অবৈধ অঙ্গ প্রতিস্থাপন

আমার এই গল্পটা খুব কাছের একজন বন্ধু তাঁর ভাইয়ের জীবন সংকটময় এবং কিভাবে রক্ষা পেল।তা অকপটে বলল তার কাছ থেকে যা জানলাম তা হচ্ছে…

আজ যা বলতে যাব তা অনেক ভয়াবহ, মানবিক এবং অমানবিক সব কিছুর মিশ্রণ আছে।ঘটনা ২০০৫ ইং সনের।

আমার এই গল্পটা খুব কাছের একজন বন্ধু তাঁর ভাইয়ের জীবন সংকটময় এবং কিভাবে রক্ষা পেল।তা অকপটে বলল তার কাছ থেকে যা জানলাম তা হচ্ছে…

আজ যা বলতে যাব তা অনেক ভয়াবহ, মানবিক এবং অমানবিক সব কিছুর মিশ্রণ আছে।ঘটনা ২০০৫ ইং সনের।
আমি বুঝতে পারছি না এই ব্যাপারটা কতটুকু প্রকাশ করলে তা গোপনীয়তা রক্ষা পাবে।ভারতীয়রা তাদের কে নিয়ে যেভাবে নাক উঁচু ভাব দেখায় আসলেই কি তারা এর অধিকার রাখে।যেখানে মানুষের অঙ্গ প্রত্যঙ্গ অবাধে কেনা বেচা হয়।যে দেশের শহরে গ্রামে ধর্ষণ হয়।স্কুল ছাত্রী থেকে অনাথ শিশু এর কোন নির্দিষ্ট পর্যায় নেই বললে চলে।আমার এক বড় ভাই আমেরিকা প্রবাসী।উনার কিডনি অকার্যকর হয়ে পড়ল। দেশে খবর আসার পর পরিবারের সবার মন খুব খারাপ হল ।সবাই এ নিয়ে উদ্ভিগ্ন।কি হবে এখন।
তখন দেশ থেকে উনাকে একজন ফোন করে জানাল,
কিডনি নাকি পরিবর্তন করা যায়।ত তিনি খুজ খবর নিতে শুরু করলেন।
আমাদের দেশের একটি সুনাম ধন্য হাসপাতালে একজন দালাল আছে সে নাকি এইসব মানেজ করে দেয়।খোজ খবর করে জানা গেল ঘটনা সত্যি।
তো তাদের সাথে আমার কাজিনের আলাপ সালাপ হল।
দর দাম রফাদফা এবং উভয় পক্ষে কথা চালাচালি করে সব কিছু ফিক্স হল।
এখন বলছি আমি কিভাবে জড়ালাম।
এমনিতে আমি খুব চালাক চতুর বা স্মার্ট মনে হলেও আমি আসলে বোকার হদ্দ।
আমাদের পারিবারিক মিটিং হল কিভাবে কি করা যায়।সবাই বলল এই কাজ আমাকে ছাড়া হবে না।সবাই তা সমর্থন করল।
কোথায় চিকিৎসা হবে—-
কেন ভারতে—
কে দিবে কিডনি–
আছে একজন দালাল সে তা মানেজ করবে—
তা বুঝলাম কিন্তু এটা কি করে সম্ভব ?
অইখানে কি এই আইন আছে—
তা দেখা যাবে।আমি পড়লাম বিপদে।এভাবে কিছু হয়। তো যার সাথে কথা বলছি
তিনি বললেন তোমার কিছু করতে হবে না সব কিছু নির্ধারণ করা আছে তুমি শুধু রুগীর
দেখশুনের কাজে যাবে।মানে attendance এর কাজ।
যথাসময়ে আমরা ভারতে রওয়ানা হই।
বেঙ্গালুরুতে যেতে হবে অনেক জার্নি করে সেখানে গেলাম।আমার সাথে আমার স্ত্রী আমার একমাত্র মেয়ে ও রুগিকে নিয়ে শুরু হল আমাদের চার মাসের ভারত সফর।
হাসপাতালে এডমিট হওয়া থেকে অপারেশন অবধি আমি ছিলাম সাথে।এর ভিতর দু বার ভিসা এক্সটেনশন ও একবার দেশ থেকে ঘুরে এলাম।
ওখানের মানে ভারতের সব কিছু ভাল।শুধু কাগজে কলমে।
আর আমরা মূর্খ জাতি না বুজেই ভারত মহান বলে প্রনাম করি।এরা আমাদের কে যে কি পরিমান ঘিনা করে তা বলে বুজানো যাবে না।
হল কি কে দিল কিডনি…?
এখন বলছি তা। এই দেশ থেকে যে কিডনি দিতে গেল।সে অই রুগীর ভাই হিসেবে গেছে। কিভাবে…?কেন অই রুগীর আপন ভাই হয়ে পাসপোর্ট তৈরি করে।তা আবার কলকাতা থেকে noc যোগার করে।অই বেক্তি কে সুন্দরভাবে নিঃসন্দেহে রুগীর ভাইয়ের প্রমান পত্র হাজির করে।কি না হয় মামা টাকা থাকলেই হয়।তারপর হাসপাতালের ডাক্তার এর ইন্টার্ভিউ ফেস করে?ভাবছেন এরা কি বোকা,মুটেও না।সব কিছু প্লেন মুতাবেক সর্ব ক্ষেত্রে টাকা দিয়ে ,তবে না কাজ।
এখন বলেন এটা কি মানবিক না অমানবিক ?একজন স্বেচ্ছায় অঙ্গ দিল তাঁর ভাই কে।
আপনি প্রমান করেন।হাঁ এটা মানবিক না কারন যে পরিমান টাকা দিয়ে একজনের অঙ্গহানি হল তা শুনলে আপনি অজ্ঞহান হয়ে যেতে পারেন। আমি বলছি ২০০৫ এর কথা।যে বেক্তি টাকা দিয়ে তাঁর জীবন সঙ্কটের দিকে এগুলো সে মাত্র ১ লক্ষ ২০ হাজার টাকা পেল।সবকিছু বলছি না।আপ্নি ভাবতে পারেন…?যিনি কিডনি দিয়েছিলেন এক মাস পরে তাঁর বিভিন্ন কাজে অই টাকাটা খরচ হয়ে গেল।কেমন হল?কতই নির্মম ব্যাপার।আর আমার কাজিন এখনও ভাল আছে।অ্যামেরিকাতে ডলার কামাচ্ছে।তবে আমি কিন্তু খুবই মর্মাহত ছিলাম এই বেপারে।লিখালিখি করব ভেবেছিলাম। তারপর হটাত একদিন দেখি পত্রিকাতে একটি নিউজ, কিডনি দালাল চক্র গ্রেফতার।

তবে আমি আজও বুযতে পারছি না।কারা ক্ষতিগ্রস্ত হল রুগী নাকি কিডনি দাতা।স্বেচ্ছায় কেন অঙ্গ বিক্রি করবে করবে যখন এত অল্প দামে কেন ? আজ জানিনা কোন দিকে কি হচ্ছে।তবে আমার বিশ্বাস মানুষ এই ভুল করবেনা।ভারত আমাদের বন্ধু কখনই হবে না।আমার দেশ আমার মাতৃকা সবার উপর।

১৩ thoughts on “অবৈধ অঙ্গ প্রতিস্থাপন

  1. এখানে বার বার ভারতকে কেন গালি
    এখানে বার বার ভারতকে কেন গালি দিচ্ছেন বুঝলাম না!
    অবৈধ অঙ্গ প্রতিস্থাপন করাটা যদি আপনার খারাপ লেগে থাকে তাহলে আপনাদের পরিবার থেকেই না হয় কেউ একজন দিতেন! তা তো দেননি!
    বৈধ-অবৈধ যা-ই হোক না কেন, আপনার কাজিনের জীবন তো বেঁচে গেছে। আর ডোনার সেই টাকা দিয়ে কী করেছে সেটা তার ব্যাপার। অনেকে তো রক্ত বেঁচে মদ-হেরোইনও খায়!
    তাতে আমাদের কী করার আছে?
    এখানে প্রতারণাটা কোথায় করা হলো ঠিক বুঝলাম না!

    আর (আমার জানামতে) অঙ্গ প্রতিস্থাপনটা এখন বাংলাদেশেও হচ্ছে। সেটা বৈধ-অবৈধ দুই ভাবেই…
    তবে টাকার বিনিময়ে কেউ নিজের অঙ্গ বিক্রি করে দিলেই সেটা অবৈধ বলে গন্য হয় কিনা জানা নেই। আমার মনে হয় না!
    ব্যাপারটা যদি এমন হতো যে গরীব বা শিশুদের জোর করে ধরে অপরেশন করে তার অঙ্গ কেটে বিক্রি করে দেয়া হচ্ছে- তাহলেও না হয় একটা কথা ছিল।

    সর্বপরি আপনি আসলে কী বললেন আর কী বুঝালেন- কিছুই বুঝলাম না!
    (কি জানি- আমার আই.কিউ-এর সমস্যাও হইবার পারে! 😛 )

    1. গল্পটা আমার না হয়ত আমার লিখার
      গল্পটা আমার না হয়ত আমার লিখার ভঙ্গিতে আপনাকে সব কিছু বুঝাতে পারিনি।যে দেশ ডাক্তার প্রশাসন জেনেও তা পারমিট করে। সেই দেশ কি অন্যায় করল না।নিজের আপন ভাই বোন মা বাবা ছাড়া অর্গান বিনিময় অবৈধ।আমি মানবিক দিক দিয়ে বিবেচনা করছি।যিনি মূল্যবান অঙ্গ দিলেন তিনি কি জানেন যে তাঁর ভবিষ্যতে একমাত্র কিডনি খারাপ হতেও পারে।তিনি অন্য ভাবে ভিন্ন পন্থা চুজ করতে পারতেন।এই বেকুবতার জন্য আমার মায়া হচ্ছে।

      1. ভালো কথা! তাহলে-
        ১) আপনার ঐ

        ভালো কথা! তাহলে-
        ১) আপনার ঐ কাজিনের বাবা-মা-ভাই-বোন কেউ দিলো না কেন?
        ২) যে কথা ঐ গরীব লোকটার জন্য প্রযোজ্য সেটা তো তাদের জন্যও প্রযোজ্য!
        ৩) শিশুশ্রম খুব খারাপ ব্যাপার। কিন্তু একবার ভেবে দেখেছেন- ঐ শিশুটাক্র কাজে না নিলে হয়তো তার অসুস্থ মায়ের ঔষুধ কেনা হবে না! উপোস থাকতে হবে এবেলা!
        বড় বড় কথা বলার আগে মূল সমস্যাটা সমাধান প্রয়োজন!
        ভারত/সিস্টেম/প্রশাসন কে গালি দেবার আগে একবার ভাবুন- ঐ সময় যদি ঐ ব্যাবস্থা না হতো তাহলে আপনি/আপনারা কী করতেন???

        সর্বপরি আতিক ভাইয়ের সাথে একমত।

  2. অদ্ভুত ব্যাপার। আপনার সেই
    অদ্ভুত ব্যাপার। আপনার সেই বন্ধুর অবৈধ কাজটা করতে বাঁধল না। কাজ সারার পর মায়াকান্না।
    এবার কিছু কঠিন সত্য কথা বলি। চোখের কর্নিয়াজনিত রোগের কারনে প্রতিবছর প্রচুর মানুষ অন্ধ হচ্ছে আমাদের দেশে। যার মধ্যে একটা মেজর অংশ হচ্ছে শিশুরা। মানব দেহের মধ্যে একমাত্র কর্নিয়াই হচ্ছে এমন একটা অংশ যা যে কেউ যে কারো কর্নিয়া নিয়ে ট্রান্সপ্ল্যান্ট করাতে পারে। এখানে ম্যাচ হওয়ার কোন বিষয় নেই। কেন সেই বিশদ ব্যাখ্যায় যাচ্ছি না। এর ফলে মরণোত্তর চক্ষু দানের মাধ্যমে প্রচুর জীবিত মানুষের অন্ধত্ব ঘোচানো সম্ভব। বাংলাদেশে এই সেক্টরে কাজ করে সন্ধানী। টিভিতে আমরা সবাই হুমায়ূন আহমেদের কন্যা শিলার করা সেই এডটি সবাই হয়ত একসময় দেখেছি- বাবা আমি সব দেখতে পাচ্ছি। ভাবতে পারেন কতোটা খুশীর ব্যাপার সেটা? কিন্তু দুঃখজনক হলেও, আমাদের দেশে মরণোত্তর চুক্ষু দানের হার একেবারেই নগন্য। ফলে বাধ্য হয়ে ভারত থেকে কর্নিয়া বৈধ পথেই বাংলাদেশে আনতে হয় বাংলাদেশের শিশুদের অন্ধত্ব ঘোচাতে। আমাদের লজ্জা হওয়া উচিৎ। আমরা শুধু বড় বড় কথা বলতেই ওস্তাদ।
    (উপরের কথাগুলো আমি জেনে শুনেই বলেছি। কারন আমি নিজে এই সেক্টরে কাজ করি)

  3. আতিক ভাই আপনার কথাগুলা আমাকে
    আতিক ভাই আপনার কথাগুলা আমাকে নাড়া দেয়।কারন আপনি ব্যাখ্যা দিয়ে প্যাচটা খুলে দেন। মর্মান্তিক বিষয় বলেই তা লিখে সতর্ক করছি,আমরা যেন এপথে না যাই।কারও অহহায় অবস্তার সুযোগ নেয়া উচিত না।
    হাঁ আমরা বড় বড় কথা বলি কিন্তু কাজ করি উলটো।সহজ সাবলিল মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

    1. আপনি আপনার লেখায় যেটা বুঝাতে
      আপনি আপনার লেখায় যেটা বুঝাতে চেয়েছিলেন সম্ভবত সেটা বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছেন। ভারত বিদ্বেষ মেশাতে গিয়ে মূল ব্যাপারটা গুবলেট করে ফেলছেন। 😀

      1. সম্ভবত তাই।কিন্তু আমি ভারত
        সম্ভবত তাই।কিন্তু আমি ভারত বিদ্বেষী না।বর্তমান প্রেক্ষাপটে ভারত তাঁর বন্ধুপ্রতিম বাংলাদেশের কিছু জনগণকে অনেকটা জোর খাটিয়ে আমাদের মধ্যে বিদ্বেষ ছরাচ্ছে।যেমন গত কাল রাতে দুজন সাধারণ পাবলিক কে গুলি করে পরের দিন সকালে যখন ভারতীয় হাই কমিশন বলে সীমান্তে কোন হত্যা হয়নি।তখন কিছুই বলার থাকে না।

        1. আমার মন্তব্য খেয়াল করে দেখেন।
          আমার মন্তব্য খেয়াল করে দেখেন। আমি আপনাকে ভারত বিদ্বেষী বলিনি। কিন্তু কোন ব্লগ পোস্ট লেখার সময় মূল প্রসঙ্গ থেকে ফোকাস সরে গেলে পোস্টের উদ্দেশ্য ব্যহত হয়। সেটা নিশ্চয়ই পাঠকের মন্তব্য থেকে বুঝতে পেরে গেছেন। ভবিষ্যতে এই ব্যাপারটা খেয়াল রাখলে এরকম আর হবে না। শুভকামনা রইল।

  4. খুব সহজেই বুঝা গেল ভারতে
    খুব সহজেই বুঝা গেল ভারতে কাজটি হয়েছে বলেই আপনার এতো “মানবতা”। অঙ্গটি কে লাগিয়েছে ? আপনার বন্ধুর ভাই। যদি বাংলাদেশি কেউ অঙ্গটি দিতো তবে হয়তো আপনি এমন বলতেন না। অঙ্গ কেনা বেচা ভারত বাংলাদেশ সব জায়গায় আছে। তাহলে একতরফা ভারতকেই কেন বলছেন? যা অবৈধ তাতো সব জায়গায় অবৈধ, নাকি এটা শুধু ভারতের জন্যই অবৈধ বাংলাদেশের জন্য বৈধ ? নিরপেক্ষ ভাবে বিচার করলে আপনি শুধু কাজটি নিয়েই লিখতেন, কিন্তু আপনার লেখনীতে ভারত প্রসঙ্গ এসেছে খুব গাঢ় ভাবে।

  5. আপনার পোস্টের শেষের এই লিখাটা
    আপনার পোস্টের শেষের এই লিখাটা খুব অকৃতজ্ঞের মত দেখাচ্ছে!
    “ভারত আমাদের বন্ধু কখনই হবে না”–১৯৭১ এ একপর্যায়ে আমাদের ১১০ মিলিয়ন শরণার্থীকে দিনের পর দিন খাওয়াইছে!! আরও অনেক কিছু নিয়েই মন্তব্য করতে পারতাম! আতিক ভাই আর সফিক ভাই করেছেন কিছু!!
    আপনার ভারতের সমস্যায় অতি মানবতাবাদী হয়ে যান আর পাকিস্তানের ক্ষেত্রে অতি ধর্মবাদী!
    যাহোক এইটা আপনার ব্যক্তিগত ব্যাপার! তবে এই সমস্যা তাবৎ দুনিয়ার! ভারত-বাংলাদেশের একার না।। আমি মনেকরি শিল্প অনেক দায়িত্ববোধের জিনিস। আমাদের সবাইকে তাই ব্লগে লিখার আগে যথেষ্ট দায়িত্ববান আর ন্যায়পরায়ণ হতে হবে!!

    1. বন্ধু আমার নিচে গেলেও কষ্ট
      বন্ধু আমার নিচে গেলেও কষ্ট লাগে বন্ধু তুই উপরে গেলেও কষ্ট লাগে।ভারতের কাছে অনেক ন্যায্য দাবি এখন আমরা করতে পারি।কারন সে বন্ধু।নাপাকিস্তান তো আমার কাছে কখনই বন্ধু হতে পারবে না।এতা আমার লিস্টে নেই।

  6. এখানে ভারতের ভূমিকা কি?
    এখানে ভারতের ভূমিকা কি? ?
    এটাই তো বলবেন যে দুর্নীতি বাজদের আড্ডা ওই দেশটা। এই সমস্যা তো কন্টিনেন্টালের সব দেশেই আছে…এই দেশগুলোতে আইনের ফাঁক আইন তৈরির আগেই বের হয়ে যায়।আমাদের সো কল্ড সভ্য সমাজের আর-ও একটা বৈশিট্য এটা… এবার আসি খারাপের প্রসঙ্গে.…এখানে কেউ যদি খারাপ করে থাকে তাহলে সেটা আপনি এবং আপনার কাজিন…আপনারা খোজঁখবর নিয়ে যাননি সেটা আপনাদের ভুল…টাকার জোরে আপনার কাজিন কিডনি কেনে.…আপনি তার ব্যবস্থা করে দেন…কেন আপনি জানেন না যে কিডনিটা আমাদের শরিরে থাকে এবং সেটা শরির কেটে বের করতে হয়.…অবশ্যই এটা বাজারে বেচা হয় না…কারন যাই হোক আপনি চেয়েছিলেন বলেই কিন্তু দালাল আর কিডনিদাতা কিডনি দিয়েছে…আপনারা না চাইলে তারা অবশ্যই দিত না…আমি আপনার অনুভূতির কদর করি…কিন্তু আপনাকে বাস্তবতা বুঝতে হবে…ভারত আমাদের সাথে ঠিক তেমনই আচরন করে যেমনটা আমাদের দেশে একজন ধনি নোংরা বস্তিবাসির সাথে আচরন করে…এখানে আপনার উচিৎ ছিল শ্রেণী বৈষম্য কে প্রাধান্য দেয়া।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *