মামানি!

আমার ৫ টা মামা। বড় হওয়ার পর থেকেই দুইটা মামিকে দেখে আসছি । নানার বাড়ির সাথে আমার বাসার অল্প একটু ব্যবধান মাত্র । তবু নানা বাড়িতে গেলে মামির খুশির শেষ থাকত না ।

আমি যখন ক্লাস ৫/৬ এর ছাত্র তখন বাড়িতে ৩ নাম্বার মামানি আসল । তখন নানা বাড়িতে কেউ নায় । অন্য সবাই ইতালি , আরেক জোড় দেশে থেকেও নেয়।নতুন মামি বাড়িতে আসল । সাড়াদিন একা একা থাকে । মামা দেশে নাই বিয়ে হয়েছে ফোনের মাধ্যমে। বাড়িতে টিভি নাই , নানা হাজী মানুষ(!) নানী আছে পরিবারের কাজ কর্মে ব্যাস্ত। আমি সাপ্তাহে ২ দিনই নানু বাড়ি যেতাম , মামির সাথে গল্প করতাম ।



আমার ৫ টা মামা। বড় হওয়ার পর থেকেই দুইটা মামিকে দেখে আসছি । নানার বাড়ির সাথে আমার বাসার অল্প একটু ব্যবধান মাত্র । তবু নানা বাড়িতে গেলে মামির খুশির শেষ থাকত না ।

আমি যখন ক্লাস ৫/৬ এর ছাত্র তখন বাড়িতে ৩ নাম্বার মামানি আসল । তখন নানা বাড়িতে কেউ নায় । অন্য সবাই ইতালি , আরেক জোড় দেশে থেকেও নেয়।নতুন মামি বাড়িতে আসল । সাড়াদিন একা একা থাকে । মামা দেশে নাই বিয়ে হয়েছে ফোনের মাধ্যমে। বাড়িতে টিভি নাই , নানা হাজী মানুষ(!) নানী আছে পরিবারের কাজ কর্মে ব্যাস্ত। আমি সাপ্তাহে ২ দিনই নানু বাড়ি যেতাম , মামির সাথে গল্প করতাম । একটা ১১ বছরের ছেলের সাথে কি সুন্দর বন্ধুত্ব হয়ে উঠেছিল ঐ ২২ বছরের তরুনির। মাত্র ৮ মাসের মাথায় কোন এক জটিল কারনে মামা মামিকে ডিভোর্স দিয়ে দেয় । অথছ তাদের দুজনের কোন দিনও দেখা হয়নি । বাড়ী থেকে মামির বিদায়ে সব কইটা মানুষ খুশি হয়েছিল যেইদিন , একটা ১১ বছরের ছেলে সেই দিন কেদেছিল। কারন তার একটা বন্ধুকে সে হারিয়েছিল চিরতরে।

৪ নাম্বার মামি বয়সে আমার ৩ মাসের ছোট । কিন্তু আমার মামা আমার চেয়ে ১০ বছরের বড় । নিতান্তই বাচ্চা একটা মেয়ে ,ক্লাস নাইনে শেষ করেছে মাত্র। বিয়ের ৫ দিনের দিন আমাদের বাসায় মামানির প্রথম আগমন ঘটে।আমার রুমে বসে ঐদিন কোন প্রকার সম্বোধন ছাড়াই বলেছিল “আমাকে কইয়েক্টা গান লোড করে দিবা?”
আমার দেওয়া গান শুনে ২ দিন পরে সেই মেয়েটি বলেছিল “তুমি কি মানুষের মন পড়তে জান?” ।
কে জানত ? ঐ দিন থেকে বন্ধুর খাতায় আরো একটা নাম জমা হবে “তানি” ।
নানী মারা যাওয়ার পর নানু বাড়ী যাওয়া বন্ধ কইরেই দিয়েছিলাম একপ্রকার । তবে ঐ পিচ্চি মেয়েটাকে জ্বালানোর জন্য ৫ কিলোমিটার সাইকেল চালিয়ে প্রায় প্রতিদিনই যেতাম। মামা বিয়ের ৪ দিনপরেই ইতালি চলে আসে। বাড়িতে ছোট আন্টি আর নানা। আমি গেলেই মামি গল্প করার জন্য পাগল হয়ে যেত । আর আমি খাটের সাথে পিঠ ঠেকে পা দুটিকে ফ্লোরে ছড়িয়ে দিয়ে বলতাম “যতক্ষণ আমার চুল গুলি টেনে দিবেন ঠিক ততক্ষণ গল্প করব”।
আরো কত শত যন্ত্রণা দিয়েছি মেয়েটাকে। আজ সেই পিচকু মেয়েটা একটা ছেলে বাচ্চার মা । বহু দিন হয়ে গেল ফোন করে বলা হয় না “মামানি আছেন কেমন আপনি?”

আজ বড় কষ্ট লাগে । নিজেকে বস্তিতে জন্মানো নালার কাছে মুখ থুবড়ে পরে থাকা কুত্তার বাচ্চার মত মনে হয় । যখন গুগুলে ঐ ঝামেলা বিহীন মুধুর সম্পর্কের “মামি” শব্দ টা লিখলে চলে আসে “মামি এবং আমি ~ বাংলা চটি গল্প” ।
আজ সম্পর্ক গুলি যান্ত্রিক হয়ে উঠছে । মানুষ গুলি হয়ে যাচ্ছে নোংরা,হিংস্র পশুর মত ।
শুনতে খারাপ লাগলে ও সত্যি আজকাল অনেকেই “রাধা কৃষ্ণ ” হতে চায় । ঐ দিন ও শুনলাম ভাগ্নের হাত ধরে মামি ছাড়ল স্বামী ঘর !
হাইরে সেলুকাস ! কি বিচিত্র এই মানুষের বিকৃত মস্তিষ্কের কাজকর্ম।

“আমি আবার আমার সোনালি দিন গুলিরে ফিরে পেতে চাই । যেই খানে ভালোবাসা আছে স্বার্থহীন পবিত্র ভালোবাসা”

২ thoughts on “মামানি!

  1. লেখার মান নিয়ে কোন কথা বলব
    লেখার মান নিয়ে কোন কথা বলব নাহ , শুধু বলব আপনার সুরে সততই –

    আজ সম্পর্ক গুলি যান্ত্রিক হয়ে উঠছে । মানুষ গুলি হয়ে যাচ্ছে নোংরা,হিংস্র পশুর মত ।

    :দীর্ঘশ্বাস:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *