“জনপ্রিয়” হবার আশায় ৭৫ ভাগ কপি করা পোস্ট, স্টিকি , এডমিনদের জবাব কি?

ব্লগ,ব্লগিং এই শব্দগুলোকে বাংলাদেশে এখনও সামাজিক/রাষ্ট্রিক “সেবা নির্ভর” একটি প্লাটফর্ম হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। কিছু কিছু রাজনৈতিক দল “দলীয় ব্লগার” নিয়োগ দেয়। এবং সেই দলীয় ব্লগার যতটুকু না ব্লগার তার চাইতে বেশি” দলের দালাল “ হিসেবেই পরিচিত থাকেন। কিছুদিন আগে হেফাযতে ইসলামের কল্যানে ,আওয়ামীলীগের ব্লগারদের ধরে জেলে পুরার কারনে এবং সর্বোপরি ধর্ম নিয়ে কিছুব কিছু ব্লগারের অতিরিক্ত আজাইরা প্যাচালে (ঠিক যেমন খালি কলসি বাজে বেশি) সোজা বাংলাতে “ব্লগ” জিনিসটা আসলে কি সেই সম্বন্ধেই আমাদের পরিষ্কার কোনো ধারনা নেই। ব্লগ আমাদের তথ্য,উপাত্ত সংগ্রহশালা হিসাবে যেমন দরকারী ঠিক একইভাবে ব্লগ একটি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। কিভাবে? অনেকভাবেই আপনি আপনার ব্লগ থেকে টাকা উপার্জন করতে পারেন। যেমনঃ

>>> আপনার ব্লগটি যদি খুব জনপ্রিয় হয় তবে সেখানে আপনি বিভিন্ন দ্রব্যের বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা পাবেন।

>>> “এফিলিয়েট শপিং” মানে অন্যের দ্রব্য বিক্রি করে দেয়া। যেমন ধরুন আপনি আপনার ব্লগে এ্যামাজন বা ধরুন আমাদের সেলবাজারের লিংক দিয়ে রাখলেন। আপনার ব্লগ থেকে কেউ যদি ঐ লিংকে গিয়ে কিছু কিনে তখন আপনি টাকার ভাগ পাবেন।

>>>বিভিন্ন প্রোডাক্টের রিভিউ পোস্ট করে আপনি টাকা পেতে পারেন। যেমন ধরেন কেউ আপনার ব্লগে কোনো সিনেমার রিভিউ লিখল। ভিজিটররা এসে সেই রিভিউ পড়ে মুভিটা দেখতে গেলো অথবা পুরাতন মুভি হলে ডিভিডি কিনে আনতে গেলো। তবে তার জন্য সবচাইতে বেশি জরুরী জিনিস যেটা তা হচ্ছে আপনার ব্লগকে জনপ্রিয় করা এবং SEO(SEARCCH ENGINE OPTIMIZATION) এ আপনার ব্লগ যেনো গুগল সার্চে আগে আসে সেই ব্যবস্থা করা। এই জন্যে গুগলের অনেক নীতিমালা আছে। যাক সেগুলো টেকি ব্যাপার। আগ্রহ থাকলে দেখে আসুন কিভসবে ব্লগ থেকে আয় করা যায়।

লিংক ১ ঃএখানে

লিংক ২ ঃএখানে

আমাদের দেশে এই ব্লগিং কালচারটা সেভাবে গড়ে উঠেনি এখনও। আমাদের দেশের ব্লগারদের যদি ক্লাসিফাই করি তাহলে আমার অবজার্ভেশন অনুযায়ী বাংলাদেশে ৪ ধরনের ব্লগার বিদ্যমান
১।. নিজের দায়িত্ববোধ এবং দেশের স্বার্থে নিজের মূল্যবান সময় এবং অর্থ দুটি দিয়েই অবদান রাখেন। জনপ্রিয়তা এদের কাছে মুখ্য ত নয়ই বরং অনেকে নিজেকে আড়াল করেই দেশ ও জনগনের স্বার্থে কাজ করে যান

২। কোনো না কোনো দলের এ্যাজেন্ডা বাস্তবায়নে কাজ করেন। এদের ব্লগার না বলে “পেইড এ্যাজেন্ট” বলা যেতে পারে।

৩। এরা শুধুমাত্র নিজের মতামত প্রকাশ করার ক্ষেত্র হিসেবে ব্লগকে একটি প্লাটফর্ম হিসেবে ব্যবহার করেন।

৪। .এরা জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য ব্লগিং করেন। ইস্যু,রাষ্ট্র এদের কাছে মুখ্য না ,নিজের নাম ফাটানোটাই এদের মূল লক্ষ্য। শুদ্ধ বাংলাতে এদের “ফ্যামস্লাট” বলা যেতে পারে।

স্কুল-কলেজ- ভার্সিটিতে পড়ার সময় আমরা যেসকল ছেলেরা হাত দেখতে জানত বা গিটার বাজাতে জানত অথবা যাদু দেখাতে পারত তাদের প্রতি এক ধরনের আকর্ষন বোধ করতাম। এখনকার মেয়েদের দেখি “ব্লগার”প্রতি সেই মুগ্ধতা কাজ করে। কাজ করে। স্বাভাবিকই বটে কাজটা। একজন মানুষ এতকিছু জানে,পড়ে এইটা বিশাল ব্যাপারই ত,তাই না? কারন এখন পড়ার সময় কই মানুষের?? “ফেসবুক” আর “আড্ডার” পর ক্লাসের পড়াই হয়না আর বাইরের বই পড়া!! মাথা খারাপ? আমাদের ভাগ্য যে আমরা বাংলা ব্লগজগতে এমনকিছু ডেডিকেটেড ব্লগার পেয়েছি যারা কোনো অর্থের জন্য নয়, নিজের নামের জন্যও নয় শুধু জনসচেতনা আর নিজের দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে অসংখ্য “মাস্টারক্লাস ব্লগ” লিখেছেন এবং এখন আমরা জোড় গলায় বলতে পারি যে বাংলা ব্লগ একটি নিজস্ব ধারা তৈরি করতে পেরেছে, মেইনস্ট্রিম মিডিয়াগুলো যেখানে কারো না কারো দালালিতে ব্যাস্ত সেখানে ব্লগ আমাদের সঠিক তথ্য প্রদান থেকে শুরু করে বিভিন্ন বিষয়ে জ্ঞান অর্জনেও সহায়ক ভুমিকা পালন করছে। এদের আমার সালাম। পেইড এ্যাজেন্টদের কথা বলে লাভ নেই,বাদ দেন। আর যারা নিজের মতামত প্রকাশ করার জন্যে ব্লগে আসেন তাদের নিয়েও কোনো কিছু বলার নেই। সেটি ব্লগের জন্য ভালোই। কিন্তু প্রব্লেম হচ্ছে যারা নিজের নাম ফাটানোর জন্য ব্লগিং করে তাদের নিয়ে। ফেমাস হতে কে না চায়? সবাই চায়। কিন্তু কেউ কম কেউ বেশি। কিন্তু কেউ যদি ফেমাস হবার জন্য দিগ-বিদিগ শূন্য হয়ে দুনিয়ার সবাইকে আবুল-ক্যাবলা ভেবে ব্লগিং করে তাহলে বিরাট সমস্যা। তারা যখন ধরা খায় তখন উন্মোচিত হয় যে আসলে কে আবুল। পাঠক না ঐ ব্লগার? আসিফমহিউদ্দিনের “রুবাইয়্যাত ট্রিটম্যান্টের” কথা আশা করি ভুলেন নাই আপনারা।

ত ফেমাস হতে চাইলে আপনাকে কি করতে হবে। দু’টি কাজ করতে পারেন আপনি। এক, কোনো বিতর্কিত ইস্যু নিয়ে অথবা কোনো বিতর্ক তৈরি হয় এমন কোনো ইস্যু নিয়ে লেখা।
দুই, জ্ঞানী,তথ্যবহুল,এ্যানালাইটিকাল,দেশ-জাতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ এমন কোনো পোস্ট লেখা।

“বিতর্কিত ইস্যু”পয়েন্টটা খুব কম মানুষই ইউজ করে কারন এতে অনেক ক্যাচালও আছে। বাকি থাকল দুই নাম্বার অপশন । কিন্তু সমস্যা হলো ঐ ধরনের লেখা লিখার জন্য আপনার পড়াশোনার লেভেলও সেই মাপের হতে হবে। কিন্তু সেই মাপের পড়াশোনা করা লোক ফেমস্লাট হওয়ার জন্য লিখেনা। আমরা সবাই জানি ,”খালি কলসি নড়ে বেশি”… তাই যারা জানে তারা কখনও জ্ঞান জাহির করার চেষ্টা করেনা। সবাই জানে তিনি জানেন। যে জানেনা তারই জ্ঞান জাহির করার প্রয়োজন পরে। যে কাজটি-ই করেছেন “ইস্টিশন” ব্লগের দেয়ালে চিকা মারা পোস্ট “টিকফা চুক্তি; হুমকির সম্মুখীন বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় ফার্মা সেক্টর যার লেখন শংখচিলের ডানা

আমি নিজে ব্লগার নই। কিন্তু বাংলা ব্লগের একজন নিয়মিত পাঠক আমি। নীরব পাঠকও বলতে পারেন। মন্তব্য করা হয়ে উঠতোনা।সচলায়তন,নাগরিক হালের “ইস্টিশন” সকল ব্লগেই একবার করে হলেও ঢু মারি প্রতিদিন। নাগরিক ব্লগ থেকেই তাই “শংখচিলের ডানা”র লেখার সাথে পরিচিত হই।উনার লেখা ভালোই লাগত। ভারি ভারি সব লেখার মাঝে উনি প্রায়ই বিভিন্ন ধরনের গল্প, ভ্রমন কাহিনী,ফটোব্লগ পোস্ট করতেন। কিছু কিছু গল্প বেশ মানসম্মতই লেগেছে যদিও ফটোব্লগগুলো তেমন ভালো লাগতোনা। উনার মনে হয় ফটো তোলার খুব খায়েশ। কিন্তু খায়েশ আর স্কিল ত এক জিনিস না! যাই হওক মূল প্রসংগে আসি। গত পৌরসু যখন হঠাত ইস্টিশন ব্লগে ঢুকে দেখি টিকফা চুক্তি নিয়ে শংখচিলের ডানা পোস্ট দিয়েছেন তখন বেশ আগ্রহ ভরেই পড়তে যাই। আর উনি যে ফার্মাসিস্ট তা উনি তার অনেক লেখাতেই উল্লেখ করেছেন তাই তিনি এই বিষয়ে লিখার যোগ্যতা রাখেন আশা করা যেতেই পারে।কিন্তু আমার প্রথম খটকাটা লাগে ভাষার ব্যবহারে। এতদিন ধরে ব্লগ পড়ি/বাইরের বইও একেবারে কম পড়িনি। এই দেশের প্রখ্যাত রাইটারদের লেখা পড়া হয়েছে প্রায় সবই। তাই রাজনৈতিক ভাষার ব্যবহারের ক্ষেত্রে ডান আর বাম কারা ঠিক কোন ধরনের ভাষা ব্যবহার করে সেটি বোঝার মতো অভিজ্ঞোতা অন্তত অর্জন করতে পেরেছি। শংখচিলের ডানার এই ব্লগটি পড়ে আমি শতভাগ শিউর হলার যে এটি তার মৌলিক লেখা না অথবা যাদুবলে একদিনে তিনি ১৫ বছরের বিপ্লবী বাম হয়ে গিয়েছেন।তাই গুগল আন্টির সাহায্য নিয়ে একটু ট্রাই করে দেখলাম। এবং যা দেখলাম তা আমি মোটেও দেখতে চাইনি। চলুন এ্যানালাইসিস শুরু করি।

লেখার শেষে,

এই লেখাটা তৈরি করার জন্য যিনি আমাকে সবথেকে বেশি সাহায্য করেছেন তিনি হচ্ছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল ফার্মেসি এবং ফার্মাকোলজি বিভাগের প্রভাষক Zobaer Al Mahmud। তাঁর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।

এই ডিসক্লেইমারটাও আমার নজড় এড়ায় নি। খেয়াল করে দেখুন ডিসক্লেইমারটি আবার।এই লাইনটি আবার পড়ুন যিনি আমাকে সবথেকে বেশি সাহায্য করেছেন. শংখচিলের ডানা বলেছেন যেজুবায়ের আল মাহমুদ তাকে সাহায্য করেছেন। সাহায্য করা মানে কি? তাকে তথ্য উপাত্ত দিয়ে অথবা কোনো সোর্স/লিংক দিয়ে অথবা উদাহরন দিয়ে সাহায্য করা,তাই না? খুব ভালো কথা করতেই পারেন। ইয়ার দোস্ত হলে লিখে দিয়েও সাহায্য করতে পারেন। কিন্তু শংখচিলেত্র ডানা উনার ব্লগের মাঝামাঝি তে টিকফা বাস্তবাতিত হলে আমরা কি কি সমস্যার সামনে পরব, সেটি তিনটি পয়েন্ট দিয়ে পরে ইলাবোরেট করেছেন। মজার ব্যপার হলো ঠিক এই তিনটি প্রব্লেম দাড়ি-কমা সহ একইভাবে সামহোয়ার ব্লগের এই লেখায় আছে যেটি ৭ তারিখে প্রকাশিত আর শংখচিলের ডানার লেখাটি ১৮ তারিখে প্রকাশিত। ১১ দিন পর তিনি সাহায্য করতে এগিয়ে আসলেন নাকি উনার লেখাটা জাস্ট কপি-পেস্ট করে শংখচিলের ডানা সাহেব ক্রেডিটটা নিজের কাঁধে নিয়ে নিলেন? একই লেখা আপনারা ফেসবুক স্ট্যাটাসেও পাবেন। এবং এর ঠিক পূর্বে টিকফার যে ধারাটি এবং তার বংগানুবাদটি দিয়েছেন তাও উক্ত ব্লগ থেকে ডাইরেক্ট ctrl+c & cntr+V. এর উপরে যা লিখেছেন এবং তথ্যাদি দিয়েছেন যেমন ২০১৬ নাগাদ LDC এর মেয়াদ আছে তা ২০২১ পর্যন্ত বাড়তে পারে সেটিও ঐ ব্লগে উল্লেখ আছে কিন্তু সেখানে শংখচিলের ডানা একটু ঘসামাজা করেছেন আর কি! এর উপরে বাণিজ্যসচিব মাহবুব আহমেদ বরাত দিয়ে সংবিধানের ধারা নিয়ে যে তিনি লাইনগুলো লিখলেন তা প্রথম আলো থেকে কপি-পেস্ট করা

সেই কপি পেস্টের পর শংখচিলের ডানা আমাদের সংবিধান নিয়ে কিছু জ্ঞান দিলেন। শংখচিলের ডানা লিখেছেন,

মূল প্রসঙ্গে আসা যাক। TICFA হলে তাঁর প্রভাব ফার্মা সেক্টরে উপর কিভাবে পড়বে চলুন সেটা দেখি। আগেই বলেছি টিকফা নিয়ে সরকার যেহেতু চোর-পুলিশ খেলছে আমাদের সাথে তাই টিফা চুক্তিই আমাদের একমাত্র ভরসা। এই চুক্তির ১৫ নম্বর অনুচ্ছেদে বলা আছে,

Recognizing the importance of providing adequate and effective protection and enforcement of intellectual property rights [obligations contained in the Agreement on Trade-Related Aspects of Intellectual Property Rights (TRIPS) and other intellectual Property rights conventions. adherence

অর্থাৎ,

বাণিজ্য সম্পর্কিত মেধাসত্ত্ব অধিকার এবং অন্যান্য প্রচলিত মেধাসত্ত্ব আইনের যথাযথ এবং কার্যকরী রক্ষণাবেক্ষণ ও বাস্তবায়ন করতে হবে।
টিকফা চুক্তির ফলে বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প ও পাবলিক হেলথ এর উপর যে সকল বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে সংক্ষেপে তা হচ্ছে ঃ

যা কিনা আশ্চর্যভাবে নিচের স্ক্রিনশটটির কিছু লাইনের সাথে মিলে যায়

তিনটি বর্ননা শেষ করে একজন ফার্মাসিস্ট হিসাবে তিনি তার জ্ঞান জাহির করার জন্য “প্যাটেন্ট আইন” মেনে চললে আফটার ইফেক্ট কি হবে তা আমাদের কাছে পরিষ্কার করেছেন। নিচে দেখুন উনার দেয়া উদাহরনেরটি ছিলো

একটা উদাহরণ দিলেই পরিষ্কার হবে পেটেন্ট এর নামে পশ্চিমা বহুজাতিক কোম্পানি কিভাবে অবাধ লুণ্ঠনের ধান্ধা করে। ভারতে ২০০৬ সাল থেকেই Novartis ক্যানসার নিরাময়ে ব্যবহূত গ্লিভেক নামের ওষুধটির উপর মেধা সত্ত্বের দাবি জানিয়ে আসছে এবং ভারতীয় ওষুধ কোম্পানিগুলো ওই ওষুধটি নকল করে বাজারজাত করছে বলে অভিযোগ করে। কিন্তু ভারতের সুপ্রিম কোর্ট Novartis এর মেধাসত্ত্বের দাবিকে বেআইনি ঘোষণা করে সাফ জানিয়ে দিয়েছে, Novartis যে ওষুধটির স্বত্ব দাবি করছে,সেটির মধ্যে ‘নতুনত্ব বা নব-আবিষ্কারের কোনো বিষয়’ নেই। তাই ভারতীয় আইনে Novartis সেটির স্বত্ব পেতে পারে না। ভারতের আইন অনুযায়ী, প্রচলিত ওষুধের চেয়ে খুব বেশি উন্নত বা আলাদা নয় এমন কোনো নতুন ওষুধ স্বত্ব পেতে পারে না। ভারতের ওষুধ কোম্পানি Cipla Ltd. ও Netco Pharma Ltd. গ্লিভেক ওষুধটি তৈরি করে Novartis-র চেয়ে প্রায় দশ গুণ কম দামে বিক্রি করে। Novartis এর মতলব ছিল এই ওষুধের সত্ত্ব আদায় করে নিয়ে ভারতের কোম্পানিগুলার ওষুধ উৎপাদনের অধিকার কেড়ে নিয়ে ভারতের বিশাল বাজারে নিজে চড়া দামে এই ওষুধ বিক্রি করে অবাধে মুনাফা লুটা। কিন্তু ভারতের আদালত এই মতলববাজি আইনের মারপ্যাঁচেই রুখে দিয়েছে। এর মাধ্যমে ভারতের দরিদ্র জনগণের কম দামে জীবন রক্ষাকারী ওষুধ কেনার অধিকার সুরক্ষিত হল সাথে সাথে তাদের ওষুধ শিল্পও বহুজাতিকের অবৈধ আগ্রাসন থেকে রক্ষা পেল। উল্লেখ্য ভারত কিন্তু TICFA চুক্তিতে স্বাক্ষর করে নি। তাই এমন শক্তিশালী অবস্থান নেওয়া তাঁদের পক্ষে সম্ভব হয়েছে। TICFA চুক্তিতে স্বাক্ষর করলে বাংলাদেশ চাইলেও বহুজাতিক কোম্পানিগুলোর বিরুদ্ধে এমন অবস্থান নিতে পারবে না।
আরও একটা উদাহরণ দেওয়া যেতে পারে আফ্রিকা থেকে। Pfizer, GlaxoSmithKlin এর মত বড় বড় কোম্পানীগুলো শুধুমাত্র অধিক মুনাফা লাভের জন্য উন্নয়নশীল দেশের এক কোটি এইডস রোগীকে মৃত্যুর মুখে ঠেলে দেয়। তারা WTO চুক্তির আয়ত্তাধীন TRIPS কে ব্যবহার করে লাইফ সেভিংস এই ড্রাগসের পেটেন্ট আইন কার্যকর করে। ফলে বছরে যেই ওষুধের খরচ ১৫০০০ ডলার (একই ওষুধ ভারতের Yusuf Khwaja Hamied ৩৫০ ডলারে দিতে সক্ষম), সেই খরচ মেটানো সম্ভব হয় নি দরিদ্র আফ্রিকানদের। মুনাফাখোরদের এই উচ্চমূল্যই এই লোকদের মৃত্যুর কারন। কোটি লোক মারার এই ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে Dylan Mohan Gray পরিচালিত Fire in the Blood মুভিতে। অনেকেই মতেই এটি শতাব্দীর সবচেয়ে নৃশংসতম অপরাধ।

এইবার আসেন আমরা নিচের স্ক্রিনশট দুইটা দেখি
স্ক্রিনশট ১

স্ক্রিনশট ২

স্ক্রিনশট ৩

কেমন যেনো মিল মিল ঠকছে না? গন্ধ পাচ্ছেন কপি পেস্টের? আচ্ছা আপনাকে দূর্গন্ধে রাখার ইচ্ছে নেই আমার। এই ফোরামটাতে গিয়ে একটু নিচের দিকে যান স্ক্রল করে তাহলেই আপনি জুবায়ের আল মাহমুদের করা এই মন্তব্যটি দেখতে পাবেন। পুরাটা পড়তে কষ্ট হলে সামুর এই লেখার প্রথম কমেন্টের জবাব টা পড়েন

শংখচিলের ডানা যে সবাইকে বিখ্যাত মুভি Fire in Blood দেখার জন্য সবাইকে আমন্ত্রন জানালেন তা তিনি নিজে কি এই মুভির নাম জীবনে শুনেছেন? দেখবেন আশচর্যভাবে শংখচিলের ডানার দেয়া এই উদাহরন দাড়ি কমাসহ মিলে গিয়েছে।

এখন সামারাইজেশন করি। শংখচিলের ডানা এই পুরু ব্লগটিয়ে সবুজ মার্ক দেয়া কোটেশনগুলো ছাড়া মোট ১২৮ টি লাইন লিখেছেন। এর মাঝে ৩৬ টি লাইন(শুরুর প্যারা আর তার নিচের কিছু অংশ) নেটে কারো কোনো ব্লগে খুজে পাওয়া যায়নি। আর বাকি ৯২ টি লাইন একদম হুবুহু কপি-পেস্ট করা।মানে ২৮ শতাংশ লেখা তার মৌলিক। এই ২৮ শতাংশের মধ্যে কোট করা অংশটাও কিন্তু আরেকজনের ব্লগ থেকে কপি করা। তার মানে সাকুল্যে ২৫ শতাংশ লেখার মালিক তিনি আর বাকি ৭৫ শতাংশ লেখার মালিক জুবায়ের আল মাহমুদ। । অথচ শংখচিলের ডানার উল্লেখিত জবানবন্দিতে তিনি জুবায়ের আল মাহমুদকে সাহায্যকারী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। :খাইছে: :খাইছে: :খাইছে: :bow: :bow: :bow:

ব্লগারদের ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টি বা তার নিজের লেখা যেনো কেউ কপি পেস্ট করতে না পারে তার জন্য আন্তর্জাতিক কিছু আইন আছে। আমাদের দেশে সেইরকম কোনো আইন এখনও করা হয়নি। কিন্তু আপনি যদি একজন প্রফেশনাল ব্লগার বা আর্টিকেল রাইটার হিসেবে কাজ করতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই ঐ সকল আইন-কানুন মেনে চলতে হবে। অন্য ব্লগারদের লেখা কপি করার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম আছে। যেমন সংবিধানের ধারা। এটা ব্লগারের ইন্টেলেকচুয়াল প্রোপার্টি না। তিনি এই ধারাটা জানেন, হয়ত আপনি জানেন না। তাহলে আপনি সেটি তার ব্লগ থেকে কপি করলেও কোনো সমস্যা নেই। আর যদি আপনি লেখকের কোনো অরিজিনাল লেখা আপনার ব্লগে দিতে চান সেক্ষেত্রে “ফেয়ার ইউসেজ” নামে একটি আইন আছে। কিন্তু ফেয়ার ইউসেজ এর ক্ষেত্রেও অবশ্যই লেখকের অনুমতি নিতে হবে এবং অরিজিনাল লেখার লিংক দিয়ে দিতে হবে; যার কোনটাই শংখচিলের ডানা করেন নি। লেখকের অনুমতির কোনো কথা তিনি ব্লগে উল্লেখ করেন নি বরংচ লেখকের কষ্ট করে লেখাকে কপি মেরে “সাহায্য করেছেন” শব্দটি ব্যবহার করেছেন তিনি, যেটি রীতিমত লেখকের কাজকে ছোট করা বা লেখককে অপমান করার শামিল। মৌলিক অভিব্যাক্তি,রিসার্চ ওয়ার্ক,ছবি,ভিডিও এগুলোর ব্যাপারে। অনলাইনের এইসকল আইন-কানুন সহ আরো অনেক তথ্যনির্ভর একটি সাইট ELECTRONIC FRONTIER FOUNDATIONIntellectual Property কি এবং কিভাবে সেটি ব্যবহার করা যাবে তা বিস্তারিত দেয়া আছে। আগ্রহীরা পড়তে পারেন। আমি জাস্ট কিছু পয়েন্ট তুলে দিচ্ছি…

The amount and substantiality of the portion used. Copying nearly all of a work, or copying its “heart” is less likely to be fair.

মানে হলো আপনার কাজের বেশিরভাগটাই যদি কপি পেস্ট হয় তবে সেটি গ্রহনযোগ্য নয়।ফেয়ার ইউসেজের ক্ষেত্রেও নয়। তর্কের খাতিরে যদি ধরেও নেই যে জুবায়ের সাহেব এই শংখচিলের ডানার সম্বন্ধী লাগেন এবং তিনি তার সব লেখা,ব্লগ,স্ট্যাটাস অবাধে কপি করার অধিকার দিয়ে রেখেছেন লেখককে তারপরও সেটি গ্রহনযোগ্য নয়।

এখন ইস্টিশন ব্লগের এ্যাডমিনদের আমার প্রশ্নঃ পূর্বে প্রকাশিত লেখা কপি-পেস্ট করা আর সাহায্য করা এই দুইটা শব্দের মাঝে পার্থক্য আছে কি না? জবাব দিন।

আমি যতগুলো ইন্টেলেকচুয়াল প্রপার্টির কপিরাইট সংশ্লিষ্ট সাইট পেয়েছি সবগুলোতে এক কথা লেখা ছিলো, প্রকাশিত ব্লগের কোনো লাইন যদি কেউ কপি করে তবে অবশ্যই মূল লেখার লিংক দিতে হবে। কিন্তু লেখক এখানে সাহায্য শব্দ দিয়ে কি বুঝালেন? চুরি করতে সাহায্য করা?

একজন “হিটপ্রেমিক” হিট পাওয়ার জন্য যাত্রাপালাতে গিয়ে পাছা দেখিয়ে নেচে গেয়ে লোক হাসাতে পারেন কারন যারা শুধুই জনপ্রিয়তা অর্জনের জন্য লেখেন তাদের কাছে জনপ্রিয়তাটাই আসল।কিন্তু ইস্টিশন ব্লগের এডমিনদের দৃষ্টি আকর্ষন করছি আমি। দুলাল,ডা ইকবাল এবং এই ব্লগের অন্যতম লেখক আনিস রায়হান বা পুরাতন ব্লগার নগরে ভবঘুরে,অধম সবাই একইসাথে বিকলাংগ হয়ে গেলেন কিভাবে? একটি পোস্ট স্টিকি করার আগে সেটির অথেন্টিকিটি নিয়ে আপনারা আগে নিশ্চিত হবেন না? ব্লগের হিটটাই কি বেশি মূল্যবান নাকি এথিক্স? আমি একজন নগন্য পাঠক হয়ে যদি একবার পড়েই আন্দাজ করতে পারি যে এই লেখা লেখার সামর্থ শংখচিলের ডানা রাখেনা তাহলে আপনারা এত এত লেখা পড়ে, এত অবজার্ভেশন করে এবং এত ইনফর্মেশন রেখে এই লেখাটির অথেন্টিকিটি নিয়ে কেনো একবারও সন্দেহ হলোনা? একজন লেখককে যদি যাচাই-ই করতে না পারেন তাহলে আপনারা ব্লগ চালানোর দায়িত্ব নিয়েছেন কোন সাহসে? আজকে শংখচিলের ডানা বাংলাদেশি একজন লেখকের লেখা ৭৫ ভাগ ডাইরেক্ট আবারো বলছি ডাইরেক্ট কপি করে পোস্ট করে দিলো আর আপনারা ধরতে পারলেন না , কালকে আমি যদি রাশিয়ান এক রাইটারের গল্প কপি করে ছেড়ে দেই তাহলে কিভাবে ধরবেন? এগুলো কি আপনাদের দায়িত্বের মাঝে পড়েনা?

ইস্টিশন ব্লগটি অনেক প্রমিজ নিয়ে তার যাত্রা শুরু করেছে। টাকা না পেলেও নিজের তাগিদেই লিখবে এমন ব্লগার দেশে কম নেই। কিন্তু আপনারা যদি নির্দৃষ্ট কোনো ব্লগারকে প্রমোট করার দায়িত্ব নেন বা লেখার মান দেখেই সেটাকে চিকা মেরে দেন যাচাই বাছাই ছাড়াই সেটি কি ইস্টিশনের জন্য শুভ লক্ষন নাকি অশুভের শব্দ। দায়ভার আপনাদের। আশা করব এই স্টিকি লেখাটি অচিরেই নামিয়ে দেয়া হবে এবং লেখক ও এ্যাডমিন প্যানেল নিজেদের পক্ষে কোনো কথা থাকলে সেটি বলবেন। আর তা না করে যদি এই পোস্ট মুছে দেন সেটি আপনাদের কাপুরুষতা ব্যাস।

৫৫ thoughts on ““জনপ্রিয়” হবার আশায় ৭৫ ভাগ কপি করা পোস্ট, স্টিকি , এডমিনদের জবাব কি?

  1. শংখচিলের ডানার দেয়া তিনটি
    শংখচিলের ডানার দেয়া তিনটি পয়েন্ট এবং ইলাবোরেশন…১।. মেধাসত্ত্ব আইন কার্যকর হলে বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো অনেক ওষুধ তৈরি করতে পারবে নাঃ
    পেটেন্ট আইনের ফলে পেটেন্টেড ওষুধ বানাতে পারবে না বাংলাদেশ, ফলে বাংলাদেশের অনেক ওষুধ কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে, ওষুধ শিল্প হুমকির মুখে পড়তে পারে।বাংলাদেশ ওষুধ শিল্পে রপ্তানি সম্ভাবনা হারাবে। আমাদের কয়েকগুণ বেশি দামে বিদেশি কোম্পানির পেটেন্ট করা ওষুধ খেতে হবে। তাছাড়া ওষুধের পেটেন্ট আগে দেয়া হতো সাত বছরের জন্য, এখন বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার TRIPS আইনে তা আরও বাড়িয়ে ২০ বছর করা হয়েছে। অর্থাৎ আবিষ্কারক কোম্পানি সুদীর্ঘ ২০ বছর ধরে নিজের ইচ্ছামতো দামে ওষুধটির একচেটিয়া ব্যবসা করে অবাধে মুনাফা লুট করবে। TICFA বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশ TRIPS মানতে বাধ্য থাকবে।
    ২।. বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প জায়ান্ট ফার্মা কোম্পানিগুলোর পেটেন্ট, কপিরাইট, ট্রেডমার্ক ইত্যাদির লাইসেন্স খরচ বহন করতে গিয়ে অভূতপূর্ব লোকসানের কবলে পড়বেঃ
    পেটেন্ট অধিকারী জায়ান্ট ফার্মা কোম্পানিকে পেটেন্ট/ কপিরাইট/ ট্রেডমার্ক লাইসেন্স দিয়ে ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি নিতে হবে বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোকে, ফলে উৎপাদন খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে কেননা দেশীয় ওষুধ কোম্পানিগুলো নিজ দেশেই তাদের ওষুধ বিক্রি করতে গিয়ে বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে। ফলে অনেক মাঝারি ও ক্ষুদ্র ওষুধ কোম্পানি বন্ধ হয়ে যাবে।
    ৩।. হুমকির মুখে পড়বে জনস্বাস্থ্যঃ
    ট্রিপস চুক্তির ফলে ওষুধের দাম জ্যামিতিকহারে বাড়বে এটা নিশ্চিত, ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিম্ন আয়ের মানুষ কেননা দরিদ্ররা ওষুধ কিনতে গিয়ে হিমশিম খাবে। অনেক জীবন রক্ষাকারী ওষুধের মাত্রাতিরিক্ত চড়া দামের কারনে ওষুধের অভাবে মরবিডিটি এবং মর্টালিটি বেড়ে যাবে ফলে আমাদের জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

    এইবার দেখুন সামহোয়ারে লেখা লেখকের পয়েন্ট এবং ইলাবোরেশন
    ১।. মেধাসত্ত্ব আইন কার্যকর হলে বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলো অনেক ওষুধ তৈরি করতে পারবে নাঃ পেটেন্ট আইনের ফলে পেটেন্টেড ওষুধ বানাতে পারবে না বাংলাদেশ, ফলে বাংলাদেশের অনেক ওষুধ কোম্পানির উৎপাদন বন্ধ হয়ে যেতে পারে, ওষুধ শিল্প হুমকির মুখে পড়তে পারে।বাংলাদেশ ওষুধ শিল্পে রপ্তানি সম্ভাবনা হারাবে। আমাদের কয়েকগুণ বেশি দামে বিদেশি কোম্পানির পেটেন্ট করা ওষুধ খেতে হবে। তাছাড়া ওষুধের পেটেন্ট আগে দেয়া হতো সাত বছরের জন্য, এখন বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার ট্রিপস আইনে তা আরও বাড়িয়ে ২০ বছর করা হয়েছে। অর্থাৎ আবিষ্কারক কোম্পানি সুদীর্ঘ ২০ বছর ধরে নিজের ইচ্ছামতো দামে ওষুধটির একচেটিয়া ব্যবসা করে অবাধে মুনাফা লুট করবে।

    ২। .বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প জায়ান্ট ফার্মা কোম্পানিগুলোর পেটেন্ট, কপিরাইট, ট্রেডমার্ক ইত্যাদির লাইসেন্স খরচ বহন করতে গিয়ে অভূতপূর্ব লোকসানের কবলে পড়বেঃ পেটেন্ট অধিকারী জায়ান্ট ফার্মা কোম্পানিকে পেটেন্ট/কপিরাইট/ট্রেডমার্ক লাইসেন্স দিয়ে ওষুধ উৎপাদনের অনুমতি নিতে হবে বাংলাদেশের ওষুধ কোম্পানিগুলোকে , ফলে উৎপাদন খরচ কয়েকগুণ বেড়ে যাবে। বাংলাদেশের ওষুধ শিল্প ক্ষতিগ্রস্ত হবে কেননা দেশীয় ওষুধ কোম্পানিগুলো নিজ দেশেই তাদের ওষুধ বিক্রি করতে গিয়ে বিদেশি কোম্পানির সঙ্গে অসম প্রতিযোগিতার মুখে পড়বে। ফলে অনেক মাঝারি ও ক্ষুদ্র শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে।

    ৩।. হুমকির মুখে পড়বে জনস্বাস্থ্যঃ ট্রিপস চুক্তির ফলে ওষুধের দাম জামিতিকহারে বাড়বে এটা নিশ্চিত, ফলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে নিম্ন আয়ের মানুষ কেননা দরিদ্ররা ওষুধ কিনতে গিয়ে হিমশিম খাবে। অনেক জীবন রক্ষাকারী ওষুধের মাত্রাতিরিক্ত চড়া দামের কারনে ওষুধের অভাবে মরবিডিটি এবং মর্টালিটি বেড়ে যাবে ফলে আমাদের জনস্বাস্থ্য মারাত্মক হুমকির মুখে পড়বে।

    ইজ দেয়ার এনি ডিফারেন্স? ইজ ইট কলড সাহায্য অর সামথিং এ্যালস?

  2. আর তা না করে যদি এই পোস্ট

    আর তা না করে যদি এই পোস্ট মুছে দেন সেটি আপনাদের কাপুরুষতা ব্যাস।

    এটাই এই ইষ্টিশন এর সাধারন খুবই নিম্ন মানের ব্লগার – আমরা পছন্দ করি । অপছন্দ হইলে গো টু হেল । উই ডোন্ট কেয়ার । !!! ইষ্টিশন আপনাদের মত তথাকথিত স্কলার দের নিয়া কোন ব্লগ নয় । যারা দিন এর দিন ইষ্টিশনে registered হয়ে এরকম পোস্ট দিচ্ছে ।
    চমৎকার সব যুক্তি দিয়েছেন মানলাম । reference , proof সব নিয়া পুরা confident level এ আছেন । কিন্তু এর মধ্যেও অদ্ভুত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত টাইপ গন্ধ পাচ্ছি ,

    ইষ্টিশন মাস্টার এর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি । সঙ্ঘঠিত একটি গ্রুপ ইষ্টিশন কে প্রশ্নবিদ্ধ করার নেশায় মগ্ন আছে । অতি শত্তর এসব ইউজার কে ব্যান করা হোক

    1. যারা দিন এর দিন ইষ্টিশনে

      যারা দিন এর দিন ইষ্টিশনে registered হয়ে এরকম পোস্ট দিচ্ছে ।

      লেখাটি ভালো করে পড়েছেন? আমি বলেছি আমি নীরব পাঠক। এই আইডিটি কবে খোলা হয়েছে তা একবার দেখে আসুন। আমি ত স্বীকার করেছিই যে আমি ব্লগার না। কিন্তু এই ধরনের কপি-পেস্ট একটি লেখাকে স্টিকি করার জন্য শুধু ইস্টিশনের প্রতি ভালোবাসা আছে বলেই এই পোস্ট দেয়া। নাহলে এত কষ্ট করে বনের মোষ আমি কেনো তাড়াবো?

      চমৎকার সব যুক্তি দিয়েছেন মানলাম । reference , proof সব নিয়া পুরা confident level এ আছেন । কিন্তু এর মধ্যেও অদ্ভুত উদ্দেশ্যপ্রণোদিত টাইপ গন্ধ পাচ্ছি ,

      একবার নিজেই পড়ে দেখুন ত ,কথাটি কন্ট্রাডিরেক্টরি কি না?

  3. আমি একজন নগন্য পাঠক হয়ে যদি

    আমি একজন নগন্য পাঠক হয়ে যদি একবার পড়েই আন্দাজ করতে পারি যে এই লেখা লেখার সামর্থ শংখচিলের ডানা রাখেনা

    শঙ্খচিলের ডানা সম্পর্কে আপনার এই লাইনটা পড়ে হাসলাম। আপনার কাছে একজন ব্লগারের মেধাসত্ত্ব রক্ষার চেয়েও যে শঙ্খচিলের ডানার প্রতি আপনার অজ্ঞ্যাত ক্ষোভ ঝাড়াটাই মূল লক্ষ্য সেটা বুঝা যায়। এর চেয়েও বেশী তথ্যসমৃদ্ধ পোস্ট এবং বহুল লিংক ঘেঁটে লেখা উনি লিখেছেন সেটা আপনার অজানা থাকার কথা না। স্যাম্পল হিসেবে এটা দিলাম। এছাড়া নাগরিকে প্রথম আলোর বিজ্ঞাপন নিয়ে একটা পোস্ট আছে, সেটাও আপনার মতো জ্ঞ্যানির নজর এড়ানোর কথা না। কপি-পেস্ট করে এই ক্ষেত্রে উনি দোষ করেছেন, কিন্তু উনাকে একেবারেই ফালতু লেখক প্রমাণ করার জন্য আপনার মরিয়া চেষ্টা দেখে মনে হচ্ছে, হয় উনার প্রতি অথবা ইস্টিশনব্লগের প্রতি আপনার ক্ষোভ ঝাড়ার জন্যই এখানে রেজিস্ট্রেশন করেছেন আজকে। আপনার কথা বলার এই সুরটা ভালো লাগল না।

    1. আপনি আমার কথার অর্থ বুঝেন
      আপনি আমার কথার অর্থ বুঝেন নাই। আমি বলেছি “ভাষার ব্যবহার”। .যে ভাষা ঐ পোস্টে উল্লেখ করা হয়েছে তা শুধুমাত্র একজন বামঘরনার লোকের পক্ষেই লিখা সম্ভব। আপনি নিজে যদি বামঘরনার লেখা পড়েন তাহলে আপনিও আন্দাজ করতে পারতেন। আপনি তখনই কোনো ব্যাপার নিয়ে আন্দাজ করতে পারবেন যখন সেই ব্যাপার নিয়ে আপনার পড়াশোনা থাকবে। আমি ভাষার ব্যবহার দেখেই আন্দাজ করেছি এবং আমি প্রমান করেছি। শংখচিলের ডানা কেমন লেখক সেটা আলোচনার ইস্যু না। আলোচনাতে থাকেন।

      পত্রিকার খবর সংগ্রহ করে একুমুলেট করাই প্রমান করে তিনি প্রচুর সাইটে ঘুরেন এবং ঘুরেই এই স্টিকি লেখার প্লট পেয়ে গেলেন বোধ হয় :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি:

  4. কপি-পেস্ট এবং একে সমাদর করে
    কপি-পেস্ট এবং একে সমাদর করে ঝুলিয়ে রাখা অন্যায়।

    পোস্টদাতার এ পোস্টে যথেষ্ট যুক্তি আছে এবার মডুদের বক্তব্য আসা উচিত।

  5. এব্রাপারে মডুদের বক্তব্য
    এব্রাপারে মডুদের বক্তব্য চাই।
    তার আগে চাই শঙ্খচিলের নিজের যুক্তি।
    তবে মনে রাখবেন, সব কিছুর উপরে ইস্টিশনের স্বর্থ। যে বা যারা ইস্টিশনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইবে তাদের কে কান ধরে বের করে দেওয়ার জন্য এডমিনের প্রতি আদেশ জারি করা হলো।

  6. উফ.…মাঠটো পুরাই গরম.…খেলাতে
    উফ.…মাঠটো পুরাই গরম.…খেলাতে টান টান উত্তেজনা.…চালায়া যান.…মনে রাখবেন এটা কারো নিজের সম্পত্তি না…এটা সবার জন্য উন্মুক্ত…তবে ম্যাডাম আপনি বার বার বলছেন ‘ বাম ঘরানা’.…এটা দিয়ে আপনি কি বোঝাতে চান??? কেউ বাম করুক আর কেউ ডান করুক তাতে কি-ই-ই বা আসে যায়.…এটা একান্তই ব্যাক্তিগত ব্যাপার…আমার মনে হয় না সেটাতে কার-ও হস্তক্ষেপ করা উচিৎ.…আরেকটা বিষয় খারাপ লেগেছে…আপনি ইষ্টিশনের মর্ডারেটরদের যোগ্যতা নিয়ে চ্যালেন্জ্ঞ করেছেন…এটা অবশ্যই কাম্য নয়…

    1. প্রহসন, ব্লগে তো কম ঘুরলাম
      প্রহসন, ব্লগে তো কম ঘুরলাম না। উনি আমাকে ভাষা জ্ঞ্যান শিখাইলেন। কিন্তু উনার পোস্টের ভাষাই বলেই উনার ইস্টিশনব্লগের প্রতি বড়ই ক্ষোভ। জানিনা ইস্টিশন উনার কোন পাকা ধানে মই দিছে।

      1. সেটাই আতিক ভাই,এইভাবে নিজেকে
        সেটাই আতিক ভাই,এইভাবে নিজেকে সচেতন করে প্রতিষ্ঠা করার মানে নাই..…উনি এই ধরনের মন্তব্য দিয়েছেনই অপদস্থ করার জন্য…উনি যদি আসলেই শুভাঙ্খাকী হতেন তাহলে আর-ও নমনীয় শব্দের প্রয়োগ করতে পারতেন…তা করেন নাই…কারন তার উদ্দেশ্যই ভিন্ন…

  7. মূল সমস্যাটা কোথায়?? কারো তো
    মূল সমস্যাটা কোথায়?? কারো তো ক্ষতি দেখছি না। উল্টো বলা চলে শঙ্খচিলের ডানার ঐ লেখা পড়ে আমি নিজেও কিছু জানতে পারলাম। এটা তো আর গল্প, উপন্যাস, কবিতা নয় যে এখানে আইডিয়া চুরির প্রশ্ন উঠবে। একটা সচেতনতামূলক লেখার বিরুদ্ধে আপনি এত প্রমাণ, যুক্তি, দলিল-দস্তাবেজ হাজির করলেন কি উদ্দেশে সেটা বুঝলাম না। :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে: :ঘুমপাইতেছে:

  8. মাত্রই ব্লগে ঢুকলাম এবং
    মাত্রই ব্লগে ঢুকলাম এবং টাশকিত হইলাম। আরে বাহ, আমি তো দেখি সেলিব্রেটি হয়া গেলাম। :নৃত্য:
    এতবড় অভিযোগ যখন এসেছে সেটার উত্তর না দেওয়াটা কাপুরুষতা। যেহেতু আমি তা নই তাই উত্তর দিচ্ছি। আফরোজা আপা, একটু ওয়েট করেন। আর সব পাঠককে বলছি, দুইজনের বক্তব্য না পাওয়া পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্তে আসবেন না প্লীজ।

    1. আপনার যে ফেমাস হবার ভীষন
      আপনার যে ফেমাস হবার ভীষন তাড়না সেটি আপনার এই কমেন্টেই প্রমানিত হয়। এমনভাবে হাতেনাতে চুরি ধরা পরার পর আপনি নাচার ইমো দিয়ে বলছেন বাপনি স্টার হয়ে গিয়েছেন। অবশ্যই হয়েছেন তবে চোরাই স্টার।

      1. হায়রে, আপনি এত ভাল
        হায়রে, আপনি এত ভাল গোয়েন্দাগিরি করেন কিন্তু কোন কথাটায় ফান করা হয়েছে আর কোন কথাটায় আপনাকে বাঁশ দেওয়া হয়েছে সেটাও যদি না বুঝেন তাইলে ক্যামনে হপে? :মাথানষ্ট:

  9. লেখক, যে ব্লগের ব্যাপারে
    লেখক, যে ব্লগের ব্যাপারে আপনার আপত্তি সে ব্লগের লেখক আমার কাছে ফেসবুক চ্যাট এ অনুমতি চেয়েছে আমার লেখার একটা বড় অংশ নিয়ে তিনি ইস্টিশন ব্লগে টিকফা নিয়ে একটা ব্লগ লেখতে চান, জাতীয় ইস্যু বলে আমি তাঁকে আমার লেখার একটা বৃহৎ অংশ ব্যাবহার করার অনুমতি দিয়েছি, কারণ আমি মনে করেছি এই চুক্তির ব্যাপারে সব প্ল্যাটফর্মে আলোচনা দরকার, এবং এই লেখার ব্যাপারে আমার কোনই অভিযোগ নেই। লেখার ব্যাপারে IPR দরকার বলে আপনি যে বিষয় তুলেছেন তা ঠিক আছে, কিন্তু আমি আমার লেখার IPR এর ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছি!

    1. আমি এই ব্লগের পাঠক , ব্লগার
      আমি এই ব্লগের পাঠক , ব্লগার নই, আমি আমার ব্লগ এবং সামুতে ব্লগিং করি,শঙ্খচিলের ডানার ব্লগের ব্যাপারে এখানে বেশ হৈ চৈ দেখে জবাব দিতেই এই ব্লগে নতুন আইডি খুলতে বাধ্য হলাম! ভালই হল এক দিক দিয়ে, নতুন ব্লগেও থাকব!

      1. জোবায়ের, আপনাকে ইস্টিশনে
        জোবায়ের, আপনাকে ইস্টিশনে স্বাগতম। যাক হৈ চৈ হয়ে দেখছি ভালোই হলো। আপনাকে আমাদের মাঝে পেয়ে গেলাম। :ফুল:
        আর এই জন্য আফরোজা আপনাকে আরেকবার থ্যাংকস। :খুশি:

    2. আপনার বক্তব্য পেয়ে খুশী হলাম।
      আপনার বক্তব্য পেয়ে খুশী হলাম। আশা করি এবার আফরোজা ম্যাডামের রাতের ঘুমটা ভালো হবে। IPR নিয়ে উনি বড়ই দুশ্চিন্তায় ছিলেন। এটা দেখে খুব ভালো লাগল। আমি পজিটিভলি নিলাম ব্যাপারটা। আফরোজা আপনাকে থ্যাংকস, IPR সম্পর্কে আমাদের বাংলা ব্লগের ব্লগাররা আরও সচেতন হবেন আশা করি।

      1. আপনার জ্বালাটা দেখি সবচাইতে
        আপনার জ্বালাটা দেখি সবচাইতে বেশি। ব্লগের একজন লেখক আরেকজন লেখকের পুরু লেখা কপি করে সেটিকে পোস্ট করল, সেটি স্টিকি হলো। আমি হাতে ধরে প্রমান করে দিলাম যে লেখার প্রায় পুরাটাই আরেকজনের ,লেখক শুধু কপি করেছেন। আপনি লেখককে কিছু বলছেন না, আপনি ব্লগিং এর আন্তর্জাতিক আইন মানছেন না। আপনি সেই ব্লগার এবং ব্লগেরব ইজ্জত নিয়ে চিন্তিত।

        এমন দিন আসল ইস্টিশনেরব যে কপি-পেস্ট পোস্ট স্টিকি করতে হয়?

        আর আমার এই প্রশ্নের জবাব দিন, লেখক যে সকল জায়গা থেকে কপি করেছেন তার একটিরও লিংক কেনো দেননি? অবশ্যই লেখার ক্রেডিট নেয়ার জন্য। আমি সেই জায়গাটাই ধরিয়ে দিতে চেয়েছি। আরেকজনের ভাষা এবং ইনফর্মেশন ব্যবহার করে কেউ সেটিকে নিজের নামে চালিয়ে দিবার মানে কি? উত্তর আপনি জানেন কিন্তু ব্লগের স্বার্থে বলবেন না হয়ত।

        1. অরিজিনাল লেখক নিজে এসে যখন
          অরিজিনাল লেখক নিজে এসে যখন ব্যাপারটা ক্লিয়ার করে দিয়ে গেলেন, তখন আপনার এতো জ্বলুনি কিসের? আর পুরো লেখা তো কপি-পেস্ট করেন নাই। লেখার কিছু অংশ কপি করা। সেটা উনি লেখার শেষে কৃতজ্ঞতা স্বীকারের মাধ্যমে বলে দিয়েছেন। বানিজ্য সচিবের যেই বক্তব্য উনি লেখায় দিয়েছেন সেটা যে প্রথম আলোর সেটা নীচে লিংকে রেফারেন্স হিসেবে দিয়ে দিয়েছেন।
          আপনার জ্বলুনি দেখে একটা কথাই মনে আসছে- “মায়ের চেয়ে মাসির দরদ বেশী।” লেখার মূল মালিক এসে ডিসক্লেইমার দিয়ে গেলেন যে এটা কোন মতেই চুরি নয়। আপনি দেখি মালিকের চেয়েও মালিকানা বেশী বুঝে বসে আছেন।
          ইস্টিশনব্লগকে ভালো না লাগলে আপনাকে কে পায়ে ধরেছে এখানে ব্লগিং করতে? ব্লগিয় পলিটিক্স কম দেখি নাই। আপনার উদ্দেশ্য কি সেটা বুঝতে আইনস্টাইন হওয়া লাগে না। যে আপনাকে এসাইনমেন্ট দিয়ে পাঠিয়েছে তাকে গিয়ে বইলেন- আপনার এইবারের মিশন ব্যর্থ। নতুন মিশন দেওয়ার আগে আরও ভালো করে ট্রেনিং দিয়ে যেন পাঠায়। একটা গ্রুপ ইস্টিশন ব্লগের পেছনে পাগলা কুত্তার মতো লেগেছে। অবস্থা দেখে মনে হয় ইস্টিশন তাদের বারা ভাতে ছাই দিয়েছে। আজকেই পরপর দুইটা ঘটনা ঘটল। এবং দুইটা নিকই আজকে খোলা হয়েছে।

    3. আসলে আমরা দ্বিধাগ্রস্থ ছিলাম
      আসলে আমরা দ্বিধাগ্রস্থ ছিলাম । আপনাকে অনেক ধন্যবাদ বিষয়টা পরিস্কার করার জন্য । আশা করি তর্কের মহড়া এখানেই শেষ হবে । :খুশি: :খুশি:

    4. >> আপনি খালি আমার কিছু
      >> আপনি খালি আমার কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন। যে আপনার লেখা পুরাপুরি কপি -পেস্ট করে শুধু উল্লেখ করেছেন যে আপনি তাকে সাহায্য করেছেন। ব্লগ কালচারে কি এইটা আন্তর্জাতিক মান রক্ষা করার উদাহরণ?উনি কেনো আপনার লেখার লিংক দিলেন না? উত্তর দিন। উত্তর আপনিও জানেন। সে এই লেখাকে নিজের লেখা বলে চালাতে চেয়েছে। নয় কি?

      >>এথিকাল ভিউ থেকে যদি দেখি তাহলে আমি আপনার বেশ কয়েকটা লেখাকে একুমুলেট করে একটা ব্লগ লিখলাম এবং শুধু আপনার নাম দিলাম “সাহায্যকারী” হিসাবে এবং সূত্রে আপনার একটি লেখারও লিংক দিলাম না। এটা কি ইন্টেলেকচুয়াল কপিরাইট আইনের কোনো বিধানে গ্রহনযোগ্য? আপনার লেখার রেফারেন্স বা লিংক না দেওয়ার মানে ঘচ্ছে ভাষাগুলোর মালিক সে কিন্তু বাস্তবে ভাষাগুলোর মালিক আপনি। এখানে সে নিজে ক্রেডিট নিচ্ছে। আমার প্রশ্ন এই জায়গাতেই। আপনি উদারতা দেখায়ে আপনার কপিরাট ছাইড়া দিতেই পারেন। কিন্তু সবকিছুর একটা আন্তর্জাতিক মানদন্ড আছে,নাকি? আপনার কি অধিকার আছে সেই মানদন্ড ভংগ করার?

      >>এখন যদি আহমদ শরীফ বাইচা থাকতেন এবং আমি তার ভাইস্তা হতাম আর তার একটা লেখা আমি আমার নামে পোস্ট করে “আহমদ শরীফ আমাকে সাহায্য করেছে” এই কথা লিখে দিই সেটি কি যৌক্তিক বলে মনে করেন আপনি?

      আপনি তাকে যত ফ্রীডমই দেন না কেনো পোস্টে আমি একটা রেফারেন্স দিয়েছি। একটি লেখার বেশিরভাগ অংশই যদি অন্যের লেখা হয় তবে সেটি গ্রহনযোগ্য না। আপনি উদারতা দেখান আর যাই করেন আপনার এই উদারতা আমাদের অন্যের লেখা কপি করার অনুপ্রেরনা দিচ্ছে। আমার বটম লাইন এইটা।

      1. কিছু বলার নাই , অপ্রয়োজনীয়
        কিছু বলার নাই , অপ্রয়োজনীয় একটা বিষয় নিয়ে বহু চিল্লানি হইছে । আপনি পইড়া থাকেন আপনার ফেম সিকার থিওরি লইয়া । ইষ্টিশন এ আপনার এই অপ্রয়োজনীয় থিওরি কাজে আসবে নাহ । এমন প্রয়োজনীয় এবং সমসাময়িক গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট এর যারা নারী নক্ষত্র লইয়া প্রশ্নবিদ্ধ করতে চেষ্টা করে তাদের কিছু বলার থাকে নাহ । শঙ্খচিলের ডানার প্রতি আপনার বেক্তিগত ক্ষোভ আছে ,সেটা মুখোশের অন্তরালে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান।

  10. প্রথমে একটা স্ক্রিন শট দেখুন।
    প্রথমে একটা স্ক্রিন শট দেখুন। আমার ল্যাপটপে বাংলা ফন্ট ভেঙে যায় তাই একটু কষ্ট করে পড়তে হবে। এটা ঠিক, যেই কষ্ট আফরোজা ম্যাডাম এই পোস্টের পিছনে করেছেন তাঁর তুলনায় স্ক্রিন শট দেখা কোন কষ্টই না।

    এইবার আরেকটা স্ক্রিন শট দেখুন

    এই দুটি স্ক্রিনশট থেকে এটুকু তো প্রমাণ হয় যে আমি অন্তত লেখা চুরি করি নি। জোবায়ের নিজে একজন ফার্মাসিস্ট, আমিও তাই। ওষুধ খাতের উপর টিকফার ভয়াবহ প্রভাব নিয়ে খুব চিন্তায় ছিলাম। তাই তাঁর লেখা ব্যবহারের অনুমতি চাই এবং তিন সানন্দেই সেই অনুমতি দেন। কারণটা খুব সিম্পল। ব্যাপারটা একটা জাতীয় ইস্যু। নেইম অথবা ফেইম এখানে মুখ্য না। একজন দেশপ্রেমিক নিজের famousity-র থেকে দেশের উন্নতি নিয়ে বেশি চিন্তা করেন।
    তিনি আমাকে অনেক তথ্য উপাত্তও দিয়েছিলেন। অনেক লিঙ্ক দিয়েছিলেন। নিচের স্ক্রিনশটেই সেটার প্রমাণ পাবেন।

    সামুর লেখাটাও কিন্তু মৌলিক না। সামুর লেখাটা গত বছর সংবাদ পত্রিকায় এসেছিল। তাঁর মানে এইটুকু কি বোঝা যাচ্ছে যে আমি অন্তত কারও লেখা চুরি করি নি। আপনাদের কি মনে হয়?

    1. জবাব প্রমান পেয়ে গেছি । আর
      জবাব প্রমান পেয়ে গেছি । আর আপনি যে এরকম সস্তা খ্যাতির উদ্দেশে এমন চুরি টাইপ পোস্ট দিবেন এটা আমরাও বিশ্বাস করি নি । কেননা আপনার আগের পোস্ট গুলার সাথেও আমরা পরিচিত !! সো এটা ভাবার কারন আসবে নাহ । ধন্যবাদ আপনাকে রুপক ভাই ।

    2. আমাদের উত্তর আমরা পেয়ে গেছি।
      আমাদের উত্তর আমরা পেয়ে গেছি। আফরোজা ম্যাডাম, কাউকে চোর বলার আগে একটু তদন্ত টদন্ত করে নিশ্চিত হয়ে তারপর বললে ভালো হতো না? আপনার যদি IRP নিয়েই মূল মাথা ব্যাথা থাকত, তাহলে আপনি শঙ্খচিলের ডানার সংশ্লিষ্ট পোস্টে মন্তব্য আকারে প্রথমে উনার কাছে উনার বক্তব্য দাবী করতেন। সেটা না করে আস্ত একটা পোস্ট প্রসব করে বসলেন। ব্যাপারটা কেমন কেমন জানি মনে হচ্ছে। আপাতত আপনার এসাইনমেন্ট ব্যর্থ হয়েছে। নেক্সটের জন্য একটা লম্বা ভ্যাকেশনে যান, মাথা কুল করে আসেন। মাসুদ রানা পড়েছেন কখনও? দেখবেন একটা এসাইনমেন্ট শেষ হলে মাসুদ রানা সোহানাকে নিয়ে ভ্যাকেশনে যেতো কাঁচা পাকা ভ্রু’র অনুমতি নিয়ে।

    3. অতএব সকল ভুল বুঝা বুঝির অবসান
      অতএব সকল ভুল বুঝা বুঝির অবসান ঘটিল।
      প্রথমত, এই ধরণের তথ্যমূলক লেখা পুরোটাই মৌলিক হতে পারে না। তথ্য অনেক জায়গা , অনেক মানুষের কাছ থেকে নেওয়া যায়। সেটা কপি পেস্ট হতে পারে না। উল্লেখ্য, ডানা ভাই কৃতজ্ঞতা স্বীকার করেছেন, লিংক দিয়েছেন।
      দ্বিতীয়ত, আফরোজার পরিশ্রম দেখে আমি বিস্মিত না হয়ে পারলাম না। একটি পোস্টের পিছনে উনি যেভাবে সব ব্লগ লিংক খুঁজে খুঁজে মিল অমিল খুঁজেছেন তা অবাক করার মতো। কয়টা লাইন উনার কয়টা অন্যের তা যে উনি হিসেব করেছেন তা দেখে আমি আকাশ থেকে পড়লাম।

      আফরোজা, আপনি বলেছেন আপনি ব্লগার নন। কিন্তু অন্যের পোস্টের সত্য মিথ্যা বের করার জন্য আপনি যে বেকার পরিশ্রম করলেন তা না করে নিজে কিছু লেখার চেষ্টা করলে ভালো করতেন অনেক। আপনার ধৈর্য অনেক।

    4. বিষয়বস্তু পরিস্কার করবার জন্য
      বিষয়বস্তু পরিস্কার করবার জন্য ধন্যবাদ শঙ্খচিলের ডানা , অনুমুতি নিয়ে লেখার অংশ বিশেষ প্রকাশ করলে আমি কোন সমস্যা দেখছি না । তবে এর পরেরবার থেকে রেফারন্স লিঙ্ক দিয়ে দিয়েন , তাইলে আর ম্যাডাম কৈফিয়ত চাইবে না :ভেংচি:

      আপনার লেখার সাথে অনেকদিন যাবত পরিচিত শঙ্খচিলের ডানা , তাই আপনার উপর বিশ্বাস আছে । :খুশি:

  11. “জনপ্রিয়” হবার আশায় ৭৫ ভাগ
    “জনপ্রিয়” হবার আশায় ৭৫ ভাগ কপি করা পোস্ট” –
    জরিপটা কী আফরোজা আপা নিজেই করেছেন?

  12. আফরোজা, আপনার পরিশ্রম দেখে
    আফরোজা, আপনার পরিশ্রম দেখে আমি মুগ্ধ। সত্যি বলছি, নিজেকে খুব সেলিব্রেটি সেলিব্রেটি মনে হচ্ছে। আপনারা পারেনও। দেশের পক্ষে কিছু লিখতে গেলেও ত্যানা পেঁচাতে ছাড়েন না। সংকীর্ণ দলীয় স্বার্থের উর্ধে উঠে সত্যিকারের দেশপ্রেমিক হতে পারলেন না, আফসোস। দুই বছর ধরে ব্লগিং করছি এই প্রথম চুরির অভযোগ করল কেউ। আপনি আমার পোষ্টে এই বিষয়ে বলতে পারতেন, তা না করে নিজেই একটা পোস্ট দিয়ে দিলেন। মারহাবা। নাগরিকের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ। কিন্তু নাগরিকে লিখি না বলেই এভাবে আমার উপর আক্রমণ আসবে সেটা বুঝতে পারি নি। বুঝি নি নাগরিকের এত চেনা-পরিচিত মানুষগুলো তাঁদের শত্রু তালিকায় আমার নামটাও সংযোজন করেছে।

    আপনার জন্য একটা চ্যালেঞ্জ দিচ্ছি। আমি আজ পরযন্ত যত লেখা লিখেছি ব্লগে সেগুলোর লিঙ্ক দিলাম। প্রথমে নাগরিক ব্লগের লিঙ্ক এবং তারপর ইষ্টিশন ব্লগের লিঙ্ক । যদি প্রমাণ করতে পারেন যে কারও লেখা চুরি করেছি তবে ব্লগিং ছেড়ে দিব চিরদিনের জন্য। আশা করছি সৎসাহস থাকলে আমার এই চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করবেন।

    ভাল থাকবেন, হ্যাপি ব্লগিং। :খুশি:

  13. এইটা আদৌ একটা ব্লগপোস্ট নাকি
    এইটা আদৌ একটা ব্লগপোস্ট নাকি শত্রুতার উপাখ্যান তাই বুঝলাম না। আফরোজা আপনি এই পোস্টটি দেয়ার আগে বাদীকে একবার ও আপনার অভিযোগ সম্পর্কে কিছু বলেছেন? তার নিজের উত্তরগুলো না জেনেই যদি আপনি এই পোস্ট দিয়ে থাকেন তবে আপনার এই পোস্টের কোন ভিত্তি নেই। অর যদি ব্যক্তিগত শত্রুতার জন্য এগুলো লিখে থাকেন তবে প্লিজ ব্লগে এইসব জালাতন করবেন না, তার চেয়ে ফিল্ডে গিয়ে নিজেরা মিমাংসা করবেন। কুস্তি আয়োজন করতে বললে তাও হবে।

  14. আমি একজন সাধারন ব্লগার হিসেবে
    আমি একজন সাধারন ব্লগার হিসেবে বলতে চাই, ইস্টিশন কে ভালবেসে এখানে লিখি। আগে আমারব্লগ,সামুতে ছিলাম। সিন্ডিকেট এবং চামচাগিরির জালায় বের হয়ে এসেছি। সবার উদ্দেশ্যে তাই অনুরোধ, নিজের বিবেক জাগ্রত করুন। আপনি যা লিখবেন তা সমাজের দর্পণ। একজন লেখক একজন মানুষকে মহাপুরুশ হিসেবে দেখাতে পারে, আবার পশুর সমান করেও দেখাতে পারে। তাই লিখার আগে ভেবে লিখুন…মুক্ত চিন্তা চলতে থাকবে অবাধে, তবে তা যেন কারো মনে আঘাত না করে।

    এখন আসি আফরোজা’র পোস্ট সম্পর্কে। পোস্ট এর সত্য মিথ্যা যাচাই করতে যাচ্ছিনা এত রাতে…তবে যদি আপনার পোস্ট থেকে নির্দিষ্ট কোনো ব্যাক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ না পেতাম তাহলে পোস্টটিকে ভাল বলতে পারতাম। কারন, কাউকে ব্যাক্তিগত আক্রমন করার যায়গা ব্লগ হতে পারেনা…আর উনি এমন কোনো কাজ করেননি যেটা এভাবে ব্লগে প্রকাশ করতে হবে। তবে হ্যাঁ, কারো মনের কথা আমি জানিনা…যদি শঙ্খচিলের ডানার অসৎ উপায়ে হিট খাবার লক্ষ্য থাকে তাহলে বিষয়টি কর্তৃপক্ষ দেখবে…আমি শঙ্খচিলের ডানার উপর আস্থা রাখছি…জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু।

  15. ## প্রায় দেড় বছর ধরে
    ## প্রায় দেড় বছর ধরে শঙ্খচিলের ডানা ভাইয়ের পোষ্ট পড়তেছি, এই প্রথম আপনাকে দেখলাম আজারিয়া কপি পেস্টের অভিযোগ দিতে। ডানা ভাই যদি সত্যি সত্যি কপি করত তাহলে আপনাকে ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে “ব্লগিং ছেড়ে দিব চিরদিনের জন্য” এই কথা বলতো না।

    ##তথ্য বহুল পোষ্ট দিতে হলে অনেক জায়গা থেকে ইনফরমেশান নিতে হয়,এই ইনফরমেশান যখন লেখকের অনুমতি সাপেক্ষে নেওয়া হয় তখন সেটা কপি পেস্ট কোনভাবেই বলা যায় না।কারো কাছ থেকে ইনফরমেশান ছাড়া আপনি নিজে পারবেন এই রকম একটা পোষ্ট করতে???
    আমি সিউর আপনি পারবেন না, হুদাই ক্যান ত্যানা পেঁচাইতেন আসেন?

    ##পোষ্টদাতার জন্য আফসুস হয়,এতো কষ্টের আকাজ জলে গেছে বলে! নেক্সট টাইম ভালো ভাবে হোম ওয়ার্ক করে আইসেন।

    ##শঙ্খচিলের ডানা ভাইকে ব্যাক্তিগত আক্রমন করার প্রয়াসে উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ভাবে এই পোষ্টখানা আফরোজা নিক প্রসব করিয়েছে!

    ## শঙ্খচিলের ডানা ভাই এই সব আজারিয়া পোষ্টের কথা না ভেবে নেক্সট পোষ্টের কথা ভাবেন, আপনার কাছ থেকে আরেকটা মাস্টার পোষ্ট চাই।

    1. মেহেদি, ব্লগিং এর কিছু পলিসি
      মেহেদি, ব্লগিং এর কিছু পলিসি আছে। আপনি লেখা না পড়ে কমেন্ট করেছেন যা ব্লগে ঠিক না। আপনি রুপকের লেখার ফ্যান হতেই পারেন। আমি নিজেও তার লেখা পছন্দ করি কিন্তু ফাল পাইরা কমেন্ট করার আগে পোস্ট পড়ে নিবেন, মনে রাখলে খুশি হব।

  16. হইল তো..… এবার বাদ দেন
    হইল তো..… এবার বাদ দেন সবাই.…সত্য মিথ্যার প্রমান হয়ে গেছে…আমরা আমাদের ব্লগ সাইটটিকে যদি ভালবাসি তাহলে পরস্পরকে কাদা ছোরা থেকে বিরত থাকব.…আসুন পুনর্সায় একটা সুন্দর পরিবেশ তৈরিতে মনোনিবেশ করি.…
    😀
    😀
    😀

  17. যার লেখা চুরির অভিযোগ করলেন
    যার লেখা চুরির অভিযোগ করলেন সে ই যখন সব কিছু পরিষ্কার করলেন তারপরও আপনার অভিযোগ থামল না। যে আইনের দোহাই দিচ্ছেন সে কি আদৌ বাংলাদেশে বলবত আছে? নাই। তবে আপনি কেন এতো মাথা ঘামাচ্ছেন?
    আপনার বক্তব্য মার চেয়ে মাসীর দরধ বেশি এর মত হয়ে যাচ্ছে।

    একজন অন্ধ কানা বধিরও বুঝবে এটি একটি ব্যক্তিগত আক্রমণের পোস্ট।
    তবে খুব অভিনব কায়দায় আক্রমণ করেছেন।
    অথবা আপনার প্রথম পোস্টেই আলোচনায় আসার আরেকটি কৌশল।

  18. যার বিয়া তার খবর নাই, পাড়া
    যার বিয়া তার খবর নাই, পাড়া পড়শীর ঘুম নাই!
    মিশন সাক্সেস হয় নাই। নব্য আওয়ামীলীগ ব্লগের প্রতিনিধি হয়ে এখানে এসে প্রথম মিশন ব্যর্থ। পরবর্তী মিশন দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

  19. ব্লগে আজকাল খুব কম আসি।একজনের
    ব্লগে আজকাল খুব কম আসি।একজনের কাছ থেকে এই লেকার কথা শুনে মোবাইল থেকে ঢুকলাম। তাই বিস্তারিত আলোচনা করবোনা। লেখাটি উদ্দেশ্যমমূলক, এটা নিশ্চিত কিন্তু লেখাটি নিয়ে আমার তেমন প্রতিবাদ নেই। কপিরাইট আইনের বিরোধী আমি নিজেও কিন্তু শং্খচিলের ডানার অবশ্যই মূল লেখার লিংক দেয়া উচিতকর্ম হত। সাহায্য করেছেন শব্দ এখানে বেমানান। ঠিক এই কাজ যদি আমার লেখার বেলায় হত তাহলে আমিও প্রতিবাদ করতাম, তাই না? ব্যাক্তি রুপক কেমন লেখক সেটা এখানে আলোচ্য না। আলোচ্য হচ্ছে আলোচ্য পোস্ট।

  20. আমি নিজেও অনেক দিন পরে আসলাম।
    আমি নিজেও অনেক দিন পরে আসলাম। রূপক ভাইয়ের নামে এমন একটা ক্লেইম উঠেছে যেটা শুনে একটু অবাক হয়েছি। আগে একবার অবশ্য উনার একটা গল্পে জাফর ইকবাল স্যারের একটি গল্প-এর অবিকল থিমেটিক কপি নিয়ে কথা উঠেছিল, যদিও রূপক ভাই বলেছেন গল্প টি উনার পড়া নেই। সে যাক গে, রূপক ভাই কে আমরা বেশ ভালো মানের গল্পকার হিসেবেই জানি।

    দুটো ব্লগই পড়লাম। সবার কমেন্ট ও। এখানে আমি একটি দিকে আকর্ষন করছি যেটা অনেকেই এড়িয়ে যাচ্ছেন হয়তো। আমার কাছে মনে হচ্ছে ব্যাপার টা ব্যাক্তি কেন্দ্রিক না, ব্যাপার টা চুরি কেন্দ্রিক। আফরোজা বনাম শঙ্খচিলের ডানা, এরকম কোন গেইম তো হচ্ছে না। এইখানে যদি আতিক ভাইয়ের কোন লেখার ৭৫% ই অন্য কারো লেখার সাথে মিলে যেতো শুধু শব্দ রিপ্লেসমেন্ট ছাড়া, তাহলে মনে হয় সেইম কেসই ঘটত। এইখানে মূল লেখক কি বলছেন সেটা ফ্যাক্টর না। রেফারেন্সিং এর কিছু নিয়ম আছে। আমি যখন কোন কিছু নিয়ে লিখব তখন ঐ লেখা রিলেটেড যাবতীয় ডকুমেন্ট পড়ে সেইটা থেকে মূল ফাইন্ডিংস বের করে নিজের ভাষায় লিখে তারপর যেখান থেকে জানলাম সেই লেখার রেফারেন্স দিতে পারি, কোন ক্রমেই শুধু শব্দ চেঞ্জ করে না। থিসিস পেপার যখন বাইরের জার্নাল গুলাতে বের হয় তখন তারা ভাইপার টেস্ট দিয়ে দেখে এই কারনে যে শুধু মাত্র শব্দ রিপ্লেসমেন্ট করে কোন লেখা আসল কি না।

    ডানা ভাই এর লেখা টি ইম্পর্ট্যান্ট নিঃসন্দেহে, তবে উনার মুল লেখার লিঙ্ক গুলি দিয়ে দেয়া উচিত ছিলো, এই ব্যাপার টা মডুদের স্বীকার করা উচিত বলে মনে করছি। আসিফ মহীর লেখার কপি যখন গত বছর রুবাইয়াত বের করল তখন কিন্তু কপিবাজ বলে আমরা সবাইই কম বেশি লাফিয়েছি। যেখানে আসিফের বেশ কিছু মৌলিক লেখা আছে, তারপরেও তার চুরিকর্ম কে আমরা সাপোর্ট করিনি।

    আর একটি কথা যেটা মনে হচ্ছে, ভুল মানুষ মাত্রই করতে পারে, এবং সেটা ধরিয়ে দেয়াও অসম্ভব কিছু না। কিন্তু ধরিয়ে দেয়া মানেই যে সেই জিনিশের বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে এমন ভাবলে কিন্তু কঠিন সমালোচনা আসবে না, আর সমালোচনার আগুনে না পুড়লে আমরা খাটি লেখা পাবো না।

    ডানা ভাই এবং আফরোজা আপু, দুজন কেই ধন্যবাদ। এবার ব্যাক্তি ঝগড়া একদম অফ। :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ: :গোলাপ:

  21. পুরাতন ব্লগার নগরে ভবঘুরে,অধম

    পুরাতন ব্লগার নগরে ভবঘুরে,অধম সবাই একইসাথে বিকলাংগ হয়ে গেলেন কিভাবে?

    ওরেব্বাবা এইখানে দেখি আমার মত একজনরেও ধইরা টান দিছেন। যাই হোক। কপিরাইট নিয়ে আপনার অনেক মাথাব্যাথা দেখলাম। সম্ভবত আপনি কোন মুভি ডাউনলোড করেন না, গানের সব সিডি কিনে শোনেন, নেট থেকে কোন বই নামান না। বাই দ্য ওয়ে আপনার পিসির উইন্ডোজ এর সিডিটা কত দিয়া কিনছিলেন জানি?যেখানে পোষ্টদাতা আর মূল লেখক নিজে এসে সব বলে গ্যালেন সেখানে মায়ের চাইতে মাসীর দরদ বেশী দেখে একটু অবাক লাগতেছে। তবে আপনার এই প্রচেষ্টাকে আমি সাধুবাদ জানাই। সব জায়গাতেই যে লেখকের পারমিশন নিয়ে পোষ্ট আসবে তা তো আর না। কিপ গোয়িং।

    1. তুমি মিয়া পারও… ঘা কেবল
      তুমি মিয়া পারও… ঘা কেবল শুকাইতেছে এই সময় শুধু লবন না সাথে হেক্সিসল ঘইষা দিলা। :হাহাপগে:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *