সুখ

আরেক বার বেল টিপলেন মঈনুল ইসলাম সাহেব। রীতিমত হাপাচ্ছেন তিনি। ঘামে ভিজে শাদা টি শার্টটা চপচপ করছে। বা’হাত দিয়ে কপালের ঘাম মুছে আবারও বেল টিপলেন। ব্যাপার কী! কেউ ঘুম থেকে ওঠেনি নাকি? বেলা তো কম হলো না। হাত ঘড়ি দেখলেন- ছয়টা প্রায় বাজে। এবাড়ির কেউই ছুটির দিন ছাড়া এসময় ঘুমিয়ে থাকে না। আজ কি ছুটির দিন? নাহ্, ছুটিতো গতকালই চলে গেছে। গতকাল দুপুরে জুম্মার নামাজ পড়েছিলেন, বেশ মনে আছে।
আরও একবার কলিংবেলের সুইচ টেপার জন্য হাত বাড়াতেই কারুকাজ করা ভারি কাঠের দরজাটা খুলে গেল। দরজার ওপাশে ঘুম ঘুম চোখে শাহানা দাঁড়িয়ে আছে।

আরেক বার বেল টিপলেন মঈনুল ইসলাম সাহেব। রীতিমত হাপাচ্ছেন তিনি। ঘামে ভিজে শাদা টি শার্টটা চপচপ করছে। বা’হাত দিয়ে কপালের ঘাম মুছে আবারও বেল টিপলেন। ব্যাপার কী! কেউ ঘুম থেকে ওঠেনি নাকি? বেলা তো কম হলো না। হাত ঘড়ি দেখলেন- ছয়টা প্রায় বাজে। এবাড়ির কেউই ছুটির দিন ছাড়া এসময় ঘুমিয়ে থাকে না। আজ কি ছুটির দিন? নাহ্, ছুটিতো গতকালই চলে গেছে। গতকাল দুপুরে জুম্মার নামাজ পড়েছিলেন, বেশ মনে আছে।
আরও একবার কলিংবেলের সুইচ টেপার জন্য হাত বাড়াতেই কারুকাজ করা ভারি কাঠের দরজাটা খুলে গেল। দরজার ওপাশে ঘুম ঘুম চোখে শাহানা দাঁড়িয়ে আছে।
মঈনুল সাহেব ভ্রুকুচকে বললেন: এখনও ঘুমুচ্ছিলে নাকি বৌমা! রাসেদের আজ অফিস নেই?
শাহানা লাজুক হেসে জবাব দিলো: না বাবা। ওদের অফিসতো এখন শুক্র-শনি দুই দিন বন্ধ থাকে। নতুন নিয়ম হয়েছে বলেছিলাম না?
: বলেছিলে নাকি? কি জানি, মনে ছিলো না। আজকাল অনেক কিছুই মনে থাকে না। আমাদের সময় তো এসব ছিলো না। আমাদের সময় ছিলো- বৃহঃপ্রতি বারে হাফ, শুক্র বারে মাফ। হা, হা, হা।
বলতে বলতে পা থেকে জুতা জোড়া খুলে ঘরে ঢুকলেন তিনি।
শাহানা দরজা লাগিয়ে দিয়ে বলল: আপনার চিরতার পানি দেব এখন, বাবা?
মঈনুল সাহেব বাথরুমে ঢুকতে ঢুকতে জবাব দিলেন: গোসলটা সেরেই নিই। ঘেমে একেবারে নেয়ে উঠেছি। আজকাল জগিং করতে কষ্ট হয়। অল্পতেই হাঁপিয়ে উঠি, হাটু ভেঙ্গে আসে। বুড়ো হয়ে গেছি, মৃত্যু অতি সন্নিকটে। হা, হা, হা।
বলতে বলতে বাথরুমের দরজা লাগিয়ে দিলেন তিনি। পরমুহূর্তেই দরজা খুলে বললেন: এই যা, গামছাটা আনতে ভুলে গেছি। বৌমা, আমার লুঙ্গি আর গামছাটা দিয়ে যাও তো। কাপড়গুলো কেঁচে দিয়ে গোসল করে ফেলি।
শাহানা লুঙ্গি-গামছা দিয়ে বলল: একটু জিরিয়ে নিতেন। ঘাম শরীরে গোসল করলে ঠাণ্ডা লাগবে তো।
মঈনুল সাহেব মাথা ঝাকালেন: কিচ্ছু হবে না।
বাথরুম থেকে একনাগাড়ে বালতিতে পানি পড়ার শব্দ আসছে। সেই সাথে কাপড় কাঁচার শব্দ। শাহানা একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললো। লোকটাকে কাপড় কাঁচতে কে বলেছে? বাড়িতে কাজের বুয়া আছে। তার ওপর ব্লাড প্রেসার হাই; একটু পরিশ্রম করলেই হাঁপিয়ে ওঠেন। বুড়োরা অকারণেই অনেক কাজ করে, যার কোন অর্থ নেই।

বারান্দার ইজি চেয়ারটা মঈনুল ইসলাম সাহেবের নিজস্ব সম্পত্তি। বাড়ির কারুরই এটাতে বসবার অনুমতি নেই। শুধুমাত্র ছোট নাতিটা মাঝে মাঝে বসে। মঈনুল সাহেবের ছোট নাতির নাম রাজু। বয়স নয় বছর। অথচ তার সত্তর বছরের দাদুর অনুকরণে যখন চেয়ারটাতে বসে কমিকস্ পড়ে তখন সেটা দেখতে খুব ভাল লাগে মঈনুল সাহেবের। একটা বয়সে এসে বৃদ্ধরা ভীষণ নিঃসঙ্গ হয়ে পড়ে। তখন তারা বাচ্চাদের সঙ্গ খুব উপভোগ করে। মঈনুল সাহেবের বেলায়ও তেমনি ঘটেছে।
এখন সকাল আটটা। মঈনুল সাহেব তার চেয়ারে বসে পেপার পড়ছিলেন। পাশের টি টেবিলটায় এক কাপ ঠান্ডা চা আর টোষ্টের পিরিচ পড়ে আছে। মঈনুল সাহেব খুব মনোযোগ দিয়ে পেপারে ‘স্বপ্ন’ বিষয়ক একটি কলাম পড়ছিলেন। সেজন্যই বোধহয় খেয়াল করেননি কখন চা ঠাণ্ডা হয়ে গেছে।
হঠাৎ বৃষ্টির ছাঁট এসে তার পেপার ভিজিয়ে দিতে লাগলো। তিনি অবাক হয়ে বাইরে তাকালেন। কখন যে বৃষ্টি নামতে শুরু করেছে টের পাননি। এই দিনে হঠাৎ করেই বৃষ্টি শুরু হয়। টিনের চাল হলে তবু শব্দ পাওয়া যেত। ফ্ল্যাট বাসায় বৃষ্টির কোন আওয়াজ নেই; আকাশের দিকে না তাকালে বোঝাই যায় না যে বৃষ্টি হচ্ছে।
এটা একটা ভুল কথা। আকাশের দিকে তাকিয়ে ভালমত বৃষ্টি দেখা যায় না। বৃষ্টি দেখতে হলে তাকাতে হয় মাটির দিকে। অথচ বৃষ্টি পড়ে আকাশ থেকেই। দারুণ ব্যাপার তো!
মঈনুল ইসলাম সাহেব আজকাল এধরনের সাহিত্যিক চিন্তা ভাবনা করেন, ভালই লাগে তার। কিছু একটা নিয়ে সময় কাটাতে হবে তো! রিটায়ার্ড করার পর থেকে খাওয়া, ঘুমানো আর জগিং করা ছাড়া কোন কাজ নেই তার।
বারান্দা থেকেই রাজুর গলার স্বর শুনলেন তিনি। স্কুলে যেতে চাচ্ছে না ছেলেটা। এই বৃষ্টির মধ্যে আবার স্কুল কী?
শাহানা আদুরে গলায় বলছে: লক্ষ্মী বাবা আমার, এখনই তো একটু কষ্ট করবে। স্কুলটা শেষ হলেই তো কতো মজা! কলেজে উঠে তো তেমন পড়তে হয় না, বৃষ্টিতে ভিজে কলেজে যেতে হয় না। এখন একটু কষ্ট কর, ছাতা নিয়ে স্কুলে চলে যাও।
মঈনুল সাহেব দীর্ঘশ্বাস ফেললেন। এতোটুকু বাচ্চা ছেলে, এখনই ক্লাস ফোরে পড়ে, ভাবা যায়? ওর বয়েসে তিনি স্বরে-অ স্বরে-আ ও পারতেন না। আর ওরা! ওর সবগুলো বই ওজন করলে দেখা যাবে ওর চেয়েও সেগুলোর ওজন বেশি!
মঈনুল সাহেব রাস্তার দিকে চেয়ে থাকেন। বিরাট একটা ছাতা নিয়ে রাজু গুটি গুটি পায়ে স্কুলে যাচ্ছে। স্কুল জীবনটাইতো কষ্টের। হা! কলেজে নাকি তেমন পড়তে হয় না। এতোটুকু বাচ্চাকে এই বলে সান্তনা দিচ্ছে! মানুষের জীবনে কবে সুখ আছে কেউ বলতে পারে!
মঈনুল সাহেব রাজুর জীবনের কথাই ভাবলেন। এখন থেকে সে সারাদিন পড়বে। তাকে ক্লাসে ফাষ্ট বয় হতে হবে। খেলাধুলা কিংবা অন্য কিছু করার সময় পাবে না। কারণ সে এখন শিখছে স্কুল জীবনটাই কষ্টের! তারপর কেবলই সুখ। হয়তো এভাবেই স্কুল জীবনটা পার হয়ে যাবে। খুব ভাল রেজাল্ট করবে এস.এস.সি. তে।
তারপর শুরু হবে ভাল কলেজে ভর্তি হবার প্রতিযোগিতা। তারও পরে আবার ভাল রেজাল্টের চিন্তা। তখন হয়তো তাকে বোঝানো হবে- স্কুলে আর কী কষ্ট, আসল কষ্টইতো কলেজ-ইউনিভার্সিটিতে। ছাত্র জীবন কী সুখ করার জন্য নাকি? সুখ করতে হয় কর্মজীবনে।
কিন্তু সত্যিই কী কর্মজীবনটা সুখের! নানা কাজে ব্যস্ত জীবন। নয়টা পাঁচটা ডিউটি, অফিস-বাড়ি, বাড়ি-অফিস করার জীবন! তার ওপর ফ্রিজে কিচ্ছু নেই, বাজারে যাও; গ্যাস বিল জমা দিতে যাও; বাথরুমের কলটা চুইয়ে পানি পড়ছে, মিস্ত্রি ডাক; টেলিফোনটা নষ্ট, ঠিক করাও; ডিসের লাইনটায় সমস্যা করছে, ঠিক করাও- এসব করেই কি কেটে যাবে না কর্মজীবনটা?
তারপর? যখন তার মতই বুড়ো হয়ে যাবে? চশমা ছাড়া দুনিয়াটা ঝাপ্সা দেখাবে? ডায়াবেটিকস্, ব্লাড প্রেসার, বাতের ব্যথা, গ্যাষ্ট্রিক- এই নিয়ে সুখ!
অবশ্য সুখ খুঁজতে হলে সবার আগে জানা দরকার সুখ কী। এক কথায় কেউ কি বলতে পারবে সুখ কী? হয়তো ভেবে চিন্তে দু’একটা সুখের উদাহরণ দিতে পারবে। কিন্তু সুখের সংজ্ঞা কী দিতে পারবে? বিখ্যাত ব্যক্তিরা অনেক সময় সুখের বিভিন্ন সংজ্ঞা দিয়েছেন। কিন্তু মঈনুল সাহেবের ধারণা- তারা নিজেরাই সেই সংজ্ঞায় সন্তুষ্ট নয়। সুখ কী তা জানতে হলে আগে জানতে হবে- বেঁচে থাকার অর্থ কী?
মঈনুল সাহেব মাথা ঝাঁকালেন। একের পর এক প্রশ্ন আসছে, কোন জবাব আসছে না। জবাবটা তার জন্য খুব একটা জরুরিও না। তার সময় কাটানোর দরকার ছিলো; সময় কেটেছে। এতেই সে খুশি। চুলোয় যাক সুখ আর বেঁচে থাকার অর্থ। তিনি নিজে অবশ্য আর দশজনের তুলনায় সুখেই আছেন। ঢাকায় দো’তলা একটার বাড়ির মালিক তিনি। ছেলের সংসারে আছেন; বৌমার সেবা যতœ পাচ্ছেন। নাতি-নাতনিদের সঙ্গ পাচ্ছেন, তিন বেলা ভাল খাচ্ছেন। তার জীবনে এরচেয়ে বেশি সুখ আর কী হতে পারে?
যোহরের আজান হচ্ছে। বৃষ্টির দিনে বেলা টের পাওয়া যায় না। হঠাৎ করেই সকাল থেকে দুপুর হয়ে যায়। আবার হঠাৎ করেই সন্ধ্যা নামে।
মঈনুল ইসলাম সাহেব জীবনের শেষ প্রান্তে এসে খুব ধর্মভীরু মানুষ হয়ে গেছেন। পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন। মাঝে মাঝে কোরআন শরীফ পড়েন। অথচ দু’বছর আগেও এসব কিছুই ছিলো না। হয়তো চোখের সামনে স্ত্রীকে মরতে দেখে হঠাৎ করেই মৃত্যুভীতি তাকে আচ্ছন্ন করে ফেলেছে। সেজন্যই দিন রাত সৃষ্টিকর্তার কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করেন।
মঈনুল সাহেব আজ যোহরের ওয়াক্তে জামায়াত শেষে দুই রাকাত নফল নামাজ পড়লেন। তারপর মস্জিদে বসে তজবীহ্ জপতে লাগলেন। মস্জিদের ইমাম সাহেব তার পাশে এসে বসলেন। এই মস্জিদের ইমাম সাহেব অল্প বয়স্ক। মুখ ভর্তি কাঁচা দাড়ি, সব সময় হাসি খুশি থাকেন। তার চেহারার দিকে তাকালেই মনটা ভাল হয়ে যায়; কেমন একটা শ্রদ্ধা চলে আসে।
মঈনুল সাহেবের পাশে বসতে বসতে বললেন: কেমন আছেন মঈনুল সাহেব?
: জ্বী, ভাল। আল্লাহর দয়ায় ভালই আছি।
: আলহামদুলিল্লাহ্। তা বাসায় যাবেন না?
: এই বসি একটু। বাড়ি গিয়ে হবেটা কী? তারচেয়ে আপনার সাথে কিছুক্ষণ গল্প গুজব করি।
: ভাল, খুব ভাল।
: আচ্ছা ইমাম সাহেব, আমার একটা প্রশ্নের জবাব দিবেন?
: বলেন শুনি।
: মানুষের জীবনে সুখ কোথায়?
: জ্বী, কি বললেন?
: বলছিলাম মানুষের জীবনে সুখ কোথায়? ছাত্র জীবনে সুখ নেই, কর্ম জীবনে সুখ নেই, বুড়ো হলেও কষ্ট। তাহলে সুখটা কখন?
ইমাম সাহেব মুচকি হেসে বললেন: পৃথিবীতে আপনি সুখ খুঁজছেন কেন? পবিত্র কোরআনে আছে- “আদ্দুনিয়া মাজরাতুল আখেরা” -দুনিয়া আখিরাতের শস্য ক্ষেত্র। এখানে আপনি সুখ করতে তো আসেন নি। শস্য ক্ষেত্র তো সুখ করবার জায়গা না। সুখ করবেন নিজের বাড়িতে। তেমনি পুরো জীবনটাই কষ্ট করতে হবে। সুখ করতে হবে আখিরাতে, যেখানে আপনি অনন্তকাল থাকবেন।
মঈনুল সাহেব চুপ করে রইলেন।
ইমাম সাহেব বলে গেলেন: আপনি এই জীবনে কষ্ট করলে, আল্লাহর পথে চললে আপনার কবরের জীবনটা হবে শান্তিময়।
মঈনুল সাহেব দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন: কি জানি, কবরেও আবার দোজখের আগুন জ্বালিয়ে দিয়ে ‘মুনকার নাকীর’ বলে না বসে- আরেকটু কষ্ট করেন। আসল সুখ হলো বেহেস্তে। হা-হা-হা।
ইমাম সাহেব মুখ গম্ভীর করে বললেন: নাউজুবিল্লাহ্! এই সব কি বলছেন?
মঈনুল সাহেব হেসে বললেন: রসিকতা করলাম। সব রসিকতায় গুনাহ্ হয় না। আল্লাহ্ আমাদের চেয়ে অনেক বেশি জ্ঞানী। তিনি বান্দার রসিকতাও বোঝেন।
বলতে বলতে তিনি উঠে দাঁড়ালেন। প্রথমবারে পারলেন না। বাতের ব্যথা বেড়েছে। আগের মত চট করে উঠে দাঁড়াতে পারেন না। দ্বিতীয় বার লাঠিতে ভর করে অনেক কষ্টে উঠে দাঁড়ালেন: আসি ইমাম সাহেব, দোয়া করবেন।
ইমাম সাহেব জবাব না দিয়ে ভ্রুকুচকে তাকিয়ে রইলেন তার দিকে।
———-০———-

[উৎসর্গঃ আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সকলকে। যারা সুখে আছেন অথবা সুখ খুঁজছেন!]

– সফিক এহসান
(১৪ মে ২০০৬ইং)

৬ thoughts on “সুখ

  1. গল্প পড়ে ভালো লাগলো| বর্ণনা
    গল্প পড়ে ভালো লাগলো| বর্ণনা খুব সাবলীল| আপাতদৃষ্টিতে এক কর্মহীন বৃদ্ধের আংশিক দিনপঞ্জি মনে হলেও ভাবনার খোরাক আছে| তবে একটা জায়গায় হিসেবটা বেশ গোলমাল করে ফেলেছেন| রাজুর বয়স ৭, কিন্তু সে পড়ে ক্লাস ফোরে??? হয় রাজুর বয়স অন্তত ৪ বছর বাড়িয়ে দিন, নাতো ক্লাস নামিয়ে দিন| ৭ বছর হিসাবে কে.জি ২ একেবারে পারফেক্ট|

    1. আরে তাইতো! এটা তো খেয়ালই
      আরে তাইতো! এটা তো খেয়ালই করিনি! এমন ভুলতো আমার হয় না কখনও!
      বয়স-সময় এসব ব্যাপারে সব সময় সচেতন থাকার চেষ্টা করি…
      হুম… বয়েস হয়েছে তো! মৃত্যু অতি সন্নিকটে! হা হা হা…

      (তবে কি আমি নিজে সাত বছর বয়েসে ক্লাস ফোরে পড়তাম কিনা! আমাদের সময় শুধু নার্সারীর পরই ওয়ান ছিল। আমি আবার বেশি এডভান্স! ৩ বছর বয়েসে ডাইরেক্ট ওয়ানে ভর্তি হয়েছি! 😛 )
      তবু ঠিক করে দিলাম… কারণ, এখনকার সময়ে তো বাচ্চাদের ওয়ানে উঠতেই ৩/৪বছর লেগে যায়! 🙁

  2. সাবলীল আর বাস্তবসম্মত…
    ভালই

    সাবলীল আর বাস্তবসম্মত…
    ভালই :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:
    তবে সুখের পিছনে ছুটে আমরা শুধুই দুঃখ কুড়াই…

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *