তাল পাখা ও পরী

কাল রাতে আকাশে চাঁদ ছিল।
শুভ্র সাদা রুপালী জোছনা ছিল।
ছিল দখিনা হাওয়া।
ওদিকে আমার বাগানটায় হাসনাহেনা ফুটেছে।
মৌ মৌ গন্ধে আমি মুহু মুহু নিজেকেই হারিয়েছিলাম।
যখন নিজেকে ফিরে পেলাম।
চিনচিনে একটা অনুভূতি আমার একাকিত্ব।
আমি সামনে তাকালাম কিছুই দেখতে পেলাম না।



কাল রাতে আকাশে চাঁদ ছিল।
শুভ্র সাদা রুপালী জোছনা ছিল।
ছিল দখিনা হাওয়া।
ওদিকে আমার বাগানটায় হাসনাহেনা ফুটেছে।
মৌ মৌ গন্ধে আমি মুহু মুহু নিজেকেই হারিয়েছিলাম।
যখন নিজেকে ফিরে পেলাম।
চিনচিনে একটা অনুভূতি আমার একাকিত্ব।
আমি সামনে তাকালাম কিছুই দেখতে পেলাম না।
খুজে পেলাম না ব্যাথার উৎস।
অনুভব করছিল ভ্যাপসা গরম।
তাল পাতার পাখাটা কি হাল্কা।
এই পাখাটা না থাকলে সুন্দর জোছনা দেখা হতো না।
আচ্ছা এই পাখাটা কি আমার মতো একা।
পাখাটাকে বড্ড ভালবেসে পেলেছি।
একটা বাঁশের কিছু অংশ ছিলে।
পানিতে ভিজিয়ে রোদে শুকিয়ে।
উচুঁ ওই তাল গাছের পাতা।
কাঁচা অবস্থায় সংগ্রহ করে বোনা হয়।
বাতাসকে বাঁধা দেয়ার অংশটা।
এরপর বাঁশের কাঠির সাথে জুড়ে দেয়া হয়।
আবার কখনো বাঁশের নল লাগানো হয় ঘোরাবার সুবিধার্থে।
কি সুন্দর পরিপাটি করে বাঁধানো।
আর সুন্দর একটা বাতাস।
আমি চাইলেও বৈদ্যুতিক পাখায় এটা পেতে পারিনা।
একটা টুকটুকে হলদে ডানাহীন পরি ও আমি।
খোলা হাত,পা কোমর জুড়ে আমার এক হাত।
তোমার মাথাটা ঠেকে আছে আমার বুকে।
অন্য হাতে ঘুরছে আমার তাল পাখা।
হলফ করে বলতে পারি,এমন নির্মল বাতাস পাবেনা পাবেনা তুমি।
পাবেনা তুমি হাসনাহেনার ঘ্রান,এই রুপালী জোছনা।
দমকা বাতাস আমার আলতো স্পর্শ।
ইট,কাঠ,পাথরের এই বন্য শহরে।
কোথায় তুমি ওগো আমার পরী।
একবার শুধু একবার দেখা দিয়ে যাও।
তোমার খোলা চুলে হাত বুলাবো,হাসনাহেনার ঘ্রান নেব।
তালপাখার বাতাস দিব,দিব ভালবাসা।
দিব নাকো একটু ব্যাথা,বলব আমার কথা।
শুনতে পাওনা তুমি আমার আকুতি।
তুমি বড় নিষ্ঠুর,পাষান বোঝনা আমায়।
কোথায় থাক,কিভাবে থাক আমাকে ভুলে।
পরী তুমি দাও দেখা,আমি বড় একা।
না নেই কোথাও নেই তুমি আমার পরী।
খুজে ফিরে আমি তোমায়,হাসনাহেনার ঘ্রান পাই।
চাঁদের রুপালী জোছনা নাই,নাই তালপাখা।
মাথার উপর ঘুরছে দেখি অসভ্য এক চাকা।

বি:দ্র:আমার কোন পরী নাই,খুব কাছ থেকে ও কোন রকম পরী দেখার মত ভাগ্য হয় নাই।যদি উক্ত লেখা দেখিয়া কাহারো পরীর কথা মনে পড়ে যায়।
অথবা কোন পরীর স্পর্শ পাইতে মন চায় আমি দায়ী নই।তবে আন্তরিক ভাবে দুঃখিত,এরুপ ঘটিলে সম্পূর্ন বিষয়টি দুঃসপ্ন বলিয়া কল্পনা করিবেন।

কোন পরীর তাল পাখার বাতাস খাইতে মন চাইলে।
## নিজের কাঁধে ডানা লাগাইয়্যা
আমার কাছে এসো।
তুমি ডানা নাড়াচাড়া করবে
আর আমি বাতাস খাব।
তোমার দেহের কম্পন অনুভব করবো।
ভুলবশত তোমার ডানা সমেত পোশাক খসিয়া কিংবা ধসিয়া গেল আমি নয় সরাষ্ট্র মন্ত্রী দায়ী থাকবে।
স্টক সীমিত,শীগ্রই আসুন।
## শর্ত প্রযোজ্য।

৫ thoughts on “তাল পাখা ও পরী

  1. কোন পরীর তাল পাখার বাতাস

    কোন পরীর তাল পাখার বাতাস খাইতে মন চাইলে।
    ## নিজের কাঁধে ডানা লাগাইয়্যা
    আমার কাছে এসো।
    তুমি ডানা নাড়াচাড়া করবে
    আর আমি বাতাস খাব।
    তোমার দেহের কম্পন অনুভব করবো।
    ভুলবশত তোমার ডানা সমেত পোশাক খসিয়া কিংবা ধসিয়া গেল আমি নয় সরাষ্ট্র মন্ত্রী দায়ী থাকবে।
    স্টক সীমিত,শীগ্রই আসুন।
    ## শর্ত প্রযোজ্য।

    এই অংশটুকু বাদ দিলে আরও চমৎকার হইত

Leave a Reply to ডাঃ আতিক Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *