তোমার কাছে যাবো

যাবো-
তোমার কাছেই যাবো ।
নিষেধের শত বেড়াজাল,
হাজারটা পাহাড়
ডিঙিয়ে যাবো ।

তুমি আসতে বলোনি
ইশারায় ডাকোনি কাছে
তবু যাবো …



তোমার কাছে যাবো

যাবো-
তোমার কাছেই যাবো ।
নিষেধের শত বেড়াজাল,
হাজারটা পাহাড়
ডিঙিয়ে যাবো ।

তুমি আসতে বলোনি
ইশারায় ডাকোনি কাছে
তবু যাবো …

তোমার চোখের মাঝে গভীর এক সমুদ্র আছে
তার নোনা জলে ডুবে প্রাণ হারাবো
কালো মেঘের মতো চুলের নন্দন বনে
বারংবার পথ হারাবো … তবু যাবো ।
তোমার খুব কাছে যাবো ।

গোত্রের ধর্ম ভুলে যাবো
সিদ্ধার্থের ভাব শিস্য হবো ।
পথকে ঠিকানা বানাবো
প্যাগোডার গলা জড়িয়ে ধরে আওড়াবো ঃ
‘ বুদ্ধং সরনং গচ্ছামি ’
সদা প্রভুর কাছে একটাই বর চাইবো
নিরামিষাশী তোমাকেই চাইবো ।

তোমার পৌরাণিক শরীরের খাঁজে – ভাঁজে
গুহা চিত্রের গোপন বিস্ময় লুকোনো আছে ।
গভীর ভয় এবং জাগরণের প্রথম
নির্লজ্জ শিহরণে নিহত হবার আশংকা আছে ।
তবু যাবো, বিসমিল্লাহ্‌ বলে নেমে যাবো,
ভগবান সহায় আমার ঠিক ঠিক ঈশ্বর পথ দেখাবেন
তোমার কাছে তিনি পৌঁছে দেবেন ।

আমি তোমার খুব কাছে পৌঁছে যাবো
পৌঁছেই তোমার বুকের উষ্ণ নরম গাম্ভীর্যে
শীতার্ত ঘুম দেব ।

আমি যাবো,
তোমার কাছে যাবো …
তোমার খুব কাছে যাবো ।

৯ thoughts on “তোমার কাছে যাবো

  1. সুখপাঠ্য হল না মুস্তাফিজ ভাই
    সুখপাঠ্য হল না মুস্তাফিজ ভাই ।
    ছন্দপতন এর কথা বলব না , কেননা কবিতায় ছন্দ অপেক্ষা কাব্যিক সুর বেশি গুরুত্বপূর্ণ । আপনি সার্বিক দিকে কাব্য অপেক্ষা ছন্দে বেশি মনোযোগ দিয়েছেন বলে মনে হচ্ছে ।
    আর বিষয়বস্তু বেশি প্রসারিত হয় নি । ছোট প্লাটফর্ম কে টেনে টুনে বড় বানানোর প্রবনতা ।
    আর নাম এর সাথে মিল রেখে সামগ্রিক কবিতায় ছন্দের প্রয়োগের সময় -” ো ” /ও বর্গীয় যে টান – সেটা একটু বদলিয়ে মাঝে মাঝে চেঞ্জ করে লিখলে আরও ভাল লাগত ।

    সব মিলিয়ে মোটামুটি ভাল / । লিখতে থাকুন /। আপনি এর থেকে ভাল লেখেন এটা আপনি নিজেও জানেন ।

  2. আকাঙ্খা ভাল ছিলো, প্লট ভালো
    আকাঙ্খা ভাল ছিলো, প্লট ভালো ছিলো, প্রকাশের ক্ষেত্রে একটু এদিক সেদিক লেগেছে। চালিয়ে যান, ভাল লেগেছে 🙂

    গোত্রের ধর্ম ভুলে যাবো
    সিদ্ধার্থের ভাব শিস্য হবো ।
    পথকে ঠিকানা বানাবো
    প্যাগোডার গলা জড়িয়ে ধরে আওড়াবো ঃ
    ‘ বুদ্ধং সরনং গচ্ছামি ’
    সদা প্রভুর কাছে একটাই বর চাইবো
    নিরামিষাশী তোমাকেই চাইবো

  3. তবু যাবো, বিসমিল্লাহ্‌ বলে

    তবু যাবো, বিসমিল্লাহ্‌ বলে নেমে যাবো,
    ভগবান সহায় আমার ঠিক ঠিক ঈশ্বর পথ দেখাবেন
    তোমার কাছে তিনি পৌঁছে দেবেন ।

    @ আপনার এই কবিতায় চারটি প্রধান ধর্মের দেবতাই চলে এসেছে । এটা বেশ লক্ষণীয় । মনের মানুষের কাছে যাওয়ার গভীর তাড়না আছে কাব্যের চরণে । সুখপাঠ্য । এছাড়া –

    আমি তোমার খুব কাছে পৌঁছে যাবো
    পৌঁছেই তোমার বুকের উষ্ণ নরম গাম্ভীর্যে
    শীতার্ত ঘুম দেব ।

    @ এইখানে নারী শরীরের একটা অঙ্গকে ঘিরে যে নিরাপদ আশ্রয় খুঁজে পেলেন, তা এককথায় দুর্দান্ত !!!

  4. তোমার পৌরাণিক শরীরের খাঁজে –

    তোমার পৌরাণিক শরীরের খাঁজে – ভাঁজে
    গুহা চিত্রের গোপন বিস্ময় লুকোনো আছে ।
    গভীর ভয় এবং জাগরণের প্রথম
    নির্লজ্জ শিহরণে নিহত হবার আশংকা আছে ।

    # এই লাইন গুলো চমৎকার লিখেছেন । ভালো লাগলো ।

  5. কালো মেঘের মতো চুলের নন্দন
    কালো মেঘের মতো চুলের নন্দন বনে
    বারংবার পথ হারাবো … তবু যাবো ।

    … চমৎকার উপমা । পড়ে ভালো লেগছে ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *