মৌসুমী ফলে ফরমালিন

আমরা সমাজের মানুষগুলো দিন দিন মনুষ্যত্ব হারিয়ে ফেলেছি।আজ একটা রিপোর্ট
দেখে আঁতকে উঠেছি,প্রায় ৯৬ভাগ আমে ফরমালিন,লিচু ও জামে ১০০ভাগ ফরমালিন পাওয়া গেছে ঢাকা শহরে।
আপেল,আঙুরে র কথা নতুন করে বলার কিছু নেই।আপেল গরম পানিতে সেদ্ধ করে খেতে হয় ইদানিং।এই হচ্ছে অবস্থা!

আম,লিচু,জাম মৌসুমী ফল এগুলো অল্প সময় বাজারে থাকে।একটুও
যাতে পঁচে গলে না নষ্ট হয়,রংয়ের
ঔজ্বল্য অটুট রাখতে,লাভের অংক শতভাগ বজায় থাকে এজন্য এগুলোতে ফরমালিন নামক বিষ মিশিয়ে ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছে কিছু খুনি পিশাচরুপী ব্যবসায়ী।হয়তো একজন
রোগী আরোগ্যলাভের জন্য ফলাহার করেন কিন্তু নিজের অজান্তে এই ফরমালিনযুক্ত ফল

আমরা সমাজের মানুষগুলো দিন দিন মনুষ্যত্ব হারিয়ে ফেলেছি।আজ একটা রিপোর্ট
দেখে আঁতকে উঠেছি,প্রায় ৯৬ভাগ আমে ফরমালিন,লিচু ও জামে ১০০ভাগ ফরমালিন পাওয়া গেছে ঢাকা শহরে।
আপেল,আঙুরে র কথা নতুন করে বলার কিছু নেই।আপেল গরম পানিতে সেদ্ধ করে খেতে হয় ইদানিং।এই হচ্ছে অবস্থা!

আম,লিচু,জাম মৌসুমী ফল এগুলো অল্প সময় বাজারে থাকে।একটুও
যাতে পঁচে গলে না নষ্ট হয়,রংয়ের
ঔজ্বল্য অটুট রাখতে,লাভের অংক শতভাগ বজায় থাকে এজন্য এগুলোতে ফরমালিন নামক বিষ মিশিয়ে ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছে কিছু খুনি পিশাচরুপী ব্যবসায়ী।হয়তো একজন
রোগী আরোগ্যলাভের জন্য ফলাহার করেন কিন্তু নিজের অজান্তে এই ফরমালিনযুক্ত ফল
খেয়ে অরোগ্যে বদলে আরও নতুন
রোগে পড়ছেন।শিশু থেকে বৃদ্ধ কেউই বাদ যাচ্ছেনা ফরমালিনের হিংস্র থাবা থেকে।এ যেন কষ্টার্জিত
টাকা দিয়ে বিষ কিনে খাওয়া।

সরকার সবকিছু দেখে নীরব
ভূমিকা পালন করছে।এসব অপরাধ বন্ধে তেমন কোন চোখে পড়ার মত কোন তত্‍পড়তা নেই।সামাজিক ও ভোক্তা অধিকার সংগঠনগুলোর সরকারের
প্রতি চাপ প্রয়োগে ব্যর্থতা অসাধু
ব্যবসায়ীদেয় নির্বিঘ্নে এসব নীরব
খুন চালিয়ে যেতে দিচ্ছে।
পৃথিবী যেখান এগিয়ে যাচ্ছে,নতুন নতুন প্রয়োজনের প্রেক্ষিত নতুন নতুন আইন তৈরি হচ্ছে সেখানে আমাদের ভোক্তা অধিকার সংরক্ষিত হচ্ছে বৃটিশদের
রেখে যাওয়া মান্ধান্তা আমলের
ভোক্তা অধিকার আইন দ্বারা।
যে আইনে জরিমানা ও শাস্তির বিধান অপ্রতুল এবং অনেক ক্ষেত্রে নতুন কিছু দ্রব্যের কথা উল্ল্যেখও নাই।তাই ধরা পড়লেও অতি অল্প
শাস্তি কিংবা নামমাত্র
জরিমানা দিয়ে পার পেয়ে যায়।
এভাবে চলতে দেওয়া যায়না।
সরকারকে এ বিষয়ে দ্রুত পদক্ষেপ
নিতে বাধ্য করতে হবে জনগনকেই। ফলমূল-খ াদ্যদ্রব্যে বিষ মিশ্রনকারী অসাধূ ব্যবসায়ীদের দৃষ্টান্তমূলক ও কঠোর শাস্তির বিধান
রেখে ভোক্তা অধিকার আইন আধুনিক ও যুগপোযগীভাবে ঢেলে সাজাতে হবে। যাতে শাস্তির ভয়ে কেউ বিষ মেশানের দুঃসাহস না দেখায়।কঠোর মনিটরিং নিশ্চিত করতে হবে ফলের আঁড়ত ও খুচরা বাজারে।সরকারের সদ্দিচ্ছা থাকলে এসব বাস্তবায়ন
অসম্ভব নয়।

আসুন আমরা নিজেদের অধিকার
আদায়ে সচেতন হই।ফরমালিন মুক্ত সুস্থ জীবন নিশ্চিত করি।

৭ thoughts on “মৌসুমী ফলে ফরমালিন

  1. এই গুলা একেকটা নরপশু । আসলে
    এই গুলা একেকটা নরপশু । আসলে আমাদের মনুষ্যত্ব টাকা/যশ/ প্রতিপত্তির কাছে বিক্রি হয়ে গেছে । :মাথাঠুকি: :মাথাঠুকি:

  2. ফরমালিনযুক্ত খাবার খেতে খেতে
    ফরমালিনযুক্ত খাবার খেতে খেতে আমরা এখন ফরমালিন প্রুভ হয়ে গেছি। ফরমালিন আমাদের শরীরে রেজিস্ট্যান্ট হয়ে গেছে। অবস্থাটা এখন এমন দাড়িয়েছে- ফরমালিনমুক্ত খাবার খেলে বরং আমাদের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়।

  3. আহ বাঁচছি। ছিলতে হবে, হাতে রস
    আহ বাঁচছি। ছিলতে হবে, হাতে রস লেগে আঠা হয়ে যাবে, সেটা আবার কষ্ট করে ধুইতে হবে এইসব ঝালেমায় ফল কম খাওয়া হয়। এ দেখছি সাপে বর :নৃত্য:

    1. আপনি না হয় বেঁচে গেলেন,যাদের
      আপনি না হয় বেঁচে গেলেন,যাদের ফল খাওয়া অপরিহার্য তারা কি করবে?তারা কি ফরমালিনযুক্ত ফল খেয়ে স্বাস্থ্যঝুঁকিতে থাকবে?

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *