ধর্মের অবমাননার বিচার হ​য়, ক্ষমতা আর তথ্য​অবমাননার বিচার হবে কবে?

একজন ইন্টেলেকচুয়াল মানুষ সমাজে ঠিক কতটুকু অবদান রাখতে পারে? আপনারা বলবেন, তারাই তো সম্পদ। আমিও না বলছিনা। কিন্তু এর মাঝে কিন্তু টা খুব ব​ড় করে জ্বলজ্বল করে। একজন ইন্টেলেকচুয়াল ব্যাক্তি যদি তার সমগ্র জ্ঞান জেনে শুনে কিছু গোপন করার ক্ষেত্রে খাটান তবে যে কেউ তার জ্ঞানমুগ্ধ চ্যালা হতে বাধ্য। জ্ঞান এর কিছু স্তর আছে। ধরুন কেউ কোন আড্ডা এর মাঝে বললেন, আমাদের জানাশোনা জগতে এখনো ব্ল্যাকহোল পাওয়া যায় নি। কেউ যদি ততক্ষনাৎ প্রতিবাদ করে বলে,”কে বলেছে? কিছুদিন আগে একটা বের হ​য়েছে এই এই নাম ইত্যাদি।” সবাই ঘটনার সত্যতা জানলে তাকে ইন্টেলেকচুয়াল উপাধি দিয়ে দিবে। এরপর যদি এই ব্যক্তি ই আবার বলে, ভেনাস অর্থ বুধ গ্রহ তাও সবাই বিনা বাক্যব্যায়ে মেনে নেবে, ভুল হল কি শুদ্ধ হল তা দ্বিতীয়বার দেখবে না। সবার কাছে তার নাম ছ​ড়াবে, আরে বাপস এ তো মহাজ্ঞানী। কিছু ভক্ত থাকবে তাকে প্রটেক্ট করার জন্য। কেউ বাইচান্স যদি ধরে ফেলে ভুলটা, কিন্তু দাপটের ভ​য়ে আস্তে করে একজনকে বলে, এই শোন এটা যে বললো সেটা ভুল তাহলে বাঁচা মরার প্রশ্ন চলে আসে। “হই তুই বেশি বুঝস গাধা?” এই ফাঁকে বিশিষ্ট ইন্টেলেকচুয়াল কখনো সত্য কখনো আধা সত্য জ্ঞান দ্বারা শুধু নিজের ভান্ডারই কমান না (মতান্তরে বাড়ান), বরং অন্যদেরও কুয়োর ব্যাঙ বানিয়ে দেন। একবার উনার ভুল ধরা প​ড়লেও অযুহাতের অভাব নেই। ” হঠাৎ ভুলে গেছিলাম, আরে হ্যা ওইটাই আমি অন্যভাবে বলসি ইত্যাদি ইত্যাদি।” অ অবার কেউ যদি একবার তার ভুল খুব ব​ড়ভাবে ধরিয়ে দিতে পারে তখন সে হল নতুন ইন্টেলেকচুয়াল। এরপর সে যা বলবে তাই ঠিক, মানে সবার নিউ ফেভারিট। আগেরজন আর নতুন জনের মাঝে ক্যাচাল​, একে অপরকে দোষারোপ, কিন্তু কেউ নিজের ভুল স্বীকার করবে না। খ্যাতির মোহ কেউ ছাড়তে চায় না।এরমাঝে আবার সেন্টিমেন্ট খুব ব​ড় একটা অবদান রাখে। আমি উনার সাথে কাজ করেছি ব্যক্তিগতভাবে চিনি উনি এমন হতেই পারেন না- এই বিশ্বাসটাই সবাইকে গাধা বানিয়ে রাখে। সিটি নির্বাচনে বি.এন​.পি এর জ​য়, ক্ষমতায় থাকাকালীন পাঁচবার দুর্নীতিতে চ্যাম্পিয়ন হওয়ার রিপোর্ট এর পর ও।শেখ হাসিনা ম্যাডামের ইমেজ ভাল তার বাবার কারনে, তাই তিনি যাই বলবে ন তাই ই বেদবাক্য। যথারীতি চ্যালারা তার বাক্যের সাফাই গাইতে বিরাট বিরাট যুক্তি দিয়ে ১=২ প্রমান করবেন। খালেদা ম্যাডামের এডভান্টেজ তার হাসবেন্ডের মৃত্যু এবং ধর্ম অবশ্যই। কিছু হলেই খালেদা কোং দেশবিভাগের কারন টেনে এনে প্রমান করার চেষ্টা করেন যে, মালাউনস ডোন্ট বিলং ইন বাংলাদেশ। যদিও সত্যিকারের মালাউন কে তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। যারা ইসলাম বাদে অন্য ধর্মাবলম্বী তাদেরকে কিন্তু এত প্রকট আকারে ধর্ম অবমাননা করতে দেখা যায় না। যত ধর্ম​অবমাননা কারী সব খালেদার ল্যাদা। তিনি এত ব​ড় ধর্ম রক্ষাকারী কিন্তু তার রংঢংয়ের শেষ নেই।হায়, খালেদা ম্যাডাম ধর্মের এত রক্ষা করেন যে নিজের কোন আপনজন না হওয়া সত্তেও তার হজ বা ওমরাহ এর সঙ্গী হন প্রানপ্রিয় ফালু।ফালু নিজে তার শাড়ি জনসভায় ঠিক করে দেয়।আর তখন হেফাজত ইসলামের ন​য়, ম্যাডামের কোষ্ঠ এর সেবা করে। রাজনীতির জগতে এত ব​ড় দুই ইন্টেলেকচুয়াল থাকতে আর কারো উদাহরন মুখে আনা পাপ। অতঃপর এই ধারা চলতে থাকবে তো থাকবেই…….।তাদের মাঝে তাদের চ্যালাদের মাঝে, তাদের সন্তান নাতিপুতি ইত্যাদি ইত্যাদি……..

৭ thoughts on “ধর্মের অবমাননার বিচার হ​য়, ক্ষমতা আর তথ্য​অবমাননার বিচার হবে কবে?

    1. আমি কখনও মনে করি না শেখ
      আমি কখনও মনে করি না শেখ হাসিনা তাঁর পিতার মৃত্যু দিবসে কেক কেটে ফুর্তি করা মহিলার সাথে দেখ করবে… কোন অবস্থাতেই তা করা উচিৎ হবে না!!
      তারথেকে একজনের স্বাভাবিক মৃত্যুই শ্রেয়!!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *