# এত শিরোনাম আমার স্টকে নাই #

যে কেউ কিছু একটা ব্লগে লেখার পরে সবচে শেষে উপরে তাকালে যে সমস্যায় পড়েন তা হল শিরোনামের ঘরটি ফাঁকা । অনেকের টাইপ করতে ৫ মিনিটও লাগেনা , হয়ত শিরোনাম খুঁজে ৫ ঘণ্টা । এই অহেতুক পিনিক থেকে বাঁচতে শিরোনামে এই বাটপারি ! :হাসি:


যে কেউ কিছু একটা ব্লগে লেখার পরে সবচে শেষে উপরে তাকালে যে সমস্যায় পড়েন তা হল শিরোনামের ঘরটি ফাঁকা । অনেকের টাইপ করতে ৫ মিনিটও লাগেনা , হয়ত শিরোনাম খুঁজে ৫ ঘণ্টা । এই অহেতুক পিনিক থেকে বাঁচতে শিরোনামে এই বাটপারি ! :হাসি:

কিছুদিন আগে প্রায় সব প্রতিবাদি ইউজারের ওয়াল বা ব্লগে গেলে মনে হত দুই টাকার পত্রিকা পড়ছি ।প্রায় সবাই ধর্ষণের সমস্ত সংবাদ যোগাড় করে সেইসব পত্রিকার ভাত মারতেন । বলাই বাহুল্য সংখ্যাগরিষ্ঠরা পুরুষ জাতির মুণ্ডুপাত করতেন আর সংখ্যালঘুরা ললনার দুষ দিলে দৌড়ের উপর রাখতেন । কে ঠিক বা কে বেঠিক সেই ক্যাচালে যাবো না আর আমার ইসলাম নিয়া বেঠিক ধারণা ছড়াইলে আমিও ছাগশিশুর মত মুণ্ডুপাত করিবোনা । কারণ আমার থেকে বড় মুন্ডুপাত আল্লাহ করতে পারেন । আর ঝামেলার কাজগুলি তিনি অতি সহজে পারেন । মাইনসে সহজ কাজ করেনা তাই ঝামেলায় পড়ে । সহজ সমাধান হদ জারি করা(মাটিতে পুইতা পাথর মাইরা হত্যা করা);তা তারা করবেনা । তখন মহান পণ্ডিতদের কাছে এইসব অমানুষিক শাস্তি !

তো এই মুসলমানরা বলত কোরআনে পুরুষদের আগে নজর নিচু করতে বলছে , আর পরে মেয়েদের পর্দা করতে বলছে ।অবশ্যই নারীদের দৃষ্টি আকর্ষণ করার মত নারীবাদী যুক্তি ।শুরু হয় বালখিল্য ।এ কয় অয় আগে ঠিক হউক, অয় কয় আমারে পরে কইছে তাই আমি পরে । এ কয় তুই আগে, ও কয় না তুই আগে । এবং অবশেষে কেহই মানেনা । কিন্তু তাফসিরে বা আলেমদের কাছে কি এই নারীবাদী যুক্তি আছে না মানববাদী যুক্তি আছে তা কেউ ঘেঁটে বলেছে কিনা কে জানে ! যেহেতু আমি কিছু সম্প্রদায়ের কাছে নির্বোধ যে মনে করে কোরআন শুধু সমাধান-ই নহে সর্বশ্রেষ্ঠ এবং একমাত্র সমাধান , সো আমি অবশ্যই মনে করি সমাধানটি নিছক একতরফা হবেনা ।আচ্ছা , কোরআনে আগে সালাতের আয়াত আসছে আর পরে মদ হারামের আয়াত । তাই বইলা কেউ কি এখন নামাজ পড়বে আর সেই সাথে আগামি দশ বছর পাঁড়মাতাল হয়ে থাকবে ? না । তার জন্য দুটা হুকুম-ই সমান । একিভাবে পুরুষ ও নারী দুই ক্ষেত্রেই তারা তাদের হুকুম সমানভাবে পালন করবে । আমি বললে তো হবেনা , আলেমদের কাছে যাইতে হবে । তাই গেলাম । জিজ্ঞেস করলাম কিতাবগুলিতে এই ধরনের আগপিছ আইন আছে কিনা । তারা বললেন -না ; উভয়কেই মানতে হবে । যদি কেবল পুরুষ বা কেবল নারীদের ব্যাপারেই থাকত তাইলে যে কোন একজনের সতর্ক হওয়ার প্রয়োজন ছিল ।

এই কাজ করলে যেমন কঠিন শাস্তি আছে তেমনি না করলে আছে চরম পুরস্কার । আখেরাতে কি আছে তা তিনিই ভালো জানেন ।তবে দুনিয়াতে আল্লাহর সাহায্যগুলির ঘটনা খেয়াল করলে আমরা দেখব তার সাহায্যের নমুনা হল এই যে স্বাভাবিক চোখে যা হতে দেখি তার বিপরিত । সূরা ইউসুফে এর প্রমাণ আছে । শুধু আল্লাহকে ভয় করা এবং যে কোন পরিস্থিতিতে আল্লাহ সাহায্য করবেন এই আস্থা রাখা । তাঁর কাজ ছিল হুকুম পুরা করা আর আল্লাহর কাজ ছিল তাকে সাতটা দরজায় তালা মারা অবস্থায় বের করে আনা । টেকা দিলে মাল ডেলিভারি আর হুকুম পুরা করলে আল্লাহর সাহায্য নগদে ডেলিভারি । আর অটোমেটিক তালা খুলে যাওয়ার মত ঘটনাগুলি হইল ফাও বিনোদন ।

মুসলিম শরিফের একটি হাদিস আছে যাতে পূর্ববর্তী যামানার তিন লোক এক পাহাড়ি গুহায় আটকা পড়ছিল । তিঞ্জন-ই খুব বুজুর্গ ছিল । মুমিনদের সমাধান নেয়ার পদ্ধতি হল তারা মন্ত্রির পাও চাটেনা বা চাকরীর জন্য মামু খালুর ধান্ধাও করেনা । তারা আমলের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সমাধান নেয় । ঘটনা বিশাল ,ত এই তিন ব্যক্তি নিজেদের শ্রেষ্ঠ আমলগুলি আল্লাহর কাছে পেশ করল যাতে তিনি উদ্ধার করেন । এর মধ্যে শেষ ব্যক্তি যার আমল ছিল এই যে তার একবার ধর্ষণের চিন্তা হয় । এটা বাস্তবায়ন করার জন্য সে সুযোগও পেয়ে যায় । কিন্তু সদ্ব্যবহার করার আগে তার মনে হয় , কি করছি ? কেউ দেখে না কিন্তু আল্লাহ দেখে । সে এই কাজ না করেই সরে আসে।এটি আল্লাহর পছন্দ হয় আর পরবর্তী জিবনে সে ওলি হয়ে যায় । তো বাকি দুই জনের দোয়ায় গুহার পাথর কিছুটা সরে আর তখন সে দোয়া করে ”যদি এই আমল আপনার জন্য হয় তবে পাথর সরিয়ে দিন” ।সঙ্গে সঙ্গে পাথর সরে যায় । তারা তিনজনি গুহা থেকে মুক্তি পায় ।

কুন এক আয়াত না হাদিছে যেন পড়ছিলাম কমবেশি এমন “আল্লাহকে তেমন ভয় কর যেমন ভয় করার তাঁর হক আছে ”
যেমন বিশ্বাস করবা তেমন রিটার্ন পাইবা । এখানে দেখা যাচ্ছে সাহায্যের জন্য নবি বা মুদি দোকানদার মুখ্য নহে । মুখ্য হইল হুকুম মানছি , নাকি মানি নাই ।

অলিক লাগে ? ওয়েল ইফ ইউ আর এ প্রোগ্রামার অর সায়েন্টিস্ট অর সামথিং এসহোল লাইক মি , একটি জংলি হাইড্রোক্লোরিক এসিড কি তা চিনবো না । হাইড্রোক্লোরিক এসিড লেখা বতলের পানি ব্যাক্কলের মত সে যদি ফান্টুশ(ফান্টা) ভাইবা খায় কি খাইলো তা ভাবার টাইম পাইবো না । কিন্তু এক্তা নাইনের দুধের বাচ্চা পর্যন্ত জানে এইটা খাইলে সান্ডে মান্ডে কোলোজ । কারণ কি ?সে পড়ছে । জংলির পটল তোলার কারন কি? সে জানেনা । একটা প্রোগ্রামার যখন কোড লেইখা বানায় প্রোগ্রাম রান করে , চলে । তুমি ভ্যাবদার মত চাইয়া বলতেই পারো , মিজিক ! তুমি কেন পারোনা ? কারন তুমি জাননা । তুমি যখন দেখ তোমার অলিক লাগে । ঠিক একি ব্যাপার ইউসুফ(আ) বা সেই সেই তিন হুজুরের ক্ষেত্রে এবং আরও বহু ঘটনায়। একটা আমল তা হুকুম মানায় হোক বা কোরআনের আয়াত দিয়ে করা হোক এটি একটি প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ । কন্ডিশন(যেমন ঈমান,নিয়ৎ,তরিকা) ঠিকঠাক থাকলে কাজ করবে মিজিকের মত !

যাই হউক সামনে শবে বরাত । কিছুই না জাইন্যা না ঘাইট্টা হালুয়া খাউ , আর পটকা ফুটাউ । ফরজ বা কাজা ফরজ থুইয়া নফল দিয়া একরাইত জাইজ্ঞা উল্টায় লাউ ! পরে টের পাইবা , ”আমি কি হনুরে !”

ও একটা জিনিস খেয়াল করলাম । অনেকে হয়ত বহুত আগেই খেয়াল করেছেন । এবনরম্যাল(শিশু)রেইপ বাদে অন্য সব রেইপের ক্ষেত্রে শুধু আর্থিক বা সামাজিকভাবে দুর্বল ও ক্ষমতাহীনরাই রেপের শিকার ।কিন্তু কোন ধনীর দুলালি যতই বেপর্দা চলুক রেইপ হয়না । তার মানে এই যে একজন রেপিস্ট অসুস্থ না ,তার নিজের লাভক্ষতির হিসাবটা সে ভালই রাখে । এক্ষেত্রে কেউ যদি ইসলাম বিশ্বাস না করেন সেই মহিলার সেক্ষেত্রে মনে হয় ধনির দুলালির মত আচরণ বা পোশাক না পড়াটাই ভালো । আপনার প্রটেকশন থাকলে যা খুশি করেন । আর রেপিস্টের শাস্তি কার্যকর না হইলে যে শুধ্রায় না তা নিচের ঘটনায় বুঝবেন ।

যাইগা , রাত একটায় ব্রাজিলের খেলা ।অনলাইনে দেখলাম স্পেন তাহিতিরে রেইপ কইরা ছাইড়া দিছে(স্পেন ১০-০তাহিতি) । যদিও এই খেলা কেউ দেখছে কিনা এমন পিশাচ পাওয়া দুষ্কর । তবে মজার ব্যাপার এই তাহিতিরে যদি স্পেন ওয়ার্ল্ডকাপে পায় তাইলে ১ গোল দিয়া শেষ বাঁশি না বাজা পর্যন্ত পাস পাস খেলব । ২০১০সালে এই স্পেন রেকর্ড সবচে কম গোল (৮টা) দিয়া জিতছিল । এহেন কুরুচিপূর্ণ এবং কাপুরুষচিত টেকনিকের মাধ্যমে চূড়ান্ত বিরক্তিকর মাঠা খেলা উপহার দেয়ার জন্য রেপিস্ট স্পেইনরে এবারের ওয়ার্ল্ডকাপে ব্যান মারা হউক !

১০ thoughts on “# এত শিরোনাম আমার স্টকে নাই #

  1. এত দামী একটা পুস্টে শিরোনাম
    এত দামী একটা পুস্টে শিরোনাম না দিয়া ভাল করেন নাই। এই পোস্টের জন্য চ্যাছা খাওয়ার চাঞ্জ আছে আপনার। সাবধানে থাইকেন।

    1. মহান শিল্পবোদ্ধা ও
      মহান শিল্পবোদ্ধা ও সাহিত্যিকেরা ছ্যাছা দিলেও বহুত নেকি … সাবধানে তারা থাকবেন ,কারন ছ্যাছা ঠিকঠাকমত না দিলে সেই দুঃখে লুঙ্গি উঠায়ে চোখের পানি মুছমু । ব্যাপরদা হইলে কি আসে যায় । তারা এইসবে ফ্লিংস পায়না ।

      1. এইডা কিছু হইল !!প্রতিমন্তব্য
        এইডা কিছু হইল !!প্রতিমন্তব্য দেইখা না হাইসা পারলুম নাহ !!! :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  2. শিরোনাম খুঁজে না পাওয়া বা
    শিরোনাম খুঁজে না পাওয়া বা দিতে না পারাও লেখকের ব্যর্থতার একটা মাপকাঠি…
    আশা করি সুন্দর পোস্টটির একটা সুন্দর শিরোনাম দিয়ে দিবেন!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *