শিশু শ্রমের বিপক্ষে যারা কথা বলেন তাদের বলছি

সমস্যাঃ
শিশু শ্রম খারাপ সেই সম্পর্কে আমার কি কারোরি কোন প্রকার দ্বিমত থাকার কথা না । তবে আমার সমস্যা হইলো পদ্ধতি নিয়ে ।
‘ সুশীল ‘ , ‘ প্রগতিশীল ‘ রা সভা , মিটিং সহ বিভিন্ন কিছু করে শিশুশ্রম বন্ধের জন্য । তারা সচেতনতা বাড়াইতে কত কিছু করে ।
মালিকদের উপর দোষ চাপায় আর জোর প্রয়োগ করে বলতে চায় মালিকরা খাটায় আর নির্যাতন করে । আর তাদেরকেই না করে শিশুদের কাজে না লাগাতে । এই জায়গায় আমার বিশাল দ্বিমত আছে ।
কারণঃ
আগে দেখেন তো এই সকল শিশু কেন তাদের শৈশবকে বিসর্জন দিয়ে কষ্টের কাজে নিজেদের নিয়োজিত করে । বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যে সকল কারণ দায়ী থাকে –
০১ – বাবা মারা যাওয়া ।

সমস্যাঃ
শিশু শ্রম খারাপ সেই সম্পর্কে আমার কি কারোরি কোন প্রকার দ্বিমত থাকার কথা না । তবে আমার সমস্যা হইলো পদ্ধতি নিয়ে ।
‘ সুশীল ‘ , ‘ প্রগতিশীল ‘ রা সভা , মিটিং সহ বিভিন্ন কিছু করে শিশুশ্রম বন্ধের জন্য । তারা সচেতনতা বাড়াইতে কত কিছু করে ।
মালিকদের উপর দোষ চাপায় আর জোর প্রয়োগ করে বলতে চায় মালিকরা খাটায় আর নির্যাতন করে । আর তাদেরকেই না করে শিশুদের কাজে না লাগাতে । এই জায়গায় আমার বিশাল দ্বিমত আছে ।
কারণঃ
আগে দেখেন তো এই সকল শিশু কেন তাদের শৈশবকে বিসর্জন দিয়ে কষ্টের কাজে নিজেদের নিয়োজিত করে । বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যে সকল কারণ দায়ী থাকে –
০১ – বাবা মারা যাওয়া ।
০২ – বাবা অন্যত্র চলে যাওয়া মাকে ফেলে ।
০৩ – অভাবের কারণে পরিবারের দুরাবস্থা দেখে । এই সকল কারণ ছাড়াও আরও কারণ আছে বা থাকতে পারে ।
বন্ধ হওয়ার পরে উদ্ভূত সমস্যাঃ
তো আপনি যদি এখন মালিক পক্ষকে চাপ দিয়ে তাদের কাজ বন্ধ করে দেন তবে তারা কাজ করে না খেলো কিন্তু তারা কিন্তু তখন চুরি , পকেট মারা সহ আরো খারাপ কাজে লিপ্ত হবে যা পরিস্থিতি আরও খারাপ করবে ।
তাদের অর্থের প্রয়োজন আছে এই জন্যই তারা কাজ করে । আপনি তাদের অর্থের বেবস্থা করেন তাহলে তারা নিশ্চয়ই কাজ করবে না । আপনি মালিকদের উপর দোষ না দিয়ে বা চাপ সৃষ্টি না করে আপনি বা আপনারা শিশুদের জন্য কিছু করেন । সভার স্থল ভাড়া না করে সেই টাকা দিয়ে তাদের জন্য কিছু করেন ।
আমি মালিক পক্ষকে ভালো বলতে চাচ্ছি না । তারা কেমন করে তা আপনারা যেমন দেখেছেন আমিও দেখেছি । তারা শিশুদের কাজে লাগায় এরফলে তাদেরও লাভ হয় আর শিশুদের অর্থের প্রয়োজনও কিছুটা সংকচিত হয় । মালিকরা কম টাকায় তাদের দিয়ে কাজ করাতে পারে , ভুল হইলে মাইরও দিতে পারে মজাই মজা ।
সমস্যা নিরসনের আমার নিজের একটি চিন্তাঃ
আমি একটা চিন্তা করছিলাম যে তাদের টাকা দিয়ে বড় করতে গেলেই হবে দুর্নীতি । হবে চাঁদা তোলা । এইগুলার দরকার নাই । একটা নিয়ম করেন যে শিশুরা কাজ করেই অর্থ উপার্জন করবে । তবে তাদের কাজ করার সময় হবে কম সেই সময়ের বেশি তাদের দিয়ে কাজ করালে মালিককে জরিমানা দিতে হবে যেই টাকা সেই শিশু পাবে । আর তাদেরকে কাজ করার অনুমতি একটি সংস্থা দিবে যেখানে শিশুরা কথা দিবে যে তারা দিনে কাজ করবে রাতে সেখানে পড়তে যাবে বা রাতে কাজ করবে আর দিনে সেখানে পড়তে যাবে । তাহলেই একমাত্র তারা কাজ করার অনুমতি পাবে আর কম সময় কাজ করার সুযোগ পাবে । ভালো ছাত্রদের বৃত্তির বেবস্থা থাকবে তাদের জন্য ভালো প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ থাকবে তার বোর্ড পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সরকার তার খরচ চালাবে ।

১১ thoughts on “শিশু শ্রমের বিপক্ষে যারা কথা বলেন তাদের বলছি

  1. সকল মানবসন্তান এই দুনিয়ায়
    সকল মানবসন্তান এই দুনিয়ায় সমান অধিকার নিয়ে আসলেও অনেকে সুযোগের অভাবে নিজের মেধার বিকাশতো দুরের কথা নিজেকেও চিনার সুযোগ পায় না!!
    আপনার সমস্যা নিরসনের ভাবনা আরও ব্যাপকভাবে ডীটেইলে গিয়ে যাচাই করা দরকার…
    আমরা আসলে আমাদের পাশের শিশুর দিকে তাকায় না খালি নিজেদের মানুষ ভাবি।।
    লিখতে থাকুন… :salute: :salute: :salute: :salute: :salute: :salute:

    1. আসে পাশে যেভাবে দেখি সেই
      আসে পাশে যেভাবে দেখি সেই হিসেবেই লিখেছি । বেশি গভিরে যাওয়া হয় নাই । আমাদের বাসায় যে বুয়া কাজ করে তার নাতিন খুব ভালো ছাত্রী । তো তার পড়ালেখার প্রতি আগ্রহ ব্যাপক । বুয়ার কাছেই শুনি ।
      তা ছাড়া হোটেলে গেলে যাদের দেখি তাদের কথাো মোটামোটি জানি । কেউ সুবিধা পাইলেও পড়ে না আবার কেউ সুবিধাই পায় না । একটু সাহায্য পেলেই এরাও অনেক কিছুই করতে পারতো । আমাদের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রতিযোগিতা হয় অসম । তাই সকল ক্ষেত্রে সমস্যার সৃষ্টি হয় ।

      1. শিক্ষার প্রতি এদের অরুচি
        শিক্ষার প্রতি এদের অরুচি ধরেছে অনেকদিন দিনের লালিত দুর্ভাগ্য এবং বিশ্বাসের জন্য –
        পেটে খাওন নাই , অতো পইড়া কি অইব ।
        বাস্তবিক অর্থে এটা ফেলা যায় না ,। এটাই প্রধান কারন । আর একটা কারন হচ্ছে , শুধু ওরা কেন আমাদেরও এক সময় পড়তে ভাল লাগত নাহ । বাবা মা এর. বকুনি খেয়ে পড়তে হত । শিক্ষার প্রতি আমাদের যে বিতৃষ্ণা জেগেছে এটার মুলে আছে আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা ।

        1. ঠিক ।
          আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার

          ঠিক ।
          আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার পরিবর্তন হয়েছে শুধু সৃজনশীল এই পদ্ধতি বাস্তবায়ন করে । কিন্তু এটিও বিরক্তিকর । কারণ পরীক্ষার প্রশ্ন দেখে সবার মাথা গরম হয়ে যায় এরপর যে প্রশ্ন করছে তার কাছে পড়ার লাইন লেগে যায় ।
          ” যেই লাউ সেই কদু ”
          আমাদের পড়তে ইচ্ছা করতো না বা করে না । সঠিক । কারণ জিনিসটা কষ্ট লাগে আর তাদের বেলায় খাদ্য যোগাড় করা এর চেয়ে বড় দায়িত্ব ও কর্তব্য । লেখা পড়ার মত ফাউল কষ্ট কইরা কি এমন তুফান করবো ?

          1. সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি ভাল
            সৃজনশীল প্রশ্ন পদ্ধতি ভাল কিন্তু , সেই মাত্রায় শিক্ষা তো দেওয়া হচ্ছে না । শিক্ষক রা এখনো মুখস্থ নির্ভর টাইপ শিক্ষা প্রদান করে , এতে করে সৃজনশীল পদ্ধতি পুরাটায় বিফলে গেছে ।

          2. সমাজ ব্যাবস্থাকে আমুলে
            সমাজ ব্যাবস্থাকে আমুলে পরিবর্তন করতে হবে…
            পুরা সিস্টেমটাই ঘুণে ধরা!!
            কিন্তু কেমনে কি?

          3. কোন আম পচলে যে অংশ পচছে সেই
            কোন আম পচলে যে অংশ পচছে সেই অংশ ফেলে দিয়ে বাকিটুকু খাওয়া হয় । আর বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রে পুরো আম ফেলে সেই আঁটি দিয়ে নতুন গাছের আম খেতে হবে তা ছাড়া উপায় নাই ।

          4. আমি আসলে বলবো প্রশ্নপত্র
            আমি আসলে বলবো প্রশ্নপত্র পরিবরতনের আগে সেই শিক্ষা দেয়ার ব্যবস্থা আগে করা উচিত ছিল । একটা উন্নত আরেকটা আদি যুগের হওয়ায় সমস্যা । আমরা এখনও যে জিনিস দিয়ে ব্যাবহারিক পরীক্ষা করি কলেজে , [ স্কুল বাদ দিলাম অনেক স্কুলে কক্ষই নাই 😛 ] সেই জিনিস ভিনদেশি কেউ দেখলে লজ্জায় মাথা কাটা যাবে আর ওরাও টাস্কি খাবে ।

    1. যুক্তি সর্বদা শুনতে ও শোনাতে
      যুক্তি সর্বদা শুনতে ও শোনাতে ভাল লাগে ”
      আমারে :চশমুদ্দিন:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *