আমি মুক্তি

একগাদা লোকের ভিড়ে আমি অনেক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি। বাস পাচ্ছি না। লোকাল বাস যা-ও দু’একটা আসছে ধাক্কাধাক্কি করে কোন রকমে দু’চার জন উঠে যাচ্ছে। পুরুষদের পক্ষে কাজটা কষ্টসাধ্য হলেও অসম্ভব নয়। কিন্তু মেয়ে মানুষ হয়ে আমি তা পারছি না।
আগে ‘লেডিস্ ফাস্ট’ বলে একটি কথা ছিলো। এখন আর এটা কেউ মানতে চায় না। বলে- সেই দিন আর নাই। এটা হলো নারী-পুরুষ সমঅধিকারের জামানা। পুরুষরা যেটা পারে মহিলাদেরও সেটা পারতেই হবে।

একগাদা লোকের ভিড়ে আমি অনেক্ষণ ধরে দাঁড়িয়ে আছি। বাস পাচ্ছি না। লোকাল বাস যা-ও দু’একটা আসছে ধাক্কাধাক্কি করে কোন রকমে দু’চার জন উঠে যাচ্ছে। পুরুষদের পক্ষে কাজটা কষ্টসাধ্য হলেও অসম্ভব নয়। কিন্তু মেয়ে মানুষ হয়ে আমি তা পারছি না।
আগে ‘লেডিস্ ফাস্ট’ বলে একটি কথা ছিলো। এখন আর এটা কেউ মানতে চায় না। বলে- সেই দিন আর নাই। এটা হলো নারী-পুরুষ সমঅধিকারের জামানা। পুরুষরা যেটা পারে মহিলাদেরও সেটা পারতেই হবে।
একথার কোন জবাব হয় না। একেক সময় মনে হয়- নারী অধিকার আন্দোলন করে নারীরা নিজেদের পায়ে নিজেরাই কুড়াল মেরেছে। আগে তবু দায় ঠেকে হলেও মহিলাদের প্রতি একটু ফর্মালিটি দেখাতে হতো; এখন তার আর প্রয়োজন নেই। তাহলে এতো আন্দলোন করে কতটুকু লাভ হলো? নাকি এটাই চেয়েছিলাম আমরা? কারও করুণার পাত্রি না হয়ে নিজের মত করে বাঁচব? পুরুষরা কষ্ট করলে আমরাও কষ্ট করব?
কী জানি; আমার এই এইট পাশ মাথায় এতো কিছু ধরে না। আমি জানি কেবল কিভাবে মেসিন চালালে সেলাই বাঁকা হয়ে যাবে না; কাপড় নষ্ট হবে না। ওসব সাহিত্যিক চিন্তা ভাবনা করার জন্য বুদ্ধিজীবীরা আছেন। আমার অতো ভেবে কাজ কী?
একটা বাস আসছে; মোটামুটি খালি। গাদাগাদি করে এটাতেই উঠতে হবে; কিছুই করার নেই। নইলে আজ আর গার্মেন্টেসে যাওয়া লাগবে না। আমি টুক করে একবার গাড়ির নাম্বারটা দেখে নিলাম। নাহ্, এটা সেই বাস না। আমি যেটাকে খুঁজছি সেটার নাম্বার- ঢাকা মেট্রো ঘ- ১১-৪৪৩৬। এই বাসটাকে খুঁজছি তার কারণ হলো…। না থাক, দুঃখের স্মৃতি বলে কী লাভ? অবশ্য আমার জীবনে সুখের স্মৃতি খুব কমই আছে।
ও ভাল কথা- আমার নামই তো বলা হলো না এখনো। আমার নাম মুক্তি। তাই বলে ভাববেন না আমার জন্ম একাত্তরে। আসলে কিসের মুক্তি উপলক্ষ্যে আমার এই নাম জানি না। অবশ্য আমার জন্মের সময় আমার মা দারিদ্র জর্জরিত এই জীবন থেকে মুক্তি পেয়েছিলেন- এজন্যেও আমার এই নাম হতে পারে।
যা হোক- আমি আর খাদিজা আপা অল্প ভাড়ার ছোট একটা ঘর ভাড়া করে থাকি। খাদিজা আপা আমার রক্তের কেউ না; তবে পরম আত্মীয়। আসলে যার সাথে আত্মার সম্পর্ক সেই তো আতী¥য়, তাই না? আপন বলতে আমার আর কেউ নেই। আমার মা ছিলেন নানা-নানির একমাত্র মেয়ে। কাজেই মামার বংশের কেউ নেই। বাবার একটা ছোট বোন নাকি আছে- বিলকিস ফুফু। নাম শুনেছি কিন্তু কখনো চোখে দেখিনি।
মা তো জন্মের সময়ই মারা গেলেন। বাবার চেহারাটাও খুব বেশি মনে নেই। আমার যখন চার-পাঁচ বছর বয়স; তখন একদিন অফিস থেকে এসেই বাবা রক্ত বমি করলেন। তারপর সারারাতে আরও দুই তিন বার বমি করে ভোর রাত্রের দিকে মারা গেলেন তিনি। সবাই বলল: ‘শনির’ নজর লেগেছিলো।
কেউ কেউ বলল: ঐসব কিছু না, ‘বাউ কুড়ানির’ বাতাস লেগেছিলো।
সে যার নজরই লাগুক আর বাতাসই লাগুক, বিনা নোটিসে আমার বাবা দশ ঘন্টার ব্যবধানে মরে গেল।
আমি মানুষ হয়েছি আমার বড় বোনের কাছে। অবশ্য ঠিক মানুষ হতে পেরেছি কিনা জানি না। ক্লাস ফোর-এ থাকতে একবার বাংলা ক্লাসে ‘আমার জীবনের লক্ষ্য’ রচনা লিখেছিলাম। সবাই লিখেছে- ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার কিংবা শিক্ষক হবে। আমি লিখেছিলাম- আমার জীবনের লক্ষ্য, মানুষের মত মানুষ হব। ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার তো অনেকেই হয়; মানুষের মত মানুষ আর ক’জন হয়!
অথচ স্যার আমার এই সদ্বইচ্ছাটাকে স্বাগতম তো জানালেনই না উপরন্তু আমাকে পুরো ক্লাস হাই বেঞ্চের ওপর কান ধরে দাঁড় করিয়ে রেখেছিলেন। কী লজ্জ্বার কথা বলুন দেখি!
যাই হোক- আমি আমার বড় বোনের কাছে বড় হয়েছি। দুলাভাইটা খুব ভাল মানুষ ছিলেন। বাপ-মা মরা এতিম দুই বোনকে তিনি নিজের জীবনের চেয়েও বেশি ভাল বাসতেন। তিনিই আমাকে স্কুলে ভর্তি করে দিয়েছিলেন। আর সব সময় বলতেন: মানুষের মত মানুষ হতে। আমার ঐ রচনা লেখার পেছনে এটাও একটা কারণ।
তবে কি জানেন- জগতের ভাল মানুষগুলো না বেশি দিন বাঁচে না। আমার দুলাভাইও বাঁচলেন না। আমি যখন এইটে পড়ি- তখন একদিন স্কুলে খবর এলো বাড়িতে জরুরি দরকার, আমাকে আর ক্লাস করতে হবে না। আমি তো মনে মনে মহা খুশি; শেষ প্রিওডে অংক ক্লাস, দুইটা উপপাদ্য পড়া ছিলো। আমি পড়া শিখে যাইনি। ক্লাসটা আর করা লাগলো না, দুইটা বেতের বাড়ি থেকে বেঁচে গেলাম।
কিন্তু তখনো জানতাম না আপা- দুলাভাই রোড এক্সিডেন্টে মারা গেছেন। যখন জানতে পারলাম তখন মনে হচ্ছিলো আমার মাথার ওপরের ছায়া আর পায়ের নিচের মাটি দুটোই সরে যাচ্ছে। আমি একেবারে পথের মেয়ে হয়ে গেলাম। তারপর ভাগ্যের জোরে খাদিজা আপার সাথে পরিচয়। গার্মেন্টেসের চাকরিটাও পেয়ে গেলাম তারই দয়ায়। শুরুতে দুইশ’ সত্তর টাকা বেতনে ঢুকেছিলাম। ছয় বছরে সেটা বাড়তে বাড়তে গত জানুয়ারিতে সাতশ’ পঁচিশ টাকা হয়েছে।
কিন্তু হলে কি হবে? জিনিস পত্রের দামও যে হারে বাড়ছে, তাতে দুইশ’ সত্তরও যা ছিলো এখন সাতশ’ পঁচিশও তাই। তবে ভবিষ্যতের কোন চিন্তা ভাবনা নেই বলে যা আয় করি তার পুরোটাই খাই। ভবিষ্যতের চিন্তা আর কী? বিয়ে তো আর এই জীবনে হবে না!
অবশ্য হবে না কথাটা জোর দিয়ে বলা ঠিক না। জাকির ভাই; মানে আমাদের বাড়িরই একজন, মুদির দোকানদার। আকারে ঈঙ্গিতে অনেক কিছু বুঝিয়েছেন। প্রথম দিকে ওনাকে তেমন পাত্তা দেই নি। কেমন যেন ফাল্তু লোক মনে হতো। কিন্তু ইদানিং আর পাত্তা না দিয়ে পারছি না। বিশেষ করে গত মাসের ঘটনাটার পর।
সেদিন বৃষ্টিতে ভিজে খুব জ্বর এসেছিলো। খাদিজা আপাও সেদিন বাসায় ছিলেন না। দুই দিনের জন্য রংপুর গিয়েছিলেন তার বড় বোনের মেয়ের বিয়েতে। রাতে আমি একা ঘরে কাঁথা মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছি। আর বেধম জ্বরে প্রলাপ বকছি। এক গ্লাস পানি খাওয়াবে এমন কেউও নেই।
এমন সময় ঘরের বাইরে জাকির ভাইয়ের গলার আওয়াজ শুনলাম। তারপর দেখি পাশের ঘরের ফাতেমা ভাবিকে নিয়ে জাকির ভাই ঘরে ঢুকলেন। রাতে কি হয়েছিলো না হয়েছিলো তেমন মনে নেই। তবে পরদিন ফাতেমা ভাবির কাছে শুনলাম জাকির ভাই আমাকে একা ঘরে দেখে প্রথমে ঘরে ঢুকেননি। পাশের ঘরে গিয়ে ফাতেমা ভাবিকে ডেকে এনেছেন। রাতেই কিছু ঔষধও কিনে এনেছেন নিজের খরচায়।
জাকির ভাইয়ের মনে খারাপ কিছু থাকলে সেদিন অনেক কিছুই ঘটতে পারতো। তবে তিনি সেসব কিছুই করেননি। এমনকি তার প্রস্তাবের মধ্যেও কোন বেপরোয়া ভাব নেই। খুব ভদ্র ভাবেই প্রস্তাব দিয়েছেন।
আমি অবশ্য ভেবে দেখার জন্য সময় চেয়ে নিয়েছি। কি বলেন- ভাল করিনি? যদিও ভাববার তেমন কিছু নেইও। এলাকার কেউই তার বিরুদ্ধে কোন কথা কখনো শুনেনি। খাদিজা আপাকে বলেছিলাম, সে খুশির সাথেই গ্রীন সিগনাল দিয়ে দিয়েছেন। আর তো কোন গার্জিয়ানও নেই। আমার গার্জিয়ান আমি নিজেই। কাজেই সিদ্ধান্তটা আমাকেই নিতে হবে।
তবে যাই হোক না কেন আমার তাতে কোন মাথা ব্যথা নেই। জীবন চলবে জীবনের মত; আমার এতো ভেবে কাজ কি? ভেবে কি আমি কিছু করতে পারব? ভেবে কি আমার বাবা-মায়ের, বোন-দুলাভাইকে ফিরে পাব?
অনেক কথা বলে ফেললাম; কিছু মনে করবেন না। সবই যখন বললাম আর একটা কথা বাকি থাকে কেন? হ্যাঁ, ঐ বাসের ব্যপারটার কথা বলছি।
ঢাকা মেট্রো ঘ- ১১-৪৪৩৬ নাম্বারের গাড়িটা খুঁজছি কারণ- বছরখানেক আগে একদিন ঐ গাড়িতে উঠেছিলাম। সেদিন আমার কাছে টাকা ছিলো না। একেতো মাসের শেষ, তার ওপর আমার খেয়ালও ছিলো না। মাত্র পাঁচ টাকার জন্য কন্ট্রাক্টর যে ব্যবহার করেছিলো তা মুখে বলতে পারব না। এক রকম গলা ধাক্কা দিয়ে নামিয়ে দিয়েছিলো গাড়ি থেকে।
আমার তখন ইচ্ছা করছিলো চলন্ত বাসের নিচে ঝাঁপিয়ে পড়ি। কিন্তু অনেক কষ্টে ইচ্ছাটা দমন করেছি। মরে গেলে আর থাকলো কী? কি বলেন, ভাল করেছি না?
সেদিন আর গার্মেন্টেসে যাইনি। রাস্তার পাশে বসে অনেক্ষণ কেঁদেছিলাম। দেখলাম কিছুক্ষণের মধ্যেই আমাকে ঘিরে একটা ভিড় জমে গেল। এদেশে রাস্তায় বসে একটু স্বাদ মিটিয়ে কাঁদাটাও অন্যায়। লোকে পাগল ভেবে হাঁ করে তাকিয়ে থাকে। যেন পাগল একটা আজব চিড়িয়া; চিড়িয়াখানার বান্দর! পাগল দেখলেই তাকিয়ে থাকতে হয়, বাদাম দিতে হয়। যার কাছে বাদাম নেই তাকে ঢিল ছুড়তে হয়।
সেই থেকে ঐ গাড়ির নাম্বারটা মুখস্ত করে রেখেছি। ব্যাগে পঞ্চাশ টাকার একটা নোটও রেখে দিয়েছি। অনেক বিপদেও ওটা খরচ করি না। যদি কোন দিন সেই বাসটাকে পাই, যত ভিড়ই হোক- আমি ভিড় ঠেলে বাসে উঠবো। তারপর পাঁচ টাকার জন্য যে কন্ট্রাক্টর আমাকে বাস থেকে নামিয়ে দিয়েছিলো, তার মুখের ওপড় পঞ্চাশ টাকা ছুড়ে দিয়ে বলব: পুরোটাই রেখে দে; তোকে ভিক্ষা দিলাম।
কি বলেন; ভাল হবে না? ইচ্ছে ছিল পাঁচশ’ টাকার একটা নোট দেয়ার। কিন্তু অতো টাকা পাব কই বলেন। আমার বেতনই তো সাতশ’ পঞ্চাশ টাকা। সাধ আছে সামর্থ নাই। যাই ভাই; আরেকটা বাস আসছে। অনেক দেরি হয়ে গেল আজ; অনেক কথা বলে ফেললাম। বেঁচে থাকলে আবার দেখা হবে। পৃথিবীটা তো গোল, তাই বারবার মানুষের সাথে দেখা হয়ে যায়। পৃথিবীটা চ্যাপ্টা হলে খুব ভাল হতো। তাহলে আমার সাথে আপনার আর দেখা হতো না। অভাগাদের সাথে দেখা না হওয়াই ভাল। দেখা হলেই খালি দুঃখের কথা শুনতে হয়!
নাকি বলেন, ঠিক বলেছি না? যাই তাহলে।

———-০———-

[পুনশ্চঃ আমার এই গল্পটি সেই গার্মেন্টস শ্রমিক মেয়েটির জন্য, যাকে ভাড়া দিতে না পারায় এক রকম গলা ধাক্কা দিয়ে বাস থেকে নামিয়ে দেয়া হয়েছিল এবং একবাস বোঝাই ভদ্রলোক সেই দৃশ্য হাঁ করে দেখেছিল। অবশ্য সেই হাঁ করে থাকা ভদ্রলোকদের মধ্যে আমিও একজন!]

– সফিক এহসান
(১৭ ডিসেম্বর ২০০৫ইং)

৮ thoughts on “আমি মুক্তি

  1. ভাল লেগেছে!! আরও অনেক বঞ্চনার
    ভাল লেগেছে!! আরও অনেক বঞ্চনার চিত্রকল্পের গল্প আমাদের সমাজের আনাচে-কানাচে!!
    বলুন কেউ আছে দেখার? অথচ ওইদিকে সেই গার্মেন্টস মালিক মিনারেল ওয়াটার দিয়ে গোসল করে… গরীবের ঘামের টাকায় ধনিরা সমাজ নাচায়!!
    এর শেষের আরও অনেক দেরী… আপাতত দীর্ঘশ্বাসই ভরসা :মনখারাপ: :মনখারাপ: :মনখারাপ: :মনখারাপ: :মনখারাপ: :মনখারাপ:

  2. আপনার; লেখাটা পড়ে; যতটা না
    আপনার; লেখাটা পড়ে; যতটা না দুঃখ পেয়েছিলাম, শেষের লাইনে এসে; এখন; রাগে গা গির গির করছে।

    অবশ্য সেই হাঁ করে থাকা ভদ্রলোকদের মধ্যে আমিও একজন!

    কি দরকার আছে; এসব; লোক দেখানোর? বরঞ্চ; লোকলজ্জাকে দূরে ঠেলে দিয়ে; আপনি যদি; ভাড়াটা মিটিয়ে দিয়ে; কন্ডাক্টারের গালে; কষে দুইটা থাপ্পর দিতেন; তাহলেই; একজন; পুরুষ মানুষের; পরিচয় হতো। তারপরেও; সত্য স্বীকারোক্তির জন্য; ধন্যবাদ।

    1. একটা চমৎকার সত্য বলেছেন। আমি
      একটা চমৎকার সত্য বলেছেন। আমি নিজেও বহুবার নিজেকে এই কথাটা বলেছি। এমন কি নিজেকে নিজের দেয়া “আমি তো পেছনের দিকে ছিলাম”, “ঘটনা বুঝে ওঠার আগেই তো ঘটে গেল”, “আরো তো অনেকে ছিল” এই অজুহাতগুলো পর্যন্ত ফালতু যুক্তি বলে উড়িয়ে দিয়েছি…
      কিন্তু হয় কি জানেন? আমরা অনেক সময়ই এমন অনেক কিছু করতে পারি না যা করা উচিৎ ছিল! হয়তো আমরা করে বা করতে অভ্যস্ত হয়ে উঠতে পারিনি এখনও…

      এই গল্পটা নিজের প্রতি সেই ধিক্কার থেকেই লেখা… নইলে স্বীকারোক্তিটা না করলেই বা কে জানতো?

      ধন্যবাদ আপনাকেও… :ফুল:

      1. আপনি তো একজন বিদগ্ধ মানুষ
        আপনি তো একজন বিদগ্ধ মানুষ ভাই। নিজেকে ধিক্কার দিলেই হবে না। এরকম হলে পরবর্তীতে কিছু করতেই হবে, চুপ করে বসে থাকলে হবে না

        1. সেটাই! আমার উপলব্ধিটা সবার
          সেটাই! আমার উপলব্ধিটা সবার মাঝেই ছড়িয়ে যাক- এই প্রত্যাশা নিয়েই গল্পটা লেখা…

    1. কাউকে আহত করার ইচ্ছা ছিল না!
      কাউকে আহত করার ইচ্ছা ছিল না! “মর্ম”কে তো নয়ই…!

      তবুও “মর্ম-আহত” হয়ে থাকলে দুঃখিত! 😛

      আমাদের মর্ম জেগে উঠুক মানুষের প্রতি মমত্ববোধ নিয়ে…!
      :অপেক্ষায়আছি:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *