সিপি না ছাগু? আমি কনফিউজড!!!

ফেসবুকে হটাৎ করে শুরু হলো স্ট্যাটাস গায়েব হয়ে যাওয়া। রীতিমতো হিড়িক পড়ে গেলো। আজ আমার প্রোফাইল ঘাইটা দেখি খালি ছবি আর ছবি। তেমন কোনো লেখাই লিখি নাই এই জীবনে। দু একটা স্ট্যাটাস অসহায়ের মতো পড়ে আছে।

রাসেল রহমান আর তার সিপি গ্যাংযের সাথে ক্যাচালে জড়িয়ে কাল থেকে যা লিখছি হাওয়া হয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা চাচার গল্প লিখেছিলাম গায়েব হয়ে গেছে। কে খেয়েছে? ছাগুরা খেয়েছে। গালিবাজির বিরুদ্ধে লিখেছি গায়েব হয়ে গেছে। কে খেয়েছে রাসেল রহমান ও তার ছিপি গ্যাং খেয়েছে।

আসলে আমার স্ট্যাটাস কে খাচ্ছে? ছাগু না সিপি? আমি তো দেখছি দুপক্ষই।


ফেসবুকে হটাৎ করে শুরু হলো স্ট্যাটাস গায়েব হয়ে যাওয়া। রীতিমতো হিড়িক পড়ে গেলো। আজ আমার প্রোফাইল ঘাইটা দেখি খালি ছবি আর ছবি। তেমন কোনো লেখাই লিখি নাই এই জীবনে। দু একটা স্ট্যাটাস অসহায়ের মতো পড়ে আছে।

রাসেল রহমান আর তার সিপি গ্যাংযের সাথে ক্যাচালে জড়িয়ে কাল থেকে যা লিখছি হাওয়া হয়ে যাচ্ছে। মুক্তিযোদ্ধা চাচার গল্প লিখেছিলাম গায়েব হয়ে গেছে। কে খেয়েছে? ছাগুরা খেয়েছে। গালিবাজির বিরুদ্ধে লিখেছি গায়েব হয়ে গেছে। কে খেয়েছে রাসেল রহমান ও তার ছিপি গ্যাং খেয়েছে।

আসলে আমার স্ট্যাটাস কে খাচ্ছে? ছাগু না সিপি? আমি তো দেখছি দুপক্ষই।

তার মানে এই দুই পক্ষের কমন শত্রু আমি। দুপক্ষের চাওয়ায় মিল আছে ম্যাথম্যাটিক্সের সুত্র ছাড়াই বোঝা যাচ্ছে। অনলাইনে গালাগালি করে একাকার করে দিলেও কারো স্ট্যাটাস গায়েব হচ্ছে না। তাহলে কোন প্রয়োজন থেকে স্ট্যাটাস খাওয়া হচ্ছে। আমার নিজের একটা পর্যালোচনা আছে। ছিপি গ্যাং শুরু করেছিল স্ট্যাটাস খাওয়া। আগে থেকেই তাদের প্লান করা ছিল কাদের স্ট্যাটাস খাওয়া হবে। প্রথমে তারা উলটা পালটা আচরন করে মাঠ গরম করে। নিজেরাই নিজেদের স্ট্যাটাস খেয়ে অন্য একটা পক্ষ তৈরি করে। স্বাধীনতার বিপক্ষ শক্তি হিসেবে অন্য পক্ষ যখন ঢুকে গেছে অনেকের মাথায়, তখনো আড়ালে একটাই পক্ষ। সিপি।

তাদের আচরন দেখে আমার অনেক আগেই একটা বিষয় মাথায় এসেছিল। মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির ভেগ ধরে কেউ রিভার্স খেলছে নাতো?

আমি ছাগু আর সিপি আলাদা করে দেখছি না। দুইটা তো একই মুদ্রা (ধর্ম)’র এপিঠ আর ওপিঠ। হ্যা ধর্মই বলবো। কারন চটিবাজী করা ধর্ম ব্যাবসায়ীরা যখন ধর্ম ধর্ম করে তখন বুঝতে হবে এর পেছনে অনেক বড় লেনদেন চলছে। আর এ কারনেই সবকিছুকে পেছনে ফেলে সিপির প্রধান আক্রমনের লক্ষ্য হয়ে দাঁড়ায় নাস্তিকরা। যুক্তিবাদি মানুষেরা।

২০ thoughts on “সিপি না ছাগু? আমি কনফিউজড!!!

    1. অনেক যৌতিক আকটা পোস্ট। আমারও

      অনেক যৌতিক আকটা পোস্ট। আমারও ফ্রস্ট থাকায় আটা সন্দেহ হয়েচছিল।আখনও কিছুই ব্লা যায় না।

      ভাই বাংলা ব্লগে বাংলিশ মন্তব্য দেখতে খুব বিচ্ছিরি লাগে। প্লিজ বাংলায় লিখুন।

  1. সিপি বাঞ্চোদদের অবস্থা হয়েছে
    সিপি বাঞ্চোদদের অবস্থা হয়েছে গ্রাম বাংলার প্রবাদের মত।
    ‘বেটার সাথে পারি না।বেটার লাউ গাছ কাইট্টা লাই। ‘

  2. আপনার ব্যক্তিগত ফেসবুক সমস্যা
    আপনার ব্যক্তিগত ফেসবুক সমস্যা নিয়ে কম তো হলো না। গতরাত থেকেই দেখে আসছি সব কিছু। আনিস রায়হানের একটি পোস্টের সুত্র ধরে ডাক্তার আইজুর স্ট্যাটাস এবং সেই স্ট্যাটাসে কয়েকজনের মন্তব্য নিয়ে ক্যাচাল যা কিনা পুরোই বিরক্তিকর। লক্ষ্য করে দেখেছি সেখান থেকে যেই যুদ্ধ শুরু হয়েছে সেই যুদ্ধ ব্যক্তি পর্যায়ে না থেকে চলে গিয়েছে পারিবারিক সম্পর্কে। অনেক কিছুই তো দেখেছি আপু। একটা সত্যি কথা বলবেন রাসেল রহমান আপনাকে ঠিক কতক্ষন গালি দিয়েছে আর অন্যান্যরা কতবার দিয়েছে এবং আপনি কতবার দিয়েছেন সেইরকমভাবে আপনার স্ট্যাটাসে আপনার বন্ধুরা কতবার দিয়েছে।

    খুবই আফসোস হয় যখন মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তিরা এক না থেকে ভাগ হয়ে শক্তির লড়াইয়ে ব্যস্ত থাকে। কি লাভ এসব করে? আমরা নিজেরা এসব করে কি স্বাধীনতাবিরোধী অপশক্তিদের হাতে নিজেদের তুলে দিচ্ছি না?

    যেই এক্টিভিস্টরা মিলে সারাদেশ কাপিয়ে তুলে সেই এক্টিভিস্টরা যদি এরকম করে তাহলে সাধারন লোক কি ধারনা নিবে! দোহাই আপনাদের এবার থামুন।

    1. আচ্ছা এইবার তুমার সাথে এইবার
      আচ্ছা এইবার তুমার সাথে এইবার কথা বলি। তুমার চরিত্র হইছে ঘরেরটা খাবা, তলারটাও কুড়াবা। রাসেল আমাকে গালি দেয়নি, মিষ্টি করে কথা বলেছে, এই লাইন কি নতুন নাকি?
      যাএয়া আমাকে গালি দিছে তাদের তো রাসেল চেনে না। তার বন্ধুও না। আর সে সেখানে ছিলও না। ইমো দিয়ে প্রমোটও করে নাই।
      এইসন ধুনফুন আমারে বুঝাইতে আইসো না। যে খেলা রাসেল শুরু করছে হি হ্যাজ টু পে ফর দিস।
      ডিনা নামের একটা আইডি যখন রাসেলের মা তুইলা গালি দিছে সবার লাগছে, তুমারও। কিন্তু আমাকে আনিসকে নিয়ে গালিগালাজ করে গেছে সবাই বিনোদিত হইছে। আর রাসেলের মতে তোমাদের তো অনেক পুরান পথচলা আছে।
      রাসেলকে আমার মনে হয়েছে উগ্র আস্তিক। যে কিনা ছাগুদের মতোই বর্জনীয়।

      1. তুমার চরিত্র হইছে ঘরেরটা

        তুমার চরিত্র হইছে ঘরেরটা খাবা, তলারটাও কুড়াবা।

        :ফুল: :ফুল: :ফুল: কারো মা নিয়ে বললে খারাপ লাগাটা অস্বাভাবিক না। থাক এ নিয়ে আর কথা বাড়াইতে চাই না। যার যা খুশি করুক।

        1. মা তুলে কথা বলাতে আঘাত পাইছো।
          মা তুলে কথা বলাতে আঘাত পাইছো। তারপর কি করছো তার মায়ের গুস্টি উদ্ধার করছো। তুমি নিজেও বলছো, ‘ *কির পোলা তোর মাও কি ……’
          তখন তুমার আঘাতানুভুতি কই ছিল

  3. অনলাইনে ছুপা রুস্তমের অভাব
    অনলাইনে ছুপা রুস্তমের অভাব নাই। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরু হবার পর থেকেই নানা রকমের বিরোধীতার সম্মুখিন হয়েছে। অনলাইনে যারা আছেন তারা সবাই যার যার নীতিতে ভিন্ন। তারা ভিন্ন মতাবলম্বি হলেও অন্তত যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের দাবিতে এক। এখন একদল ছুপা রুস্তমেরা এই সুযোগের ব্যবহার করা শুরু করছে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার ভেকধারীরা আছে বলেই মনে হচ্ছে।

  4. আমার নিজের কয়েকটা পোস্ট গায়েব
    :কনফিউজড: :কনফিউজড: আমার নিজের কয়েকটা পোস্ট গায়েব । কিন্তু যতদূর প্রোগ্রামিং এবং হ্যাকিং সম্পর্কে জানি এভাবে কোন ওয়ে নাই । আর cp গ্যাং আসলেই একটা চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ।কারন তাদের কর্মপরিকল্পনা এখনো পরিষ্কার নয় । পর্দার আড়ালে কি হচ্ছে বোঝা দুষ্কর । তবে পুরাপুরি না জেনে কিছু বলব নাহ কোন ধারনা পোষণ করাও ঠিক হবে না বোধ করি ।

    মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তির ভেগ ধরে কেউ রিভার্স খেলছে নাতো?

    আপনার এই প্রশ্ন টা অত্যন্ত যৌক্তিক । আসলেই এমন কিছু হওয়া অসম্ভব কিছু নাই ।

  5. আমাদের মাঝে কিছু ছুপা ছাগু
    আমাদের মাঝে কিছু ছুপা ছাগু আছে যারা একধিক আইডি ব্যবহার করে নানান ঝামেলা করছে।

    আমরা অনেক মতের পার্থক্য হলেও এক দিকে সবাই এক মত তা হল “”যুদ্ধাপরাধিদের ফাসি”'”
    যার জন্য আমরা মতপার্থক্য সত্বেও শাহবাগে একত্রিত হয়ে ছিল। ঐক্য বদ্ধ হয়ে আন্দোলন করেছি। এই একতা ভাঙ্গা ঐ স্বাধিনতা বিরোধিদের লক্ষ্য । তাদের ধারনা আমাদের মধ্য যদি ঝামেলা বাঝানো যায় আমরা একত্রিত হয়ে লড়াই করতে পারব না।

    আমরা হাতের এক আঙ্গুল দিয়ে আঘাত করলে সেই ব্যক্তির কোন কিছু হবে না। কিন্তু পাচটি আঙ্গুল একত্রে মুষ্ঠি বদ্ধ ভাবে আঘাত করলে সে ব্যথা পাবে।

    আমাদের এই মুষ্ঠি ভেঙ্গে দিতে চাচ্ছে। আপনারা সচেতন হন।

    ঐ দিন সুলতানা মির্জা আপু কে দেখলাম অনেকটা ইমরান এইচ সরকার এর প্রতি খুদ্ধ হয়েই লিখেছে কিছু পোস্ট।

    এই অভ্যন্তরীন ঝামেলায় আমাদের ই ক্ষতি।

    ঐ রাজাকার বাহীনি দের সুযোগ করে দেবেন না। বুঝতে চেষ্টা করুন এগুলো ছুপা ছাগুদের চাল।

    সামনে মুজাহিদের রায়। সো আমাদের আন্দোলনে ফাটল ধরলে আমাদের ব্যর্থ হতে হবে এবং এই নিয়ে আফসোস করতে হবে পরে। । । ।

    আপনারা বড় পৃথিবিটা আমার থেকে বেশি দেখেছেন আপনারাই ভাল বুঝেন। আমার খুদ্র জ্ঞানে যা বুঝেছি তাই বলেছি।

  6. যেখানে যাই সেখানেই ক্যাচাল !
    যেখানে যাই সেখানেই ক্যাচাল ! রাজনীতির মাঠে ক্যাচাল! পাড়া মহল্লায় ক্যাচাল ! ফেসবুক, ব্লগে ক্যাচাল! সমাজে ক্যাচাল ! সংসারে ক্যাচাল ! এখন যাই কোথায় ? সেটাই ভেবে পাচ্ছি না..

  7. কিছুদিন পর অনলাইন নাম
    কিছুদিন পর অনলাইন নাম পরিবর্তন হয়ে নাম হবে — ” পাওয়ার লাইন ”

    অনলাইনে যার পাওয়ার যত বেশী সেই রাজা । সাধারণ ইউজাররা খেটে খাওয়া জনতা । তাদের ভেলু কে দেয় ! রাষ্ট্র দেয় না , অনলাইনে পাওয়ারফুল মানুষরা দেয় না ।

    সুস্থ একটা অনলাইন কি তৈরী করা সম্ভব না ? আমি তো কারও টাকাও নেট চালাই না , তাইলে আমি কেন পরাধীন থাকবো !!

  8. কতগুলো গালিবাজ বেজন্মার কারণে
    কতগুলো গালিবাজ বেজন্মার কারণে আজ অনলাইন নোংরা হয়ে গেছে। কোন ভদ্র ঘরের কেউ এসব দেখলে অনলাইনকে গুডবাই বলে চলে যাবে। ফেসবুক এক প্রকার ছেড়ে দিয়েছি বলা যায়। ব্লগেও উৎসাহ হারিয়ে ফেলেছি। অনেকদিন কোন পোস্ট লিখা হয় না এসব কারণেই। এসব স্ট্যাটাস খাওয়া-খাওয়ির ফল কারো জন্যই ভাল হবেনা ভবিষ্যতে। অনলাইনে গালিবাজ কারা এটা সবাই জানে। কিছু নবাগত এক্টিভিস্ট এদের থেকে কি শিখছে? এই অবস্থা যদি অনলাইনের হয়, আমি আমার সন্তানকে কখনই অনলাইনে উৎসাহিত করব না। মানুষ সভ্য এলাকায় বসত কেন করে? একটা সভ্য পরিবেশে ভবিষ্যত প্রজন্ম বেড়ে উঠার জন্য। আজ প্রতিষ্ঠানিকভাবে গালিগালাজ প্রমোট করে আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মকে কোন পথের আলো দেখাচ্ছি। যারা গালিবাজ হিসাবে আজ ফেসবুক-অনলাইনে তারকাখ্যাতি কুড়াচ্ছে, তাদের সন্তানরা যদি তাদের সম্মুখে একই আচরণ করে তাদের অনুভুতি কেমন হবে? আমাদের সমাজের কিছু নষ্ট ও পথভ্রষ্ট কুলাঙ্গারের জন্য আমাদের ভবিষ্যত প্রজন্মের সম্ভবনাকে সমূলে বিনষ্ট হতে দিতে পারিনা।

    এনিয়ে আমাদের ভাবা উচিত। পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

    1. আমি ভাবি এই জানোয়ারগুলো
      আমি ভাবি এই জানোয়ারগুলো অন্যের মা বোনকে গালি দিয়ে নিজের মা বোনের সামনে দাড়ায় কেমনে

      1. আমি ভাবি এই জানোয়ারগুলো

        আমি ভাবি এই জানোয়ারগুলো অন্যের মা বোনকে গালি দিয়ে নিজের মা বোনের সামনে দাড়ায় কেমনে

        হয়তো শিক্ষাটা পরিবার থেকেই আসছে। তেমন হলে তো দাঁড়াতে সমস্যা থাকার কথা না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *