কুছ তো গরবর হে দায়া!

হাইট ৫ ফিট ৩/৪ এর কম হবে না। একহারা গড়ন। অতিরিক্ত ফর্সা বলা যাবে না, তবে ফর্সা। চেহারার মাঝে কেমন যেন মায়াবী একটা ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ভাব। প্রচলিত ভাষায় হট বলতে যেমনটা বুঝায় ঠিক তেমন না। আমি বলব কিউট। তবে সব কিছু ছাপিয়ে নারীর যে বিশেষ অঙ্গ জোড়ার প্রতি সব পুরুষের দুর্নিবার আকর্ষণ আদিকাল থেকে, সেই অস্ত্রটা একদম শাণ দেয়া। ভুল বুঝবেন না, চোখের কথা বলছি। এক জোড়া গোল গোল চোখ, গরুর মত। যে চোখের গভীরতা মাপতে ভয় হয়। নাওয়া খাওয়া ভুলে শুধু চেয়ে থাকতে ইচ্ছে করে।


হাইট ৫ ফিট ৩/৪ এর কম হবে না। একহারা গড়ন। অতিরিক্ত ফর্সা বলা যাবে না, তবে ফর্সা। চেহারার মাঝে কেমন যেন মায়াবী একটা ঠাণ্ডা ঠাণ্ডা ভাব। প্রচলিত ভাষায় হট বলতে যেমনটা বুঝায় ঠিক তেমন না। আমি বলব কিউট। তবে সব কিছু ছাপিয়ে নারীর যে বিশেষ অঙ্গ জোড়ার প্রতি সব পুরুষের দুর্নিবার আকর্ষণ আদিকাল থেকে, সেই অস্ত্রটা একদম শাণ দেয়া। ভুল বুঝবেন না, চোখের কথা বলছি। এক জোড়া গোল গোল চোখ, গরুর মত। যে চোখের গভীরতা মাপতে ভয় হয়। নাওয়া খাওয়া ভুলে শুধু চেয়ে থাকতে ইচ্ছে করে।

এরকম কমপ্লিট প্যাকেজ সচরাচর মেলে না। এক্সিডেন্টালি হলেও ইন্ট্রো একেবারে খারাপ হয়নি। উৎসাহ পেয়ে তুখোড় ডেস্ক্রিপশন ঝাড়লাম। মেয়েতো অবাক!! এরকম উত্তম কুমার এখনো টু-লেট টানিয়ে ঘুরে বেড়ায় কি করে! যাই হোক, সুন্দরীদের বাস্তব জ্ঞান একটু কম থাকে। সুবিধাটা ষোল আনা আদায় করা গেল।

রিক্সা খুঁজছে মেয়েটা। ধানমন্ডি যাবে। ধানমন্ডি টাইপ মেয়েরা সাধারনত রিক্সা খোঁজে না। ফাস্টফুডের ঘুটঘুটে অন্ধকার থেকে ঘোরকৃষ্ণ সানগ্লাস চোখে বের হবে। ড্রাইভার গাড়ী নিয়ে আসতেই ৪৫ ডিগ্রি এঙ্গেলে বাঁকিয়ে চুলে একখান ঝাড়া দেবে। আর সেই অপূর্ব শৈল্পিক ঝাড়া দেখে নাদান কিছু পথচারীর সাময়িক হৃদ-রোগ দেখা দেবে। ললনা তখন কসাই ডাক্তারের মত রোগীদের ফেলে রেখে গাড়ী করে হারিয়ে যাবে ট্রাফিকের ভিড়ে। দৃশ্যটা মোটামুটি এমনি হওয়া উচিত। কিন্তু এই মেয়ে রিক্সা খোঁজে কেন!? তাও আবার কাওরান বাজারের পঁচা মাছের ভিড়ে!!

ওমা…!! বলতে না বলতেই রিক্সা উধাও। কাওরান বাজার নিমেষেই পাল্টে গেল বসুন্ধরা সিটির ঝকঝকে লবিতে। কালো বিড়ালের মত একটা মার্সিডিজ ঘ্যাঁচ করে ব্রেক কষলো। মেয়ে ভ্যানিস!!

গিট্টু লেগে গেল। ক্যামনে কি!! মাথার ভেতর চক্কর খাচ্ছে। হঠাৎ গায়েবী আওয়াজ পেলাম…

” কুছ তো গরবর হে দায়া! জারা আচ্ছি তারাছে ছান মারকে দেখো, কুছ না কুছ জরুর মিলেগা…।”

এই ইন্সপেক্টর প্রতিমোন ব্যাটা আবার কোত্থেকে হাজির হল??!! কাম সারছে… আমি কই??!!

চোখ খুলে দেখি খাটের অর্ধেকে এসে ঝুলে আছি। ছোট বোনটা বিভোর হয়ে CID দেখছে। আশপাশের কোন হুশ নেই।
আল্লাহ বাঁচাইছে, মার্সিডিজের পিছনে দৌড়ে যে খেটের কিনারে এসে ঠেকেছি, এই দৃশ্য ছোট বোনদের না দেখাই ভাল…

৮ thoughts on “কুছ তো গরবর হে দায়া!

  1. সেরাম…
    …গল্পতো গল্পই
    যত

    সেরাম…
    …গল্পতো গল্পই
    যত হোক অল্পই!! :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:
    পরেরবার আরেকটু দীর্ঘ গল্প লিখবেন আশা করি… :থাম্বসআপ: :থাম্বসআপ:

  2. পাঠক যাতে ভুল বুঝে সে
    পাঠক যাতে ভুল বুঝে সে উদ্দেশ্যেই আপনি লিখসেন “” তবে সব
    কিছু ছাপিয়ে নারীর যে বিশেষ অঙ্গ
    জোড়ার প্রতি সব পুরুষের দুর্নিবার আকর্ষণ
    আদিকাল থেকে, সেই অস্ত্রটা একদম শাণ
    দেয়া। “” যাতে বলতে পারেন, ভুল বুইঝেন না বা আপনাদের চিন্তা খালি ওই দিকেই যায় বা যার মনে যেইডা ফাল দিয়া ওডে হেইডা। ব্যাপারটা হইল আমার খারায় যায়, কী, গায়ের লোম। :টাইমশ্যাষ:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *