দুর্ভাগ্য আশরাফুল, তুমি চৌধুরী’দের কেউ নও

ব্রিটিশ’রা এই দেশে যতদিন ছিল “প্রভু” হয়ে ছিল। তাদের সাতখুন ছিল মাপ। কোন নেটিভের ধন-সম্পত্তি লুন্ঠন, পরিবারের ইজ্জতহানি সবই ছিল খুব স্বাভাবিক। প্রায় অধিকারের কাতারে।

ইংরেজরা চলে গেছে কিন্তু রেখে গেছে চৌধুরীদের। এদের প্রভাব পরাক্রম এতই বেশী ছিল যে আজো সিনেমা নাটকে তাদের দৌরাত্ম বেশী থাকে। ইংরেজরা যা যা উপনিবেশিক আমলে করতো তারাও প্রায় সবই করে। বরং ক্ষেত্র বিশেষে ছাড়িয়ে গেছে গোরাদের।

বাস্তব জীবনেও চৌধুরীরা আছেন। তাদের জন্য সাত খুন মাপ। তারা বিপিএলে দল কিনবেন। সেখানে খেলোয়াড়’দের পাওনা দিবেন না। উলটা পাওনা টাকা চাইতে গেলে সিনেমায় দেহ চাইবার ভঙ্গিতে ম্যাচ ফিক্সিং এ বাধ্য করেন।


ব্রিটিশ’রা এই দেশে যতদিন ছিল “প্রভু” হয়ে ছিল। তাদের সাতখুন ছিল মাপ। কোন নেটিভের ধন-সম্পত্তি লুন্ঠন, পরিবারের ইজ্জতহানি সবই ছিল খুব স্বাভাবিক। প্রায় অধিকারের কাতারে।

ইংরেজরা চলে গেছে কিন্তু রেখে গেছে চৌধুরীদের। এদের প্রভাব পরাক্রম এতই বেশী ছিল যে আজো সিনেমা নাটকে তাদের দৌরাত্ম বেশী থাকে। ইংরেজরা যা যা উপনিবেশিক আমলে করতো তারাও প্রায় সবই করে। বরং ক্ষেত্র বিশেষে ছাড়িয়ে গেছে গোরাদের।

বাস্তব জীবনেও চৌধুরীরা আছেন। তাদের জন্য সাত খুন মাপ। তারা বিপিএলে দল কিনবেন। সেখানে খেলোয়াড়’দের পাওনা দিবেন না। উলটা পাওনা টাকা চাইতে গেলে সিনেমায় দেহ চাইবার ভঙ্গিতে ম্যাচ ফিক্সিং এ বাধ্য করেন।

আশরাফুল চৌধুরী বংশে জন্ম নেয় নাই। দারিদ্র্যতার সাথে লড়াই করে তার উঠে আসা। অনটনের সংসারে কড়ির মূল্য কি তা সে হয়তো অনেক বেশী বুঝে। তাই সেলিম চৌধুরীর প্রস্তাব সে অগ্রাহ্য করতে পারে নাই। ম্যাচ তাকে পাতাতেই হয়েছিল। স্পট ফিক্সিং ও করতে হয়েছিল। না করেও হয়তো উপায় ছিল না, মন না দিলেও দেহ দিতে তাকে বাধ্য করা হতো। ক্ষমতাবানেরা প্রত্যাখ্যাত হওয়াকে মনেপ্রানে ঘৃণা করেন।

সে নিয়ে অনেক তদন্ত হলো। আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট “আকসু” আসল। সেখানে তদন্ত সাপেক্ষে এখন আশরাফুল সাময়িক নিষিদ্ধ হলো। সামনে হয়তো আরো বড় সাজা আছে। ওকে মন থেকে ক্ষমা করে দিলেও দেশের ক্রিকেটের স্বার্থেই সাজা পেতেই হবে। ভারত পাকিস্তানের প্রথমদিককার এই ঘরানার কেলেংকারি গুলোকে তারা সিরিয়াসলি নেয়নি বলেই আজকে ভদ্রলোকের খেলায় “ম্যাচ পাতানো” কেলেঙ্কারি। কলুষিত হয়েছে বিশ্ব ক্রিকেট। যে খেলা আমাদের কাঁদায় আবার হাঁসায়। যেখানে জিতে আমরা দৌড়ে টিএসসিতে পতাকা উড়াই। মুখে কেরসিন হাতে মশাল নিয়ে আগুন নিয়ে ছেলেখেলা করি।

সেলিম চৌধুরী আর তার ছেলে শিহাব চৌধুরী’র এতে কিছুই আসে যায় নাই। পত্রিকায় খবর আসে আশরাফুলের জেলও হতে পারে। কিন্তু চৌধুরী’দের কথা বলতে মানা, ভাসুর যে বড়!

ব্রিটিশ গেলো, পাকিস্তান লাত্থি মেরে খেদানো হইলো কিন্তু চৌধুরী’রা সেই সুপ্রাচীন দাপটে যা খুশী করে বেড়ায়। তাদের জন্য আইন নয়, সব আইন মোহাম্মদ আশরাফুল’দের জন্য।

ক্রসফায়ারে সন্ত্রাসী’রা মারা যায়। রয়ে যায় তাদের গডফাদারেরা। চৌধুরী’রা ম্যাচ ফিক্সিং করে। কোটি টাকা ব্যাংকে আরো যুক্ত হয়। আশরাফুলেরা কাঁদে, জেল জরিমানার প্রতীক্ষার প্রহর গুনে।

সেই সময়ে কোন এক বারে কেউ একজন ফোনে হাসতে হাসতে বলে, “উজবুকটা কেন যে স্বীকার করতে গেলো। অস্বীকার করলেই পারতো; আর টেনশন নিয়েন না। আমার কিছুই হবে না। অমুক ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে। মালিকানায় পরিবর্তন আসবে কিন্তু আমিই থাকবো চালকের আসনে। দুবাইয়ে দেখা হবে”।

আশরাফুল অনুশোচনায় কাঁদে। সে আমাদের ক্রিকেটের হ্যান্সি ক্রোনিয়ে; যাকে দক্ষিন আফ্রিকান’রা এখনো প্রানাধিক বেশী ভালোবাসে। সে তার ক্রিকেটিয় সফলতার জন্য নয়। তার কান্নার জন্য, ভালোবাসার খেলাটাকে কলুষিত করার অনুশোচনার অকপট স্বীকারোক্তির জন্য। হ্যান্সিকেও ক্রিকেট থেকে আজীবন নির্বাসন দেয়া হয়েছিল তাদের দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে। তারপরেও ভালোবাসা কমেনি, বরং এতই বেড়েছিল তার মৃত্যুতে কেঁদেছিল দক্ষিন আফ্রিকার ক্রিকেট অন্তপ্রান মানুষেরা।

আশরাফুল! আমরা তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছি ভাই। তুমি সব স্বীকার করেছো বলে নয়। তুমি আমাদেরই একজন- কোন চৌধুরী নও! চৌধুরীরা সাক্ষাৎ পাপ। আমরা পাপ’কে ঘৃণা করি, পাপীকে নয়।

৩১ thoughts on “দুর্ভাগ্য আশরাফুল, তুমি চৌধুরী’দের কেউ নও

  1. টীভিতে যখন দেখলাম আশরাফুলের
    টীভিতে যখন দেখলাম আশরাফুলের স্বীকারোক্তি, তখন চোঁখে পানি চলে এসেছিলো। আশরাফুল নিজেই ভুল বুঝতে পেরে আমাদের কাছে ক্ষমা চেয়েছে। আর কারো কথা জানিনা। আমি তাকে ক্ষমা করে দিয়েছি। কারণ তার মুখটা দেখলে শুধু একটা আশরাফুলই আমি দেখিনা; তার সাথে সাথে একটা বাংলাদেশ দেখি, যেই বাংলাদেশের ক্রিকেট আশরাফুল এর ব্যাটে ভর করেই কালে-ভদ্রে দুই-একটা ম্যাচ জিততো! আমাদেরকে উৎসবের উপলক্ষ এনে দিত এই আশরাফুলের ব্যাট।
    আমি কেন আশরাফুলকে ক্ষমা করবো না?

    আর ধ্বিক্কার জানাই সেইসব চৌধুরীদেরকে। অন্তরের অন্তঃস্থল থেকে শুধুই ধ্বিক্কার!

  2. অনেক আগে থেকেই আমি তেমন আর
    অনেক আগে থেকেই আমি তেমন আর আশরাফুল ভক্ত না!
    বরং তাকে টিমে দেখলেই মেজাজ খারাপ হত…
    কয়েকদিন ধরে সবাই ফেসবুকিয় বিলাপে মত্ত ছিল!! আমি নিশ্চুপ ছিলাম…
    আজ তার সাবলীল ক্ষমা চাওয়া দেখে কেন জানি তাকে মন থেকে ক্ষমা করে দিতে ইচ্ছা করল!!

    আর দেশের দুর্নীতিবাজ রাজনীতিকদের বলতে ইচ্ছা করল দেখুন এইটুকুন ছেলের মধ্যে,
    মানুষত্ব আর বিবকেবোধ আছে বলেই সে লজ্জিত আর ক্ষমাপ্রার্থী, আর আপনারা?

    আমার গতকালকের ফেসবুক স্ট্যাটাস…
    আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত!!

  3. আশরাফুল! আমরা তোমাকে ক্ষমা

    আশরাফুল! আমরা তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছি ভাই। তুমি সব স্বীকার করেছো বলে নয়। তুমি আমাদেরই একজন- কোন চৌধুরী নও! চৌধুরীরা সাক্ষাৎ পাপ। আমরা পাপ’কে ঘৃণা করি, পাপীকে নয়।

    :salute: ব্রো । এই অসাধারন কথাটার জন্য ।,

  4. অনেক কথাই হয়েছে এবং অনেক
    অনেক কথাই হয়েছে এবং অনেক কথাই হবে , কথা যেটাই হোক অপরাধীকে অপরাধের শাস্তি পেতে হবে, এতো আবেগী হলে চলবে না ।। আর আমার মনে হয় এতো হতাশ হয়ার কিছু নেই, আশরাফুল ফিরবে আবার এবং সেটা হবে রাজকীয়তায় সমৃদ্ধ ।।

  5. দুঃক্ষ একটাই, ওদের কিছুই হবে
    দুঃক্ষ একটাই, ওদের কিছুই হবে না| ওই যে আপনি বললেন,

    “….সেই সময়ে কোন এক বারে কেউ একজন ফোনে হাসতে হাসতে বলে, “উজবুকটা কেন যে স্বীকার করতে গেলো। অস্বীকার করলেই পারতো; আর টেনশন নিয়েন না। আমার কিছুই হবে না। অমুক ভাইয়ের সাথে কথা হয়েছে। মালিকানায় পরিবর্তন আসবে কিন্তু আমিই থাকবো চালকের আসনে। দুবাইয়ে দেখা হবে”।…..”

    এটাই বাস্তবতা, আশরাফুলরা FOOL ই থেকে যাবে|

  6. বাংগলায় একটা প্রবাদ আছেঃ গু
    বাংগলায় একটা প্রবাদ আছেঃ গু খায় সব মাছেই,নাম পরে ঘাউড়া মাছের..…

    সে যাই হোক.…উদরপূর্তির জন্য কাউঅকে না কাউঅকে তো বলি হতেই হোত।আজ আশরাফুল হোল কাল হয়তো বা আরেকজনের পালা হবে…এটাই তো সমাজের অলিখিত রীতি…

  7. আশরাফুলকে ব্যক্তিগতভাবে আমারও
    আশরাফুলকে ব্যক্তিগতভাবে আমারও তেমন পছন্দ হত না। কিন্তু আশরাফুলের সহজ-সরল স্বীকারোক্তির কারণে আজ তার প্রতি শ্রদ্ধা বেড়ে গেল। বাংলাদেশের ক্রিকেটে আশরাফুলের অবদান অস্বীকার করার উপায় নেই।

  8. ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ায়
    ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চাওয়ায় আশরাফুলের প্রতি কৃতজ্ঞতা। কমপক্ষে নষ্ট হয়ে যাওয়া এই সমাজে সে নিজের ভুল স্বীকার করে ক্ষমা চেয়েছে। তবে অপরাধ অপরাধই। অঙ্কুরেই এর বিনাশ না করলে একদিন বিষবৃক্ষে পরিণত হয়। তবে পালের গোদাদের ধরা দরকার আগে।

  9. একটি জিনিশ বুঝতে পারলাম না।
    একটি জিনিশ বুঝতে পারলাম না। ক্ষমা চাইলেই ক্ষমা করে দিতে হবে তবে কি সব ঘুষখোরদেরও ক্ষমা দিবেন? এটা কি ছোটখাটো কোন অপরাধ? আর সে ক্ষমা চেয়েছে সেটা কি ধরা পড়ার আগে চেয়েছে। যদি ধরা না পরত তবে কি সে স্বীকার করত? করত না। তবে কেন মনে করছেন যে সে বিবেকের তাড়নায় ক্ষমা চাচ্ছে। ক্ষমা চাচ্ছে কারণ ধরা খাইছে।
    আর আশরাফুলকে সমর্থন কেন করছেন? নিজের দেশের বলে? তবে নিজের বলে সাত খুন মাফ?

    1. আশরাফুলের = আশার ফুল আর এই
      আশরাফুলের = আশার ফুল আর এই আশার ফুল থেকে সবসময় অনেক বড় কিছুই আশা করতাম যখনি ব্যাট হাতে মাঠে নামত মাগার ও যে বড় থেকেও বড় কিছু দিয়ে দেবে কল্পনাতীত সুতরাং ওর ক্ষমা চাওয়া ছাড়া আর কিছুই করার নেই এবং আমাদেরও উচিত সহানুভূতি দেখানো আর কিছুই করার নেই …………

      1. তাইলে এই সহানুভূতি দেখিয়ে সব
        তাইলে এই সহানুভূতি দেখিয়ে সব ধরনের দুর্নীতিকে ক্ষমা করে দেন

    2. সে দোষ স্বীকার করেছে বলে। এই
      সে দোষ স্বীকার করেছে বলে। এই কাজটুকুন গত ৪২ বছরে কাকে কাকে করতে দেখেছেন? হ্যান্সিকে সাউথ আফ্রিকানরাও ঠিক একই কারনে মাপ করে দিয়েছিল।

      1. সেটাই তো বললাম, এরপর কেউ ১০০
        সেটাই তো বললাম, এরপর কেউ ১০০ কোটি টাকা খেয়ে ধরা খাইলে ক্ষমা চাইবে, ক্ষমা করে দিয়েন। তারেক জিয়াও ক্ষমা চাইলে ক্ষমা করে দিয়েন।

        1. ক্ষমা করলাম তার অকপট
          ক্ষমা করলাম তার অকপট স্বীকারোক্তি থেকে। কিন্তু প্রাপ্য সাজা পেতেই হবে। আপনে আরেকবার পুরাটা পড়েন ভাই।

  10. ঘরের ছেলে দোষ করলেও ভাল
    আমি

    ঘরের ছেলে দোষ করলেও ভাল

    আমি মানিনা আশরাফুল দোষী, তোমরা যতই যুক্তি দেখাও।

    —————————-

  11. আপনার কাছ থেকে এই লেখাটা আশা
    আপনার কাছ থেকে এই লেখাটা আশা করি নাই। আশরাফুল আমাদের কেউ নয়। দরিদ্র পরিবার থেকে উঠে আসা কোনো “বেঈমান” আমাদের কেউ হতে পারেনা। সেও কোটি টাকার মালিক…কথাটা ভুলে যেয়েন না। আকসু যদি তাকে ঘিরে না ধরত তাহলে ৯ বছর ধরে করে যাওয়া পাপ/বেঈমানী সে করেই যেতো। আমিও তাকে মাফ করে দিতাম যদি সে নিজ থেকে এগুলো প্রকাশ করতো। ধরা খাওয়ার পর যখন কোনো এ্যাস্কেপ রুট থাকেনা তখন স্বীকার করাটাকে বোধহয় “কনফেশন” বলে না। যাই হওক, আমরা ইমোশনাল জাতি। আমাদের কাছে চোখের জলের মূল্য জাতির সাথে গাদ্দারির চাইতেও বেশি। আবেগ…আবেগ…আবেগ।। তবে ক্ষেত্রটা বারবার ভুল হয় আর কি

    ৯টি বছর ধরে সে এইসকল বেটিং এ জড়িত আর এই ছেলের জন্য দু হাত তুলে প্রার্থনা করতাম, ২২ এ্যাভারেজের একটা ক্রিকেটারকে দলে রাখার জন্য হইচই করতাম। এই ছেলের জন্য গলা ভাঙ্গতাম আর সেই ছেলে টাকা খেয়ে ম্যাচ ছেড়ে দিয়ে আসত;নিজে আউট হত অন্যকেও আউট করতো। বাহ!! হানসি ক্রনিয়ের কথা বললেন…১০০টা আশরাফুল একজন ক্রনিয়ের নখের যোগ্য হবেনা। সাউথ আফ্রিকা টিমটাকে মানুষ থেকে রোবট টিমে পরিণত করেছিলেন ক্রনিয়ে-উলমার জুটি। যাই হওক…যার যার চিন্তার ধারা। আমি চাই ঐ চৌধুরি থেকে শুরু করে আশরাফুল-সুজন-রফিক-পাইলট সবার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা দায়ের করে জেলে পুরা হওক যেনো ভবিষ্যতে কেউ কল্পনাতেও ম্যাচ ফিক্সিং না করে। পাকিস্তানের মতো ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকলে আরেক পাকিস্তান হবার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

    1. পাকিস্তানের মতো ছাড় দেয়ার

      পাকিস্তানের মতো ছাড় দেয়ার মানসিকতা থাকলে আরেক পাকিস্তান হবার জন্য প্রস্তুত থাকুন।

      আশরাফুলের সাথে আবেগ জড়িয়ে আছে তাই ক্ষমা করতে চাচ্ছে সবাই। কিন্তু ক্ষমা নয়, উপযুক্ত শাস্তি দরকার। যাতে পরবর্তীতে এমন আর না ঘটে। ক্ষমা করে দিলে তো পরে অন্য কেউ করবে, সেও ক্ষমা চেয়ে পার পেয়ে যাবে।

  12. অধম,
    আমাদের কাছে চোখের জলের

    অধম,

    আমাদের কাছে চোখের জলের মূল্য জাতির সাথে গাদ্দারির চাইতেও বেশি। আবেগ…আবেগ…আবেগ।।

    ভালো বলেছেন ।
    আশরাফুল এবং বাকী যারা ম্যাচ-ফিক্সিং এর সাথে জড়িত তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি হতে হবে, যেন পরৰ্বতীতে আর কেউ ম্যাচ-ফিক্সিং করার সাহস না করে ।

  13. হৃদয়স্পর্শী লেখা । কষ্টের
    হৃদয়স্পর্শী লেখা । কষ্টের অনুভূতি হলো । কিন্তু আপনি লিখেছেন…

    আশরাফুল চৌধুরী বংশে জন্ম নেয় নাই। দারিদ্র্যতার সাথে লড়াই করে তার উঠে আসা। অনটনের সংসারে কড়ির মূল্য কি তা সে হয়তো অনেক বেশী বুঝে। তাই সেলিম চৌধুরীর প্রস্তাব সে অগ্রাহ্য করতে পারে নাই

    — দারিদ্র’র মধ্যে বেড়ে উঠলেই মানুষের নৈতিক পতন ঘটে ? আমার তা মনে হয়না । সে তার পূর্বের দারিদ্রতা কে অনেক আগেই কুরবানি দিয়েছিলো । কারণ, ওর ক্রিকেট জীবন শুরুই হয়েছে সেলিব্রেটি হওয়ার মধ্য দিয়ে । অঢেল অর্থ কড়ি ওর পায়ে লুটোপুটি খেত সবসময় ।

    তবু কেন এই খারাপ কাজটি করলো… ? লোভ – লোভ এবং লোভ আর এই লোভের পেছনে রয়েছে সাংস্কৃতিক দারিদ্রতা । যা বাংলাদেশ ক্রিকেটের অবিচ্ছেদ্য অংশ । দেশপ্রেম এমনিতে আসেনা সেটি বুকে ধারণ করে লালন করতে হয় এবং সেই চর্চা এই দুষ্কর্ম থেকে মানুষকে বিরত রাখতে পারে ।

  14. আশরাফুল! আমরা তোমাকে ক্ষমা
    আশরাফুল! আমরা তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছি ভাই। তুমি সব স্বীকার করেছো বলে নয়। তুমি আমাদেরই একজন- কোন চৌধুরী নও! চৌধুরীরা সাক্ষাৎ পাপ। আমরা পাপ’কে ঘৃণা করি, পাপীকে নয়।

    সহমত, যে কোন পরিস্থিতিতে আশরাফুলের সাথে আছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *