বীরাঙ্গনা প্রভা রানী ও এ যুগের বীর বাঙালীরা

‘কিরে মাগি তুই নাকি পাকিস্তানিগো লগে শুইছিলি। ‘ওই যায় পাঞ্জাবীর বউ!’ ‘হিন্দু মাগি কয় জনের সাথে ছুইছিলি?’ –এই কথাগুলো প্রভা রানী মালাকারকে উদ্দ্যেশ্য করে বলা তার এলাকার তখনকার বীর বাঙ্গালীদের মন্তব্য। কমলগঞ্জের বীরঙ্গনা প্রভা রানী মালাকার। মৌলবীবাজার জেলার কমলগঞ্জের মির্জানগর গ্রামের এক ভাগ্যাহত গৃহবধূ।


‘কিরে মাগি তুই নাকি পাকিস্তানিগো লগে শুইছিলি। ‘ওই যায় পাঞ্জাবীর বউ!’ ‘হিন্দু মাগি কয় জনের সাথে ছুইছিলি?’ –এই কথাগুলো প্রভা রানী মালাকারকে উদ্দ্যেশ্য করে বলা তার এলাকার তখনকার বীর বাঙ্গালীদের মন্তব্য। কমলগঞ্জের বীরঙ্গনা প্রভা রানী মালাকার। মৌলবীবাজার জেলার কমলগঞ্জের মির্জানগর গ্রামের এক ভাগ্যাহত গৃহবধূ।

১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে পাক হানাদারদের স্থানীয় দোসর রাজাকাররা তাকে ধরে নিয়ে তুলে দিয়েছিল পাক সেনাদের হাতে। সে সময়ের ১৫ বছরের প্রভা গ্রামের শমশেরনগর ডাক বাংলোয় পাক সেনা ক্যাম্পে পাক সেনা ও রাজাকারদের হাতে গণধর্ষনের শিকার হন। সেদিন তার সম্ভ্রমের বিনিময়ে পাক সেনা ও তাদের দোসর রাজাকারদের কবল থেকে রক্ষা পেয়েছিল কমলগঞ্জের অনেক অসহায় প্রাণ ।

বেশ আগে একটা অফিসিয়াল এসাইনমেন্ট কভার করতে গিয়েই দেখা হয়েছিল প্রভা রানী মালাকারের সাথে। সৌভাগ্য হয়েছিল তার ইন্টারভিউ করার। অনেক কথা বলার পর খেয়াল করেছিলাম প্রভা রানীর অপলক দৃষ্টির মাঝে চিক চিক করছে পুঞ্জিভূত ক্ষোভ। কিন্তু আমার চোখের কোণ ততক্ষনে ভিজে গেছে।

৩৯ বছর আগের কথা। সঠিক দিন তারিখ তার মনে নেই। বৈশাখ মাসে তার বিয়ে হয় আর শ্রাবন মাসে শুরু হয় মুক্তিযুদ্ধ। তখন স্বামী কামিনী রাম মালাকার তাদেরকে রেখে চলে যান ভারতে। প্রভা রানী যান বাবার বাড়ী পাশ্ববর্তী গ্রাম বিক্রম কলসে। মাস পনের দিন পর বিক্রম কলস গ্রামের রাজাকার নজির মিয়া ও জহুর মিয়া প্রভা রাণীকে তার মায়ের সামন থেকে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে যায়। যেখানে পাকিস্তানী সেনা বাহিনীর সদস্যরা অবস্থান নিয়েছিল। সে রাতে পাকিস্তানি হায়েনাদের পাশবিক গণধর্ষনের শিকার হন প্রভা রানী।

প্রভা রানী বলে চলেন। সারা রাত তাকে ধর্ষনের পর সবাই চলে গেলে ভোর রাতে কোন রকম হেটে হেটে নিজের বোনের বাড়ী আবার চলে যান। ৯ মাস যুদ্ধের পর এক দেশ স্বাধীন হয়। তার স্বামী ভারত থেকে দেশে এসে তাকে স্ত্রী হিসাবে নিজ বাড়ি আনতে গেলে তিনি আসতে রাজি হননি। স্বামীর কাছে সবকিছু খুলে বললে তার স্বামীর জবাব ছিল- তোমার মতো লাখ লাখ নারী ইজ্জত দিয়েছে দেশের জন্য। তুমিও তাদের একজন। আমার কোন দুঃখ নেই।

স্বামীকে অনেক ভালোবাসেন প্রভা রানী। প্রানপ্রিয় স্বামী অবশ্য মারা গিয়েছে কয়েকবছর আগে। স্বামী মারা যাওয়ার পর বেঁচে থাকার জন্য বেছে নেন লেস ফিতা ফেরি করার কাজ। কেউ কোন দিন খোঁজ করেননি কেমন আছেন স্বামীহারা প্রভা রানী মালাকার। দু দুবেলা দু মুঠো ভাতের জন্য গ্রামে গ্রামে ফেরী করে যে আয় রোজগার করেন তা দিয়ে কোন রকমে ছেলে, ছেলের স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে বেঁচে আছেন। স্থানীয় ভূমিখেকোদের করাল গ্রাসে দখল হয়ে গেলো স্বামীর রেখে যাওয়া শেষ ভিটে-মাটিটুকুও।

দেশ স্বাধীন হবার এক বছর পর ১৯৭২ সালে তার একমাত্র ছেলে কাজল মালাকারের জন্ম হয়। কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলেকে মানুষ ডাকে পাঞ্জাবির জারজ বলে। প্রভা রানীকেও অনেকে ডাকে পাক সেনার বউ বলে। আক্ষেপ করে প্রভা রানী বলেন, এলাকার মানুষের নিকট মুখ দেখানো যায় না। তার ছেলে কাজল মালাকারকে বাড়ির আশপাশের নিজ ধর্ম ও বর্ণের লোকজনও গালি দেয়।

প্রভা রানী বলেন, স্বামী আমাকে মেনে নিল। কিন্তু গ্রামের লোকজন নানা কুকথা বলে। এখন রাজাকার নেই তার পরও স্থানীয় লোকজন কটুক্তি করে, ছেলে ছেলের বউসহ এক ঘরে করে রেখেছে। দেশের জন্য ইজ্জত দিলাম আর আমারে বলে, মাগি তুই নাকি পাকিস্তানিগো সাথে শুইছিলি। এরা কারা? প্রভা রানীর প্রশ্নের উত্তর দেয়া আমার পক্ষে সম্ভব হয় না। লজ্জায় নুয়ে পড়ে আমার মাথা।

এবার আসি আমার সমসাময়িক ভাবনার কথায়। যেখানে এ যুগের বীর বাঙালীদের বসবাস। ৩- ৪ বছর হলো ফেসবুক ব্লগ ব্যাবহার করছি। শাহবাগের গণজাগরনের পর থেকে অনলাইনটা আমাদের জীবনে বেশ গুরুত্বপুর্ণ হয়ে উঠেছে। এই গুরুত্ব পাবার সাথে সাথে অনলাইনের একটা বিষয় খুব পীড়াদায়কও হয়ে উঠেছে বেশ খানিকটা। গালিগালাজ, অশ্লীল কথার প্রতিযোগিতা চারপাশে । আর তার টার্গেট যদি হয় নারী, তাহলে তো কথাই নাই। দিব্যি এর ওর সাথে শুইয়ে দেবে। মা বোন, চাচী, খালা পরিবারের যত নারী সদস্য আছে সবাইকেই পালাক্রমে ধর্ষন করতে থাকে।

তা যাদের গালি দেয়া হচ্ছে তারা কি জামাত শিবির? না। তারা কি পাকিস্তানি? না। তারা কি মৌলবাদি? না। তারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করা নারী। মৌলবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরোধিতা করা নারী। তাহলে কেন এই নারীরা গালিবাজদের শিকার হচ্ছে?

এই গালিবাজ অনলাইন ধর্ষকরা কারা? তারা কি জামাত শিবির? না। তারা কি পাকিস্তানি? না। তারা কি মৌলবাদি? না। তারা এ যুগের বীর বাঙালী। কমলগঞ্জের বাঙালীদের উত্তরসূরী। তারা প্রভা রানীর প্রতিবেশী। তার স্বামীর মতো কেউ নন। এই নব্য বীর বাঙালীদের দাবিটা অবশ্য ভিন্ন। তারা নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক বাহক।

এরাই যদি হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন কারী তাহলে বীরাঙ্গনা প্রভা রানী মালাকারকে আমি বলবো, তোমাকে যত তারা মাগি বলে সম্বোধন করবে ততই বাড়বে তোমার যুদ্ধের মেয়াদ। মুক্তিযুদ্ধ তোমার আজো শেষ হয়নি। এখনো তোমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে পাক হায়েনারা। মুখোশ বদলেছে, পেছনের কুকুরগুলো এখনও সেই একই আছে। আমি তোমাকে ভালোবাসি বীরাঙ্গনা মা। তোমার যুদ্ধটা তাই আমাকে এগিয়ে নিতে হবেই। যত হায়েনার পদধ্বনি শুনি না কেন!

২২ thoughts on “বীরাঙ্গনা প্রভা রানী ও এ যুগের বীর বাঙালীরা

  1. তোমাকে যত তারা মাগি বলে

    তোমাকে যত তারা মাগি বলে সম্বোধন করবে ততই বাড়বে তোমার যুদ্ধের মেয়াদ। মুক্তিযুদ্ধ তোমার আজো শেষ হয়নি। এখনো তোমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে পাক হায়েনারা। মুখোশ বদলেছে, পেছনের কুকুরগুলো এখনও সেই একই আছে। আমি তোমাকে ভালোবাসি বীরাঙ্গনা মা।

    :bow: :bow: :bow: :bow: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  2. প্রভা রানী এর জন্য দীর্ঘশ্বাস
    প্রভা রানী এর জন্য দীর্ঘশ্বাস ছাড়া আর কিছু আসছে নাহ । এমন হাজারো প্রভা রানী – যারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা লালন করছে বুকে – তারা এখন ধর্ষিত হচ্ছে দিন এর পর দিন – বীর বাঙালিদের কটূক্তিতে / ব্যাঙ্গ /ঘৃণা মিশ্রিত দৃষ্টিভঙ্গির কবলে ।

    আর অনলাইন ধর্ষক রা ইদানিং খুব বেশি পরিমানে বেড়ে গেছে । ভারচুয়াল জগত – কেও কিছু কইবার নাই – তাই =ইনারা দুইটা দেশ প্রিতির কথা কইয়া সাথে ১২ খান গালি মাইরা পুরা বস বস ভাব লইয়া থাকে । এদের সঙ্গবদ্ধভাবে রুখে দিতে হবে কেননা , ইদানিং এমন পাবলিক বাইড়া যাচ্ছে দিন এর পর দিন ।

    বাই দা ওয়ে চমৎকার এই পোস্ট টির জন্য ধন্যবাদ আপনাকে :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

  3. যে মানুষগুলা ৭১ এ ধর্ষিতাদের
    যে মানুষগুলা ৭১ এ ধর্ষিতাদের সম্মানের চোখে দেখে না, কুকথ্য ভাষায় গালি দেয়, সেই মানুষগুলা ৭১ এ ধর্ষিত এই দেশকেও যে কতটুকু আপন মনে করে তা নিয়ে কোনো দ্বিধা থাকতেই পারে না। এই মানুষগুলাই পাকিস্তান চেয়েছিল, আড়ালে-আবডালে এখনও চায়। এদেরকে আমি বাঙ্গালী হিসেবে গুনায় ধরি না। শুধু বলতে মন চায়, “তোর শহীর জুড়ে ঘা, ঘেন্না কি ঘেন্না”।

    1. যে দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে
      যে দেশের মানুষ বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করতে পারে, সেদেশের মানুষ কে কখনোই বিশ্বাস করা যায়না।

  4. দুঃখজনক হলেও সত্য অনেক
    দুঃখজনক হলেও সত্য অনেক বীরাঙ্গনাকেই তাঁদের পরিবার যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর দূর দূর করে তাড়িয়ে দিয়েছে। স্থান হয়নি নিজ পরিবারে, এমনকি নিজ দেশেও। তাঁদের অনেকেই বিভিন্ন এনজিওর সহায়তায় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে পুনর্বাসিত হয়েছে। এ আমাদের মাটির লজ্জা। যে মাটিতে জানোয়ার রাজাকারের দল গাড়িতে জাতীয় পতাকা উড়ায়, সেই দেশে স্থান হয়না স্বাধীনতার জন্য চরম মূল্য দেওয়া এইসব মহীয়সী নারীদের। না জানি কি পরিমাণ অভিমান আর ক্ষোভ নিয়ে একটা জীবন পার করে দিচ্ছেন তাঁরা।

    আর অনলাইন চেতনাধারীদের কথা কি বলব? থুঃ দেই এদের মুখে। ভণ্ডের দল আবার ধর্ষণ বিরোধী সমাবেশ করে।

  5. “”মাগি তুই নাকি পাকিস্তানিগো
    “”মাগি তুই নাকি পাকিস্তানিগো সাথে শুইছিলি। এরা কারা?””

    “” তারা কি জামাত শিবির? না।
    তারা কি পাকিস্তানি? না। তারা কি মৌলবাদি?
    না। তারা এ যুগের বীর বাঙালী। কমলগঞ্জের
    বাঙালীদের উত্তরসূরী। তারা প্রভা রানীর
    প্রতিবেশী। তার স্বামীর মতো কেউ নন। এই নব্য
    বীর বাঙালীদের দাবিটা অবশ্য ভিন্ন।
    তারা নাকি মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ধারক বাহক।
    এরাই যদি হয় মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ধারন
    কারী তাহলে বীরাঙ্গনা প্রভা রানী মালাকারকে আম
    ি বলবো, তোমাকে যত তারা মাগি বলে সম্বোধন
    করবে ততই বাড়বে তোমার যুদ্ধের মেয়াদ।””

    চমৎকার বলেছেন, ভাল লাগলো।

  6. অসাধারণ। ছুঁয়ে গেছে একেবারে।
    অসাধারণ। ছুঁয়ে গেছে একেবারে। ভালো লেখা।

    কথা ওই একটাই- মুখোশ বদলেছে শুধু, আর প্রতিনিয়ত বেড়ে চলেছে প্রভা রাণীর প্রতিবেশীদের সংখ্যা

  7. যারা এই বীরাঙ্গনা মাকে এইসব
    যারা এই বীরাঙ্গনা মাকে এইসব বলে তাদের সম্পর্কে আমার ধারণা ওরা নিজেরাই জারজ। জামাত এখনও পাকিস্তানের ভূত হয়ে আছে। তাদের তৈরি করা কিছু জারজ এসব বলবেই। বীরাঙ্গনা মাকে সশ্রদ্ধ সালাম।

  8. বিরঙ্গনা মা’রা তাদের সভ্রম
    বিরঙ্গনা মা’রা তাদের সভ্রম দিয়ে একটি স্বাধীন দেশ আমাদের উপহার দিয়ে গেছেন ঠিকই কিন্তু আমাদের এই সমাজ ৩৯ বছর ধরে এইসব মা’দের ধর্ষন করে চলছে ।

  9. বিরঙ্গনা মা’রা তাদের সভ্রম
    বিরঙ্গনা মা’রা তাদের সভ্রম দিয়ে একটি স্বাধীন দেশ আমাদের উপহার দিয়ে গেছেন ঠিকই কিন্তু আমাদের এই সমাজ ৩৯ বছর ধরে এইসব মা’দের ধর্ষন করে চলছে ।

  10. “কুকুরে খেয়েছে যারে,
    শকুনে

    “কুকুরে খেয়েছে যারে,
    শকুনে খেয়েছেযারে,
    সে আমার ভাই, সে আমার মা, সেই আমার
    প্রিয়তম পিতা।
    স্বাধীনতা- সে আমার স্বজন
    হারিয়ে পাওয়া একমাত্র স্বজন,
    স্বাধীনতা-সে আমার প্রিয় মানুষের
    রক্তে কেনা অমূল্য ফসল।
    ধর্ষিতা বোনের শাড়ি ওই আমার রক্তাক্ত
    জাতির পতাকা।”

    -কবি রুদ্র মুহম্মদ শহীদুল্লাহ

  11. অসাধারন বলেছেন আপনি আর প্রভা
    অসাধারন বলেছেন আপনি আর প্রভা রানীর মত মায়েদের মহান আত্মত্যাগের জন্য আজো আমরা বাংলার বুকে হায়না নির্মূল করার প্রত্যয়ে বদ্ধ পরিকর ……………

    তোমাকে যত তারা মাগি বলে সম্বোধন করবে ততই বাড়বে তোমার যুদ্ধের মেয়াদ। মুক্তিযুদ্ধ তোমার আজো শেষ হয়নি। এখনো তোমার সামনে দাঁড়িয়ে আছে পাক হায়েনারা। মুখোশ বদলেছে, পেছনের কুকুরগুলো এখনও সেই একই আছে। আমি তোমাকে ভালোবাসি বীরাঙ্গনা মা। তোমার যুদ্ধটা তাই আমাকে এগিয়ে নিতে হবেই। যত হায়েনার পদধ্বনি শুনি না কেন!

    :salute:

  12. অনেক ধন্যবাদ ঘটনাটি সবাইকে
    :থাম্বসআপ: অনেক ধন্যবাদ ঘটনাটি সবাইকে জানানোর জন্য। চিন্তা করবেন না, কুকুরেরা অচেনা কিছু দেখলে সবসময়ই ঘেউ ঘেউ করে। খোঁচালেই এদের গলার আওয়াজ আরো বাড়ে। ছেড়ে দেয়াই উত্তম।

  13. প্রথমেই শামীমা মিতু আপুকে
    প্রথমেই শামীমা মিতু আপুকে ধন্যবাদ এধরনের একটা পোস্ট দেওয়ার জন্য।আজ বীরঙ্গনাদেরকে অনেকে ফেলে দিয়েছে।আজ কিন্তু আমাদের কিছুতেই ভুলে গেলে চলবে না আড়াই লাখ প্রভা রানী তাদের আঁচল দিয়ে আমাদের রক্ষা করেছেন।তাদের সম্মান সবার উপরে।জয় বাংলা।

  14. প্রভারানীদের খোজ কেউ রাখেনা।
    প্রভারানীদের খোজ কেউ রাখেনা। এমনকি বীরাঙ্গনা হিসেবে যে স্বীকৃতি ও সহযোগিতা পাওয়া উচিত ছিল তার কিছুই পায়নি সে।

  15. এই লজ্জা প্রভারানিদের না, এই
    এই লজ্জা প্রভারানিদের না, এই লজ্জা আমাদের। আমরাই তাঁদের উপযুক্ত সম্মান দিতে পারি নি। অথচ উচিত ছিল এঁদের রাষ্ট্রীয় সম্মান দেওয়া। জীবিকা নির্বাহে যাতে কোন রকম সমস্যায় পড়তে না হয় এর নিশচয়তা দেওয়া।
    কিন্তু যাদের অমূল্য ত্যাগের বিনিময়ে বাঙালি আজ স্বাধীন জাতি হিসেবে পরিচিত তাঁদেরই অপমান করছি।
    বাঙালি স্বাধীনতার মর্ম বুঝার আগেই স্বাধীনতা পেয়ে গেছে। তাই মাথার মণিকে পায়ে ঠেলছে।

    আর ভণ্ড চেতনা ব্যবসায়ীদের কি বলবো!!! মুক্তিযুদ্ধ এদের কাছে পণ্য, আর আওয়ামীলীগের দালাল।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *