রাজনৈতিক বিপর্যয় ও আমার প্রিয় দল

অনেক সাহস নিয়ে লিখতে বসলাম।এমনতর বিষয় নিয়ে লিখতে ইচ্ছে করে না।বা
বলতে পারেন নিজের বিরুদ্ধাচরণ নিজে কিভাবে করি?
আমার কলেজ জীবনে ছাত্র রাজনীতি শুরু হয় ছাত্রলীগ এর মাধ্যমে।
বিশাল ও অসাম্প্রদায়িক যার তুলনা সে নিজেই, সেই মহামানব
আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলাদেশ গঠন আমাদের কে স্বাধীন দেশের একটি মানচিত্র প্রদানের মধ্যে,যে দেশপ্রেম ছিল তাই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছিল।
১৯৯৪ ইং সালে আমি আমার কলেজ ছাত্র সংসদে জি এস পদপ্রার্থী ছিলাম।এর বছর দু এক পরে আর রাজনীতি ভাল লাগেনি।তাই ওখান থেকে ফিরে আসি।
কিন্তু আওয়ামীলীগ সবসময় আমার প্রানের দল।

অনেক সাহস নিয়ে লিখতে বসলাম।এমনতর বিষয় নিয়ে লিখতে ইচ্ছে করে না।বা
বলতে পারেন নিজের বিরুদ্ধাচরণ নিজে কিভাবে করি?
আমার কলেজ জীবনে ছাত্র রাজনীতি শুরু হয় ছাত্রলীগ এর মাধ্যমে।
বিশাল ও অসাম্প্রদায়িক যার তুলনা সে নিজেই, সেই মহামানব
আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বাংলাদেশ গঠন আমাদের কে স্বাধীন দেশের একটি মানচিত্র প্রদানের মধ্যে,যে দেশপ্রেম ছিল তাই আমাকে অনুপ্রাণিত করেছিল।
১৯৯৪ ইং সালে আমি আমার কলেজ ছাত্র সংসদে জি এস পদপ্রার্থী ছিলাম।এর বছর দু এক পরে আর রাজনীতি ভাল লাগেনি।তাই ওখান থেকে ফিরে আসি।
কিন্তু আওয়ামীলীগ সবসময় আমার প্রানের দল।
দলের বিজয় পেলে উল্লাস করি,পরাজয়ে মন খারাপ করি।
মানে আমরা নীরবে দল করি।
অথবা রাজনৈতিক তর্কে দল কে জিতিয়ে না দিতে পারলে স্বস্তি পেতাম না।
মুল প্রসঙ্গে আসি।আজ দেশের চারটি নির্বাচনে আমার প্রিয় দলের ভরাডুবি হয়েছে।আমার কি কষ্ট লাগেনি আমি কি বেথিত হইনি।হ্যাঁ চরমভাবে মন খারাপ করেছি।
মনে হয়েছিল যেন দু গালে কেও চর মেরেছে।তাই আজ মনের ক্ষুবেই লিখছি।সব কিছু জানিনা কেন কি হল?শুধু আমার সিলেট নিয়ে আমি আলোচনা বা প্রিভিও করছি নিজের সাথে।গত কয়েক মাস যাবত দেশে যে নৈরাজ্য চলছিল তা কার পক্ষেই অস্বীকার করার মত না বা এড়িয়ে যাবার সুযোগ নেই।কাদাছুড়াছুড়ি কম বেস সবাই করেছে।হরতাল,ভাংছুর অবরোধ সবই ছিল।
আমাদের নব্বই% মুস্লিমদের এই দেশে ধর্ম একটি বিশাল বড় জিনিষ তা আজকে আর বলার অপেক্ষা রাখে না।কে আস্থিক কে নাস্থিক তা নিয়ে জল অনেক ঘোলা হয়েছিল।
যখন হেফাজতে ইসলাম ব্লগার আর কিছু ধর্মীয় দাবি নিয়ে মাঠে আসে তখন অনেকে বুঝে না বুঝে অনেক মুসলিম এই দাবিগুলু সমর্থন করেছেন।যার ফলে হেফাজত ইসলামও কিছু সাহস কিছু রাজনৈতিক ইন্দন পেয়ে তাদের বিশাল জনসভা করে মতিঝিলে।ঠীক তখন আমাদের দেশীয় রাজনীতিবিদদের টনক নড়ে।আসলেই তখন তারা অনেক শক্তিশালী একটি প্লাটফর্ম রেডি করেছিল।
কেও সম্মহুখে কেউ বা আড়ালে সমর্থন দিচ্ছিলেন।
৫ই মে রাতের ঘটনা কি ছিল বুদ্ধারা ভাল বলতে পারবেন কিন্তু সিলেটবাসী এই রাতের দৃশ্য বা ঘটনা তাদের মনকে খুব নাড়া দিয়ে ছিল ।বেশির ভাগ মুসলিম এটা মেনে নেননি।যার সটীক খবর সিলেটী ছাড়া কেউ বুঝবে না।আমাদের এই অঞ্চলটা অতিরিক্ত ধর্ম ভীরু মুসলমানদের বসবাস।
তাই তারা ভাবল, আওয়ামীলীগ ইসলাম ধর্মের প্রতিপক্ষ।
যদি আওয়ামীলীগ পাশ করে তবে আলেম উলামাদের আরও বিপদ আসবে তাই বি এন পি কে সমর্থন দেয়া নিরাপদ।আর যারা আওয়ামীলীগ এর বিরুদ্ধে যেতে পারেননি তাই তারা ভোটের ধারে কাছেও গেলেন না।মানে ভোট দেওয়া থেকে বিরত থাকলেন।
এই সুযুগে বি এন পি তাঁর বিজয়কে ছিনিয়ে নিয়ে গেল।
সর্বোপরি সিনিয়র নেতাদের পিছনে রেখে,নাস্থিক তকমা লাগিয়ে আমার এই প্রিয় দল তাঁর স্বাভাবিকতা হারাল।এখন সময় যায়নি ভুল থেকে শিক্ষা নিলে আমার এই দলকে আমাদের এই বিশ্বাস কে কেউ পদদলিত করতে পারবে না।
অল্প কথায় বলতে হয় দলকে আরও জনমুখি হতে হবে।অর্বাচীন নেতাদেরকে সরিয়ে অভিজ্ঞতা সম্পন্নদের সামনে নিয়ে আসুন।যারা মানুষ বুঝে রাজনীতি বুঝে।সৎ পরামর্শ দেয়।
ভুল ত্রুটি হলে ক্ষমা করতে শিখেন।রাজনীতি একদিনের না রাজনীতি আগামি দিনের।
জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু।
আমাদের দেশ ভাল থাকুক।

১৩ thoughts on “রাজনৈতিক বিপর্যয় ও আমার প্রিয় দল

  1. আলেমদের বিরুদ্ধে আজ আওয়ামি
    আলেমদের বিরুদ্ধে আজ আওয়ামি লীগ দার হয়ে গিয়েছে সেটা বিরোধিদের কারনে হোক আর সরকারি দল হোক, ,,,,আম জনতা রাজনিতির মারপেচ বোঝে না,,,কিন্তু বড় হুজুরের কথা শোনে

  2. আপনার আবেগকে সম্মান জানাচ্ছি।
    আপনার আবেগকে সম্মান জানাচ্ছি। লেখায় হেফাজত ইস্যুই প্রাধান্য পেলো। কিন্তু শেয়ার বাজার, হলমার্ক কেলেঙ্কারি, হত্যা গুম, লিমন-সাগর-রুনী- বিশ্বজিৎ ইস্যু, পদ্মা সেতুতে আবুলকে রক্ষার নোংরা চেষ্টা, মন্ত্রীদের একের পর এক বেফাঁস কথাবার্তা এসবও বিরাট ভূমিকা রেখেছে।

    1. আতিক ভাই নিজের দল বলে বলছি
      আতিক ভাই নিজের দল বলে বলছি না।সরবপরি ভুলের পাহাড় গড়ে ছিল আমার এই প্রিয় দলটি।পর্যালোচনায় জাচ্ছি না।তাইত লিখলাম সাহস করে নিজের ভুলগুলা খতিয়ে দেখছি।ব্যালট পেপারের মাধ্যমে প্রতিবাদ। বড়ই ভয়াবহ।যদি সুমতি হয় ভাল।তাছারা আমাদের মত নিরব সমর্থকরা আর কীইবা করতে পারি।

      1. ভাই সবাই তো সরব কর্মী হয় না।
        ভাই সবাই তো সরব কর্মী হয় না। আপনার আমার মতো নীরব সমর্থক অনেক আছে। কিন্তু ফেসবুকে আওয়ামী পান্ডাদের লম্ফঝম্ফ তো এখনও বন্ধ হয় নাই। দলকানার মতো আচরণ টু বি কনটিনিউড মনে হচ্ছে। তারা তো আমাদের গননায় ধরতেই নারাজ। সেই ২০১০ থেকে দেখে আসছি, দলের সমালোচনা করলেই সে ছাগু। ফেসবুক ব্লগে তারা বিরাট বিরাট যুদ্ধ জয় করে ফেলেছে, কিন্তু মাঠের অবস্থা লবডঙ্কা। সেই অবস্থা এখনও চলছেই। বঙ্গবন্ধুর আওয়ামী লীগ যে নেই সে কথা আমরা কে না জানি? কিন্তু মন্দের ভালো হিসেবে আওয়ামী লীগকে সাপোর্ট দিয়ে যাই অন্তত রাজাকারদের বিচার হোক এই আশা নিয়ে। সেই বিচার নিয়েও চলে ধান্দাবাজি। যাওয়ার তো আর পথ দেখিনা। আওয়ামী পান্ডারা এখনও দলের ভুল দেখতে নারাজ। এভাবে ভাবলে ফলাফল কি হবে সেটা তো দেখাই গেলো। মানুষকে ছাগু বানানই যেন তাদের এইম ইন লাইফ।

        1. আসলেই আপনি যা বলেছেন একদম টিক
          আসলেই আপনি যা বলেছেন একদম টিক কথাই বলেছেন।আসলে এদের আস্ফালন অহেতুক স্ট্যান্ডবাজি আওয়ামীলীগের ক্ষতিই বেশি হয়েছে।আমরা ছাগু না পাগলও না তাই আমরা নীরবে শুধু লিখে যাই।অদের কি।আমরা বুজি দল যখন বিপথে আগায় তখন সমর্থকদের নীরবে কেঁদে যাওয়া ছাড়া করার কিছুই থাকে না।রাজাকারের ফাঁসি হবেই এরা আর মাথা চাড়া দিয়ে উটতে পারবে না।ওয়েট করেন।সুদিন আসবেই।

          1. সুদিনের আশা আর করতে পারছি নাহ
            সুদিনের আশা আর করতে পারছি নাহ । ভবিষ্যৎ কি রায় দিবে সেই আশায় আর কত !!!!!!!!!!
            কেন জানি মনে হচ্ছে সাম্নের নির্বাচনে আওয়ামীলীগ এর পতন । !!! তার মানে জামায়াত ,হেফাজত এর আগমন। !!!!!!! অন্ধকার এর প্রগাঢ়তা তখন একটু বেশি হয়ে যাবে বৈকি

          2. মোশফেক আহমেদ এর সাথে
            মোশফেক আহমেদ এর সাথে সহমত।আওয়ামীলীগের দিকে কিন্তু কোটি মুক্তিযোদ্ধা তাকিয়ে আছে।একজনকে অন্তত ফাসি এই আমলেই দিতে হবে।

          3. মুলত এই ভয়ের জন্যই আমার এ
            মুলত এই ভয়ের জন্যই আমার এ লিখা।জামাত আর হেফাজতের আস্ফলনে বসবাস করা মুস্কিল হবে।মানসিক পীড়া বাড়বে।

  3. বড় ভাই,কলেজ জীবন আমিও শুরু
    বড় ভাই,কলেজ জীবন আমিও শুরু করি রাজনীতি দিয়ে…কিছু স্বপ্ন বুকে নিয়ে সোনার দেশ গড়ার আশা নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার জন্য যে আদর্শ এবং নৈতিকতার প্রয়োজন তার সম্ভবনা শুধুমাত্র ছাত্রলীগে দেখি…কিন্তু পরবর্তিতে আদর্শ ঠিক থাকলেও নৈতিকতার ছিটেফোটা পাই নাই… ফলশ্রুতিতে হতাশা ছাড়া আর কিছুই প্রাপ্তি ছিল না..…যাই হোক লীগের ভরা ডুবি আসলেই একটা অশনী সংকেত…

    1. নৈতিকতার দণ্ডে আওয়ামীলীগ এখনও
      নৈতিকতার দণ্ডে আওয়ামীলীগ এখনও এই দেশের কাণ্ডারি।মিনিমাম অস্মাপ্রদায়িক।কিন্তু আগামী নির্বাচনে যদি ১৮ দল জয়ী হয়… আমি আর ভাবতে পারছি না।

Leave a Reply to সাফ কথা Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *