ” ফটিকছরির মতো ঘটনা যেন সব জায়গায় ঘটতে থাকে । বিকৃত মস্তিষ্কের অধিকারী ।

    1. যারা অনলাইনে ছাগুদের
      যারা অনলাইনে ছাগুদের কর্মকান্ড দেখে অভ্যস্ত তাদের কাছে এগুলো ফাউল মনে হবে। কিন্তু সাবরীনা আলী অভ্যস্ত না এমনটা দেখে। তাছাড়া সত্য ঘটনা না জেনে অনেকেই আক্রমন করেছে, তাদের ফাইট ব্যাকও দিতে পারেন নি। একারনেই ভেঙ্গে পড়েছিলেন। গালিবাজি করে অনলাইন ধর্ষকরা হামলে পড়েছে তার উপর।

  19. সংসদে যদি এসব নোংরামীর জন্য
    সংসদে যদি এসব নোংরামীর জন্য আইন করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে রাজনৈতিক নেতারা, তবে অনলাইনে এসব কুলাঙ্গারের জন্য আইন করা উচিত। যদিও আমাদের দেশে আইনের সৎ ব্যবহারের চেয়ে অসৎ ব্যবহার হয় বেশী। তারপরও এসব নোংরামীর অবসান হওয়া উচিত।

  20. এই পোষ্ট দেখে মানসিকভাবে
    এই পোষ্ট দেখে মানসিকভাবে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়ে সাবরীনা আলী। সাহস পেয়েছেন। তার স্বামী রাজু আমাকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন, কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন ইস্টিশন ব্লগকে। আমিও কৃতজ্ঞতা জানাই ইস্টিশন কতৃপক্ষকে এই পোষ্টটাকে এক্সপ্রেসের মর্যাদা জানানোর জন্য। অনলাইন ধর্ষকদের নির্মম শিকার একজন নারীর পাশে দাড়ানোর জন্য।

  21. তাকে নিয়ে জামাতী নোংরামীর
    তাকে নিয়ে জামাতী নোংরামীর প্রতি তীব্র নিন্দা। জামাতিদের ভন্ডামি করার অভ্যাস নতুন নয়। তবে আমাদেরকে এইটাও মাথায় রাখতে হবে, কোনো আইনজীবীরই কখনো কোনো ধর্ষককে কোনো ভাবে সাহায্য না করা। এইসব খবর যদি কখনো মিথ্যাও হয়, তারপরেও আমাদের মাথা গরম হয়ে যায় এইসব খবর কানে আসলে। ধর্ষকের স্থান বাঙলাতে হবেনা। সাবরীনা আলী যদি আসলেই সেই ধর্ষকের পাশে না দাঁড়িয়ে থাকেন, তবে তাকে সাধুবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *