বজ্রপাত নিয়ে কিছু কথা :- ___

সাধারণত মার্চ থেকে শুরু করে মে পর্যন্ত চলে এ ঝড়। কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বেশি বজ্রপাত ঘটে এবং মানুষ বেশি মারা যায়। আবহাওয়া বিজ্ঞানে বলা হয়, গ্রীষ্মকালে দিনের তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বাতাস গরম হয়ে ওপরে উঠতে থাকে। জলীয়বাষ্পও ওপরে ওঠে আর মেঘের ভেতর যত বেশি পরিমাণে জলীয়বাষ্প ঢুকবে তত বেশি উষ্ণ মেঘের সৃষ্টি হবে। এ সময় ‘আপ ড্রাফ’ এবং ‘ডাউন ড্রাফ’ বাতাসে চলতে থাকে। একে বলা হয় বজ্রমেঘ। মেঘের ওপরের অংশে পজিটিভ এবং নিচের ও মধ্য অংশে নেগেটিভ বিদ্যুত তৈরি হয়। পজিটিভ ও নেগেটিভ মেঘের ভেতরের বিদ্যুত আধারে দূরত্ব বেড়ে গেলে প্রকৃতির নিয়মে ভারসাম্য আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়। পজিটিভ ও নেগেটিভ মেঘ থেকে বিদ্যুত আদান-প্রদান শুরু হয়। পজিটিভ ও নেগেটিভ বিদ্যুত সঞ্চালন শুরু হলে বজ্রের সৃষ্টি হয়। আর তখনই বজ্রপাত হতে থাকে। পজিটিভ ও নেগেটিভ মেঘ একত্রে হলে বিদ্যুত সঞ্চালনের কারণে বাতাসের তাপমাত্রা ২০ হাজার ডিগ্রী থেকে ৩০ হাজার ডিগ্রী সেলসিয়াস পর্যন্ত হয়ে থাকে। মেঘের ভেতর থাকা নাইট্রোজেন ও অক্সিজেন গ্যাসের সম্প্রসারণ ঘটে। গ্যাসের কম্পনের কারণে মেঘের গর্জন সৃষ্টি হয়। বজ্র সৃষ্টি হয়ে তা পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়াটিও বেশ জটিল বজ্রপাতের আওয়াজ শোনার আগেই তা মাটি স্পর্শ করে। সোজাসুজি মানুষের গায়ে পড়লে মৃত্যু অবধারিত। বজ্রপাতে আহত ব্যক্তিকে স্পর্শ করাও বিপজ্জনক। শুকনো কাঠ দিয়ে ধাক্কা দিতে হবে।

৫ thoughts on “বজ্রপাত নিয়ে কিছু কথা :- ___

  1. ইতিহাসের প্রতি সবসময়েই একটা
    ইতিহাসের প্রতি সবসময়েই একটা সন্দেহ কাজ করত।প্রায়শই মনে হত যা বলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ সত্য নয়।আমরা ততটুকুই জানি যতটুকু আমাদের জানানো হয়।মহাযুদ্ধের সকল ভুল একা হিটালারের উপর দেয়াটা বোধহয় নির্ভুল ইতিহাস নয়।হিটলার যা করছে তা নিজ দেশের স্বার্থের জন্য। তাতে যদি সে খলনায়ক হয় তাহলে বলতে হবে পৃথিবির প্রত্যেক দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়কই খলনায়ক।

  2. বজ্র সৃষ্টি হয়ে তা পৃথিবীর

    বজ্র সৃষ্টি হয়ে তা পৃথিবীর বুকে আছড়ে পড়ার প্রক্রিয়াটিও বেশ জটিল বজ্রপাতের আওয়াজ শোনার আগেই তা মাটি স্পর্শ করে। সোজাসুজি মানুষের গায়ে পড়লে মৃত্যু অবধারিত। বজ্রপাতে আহত ব্যক্তিকে স্পর্শ করাও বিপজ্জনক। শুকনো কাঠ দিয়ে ধাক্কা দিতে হবে।

    বিদ্যুত আবার আছড়ে পড়ে কি করে?

    বজ্রপাতে আহত ব্যক্তি স্পর্শ করা বিপদজ্জনক এই কথাটার একটু রেফারেন্স দিতে পারেন?

  3. ভিন্ন এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা
    ভিন্ন এবং গুরুত্বপূর্ণ একটা বিষয় তুলে ধরেছেন । ধন্যবাদ । তবে রেফারেন্স এবং আরও তথ্য সংযুক্ত করে দিয়ে আলোচনা টা প্রসারিত হয়ে আরও চমৎকার হত এবং পোস্ট এর গ্রহণযোগ্যতা বৃদ্ধি পেত ।

    1. আমিও তাই আশা করছিলাম।।
      আরও

      আমিও তাই আশা করছিলাম।।
      আরও তথ্যবহুল ও রেফারেন্স যুক্ত একটা বিস্তারিত হলেই আরও সুখপাঠ্য হত!!
      অন্যথায় নিঃসন্দেহে সময়োপযোগী ভাল লিখায় বলতে হবে…

Leave a Reply to মোশফেক আহমেদ Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *