উত্তরাধিকার # ৬ষ্ঠ পর্ব

অবাক দৃষ্টিতে পেইন্টিংটার দিকে তাকিয়ে থাকল নুসরাত। কে ইনি? আজিজ সাহেবের মা নাকি দাদী? জীবনে অনেক পোর্ট্রেইট সে দেখেছে কিন্তু এমন বাস্তব কোন ছবি আজ পর্যন্ত দেখা হয় নি। যেই চিত্রকর ছবিটা এঁকেছেন তাঁকে চোখ বন্ধ করে পিকাসো কিংবা লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির কাতারে ফেলা যায়। এই লোকের জন্ম রেনেসাঁ যুগের ইউরোপে হলে নিশ্চিতভাবেই পৃথিবীখ্যাত সব চিত্রকরদের সাথে তাঁর নাম উচ্চারিত হত।


অবাক দৃষ্টিতে পেইন্টিংটার দিকে তাকিয়ে থাকল নুসরাত। কে ইনি? আজিজ সাহেবের মা নাকি দাদী? জীবনে অনেক পোর্ট্রেইট সে দেখেছে কিন্তু এমন বাস্তব কোন ছবি আজ পর্যন্ত দেখা হয় নি। যেই চিত্রকর ছবিটা এঁকেছেন তাঁকে চোখ বন্ধ করে পিকাসো কিংবা লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্চির কাতারে ফেলা যায়। এই লোকের জন্ম রেনেসাঁ যুগের ইউরোপে হলে নিশ্চিতভাবেই পৃথিবীখ্যাত সব চিত্রকরদের সাথে তাঁর নাম উচ্চারিত হত।

একটা ব্যাপার ভেবে খুব অবাক লাগছে তাঁর সেটা হচ্ছে আজিজ সাহেব তার পুরো ফ্যামিলি হিস্ট্রি বললেও নিজের পরিবারের কথা কিছুই বলেন নি। স্ত্রী, সন্তান কেউ কি আছে কি না; থাকলেও কোথায় সে ব্যাপারে তিনি একদম চুপ। ভাল করে ছবিটা লক্ষ্য করল নুসরাত। স্মিত হাসি নিয়ে তাকিয়ে থাকা মহিলাটা মনে হচ্ছে এখনই তাঁর সাথে কথা বলা শুরু করবে। যদিও হাসিমুখে তাকিয়ে আছে কিন্তু মনে হচ্ছে হাসির আড়ালে কিছুটা বিষাদ যেন উঁকি দিচ্ছে চোখের ভিতর দিয়ে। ভদ্রমহিলা ছবিটা আঁকার আগে কাঁদছিলেন নাকি? মহিলার চেহারায় একটা অ্যাংলো ইন্ডিয়ান ছাপ আছে। ছবিটা দেখে কেন জানি Elisabeth Vigee Le Burn এর কথা মনে পড়ছে নুসরাতের। সপ্তদশ শতাব্দীর প্যারিসের বিখ্যাত মহিলা পেইন্টার Elisabeth Le Burn এর বঙ্গদেশীয় সংস্করণ বলে মনে হচ্ছে এই মহিলাকে। এত সুন্দর হয় কি করে মানুষ? চেহারায় বিষাদের সাথে মিশে আছে রহস্যময়তা। মোনালিসার রহস্যময়তা যেন নিতান্তই তুচ্ছ এই মহিলার কাছে। অদ্ভুত, সত্যিই অদ্ভুত এই ছবি। অবশ্য পুরো জমিদারবাড়িটাই তো অদ্ভুত, ছবিটা আর নতুন করে কি রহস্যময়তাই বা যোগ করবে?

কাপড় পড়ে তৈরি হয়ে নিল নুসরাত। রাত আরেকটু গভীর হওয়ার জন্য অপেক্ষা শুরু করছে সে। তাঁর সাংবাদিক মন খুঁতখুঁত করছে। এই বাড়িতে অনেক রহস্য লুকিয়ে আছে। সেগুলো বের করা না পর্যন্ত সে মনে শান্তি পাবে না। রাতের বেলায় সবাই ঘুমালে বের হতে হবে। তার আগে জিনিসপত্রগুলো গুছিয়ে রাখা দরকার। বলা তো যায় না কখন কোনটা কাজে লেগে যায়।

*****
রুমনের মনে হচ্ছে যেন টাইম মেশিনে চড়ে একলাফে ১০০ বছর পিছনে চলে এসেছে। বাড়িতে কোন একটা উৎসব হচ্ছে মনে হয়। দেয়ালগুলো সুন্দরভাবে রঙ করা। অনেক উঁচু ছাদ থেকে সুদৃশ্য ঝাড়বাতি ঝুলে আছে। কাচের ঝাড়বাতিগুলোতে ভেতরে রাখা প্রদীপের সোনালী আলোর বিচ্ছুরণ সারা ঘরে এক অদ্ভুত মায়াময় পরিবেশের সৃষ্টি করেছে। রঙিন কাগজ মোড়ানো পিলারগুলোর মাঝামাঝিও কিছু প্রদীপ জ্বালানো, তাই ঘরের ভিতর আলোর কোন অভাব নেই। কিন্তু এই কক্ষে কেউ নেই। পুরো ঘরটাই নিঃশব্দের চাদরে ঢেকে আছে। অদ্ভুত ব্যাপার। এত শব্দ তাহলে কোথা থেকে আসছিল?

ঘরের শেষ মাথায় আরেকটা দরজা দেখা যাচ্ছে। এক মুহূর্ত ইতস্তত করে দরজাটা খুলল রুমন। সাথে সাথেই নূপুরের তীব্র ঝঙ্কারের শব্দে কান ফেটে যাবার উপক্রম হল। ঘরে নাচের আসর বসেছে। প্রায় ৮-১০ জন লোক বৃত্তাকারে বসে আছে। বৃত্তের মাঝে কেউ একজন নাচছে। বাহ, নাচের ছন্দ দেখে মুগ্ধ হল রুমন। কত্থক আর ভারতনাট্যমের এমন ফিউশন খুব কম মেয়েই নেচে দেখাতে পারে। কিছুক্ষণ বসবে নাকি এখানে ভাবল রুমন।

“ওহে কিরণ, হুজুর তো এখন নেই। এই তো সুযোগ। আমাদেরকে একটু তোমার স্পর্শ দিয়ে ধন্য কর না বালিকা।“

মদ খেয়ে পুরাই টাল হয়ে যাওয়া মধ্যবয়স্ক এক দর্শকের এই উক্তি শুনে যতটা না অবাক হয়েছে, তার থেকেও বেশি অবাক হল রুমন কিরণ নামের নর্তকীর প্রতিক্রিয়া দেখে।

“আমাকে যতটা সস্তা ভাবছ এতটা সস্তা আমি নই। আরিফ হুজুরের কথায়ই আমি নাচি। আর কারও কথায় আমি চলি না।“

সাপের মত হিশহিশ করে কথাগুলো বলে গটগট ভঙ্গিতে ওপাশের আরেকটা দরজা দিয়ে রুম থেকে বের হয়ে গেল কিরণ। রুমনের চিন্তাভাবনা পুরাই এলোমেলো হয়ে গেল। এসব সে কি দেখছে? তাঁর কি মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি? স্বপ্ন দেখছে না তো? এই কিরণই সেই কিরণবালা নন তো যার কথা আজিজ সাহেব বলেছেন? কিরণবালা যেই আরিফ হুজুরের কথা বলছে তিনিই কি আজিজ সাহেবের বাবা খন্দকার আরিফুর রহমান? কিন্তু কিভাবে সম্ভব এসব? কেউই তো বেঁচে নেই। তারমানে কি সে অতীতে চলে এসেছে কোনভাবে?

সব থেকে অবাক করা ব্যাপার হচ্ছে রুমনের উপস্থিতি কেউ লক্ষ্য করছে না। সে যেন একটা কায়া ছাড়া আর কিছুই না। যে দরজা দিয়ে কিরণবালা রুম থেকে বের হয়ে গেছে সেই দরজাটার কাছে এসে দাঁড়াল রুমন। একটু চিন্তা করে সে নিজেও দরজা পার হয়ে চলে আসল। মুহূর্তেই দৃশ্যপট পরিবর্তন হয়ে গেল।

অদ্ভুত সুন্দরী যেই মহিলাকে রুমন এই মুহূর্তে কাঁদতে দেখছে সেই মহিলার চেহারায় অ্যাংলো ইন্ডিয়ান ছাপ স্পষ্ট। কে ইনি? মহিলা কাঁদছিলেন মনে হয়। শাড়ির আঁচল দিয়ে সদ্যমোছা চোখগুলো সেইদিকেই ইঙ্গিত করছে। এই মহিলার কান্নার শব্দই কি পাচ্ছিল সে? এমন সময় বৃদ্ধ লোকটাকে চোখে পড়ল রুমনের। এইমাত্র ঘরে প্রবেশ করেছে। মহিলার দিকে তাকিয়ে কথা বলে উঠল বৃদ্ধ লোকটা –

“ছোট মা, আপনি তৈরি তো?”

“হ্যাঁ লিয়াকত। আমার ছবি এঁকে শেষ করতে কতক্ষণ লাগবে তোমার?”

“সেটা তো মা বলতে পারব না। আমি সন্তুষ্ট না হওয়া পর্যন্ত আপনাকে বসে থাকতেই হবে। আমাকে এই সময়টুকু দিয়ে সাহায্য করবেন দয়া করে। বড় হুজুরকে কে তো আপনি ভাল করেই জানেন। ছবি পছন্দ না হলে তিনি আমার উপর ক্ষিপ্ত হবেন আর ক্ষেপে গেলে তো উনার মাথা ঠিক থাকে না।“

“ভয়ের কিছু নেই। তোমার ছবি আঁকা শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমি তোমাকে সময় দিব। আজিজ ঘুম ভেঙে আমাকে না পেলে কাঁদবে। ইয়াসমিনকে বলে দিবে আজিজের ঘুম ভাঙলে তাঁকে যেন কিরণের কাছে রেখে আসে। কোথায় বসব বল?”

“এইতো, এই চেয়ারটাতেই বসুন।“

বৃদ্ধ লোকটা, লিয়াকত যার নাম সে রঙ আর তুলি নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল কাপড়ের ক্যানভাসে সুন্দরী মহিলার ছবি ফুটিয়ে তুলতে। আশ্চর্য, কেউ তাঁকে দেখতে পাচ্ছে না কেন? সে তো অদৃশ্য হয়ে যায় নি। নাকি “The Invisible Man” গল্পের নায়কের মত তাঁকে কেউ দেখতে পাচ্ছে না? কিছুই মাথায় ঢুকছে না রুমনের। এ কোথায় আসল সে? সে কি স্বপ্ন দেখছে? স্বপ্নের নাকি কোন বর্ণ নেই। সে যা কিছু দেখছে তাঁর সবকিছুর মাঝেই বর্ণেরা খেলা করছে। যদি স্বপ্নই হয় তাহলে স্বপ্নে রঙ দেখা যায় না কথাটা ভুল।

এই রুমে থেকে আর লাভ নেই ভেবে পাশের রুমের উদ্দেশ্যে অগ্রসর হল রুমন। কি মনে করে টেবিলের উপর থেকে একটা তুলি তুলে নিল সে। লিয়াকত অনেকগুলো তুলি এনেছে ছবি আঁকার জন্য। একটা তুলে নিলে মনে হয় সে ধরতে পারবে না।

*****
ইদ্রিস আর নিজেকে সামলাতে পারছে না। অনেকদিন হয়ে গেল কোন নারীদেহের স্বাদ সে পায় নি। এক-আধটু সেক্স না করলে পুরুষ মানুষের মাথা মাথা ঠান্ডা থাকে নাকি? ওই সাংবাদিক মেয়েটাকে দেখার পর থেকেই তাঁর ভিতর আবার সেক্স করার ইচ্ছে জেগে উঠেছে। মেয়েটা তো আর নিজে থেকে কিছু দিবে না, রেইপ করা ছাড়া গতি নেই। তাই সে করবে। এই বাড়িতে ওই দুই বৃদ্ধ ছাড়া কেউ নেই। চ্যাংড়া পোলাও ঘুমাচ্ছে। এই সুযোগ। মেয়েটার রুমে গিয়ে বালিশ দিয়ে মুখ চাপা দিয়ে আগে হাত দুইটা বাঁধবে। তারপর মুখে কিছু একটা গুঁজে দিয়ে মেয়েটার দেহের স্বাদ নিবে সে। কাজ শেষ হলে বালিশ চাপা দিয়ে মামলা ডিসমিস করে দিবে। সকালে ঊঠেই একটা গল্প ফাঁদবে যে ওই চ্যাংড়া পোলাই ধর্ষণ করে মেরেছে মেয়েটাকে এবং সে নিজে তাঁর সাক্ষী। বাহ, ঘটনাটা ভাল সাজানো হয়েছে।

ধীরে ধীরে নুসরাতের রুমের দিকে অগ্রসর হল ইদ্রিস। শব্দ না করে কিভাবে চলাচল করতে হয় সেটা সে ভাল করেই জানে। চুরি কিংবা ডাকাতি তো আর কম করে নি জীবনে। নুসরাতের রুমটাতে আলো জ্বলছে দেখে একটু থমকে দাঁড়াল সে। এখনও ঘুমায় নি নাকি? জেগে থাকলে তো সমস্যা? জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখা যেতে পারে। নাহ, নেই তো। গেল কোথায়? বাথরুমে যায় নি তো? মনে হচ্ছে না। রাত তো কম হয় নি। মেয়েটা রুমের বাইরে থাকলেও ক্ষতি নেই। ঘাড়ের কাছে একটা বাড়ি মেরে অজ্ঞান করতে হবে আগে। তারপর, ভাবতেই দুই উরুর মধ্যবর্তী স্থান শিরশর করে উঠল। ইদ্রিসের অস্থির লাগা শুরু করল। নাহ, যা করার আজকেই করতে হবে। খুঁজে দেখা যাক সাংবাদিকটা গেল কই।

*****
পূর্ণিমার আগের রাতেও চাঁদ যে এত আলো দেয় সেটা নুসরাত জানত না। এই জমিদারবাড়ির ডিজাইন যেই করে থাকুক না কেন তাঁর প্রশংসা করতেই হবে। প্রতিটা রুমের সামনে পায়ে চলার যেই প্যাসেজ সেটা একইসাথে বেলকনির কাজও করছে। চাইলেই বেলকনিতে হেলান দিয়ে পূর্ণিমা উপভোগ করা যাবে। আর্কিটেক্ট বেচারার একটা রোম্যান্টিক মন ছিল বোঝাই যাচ্ছে।

যদিও চাঁদ দেখার মুড আপাতত নেই নুসরাতের। সে আসলে কিছু একটা খুঁজছে। কি যে খুঁজছে নিজেও সে ব্যাপারে নিশ্চিত নয় তবে এটা সে জানে কিছু না কিছু পাওয়া যাবেই। আজিজ সাহেবের আচরণ খুবই রহস্যময়। এই রহস্য ভেদ করতে হলে তাঁর রুম এবং চারপাশটা ভাল করে দেখতে হবে।

একটু অন্যমনস্ক ছিল বলেই হয়ত ব্যাপারটা প্রথমে চোখে পড়ে নি নুসরাতের। যখন চোখে পড়ল তখন সাথে সাথেই দেয়ালের সাথে আঠার মত লেগে গেল সে। তা না হলে চাঁদের আলোয় তাঁর অবয়ব ফুটে উঠবে। নুসরাত এই মুহূর্তে তিন তলায় আছে। সেখান থেকে নিচের সবকিছু স্পষ্ট দেখা যায়। চাঁদের আলোয় মার্বেল পাথরের পুকুরঘাট ঝকঝক করছে। সেই ঘাটে কেউ একজন পিছন ফিরে চুপচাপ বসে আছে। একটু চেষ্টা করতেই চেনা গেল মানুষটাকে। আশ্চর্য, আজিজ সাহেব এতরাতে পুকুরঘাটে একা একা কি করছেন?

*****
নুসরাত জানে না ইদ্রিস তাঁর পিছু নিয়েছে। দুইতলায় তাঁকে খুঁজে না পেয়ে ইদ্রিস এখন তিনতলার দিকে বিড়ালের মত নিঃশব্দে এগুচ্ছে। এদিকে ইদ্রিসও জানে না যে কেউ একজন তারও পিছু নিয়েছে। যে কোন মুল্যে ইদ্রিসের হাত থেকে নুসরাতকে রক্ষা করাই যার উদ্দেশ্য। যিনি ইদ্রিসের পিছু নিয়েছেন তিনি একজন মহিলা। মহিলার গা ভর্তি অলঙ্কার। যেই শাড়িটা পড়ে আছেন সেটাতেও সোনার কাজ করা। চুলগুলো খোপা করে বাঁধানো। মনে হয়ে এইমাত্র কোন অনুষ্ঠান থেকে উঠে এসেছেন। দেখতে অদ্ভুত সুন্দরী এই মহিলার চেহারায় অ্যাংলো ইন্ডিয়ান ছাপ স্পষ্ট। (………….চলবে)

উত্তরাধিকার # ১ম পর্ব , ২য় পর্ব, ৩য় পর্ব , ৪র্থ পর্ব, ৫ম পর্ব

১৬ thoughts on “উত্তরাধিকার # ৬ষ্ঠ পর্ব

  1. একবারে পড়তে ইচ্ছা করছে সব ।
    একবারে পড়তে ইচ্ছা করছে সব । গঠন মুলক সমালোচনা করব শেষ এর পর্ব পড়ার পর. । তবে প্রত্যাশা বাড়ছে দিন দিন । :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. একবারে সম্পূর্ণ পরব বলে আজও
      একবারে সম্পূর্ণ পরব বলে আজও একটা পর্বও পরি নি…
      শেষের অপেক্ষায় থাকলাম!!

    2. এই জন্যই তো ব্লগে লিখে মজা।
      এই জন্যই তো ব্লগে লিখে মজা। গঠনমূলক সমালোচনা হলে নিজের লেখালেখির ত্রুটিগুলোকে সহজেই শোধরানো যায়। একদিনে তো কেউ আর লেখক হয় না বা একরাতেই লেখার মান ভাল করা যায় না। লিখতে লিখতেই লেখক হতে হয়। এই গল্পটা নিয়ে আমি আসলে পরীক্ষা চালাচ্ছি নিজের লেখালেখির উপর। দেখি পরীক্ষা সফল হয় কি না। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। :ধইন্যাপাতা:

      1. ‘শঙ্খচিলের ডানা’ -ভাই, একটা
        ‘শঙ্খচিলের ডানা’ -ভাই, একটা কথা কমু…
        আপনিতো ডানার ছবি না দিয়ে পুরা শঙ্খচিলের ছবি দিলেন!!
        তবে নিক-টাও ‘শঙ্খচিল’ করে দিন, মুক্ত পাখির জন্যেই তা স্বাধীনতার ভাব বুঝাবে ‘ডানা’ না থাকলেও… 😉

        1. লিঙ্কন ভাই কি কয় !!! মজা
          😀 লিঙ্কন ভাই কি কয় !!! 😀 মজা করার ছলে জ্ঞান এর বানী – আপনি ভাই পারেন বটে 😀

  2. ভালো রোমাঞ্চ ফীল করছি। অনেক
    ভালো রোমাঞ্চ ফীল করছি। অনেক দেরীতে পর্ব দিলেন (কারন অবশ্য জানা)। এরপরে যেন দেরী না হয়। তাইলে পিছনে ইদ্রিসরে লেলায়ে দিবো। 😀

  3. এতদিন পর পর পোস্ট দিলে আগের
    :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:
    এতদিন পর পর পোস্ট দিলে আগের কাহিনী মনে থাকবে কেমনে?
    নেক্সট পর্ব তাড়াতাড়ি দিয়েন, নইলে আর পড়ুম না :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

    1. IPR নিয়া গত কয়দিনে যা ঘটলো
      IPR নিয়া গত কয়দিনে যা ঘটলো তাতে কি আর গল্প লেখার মুড থাকে রে ভাই। এখন থেকে নিয়মিতই পাবেন। গল্প শেষ না কইরা আর কিছুই লিখুম না। :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা: :কথাইবলমুনা:

  4. এত্তো পরে পরে দিলে কি হয়?
    এত্তো পরে পরে দিলে কি হয়? প্রতিতি পার্টই নতুন মোড় নিচ্ছে, এইটা ভালো লাগছে
    আচ্ছা, লিয়াকত তো গ্রামের ডাকাত। যতদূর সম্ভব সে পড়ালেখা করেনি বোধহয়। তার সঙ্গে সেক্স শব্দটি একটু অড লাগছে না?
    সব মিলিয়ে ভালো লাগ্লো, পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম :ফুল: :ফুল: :ফুল:

    1. অড লাগার কিছু নেই। তাঁর
      অড লাগার কিছু নেই। তাঁর স্ট্যাটাসের সাথে সঙ্গতি রাখতে চাইলে বাংলা যেই শব্দ ব্যবহার করতে হয় সেটা অশ্লীল হয়ে যায়।
      একটু দেরী হওয়ার পিছনে কিছু কারণ ছিল। আশা করছি এইবার একটানে শেষ করতে পারব। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *