আম্লীগ খুব খ্রাফ – পুরানা স্মৃতি রোমন্থন !!!

গতবছর আগস্ট মাসের শেষের দিককার ঘটনা। সাংবাদিক বাল্য বন্ধু সকালে ফোন দিয়ে বলল এলাকার মুখে আসতে। মুখে গিয়েই দেখি সে অফিসিয়াল ড্রেসে ক্যামেরা ম্যান সাথে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একটু ভিমড়ি খেয়েই জিজ্ঞাসা করলাম বন্ধু কি অপরাধ করলাম? তখন সে হেসে হেসে বলল চাঁদাবাজি অপরাধ। এরপর দুজনেই হাসাহাসি কেননা এলাকার চাঁদাবাজি বন্ধ করেছিলাম।


গতবছর আগস্ট মাসের শেষের দিককার ঘটনা। সাংবাদিক বাল্য বন্ধু সকালে ফোন দিয়ে বলল এলাকার মুখে আসতে। মুখে গিয়েই দেখি সে অফিসিয়াল ড্রেসে ক্যামেরা ম্যান সাথে নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। একটু ভিমড়ি খেয়েই জিজ্ঞাসা করলাম বন্ধু কি অপরাধ করলাম? তখন সে হেসে হেসে বলল চাঁদাবাজি অপরাধ। এরপর দুজনেই হাসাহাসি কেননা এলাকার চাঁদাবাজি বন্ধ করেছিলাম।

তো এরপর জানালো শহীদ মিনারে যাচ্ছে সে একটা নিউজ কাভার করতে। যেহেতু এলাকা থেকে পায়ে হাটা পথ তাই হাটা ধরলাম। ওমা গিয়েই তাব্দা খাইলাম শুরুতেই। কেননা এলাকারই আরেক হিন্দু ছেলেকে দেখলাম বেশ কয়েকজন শিবিরের বেশভুষার পোলাপাইনের সাথে খাড়ায়া আছে। পরে পুরা কাহিনী শুনলাম সাংবাদিক বন্ধুর মুখে। মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার দাবীতে সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে শিবির এই সমাবেশ করছে।

ওহ সেই কি রক্ত গরম করা ভাষণ। মরে যাবে তবুও দাবী আদায় না হওয়া পর্যন্ত শহীদ মিনার ছাড়বে না। এরই মাঝে দেখলাম থানার কয়েকজন এস.আই এসে বারবার অনুরোধ করছে অভিভাবকদের যেন তাদের সন্তানদের নিয়ে যায় যেহেতু অনেক মেয়ে ছিলো তাই পুলিশ শুরুতেই একশনে যাচ্ছিলো না। এভাবে প্রায় পাঁচবার মাইকে সতর্ক করল, অভিভাবকদের জানালো কিন্তু তারা দাবী আদায়ে অনড়।

পুলিশ আর কি করবে বলুন। দেখলাম থানার ও.সি সাহেব নির্দেশনা দিলেন প্রস্তুত হতে। নির্দেশনা পেলো মিডিয়ারাও প্রস্তুত হতে। মাত্র দুই মিনিটের মাথাই পুলিশ যখন পুরো প্রস্তুত হয়ে মাঠে নামলো শিবিরের বেশভুষাধারীরা মুহুর্তেই হাপিস হতে লাগলো। নিজের চোখ দিয়েই দেখলাম তাদের পলায়ন। কিন্তু পলায়ন করেনি নেতা গোছের সামনের সারির শিবিরের ভাইয়েরা, পলায়ন করেনি ছাত্র ইউনিয়ন, ফ্রন্ট সহ অন্যান্য প্রগতিশীল(!!) ভাইয়েরা।

পুলিশ তো দেরী করে নাই। বেদম প্রহারের উপর রাখলো। সবচাইতে বেশী প্রহার করলো রেটিনার শিক্ষক কাম চট্টগ্রাম মেডিকেলের শিবিরের নেতাকে। এরপরের স্থানেই ছিলো এলাকার সেই পরিচিত ছেলেটি। পরে মহিলা কাউন্সিলার ও যুবলীগ নেতা এসে আটকে পড়া সাধারণ শিক্ষার্থীদের ছাড়িয়ে নেয় তমিজ মার্কেট থেকে। কিন্তু সেখানে বাধ সাধে আরেক কোচিং সেন্টারের পরিচালক। তার দাবী যদি গ্রেপ্তারকৃতদের ছেড়ে দেওয়া না হয় তাহলে আবারো আন্দোলন শুরু হবে। সাথে সাথেই তার কলার চেপে ধরে যখন পুলিশ নিয়ে যেতে লাগলো সাধারণ শিক্ষার্থীরা বাধা দেওয়া দূরে থাক বরং সহায়তা করল। অথচ ঐ মুহুর্তে পিছন থেকে বোরকা পরিহিতা প্রতিবাদ জানিয়ে যেই আওয়াজ তুলল সাথে সাথে তাকে থামিয়ে দিল অন্যান্যরা।

এই স্মৃতি রোমন্থনের কারণ কি জানেন? এই যে গণজাগরন মঞ্চে প্রগতিশীল(!!) ভাইদের এতো এতো শ্লোগান প্রবাহ, রেটিনা, ইনডেকসের বিরুদ্ধে এই সকল প্রতিষ্ঠান বর্জনের ডাক সেগুলো ঐ ২০১২ সালেই আওয়ামীলীগ চেয়েছিল বন্ধ করে দিতে। আফসোস সেই সময়ে এই আপনারাই উল্টো সরকারের বিরুদ্ধে গিয়েছিলেন যাতে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ না হয়। ওহে বলদ যতদিন এই ভর্তি প্রক্রিয়া থাকবে ঠিক ততদিনই রেটিনা, ইনডেকস, অপটিমাম এরা থাকবে। আজকে আওয়ামীপন্থীরা মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেই তা হয় ব্যবসা, ফায়দা লোটা আর আপনারা যদি শিবিরের সাথে হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিবাদ সভা করে আবার অনলাইন কিনবা গণজাগরণ মঞ্চে এসে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেন তখন সেটিকে কি বলবেন?

শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ করতে আসে নাই অনেক অনলাইন এক্টিভিস্ট। এখনো লাখে লাখে অনলাইন এক্টিভিস্ট আছে যারা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগ করে। সুতরাং শেখ হাসিনা জামাতের সাথে হাত মিলিয়ে দোয়া চেয়েছিলো সেই কথা বলে লাভ নেই। শেখ হাসিনা মিলিয়ে ছিলো আমরা মিলাই নাই। কিন্তু ইনু সাহেব যেরকম মিলিয়েছিলো তেমনি সেই দলের এই প্রজন্মের কর্মীরাও মিলিয়েছিলো ঐ শহীদ মিনারে।
দিলীপ বড়ুয়া চট্টগ্রাম গণজাগরন মঞ্চের সাথে সংহতি প্রকাশ করেছিলেন, বলেছিলেন জামায়াত-শিবিরের সাথে কোনরকম সম্পর্ক না রাখতে অথচ সেই দিলীপ বড়ুয়াই গত মে মাসে ইসলামী ব্যাংকের পঞ্চাশ লাখ টাকার এসএমই চেক হস্তান্তর করেন এই চট্টগ্রামেই আন্দরকিল্লার ব্যবসায়ী সাইফুদ্দিন আহমেদকে।

সবশেষে এসে সেই পুরানা ডায়ালগ “আম্লীগ খুব খ্রাফ”

৩৪ thoughts on “আম্লীগ খুব খ্রাফ – পুরানা স্মৃতি রোমন্থন !!!

  1. আম্লীগ খ্রাফ কে কইছে?
    আম্লীগ খ্রাফ কে কইছে? :টাইমশ্যাষ: আম্লীগ দুধে ধোঁয়া তুলশী পাতা। যে আম্লিগের নামে কিছু কইব তারে টুট…টুট…টুট… (টুট টুটে কি বুঝায় সেটা জানতে ফেসবুকে বিশিষ্ট আওয়ামী অনলাইন যোদ্ধাদের স্ট্যাটাস দেখুন) 😀 :শয়তান:

    অঃ টঃ বুদ্ধিমানেরা সমালোচনাকে খারাপ চোখে দেখে না। সমালোচনাকে নিজের শোধরানোর পন্থা হিসেবে নেয়।

    1. আম্লীগ যদি দুধে ধোঁয়া তুলশী
      আম্লীগ যদি দুধে ধোঁয়া তুলশী পাতা হইত তাইলে কইতাম না

      শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ করতে আসে নাই অনেক অনলাইন এক্টিভিস্ট। এখনো লাখে লাখে অনলাইন এক্টিভিস্ট আছে যারা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগ করে। সুতরাং শেখ হাসিনা জামাতের সাথে হাত মিলিয়ে দোয়া চেয়েছিলো সেই কথা বলে লাভ নেই। শেখ হাসিনা মিলিয়ে ছিলো আমরা মিলাই নাই।

      :চোখমারা: :চোখমারা: :চোখমারা: মুই কোনকালেই মোর সমালোচনাকারীদের খ্রাফ চক্ষে দেহি নাই।

      1. বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তাইলে
        :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:
        বঙ্গবন্ধুর আদর্শ তাইলে গালিবাজি নাকি? ঝানতাম না। :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

        1. আতিক ভাই আর কি বলব। চু***নীরে
          আতিক ভাই আর কি বলব। চু***নীরে যদি চু***নী না ডেকে অন্য কিছু ডাকি তাহলে সেটি কেমন দেখায়?

          আমাদের নেতা শিখিয়ে গেছেন জাউরার সাথে খেলতে হলে জাউরার বাপ হতে হবে। খালি আওয়ামী এক্টিভিস্টরাই গালি দেয়? আর কেউ দেয় না? স্ন্যাপ শট লাগবে কি?

          1. এই হচ্ছে সমস্যা। “অমুকে অপরাধ
            এই হচ্ছে সমস্যা। “অমুকে অপরাধ করছে, তাইলে আমি করলে দোষ কি?” তাইলে অমুকরে গালি দেন ক্যা?

          2. অমুকে অপরাধ করছে তাইলে আমি
            অমুকে অপরাধ করছে তাইলে আমি করলে দোষ কি ব্যাপারটা এইরকম না কিন্তু মোটেও। এইরকমই যদি হইত তাইলে হেতেরা ধর্ষণ করছে কেন আমরাও করতাম এই অজুহাতে। তারা যুদ্ধাপরাধ করছে আমরাও করতাম তাহলে।

            গালি দেওয়া আর অপরাধ করা দুইটা কিছুটা হলেও ভিন্ন।

          3. কিয়ের মধ্যে কি, পান্তা ভাতে
            কিয়ের মধ্যে কি, পান্তা ভাতে ঘি।

            খালি আওয়ামী এক্টিভিস্টরাই গালি দেয়? আর কেউ দেয় না?

            এই লাইন দেখে “অমুক তমুকের” উদাহরণ টানছি, আর আপনি ধর্ষন, যুদ্ধাপরাধ কতকিছু টেনে এনে অস্থির। অনেক রাত হইছে। ঘুম দেন। মাথায় নিদ্রাকুসুম তৈল মর্দন করলে ভালো ফল পাবেন।

          4. মাথায় নিদ্রাকুসুম তৈল মর্দন

            মাথায় নিদ্রাকুসুম তৈল মর্দন করলে ভালো ফল পাবেন।

            :-B :-B :-B আমার একাকী অনুভুতিতে আঘাত দেওয়ার জন্য আপনার উপর লানত। কে এখন আইসা মাথায় তেল মাখায়া দিবে? পুরা ঘুমটাই মেরে দিছেন :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

          5. মন্তব্যের মূল অংশ এড়িয়ে গিয়ে
            মন্তব্যের মূল অংশ এড়িয়ে গিয়ে তৈল অংশ নিয়ে মাতামতি। তৈল একটি উপকারি বস্তু। অনেক যায়গায় কাজে লাগে। বিশেষ করে বর্তমান রাজনৈতিক কালচারে অত্যাবশ্যকীয় উপাদান।

      2. “শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ করতে
        “শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ করতে আসে নাই অনেক অনলাইন এক্টিভিস্ট। এখনো লাখে লাখে অনলাইন এক্টিভিস্ট আছে যারা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগ করে। সুতরাং শেখ হাসিনা জামাতের সাথে হাত মিলিয়ে দোয়া চেয়েছিলো সেই কথা বলে লাভ নেই। শেখ হাসিনা মিলিয়ে ছিলো আমরা মিলাই নাই।” এই মন্তব্য যার, সে একটা উম্মাদ

  2. আওয়ামী অনলাইন যোদ্ধাদের
    আওয়ামী অনলাইন যোদ্ধাদের দ্বিতীয় মুক্তিযুদ্ধের তৃতীয় পর্ব শুরু হইছে। প্রথম পর্ব গর্বের। সেই পর্বে পিয়ালের মতো যোদ্ধারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে গবেষণা করে তরুণদের যাদুমন্ত্রে মুগ্ধ করেছে। দ্বিতীয় পর্বে শাহবাগ দখল। তৃতীয় পর্বে শুরু হইছে গালিবাজির মহরা। ভালোই চলতিছে তৃতীয় পর্ব।

    1. ছদ্মবেশে অতিথি সেজে মন্তব্য
      ছদ্মবেশে অতিথি সেজে মন্তব্য না করে নিজের নিকে এসে মন্তব্য করেন। আঞ্চলিকতা এতো সহজে ছেড়ে দেওয়া যায় না তো।

  3. ইস্টিশনে এখনও টিকেট কাটি নাই।
    ইস্টিশনে এখনও টিকেট কাটি নাই। ফেসবুকে পোস্ট শেয়ার দেইখা মন্তব্য দিলাম। ইস্টিশনে টিকেট কাটার ইচ্ছা নাই আপাতত। গালিবাজরা এখানেও বলগিং করে দেখছি।

    1. (No subject)
      :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :পার্টি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: :আমিওআছি: :আমিওআছি: :আমিওআছি: :আমিওআছি: :শিস: :শিস: :শিস: :শিস: =P~ =P~ =P~ =P~ :ঘুমাইতেছে: :ঘুমাইতেছে: :ঘুমাইতেছে: :ঘুমাইতেছে:

    2. গালিবাজরা এখানেও বলগিং করে

      গালিবাজরা এখানেও বলগিং করে দেখছি।

      ইটা কি কইলা তুমি অথিতি ভাপ্পো !! কাহা রাগ করিবে কইলুম !!!!!! :হাহাপগে: :হাহাপগে: :হাহাপগে:

  4. ? এই যে গণজাগরন মঞ্চে

    ? এই যে গণজাগরন মঞ্চে প্রগতিশীল(!!) ভাইদের এতো এতো শ্লোগান প্রবাহ, রেটিনা, ইনডেকসের বিরুদ্ধে এই সকল প্রতিষ্ঠান বর্জনের ডাক সেগুলো ঐ ২০১২ সালেই আওয়ামীলীগ চেয়েছিল বন্ধ করে দিতে। আফসোস সেই সময়ে এই আপনারাই উল্টো সরকারের বিরুদ্ধে গিয়েছিলেন যাতে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ না হয়।

    আপনার এই যুক্তিটা ধোপে টিকবে না। মেডিকেলে ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের জন্যে আন্দোলন তো একটা প্রয়োজনীয় আন্দোলন। এইখানে শিবির গেছে দেইখা আর কেউ যাইতে পারবে এটা ক্যামন যুক্তি। নাকি আপনি চান জিপিএর ভিত্তিতে ভর্তি হোক পোলাপান মেডিকেলে? যেখানে সারা বাংলাদেশে সব জায়গায় পরীক্ষা হচ্ছে। এখন আমি যদি বলি আওয়ামীলীগ এটা করতে চেয়েছিল শেষ সময়ে কিছু টাকার খেলা করতে তাহলে আপনি কি যুক্তি দিবেন? আর এটা কে না জানে জিপিএ এক লক্ষ লক্ষ ছেলে আছে, কিন্তু সবার বাপের টাকা নাই। সো এমন একটা যৌক্তিক দাবি কেউ করতে হইলে বাম ডান হইতে হইব?

    1. ভাই আমার এইলেখার মূল উদ্দেশ্য
      ভাই আমার এইলেখার মূল উদ্দেশ্য কি জানেন?

      আজকে আওয়ামীপন্থীরা মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেই তা হয় ব্যবসা, ফায়দা লোটা আর আপনারা যদি শিবিরের সাথে হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিবাদ সভা করে আবার অনলাইন কিনবা গণজাগরণ মঞ্চে এসে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেন তখন সেটিকে কি বলবেন?

      নতুন করে কিছুই বলার নাই ভাই। সব আশা করি দেখতেই পারছেন। গণজাগরন নিয়ে শুরুর দিকে নোংরামি কারা করেছিল তা আমার সেইসময়কার পোস্টে গেলেই দেখতে পারবেন। সেই তারাই করেছিল যারা ঐ শিবিরদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে আন্দোলন করেছিল। আন্দোলন করতে মানা নেই কিন্তু তাই বলে শুয়োরদের সাথে আন্দোলন করাটা আমি অস্বীকার করি। ঐ আন্দোলন শুরু করেছিল চট্টগ্রামের প্রবাহ, রেটিনারা পরে সেখানে এসে যোগ দেয় বামের প্রগতিশীল (!!) ভাইয়েরা, বোনেরা।ভাই জিপিএ’র ভিত্তিতে বর্তমানে কলেজে ভর্তি হচ্ছে। বলেন এখানে দূর্নীতি হচ্ছে নাকি দূর্নীতি দমন হচ্ছে। একটা অফার দিয়ে যাই আপনার পরিচিত কেউ চমেকে ভর্তি হতে চাইলে এক লক্ষ টাকা নিয়ে যোগাযোগ করতে বইলেন কিন্তু ইন্টার লেভেলে কোন কলেজে ভর্তি করাই দিতে পারবো না যদি সে কলেজে অনলাইন চালু থাকে। আওয়ামীলীগ চাইলে বর্তমানে এই অনলাইন ভর্তি প্রক্রিয়া দিয়ে অনেক কামাইতে পারতো কই আমার বাসায় এসে টাকা খুজে নাই অথচ আমার বোন এসেছে তালিকাতে। কিবলবেন এটিকে? আমি ছাত্রলীগের সাপুর্টার তাই?

      1. চমেকে ভর্তি হতে চাইলে এক লক্ষ

        চমেকে ভর্তি হতে চাইলে এক লক্ষ টাকা নিয়ে যোগাযোগ করতে বইলেন

        কার সাথে যোগাযোগ করতে বলব? বি স্ট্রেইট। আপনার তো দেখি অনেক ক্ষমতা। মেডিকেলে ভর্তির কি বালটা আপনি জানেন তা আমাকেও একটূ জানান।

        1. বিভিন্ন কুচিং ছেন্টারে
          বিভিন্ন কুচিং ছেন্টারে শিবিরের বাইয়াদের সাথে একটু ভালু যুগাযুগ রাখতে পারলেই পরীক্ষার আগের রাতে প্রশ্নপত্র পাওয়া খুব বড় ব্যাপার হবে না যদি একলাখ ট্যাকা দেন।

          1. উনাদের অবশ্য চক্ষু নাই সাথে,
            উনাদের অবশ্য চক্ষু নাই সাথে, থাকলেও সেইটা কাজ করে না… উনারা এইটা ক্যামনে বুঝবো??… :চিন্তায়আছি:

  5. এখানে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগের
    এখানে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগের কেউ সমালোচনা করছে বলে মনে হয় না। তোমার কথা মত শুয়োরদের সাথে যারা হাত মিলিয়েছে সেসব আওয়ামীলগারের সমালোচনা করা হচ্ছে। জামায়াতের শুয়োরদের সাথে যেসব আওয়ামী শুয়োররা হাত মিলিয়েছে সেব শুয়োরদের কথা বলা হচ্ছে। শুয়োরদের জন্য যেসব আওয়ামী শুয়োররা থানায় গিয়ে সুপারিশ করেছে সেসব শুয়োরদের সমালোচনা করা হচ্ছে। যদি কোন বাম এই কাজ করে তাদেরও আমি তোমার ভাষায় শুয়োর ডাকব। তোমার নেত্রীসহ সেইসব শুয়োরদের বিষয়ে তোমার মতামত জানাও। বড় ভাইদের খুশী করার জন্য ফেসবুকের মন্তব্যের জবাবে একটা গোটা পোস্ট প্রসব করেছ। চরিত্র প্রকাশ পাচ্ছে ধীরে ধীরে। ফেরারী জীবন শেষে আলোর ঝলকানী আসে, আবার অন্ধকার আসতেও সময় লাগে না। সময়ে সব চরিত্র প্রকাশ পায়। দিলীপ, মেনন, ইনুকে তোমার নেত্রী জামাই আদর করে মন্ত্রী বানিয়েছেন। তাদের সমালোচনা করার আগে তোমার নেত্রীরে জিগাও, এদের কেন জামাই আদর করছে।

    এই দিন দিন নয় আরো দিন আছে…….!!! স্মরণ রেখো কথাটা।

    1. শুয়োরদের জন্য যেসব আওয়ামী

      শুয়োরদের জন্য যেসব আওয়ামী শুয়োররা থানায় গিয়ে সুপারিশ করেছে সেসব শুয়োরদের সমালোচনা করা হচ্ছে।

      যাদের কথা বলছেন তাদের কেউই অনলাইনে এসে বক্তব্য দেয় না। এটা শতভাগ হলফ করে বলতে পারি কেননা আপনি যাদের কথা বলছেন তাদের সকলের সাথে ভালোই পরিচয় আছে। হ্যাঁ অস্বীকার করছি না রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলে তারা এসব করছে কিন্তু অনলাইনে যারা বক্তিমা দিয়ে বেড়ায় তারাই যখন শুয়োরদের সাথে সহবাস করে তাদের কি বলবেন ভাই? এই আসিফ মহিউদ্দীন কি অনলাইনে বলে নাই সে যুদ্ধাপরাধীদের ফাঁসি চায় না? ফারুক কি বলে নাই? মাহবুবের সাথে গুয়াযমের ছেলের সখ্যতা কী অস্বীকার্য?

      এখানে যে বিষয় নিয়ে যাদের কথা বলেছি সেই তারাই গণজাগরণ মঞ্চে এসে বড় বড় ভাষণ দিয়েছে আমার চোখের সামনে। কিন্তু থানায় গিয়ে যারা সুপারিশ করেছে তারা কিন্তু শিবিরদের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে আন্দোলন করে নাই।

      নেত্রী যেমন তাদের জামাই আদর করছে তেমনি আমরাও কম করছি না। এই আমিই দিলীপ বড়ুয়ার পাশেই বসে শ্লোগান দিয়েছিলাম। তার মুখেই মাইক্রোফোন ধরে ছিলাম এসব তো অস্বীকার করতে পারি না। আর উপরেই তো বলেছি আমাদের নেত্রী জামায়াতের সাথে হাত মিলিয়ে দোয়া চেয়েছিল কিন্তু আমরা তো চাইনি। তাহলে কেন আমাদের বলবেন আমরা মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসায়ী কেন তাদের বলবেন না মুক্তিযুদ্ধ ব্যবসায়ী যারা শিবিরের সাথে হাতে হাত মিলিয়ে আন্দোলন করেছে?

      হ্যাঁ ভাই অস্বীকার করব না আমার চরম দুর্দিনে আপনিই আমার পাশে ছিলেন। শুধু এই ফেরারী জীবনে নয় বরং আজকের এই ব্লগ জীবনে আমার উত্থানেও আপনার সক্রিয় ভুমিকা আছে। যখন আমার নিক ব্যান করতে চেয়েছিল আপনিই প্রতিবাদ করেছেন নিজের কানে শুনেছি আমার সাথে মেলামেশা করেন বলে অনেকেই আপনাকে কটুক্তি করে। তবে জেনে রাখুন ঠিক যেভাবে আপনাকে করে তার চাইতে কোন অংশে কম আমাকে করে না তবুও তারা মেনে নেয়। আপনাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখে, সম্মান করে। ভাই আরেকটা কথা না বলেই পারছি না ২০০৮ থেকে ২০১০ টানা দুইবছর ফেরারী ছিলাম আর নিশ্চয়ই আপনি তা জানেন।

  6. “ভাইদের এতো এতো শ্লোগান
    “ভাইদের এতো এতো শ্লোগান প্রবাহ, রেটিনা, ইনডেকসের বিরুদ্ধে এই সকল প্রতিষ্ঠান বর্জনের ডাক সেগুলো ঐ ২০১২ সালেই আওয়ামীলীগ চেয়েছিল বন্ধ করে দিতে। আফসোস সেইসময়ে এই আপনারাই উল্টো সরকারের বিরুদ্ধে গিয়েছিলেন যাতে ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ না হয়। ওহেবলদ যতদিন এই ভর্তি প্রক্রিয়া থাকবে ঠিক ততদিনই রেটিনা, ইনডেকস, অপটিমাম এরা থাকবে।”

    মাথা ব্যাথা করলে মাথা কেটে ফেলা আর কি। ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একজন কটুক্তি করায় বাংলাদেশে ফেসবুক কিছুদিনের জন্য বন্ধ করা, ইউটিউব বন্ধ করা, অবৈধ ভিওআইপি বন্ধের জন্য নেট স্পিড কমানোসহ কিছু অদ্ভুতুড়ে সিদ্ধান্ত জনগনের মাঝে হাসিরই উদ্রেক করেছে। আর আপনি করছেন সমর্থন !!!

    “আজকে আওয়ামীপন্থীরা মুক্তিযুদ্ধের কথা বললেই তা হয় ব্যবসা, ফায়দা লোটা আর আপনারা যদি শিবিরের সাথে হাতে হাত, কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে প্রতিবাদ সভা করে আবার অনলাইন কিনবা গণজাগরণ মঞ্চে এসে মুক্তিযুদ্ধের কথা বলেন তখন সেটিকে কি বলবেন?”

    যখন গনজাগরন মঞ্চের একজন সংগঠককে হত্যাকারীর আসামীদের ধরা হয়না সরকারি দলের নেতাদের চাপে তখন কি বলবেন। উপজেলা শিবিরের সভাপতিকে গ্রেফতারের সময় যখন যুবলীগ বাধা দেয় তখন কি বলবেন। শিবিরের ছেলেদের যখন ছেড়ে দিতে হয় লীগের ছেলেদের চাপে তখন কি বলবেন। কয়জন চেতনা নিয়া লীগের রাজনীতি করে সন্দেহ। কালের কন্ঠে কিছুদিন আগে একটা প্রতিবেদন এসেছিলো। তলে তলে তো জামাতের সাথে লীগের আত্মীয়তা ভালোই। এই কারনেই তো কিছুদিন আগে বিভিন্ন অঞ্চলে সহিংসতা করার পরও শিবিরের ক্যাডাররা গ্রেফতার হয়নি। তখনই লীগকে চেতনা ব্যবসায়ী বলা হয় যখন মুখে চেতনার বুলি ছাড়লেও আত্মীয়তা জামাতের সাথেই। কুকর্ম করেও যখন মঞ্চে উঠে বঙ্গবন্ধুর নাম নিয়ে চেতনার বুলি আওড়ায় তখনই তাকে চেতনা ব্যবসায়ী বলা হয়।

    জামাতের সঙ্গে এক বিছানায় শোয়াকে ঘৃনা করি প্রবলভাবে। আপনার লীগকে মাথায় তোলা দেখেই উপরের কথাগুলো লিখতে বাধ্য হলাম।

    1. মাথা ব্যাথা করলে মাথা কেটে

      মাথা ব্যাথা করলে মাথা কেটে ফেলা আর কি। ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে একজন কটুক্তি করায় বাংলাদেশে ফেসবুক কিছুদিনের জন্য বন্ধ করা, ইউটিউব বন্ধ করা, অবৈধ ভিওআইপি বন্ধের জন্য নেট স্পিড কমানোসহ কিছু অদ্ভুতুড়ে সিদ্ধান্ত জনগনের মাঝে হাসিরই উদ্রেক করেছে। আর আপনি করছেন সমর্থন !!!

      আপনার যুক্তির বাহার বড়ই চমৎকার। আমি কি লিখছি আর আপনে আমার লেখারে কিয়ের সাথে মিলাইয়া সমর্থক বানাইয়া দিলেন!!!

      যখন গনজাগরন মঞ্চের একজন সংগঠককে হত্যাকারীর আসামীদের ধরা হয়না সরকারি দলের নেতাদের চাপে তখন কি বলবেন।

      দেশে থাকেন নাকি মঙ্গল গ্রহে? থাবার খুনী কি গ্রেফতার হয় নাই?

      তখনই লীগকে চেতনা ব্যবসায়ী বলা হয় যখন মুখে চেতনার বুলি ছাড়লেও আত্মীয়তা জামাতের সাথেই।

      আহ খালি লীগ একাই উঠে আর কেউ উঠে না।

      আপনার দৌড় বোঝা হইছে ভালো কইরাই আমার।

      1. আমি কি লিখছি, আর আপনি কি
        আমি কি লিখছি, আর আপনি কি বুঝছেন!!!
        সরকার ঐসব কোচিং সেন্টার বন্ধ করতো। তা না করে কোচিং সেন্টারের কারনে মেডিকেলের ভর্তি পরীক্ষা বাতিল! অদ্ভুত!!

        আমি তো থাবার কথা বলিনি। আমি বলেছি জগতজ্যোতির কথা।

        যে যে উঠে সে শুয়োর, সে বাম হোক আর অন্য কেউ। কিন্তু লীগের যে যে ওঠে সে শুয়োরের থেকেও বেশি কিছু। সাধারন কারো অপকর্ম করার থেকেও ধার্মিক সেজে অপকর্ম করায় অপরাধ অনেক বেশি।

        কি বুঝলেন? কোনো ট্যাগ ওয়েট করতেছে?

        1. হ আপনেই ব্যাশি বুঝেন সেইটা
          হ আপনেই ব্যাশি বুঝেন সেইটা দ্যাখতেই পারতাছি।

          সরকার কুচিং চেন্টার বন্ধ করলেই কি হইবো? উপ্রে কি ল্যাখলাম খিয়াল করেন নাই?

          ওহেবলদ যতদিন এই ভর্তি প্রক্রিয়া থাকবে ঠিক ততদিনই রেটিনা, ইনডেকস, অপটিমাম এরা থাকবে।

          এইচএসসি ভর্তি পরীক্ষা বন্ধ কইরা দেওনের পর এইচএসসি ভর্তি বাণিজ্য কিরকম বন্ধ হইছে তা একটু চুখ খুইল্যা দ্যাখপেন?

          আমি তো থাবার কথা বলিনি। আমি বলেছি জগতজ্যোতির কথা।

          আগে তো নাম উল্লেখ করেন নাই। এখন থাবার কথা কইলাম আর আইলো জগতজ্যোতি। বাইয়া জগতজ্যোতি কিন্তু ছাত্রলীগের কর্মী। এই পুস্টের মুল বিষয়বস্তু কিন্তু এইটা ছিলো না। তাও কথা তুলছেন যখন বলি। সরকারী নেতার কথায় যেমন ধরে নাই তেমনি ফলও পাইতাছে সরকার। সিলেট নির্বাচনে আরিফব্বাঈ জগতজ্যোতির খুনীদের লইয়া প্রচারণা করছে আর তারেই সিলেটবাসী ভুট দিছে। সো খিয়্যাল কইরা। পাব্লিক ডিমান্ড।

          কিন্তু লীগের যে যে ওঠে সে শুয়োরের থেকেও বেশি কিছু।

          পোস্টের শিরোনামের সাথে এক্কেরে মিলায়া দিলেন। আম্লীগ যে খ্রাফ তা আর কতভাবে কইতে হইবো?

          বিনামূল্যে ট্যাগ দেই না আমি। আর ঐ ক্ষমতাও রাখি না। আপনি বুইঝা লন আপনি কি। কেননা আপনিই কইছেন বাম উঠলে শুয়োর কিন্তু লীগ উঠলে শুয়োরের থাইক্যাও বেশি। সো ডিফিকাল্ট থিং টু হাইড।

  7. পোস্ট এর উপর সব চুচিল কুচিল
    পোস্ট এর উপর সব চুচিল কুচিল ভুচিল সব টাইপ কমেন্ট হইয়া গেছে । আমি লেট পাবলিক তাই আর কিছু কইতাছি নাহ শুধু আপনার একটা কথা কোট করমু যেটা অসাধারন লেগেছে ।

    শেখ হাসিনার আওয়ামীলীগ করতে আসে নাই অনেক অনলাইন এক্টিভিস্ট। এখনো লাখে লাখে অনলাইন এক্টিভিস্ট আছে যারা বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগ করে।

    সহমত ভাই । :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া: :তালিয়া:

    1. বরাবরই ব্রক্ষপুত্র স্যার
      বরাবরই ব্রক্ষপুত্র স্যার কহিলেন ইমোতে… :শিস: #-o ইষ্টিশনের এই যাত্রায় আপনি একটা পিউর বিনুদুন, স্যার… :bow: স্যালুট আপনাকে … :salute: :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

        1. ইনি কখনই ভাষার মাশসমে মনের
          ইনি কখনই ভাষার মাশসমে মনের ভাব প্রকাশ করেন না। :ভেংচি: :শয়তান: :শয়তান: :মাথাঠুকি: উনি মনের ভাব প্রকাশে বেছে নেন ইষ্টিশনের ইমোটিকন’স… 😀

Leave a Reply to সুমিত চৌধুরী Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *