আদিম

তুমি কি জাননা
তোমাকে দেখলে আমি বিচলিত হয়ে উঠি?
আমার হিমালয় গাম্ভীর্য খসে পরে
বয়ে যায় বসন্ত চঞ্চল বাতাস।
আমি উন্মুখ হয়ে থাকি।
পুন্যার্থীদের ঈশ্বর কামনার মতো
ধ্যানস্থ হই



তুমি কি জাননা
তোমাকে দেখলে আমি বিচলিত হয়ে উঠি?
আমার হিমালয় গাম্ভীর্য খসে পরে
বয়ে যায় বসন্ত চঞ্চল বাতাস।
আমি উন্মুখ হয়ে থাকি।
পুন্যার্থীদের ঈশ্বর কামনার মতো
ধ্যানস্থ হই
তোমার সহচার্জ পেতে।
তোমাকে ভাবলেই
তড়িৎ স্পর্শিত হই
আমার মন ভরে যায়
স্বর্গ বিশুদ্ধ সুবাসিত পঙ্কিলতায়।
তুমিতো জান
তোমার স্পর্শ আমাকে মেঘ বানিয়ে দেয়
মধ্যাকর্ষন ত্যাগ করে
চলে যাই মহাশূন্যের মহাকালে।
উন্মাদ শ্বাসরুদ্ধ চুম্বন
আমাকে ক্ষণিক মহাস্থির করে রাখে
নিজেকে আবিস্কার করি
মুষ্টিবদ্ধ পেলবতায়।
অবিরাম মন্ত্র জপতে থাকি
আদিম অব্যয় শব্দ কৌশলে
তুমিও নৈঃশব্দবতী নও আর
আমার মন্ত্রে মন্ত্রমুগ্ধ।
তোমার মাখন মসৃণতায়
আমি পাখি হয়ে উড়ে বেড়াই
সুতীক্ষ্ণ পাহাড় চুড়া
কিংবা অতল সমুদ্র গহিনে।
ক্রমশঃ ঝড়, অতঃপর
ধনুকের ছিলার মতো টানটান শীর্ষসুখ
এবং আরও একবার
মৃত্যুর মতো নিঃস্পৃহতা।।

৫ thoughts on “আদিম

  1. “তোমার স্পর্শ আমাকে মেঘ

    “তোমার স্পর্শ আমাকে মেঘ বানিয়ে দেয়
    মধ্যাকর্ষন ত্যাগ করে
    চলে যাই মহাশূন্যের মহাকালে।”


    এই একটা উপমায় আপনি ২ টা ভুল করেছেন!!
    ১) মেঘ মধ্যাকর্ষণ ত্যাগ করে না…
    ২) মেঘ মহাশূন্যেও চলে যায় না, বায়ুমণ্ডলে থেকে যায়!!

    আমি কাব্য থেকে কাম বেশী পেলাম! আশাহত…
    আপনার লিখার হাত ভাল আরও ভাল কিছু হতে পারত!!

    1. ভাইরে আমিতো নিউটন না। বিজ্ঞান
      ভাইরে আমিতো নিউটন না। বিজ্ঞান ক্লাসও নিতে আসিনি। আপনি নিজেই “উপমা” শব্দটা ব্যবহার করেছেন। “তোমাকে আমি আকাশের চাঁদটা এনে দেব” এটাও উপমা। এখন যদি চাঁদের অবস্থান আর চাঁদকে পৃথিবীতে নামিয়ে আনার সম্ভাব্যতা এবং এর কারনে পৃথিবীতে যে বিপর্যয়ের সৃষ্টি হবে সেসব চিন্তা করা শুরু করি তাহলে কবিতা নির্বাসিত হবে।
      ** মেঘ পৃথিবীপৃষ্ঠ থেকে ৩০০০-৮০০০ মিটার উপরে জমতে থাকে। মধ্যাকর্ষণ উপেক্ষা না করে এতটা উপরে উঠা যায় কিনা আমার জানা নেই।

      কামপূর্ণ কবিতা আপনি নিশ্চয় আগেও পড়েছেন। আজকের ইস্টিশনেও একটা পড়লাম।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *