গান – ১

মেয়ে তোর জন্য কান্দে আমার মন
পোড়া মনের এতো জ্বালা দেখলনা জীবন ।।
তুই রইলি দুরে
গাইলি অন্য সুরে
কার পরানে বাধলি তোর জীবন
মেয়ে তোর জন্য কান্দে আমার মন ।



গান – ১

মেয়ে তোর জন্য কান্দে আমার মন
পোড়া মনের এতো জ্বালা দেখলনা জীবন ।।
তুই রইলি দুরে
গাইলি অন্য সুরে
কার পরানে বাধলি তোর জীবন
মেয়ে তোর জন্য কান্দে আমার মন ।

আমার বেলা গ্যালো সন্ধ্যে হলো
তবু কাটলোনা তোর ঘোর
তোর আশার পথে চাইয়া চাইয়া
বন্ধ হইলো দোর ।

এখন হবে কী উপায়
কে হবে মোর সহায়
ত্রিভুবনে নাই কোন স্বজন
মেয়ে তোর জন্য কান্দে আমার মন

পোড়া মনের এতো জ্বালা দেখলনা জীবন
মেয়ে তোর জন্য কান্দে আমার মন ।।

—————- সাহস করে লিখেই ফেললাম । অনেকটা যা থাকে কপালে এই রকম । জানিনা এটি আদৌ কোন গান হলো কি না ! এই গানে কোনোদিন সুর বসবে কি না তাও জানা নেই । তবু যেমন ইচ্ছে তেমন আমার ফেইস বুকে লেখার পাতা ।

১৩ thoughts on “গান – ১

  1. এত তাড়া কিসের মুস্তাফিয
    এত তাড়া কিসের মুস্তাফিয ভাই?
    প্রথম পেজই ৩টা পোস্ট আপনার!!
    এইটা ব্লগিয় আচরণবিধির সুস্পষ্ট লঙ্গন…
    আশা করি সামনে যত্নবান হবে পোস্ট করার ক্ষেত্রে!!

    তুমি-আমি গান না দাহকালের সমাজ পরিবর্তনের জন্যে গান লিখুন…

    1. একি কমেন্ট কপি পেস্ট মারলেন
      একি কমেন্ট কপি পেস্ট মারলেন ?
      কিছু কইলাম না । কারনটা আগের রিপ্লাই তে বলেছি ।

      আমার আগের কবিতা এবং লেখা পড়লে আপনার জানা থাকার কথা আমি কোন একটা জায়গায় টাইপড থাকতে রাজি না । রেশমার ১৭ দিন পর উদ্ধার পাওয়ার ঘটনায় আমি আলোড়িত হয়েছি । এবং তার বেঁচে থাকার সংগ্রাম, শ্রম শোষণ, নারীর অধিকার সর্বহারা মানুষের যৌক্তিক সংগ্রাম নিয়ে আমি কবিতা লিখেছি । সম্ভবত, আমি প্রথম রেশমা কে নিয়ে কবিতা লিখেছি । আপনি পড়ে দেখতে পারেন ।

      আপনার কমেন্ট এর জন্য ধন্যবাদ !

      1. মুস্তাফিজ ভাই মাইন্ড কইরেন
        মুস্তাফিজ ভাই মাইন্ড কইরেন না!
        দেশের এই বর্তমান অবস্থায় শুধু দেশের সমস্যা নিয়ে লিখতে আর কাজ করতে মঞ্চায়। তবে আমি এও জানি জীবনের কিছুই থেমে থাকবে না। সব আবেগই কার্যত কার্যকর তাই আপনার এমন লিখাও অপ্রত্যাশিত হলেও অবধারিত।।
        ভাল থাকবেন… আপনার মত করে লিখতে থাকুন!!

      2. আপনার জন্য এই উক্তিটি হুবহু
        আপনার জন্য এই উক্তিটি হুবহু তুলে দিলাম।

        “কবিতা লিখতে আমার কষ্ট হয়। আমি ইদানীং গল্প উপন্যাসও রচনা করে থাকি, কিন্তু ওসবের তুলনায় কবিতা রচনার কষ্ট অনেক বেশী। এই শব্দ নিয়ে নাড়াচাড়া করা যে কী সাংঘাতিক বিপজ্জনক ব্যাপার ভুক্তভোগী ছাড়া অন্যে তা বুঝবে না। যেন একটু অসতর্ক হলেই আঙুল ঝলসে যাবে। কিংবা তুষারক্ষত হবে। শব্দের এই খেলার সময় সমস্ত স্নায়ু এমন উদগ্র ও টনটনে হয়ে থাকে যে তার ফলে শারীরিক যন্ত্রণা হতে পারে। কবি মাত্রই যে-কারণে কিছু না কিছু ভাবে অসুস্থ। অর্জুন যেমন তির নিক্ষেপের আগে শুধু পাখি চোখের দিকে সমস্ত মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করেছিলেন, প্রত্যেক কবিকে শব্দের ব্যবহারের সময় সেই রকমভাবে পাখির চোখের দিকে তাকাতে হয়। এই একাগ্রতার মূল্য দিতে হবে না? তার চোখে জ্বলে যায়- অতৃপ্তি ও অসুখ তাকে সারাজীবন তাড়া করে। সে সমাজ থেকে নির্বাসিত- এই বোধ তার মন প্রাণ জুড়ে থাকে। রবীন্দ্রনাথের মতন অসুখী মানুষ আর কে? সারাজীবন শান্তি খোঁজার ব্যর্থ চেষ্টা করেছেন। ”
        — সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় (নিজের সঙ্গে নিজে)

  2. চমৎকার গান. আরও চাই । তবে
    চমৎকার গান. :ফুল: আরও চাই । তবে একটু ধীরে সুস্থে চাই । :ভেংচি:

    1. ধন্যবাদ মোশফেক আহমেদ !
      ওই

      ধন্যবাদ মোশফেক আহমেদ !
      ওই ব্যপারটা অনিচ্ছাকৃত ছিল । ব্লগ এর নিয়ম কানুন আমার জানা আছে ।
      আশা রাখি পরে এমনটি হবেনা । ভাল থাকবেন ।

  3. ভাল হয় নাই ।। গানের
    ভাল হয় নাই ।। গানের লাইনগুলো মনে একটুও দাগ কাটলো না , শব্দের ব্যবহারও খুব গরীব , পরের বার আরও ভাল আশা করি ।।

    1. হাহাহাহাহাহাহা … তাই ?
      দেখা

      হাহাহাহাহাহাহা … তাই ?
      দেখা যাক পরের বার আপনার মনে গভীর দাগ ফেলতে পারি কি না !
      ভাল থাকবেন । মন্তব্যর জন্য ধন্যবাদ !

  4. ভালো হইল না খারাপ হইলো ,
    ভালো হইল না খারাপ হইলো , কিচ্ছু বুঝলাম না । তবে কিছু একটা হইছে তা কইবার পারি ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *