“চট্টগ্রামে সকল প্রাইভেট ক্লিনিক এবং চেম্বারে অনির্দিষ্টকালের জন্যে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন চিকিৎসকরা”

খবর – “চট্টগ্রামে সকল প্রাইভেট ক্লিনিক এবং চেম্বারে অনির্দিষ্টকালের জন্যে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন চিকিৎসকরা”

এই ধর্মঘট ডাকার কারন হচ্ছে এক চিকিৎসককে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে তার মুক্তির দাবিতে সারা চট্টগ্রামের সব ক্লিনিক আর চেম্বারে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রাখছেন তারা।
গত বছর একটা বেসরকারি ভার্সিটির এক ছেলের (নাম সম্ভবত আমিনুল ইসলাম) মলদ্বারে অপারেশনের সময় ওই ছাত্রের মলদ্বারে একটা সূচ থেকে যায়। পরে ভারতে নিয়ে অপারেশন করে ওই সূচ বের করা হয়। এ বছরের জানুয়ারিতে ছেলের মা মামলা করেন আদালত সেই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আর আদালত ওই চিকিৎসকে কারাগারে প্রেরন করে।

খবর – “চট্টগ্রামে সকল প্রাইভেট ক্লিনিক এবং চেম্বারে অনির্দিষ্টকালের জন্যে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন চিকিৎসকরা”

এই ধর্মঘট ডাকার কারন হচ্ছে এক চিকিৎসককে কারাগারে পাঠানোর প্রতিবাদে তার মুক্তির দাবিতে সারা চট্টগ্রামের সব ক্লিনিক আর চেম্বারে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রাখছেন তারা।
গত বছর একটা বেসরকারি ভার্সিটির এক ছেলের (নাম সম্ভবত আমিনুল ইসলাম) মলদ্বারে অপারেশনের সময় ওই ছাত্রের মলদ্বারে একটা সূচ থেকে যায়। পরে ভারতে নিয়ে অপারেশন করে ওই সূচ বের করা হয়। এ বছরের জানুয়ারিতে ছেলের মা মামলা করেন আদালত সেই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে আর আদালত ওই চিকিৎসকে কারাগারে প্রেরন করে।
আচ্ছা আপনারা কোন যুক্তিতে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রেখে এতোগুলো মানুষের ভোগান্তি বাড়াচ্ছেন? চিকিৎসা সেবা বন্ধ করে দিলে লোকজন ধুকে ধুকে মরবে আর সরকার আপনাদের দাবি মেনে নেবে এই যুক্তিতে? বাহ!

সামান্য রিকশা ভাড়া ৫ টাকার বেশি চাওয়ার অপরাধে আমরা রিকশাওয়ালার গায়ে হাত তুলতে দ্বিধা করিনা আর আপনাদের চেম্বারে যখন যাই, আপনাদের এসিস্টেন্টের বাজে ব্যবহার সহ্য করে, ঘন্টার পর ঘন্টা বসে থেকে আপনাদের সাথে সাক্ষাত করি। সাক্ষাত শেষে সামান্য সর্দি-কাশির জন্যেও পকেট থেকে চুপ করে কচকচে একটা ৫০০ টাকার নোট বের করে দেই। দেয়ার সময় হয়তো অস্ফুট স্বরে “কসাই” বলে গাল দেই। কিন্তু তারপরও নীরবেই ত্যাগ করি আপনার চেম্বার। কখনো টাকা বেশি নেয়ার আপরাধে আপনাদের গায়ে কেউ হাত তুলেনি, হয়তো তুলেছে কেউ কেউ কিন্তু সঙ্খ্যাটা খুবই কম। আপনাদের কসাই বলা ঠিক না কারন আপনারা অনেক কষ্টে পড়াশুনা করে পাস করেন, ডাক্তারি পড়াশোনা আসলেই অনেক কষ্ট আমরা জানি। তারপরও আমরা ডাকি। কারন কিছু ডাক্তারের ব্যবহারে।

আমাদের স্রষ্টা সৃষ্টিকর্তা হলেও পৃথিবীতে এই দেহের রক্ষনাবেক্ষনের জন্যে আমরা আপনাদের কাছে যাই,তাই আপনাদের অনেক সম্মানও করি। এই তার প্রতিদান? সহকর্মী বাঁচাতে অচল করে দিলেন চিকিৎসা ব্যবস্থা? ওই ছেলের মা তো ওই চিকিৎসকের গায়ে হাত তুলেন নি, আইনের প্রতি শ্রদ্ধা রেখে মামলা ঠুকে দিয়েছেন। আর আপনারা তাকে বাঁচাতে এমন ঘৃণ্য পথ বেঁছে নিলেন? ওই ডাক্তারের দোষ না থাকলে আইনি পথে মুক্ত করে আনুন তাকে।

আপনারা যারা বড় বড় চিকিৎসক আছেন সবাই পাশ করেছেন বাংলাদেশের নামকরা সরকারী কোন মেডিকেল থেকে। বলতে গেলে নামমাত্র খরচে। কে এই খরচ যোগায় জানেন তো? তাও মনে করিয়ে দেই- সাধারণ জনগণের ট্যাক্সের টাকা! তো চিকিৎসা সেবা যে বন্ধ করে দিলেন কষ্টটাও আপনারা দিচ্ছেন কাকে? সেই জনগণকেই !

আজকে অনেক রোগী অসুস্থ শরীর নিয়ে আপনাদের চেম্বারে যেয়ে ফেরত আসবে। অনেক রোগীর অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে যাবে তাও কিছু বলতে পারবেনা। কাকে বলবে ? আমাদের তো আর হাতিয়ার নেই যে আমার বাবা মারা গেলে সারাদেশ অচল করে দিবো আর জনগণের ভোগান্তি সৃষ্টি করছি দেখে সরকার আমার দাবি মেনে নেবে!
সূচটাও আপনাদের ছেলে-মেয়ের ভেতর হয়তো ছিলনা তাই আপনারা বুঝবেন না। হয়তো শ্বাসকষ্ট নিয়ে আপনার বাবা আজকে চেম্বারে গিয়ে চিকিৎসক না পেয়ে ফেরত আসবেননা তাই আপনারা বুঝবেন না। হয়তো এক্সিডেন্টের রোগী ধুঁকতে ধুঁকতে আপনাদের ক্লিনিকের দরজায় মারা যাবে আপনারা বুঝবেন না। এদের জানের বিনিময়ে হলেও সরকারকে চাপে ফেলে আপনাদের সহকর্মীকে আপনারা মুক্ত করে আনবেনই! আপনারা সরকারের কাছে দাবি জানাতে পারতেন, পারতেন অন্য কোন পথে যেতে। নাহ আপনারা ওই আমজনতাকেই ঢাল হিসেবে সামনে নিলেন। অভিনন্দন আপনাদের!

১৫ thoughts on ““চট্টগ্রামে সকল প্রাইভেট ক্লিনিক এবং চেম্বারে অনির্দিষ্টকালের জন্যে চিকিৎসা সেবা বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন চিকিৎসকরা”

  1. হেলথ প্রোটোকল নিয়ে যে আপনার
    হেলথ প্রোটোকল নিয়ে যে আপনার কোন ধারনাই নাই তা বুঝতে পারলাম।সামান্য সর্দি কাশিতে আপনারে চেম্বারে যাইতে কে বলছে।সরকারী হাসপাতালে গেলেই তো পারেন।নাকি ওখানে চিকিতসা হয় না? ডাক্তার আসে না? আবার বইলেন না – না। ভিজিট দিয়েও গালি দেন, আবার প্রাইভেট প্র্যাকটিস না করলেও গালি দেন।আমার প্রশ্ন প্রাইভেট প্র্যাকটিস করতে কি কোন ডাক্তার বাধ্য নাকি?

    এসিসটেন্ট খারাপ ব্যবহার করে? অবশ্যই করে। কিন্তু সেটা নিশ্চই কোন ডাক্তার শিখিয়ে দেয় না।নাকি দেয়? আর খারাপ ব্যাবহার করলে ডাক্তাররে জানাইছেন কোনদিন?

    আপনার কাছ থেকে জানতে পারলাম প্রাইভেট প্র্যাকটস না করলে স্বাস্থ্য সেবা ভেংগে পড়ে। ট্যাক্সের টাকা? ওকে তো ডিইউ,বুয়েটের বাকী পোলাপান কি পকেটের টাকায় পড়ে?একটা ফাইনাল পরীক্ষায় ফর্ম ফিল আপ করতে কত টাকা লাগে জানেন? ৮০০০-১০০০০ টাকা। যদি পারেন তো এই পরিমান টাকা অন্য ইন্সটিউটে নিয়ম জারি করেন। লগে লগে ভাংচুর আপনারাই শুরু করবেন।

    আর সেই রিপোর্ট পড়ছেন তো?রেডীওলজিস্ট দেবাশীষ ওটি কইরা সুই বের করছে।আর আপনারা কিছু না বুইঝাই ফাল পাড়তেছেন। রেডীওলজিস্টরা কবের থেকে ওটী করে? এইটা কি জামিনের অযোগ্য মামলা ছিল?সেই ডাক্তার কি পালায় যাইত? প্রতিটা প্রশ্নের উত্তর চাই।

    1. আপনি কোন দৃষ্টি থেকে রেগে
      আপনি কোন দৃষ্টি থেকে রেগে গেলেন বুঝলাম না। সরকারী হাসপাতালে যাওয়ার মতো অবস্থা থাকলে হয়তো অখানেই যেতাম। বাংলাদেশে সরকারী হাসপাতালে গিয়ে কয়জনই বা সেবা নিতে পারে? আপনি পারেন?
      আর হ্যা সেই ডাক্তার পালায়া যাইতো না কিন্তু এতো মানুষের যে ভোগান্তি হবে এই এক খেয়ালি ধর্মঘটের জন্যে সেটা তাদের মতো বিজ্ঞ লোকের জানা থাকার কথা ছিল !

      1. সরকারী হাসপাতাল সম্পর্কে
        সরকারী হাসপাতাল সম্পর্কে আপনার ধারণা পরিষ্কার নয় বলেই এমন মন্তব্য করতে পারলেন।

      2. ওকে ফাইন।আমার কোন প্রশ্নের
        ওকে ফাইন।আমার কোন প্রশ্নের উত্তরই পাইলাম না। সম্ভবত উত্তরগুলো আপনার জানা নাই।তাই বলে দিলেন আমি রেগে গেছি। প্রশ্ন করলে যদি রেগে যাওয়া হয় তাহলে তো মুসিবত।

        বাংলাদেশে সরকারী হাসপাতালে গিয়ে কয়জনই বা সেবা নিতে পারে? আপনি পারেন?

        ভাই একটু মাথা খাটান। বাংলাদেশে কত ভাগ মানুষ দরিদ্র সেটা একবার চিন্তা করেন। ওখানে কিছু না পাইলে মানুষ ধুকে ধুকে মরত। সরকারী হাসপাতালে কোনদিন না গেলে বুঝবেন কিভাবে ওখানে চিকিতসা হয় কি না হয়? আপনই যান বা না যান সেটা একান্তই আপনার ব্যাপার। কিন্তু এইভাবে বলে দেবার কোন সুযোগ নাই।ইনফ্যাক্ট আপনি কোনদিন সরকারী হাসপাতালে গিয়েছেন তো?

  2. জনগনের টেক্সের টাকায় এদের
    জনগনের টেক্সের টাকায় এদের লেখা পড়া।আর জনগনের পকেট মেরেই এরা বড়লোক।সেবার নামে যা ইচ্ছে তাই করে । আবার মফস্বলে চাকরী হলে কর্মস্থলে না এসে বেতন নেয়।অপরাধ করলে সাজাও পাবেনা ?

    1. টাকা মেরে পড়ে তা ঠিক না।
      টাকা মেরে পড়ে তা ঠিক না। কিন্তু আমি বলতে চাইছি দেশের মানুষের জন্যেই তো এদের জন্যে বিনিয়োগ আর নিজেদেরও দেশপ্রেম থাকে তাহলে কেন দেশের মানুষকে কষ্টে ঠেলে দেয়া।

  3. আমি কারো সাফাই গাইতে আসিনি।
    আমি কারো সাফাই গাইতে আসিনি। একটা কথায় আমার আপত্তি আছে। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় কি শুধু মেডিকেলের ছাত্ররা পড়ে? বিশ্ববিদ্যালয়ের পোলাপাইন কি নিজের টাকায় পড়ে? মেডিকেলের ছাত্ররা জনগণের টাকায় পড়ে। তাদের পড়ায় কারা? মেডিকেল কলেজের প্রোফেসর এবং অন্যান্য শিক্ষকরা, যারা একই সাথে হাসপাতালেও সার্ভিস দেন। ছাত্ররাও পাঁচ বছর পড়ালেখা শেষ করে মেডিকেল কলেজে এক বছর সার্ভিস দেয়। একটা সরকারী মেডিকেল কলেজে এক মাসে কি পরিমাণ সার্ভিস দেওয়া হয় সেই ব্যাপারে কোন ধারণা আছে? দেশের আর কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পড়ালেখার পাশাপাশি এই সার্ভিস দেয়? বুয়েট দেয়? বুয়েট থেকে একটা কাজও মাগনা কিংবা কম পয়সায় করায়ে আনতে পারবেন? মেডিকেলের ছাত্ররা জনগণের টাকায় পড়ে, সেই সাথে তার বাই প্রোডাক্ট হিসেবে একটা আস্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল চলে। সো একটু খেয়াল কইরা।

    আর ডাক্তার অপরাধ করলে শাস্তি পাবে, এতে আপত্তির কিছু নাই। কিন্তু ঐ মামলা কি জামিন অযোগ্য? জামিন দিতে সমস্যা কোথায়? চিকিৎসকরা তো ঐ ডাক্তারকে ঐ মামলা থেকে রক্ষা করার জন্য স্ট্রাইক ডাকে নাই। ডাকছে তাকে জামিন না দেওয়ায়। আপনারা সবাই যার যার নিজের পেছনে বাঁশ ঢুকলে স্ট্রাইক দিতে পারবেন, আর ডাক্তাররা দিলেই দোষ? তাও স্ট্রাইক ডাকছে প্রাইভেট প্র্যাকটিসের ব্যাপারে। যেই প্রাইভেট প্রাকটিস নিয়ে পাবলিকের চুলকানির শেষ নাই। আপনাদের তো খুশী হওয়ার কথা। যাক কিছুদিনের জন্য হলেও তো কসাইগুলার প্রাইভেট প্রাকটিস বন্ধ হইছে। যান এবার সরকারী হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নিয়ে দেখে আসেন ওখানে কি পরিমাণ সীমাবদ্ধতা নিয়ে সার্ভিস দিয়ে যেতে হয়। এসব যে কেন লিখলাম, তাও জানিনা। এই দেশের মানুষ ডাক্তারের কাছে আসলেই গরীব হয়ে যায়। ঠিকই ল্যাপটপ সারানোর দোকানে গেলে নুন্যতম সার্ভিস চার্জ (ল্যাপটপ খুললেই যেটা দিতে বাধ্য হই আমরা) ১০০০ টাকা দিতে গায়ে লাগেনা।

    1. আতিক ভাই ধন্যবাদ কমেন্টের
      আতিক ভাই ধন্যবাদ কমেন্টের জন্যে। যদিও আপনি ট্যাক্সের টাকা ফোকাস করছেন, আমি কোথাও বলি নাই ট্যাক্সের টাকায় আর কেউ পড়েনা। এমনকি এটাও বলেছি যে স্রষ্টার দেয়া দেহ রক্ষানাবেক্ষন ডাক্তারদের দ্বারা হয় বলে সব থেকে বেশি সম্মান ওদেরকে দেয়া হয়। এখন ধর্মঘট ডাকাতে তো সাধারণ মানুষের কষ্ট হচ্ছে। রোগীরা চেম্বারে এসে ফেরত যাচ্ছে। ওদের কি দোষ ? অন্য কোন পন্থা কি ছিল না ? কেন বারবার আমজনতারা ভুক্তভোগী হবে ? হ্যা ডাক্তাররা
      সমাজের জন্যে অনেক কিছু করার পরও সে পরিমান নাম পায় না। তবে ওদেরই সবাই সম্মান করে বেশি। ওদের দায়িত্তবোধও বেশি। এইভাবে ধর্মঘট ওদের কাছে কাম্য না।

      1. ট্যাক্সের টাকা ফোকাস করছি,
        ট্যাক্সের টাকা ফোকাস করছি, কারন সবাই গলার রগ ফুলায়ে এই নীতিবাক্য শোনাতে খুব পছন্দ করে। উপরেই তার নমুনা পাবেন। আমি বলতে চাইছি, আমরা জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পড়ি, আমরাই জনগণের পাশে থেকে সেবা দেওয়ার চেষ্টা করি। একজন ডাক্তার কি পরিমাণ দুর্ভোগ পোহায়ে বিশেষজ্ঞ হন, সেটা জানলে তাকে ৫০০ টাকা ভিজিট দিতে আপত্তি থাকার কথা না। এই আপনারাই তো সামান্য সর্দি কাশি হলেই আগে খোঁজেন কোন ডাক্তারের নামের পাশে কয়টা ডিগ্রি আছে। অথচ সদ্য পাশ করা তরুণ ডাক্তার ফ্যা ফ্যা করে ঘুরে বেড়াচ্ছে। বাসার লোকজন ভাবে, ছেলে তো মাশাল্লাহ ডাক্তার হয়ে গেছে এখন টাকার গাছ হয়ে গেছে। কিন্তু টাকার গাছ হয়ে উঠতে উঠতে যে তার তারুণ্য, যৌবন পার হয়ে মাথার চুল পেকে পাছার হাড্ডি সব নড়বড়ে হয়ে যায় এটা কেউ বোঝে না। এই দেশের মানুষ সব জায়গায় মারা খেয়ে এসে রাগ ঝাড়তে ওস্তাদ বাসের হেল্পার, রিকশাওয়ালা, বাড়ির বউ আর ডাক্তারের উপরে। থানায় গিয়ে দাঁত কেলিয়ে কেলিয়ে ওসি তো দূরের কথা কনস্টেবলকেও স্যার স্যার করতে গায়ে লাগে না। আমি একটা চ্যালেঞ্জ দিলাম, এই দেশে সরকারী যতগুলা প্রতিষ্ঠান আছে একমাত্র হাসপাতাল ছাড়া এমন কোন প্রতিষ্ঠান দেখাতে পারবেন যেখানে গিয়ে কেউ নুন্যতম সার্ভিস না পেয়ে ফেরত আসে? সরকারী হাসপাতালে এসে চিকিৎসার জন্য অপেক্ষা করেছে অথচ চিকিৎসা না পেয়ে ফেরত গেছে এমন দেখাতে পারবেন? এখানেও চলে আসে অপেক্ষার প্রশ্নটা। আপনারা তো সেটা করতে আবার রাজী না। আবার চাইবেন হাসপাতালে ১০০ রোগী দেখা একজন ডাক্তার কাউকেই অপেক্ষায় না রেখে চোখের পলকে চিকিৎসা দিয়ে ফেলবে, সেখানে আবার ভুলও করা যাবে না। আগে নিজের নিজের পেশার দিকে তাকায়ে দেখেন। এই দেশে কে কতো বড় নিতিবান সেটা খুব ভালো করে জানা হয়ে গেছে।

  4. দায়িত্বে অবহেলার কারণে একজন
    দায়িত্বে অবহেলার কারণে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ভুক্তভোগী কেউ আইনের সরাণাপন্ন হতেই পারেন। এটা তার নাগরিক অধিকার। কিন্তু যতক্ষণ পর্যন্ত তিনি দোষী বলে প্রমাণিত না হচ্ছেন, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি কিন্তু নির্দোষ। একজন নির্দোষ ব্যক্তিকে আটক রাখাটা কি সঠিক? যদি তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হন, তাহলে অগ্রীম জেল খাটা কতটুকু যুক্তিসঙ্গত? এসব ক্ষেত্রেই আদালত বা বিচার ব্যবস্থায় জামিন বলে একটা শব্দ আছে। আমি ব্যক্তিগতভাবে মনে করি, এটা জামিনযোগ্য অপরাধ। জামিন না দেওয়াটাই ভাল লাগছে না। যদিও এটা সম্পূর্ণ আদালতের বিষয়।

    প্রাইভেট প্র্যাকটিস বন্ধের বিষয়ে আমি কিছু বলব না, বাংলাদেশে পেশাজীবিদের ঐক্যের ক্ষেত্রে ডাক্তারদেরকেই আমার সবচেয়ে বেশী অসংগঠিত মনে হয়েছে। একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দোষী প্রমাণিত হওয়ার আগে যদি শাস্তি ভোগ করে, সেটা তার সহ-পেশাজীবিরা মেনে নেবে কেন? আর ডাক্তার যদি দোষী প্রমাণিত হয়, তবে আমি তার শাস্তি দাবী করছি। একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, আবার সরকারী চাকুরীজীবি, সে নিঃশ্চয় পালিয়ে যাবে না। তাকে জামিন দেওয়া উচিত ছিল।

  5. মানুষ মাত্রই ভূল হয়,
    মানুষ মাত্রই ভূল হয়, ডাক্তার রাও তো মানুষ, ওদের ভূল হওয়াটাও অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয় , কেননা এর আগেও অনেক এরকম অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে , তবে পেশাদারিত্বের এ পর্যায়ে ভুল হওয়াটা কাম্য নয় ।।

    আরেকটা ব্যাপার লক্ষ্য করলাম, আমরা কেউ কোনো এক পেশায় থাকলেই যে তার বিপক্ষে কেউ লিখলে ন্যায় অন্যায় প্রমানিত ভাবে বিচার না করেই, তাকে ভুল প্রমানিত করার চেষ্টা করে নিজের পেশার মহত্ব গাইতে শুরু করব, এমনটি কেন ? ভূলে গেলে চলবে না যে , কেউই দুধে ধোয়া তুলসী পাতা নয় ।।

Leave a Reply to রাফি Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *