ছায়া

আমি যে বিল গেটসেরচে বেশি বুঝি এইটা দুনিয়ার সবাই মানলেও(! :p) বাসার কেউ মানে না ।

হাবেভাবে বুঝানো হয় কিংবা প্রকাশ্যে অপমানসূচক মন্তব্যে বুঝানো হয় আমি অপদার্থ । কিন্তু বিজ্ঞান বলে আমিতো পদার্থ এমনকি আমার মহল্লায় পকেটমাইরটাও পদার্থ ।ও বিজ্ঞানের প্রকৃত সংজ্ঞা যা বাচ্চাদের ভুল শেখানো হচ্ছে তা নিয়ে মোটামুটি আমি আর হকিং একমত । তাই সে আমায় একটা নতুন সংজ্ঞা দেয়ার অনুরোধ করে । রুমালে চোখ মুছে সে বলে হে মহান গুণী ; আজ আইন্সটাইন বেঁচে থাকলে এই অনুরোধ আমায় করতে হতনা ! আহা , বাচ্চা বিজ্ঞানি , শখ করে বলেছে । তাই ওকে একটা লেবেনচুস হাতে ধরিয়ে বললাম , যাও আমি দেখব ।


আমি যে বিল গেটসেরচে বেশি বুঝি এইটা দুনিয়ার সবাই মানলেও(! :p) বাসার কেউ মানে না ।

হাবেভাবে বুঝানো হয় কিংবা প্রকাশ্যে অপমানসূচক মন্তব্যে বুঝানো হয় আমি অপদার্থ । কিন্তু বিজ্ঞান বলে আমিতো পদার্থ এমনকি আমার মহল্লায় পকেটমাইরটাও পদার্থ ।ও বিজ্ঞানের প্রকৃত সংজ্ঞা যা বাচ্চাদের ভুল শেখানো হচ্ছে তা নিয়ে মোটামুটি আমি আর হকিং একমত । তাই সে আমায় একটা নতুন সংজ্ঞা দেয়ার অনুরোধ করে । রুমালে চোখ মুছে সে বলে হে মহান গুণী ; আজ আইন্সটাইন বেঁচে থাকলে এই অনুরোধ আমায় করতে হতনা ! আহা , বাচ্চা বিজ্ঞানি , শখ করে বলেছে । তাই ওকে একটা লেবেনচুস হাতে ধরিয়ে বললাম , যাও আমি দেখব ।

বিজ্ঞান -বিকৃত মস্তিষ্ক প্রসূত বর্জতুল্য জ্ঞানকে বিজ্ঞান বলে ।

সে যাই হোক বাসার সবাইকে বিজ্ঞান বুঝানির যে সাধনা আমি করছি তা যদি আমি গুগোল/বইয়ের পিছে ব্যয় করতাম তাইলে এই ফাইভ-জির যুগে(আমাদের থ্রি-জি মাথাত আইলে ফাক অফ ; আমরা অলওয়েজ ব্যাকডেটেড)টেন্থ জেনারেশন আবিস্কার কইরা তার মধ্যে ইন্টারডাইমেনশনাল ডোর বা ওয়ার্মহোলের ব্যবস্থা কইরা লাইতাম ! পাব্লিক যিপ ফাইল আকারে মেইল হয়া যাইতো আর ভিন্ন্ জগতে ,ডাইমেনশনে , প্যারালাল ইউনিভার্সে আরও কি সব মহাজাগতিক ভুগিচুগিতে যায়া উইনযিপ দিয়া এক্সট্রাক্ট হইত :p।এর মাধ্যমে হাইপার ডাইভের বহুকল্পিত থিয়োরি বাতিল !

অনেক আজগুবি থিয়োরি না? ওকে , এসব আজগুবি ব্যাপারে যারা একটু খোঁজ খবর রাখেন , আপ্নারা জানেন বিজ্ঞান নামটির শুরু অবিশ্বাস থেকে । আসুন ব্যাপারটি উলটে দেই । বিজ্ঞানের শুরুকে আমরা বিশ্বাস বলি । কারণ কোন অবিশ্বাস্য ধারণা অবিশ্বাস করে আগানো যায়না । ধরা যাক ,আজ থেকে দেড়শ বছর আগে কেউ চিন্তা করল আমি এমন কোন পদ্ধতি বের করব যা দিয়া পৃথিবীর একপ্রান্ত থেকে অপর প্রান্তে ভয়েস আদান প্রদান করব । এটা অবিশ্বাস্য কন্সেপ্ট ! যার ভিত্তিই নাই তার উপর নির্ভর করে আপনি নিশ্চয় লোকহাসানো পণ্ডশ্রম করবেননা । কিন্তু যেই আপনি সব উপেক্ষা করে বিশ্বাস করলেন এটি সম্ভব ; আপনার বিশ্বাস আপনার ধারনাটি সম্ভব করার জন্য নিজেই নিজের পথ তৈরি করে নিলো । ওয়েল , তারের পর আমরা বেতারে রাত বারোটার পর ধুমায়ে কেচ্ছা চালিয়ে যাচ্ছি । এখন মোবাইল বাজলে রিসিভ করতেও আলসে লাগে ! আরও সিম্পল হোকনা ! কোন মাধ্যম ছাড়াই লাইভ ভিডিও চ্যাট হোক ! অনেকটা টেলিপ্যাথি আরকি! অসম্ভব ; নাহ ; খুব সম্ভব ! মানব মস্তিষ্ক এমনভাবে তৈরি যে এটি কোন মাধ্যম ছাড়াও আরামসে টেলিপ্যাথি বা ভিন্ন ডাইমেনশনে যাওয়ার যোগ্যতা রাখে ।

একটা উদাহরণ দেই । কল্পনা । কল্পনা এমন এক শক্তি যা দ্বারা মানুষ এমন কিছু ভাবতে পারে যার অস্তিত্ব নাই । একটা পশু সবার আগে ঝড়ের পূর্বাভাস পায় কিন্তু মানুষ পায়না । আসলেই কি পায়না ? নাকি আমরা লক্ষ্য করিনা ? সবার জীবনেই এমন ঘটনা আছে যে কিছু ঘটার আগে জাগ্রত কল্পনায় কিংবা স্বপ্নে সে এটির একটা ধারণা পায় ,যা পরে বা তাৎক্ষণিকভাবে ঘটে । আমরা ভুলে যাই বা মনে থাকলেও অবহেলা করি।পশুর ডি এন এ প্রফাইলে বলা আছে এই গুণের জন্য তার কোন শ্রম দিতে হবেনা কিন্তু এর উন্নতিও সে করতে পারবেনা। আর মানুষের ডি এন এ তে বলা আছে কোন গুন-ই সে মাগনা পাবেনা ; সবি তার অর্জন করতে হবে সেই সাথে সবকিছুরি সে উন্নতি ঘটাতে পারবে । তো এই কল্পনাকে সে উন্নত করে , বানায় প্রযুক্তি ।নতুন প্রযুক্তি স্থান দখল করে পুরনোটির। সামনে এমন সময় আসবে ,কল্পনা এতো উন্নত হবে যে সে পদ্ধতি হয়ত পেয়ে যাবো যা ক্ষণিকের জন্য কারো জিবনে হঠাত আবার কারো জিবনে একেবারেই হয়নি ; যা পেয়েছিল কিছু মানুষ । অবশ্য এগুলি কোন বইয়ে আছে কিনা জানিনা , মনগড়া কথা বললাম ।

সম্ভবত ঘটনাটি এমন- মিম্বরে খুৎবা দিচ্ছেন হযরত উমর(রা) !হঠাত আনমনে তিনি বললেন ”এই সারিয়া, তোমার পাহাড়ের পিছনে শত্রু!” সবাই ভাবল বলে কি ! সারিয়া(রা)আর তার সৈন্যদল যেখানে জেহাদ করছেন তা সেখান থেকে সাড়ে চার হাজার মাইল দূরে! আমিরুল মুমিনিন বলেই কেউ এ বিষয়ে মন্তব্যে করল না । একসময় জেহাদের ময়দান থেকে সারিয়া(রা) এলেন । তিনি জানালেন যে হযরত উমর(রা) এর কথা শুনে তিনি তাৎক্ষণিক সতর্ক হন এবং উপযুক্ত পদক্ষেপ নেন ।

১৯৬১ সালের এক রৌদ্রকরোজ্জ্বল সকালে ওহায়ো স্টেটের আকাশে উড়ল এক পায়লট । হঠাৎই আকাশের মেঘের চিপা থেকা বাইর হয়া আসল এক প্লেন । এতে পাঠক অবাক না হলেও পায়লটের অবাক হওয়ার কারন ছিল । সেই প্লেনটি ছিল প্রথম মহাযুদ্ধের বা মান্ধাত্তার আমলের কাঠ আর ক্যাম্বিশের তৈরি এক বাইপ্লেন ! বেশীক্ষণ অবাক হওয়ার টাইম পায়নাই পায়লট , নাক বরাবর প্লেনটি ছুটে আসছে তার-ই দিকে । দক্ষ হাতে দুর্ঘটনা সামাল দিল । সাঁ করে উড়ে গেলো সেটা নিচ দিয়ে ।সম্বিৎ ফিরে পেতেই পিছনে তাকালো পাইলট ।নাই !

বেচারা জানে কেউ বিশ্বাস করবেনা , তবু জানালো ।এ মুখ সে মুখ হতে সিভিল এরোনটিক বোর্ডের কানে উঠল । সবাই বলল , ছোকরা মালটা একটু একটু বেশি-ই টেনেছ ধীরে ধীরে সবাই ভুলে গেলেও ভুললনা যে দেখেছে সে ! রোখ চেপে গেলো তার । প্রমাণ সে করবেই যে সে ভুল দেখেনি! শুরু হল গরু খোঁজা ।কথা একটাই , কারুর কাছে ৫০ বছরের পুরান বাইপ্লেন আছে ? সবাই বল্ল-নেহি ! হতাশ পায়লট তবু আশা ছাড়েনা । একদিন এক গ্রাম্য ডাকপিয়নের কাছে খবর পেলো এক গ্রামের এক ফার্মে এমন একটা প্লেন সে দেখেছে,তবে এমন পুরান যে মেরামত করেও চালানো যাবেনা ।তবু দেখা দরকার ।

ডাকপিয়নের কথামত ঠিকানা নিয়ে এক বন্ধুসহ ছুটল পায়লট । সেই ফার্মের এক রেন্ট্রির তলায় পড়ে আছে এক বাইপ্লেন ! চমকে উঠল পায়লট । তার মনে হল এটাই তো দেখছিলাম । কিন্তু প্রমাণ কি ? পরিক্ষা করে দেখা গেলো ৪০-৫০ বছরেও কেউ ছোঁয়নি ওটা চালানোতো দুরের কথা ।পায়লটের সিটে আছে একটা আদিম হেলমেট আর গগলস ,আর একটা ময়লা ছেঁড়াফাটা ব্যাগ । সব চেক করে ব্যাগ হাতাতেই পাওয়া গেলো এক লগবুক । খুলেই চমকে উঠল পায়লট । ওতে লেখা , ”আশ্চর্য ঝকঝকে রুপালি এক প্লেন দেখলাম আকাশে । কিন্তু এতো উন্নত প্লেন কখনো দেখিনি , মনে হচ্ছে কয়েকশো বছর পরে তৈরি হওয়ার কথা ওটার । ” লেখার তারিখটা দেখল পাইলট । ১৯১১ সালের কি একটা তারিখ । বিশেষজ্ঞরা গবেষণা করলেন । জানালেন ডায়রির লেখাটি আসলেই ৫০ বছর আগের ।

সম্ভবত ১৮৬০ সালের দিকে এক আর্টিস্ট উঠবে এক জাহাজে । জাহাজটি তীরে ভেড়ার আগে সে দেখল একবার জাহাজটি দেখা যাচ্ছে আবার কিছুক্ষণের মধ্যেই গায়েব ঘয়ে যাচ্ছে !কয়েকবার এমন ঘটার পর তীরে পৌঁছল ।সবাই জাহাজে চেপে বসলেও সেই আর্টিস্ট কিন্তু চেপে বসল না । তার ঘোরতর সন্দেহ জাগল নিশ্চয় কোন রহস্য আছে । যথাসময়ে জাহাজ রওনা হয়ে গেল ।কিছুদিনের মধ্যেই সংবাদ পাওয়া গেল জাহাজ বেমালুম গায়েব ! কোথাও নাই । কেউ বেঁচে না থাক্লেও বেঁচে রইলো একজন ! সেই একজন যে জাহাজে উঠেই নি ।

যাই হোক ,চারপাশের চোখে দেখা এ জগতের বাইরে অনেক কিছুই আছে ।এ জাতিয় বহু ঘটনা খুঁজলে দলিল প্রমাণ চউদ্দগুস্টিসহ পাবেন ; খাইট্টা খান । খাইট্টা খাওয়ার উপকারিতা কি জানেন ? যে ব্যাপারটি আপনি খাইট্টা খাবেন সেটা রিয়েলাইজ করতে পারবেন , ভিত্তি হবে মজবুত,আপ্নে খাটলে আপ্নে পাবেন লোকে খাটেনা তাই পায়না ,আর পায়না তাই বিশ্বাসও করেনা।আর যারা সবকিছু অবিশ্বাস করে তারাই বলে বিজ্ঞনের শুরু অবিশ্বাস । বাংলাদেশের জিয়াউর রহমান , পাকিস্তানের মিসবাহউল হক এদের ক্যারিয়ার শুরু হইছে ২৬/২৭ বছর বয়সে । তারা যদি নিজেদের বিশ্বাস না করত তাইলে তারা কোনদিন এই অবস্থায় আসত না ।

কেউ একজন কম্প্রেস কইরা লাইফটা জিপ ফাইল আকারে মেইল করছে ।নির্দিষ্ট সময়ে রিসিভ করার পর আবার সে এক্সট্রাক্ট করে নেবে । বিশ্বাস হয়না ? ওকে , ওই যে বললাম , দরকারি জিনিস আমরা অবহেলা করি আর বেদরকারি জিনিস আক্রায় ধরি । লেখালেখির অভ্যাস থাকলে দেখবেন অনেক সময় এমন হয়েছে লিখতে বসছেন একটা আর লিখছেন আরেকটা । গুরুত্ব না দিয়ে আপনি হয়তো অন্য কাজে মন দেন । এখানেই আপনার দৃষ্টিতে স্বাভাবিক অথচ অস্বাভাবিক ব্যাপারটি ঘটে । লেখতে গেলে অনেক সময় কলম/কীবোর্ড নিজের হাতে থাকেনা ! চলে যায় অন্য কারো হাতে । রাইট সাম স্টুপিড থিংস লাইক মি এন্ড ট্রাই ইট ইউরসেলফ । ইফ ইউ আর নট এনাফ স্টুপিড লইক মি ,দেন দি থিওরি ওয়ন্ট ওয়ার্ক !

এতক্ষন বহুত নিম্নস্তরের কথা বললাম যাতে চেষ্টা ছিল যতদূর পারা যায় মাইনসের সময় নষ্ট করা । সকলের দোয়ায় বদোয়ায় এই ব্যাপারে আমার ভালোই গুণ আছে । প্রমাণ কইরা দিছি আমি পদার্থ । এবার আসল কথা বলি যাতে আমি যে জুয়াড়ি/বুকি তার প্রমাণ মিলবে এবং এত মহৎ বুলির উদ্দেশ্য কি তাহা পরিস্কার হইবে। বাসার সবাই গভির আগ্রহে যে সিনামা দেখছিলো তাতে আমিও শরিক হওয়ার বাসনায় শামিল হতেই সবার মুখ কালো হয়া গেলো । বুঝলাম আমি ঠিক কি ধরনের টিটকারি শুরু করি তাই নিয়া তারা আতংকিত । রাজ্জাকের দেখলাম গলায় দড়ি , ফট করে বললাম গরু-গরু খেলা নাকি ! পরে দেখলাম ক্যামেরা ধিরে ধিরে নিছে নামছে ! হারিক ! একি ! নিচেত আরও মারাত্মক রহস্য ! মান্নার কাঁধের উপর ভর দিয়া দাঁড়ায় আছে রাজ্জাক, গলায় দড়ি । অপরপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে মিশা ! ঘটনা পরিস্কার ! মিশায় রাজ্জাকেরে ফাঁসী দিছে আর বাঁচানোর জন্য রাজ্জাকের তলায় খাড়াইছে মান্না । আমি বললাম , তথাস্তু ! এই দৃশ্যে এখন নায়কের মা অজ্ঞান হয়া পড়বে বা মারা যাবে ।ঠিক তাই ঘটল । আমি আবার ঘোষণা দিলাম , এইবার দিলাম কুফা লাগায়ে , দউড়া !

পরের দৃশ্যে মান্নাও গুলি খাইয়া মাটিত পড়ল আর রাজ্জাকও ফাঁসীতে মরল । ভাবিলাম নায়কশুদ্ধা নায়কের ফ্যামিলি শেষ আমি চোখে দেখিয়াছি কিন্তু বিশ্বাস করিনাই । বলিলাম , কে আমার সাথে বাজি লাগব , এই মুহূর্তে কি ঘটব আমি কয়া দিমু । সবাই বল্ল তারা জুয়া খেলে না । আরে ওয়াহ ! ক্যা বাত হ্যায় ভাই ! ওকে , তাইলে আমি কমু এখন কি ঘটব এরপর এইখানের সবাই আমারে জ্ঞানী মানতে বাধ্য , ঠিকাসসে ! কারর মুখে কোন কথা নাই । তবু হাল ছাড়লাম না । বুকিদের পেশাটাই এমন । যে কোন মূল্যে দৃষ্টি আকর্ষণ করতে হয় । শেষমেস তারা বল্ল ঠিকাছে , যদি না পারস তাইলে কোনদিন সিনামা দেখার সময় আমাদের ডিস্টার্ব করবিনা ।আমি বললাম , ডিল ! (মনে মনে – করুমনা মানে ; বুকিগো এইসব বলতে হয় । নাইলে পেট চলবে কেম্নে?)

অতঃপর বিখ্যাত ঘোষণা -(তখন মান্নারে মিশারা কবর দিয়া আবার কই জানি লুটপাট করতে গেছে!) আমি বললাম , এক্ষনি মান্না কবরতে উইঠা একশন শুরু করব !

উত্তরটা জানতে হলে ”কে আমার বাবা?” সিনামা দেখতে পারেন ।

উপ্স , আজকে বাবা দিবস বইলাই হয়ত এই মুভি দিছিলো ,তা দেউক , কিন্তু কিরাম ডেঞ্জারাস প্রশ্ন; হু ইজ মাই ড্যাডি? :p

হোয়াটেভার , আজিবন সন্তানরে ক্যামনে অভিভাবকদের সাথে ব্যবহার করতে হয় সে ব্যাপারে মহৎ বুলি শিখানো হয় ।কিন্তু অভিভাবকদের সন্তানের সাথে কেমন ব্যবহার করা উচিৎ তা শেখানো হয়না ।

একারনে পিতা দিবস এবং মাতা দিবস আছে । কিন্তু পুত্র এবং কন্যা দিবস নাই ।
সো , মাই ডিয়ার ফেলোস , এই একতরফা আজাইরা দিবসরে প্রত্যাখ্যান ।

মানুষের ছায়া আছে । জগতেরও ছায়া আছে । ছায়া না দেখে ছায়া যেদিক থেকে আসছে সেদিকে যে তাকায় সে মানুষের মত জগৎটিও দেখতে পায়।

১৭ thoughts on “ছায়া

  1. আমার ব্লগ পড়ার জীবনে এমন
    আমার ব্লগ পড়ার জীবনে এমন রসালো লিখা খুব কমই পড়েছি!
    প্রনাম শোভন ভাই… :bow: :bow: :bow: :bow: :bow:

  2. ভাই চরম মজা কইরা লেখেন তো
    ভাই চরম মজা কইরা লেখেন তো আপনি । ব্লগে সিরিয়াস পোস্ট পড়তে পড়তে আমরা নিজেরা কেমন যেন যান্ত্রিক হয়ে যাচ্ছি । এরকম পোস্ট আরও চাই ভাই । আর বিজ্ঞান এর সংজ্ঞাটা সেইরকম হইছে

    বিজ্ঞান -বিকৃত মস্তিষ্ক প্রসূত বর্জতুল্য জ্ঞানকে বিজ্ঞান বলে ।

    :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

    1. আহ! সেলিম্ব্রেট্টি হয়া গেলাম
      আহ! সেলিম্ব্রেট্টি হয়া গেলাম । মন্টা আনন্দে ভরে গেলো … চ্যানেল চুনেলে বইলা একটু টকশোর বেবস্থা করায় দেন … দুটো সুখ-দুখের কথা কই …

        1. তবে যে আমারে নিয়া ফান করে সে
          তবে যে আমারে নিয়া ফান করে সে নিজের সাথেই ফান করে । আর অতি ভক্তি শ্রিশান্তের লক্ষণ …

  3. আতিক সাব যদি এ তল্লাটে ভুল
    আতিক সাব যদি এ তল্লাটে ভুল করে ঢুকেন তাইলে বইলেন ; একটা প্রশ্ন ছিলো … :শয়তান:

        1. ওহ, এই জিনিস? ভেরি সিম্পল।
          ওহ, এই জিনিস? ভেরি সিম্পল। আপনার মতো বিল গেটেরচে বেশী বুঝইন্না লোক বুঝেন নাই? :মাথাঠুকি: শেষ সাত দিনের কু ঝিক ঝিক মানে হইল, গত সাত দিনে কারা কারা সবচে বেশী হাউকাউ করছে ব্লগে। 😀

  4. শোভন সাব, জিনিষটা “অশোভন” রকম
    শোভন সাব, জিনিষটা “অশোভন” রকম ভালো হইসে| :হাহাপগে: :হাহাপগে: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: নাহ আপনার দিন শ্যাষ| আপনে চান পাবলিকরে ডিশটাব দিতে, উল্টা হিট খায়া যাইতেসেন| :শয়তান: :শয়তান: আফসোস, আফসোস…..| সমবেদনা নিয়েন….| :ফুল: :ফুল:

    আরেকটা কথা, উল্টা-পাল্টা কিসিমের আদমী আসেন, উল্টা-পাল্টাই থাহেন, সিধা হইলে এই লেভেলের আইটেম আমরা আর পামু না….. 😀 😀

    1. লেখায় কি নাই , কি একটা নাই ।
      লেখায় কি নাই , কি একটা নাই । খুজতে গিয়া দেখলাম , গালি নাই । যা আমার লেখার ঐতিহ্য ! এ কারনেই যতটুক পাইনসা করতে চাইছিলাম তারচে বেশি পাইনসা হয়া গেছে । একডজন গালি দিয়া লিখার মহত্ত্ব বাড়ানো দরকার ছিলো ।

  5. কোন কত্থা হবে না। গুল্লি
    কোন কত্থা হবে না। গুল্লি গুল্লি। ঢিসুম ঢিসুম… ইয়ায়ালি… এই টাইপের লেখা হইছে। :হাহাপগে:
    ঐ ইস্টিশন কারিগর, একটা ঢিসুম ঢিসুম মার্কা গুল্লি মারার ইমো চাই। :টাইমশ্যাষ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *