আমার প্রিয়ার নিকট খোলা চিঠি

প্রিয়তমা,

আমি জানি তুমি আমাকে কতটা ভালবাস। তার পরো বলি আমাকে ভালবাসা অতটা সোজা না। ভালবাসা হয়তো সহজ, কিন্তু সারা জীবন এক সাথে চলার স্বীদ্ধান্ত নেওয়াটা একটু কঠিন।
আমার পাশে হাটার সময় দেখবে আমার হাটায় প্রবলেম, পা একটু বাকা করে হাটি।

আমার সাথে যখন হাঁসবে লক্ষ্য করবে হাঁসিতেও সমস্যা আছে, ঠিক মত হাঁসতে পারি না, অনেকটা বোকার মত হাঁসি।

যখন কথা বলবে আর আমায় পরিচয় করিয়ে দিবে তোমার বন্ধু দের সাথে তখন দেখবে বলাতেও ত্রুটি আছে, অযত্ন অবহেলায় আমার কথা গুলো আর সভা সমাবেশ বা অনেকের সামনে চলে না।


প্রিয়তমা,

আমি জানি তুমি আমাকে কতটা ভালবাস। তার পরো বলি আমাকে ভালবাসা অতটা সোজা না। ভালবাসা হয়তো সহজ, কিন্তু সারা জীবন এক সাথে চলার স্বীদ্ধান্ত নেওয়াটা একটু কঠিন।
আমার পাশে হাটার সময় দেখবে আমার হাটায় প্রবলেম, পা একটু বাকা করে হাটি।

আমার সাথে যখন হাঁসবে লক্ষ্য করবে হাঁসিতেও সমস্যা আছে, ঠিক মত হাঁসতে পারি না, অনেকটা বোকার মত হাঁসি।

যখন কথা বলবে আর আমায় পরিচয় করিয়ে দিবে তোমার বন্ধু দের সাথে তখন দেখবে বলাতেও ত্রুটি আছে, অযত্ন অবহেলায় আমার কথা গুলো আর সভা সমাবেশ বা অনেকের সামনে চলে না।

কোথাও গিয়ে যেমন হোটেল রেস্টুরেন্টে যখন আমার সাথে খেতে বসবে খেয়াল করে দেখ, আমি খাওয়ার সমর অনেকে আমার দিকে তাকিয়ে থাকে। তাদের চাহনি দেখলে মনে হয় কোন চিড়িয়ার খাওয়া দেখছে। জন সম্মুখে খাওয়ার আদতটা আর শেখা হল না।

আমার লেখা দেখলে অনেকে বলে এরচেয়ে ভাল আঁকিবুঁকী নাকী একটা তেলাপোকাও পারে। তাকে শুধুমাত্র কষ্ট করে কালির দোয়াতে চুবিয়ে সাদা কাগজের উপর ছেড়ে দিতে হবে।

আমার চুলের স্টাইল কোন স্ট্যাটাস মেইন্টেন করে না। আচরালেও কুকুরের লেজের মত আগের জায়গায় চলে যায়।

তোমাদের সমাজে আমাকে মানিয়ে নিতে তুমি পারবে তো? লোকজন যখন তোমার প্রিয় মানুষটিকে দেখে হাঁসাহাঁসি করবে তখন তা সইতে পারবে তো?
আর যদি না পার, তাহলে তোমাকে তোমার তথা কথিত হাই স্যোসাটি, যেখানে মানুষকে মানুষের মর্যাদা দেবার সময় ভেবে দেখা হয় তাকে আমার চেয়ে বেশি মর্যাদা দিয়ে ফেল্লাম না তো? সেই সমাজ ছেড়ে আমার সমাজে চলে আসতে হবে।

যে সমাজে একটা মানুষ একজন মানুষ। আর একটা কুকুর একটা কুকুর। কুকুর কখনো মানুষের চোয়ে বেশি মর্যাদার অধিকারী হতে পারে না।

আমার এ সমাজে ঈশ্বর কখনো আসে না। কারন প্রত্যেকটা মানুষের ভেতরেই একেকটা পৃথক পৃথক ঈশ্বরের বাসা আর ঈশ্বর কে এখানে দিনক্ষণ ঠিক করে আসতে হয়না সয়ং ভগবান রুপীপ্রত্যকটা মানুষই তো সেখানটাতে বাসকরে।

স্বর্গলোকে দেবতাদের যুদ্ধ হয়। কিন্তু আমার এখানকার দেবতারা যুদ্ধবিগ্রহ পছন্দ করেন না। আর তাই কেউ যখন কারুর কথায় বা আচারে কষ্টপায় তখন তাকে ডেকে নিয়ে বলে দেয় যে আমি তোমার এই কাজে ব্যথা পেয়েছি তখন ব্যথা দানকারি ভুক্তভোগীকে দাওয়াত দিয়ে বাড়ি নিয়ে গিয়ে সমাদর করে আর ক্ষমাচেয়ে নেয়। আর না হলে ভুক্ত ভোগীর বাড়ীর আতিথ্যেয়তা গ্রহণকরে আর ক্ষমাচেয়ে কোলাকুলিকরে এক সাথে খেয়ে হাত ধরে বাড়ি থেক বেড় হয়।
এ সমাজে আসতে হলে তোমাকে সকল প্রকার হিংসা বিদ্বেষ, কাম ক্রোধ, লোভ ও মোহ ত্যাগ করে আসতে হবে। এ জমি খুবই পবিত্র বুঝতেইতো পার পুরো গ্রামটাই যে একটা মসজিদ, একটা মন্দির, একটা গির্জা, প্যাগোডা। একজন পবিত্রতম মানুষই পারে এর পবিত্রতা টুকু আরো বাড়িয়ে তুলতে। আমি ভেবেছিলাম তুমি তা পারবে।

তুমি কী আসলেই পারবে?

ইতি,
তোমার মাজেদুল হাসান

৬ thoughts on “আমার প্রিয়ার নিকট খোলা চিঠি

  1. তুমি কি আসলেই
    তুমি কি আসলেই পারবে?
    *******************
    স্বপ্নগুলি এই ফাগুনে কৃষ্ণচূড়া হয়ে ফুটুক।

  2. মিসফিট হলে বস আপনার খবর
    মিসফিট হলে বস আপনার খবর আছে…
    সমসাময়িকতার সাথে গা ভাসিয়ে যতটা পারেন স্বকীয়তা বজায় রাখতে হবে!!
    কেননা মানুষ সিংহের প্রশংসা করে কিন্তু গাধাকেই ভালবাসে!!

    1. ওয়াও! গাও ভাসাইব আবার
      ওয়াও! গাও ভাসাইব আবার স্বকিয়তাও বজায় রাখব?

      সিংহের প্রসংসা করা যায় কিন্তু কাছে আসা যায় না আর তাই হয়ত মন্দের ভাল বলে গাধাকে ভালবাসে কিন্তু কেন? গাধার উপর চড়েবসলেও সে কিছু বলে না বলে?

      এটাই কি একজন মানুষের ভালবাসা পাওয়া ও দেবার কারন হতে পারে?

  3. হুম । অনুভুতির সবটুকু ঢেলে
    হুম । অনুভুতির সবটুকু ঢেলে দিয়েছেন চিঠি তে বোঝা যাচ্ছে /।

Leave a Reply to মাজেদুল হাসান Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *