কুষ্ঠরোগ নিয়ে ধর্মের ‘চুদুরবুদুর’ আর বিজ্ঞানের জয়।

কুষ্ঠরোগ(leprosy), মানব ইতিহাসের প্রাচীন তিনটি রোগের একটি । বাকি দুইটি হল সিফিলিস এবং স্মল পক্স।
বিভিন্ন ধর্মে এই ‘কুষ্ঠ’রোগকে তুলে ধরা হয়েছে , সৃষ্টিকর্তার অভিশাপ হিসেবে । ধর্মের এই দোহাই দিয়ে প্রাচীনকাল থেকে, এই রোগে আক্রান্ত’দের সাথে আমানবিক তথা ‘পশুসুলভ’ আচরণ করে এসেছে ‘সভ্য’ মানুষেরা । এইক্ষেত্রে ধর্ম এটাকে শুধু একটা ‘অভিশাপ’ বলেই বসে থেকেছে, এর নিরাময় করতে পারেনি। ধর্মের এই সীমাবদ্ধতায় প্রতিনিয়ত প্রমাণ করে গেছে যে ধর্ম কতটা ‘অসাড়’ ।
হাজার জিকির অথবা প্রার্থনার মাধ্যমে আদৌ এর নিরাময় সম্ভব না হলেও বিজ্ঞানের হাত ধরে উঠে এসেছে প্রাচীনতম এই রোগের প্রকৃত কারণ এবং নিরাময় ব্যবস্থা।

কুষ্ঠরোগ(leprosy), মানব ইতিহাসের প্রাচীন তিনটি রোগের একটি । বাকি দুইটি হল সিফিলিস এবং স্মল পক্স।
বিভিন্ন ধর্মে এই ‘কুষ্ঠ’রোগকে তুলে ধরা হয়েছে , সৃষ্টিকর্তার অভিশাপ হিসেবে । ধর্মের এই দোহাই দিয়ে প্রাচীনকাল থেকে, এই রোগে আক্রান্ত’দের সাথে আমানবিক তথা ‘পশুসুলভ’ আচরণ করে এসেছে ‘সভ্য’ মানুষেরা । এইক্ষেত্রে ধর্ম এটাকে শুধু একটা ‘অভিশাপ’ বলেই বসে থেকেছে, এর নিরাময় করতে পারেনি। ধর্মের এই সীমাবদ্ধতায় প্রতিনিয়ত প্রমাণ করে গেছে যে ধর্ম কতটা ‘অসাড়’ ।
হাজার জিকির অথবা প্রার্থনার মাধ্যমে আদৌ এর নিরাময় সম্ভব না হলেও বিজ্ঞানের হাত ধরে উঠে এসেছে প্রাচীনতম এই রোগের প্রকৃত কারণ এবং নিরাময় ব্যবস্থা।

সর্বপ্রথম ১৮৭৩ সালে নরওয়েজিয়ান চিকিৎসক ও বিজ্ঞানী ডাঃ আলমার কুষ্ঠরোগের ‘পজিটিভ এজেন্ট’, মাইক্রোব্যাক্টেরিয়াল ল্যাপরি আবিস্কার করেন এবং একে একটি অণুজীব’ঘটিত রোগ হিসেবে প্রমাণ করেন। পরবর্তীতে এর প্রায় ৬৭বছর পরে আমেরিকান ডাক্তার, ডাঃ শেফার্ড সর্বপ্রথম কুষ্ঠরোগের ঔষধ আবিস্কার করেন। তিনি প্রথম কৃত্রিমভাবে প্রাণদেহে সফলভাবে এই উক্ত অণুজীবের সংক্রমন ঘটাতে সমর্থ হন এবং এর জন্য ১৯৬০ সালে চিকিৎসাবিজ্ঞানে নোবেল-প্রাইজ লাভ করেন।

“leprosy is a chronic granulomotus infection caused by microbial lepri, targeting the cooler part of the body(e.g: skin and peripheral cutenous nerve), which is least contagenous and least communicable”.

কুষ্ঠ একটি সংক্রামক রোগ। এটি সাধারণত আক্রান্ত ব্যাক্তির ‘ন্যাসাল-সিক্রেসনের’ মাধ্যমে ছড়ায়। প্রায় ১০,০০০ মানুষের মধ্যে মাত্র একজনেই রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা থাকে, এটি ছোঁয়াচে কোন রোগ নয়। কিন্তু বর্তমানেও এটি সাধারণ মানুষের কাছে ‘ছোঁয়াচে রোগ’ হিসেবেই পরিগণিত হয়। বাংলাদেশে প্রতিবছর প্রায় ৪০০০জন নতুন কুষ্ঠরোগী সনাক্ত হয়। এবং তাদেরকে বিনামূল্যে রোগের ধরণ’ভেদে ৬মাস থেকে ১বছরের চিকিৎসা দেয়া হয়।

বিজ্ঞানের এতসব অজ্ঞ্রগতি সত্ত্বেও তাতে বাদ সাধে ধর্মের বাহাদুরি। তারা এখনও গলা ফাটিয়ে বয়ান দেয়,”কুষ্ঠ নাকি সৃষ্টিকর্তার অভিশাপ”। সামাজিক এই সমস্যার কারণে কুষ্ঠরোগীদের একটি বিরাট অংশ ‘অসনাক্তকর’ থেকে যায়, যা এই রোগের নিরাময়ের ক্ষেত্রে বিরাট অন্তরায়।
প্রতিনিয়ত ঠিক এইভাবে বিজ্ঞান যখন তার নতুন আবিস্কারে, জিজ্ঞাসায় মানবসভ্যতাকে এক’পা আগিয়ে দেয়, তখন ‘ধর্ম’ তখন তার চিরাচরিত রূপধারণ করে সভ্যতা’কে তিন’পা পিছিয়ে দেয়।

১২ thoughts on “কুষ্ঠরোগ নিয়ে ধর্মের ‘চুদুরবুদুর’ আর বিজ্ঞানের জয়।

  1. ধর্ম যেখানে কোন উত্তর দিতে
    ধর্ম যেখানে কোন উত্তর দিতে পারে না সেখানে “ঈশ্বরের অভিশাপ” বা “সবই তার ইচ্ছা” বলে চালিয়ে দেয়।

    1. লুল। আতিক ভাই যে দেশের হাজার
      লুল। আতিক ভাই যে দেশের হাজার হাজার মানুষ ব্লগ দিয়া ইন্টারনেটিং এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এর জন্য শাপলা চত্তর এ জড়ো হইতে পারে সে দেশে সব সম্ভব !!!!!!!!!! :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

      1. ঐযে ধর্মীয় মৌলবাদ নিরাময়
        :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
        ঐযে ধর্মীয় মৌলবাদ নিরাময় যোগ্য ব্যাধি!! এর থেকে সুস্থতা লাভ না করলে মানব সভ্যতা ধ্বংসের কিনারায় চলে যাবে…

  2. ধর্ম ব্যখ্যাহীন স্থানে
    ধর্ম ব্যখ্যাহীন স্থানে অলৌকিকতা ছড়ায় ঠিক, তবে ধর্ম আছে বলেই অধর্ম ত্যাগ করা যায়,বিজ্ঞান আপেক্ষিক বিষয় অনেক ক্ষেত্রেই পরম বলে যদিও প্রমানিত,,তাই বলে ধর্মের দোহাই চলে না, অভিশাপ বলে চালিয়ে দেয়া যায় না, ,,,,
    ,,,,,সবচেয়ে বড় কথা আমাদের মুন্সিদের যুগের তালে কুসংস্কার মুক্ত হতে হবে,,,, তাই ধর্ম অধর্মের মুল মানতে পারলাম না

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *