ইভটিজিং এর জন্যে মেয়েরাই প্রধান দায়

মেয়েরা ইভটিজিং এর শিকার হয় আমার মনে হয় এর জন্যে মেয়েরা দাই। নিজের দৃষ্টি কোন থেকে বলতেছি। গত ৮ তারিখ এর অভিজ্ঞতা থেকে বলতেছি.. আমি একটি জব করি yunusco সিটি সেন্টার, চট্টগ্রাম এর একটা দোকানে. আমি দোকানে আসি সকাল ১০.৩০ এম। যথারিতি ৮ তারিখ ও দোকানে আসলাম আশার পর আমি কাহানি দেখলাম। একটা মেয়ে তার বয় ফ্রেন্ড এর সাথে দেখা করতে আসল মার্কেটে। এমন পোশাক পরিধান করলো, যে আমার মুখে বলে বুঝেতে পারবো না একদম ইন্ডিয়ান কালচার। এইটা কখন ও আমাদের ইসলাম দেশে গ্রহন যোগ্য না। র তা দেখলে একটা জোয়ান ছেলে কখন ও মাথা ঠিক রাখতে পারবে না স্বাভাবিক। তাই দেখলাম ২টা ছেলে এই মেয়েটাকে টিজ করতেছে তখন মেয়ে তার বই ফ্রেন্ড এসে দেখল তখন ছেলে ২টার সাথে ঝগড়া এক পর্যায় মারা মারি লেগে গেলো, তারপর নিজে নিজে চিন্তা করলাম যে এর জন্যে কে দায়ে? আপনারা বলেন? এ কেমন বাবা, মা যে মেয়ে কি ড্রেস পড়লো এইটা দেখে না? র বয় ফ্রেন্ডটা ও কি এক বার দেখলা না? তারপর ও আমি যারা টিজ করে তাদের নিন্দা জানাই তবে আপুরা বেয়াদবি নিবেন না আমি উপদেশ দিচ্ছ না ছোট ভাই হিসাবে অনুরোধ করতেছি আপনরা অশ্লালীন কাপড় এবং ইন্ডিয়ান কালচার বাদ দেন তাহলে আপনাদের টিজ করতে সাহস পাবে না|

৩৬ thoughts on “ইভটিজিং এর জন্যে মেয়েরাই প্রধান দায়

  1. যেহেতু আপনার লেখায় ধর্মের
    যেহেতু আপনার লেখায় ধর্মের উদাহরন পেলাম, তাই একটু বলি…..
    ইসলামে নারীদের পর্দার বাইরে থাকা হারাম এবং পুরুষদের অশ্লীল ভাষ্য- অশ্লীল কোন কিছু দেখাও হারাম৷৷
    তবুও কি নারীরই দোষ…..

    1. ইভতিজিং এর প্রধান কারণ হচ্ছে
      ইভতিজিং এর প্রধান কারণ হচ্ছে মেয়েদের পর্দার পরিপন্থী হওয়া। ইসলামি রীতিনীতিকে বাদ দিয়ে এখন আমাদের দেশে ইন্ডিয়ান নোংরা সংস্কৃতি ঢুকে পড়েছে। আধুনিকতার নামে যেগুলো অনুসরণ করতে গিয়েই মেয়েরা ইভতিজিং এর শিকার হচ্ছে। অর্ধনগ্ন/ ন্যারো পোষাক পরিধান করে একটি মেয়ে যদি রাস্থায় বের হয় ঐ মেয়েকে দেখার পর একটা ছেলের মন মানষিকতা পরিবর্তন হওয়াটা খুব্‌ই স্বাভাবিক। অন্তত আমাদের দেশে। কারণ আমাদেরটা মুসলিম রাষ্ট্র। ৯০% মুসলমানের দেশে এই সংস্কৃতি মানায় না। একটা ইসলামি রাষ্ট্রের জন্য এটা আনকমন একটা ব্যাপার।
      কিছু কিছু ছেলে আছে যারা মেয়েদের দেখলেই খারাপ চিন্তায় মত্ব হয়ে পড়ে। তাদের কাছে মেয়েরা সুধুই ভোগের পণ্য। সেরকম কিছু ছেলের জন্যও অনেক মেয়ে ইভতিজিং/ ধর্ষণের শিকার হয়। হাতের পাঁচ আঙ্গুল সমান না

    2. আমি জানি না ইসলাম ধর্মকে কে
      আমি জানি না ইসলাম ধর্মকে কে কিভাবে দেখেন। তবে কালের কালপুরুষ ভাই এর কথায় যুক্তি আছে। ইসলাম ধর্মে আগে পুরুষের পর্দার কথা বলা হয়েছে, তারপর নারীর। শুধু এতটুকু বলতে পারি ওই মেয়ে বা ঈভ টিজার ছেলেগুলোর মধ্যে যে কেও যদি ইসলামের পর্দা প্রথা মানতো, তাহলে আপনার বর্ণনার অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতো না। তবে সাধারনত ইসলামিক পর্দা কালচার বলতে যে “নিনজা” টাইপ বোরখা আমাদের চোখে ভেসে উঠে আসলে ব্যাপারটা কিন্তু তা না।

  2. একটা গল্প সোনেন রসু খা নাম
    একটা গল্প সোনেন রসু খা নাম শুনেছেন নিশ্চয়? তিনি প্রায় ৩৭ টা ধর্ষন করেছেন এর মধ্য হেজাব পড়াও আছে।

    আমার এক বন্ধুর অভ্যাস টিস করা সে মেয়ে দেখলেই টিস করে কই আমি তো আজ পর্যন্ত সাহস পেলাম না আমার রুচিতে তো বাধে টিস করতে।

    আপনার ইমান ঠিক নাই মেয়ের ড্রেস দেখলেই আগ্নেয়াস্ত্র সেলুট দেয় মেয়ের উপর দোষ চাপাচ্ছেন।

    কিছু কিছু মেয়েরা আছে খারাপ । তারা শরীর দেখাতে পছন্দ করে। আর কিছু কিছু মেয়ে মর্ডান দেখাবার জন্য ঐ রকম ড্রেস পরে।

    কিন্তু আমরা ঠিক না মেয়ে থ্রি পিস পড়ুক শাড়ী পড়ুক টিস করবই বুঝলেন।

    আর ইন্ডিয়ান কালচার বললেন কতটুকু জানেন ইন্ডিয়া সম্পর্কে?? ইন্ডিয়াতে বাঙ্গালি কালচারের মতই। আপনি যেই কালচারের কথা বলছেন সেটা ব্রিটিশ কালচার্। ইন্ডিয়ান মুভি দেখে ইন্ডিয়ান কালচার বানায়ে দিলেন।

  3. আমাদের সমাজে কিছু কিছু অসভ্য
    আমাদের সমাজে কিছু কিছু অসভ্য লোক আছে যারা মেয়েদের দেখলেই খারাপ চিন্তায় মত্ব হয়ে পড়ে। তাদের কাছে মেয়েরা সুধুই ভোগের পণ্য। সেরকম কিছু ছেলের জন্যও অনেক মেয়ে ইভতিজিং/ ধর্ষণের শিকার হয়। হাতের পাঁচ আঙ্গুল সমান না

  4. নিজের ঈমান চোখ ঠিক নাই আর
    নিজের ঈমান চোখ ঠিক নাই আর আরেকজনকে বলতে আসছে। পুরা লাইফ এ অনেক ছেলেকে দেখসি হাফপ্যান্ট পরে ঘুরতে, কখনো দেখসেন তারা টিজিং এর শিকার হইসে? আসল কথা হল টিজ করে নিজেরে আরেকটু উপরে উঠানোর চেষ্টা করে। এই পোস্টের উপর ইস্তিশন মাস্টারের হস্তক্ষেপ চাই।

  5. মেয়েরা বগলকাট জামা, ব্লাউজ
    মেয়েরা বগলকাট জামা, ব্লাউজ পড়ে নাভীর অনেক নীচে জিন্স পড়লে হয়, লুকিং সো হট। বিপরীতে ছেলেরা নাভীর অনেক নীচে জিন্স পড়লে, বগল দেখা যায়এমন কিছু পড়লে হয়, খেচ্চর। মেয়েদর জামা, ব্লাউজের বুক- পিঠের দিকটা যত বেশী খোলামেলা তত বেশি স্মার্ট!!! কিন্তু, ছেলেদের বুকের শার্টের বোতাম খোলা থাকাকে আমাদের সমাজে গুন্ডা, মাস্তানী স্টাইল হিসেবে দেখা হয়। লক্ষ্য করুন , ছেলেদের বেলায় শালীনতাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।অথচ মেয়েদেরবেলায় বলা হচ্ছে, একটা মেয়ের কাপড় পড়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত। এই যেদ্বিমুখী আচরন, এটাই হচ্ছে নারীকে পন্য বানানোর সবচেয়ে বড় হাতিয়া

    1. এই পন্য বানানো টা আপনার সাধের
      এই পন্য বানানো টা আপনার সাধের পুরুষতন্ত্রই বানাইছে…
      যখন থেকে নারীকে আপনারা সম্পদ বানিয়ে সাজিয়ে রাখতেছেন তবে থেকেই নারীর কাজ ঐ এক্তাই নিজেকে আরও সুন্দরক পন্য করে রিপ্রেসেন্ট করা। আগে তাকে মানুষ ভাবুন ন্যায্য অধিকার দিন আর মানুষের দৃষ্টিতে দেখুন তবেই সে নারী না হয়ে পুরুষ হবে!!
      আপনি কি আপনার ১০ বছর বয়সি ভাতিজাকে ক্রিকেট বল আর ১০ বছর বয়সি ভাতিজিকে লিপস্টিক কিনে দেন নি? তাহলে যে মানবশিশু মানুষরুপে দুনিয়াতে আসল তাকে কে নারী বানাইছে? সৃষ্টিকর্তা? নাকি সমাজ?
      আবারও বলি নারীর পোশাকের দিকে তাকানোর আগে নিজের বিবেকের দিকে তাকান…

  6. মেয়েরা বগলকাট জামা, ব্লাউজ
    মেয়েরা বগলকাট জামা, ব্লাউজ পড়ে নাভীর অনেক নীচে জিন্স পড়লে হয়, লুকিং সো হট। বিপরীতে ছেলেরা নাভীর অনেক নীচে জিন্স পড়লে, বগল দেখা যায়এমন কিছু পড়লে হয়, খেচ্চর। মেয়েদর জামা, ব্লাউজের বুক- পিঠের দিকটা যত বেশী খোলামেলা তত বেশি স্মার্ট!!! কিন্তু, ছেলেদের বুকের শার্টের বোতাম খোলা থাকাকে আমাদের সমাজে গুন্ডা, মাস্তানী স্টাইল হিসেবে দেখা হয়। লক্ষ্য করুন , ছেলেদের বেলায় শালীনতাকে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে।অথচ মেয়েদেরবেলায় বলা হচ্ছে, একটা মেয়ের কাপড় পড়ার স্বাধীনতা থাকা উচিত। এই যেদ্বিমুখী আচরন, এটাই হচ্ছে নারীকে পন্য বানানোর সবচেয়ে বড় হাতিয়া

  7. ও ও ও বুঝলাম..….…আপনার
    ও ও ও বুঝলাম..….…আপনার মেয়েদের ইভটিজিংয়ের প্রধান কারণ বলতে চাচ্ছেন মেয়েদের পোশাক..……নাও কিউরিয়াস মাইন্ড ওয়ান্ট টু নো স্কুল ইউনিফর্ম পড়া মেয়ে যেটা অশালীন কিছু না কেনো ইভটিজিংয়ের শিকার হয়???

  8. আর কিছু বলব না। স্রেফ বলি,
    আর কিছু বলব না। স্রেফ বলি, আপনি নিজে কী ইভটিজিং করেছেন??? করেন নাই তো। আপনি যদি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন, তাহলে তারা কেন পারল না???

  9. ফাউল চিন্তা ভাবনা আপনার । আমি
    ফাউল চিন্তা ভাবনা আপনার । আমি মানি মেয়েরা ইদানিং খারাপ কাপড় করে মানে শালীনতা বর্জিত । আগেকার যুগেও ফাউল জামা কাপড় পড়া নারী ছিল । তখন ইসলাম প্রচারকরা কি করছেন ? এই কথা আর বারাইলাম না ।
    আমি বলি ওই মেয়ের সমস্যা ছিল মানলাম কিন্তু পুরুষের মাথা ঠিক থাকে না এই রকম কথা দিয়া আপনি ইভতিজিংকে জায়েজ বলতে পারেন না ।
    পুরুষদের নিজেদের দৃষ্টি মাটিতে রেখে চলতে বলা হইছে হসে ক্ষেত্রে উক্ত ছেলেদের আপনি কি বলবেন ? দোষ ঢালাও ভাবে কখনই দিবেন না । মাথা খাটান । আর কোন কথা থাকলে বলেন ধর্ম কিংবা এই বিষয়ের সাথে যায় এমন ধরনের যে কোন প্রশ্ন করেন উত্তর দিবো ।
    আর ছোট একটা প্রশ্ন ,” নামাজ পড়েন ? পড়লে কয় ওয়াক্ত । ” উত্তর ইচ্ছা হইলে দিয়েন না হইলে না । খামেলার মনে হইলে এরাইয়া যাওয়াই ভালো । :এখানেআয়:

  10. লিখককে কয়েকটা প্রশ্ন করবঃ
    ১)

    লিখককে কয়েকটা প্রশ্ন করবঃ
    ১) আচ্ছা মেয়েটি যদি শালীন ড্রেস পরেও আসত আর তার বয়ফ্রেন্ডের জন্যে অপেক্ষা করত তবে কি ঐ বখাটেদ্বয় মেয়েটিকে রেহায় দিত বলে আপনি মনে করেন?
    ২) ঐ বখাটের বোন বা মেয়ে অথবা নিকটাত্মীয় যখন আপনার কথা মত চটুল জামা-কাপড় পরে তবে কি সে তার বোনকে টিজ করবে? বা করে? অথবা রেপ?
    ৩) রাষ্ট্র খুনের দায়ে ফাঁসির দণ্ড রেখেছে খুন কি কমেছে? ধর্মও রেখেছে কিন্তু খুন-খারাবি আর অন্যায় অবিচার চলছেই কেন? নারী অবমাননাও একই এর সাথে নারীর পোশাকের কোন সম্পর্ক নাই, নাকি তারপরও বলবেন আছে? বললে কীভাবে?
    ৪) আমি যদি আমার বউকে লেগিংস টপস পরিয়ে নিয়ে যায় তবে বখাটেরা তাকাবে হয়ত কেউ কিছু কথাও ছুড়ে দিবে কিন্তু টিজ বলতে যা বুঝায় টা করবে না, আপনার ঐ গল্পের ছেলে প্রথম থেকে থাকলে বখাটেরা টিজ করত না। তাহলে বলেন সমস্যা কোথায়? আমি যদি বলি সমাজের আর আপনাদের মত লোকদের উস্কানি আর এমন বিভ্রান্তিমুলক কথায় এর জন্যে দায়ী কি উত্তর দিবেন? [মেয়েদের অবলা মনে করেন বলে একা পেলে আপনিও তাকে অন্যদৃষ্টিতে তাকান!]
    ৫) একটা টেস্ট কইরেন আপনি, আপনি আপনি আপনার বোন বা ফ্রেন্ড বা বউকে একদিন বোরখা একদিন শাড়ি আরেকদিন সালওয়ার কামিজ আর অন্যদিন জিনস-টপস পরিয়ে ৩০-৪০ মিনিট করে একা দাড় করিয়ে রাইখেন তখন বুজতে পারবেন ঘটনা কি!
    বখাটের টিজের ধরন কিছুটা বদলাবে হয়ত কিন্তু মেয়েটি রেহায় পাবে না!! তাহলে বলি মেয়েটির পোশাকের দিকে তাকানোর আগে নিজের বিবেকের দিকে তাকিয়ে নেন তাহলেই বুজবেন সমস্যা কোথায়!! এইখানে প্রশ্ন হচ্ছে ধরেন আপনি একজন মেয়ে তবে কেমন লাগবে? যে আপনি ছোটবেলা থেকে নদীর পাড়ে রাতবিরাতে আড্ডা মারছেন আর যখন তখন খালি গায়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন সেই আপনাকে যদি ছোটবেলা থেকে গৃহে নারীর মত কড়া নজরদারীতে রাখি তবে কি আপনি একদিন আপনার প্রিয় মানুষটির সাথে একটু আয়েশি ভঙ্গিতে ঘুরবেন না বা ঘুরতে চাইবেন না? নাকি আপনিই মানুষ আর নারীরা শোপিস?

    আশা করি উত্তর দিয়ে যাবেন…

    1. হাহা । উনি উত্তর দিয়া যাইবেন
      হাহা । উনি উত্তর দিয়া যাইবেন ভাবলেন কেমনে লিঙ্কন ভাই । প্রশ্ন গুলা বেশ যৌক্তিক করেছেন তো । ভাল লাগল । :খুশি:

  11. যদি পোশাকই একমাত্র দায়ী হয়
    যদি পোশাকই একমাত্র দায়ী হয় তবে নিশ্চয়ই আপনার মতে স্কুল ড্রেসও অশালীন? কারণ স্কুল পোশাক পরিহিত মেয়েরাও ইভটিজিনের শিকার হয়। নাকি বলবেন স্কুল ড্রেস পড়ার পর বোরখা পড়তে হবে?!
    আচ্ছা যান, বোরখাই একমাত্র পবিত্র শালীন পোশাক, মেনে নিলাম। তবে বোরখা পরিহিত মেয়েরাও কেন ইভটিজিনের শিকার হয়? আমি নিজে দেখেছি,বোরখা পরিহিত একটি মেয়েকে বীভৎস ইভটিজিনের শিকার হতে।
    আর ইসলাম নারীদের শালীনতার মধ্যে থাকতে বলেছে, অতি উত্তম কথা। কিন্তু মেয়ে দেখলে জোয়ান পুরুষদের মাথা ঠিক থাকে না, সেটার জন্য কিছু বলে নাই?
    নাকি পুরুষ মহাপবিত্র বলিয়া, অশালীন বাক্য বলিলে, বা কুদৃষ্টি দিলে ইসলামের কোন সমস্যা হয় না!? কোন গুনহা হয় না?! সকল গুনহার দাবিদার একমাত্র নারী!!!!

  12. এই লোকটি শুধু নিজের পোষ্ট এ
    এই লোকটি শুধু নিজের পোষ্ট এ হিট বাড়ানোর জন্যে এমন একটি পোষ্ট করেছে, আর কিছুনা

    1. হিট কম/ আবাল প্রমানিত করল
      :হাসি: :হাসি: :হাসি: :হাসি: হিট কম/ আবাল প্রমানিত করল নিজেরে । শিরোনাম এ বানান ভুল , যেটা দেখতে সবচেয়ে দৃষ্টিকটু লাগে ।

  13. আমি অবশ্যই ইভটিজিং-এর
    আমি অবশ্যই ইভটিজিং-এর বিপক্ষে। তবে অশালীন পোষাক পরিহিত কোনো মেয়েকে টিজ করা হলে, দোষ ছেলের চেয়ে আমি মেয়েটিকেই বেশী দিবো।

    1. এর অর্থ কোন মেয়েকে বিনা কাপড়ে
      এর অর্থ কোন মেয়েকে বিনা কাপড়ে দেখে যদি কোন ছেলে তাকে রেপ করে তবে দোষ মেয়েটির…তাইতো?
      আচ্ছা আপনারে একটা প্রশ্ন করিঃ আপনি একটা নারী ভিক্ষুককে কম ড্রেসে দেখলে কি কাউকে টিজ করতে দেখেছেন?
      উত্তর অবশ্য্যঃ না! এখন নিজেকে প্রশ্ন করুণ সমস্যা কোথায়?
      নারীর পোশাকের দিকে না তাকিয়ে নিজের বিবেকের দিকে তাকান!
      বাসায় ছোট বোন বা নিকটাত্মীয়কে স্বল্প ড্রেসে দেখে টিজ না করলেও যখন রাস্তায় অন্য মেয়েকে টিজ করেন তখন পুরুষের বিবেকের স্বল্পতায় মাথায় আসে নারীর পোশাকের সল্পতা নয়...

    2. সেই আজাইরা ধ্যানধারণা বাদ দেন
      সেই আজাইরা ধ্যানধারণা বাদ দেন প্রতনু ভাই । ইভটিজিং মানসিক একটা ব্যাধি ।বুঝছেন । অহেতুক মেয়েদের উপর দোষ চাপাইতে চেষ্টা কইরেন না ।

      1. কয়েকদিন আগে আরেকজন এমন যুক্তি
        কয়েকদিন আগে আরেকজন এমন যুক্তি দিয়েছিল!
        সব মেয়েই নাকি ধর্ষিত হওয়ার স্বপ্ন দেখে! তাই এতে দোষের কিছু নাই…
        কোত্থেকে যে আসে এইসব! এরা মৌলবাদ নামক নিরাময়যোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্ত!
        চিকিৎসা দরকার………… :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি: :ক্ষেপছি:

    1. ডঃ সাব একটাই কথা মনে পরছেঃ
      ডঃ সাব একটাই কথা মনে পরছেঃ ধর্মীয় মৌলবাদ একটি নিরাময় যোগ্য ব্যাধি
      একটু উপায় বের করেন এদের চিকিৎসা করা অত্যাবশ্যক হয়ে পরছে… :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি: :অপেক্ষায়আছি:

  14. আপনার বক্তব্যের সাথে একমত
    আপনার বক্তব্যের সাথে একমত হ-ওয়া গেলো না।ইভটিজিং একটা মানুষিক বিকৃতি।একজন ইভটিজার ঢিলেঢালা জামা পড়া মেয়েকে যে চোখে দেখে পর্দা করা মেয়েকেও সে একই চোখে দেখে।জামাকাপড়ের উছ্শৃঙ্খলতা যে ভূমিকা রাখে না তা কিন্তু নয় তবে আমাদের দৃষ্টিভংগির প্রাধান্যতা এক্ষেত্রে বেশী।আর ধর্মীয় অনুশাসনের কথা বললেন.…কঠোর ধর্মীয় অনুশাসনে থাকা দেশগুলোতে কি নারীরা ইভটিজিংগের শিকার হয় না??ধর্ষনের শিকার হয় না??আপনি ভারতীয় সস্কৃতির কথা বললেন…অবশ্যই ভারতীয় বা অন্য যে কোন দেশের সংস্কৃতি আমাদের জন্য অপসংস্কৃতি।কিন্তু তার জন্য ওই দেশগুলোকেই শুধু দায়ী করলে চলবে না।ওরা যা করছে তাতে ওদের স্বার্থ আছে।আমাদের নিজেদেরই এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে বরং বলা চলে এটাই একমাত্র সমাধান।

  15. @সবুজের কথা >>> আপনার
    @সবুজের কথা >>> আপনার দৃষ্টিভঙ্গির সাথে তালিবানদের দৃষ্টিভঙ্গি ভয়ংকর মিল । আপনার জন্য নীচের পোষ্টটি পড়া ফরজ :
    তালিবান নামা: ১৯৯৬-২০০১

  16. শিরোনাম পইড়াই মেজাজ খারাপ
    শিরোনাম পইড়াই মেজাজ খারাপ হইয়া গেল। ধর্ষন ইভটিজিং এর জন্যে মেয়েরাই দায়ি না, যারা ওই কথা বলে এবং আপনিও দায়ি। :ক্ষেপছি:

  17. আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর
    আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দিলেন না এক জন ভাল মানুষ সে বোরকা তে দেখলেও ইভটিজিং করবে না ভিকিনিতে দেখলেও

    আর যার অভ্যাস টিজ করা সে বোরকায় দেখুক আর থ্রিপিস এই দেখুক টিজ করবেই। এটা তার অভ্যাস। নিজেকে সংযত করুন। সব ঠিক।

    আর বার বার বলছেন ইন্ডিয়ান কালচার আপনার অবস্থান অনেক টাই পরিস্কার্।

    ইন্ডিয়ান কালচার সম্বন্ধে কতটুকু জানেন? এই যে জিন্স টি শার্ট এগুলো ব্রিটিশ কালচার বুঝলেন। ইন্ডিয়ার বঙ্গ প্রদেশের পোশাক বাঙ্গালির মত।

    মধ্য প্রদেশ এ আরো ভারী পোষাক। পাঞ্জাবে ও ঢাকা পোষাক আর গুজরাটের পোষাক ও সভ্য সমাজের্। বুঝলেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *