বঙ্গবন্ধুর রক্তে ঋণী বাংলাদেশ !

গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও ধর্ম নিরপেক্ষতার রাজটিকা বুকে ধারণ করে জন্ম নিয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। প্রথমেই বলবো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে রক্ত দিয়ে এ বাংলাদেশকে ঋণী করে গেছেন। এ দেশের জন্য তিনি তাঁর জীবদ্দশায় যা করে গেছেন তার মূল্য কেউ দিতে পারবে বলে মনে হয় না। এই রকম বৃহৎ মনের অধিকারী, বিশাল ব্যক্তিত্বের মানুষ এদেশে বিরল।



গনতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও ধর্ম নিরপেক্ষতার রাজটিকা বুকে ধারণ করে জন্ম নিয়েছে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। প্রথমেই বলবো জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে রক্ত দিয়ে এ বাংলাদেশকে ঋণী করে গেছেন। এ দেশের জন্য তিনি তাঁর জীবদ্দশায় যা করে গেছেন তার মূল্য কেউ দিতে পারবে বলে মনে হয় না। এই রকম বৃহৎ মনের অধিকারী, বিশাল ব্যক্তিত্বের মানুষ এদেশে বিরল। তাঁর এদেশের গণমানুষের প্রতি অনুরাগ, সমবেদনা দেশের জন্য নিবেদিত প্রাণ- আন্তর্জাতিক চিন্তা-ভাবনা তাকে শুধু এদেশেই নয়, সারা বিশ্বে পরিচিতি এনে দিয়েছে বাংলাদেশকে। বিশ্বের প্রায় দেশে এ ছোট দেশটিকে না চিনলেও বঙ্গবন্ধুকে চেনেন এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়েই এদেশের পরিচিতি বিশ্বজুড়ে। সুতরাং বঙ্গবন্ধুর রক্তে এ দেশ ঋণী হয়েছে। এ দেশকে তিনি স্বাধীনতা দিয়েছেন, দিয়েছেন কথা বলার অধিকার, দিয়েছেন বাঁচার অধিকার, উন্নত শিরে দাঁড়ানোর মতো ক্ষমতা। ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন, ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান এবং ৭১ এর স্বাধীনতার যুদ্ধ ঘোষণায় বঙ্গবন্ধু ছিলেন বাংলা ও বাংলাদেশের প্রাণ কেন্দ্র, বিশাল এক ব্যক্তিত্ব। তৎকালীন আইয়ুব সরকারের রক্তচক্ষুকে উপেক্ষা করে বঙ্গবন্ধু ওই তথাকথিত লৌহমানবকে তুলার মত উড়িয়ে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধু এ দেশকে দানবীয় শাসন-শোষণ থেকে মুক্ত করেছেন। একাত্তরেই জাতির জনক বঙ্গবন্ধু যখন পাক হানাদার বাহিনীর হাতে গ্রেপ্তার হন, তখন তাঁর মনে সামান্যতম কুন্ঠা বোধ ছিলো না। অকাতরে নিজেকে এ দেশের মানুষের জন্য বিলিয়ে দিতে প্রস্তুত ছিলেন তিনি। যখন পাকিস্তানী কারাগারে আটক রাখা হয় বঙ্গবন্ধুকে তখন তাঁর চোখের সামনেই তাঁকে কবর দেয়ার জন্য কবর খুঁড়তে থাকে ইয়াহিয়ার দানবেরা। তখনো বঙ্গবন্ধুর মনে বিন্দু পরিমাণ ভয় জাগেনি। তিনি তাঁর নীতিতে অটল ছিলেন। বরঞ্চ তাদের কাছে এ টুকু অনুরোধ করেছিলেন যে, তার মৃত্যুর পর তাঁর লাশ যেন বাংলার মানুষের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এভাবেই তিনি প্রমাণ করে গেছেন কতো বড়ো হৃদয়ের অধিকারী ছিলেন তিনি। এ দেশের জন্য মমত্ববোধ কতোখানি ছিলো তাঁর। স্বাধীনতার পর স্বদেশে ফিরে তিনি এদেশের মানুষের খোজঁ খবর নিয়ে কেঁদে ফেলেছিলেন। স্বজন হারানোর ব্যথা নয়, এটি ছিলো এদেশের মানুষকে হারানোর ব্যথা। তাঁর হৃদয়ে ছিলো বাংলাদেশ আর দেশের মানুষের জন্য ভালোবাসা। এ ভালোবাসার কমতি ছিলো না কখনো। কিন্তু বিশাল ব্যক্তিত্বের এবং বিশাল মনের এই মানুষটিকে আমরা হারাই ১৫ আগষ্ট। সপরিবারে হারিয়ে যান বঙ্গবন্ধু আমাদের মাঝ থেকে। তিনি রক্ত দিয়ে ঋণী করে গেলেন এ দেশকে, এ দেশের মানুষকে। কারণ, তিনি জীবনের কিছুই করেননি নিজের জন্য, করে গেছেন দেশ ও দশের জন্য। পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন বাংলাদেশের মানুষ তাকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মারণ করবে।

৫ thoughts on “বঙ্গবন্ধুর রক্তে ঋণী বাংলাদেশ !

  1. বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালির চেতনার
    বঙ্গবন্ধু বাঙ্গালির চেতনার নেতা – বিশ্বাস এর নেতা – সহস্র সালাম তোমায় – :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

  2. পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন

    পৃথিবী যতদিন থাকবে ততদিন বাংলাদেশের মানুষ তাকে কৃতজ্ঞতার সাথে স্মারণ করবে

  3. বাংলা ভাষা যতদিন থাকবে, এই
    বাংলা ভাষা যতদিন থাকবে, এই বাংলাদেশ যতদিন থকাবে
    ততদিনই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু থাকবে…
    :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

Leave a Reply to মোশফেক আহমেদ Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *