বিষন্ন পাখির ঝরে যাওয়া পালক…

কাঙ্খিত মৃত্যু এসে গেলে
পুনরায় বাঁচতে ইচ্ছে করে ভীষণ,
যেমন কাঙ্খিত সঙ্গম সাঙ্গ হলে
ফিরে আসে ধূসর ক্লান্তি আর বিষাদ ।



কাঙ্খিত মৃত্যু এসে গেলে
পুনরায় বাঁচতে ইচ্ছে করে ভীষণ,
যেমন কাঙ্খিত সঙ্গম সাঙ্গ হলে
ফিরে আসে ধূসর ক্লান্তি আর বিষাদ ।
হাত থেকে ফসকে গ্যাছে যে রঙ্গীন বেলুন
ইচ্ছে করে আকাশ থেকে ধরে নিয়ে আসি ঐ নচ্ছারটাকে-
আর বেঁধে রাখি বা হাতের কনিষ্ঠায় ।

আমার কৈশোর প্রেমের সখীরা সবাই
এখন দু-এক সন্তানের জননী,
তবুও ওদের সারল্যমাখা কিশোরী মুখটাই শুধু মনে পড়ে ।
অংকে একবার ৭০ পেয়ে খুব কেঁদেছিলাম,
ঐ পরীক্ষাটা আবার দিতে ইচ্ছে করে ।

কত উচ্ছল ছিল শৈশবের আলপথ
কুয়াশামাখা শিউলী-বকুল ভোর
আর বাণের জলে অফুরান স্নানবেলা,
বাউকুড়ানী বাতাস ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে
এনে ফেললো বিশ্রী কংক্রীটে,
এখন আর হাহাকার কাটে না ।

তপ্ত বালু শুষেছে যে জল- তা বুঝি আর ফিরে পাওয়া যায় না!

১৮ thoughts on “বিষন্ন পাখির ঝরে যাওয়া পালক…

  1. ভাই অঙ্কে ৭০ পাইয়া কাদছিলেন
    ভাই অঙ্কে ৭০ পাইয়া কাদছিলেন :মানেকি: আমি জীবনে ৩৩ এর বেশি পায়নাই আর কি বলব লইজ্জার কথা একবার OO ও পাইছিলাম :লইজ্জালাগে: ।। কবিতা খারাপ হয়নাই ……

    1. হুম..ছোটবেলায় পড়াশুনায় খুব
      হুম..ছোটবেলায় পড়াশুনায় খুব সিরিয়াস ছিলাম..পুংটা হইছি ৯ম-দশম এ । ধন্যবাদ কবিতা বালো লাগার জন্য ।
      :নৃত্য: :বুখেআয়বাবুল: :ধইন্যাপাতা: :bow:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *