যাযাবর

বিকেলটা নিজে নিজেই সন্ধ্যের দিকে গড়িয়ে যায়। আমি স্থির বসে থাকি দীঘির পাড়ের নোনা ধরা বেঞ্চের উপর। বিকেলে স্কুল ছুটির পর আমার কোন কাজ নেই। পুরো এলাকাটারই কিছু করার নেই। মফস্বলের জীবনটাই এরকম। দীঘির জলের মত। শান্ত, স্থির, তরঙ্গহীন। মাঝে মাঝে বড় বড় মাছ ঘাঁই মারে, কিন্তু বিশাল জলরাশির সচেতন নির্মোহতার কাছে এই আন্দোলন ব্যর্থ হয়ে জলেই হারিয়ে যায়। আলোটা মরে আসলেই ফিরে যাই ঘরে, আমার সাড়ে তিন তলার ছাদের নিঃসঙ্গ চিলেকোঠার সংসারে। একটা খাট, পুরনো বুক শেলফ, পাখা, একটা টেবিল, একটা চেয়ার, আলমারি, আলনা আর একজন আমাকে নিয়ে আমার চিলেকোঠার সংসার। বাড়িটা চারদিকে নানা গাছে ঘেরা। মাঝে মাঝে ছাদটাকে ঘন বনের মাঝে এক টুকরো ন্যাড়া ভূমি মনে হয়। ভরা পূর্ণিমার নির্ঘুম গভীর রাতে ছাদের বুকে গাছের কালো ছায়া, বিশাল চাঁদের রুপো গলানো আলো আর ঝিঁঝিঁ পোকার একটানা ডাক মেশানো নীরবতা আর ঘুমন্ত পাখির হঠাৎ ডানা ঝটপটানির শব্দে গা ছমছম করে উঠে। আচ্ছা, পরী যদি পাশে থাক তো তাহলে কি এই একই নির্ঘুম জোছনার রুপ অন্যরকম হত?

দক্ষিনে সরলা নদী, তারপর ধান ক্ষেত, এরপর ডোম পাড়া, জেলেপাড়া, হাজিপাড়া পার হয়ে, মসজিদের মিনার ছুঁয়ে হু হু হাওয়া বয়ে যায়। মাঝে মাঝে জানালা খোলা পেলে আমার ঘরে ঢুকে টেবিলের বই খাতা, আলনার কাপড় সব লন্ডভন্ড করে দিতে চায়। মাঝে মাঝে হাওয়া ভাসিয়ে নিয়ে আসে বেহেড মাতাল ডোমদের গান আর ঢোলের নেশা ধরা শব্দ। পরীরও খুব প্রিয় ছিল এরকম মাতাল হাওয়া। কতবার যে বলা নেই কওয়া নেই, পরী আমাকে ধরে নিয়ে গেছে আশুলিয়া, বেশির ভাগ সময় ঝড়ের পরপর। ভেজা বাতাসে এলোমেলো উড়তো তার চুল, ওড়না। আর কিছুক্ষন পর পর দুহাত দুদিকে ছরিয়ে বলত “কি আরাম, কি আরাম!!!”, দু একজন আড়চোখে ওর কান্ড দেখত। কিন্তু সে হাওয়া এখন আর আমার ভেতর প্রবেশ করতে পারে না। মনের সব জানালা আমি বন্ধ করে দিয়েছি আঁটোসাঁটো করে, বহু আগে। অভিমানে না, পালানোর জন্য। আমার ভেতরের আরেক আমিকে দম বন্ধ করে মেরে ফেলতে চাই বলে হয়তো।

যে বাড়িটায় আমি থাকি, সেটা এলাকার মেম্বার রমিজ হাজীর বাড়ি। মোটামুটি লজিং মাস্টার জাতীয় ব্যবস্থা। এ যুগে শুনতে বেমানান হলেও ব্যপারটা অনেকটা সেরকমই। মাস খানেক আগে এই মফস্বল শহরের যে স্কুলে আমি অংকের মাস্টার হিসেবে যোগ দেই, তিনি সেই স্কুলের গভর্নিং বডির প্রেসিডেন্ট। আমাকে শুরুতেই কেন যেন তিনি পছন্দ করে ফেলেছিলেন। আবার পরীর কথা মনে পরে যায়। তুমিও তো অকারনেই আমাকে পছন্দ করে ফেলেছিলে পরী, কেন? কি যে হয়েছে আমার, শুধু ভাবনার খেই হারিয়ে ফেলি। রমিজ হাজী নিজেই আমাকে তার চিলেকোঠায় নিয়ে আসে। আমি তার একমাত্র মেয়ে হাফিজাকে পড়াই। আমি জানি হাফিজাকে দিয়ে পড়াশোনা হবে না। তবু চালিয়ে যাই। হাজী সাহেবের বিশাল কাঠের ব্যবসা, ধান কলের ব্যবসার হিসাব পত্র মাঝে মাঝে দেখে দেই। কখনো সখনো জোর করে রাতে সঙ্গে নিয়ে খেতে বসেন। হাফিজা কিংবা তার মা এটা ওটা বেড়ে দেয়। চুড়ির টুংটাং শব্দ কানে বাজে। পরী চুপিসারে আমার কল্পনা দখল করে নেয়। সে আমাকে মাছ এগিয়ে দেয়, আরেকটু ভাত নেবার জন্য জোর করে। আমার বুকে ভাল লাগার একটা অনুভুতি জেগে উঠে নিমেষেই কষ্টে ডুবে যায়। না কি এটা পাপবোধ?

“কি মাস্টার, খালি ভাত লারাচারা কর, খাও না ক্যা? তুমরা পুলাপান মানুষ, কই ধুমায়া খাইবা ….”

হাজী সাহেবের কথায় আবার বর্তমানে ফিরে আসি। আবার খাওয়ায় মনোযোগ দেই।

আমি হাফিজাকে প্রতি সন্ধ্যায় পড়াই। আরেক ভাবে বললে, সময় কাটাই। সেও নিয়ম করে বসে। অতটুকুই। কিন্তু তার ব্যস্ততা অন্য কিছু নিয়ে। টেবিলের নিচে পা ছুঁয়ে যায়, বই নিতে গিয়ে হাত ছুঁয়ে যায়। তার ওড়না সরে যায়, ওভাবেই থাকে অনেক্ষন। সে অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে পড়তে থাকে। আমি সবই বুঝি। আমি দিঘীর কাছ থেকে শেখা সচেতন নির্মোহতার দেয়ালে নিজেকে আড়াল করে রাখি। আমি জানি ও কি চায়। কিন্তু ও জানে না মানুষের এই জৈবিকতার সুধার প্রতিটি বিন্দু আমি পরম তৃষ্ণা নিয়ে পান করেছি। আমার বলতে ইচ্ছে করে, আমি আর তৃষ্ণার্ত নই হাফিজা, আমি ক্লান্ত। হাফিজা, তুমি কোনদিন হয়ত কল্পনাও করতে পারবে না এর চেয়ে অনেক অমোঘ জৈবিক অভিজ্ঞতার পোকা আমার মগজটাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খায় প্রতিনিয়ত। আর আমি পালাতে থাকি। পালাতে পারি না।

হাজী সাহেবের বউ আমার খোঁজ খবর নেন সব সময়। তাঁকে বলেছি আমার কেও নেই। অভিভাবকহীন, সহায়হীন এই আমি একা একাই ঘুরে ঘুরে, খেয়ে না খেয়ে, পড়াশোনা করে আজ এই মফস্বলের স্কুল মাস্টার। তিনি একদিন আমাকে বলেন, “বাবাজি, তুমি আমারে আর খালা ডাইক্কো না, মা ডাইক্কো”। তাঁর চোখ জলে ভিজে যায়। আমি তাঁকে কি করে বোঝাই, এই জলের যোগ্য আমি নই, আমি রক্ত-মাংস-হৃদয় দিয়ে গড়া মানুষ নই, আমি অন্য কিছু? পরীর চোখের জল আমাকে স্পর্শ করেনি। আমি মহিলাকে আর খালা ডাকিনি, কিন্তু মাও ডাকিনি। আমার তো মা আছে। বহু দিন, বহু মাস আমি তাকেও ভুলে আছি। আমি সব ভুলে যেতে চাই, সব!

দীঘির জল, নোনা ধরা বেঞ্চ, আমি, এই মফস্বল শহর, সবাই স্থির হয়ে থাকি। তবু সরলা নদী পার হয়ে আসা হু হু মাতাল হাওয়ার সাথে পাল্লা দিয়ে সময় বয়ে যায়। ডোম পাড়ার মাতাল ডোমেরা ঢোলের তালে তালে যুগ-যুগান্তের পুরোন গান গাইতে থাকে একই সুরে, প্রতি সন্ধ্যায়। বান ডাকা জোছনার রাতে আমার ছাদে বিশাল বিশাল গাছের ডালগুলোর ছায়া অপার্থিব নেশায় নাচতে থাকে। ঘুমন্ত পাখির ডানা ঝটপটানি আমার নির্ঘুম নিঃস্বঙ্গতাকে চকিত করে। হু হু বয়ে যাওয়া মাতাল হাওয়া আমাকে কানে কানে ডাকে, আয়, আয়, আয় ……..। পরী কি ডাকছে আমায়? আমার কেবলই মনে হতে থাকে পরী ফিরে আসবে আমার কাছে, কোন এক জোছনা রাতে। আমি ভয়ে কুঁকরে যাই। আমি প্রাণপনে প্রার্থনা করি অমাবশ্যার জন্য, আমি লুকিয়ে থাকতে চাই অমাবশ্যার নিকষ অন্ধকারে। আমাকে আবারো পালাতে হবে, পালাতে হবে বহু দূরে। যেখানে পরী আমাকে খুঁজে পাবে না।

হাজী সাহেব, তাঁর স্ত্রী দুজনের আচরন বদলাতে থাকে আমার প্রতি। মায়ায় বাঁধতে চায়। আমি বুঝি। একমাত্র মেয়ে, এত বড় ব্যবসা সবকিছু ধরে রাখতে হলে আমার মত লেখাপড়া জানা পিছুটানহীন একজনই তাদের জন্য আদর্শ। ওনাদের দিক থেকে চিন্তা করলে আমার আপত্তি থাকার কথা না। বাবা-মায়ের এই ভাবনা হাফিজাকেও স্পর্শ করে। সে আরো সাহসী হয়ে ওঠার চেষ্টা করে। একদিন সরাসরি প্রশ্ন করে “আপনি কি কিছু বোঝেন না?” আরেকদিন আরো বেপরোয়া হয়ে যায় সে “আপনার কি অন্য সমস্যা আছে?” আমি নিজেকে শান্ত রাখি। দিঘীর মতো স্থির, নির্মোহ হয়ে যাই। হাফিজার দারুন কটাক্ষ আমার শান্ত জলে ব্যর্থ হয়ে ফিরে যায়। আমাকে পালাতে হবে।

রাতে খেয়ে দেয়ে খাটে আধ শোয়া হয়ে বসে আছি। দরজাটা খোলা, ছিটকিনি ভেঙ্গে গেছে। কাল সারাতে হবে। বিজলী চলে গেছে কিছুক্ষন আগে। আজ জোছনা। দরজা জানালা দিয়ে আলো ঢুকছে ঘরে। জলের মত টলটলে জোছনার আলো। পরীর চোখের জলের কথা মনে পরে যায়। যেদিন পরী এসে বলল সে প্রেগন্যান্ট, মাথায় আকাশ ভেঙ্গে পরেছিল। সে আঝোরে কাঁদছিল। সাহস দেওয়ার ভাষা আমার ছিল না। আমি জানতাম না এরকম পরিস্থিতিতে কি করতে হয়। কিন্তু পরী আমার উপর সব ভরসা করে বসেছিল। আমি বলেছিলাম “আমি দেখছি, সব ঠিক হয়ে যাবে”। কিছুই ঠিক হয় নি। নিজেই খুঁজে খুঁজে যাত্রাবাড়ীতে একটা নার্সিং হোম খুঁজে বের করলাম। সব ঠিক ঠাক করে যেদিন তাকে নিয়ে গেলাম, পরী অঝোরে কাঁদছিল। ভয়ে, আশঙ্কায়, অনিশ্চয়তায়। আমি একটার পর একটা সিগারেট খাচ্ছিলাম। ওরা যখন স্ট্রেচারে শুইয়ে পরীকে নিয়ে যাচ্ছিল, শেষ মূহুর্ত পর্যন্ত সে আমার হাত ধরে ছিল, কাঁদছিল। তার কিছুক্ষনের মধ্যেই বুঝলাম কিছু একটা গোলমাল হয়ে গেছে। একজন নার্স মত ছুটে এসে বলল “ব্লাড লাগবে, ব্লাড, খুব ব্লিডিং হচ্ছে। জলদি জলদি, মারা যাবে, মারা যাবে”। আমার মাথার ভেতরটা শূন্য হয়ে গেল। একটা পশু ভেতর থেকে চিৎকার করে বলতে লাগল …….. পালা, এক্ষুনি পালা।

আমি রক্ত আনতে যাইনি। সোজা মেসে গিয়ে সব গুছিয়ে রাঙ্গামাটি পালিয়েছিলাম। ওখানে আমি কাউকে চিনি না, আমাকেও চেনে না। আমার মাকেও জানাই নি আমি কোথায়। পরে খোঁজ নিয়ে জেনেছিলাম পরী মারা গেছে। আমি রক্ত নিয়ে যাই নি। পরী ধকল নিতে পারেনি। যাত্রাবাড়ীর অনামা নার্সিং হোমের সাধ্য ছিল না ওকে বাঁচায়। শুধু জানি ঝামেলা হয়েছিল। তারপর থেকে পালিয়ে বেড়াচ্ছি। ঘুরতে ঘুরতে আজ আমি এখানে, এই মফস্বল শহরের স্কুল মাস্টার।

জোছনা ভেজা মাতাল হাওয়া আমাকে কানে কানে ডাকছে, আয়, আয়, আয় ……..। আজ কি পরী আসবে? আনমনে দুচোখ বুজে আসে।

খুট খাট শব্দে তন্দ্রা ভেঙ্গে যায়। জোছনার আলোয় ভেসে যাচ্ছে চারিদিক, আর আমার বরাবর দরজা জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে পরী! ওইতো আধো আলো ছায়ায় ওর চুল উড়ছে বাতাসে। পরী, পরী…..??? আমি ডান হাতটা বাড়িয়ে দেই পরীর উদ্দেশ্যে। আতংকে আমার হৃদস্পন্দন থেমে যেতে চায়। বাতাস হঠাৎ ভারি হয়ে যায়। বুকে প্রচন্ড ব্যাথা। একটু বাতাস চাই, একটু বাতাস…….। আমার বাড়িয়ে দেয়া হাত নিঃস্বার হয়ে ঢলে পরে।

সময়ের অপর প্রান্তে :
আজ হাফিজার জেদ উঠে গেছে। আজ দেখবে মাস্টার ব্যাটা আসলে কি? এতো নিরুত্তাপ, এতো উপেক্ষা! সে এতটাই হীন, ফেলনা, অসুন্দর? তাকে একফোঁটা পাত্তা দেয় না! বাবা-মা ঘুমিয়ে পরার পর সব জেদ আর সব সাহস জড়ো করে গভীর রাতে একা ছাদে উঠে আসে। সাবধানে মাস্টারের ঘরে ঢুকে সে। কিন্তু তাকে দেখেই অদ্ভুত আচরন শুরু করে মাস্টার। তার সারা মুখে আতঙ্কের ছাপ। অদ্ভুত সব কথা বলতে বলতে ঢলে পরে। হাফিজা ভয় পেয়ে যায়। বুঝতে পারেন না কি হয়েছে। যতটা নিঃশব্দে সম্ভব ছুটে নিচে এসে বিছানায় শুয়ে পরে। এত সাহস কেন দেখাল সেজন্য নিজেকেই ধিক্কার দিতে থাকে।

বাইরে হু হু বয়ে যায় মাতাল হাওয়া, দীঘির জল জোছনার তীব্র আহ্বান উপেক্ষা করে তার স্বভাবসুলভ সচেতন নির্মোহতায়। নোনা ধরা বেঞ্চ বিকেলে মাস্টারের ফিরে আসার মিথ্যে আশা নিয়ে অপেক্ষা করে।

১২ thoughts on “যাযাবর

  1. ভালো লাগল। আপনার ভাষার
    ভালো লাগল। আপনার ভাষার ব্যবহার একটু অন্যরকম, ভালো লেগেছে। লেখা চালিয়ে যান। :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. ধন্যবাদ পড়ার জন্য। মূলত
      ধন্যবাদ পড়ার জন্য। মূলত চেয়েছিলাম একটা প্রেমের গল্প লিখতে। উত্তম পুরুষের ভাষায় বর্ণনা, সামান্য উপমার ব্যবহার, একটু প্রকৃতির বর্ননা, গল্পের পটভূমিকে কোন নির্দিষ্ট সময়ের বা কালের গন্ডিতে না রাখা ইত্যাদি নিয়ে এটা এক ধরনের ব্যক্তিগত এক্সপেরিমেন্ট ছিল বলা যায়।

  2. চমৎকার লাগল । বলার ভঙ্গিমা ,
    চমৎকার লাগল । বলার ভঙ্গিমা , উপস্থাপনার প্রায়োগিক দক্ষতা , সব মিলিয়ে অসাধারন । :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  3. বর্ণনা চমৎকার লেগেছে। আপনার
    বর্ণনা চমৎকার লেগেছে। আপনার প্রথম গল্পের তুলননায় এই গল্প অসাধারণ।

    1. ধন্যবাদ। উৎসাহিত বোধ করছি। By
      ধন্যবাদ। উৎসাহিত বোধ করছি। By the by, প্রথম গল্প বলতে কোনটাকে বোঝাচ্ছেন আমার লেখা প্রথম গল্প “পরাজিত” না কি আমার প্রথম ব্লগ পোস্ট করা গল্প “ভোরে……”? দুটোই পোস্ট করা আছে তো, সেকারনে একটু বিভ্রান্ত। দুটোই এক হিসাবে প্রথম গল্প।

    1. অনেক অনেক ধন্যবাদ, একজন
      অনেক অনেক ধন্যবাদ, একজন সাধারন মানুষের উদ্দেশ্য এমন অসাধারন মন্তব্য করার জন্য। একটা কথা মনে পরে গেল : Beauty lies in the eyes of the beholder.

  4. সেরাম লিখেছেন বস!! এক কথায়
    সেরাম লিখেছেন বস!! এক কথায় চমৎকার…
    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. তারিক ভাই, কোথায় ভাবলাম
      তারিক ভাই, কোথায় ভাবলাম প্রেমের গল্প লিখে আপনাকে একটু “ইরিটেট” করব। তা না, উলটো ভাল বললেন? নাহ, আমি ব্যর্থ!!! 😀 একটু বেশিই প্রশংসা করে ফেললেন মনে হয়। :লইজ্জালাগে: যাই হোক, সেরাম উৎসাহ পেলাম এবং সেরাম ধন্যবাদ। ভাল থাকবেন।

    1. আপনি আপনি করছেন কেন খান
      আপনি আপনি করছেন কেন খান সাহেব? এইটা কি “আপনের” নতুন ইশ্‌টাইল? আপনেরেও ধইন্যবাদ। :হাহাপগে:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *