“জাতির পুত্র-কন্যা ও নাতী-নাতনীদের উদ্দেশ্যে” ব্লগ !!! অতঃপর বিরতিরপর ফিরছি প্রশ্ন উত্তর নিয়ে!!!

জাতির পুত্র-কন্যা ও নাতী-নাতনীদের উদ্দেশ্যে-এই ব্লগটা আমি যখন আমার ফেইসবুক পেইজে শেয়ার করি তখন এর উপরে আরো কয়েকটি লাইন যোগ করেছিলাম। লিখেছিলাম, “এটা জিয়াউর রহমানকে দেবতুল্য প্রমাণ করার জন্য লেখা নয়। এটা জাতির পুত্র-কন্যা, নাতি-নাতনীদের মধ্যে যারা তাকে নিয়ে কমপ্লেকশনে ভুগছেন তাদের সেই কমপ্লেকশন দূর করবার নিছক চেষ্টা মাত্র।” যা এই ব্লগে ছিলনা। বোধ করি থাকা উচিৎ ছিল। যাইহোক ব্লগে যখন একটা লেখা পোস্ট করেছি আর সেখানে অন্যান্য ব্লগাররা যেহেতু আমাকে কিছু প্রশ্ন করেছেন সেহেতু সেগুলোর উত্তর দেয়াটা স্বাভাবিক ভদ্রতা বলেই মনে করছি। এর মানে এই না যে আমি সবগুলো প্রশ্নের সঠিক উত্তর জানি। তবে এখানে একটা কথা প্রশ্নকর্তাদের জানিয়ে রাখা ভালো আমাকে ভূল প্রমাণ করা কোন কঠিন কাজ না। লজিক এবং তথ্য উপাত্ত দিয়ে কেউ আমাকে ভূল প্রমাণ করতে পারলে আমি যে কোন লোকের কাছে মাফ চেয়ে নিই এবং সঠিক তথ্যটি খুব সহজেই গ্রহণ করি। যেমন ডাঃ আতিক এর আগেও আমার লেখা কিছু পোস্টে কমেন্ট করেছেন। এবং তার সাথে আমার কোথাও কোথাও মিলেছে এবং কোথাও কোথাও মেলেনি তাই বলে কেউ কাউকে পার্সোনালি আঘাত করছি বলে মনে হয়না। লজিক দিয়ে লড়ে গেছি যে যার অবস্থান থেকে।

ডাঃ আতিকের প্রশ্ন এবং আমার উত্তরঃ
খুব কৌশলে আপনি জিয়া যে দেশে রাজাকারদের প্রতিষ্ঠিত করার কাজটি করে গিয়েছিলেন, এবং সেটা করে একটা বিষবৃক্ষ রোপণ করে গিয়েছিলেন সেটা এড়িয়ে গেলেন। নাকি আপনি রি-কনসিলিয়েশন থিয়োরি কপচানো সুশীল?
গতকাল জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকী ছিল। আমার মনে খুব সরল দুইটা প্রশ্ন ছিল, পারলে জবাব দিয়েন। কারন অনেক ভেবেও আমি এর জবাব খুঁজে পাই নাই।
১) জিয়াকে “শহীদ” কেন বলা হয়? “শহীদ” কাকে বলে?
২) বিএনপি, এবং বিশেষ করে বেগম জিয়া কেন কখনও জিয়া হত্যার বিচার চান না বা কোন পদক্ষেপ নেন না?
এই প্রশ্নগুলোর উত্তর পেলে বাকী আলোচনা চালানো যাবে।
ও হ্যাঁ, আরেকটা গুরুত্বপূর্ন প্রশ্ন ভুলে গেছিলাম। প্রশ্ন আসলে তিনটা।
৩) যুদ্ধাপরাধের বিচারের ব্যাপারে আপনার স্ট্যান্ড কি?

আমার উত্তর দেবার আগে আমি কিছু বেসিক আপনার উদ্দেশ্যে বলতে চাইছি এখানে। জিয়া কবর থেকে উঠে এসে কাউকে বলে জাননি আমাকে তোমরা শহীদ বলো! ৪ঠা সেপ্টেম্বর ১৯৮০ সালে ঢাকা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর আনুষ্ঠানিক ভাবে উদ্বোধন করা হয়। তখন এর নাম ছিল কুর্মিটোলা বিমানবন্দর। এরপর ৩০ মে ১৯৮১ সালে জিয়া নিহিত হবার পর কবর থেকে উঠে এসে ১৯৮৩ সালে তিনি বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন করে জিয়া আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-রাখেননি। তাকে কি নামে ডাকা হচ্ছে কিংবা তার নামের আগে কি বিশেষণ আপনি আমি লাগাই তাতে তার কোন হাত আছে বলে আমার লজিক বলেনা। আর আমি এখানে একটিবারের জন্যেও বিএনপির দালালি করছি বলে মনে হয়না। সো জিয়াকে শহীদ কেন বলা হয় সেটা আউট অফ কনটেক্সট। তাও আপনার জানার জন্যই এই প্রশ্নের উত্তর আমি দিচ্ছি। প্রথমত, রিলিজিয়াস কমান্ডমেন্ড এর জন্য প্রাণ উৎসর্গকারীদেরকে শহীদ বলা হয়। আর দ্বিতীয়ত নিজের দেশ,বিশ্বাস এবং পরিবারের জন্য প্রাণ উৎসর্গকারীদেরকেও শহীদ বলা হয়। বেসিক দিয়ে দিলাম। এখন জিয়াকে আপনি কোন ক্যাটাগরিতে ফেলবেন কিংবা আদৌ ফেলবেন কিনা সেটা আপনি ঠিক করে নিন। তাতে ৩২ বছর পর জিয়া কবর থেকে উঠে এসে তার প্রতিবাদ করবেনা কিংবা সহমতও জানাবেনা।

আর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে আমি আপনার প্রশ্নটা ঠিক করে দিচ্ছি !! আমাকে যদি কেউ মেরে ফেলে আপনি আমার বউকে প্রশ্ন করতে পারেন আপনি আপনার স্বামীর বিচার চাননা কেন? কিন্তু কেউ যদি আপনাকে প্রশ্ন করে আচ্ছা বলুনতো হলুদ পাঞ্জাবীর বউ কেন তার স্বামী হত্যার বিচার চাইছেননা না? তখন আপনি তাকে কি উত্তর দেবেন? আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন আমি জিয়া হত্যার বিচার চাই কিনা? আমি আপনাকে সরাসরি উত্তর দিতে পারতাম হ্যাঁ অবশ্যই চাই। যেমনটা আমি চেয়েছিলাম বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার।

আর যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের ক্ষেত্রে আমার অবস্থানে কোন কিন্তু নেই ভাই। আমি বিরোধীদলের মত কখনই বলিনি বিচার স্বচ্ছ হতে হবে ব্লা ব্লা ব্লা। আমার অবস্থান খুব ক্লিয়ার ভাই কিন্তু আমি আমার স্বভাবমতই চেষ্টা করেছি শাহবাগের ভূলগুলো সামনে আনতে। যেটা আমি সবসময়ই করি পারিবারিক কোন কাজে হোক কিংবা সমাজের কোন কাজে হোক। ভূল সে আমার মা ই করুক কিংবা আমার বোনটিই করুক তাকে আমি কখনই তিরস্কার করতে ছাড়িনি। সেটা আমার আগের ব্লগগুলো পড়লেই আশা করি বুঝতে পারবেন।

ইসলামফোবিয়া মুক্ত হোন। সুস্থ থাকুন!!!

তর্কের খাতিরে তর্ক করে এ যুদ্ধে জয়ী হতে পারবেন না!!!!!!

হুদা তেনা পেচাইয়া কি লাভ, না বুঝলে চুপ কইরা থাক না!!!

এরপর আসছি তারিক লিংকন ভাইয়ের বেশ কিছু প্রশ্নে। তার আগে আমি আবারও কিছু বেসিক কপচাচ্ছি!!! কিছু মনে করবেননা। ইতিহাসের সবচেয়ে সবচেয়ে বড় দূর্বলতা কি জানেন? ইহা কখনও মানবিক বিজ্ঞান কখনও সামাজিক বিজ্ঞানের মিশ্রনে গড়ে উঠলেও ইহার রচয়িতা আপনার আমার মত মানুষ। এই উভয়বিধ বিজ্ঞান থেকেই পদ্ধতিগত সাহায্য ও বিভিন্ন উপাদান নিয়ে আলোচনা করতে গেলে অনেকগুলো উপবিভাগের নাম চলে আসে: দিনপঞ্জি, ইতিহাস-লিখন, কুলজি শাস্ত্র, পালিওগ্রাফি এবং ক্লায়োমেট্রিক্‌স। কিন্তু সকল ইতিহাস রচয়িতার ইতিহাস লেখনিতে একসাথে এতগুলো উপাদানের মিশ্রন আপনি পাবেন কিনা আমি জানি না। তারপরে আরেক ধরনের ইতিহাস আছে যেটা কিনা লেখা হয় এক্সপেরিয়েন্সের উপর ভিত্তি করে। যার কোন লিখিত দলিল নেই। এইসব ইতিহাসের ক্ষেত্রে বিশাল একটা ফাক থাকার একটা সম্ভাবনা থেকে যায়। যেমন ধরুন আপনি একাত্তরের সময় হয়তো বঙ্গবন্ধুর সাথে ছিলেন, এখন আপনি যদি ২০১৩ সালে ইতিহাস লেখা শুরু করেন সেখানে হয়তো আপনি বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি মুভমেন্টের চুলচেরা বিশ্লেষণ করতে পারবেন বাট আপনাকেতো সমসাময়িক কালে অন্য প্রান্তে ঘটে যাওয়া ঘটনার কথাও উল্লেখ করতে হবে তাইনা। সেগুলোর ক্ষেত্রেতো আপনি অন্যের সাহায্য নিবেন সেক্ষেত্রে সেগুলো কতখানি আথেনটিক সেটা বিচার করার দ্বায়িত্বও কিন্তু আপনার ভাই। উদাহরণ হিসেবে আপনি শাহবাগ মুভমেন্টের কথাই ধরুন না। আজ থেকে ৪২ বছর পরে হয়তো শাহবাগ মুভমেন্টকে একদল বলবে গণজাগরন আর আরেকদল বলবে নাস্তিকদের আন্দোলন। আমার মতে এখানে একজন ইতিহাসবীদকে এই মুভমেন্ট নিয়ে লিখতে হলে গণজাগরন হিসেবেই দেখতে হবে কিন্তু তাকে কিন্তু আবশ্যই আইডেনটিফাই করতে হবে কারও কারো কাছে এটা আবশ্যই নাস্তিকদের আন্দোলন ছিল। কেন এখানে নাস্তিকতার বিষয়টা এসে পড়েছিল। যাইহোক আমার এই বেসিকগুলো বলার কারণ হচ্ছে, আমরা আমাদের মুক্তিযুদ্ধের উপর যেসব বই পড়েছি সেগুলো হচ্ছে পরিবর্তনশীল ইতিহাস!!! এরকম বলার পেছনে কারণ হচ্ছে সবাই যার যার সময়ে ইতিহাসকে বদলানোর চেষ্টা করেছে। বিএনপি যেমন করেছে, আওয়ামীলীগও তেমনি করেছে আবার বিএনপির সাথে পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত জামাত-শিবির তার প্রেমিকের আস্কারা পেয়ে তারাও চেয়েছে ইতিহাস পরিবর্তন করতে।
এখন আসি আপনার প্রশ্নগুলোর উত্তরে । আসলে আপনি আমাকে ৯টি প্রশ্ন করেছিলেন এখানে এগুলোর সবগুলোর উত্তর আলাদাভাবে দিচ্ছি না আশা করছি নিচের অংশটা পড়লেই আপনি উত্তর মিলিয়ে নিতে পারবেন। তবে পছন্দ হবে সেই দাবি করছিনা!!

প্রথমেই আপনি আমার লেখায় জোকস এর উপমার ব্যাবহার করাটা পছন্দ করেননি। তাতে আমাকে আপনার অসুস্থ মনে হয়েছে। হুম বঙ্গবন্ধুকে লিঙ্গের সাথে তুলনা করাটা, আসলে শুধু জাতির জনককে কেন যে কোন মানুষকেই লিঙ্গের সাথে তুলনা করাটা অসুস্থতা। কিন্তু আসলেই কি আমি সেটা করেছি জনাব? ভালো করে পড়ে দেখবেন। আর যারা কথায় কথায় মানুষকে ছাগু উপাধি দেয় তাদের কাছ থেকে নৈতিকতার কচকচানি শুনতে ভালো লাগেনা ভাই। কাম ক্লিন দেন ইউ ক্যান মেইক ছাচ কমেন্ট। আর বঙ্গবন্ধুকে একটিবারের জন্যেও আমার লেখায় বঙ্গবন্ধু বলি নাই হ্যোয়ার এজ আমি তাকে জাতিরজনক বলেছি তাও আপনার গোস্বা করা দেখে বুঝতে বাকি নেই আপনার বঙ্গবন্ধু পিরিতি কতখানি । আর সেখান থেকেই বুঝতে পেরেছি আপনার জিয়াউর রহমান এলার্জি কোন পর্যায়ের।

আদর্শের জন্ম কারাগারে? এটা ছিল আপনার ৩ নাম্বার প্রশ্ন। আক্ষরিক অর্থে আমার প্রশ্ন কেন নয় ? আদর্শের জন্ম যেকোন জায়গায় হতে পারে। রেসকোর্স কিংবা পল্টন ময়দান ছাড়া আদর্শের জন্ম হতে পারবেনা এই তত্ত্বের কোন গ্রাউন্ড আছে কি? এজ এ ম্যাটার অফ ফ্যাক্ট কারাগারে পাঠানোর মূল উদ্দেশ্যই হচ্ছে টু রেক্টিফাই হিমসেলফ।
আমি ভাই ফরচুন টেলার না বঙ্গবন্ধু কিংবা জিয়া বেঁচে থাকলে দেশ আজ কোথায় থাকতো তা আমার পক্ষে বলা সম্ভব না। তবে এদের দেশপ্রেমের থেকে শিক্ষা নিয়ে এদের কোর্স অফ একশন জাজ করে কোনটা দেশ গড়ার কাজে লাগালে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো সেটায় বিশ্বাসী। আপনি বলবেন জিয়া বেচেঁ থাকলে দেশ আজ ফাকিস্তান হয়ে যেত আরেকজন বলবে মুজিব বেঁচে থাকলে দেশটা আজ ইন্ডিয়ার গোলাম হয়ে যেত। এগুলো আমার কাছে পাগলের প্রলাপ মনে হয়। যেটা আমি করিনা।
“জিয়া না মুজিব এই তর্ককে দূরে ঠেলে দিয়ে জিয়ার দেশ গড়ার এপ্রোচটা বেছে নিন”!! ভাই জিয়ার দেশ কোনটা? এইটা বঙ্গবন্ধুর বাঙ্গালদেশ।

উপরেরটা আপনার কমেন্ট ভাই। কিন্তু আমি আবারও বলছি এটা জিয়ারই বাংলাদেশ। যে গণতান্ত্রিক ধারায় বাংলাদেশ বিচরন করছে সেটা বঙ্গবন্ধুর জন্ম দেয়া বাংলাদেশ জিয়াউর রহমানের দিয়ে যাওয়া ধারা। এটা আপনাকে স্বীকার করতে হবেনা । জানি সেটা স্বীকার করার মত সৎ সাহস আপনার নেই। টু বি মোর প্রিসাইস উইথ উই বঙ্গবন্ধু কন্যা এখন যেইভাবে ক্ষমতা কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছেন সেটা যদি করতে পারেন তাহলে এক দুই বছর পর আপনি হয়তো বলতে পারবেন এটা বঙ্গবন্ধুর জন্ম দেয়া বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধুর ধারায় পরিচালিত বঙ্গবন্ধুর দেশ।

আর একটা ফ্যাক্ট জেনে নিন। আওয়ামীলীগের হাতের লাগাম যদি শেখ হাসিনার টু বি মোর প্রিসাইস শেখ পরিবারে হাত থেকে ছুটে যায়, আর বিএনপির হাতের লাগাম যদি জিয়া পরিবারের হাত থেকে ছুটে যায় তাহলে এই দুই দল জাতীয় পার্টির মত কতগুলো ভাগে বিভক্ত হবে আপনার সে সম্পর্কে কোন ধারনা আছে? প্রমাণ চাইলে আপনি ওয়ান ইলেভেন পরবর্তী সময় থেকে ঘুরে আসুন। সো আপনার তাহেরের সাথে এক হয়ে কাজ করাবার থিওরী কাজে দিতনা। সেটা জিয়া বুঝতে পেরেছিলেন বলেই বাংলাদেশের রাজনীতীতে শেখ হাসিনা তার আমলেই দেশে ফিরে আওয়ামীলীগের লাগাম ধরতে পেরেছিলেন।

এবার আসি ইকরাম ফরিদ চৌধুরী এর প্রশ্নের উত্তরে
সহজ বাংলায় উনি আমাকে প্রশ্ন করেছেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে ক্ষমতা কি খন্দকার মোস্তাকের নেতৃত্বে দখল হয়েছিল? নাকি তিনি ছিলেন নিম্নমানের এক সুযোগ সন্ধানী এবং বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে বড় Beneficiary? আমি তাকে বেনিফিসারি হিসেবেই মেনে নিলাম। আর আমার এই বিষয়ে লেখার মানেই ছিল তখনও যে জিয়া রাজনৈতিক ভাবে লাইমলাইটে ছিলনা সেটার একটা প্রুফ।
আর আপনার অন্যান্য প্রশ্নের উত্তরে আমি শুধু আমার নিজের একটা ফেইসবুক স্ট্যাটাস শেয়ার করবো “স্বাধীন দেশে! বাকস্বাধীনতাও থাকা উচিৎ। তবে বাকস্বাধীনতার নামে একপ্রজাতির বাকস্বাধীন লোক জিয়া বড় না মুজিব বড় এই নিয়া তর্ক কইরা জিয়া মুজিবরে ডেইলি হত্যা করে!!!! আফসোস একজন শেখ মুজিব কিংবা একজন মেজর জিয়া দেশের জন্য কি করে গিয়েছেন সেইটা তারা জানেনা। আর জানলেও দলীয় চশমা চোখে দিয়ে তা যে তারা বলেনা। এই শেখ মুজিব দেশের জন্য জীবন বাজি রাখার সময় চিন্তা করেনি যে আপনি আওয়ামীলীগের দালালী করার সময় উনাকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করবেন, মেজর জিয়া তার সিনিয়র অফিসারকে খুন করার সময় এটা চিন্তা করেননি যে আপনি উনাকে বেচে দিবেন, উনাদের মাথায় তখন শুধু দেশের কথাই ছিল। সুতরাং সীমিত জ্ঞান নিয়ে শেখ মুজিবকে ভারতের দালাল কিংবা মেজর জিয়াকে আএসআই এর দালাল বলার মত মূর্খতা করে নিজের দেশকে ছোট করবেন না।

আর একবার ভাবুন বাংলাদেশ স্বাধীন না হলে আপনার আমার চেয়ে ওই দুজনের ক্ষতি হতো সবচেয়ে বেশি। শেখ মুজিবকে আজীবন জেলের ভিতরে কাটাতো হতো, হয়তো গোপনে মেরেও ফেলা হতো, আর মেজর জিয়াকে ফায়ারিং স্কোয়োডে গুলি করে মারা হতো। এরকম জীবনের ঝুকি নেওয়া ব্যক্তিদের আপনাদের কাছে দালাল মনে হয়?? পারবেন ব্লগ বাদ দিতে রাস্তায় নেমে দেশের জন্য এরকম ঝুকি নিতে?? পারবেন না আমি জানি” আমি ভাই নাদান মানুষ। আপনার মত এখনও আমার বউ বাচ্চা হয় নাই তাই কোন সরকার আমার বউ বাচ্চার মুখে এক লোকমা ভাত উঠিয়ে দেয় না দেয় সেটা নিয়ে বাসাস করতে পারছিনা। কিন্তু ভাই বাস্তবতা বুঝি, ফ্যাক্ট বুঝি। তাই আমি বলছি দেশের বর্তমার পরিস্থিতিতে যদি আমি ক্ষমতায় আসি আমি মাইরি আজ থেকে বত্রিশ বছর পরের একটা জেনারেশন আমাকে কি করলে সম্মান দেবে সেটা চিন্তা কইরা ডিসিশন নিবোনা। আমি ভাই এই আধমরা দেশের আধমরা মানুষগুলারে উদ্ধার করার জন্য ঠিকই রাজনীতির নামে দেশে যারা দালালি করছে তাদেরকে গুলিকরে মেরে ফেলবো। এখন এটাকে আপনার আমার ক্ষমতার অপব্যাবহার বলেন আর যাই বলেন সেটা আপনাদের ব্যাপার!!!

পৃথু স্যন্যাল এর কমেণ্টগুলো বরাবরের মতই টু দা পয়েন্ট। আমি তাই সরাসরি উত্তর দিতে পছন্দ করি। মুক্তিযুদ্ধে স্পষ্ট বিরোধীতাকারী জামাত-শিবির এদেশে কার হাত ধরে প্রতিষ্ঠা পায়? হুম মেনি উড সে জিয়াউর রহমান। বাট আই উড লাভ টু গো লিটেল ফারদার দেন দ্যাট। আই উড সে বিএনপি, আওয়ামীলীগ এন্ড পিপল অফ রিপাবলিক বাংলাদেশ। না আমি জিয়াউর রহমানকে বাঁচাতে চাইছিনা। হি ওয়াজ দা ওয়ান হু স্টার্টেড দ্যা প্রসেস ওনলি। কিন্তু রিয়াল স্টাবলিসমেন্ট বলতে যদি আমি যেটা বুঝি সেটার পেছনে আমাদের দেশের সকল দলের এতে হাত রয়েছে। হ্যাঁ আমার এই লাইনগুলোতে হয়তো জিয়াউর রহমানের ভূলকে জাস্টিফাইয়ের একটা চেষ্টা হয়তো অনেকে দেখতে পাবেন। কিন্তু আমি তাদের বলছি জিয়াউর রহমানের ভূলগুলোকে ভূল হিসেবেই দেখতে চাই।

অতঃপর আমার কিছু কথা। বিপ্লবের দানা তার কমেন্টে বলেছিলেন ” শুরুর দিকটাতে যতটাই না ঠোঁটকাটা স্পষ্টবাদী ছিলেন, শেষের দিকটাতে এসে ঠিক ততোখানিই লেজুরবৃত্তি করে গেলেন ।।। ভেবে ছিলাম পক্ষপাতহীন একটা লেখা পাব, কিন্তু হতাশ করলেন জনাব ।।“- আমার উদ্দেশ্যই ছিল ঠোটঁকাটা স্পষ্টবাদী একটা লেখা দেবার। আমার মত নাদান মানুষ বংবন্ধুকে ছোট করে দেখার সাহস করেনা, তেমনি জিয়াউর রহমানকেও না। জাতীয়তাবাদের পতাকাতলে কিংবা বিএনপির পতাকাতলে সবাইকে ডাকা আমার উদ্দেশ্য নয়। আমার আইডিওলজি যদি বঙ্গবন্ধু হন সেক্ষেত্রে আমি কেন জিয়াউর রহমানকে শ্রদ্ধা করতে পারবোনা। আবার ঠিক উল্টোটাও বলতে পারি। জিয়াউর রহমানের দুটো এপ্রোচ দেশের ভবিষ্যতের নেতাদের নিতে বললে কেন আমাকে কেউ দালাল বলবে। ইফ ইট ওয়ার্কস ফর আওয়ার কান্ট্রি।

২৮ thoughts on ““জাতির পুত্র-কন্যা ও নাতী-নাতনীদের উদ্দেশ্যে” ব্লগ !!! অতঃপর বিরতিরপর ফিরছি প্রশ্ন উত্তর নিয়ে!!!

    1. আর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর
      আর দ্বিতীয় প্রশ্নের উত্তর দেবার আগে আমি আপনার প্রশ্নটা ঠিক করে দিচ্ছি !! আমাকে যদি কেউ মেরে ফেলে আপনি আমার বউকে প্রশ্ন করতে পারেন আপনি আপনার স্বামীর বিচার চাননা কেন? কিন্তু কেউ যদি আপনাকে প্রশ্ন করে আচ্ছা বলুনতো হলুদ পাঞ্জাবীর বউ কেন তার স্বামী হত্যার বিচার চাইছেননা না? তখন আপনি তাকে কি উত্তর দেবেন? আপনি আমাকে প্রশ্ন করতে পারেন আমি জিয়া হত্যার বিচার চাই কিনা? আমি আপনাকে সরাসরি উত্তর দিতে পারতাম হ্যাঁ অবশ্যই চাই। যেমনটা আমি চেয়েছিলাম বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার।

      এটাই আমার উত্তর ছিল …

  1. আপনিতো জিয়ার প্রকাশ্যে
    আপনিতো জিয়ার প্রকাশ্যে চামচামি করেছেন ।আপনার আগের পোস্টে কোথাও কেন নেই যে ,জিয়াউর রহমান ই রাজাকারদের এ দেশে জায়গা করে দিয়েছেন ।আর আপনি কি এ দেশের মা ,জিয়াউর রহমানকে বুঝাতে চেয়েছেন ?

    1. ইট ওয়াজ জাস্ট সিম্বোলিক।
      ইট ওয়াজ জাস্ট সিম্বোলিক। বঙ্গবন্ধুকে জাতিরপিতা মেনে নিয়ে এর বাইরে যারা দেশের জন্য কাজ করেছেন সবাইকেই বোঝানোর চেষ্টা করেছি। কুড বি এনিওয়ান। ভাষানী, ওসমান গণি, জিয়া, তাজউদ্দিন এনিওয়ান…

      জিয়াউর রহমানই এদেশে রাজাকারদের জায়গা দিয়েছেন এই বিষয়ে ডাঃ আতিকের করা প্রথম কমেন্টে এই কোশ্চেনের উত্তর ছিল।।

      1. আরেকটা কথা কোন বড় চোর কিন্তু
        আরেকটা কথা কোন বড় চোর কিন্তু চুরি করে তা প্রকাশ করেনা।জিয়া ৭৫ এ তাই করেছে।

        1. শুধু বড় চোর কেন কোন চোরই বোধ
          শুধু বড় চোর কেন কোন চোরই বোধ করি চুরি করে তা স্বীকার করেনা…!! আপনি আমি কোন ডিটেকটিভ হিসেবে তা বের করারও চেষ্টা করছিনা। আমরা এখানে যা করছি তা হচ্ছে ক্রিটিক হিসেবে কাজ করছি। আর ক্রিটিকরা কি বলছে তা নির্ভর করছে সে কোন ফ্রেমে দেখছে তার উপর। যেমন ধরুন সুমনের গাওয়া একটা গান আছে “প্রথমত আমি তোমাকে চাই, দ্বিতীয়ত আমি তোমাকে চাই…”-এই গানটা যখন গাওয়া হয় তার কিছুদিন পরে একজন উপস্থাপক তাকে জিজ্ঞাসা করেন এই “তোমাকে” টা কে? তখন সুমন বলেছিলেন আমি আসলে এই গানটা গেয়েছিলাম সিগারেট নিয়ে। কিন্তু চিন্তা করুন একজন ক্রিটিক হিসেবে আমরা কি তা আদৌ চিন্তা করতে পেরেছিলাম। সো যখনই একজন ক্রিটিক হিসেবে আপনি আমি কাজ করবো একটা কথা আমাদের মনে রাখতে হবে আমরা আসলে তাদের হয়ে কোন ডিসিশন মেক করতে পারিনা আনটিল উই গেট দ্যা ফ্রেম অফ দ্যাট পার্টিকুলার পারসন।

          1. আমি কি ধরে নিব উত্তরটা ,আপনি
            আমি কি ধরে নিব উত্তরটা ,আপনি স্বীকার করে নিয়েছেন জিয়া ,মুজিব হত্যার সাথে জড়িত ছিল ।আপনার কমেন্টসে তাই মনে হল ।

          2. জিয়া মুজিব হত্যায় জড়িত ছিল
            জিয়া মুজিব হত্যায় জড়িত ছিল কিনা এরকম কোন প্রশ্ন করছেন সেটা বুঝতে পারিনি !!!বাই দ্যা ওয়ে জিয়া জড়িত ছিল সেই ডিসিশান আপনি আলরেডি নিয়ে নিয়েছেন। আমি যদি আপনাকে হাজার চেষ্টা করেও বুঝাই তাও আপনি বুঝতে চাইবেন না!!! সো বিলিভ ওয়াট ইউ হ্যাভ আলরেডী বিলিভড! জাস্ট ওয়ান থিং মুজিব হত্যাকান্ডের ইমিডিয়েট পরে কিন্তু বেনিফিসারি ছিল অন্যরা। জিয়া নয়!! পরবর্তী রাজনৈতিক অস্থিরতা হয়তো তাকে লাইমলাইটে নিয়ে এসেছে বাট সেটা দেশের একটা ক্রাইসিসে।

          3. গভির জলের মাছ ততখনাত সুবিধা
            গভির জলের মাছ ততখনাত সুবিধা না নিয়ে একে বারেই!!”

            অনেক টা স্থায়ি আমানতের মত। যারা সাথে সাথে নিয়েছে ওরা চুনো পুটি মির জাফর যেমন নাম মাত্র সিংহাসনে বসেছিলেন সুবিধা নিয়েছিল ব্রিটিশেরাই। জিয়া ও সেই!”””

  2. আমি আপনাদের মত এত জ্ঞানীও নই
    আমি আপনাদের মত এত জ্ঞানীও নই এত বিতর্কে পার্দশী নই।

    আপনি কোন আতিক ভাই এর কোন প্রশ্নের ই সন্তোষ জনক উত্তর দিতে পারেন নি বরং প্রতি ক্ষেত্রে প্রশ্ন রেখে গেছেন।

    আর একটি কথা — দোষ ধরিয়ে দেন তিরস্কার করেন যেটা সবাই পারে কিন্তু কারো দোষ শুধরে দিতে পারে কয় জন। আমার কাজে আপনি দোষ ধরিয়ে দিতে পারিবেন আপনার কাজে আমি পারব।

    কিন্তু এগিয়ে এসে ভুল শুধরে দিতে এসেছেন কি। লিখলে নির্দ্বিধায় সাপোর্ট নিয়ে লিখবেন না হয় না। একবার সাপোর্ট নিবেন আরেক বার একটু দোষ দেখাবেন এটা শুধু ঘোলাই করে যাচ্ছেন পাঠকদের্।

    আর হ্যা বঙ্গবন্ধুও বলেন নাই উনাকে জাতির পিতা বলতে উনার নামে এত কিছুর নাম দিতে।
    ভুল বললে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে দিবেন যুক্তি তর্কের মার প্যচে প্রতি পক্ষকে হারানো যায় তার জানার চাহিদা পুরোন করা যায় না।

    1. আপনি আমাকে অন্ধ হতে বলছেন?
      আপনি আমাকে অন্ধ হতে বলছেন? নাকি এক্সট্রিমিস্ট হতে বলছেন? নেতার আদেশ শিরোধার্য। আওয়ামীলীগ করি বলে কি রামপালের প্রতিবাদ করতে পারবো না। বিএনপি করি বলে একুশে আগস্টের বোমা হামলার বিচার চাইতে পারবোনা? না এরকম এক্সট্রিমিস্ট হতে পারবোনা। যেটা সত্য সেটার পক্ষ নিতেই বরং বেশী আগ্রহী। এটা দলের বিপক্ষে গেল, নাকি মেজরিটি থেকে মাইনরিটি হয়ে গেলাম সেটা চিন্তা করি না।

      আর ভাই বঙ্গবন্ধুও তা বলেননি তা আমিও জানি। আর সেটা জানি বলেই এদের দুজনকে নিয়ে দড়ি টানাটানির অবসান চাচ্ছি।এই যা। আজ থেকে চার বছর আগে সামহ্যোয়ারইন ব্লগে একটা লেখা পোস্ট করেছিলাম লেখাটি আপনার জন্য তুলে দিচ্ছি-
      স্কুলের গন্ডি পেরিয়েছি অনেকদিন হল। স্কুলে পড়ার সময় স্কুলকে ভীতিকর মনে হলেও। এখন কাউকে স্মৃতির পাতা উল্টাতে বললে হয়তো অনেকেই তার স্কুল জীবনের কথাই বলবেন। প্রাত্যহিক জীবনে নানাভাবে অংক কষলেও আলাদা করে পাটীগণিত কিংবা বীজগণিত করা হয়না। এর মধ্যে অনেকের কাছে অংক ব্যাপারটাই ভীতিকর। যাইহোক আমি আজ আপনাদের একটা অংক করতে দেব। ভয় পাওয়ার কিছু নাই পাঠক। এই অংক পারলে আপনার কোন লাভ নেই। আবার না পারলেও আপনাকে কান ধরে বেঞ্চের উপর দাঁড়াতে হবেনা। এটাকে সহজ ভাষায় পাটীগণিতের একটি সহজ অংক বলতে পারেন। তবে ফলাফল্টা অনেক গুরুত্বপূর্ণ। তাই এর ফলাফল্টা আমি দিয়ে দেব। আপনারা দয়া করে ধৈর্য্য ধরে শুধু ফলাফলটা দেখবেন।

      অংক ১: “ক” পৃথিবীর বাইরের একটি দেশ। যার ৬৪টি জেলা। ধরে নেয়া যায় প্রতিটি জেলায় গড়ে ১৫০টি করে সরকারী অফিস রয়েছে। যেসব অফিসে প্রতি পাঁচবছর অন্তর অন্তর সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে অফিসের কর্তা ব্যাক্তির চেয়ারের পেছনের ছবিটিও পরিবর্তন জরূরী হয়ে পরে। যেসব সব ছবি তৈরীর কাজে গড়ে ১০০০ টাকা(মুদ্রার একক যদিও টাকা নয় অংকের সুবিধার্তে তাই দেয়া হল) করে খরচ হয় বলে ধারণা করা হয়। প্রতিটি অফিসে যদি একটা করে ছবি দেয়া হয় তবে আপনাদের বের করতে হবে-

      ক) সেই দেশে মোট কতটি সরকারী অফিস রয়েছে?
      খ) প্রতিটি অফিসে ঐ ছবি সরবরাহ করতে পাঁচ বছর অন্তর অন্তর সেখানে কত খরচ হয়?

      সমাধানঃ

      ১টি জেলায় সরকারী অফিস সংখ্যা ১৫০টি
      সুতরাং ৬৪টি ” ” ” ” =(৬৪*১৫৫)টি
      =৯৬০০টি

      প্রতিটি অফিসে যদি ১টি করে ছবি দেয়া হয়
      তবে মোট ছবির সংখ্যা হবে ৯৬০০টি।

      এখন, ১টি ছবিতে খরচ হয় ১০০০ টাকা

      সুতরাং ৯৬০০টি ” ” ” =(৯৬০০*১০০০)টাকা।

      =৯৬০০০০০ টাকা।

      উত্তরঃ ক) মোট সরকারী অফিসের সংখ্যা ৯৬০০ টি
      খ)ছবি পরিবর্তনে মোট খরচ হয় ৯৬,০০০০০ টাকা

      আসুন আমরা সবাই মিলে অন্য গ্রহের দেশটির সরকারী ও বিরোধীদলীয় দুই নেত্রীকে(মজার ব্যাপার হচ্ছে সেখানেও দুটি প্রধান দলের কর্তা হলেন মহিলা) আহবান জানাই তারা যেন ঐ ছবি দুটোর (প্রয়োজনে একবারে আরও কিছু ছবিও দেয়া যেতে পারে)সহবস্থান নিশ্চিত করে কোটি টাকার অপচয় বন্ধ করে তা কোন ভালো কাজে ব্যয় করেন।

      1. আপনি প্রশ্নের উত্তর তো
        আপনি প্রশ্নের উত্তর তো দিচ্ছেন ই না বরং তা পাশ কাটিয়ে আমাদের দোষ দেখাচ্ছেন।

  3. আমার মূর্খ বললেন, ভাল। জ্ঞান
    আমার মূর্খ বললেন, ভাল। জ্ঞান আর মূর্খতা দুটোই আমার কাছে দৃষ্টি ভঙ্গির পার্থক্য বই আর কিছুই নয়। কৃষকের কাছে যে চাষাবাদ সম্পর্কে ভাল জানে সেই জ্ঞানী। নিউটন তার কাছে অর্থহীন একটি শব্দ মাত্র। আবার পদার্থ বিদ্যার ছাত্রের কাছে স্যার আইজাক নিউটন প্রকৃত জ্ঞানী। যাই হোক নিজেকে মূর্খ ধরে নিয়েই সবিনয়ে বলছি, মূর্খতার কারনে সরাসরি প্রশ্নের সরাসরি উত্তর না পেলে বুঝতে কষ্ট হয়। আপনি আমার প্রথম প্রশ্নের সরাসরি উত্তর দিয়েছেন বলে ধন্যবাদ। বাকি কয়েকটা উত্তর একসাথে দিয়েছেন। জানি, উন্নত বিশ্বের দেশে আপনারা অনেক ব্যস্ত থাকেন। একজন গন্ড মূর্খের জ্ঞান লাভের ইচ্ছে হিসেবে তবুও আপনার কয়েকটা মন্তব্ব্যের চর্বিত চর্বন করছি।

    আপনার আরেকটা মন্তব্য “এই আধমরা দেশের আধমরা মানুষগুলারে উদ্ধার করার জন্য ঠিকই রাজনীতির নামে দেশে যারা দালালি করছে তাদেরকে গুলিকরে মেরে ফেলবো। এখন এটাকে আপনার আমার ক্ষমতার অপব্যাবহার বলেন আর যাই বলেন সেটা আপনাদের ব্যাপার!!!”

    যাদের মারা হয়েছিল তারাও মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন।তারাও জীবন বাজি রেখে যুদ্ধ করেছিলেন। যুদ্ধে হারলে তাদেরও কোর্ট মার্শাল করে গুলি করে মারা হত, একা জিয়া বা মুজিবকে মারা হত না। তো এরা যে সবাই দালাল ছিল তার দু-তিনটি উদাহারন আপনার দেয়া উচিত বলে মনে করি। কারন ওঁরা সবাই মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন। আর যদি গুলি করে মারাই সমাধান হয় তাহলে এই আলোচনার অবতারনা করলেন কেন? আপনার প্রস্তাবিত আদর্শের বাইরের সবাইকে গুলি করে মেরে ফেললেই তো হয়!!!

    আচ্ছা ধরে নিলাম সবাই দালাল, জিয়া দেশপ্রেমিক। এই আলোকে নিচের প্রশ্নের উত্তর দিন। হয়ত অনিচ্ছায় বা কাজের চাপে আপনি এই প্রশ্ন এরিয়ে গেছেন। আমি বুঝি, ব্যস্ত থাকেন তো।

    প্রশ্ন ৪ =
    গোলাম আজম যেন কার শাসনামলে পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশ এসেছিলেন? তিনি কার নিরব সম্মতিতে বাংলাদেশে থেকে গেলেন? জামায়াতকে সংগঠিক করার সুযোগ পেলেন? কোন খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার মনে বিন্দু মাত্র মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ বাকি থাকলে কি এটা করতে পারে? নাকি জামাত পুনর্বাসনও গনতন্ত্র পুনর্বাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল?

    আরেকটা কথা, একজন নেতার সবচেয়ে বড় গুন হচ্ছে ভিশন।আজকের সিদ্ধান্তের প্রভাব আজ থেকে ১০, ২০, ৩০ বছর কি হবে সেটা বুঝতে পারাটা একজন নেতার জন্য অতীব জরুরি। তাই আপনার “দেশের বর্তমার পরিস্থিতিতে যদি আমি ক্ষমতায় আসি আমি মাইরি আজ থেকে বত্রিশ বছর পরের একটা জেনারেশন আমাকে কি করলে সম্মান দেবে সেটা চিন্তা কইরা ডিসিশন নিবোনা।” একটা ভুল মন্তব্য।

    1. উনার আগের পোস্টেই আমি বলেছি
      উনার আগের পোস্টেই আমি বলেছি একজন মুক্তিযোদ্ধা কখন ও রাজাকারদের সহ্য করতে পারেন না।

      এখন হয়তো আমাদের হলুদ পাঙ্গাবি সুযোগ পেয়ে বলবে সাকা,সাঈদি ,গো*আযম রাজাকার না। তাহলে তো আপনার জিয়া রাজাকার হয়ে গেল। !!!!!!

      1. ইউ আর মিসিং মাই পয়েন্ট মাই
        ইউ আর মিসিং মাই পয়েন্ট মাই বয়। আমি সুযোগের অপেক্ষায় থাকা হলুদ সাংবাদিকতার পেশায় নিয়োজিত নই!!! আমি নাদান মানুষ যা বুঝি এবং বিশ্বাস করি তাই লিখি। এই বিশ্বাস একদিনে গড়ে উঠা নয়। সাকা, গোলাম আযমদের রাজাকার বলার মত পড়ালেখা করছি বলেই এরকম কন্ট্রোভার্শিয়াল একটা ব্যাপার নিয়ে লেখার সাহস পেয়েছি।

        1. আপনি কি বলছেন সাকা গোযম দের
          আপনি কি বলছেন সাকা গোযম দের রাজাকার বলার মত জ্ঞান আমার নেই।, সেই পড়ালিখা নেই , যদি পড়া লিখাকারীদের এই অবস্থা হয় পড়ালিখা চাই না।

          আমি আপনার পয়েন্ট মিস করছি তো আপনি কেন উত্তর দিচ্ছেন না এই প্রসঙ্গে জিয়া যদি বাংলাদেশের ভাল চায়। মুক্তিযোদ্ধা হয় উনি রাজাকার দের কেন এ দেশে জায়গা দিলেন।

          সহ ভাষায় বলবেন

    2. ভাই আমি কোথায় আপনাকে মূর্খ্য
      ভাই আমি কোথায় আপনাকে মূর্খ্য বলেছি বুঝতে পারিনি। ওটা ছিল আমার ফেইসবুকের একটা স্ট্যাটাস। তারপরেও আমি সরি। আমি আসলে ইনটেনশনালি আপনাকে মিন করিনি। ধন্যবাদ আপনাকে। আর যাদেরকে মারা হয়েছিল তাদের কাউকে দালাল বলিনি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে আমি কি করতাম সেটাই উল্লেখ করতে গিয়েই আমি দালাল শব্দটা ব্যাবহার করেছি… আর আমি খুব স্পেসিফিক ছিলাম যে নির্দিষ্ট একটা জেনারেশন আমার সম্পর্কে কি মনে করবে সেটা আমি চিন্তা করবোনা। কিন্তু আমি কি করছি তার কনসিকোয়েন্স কি হবে সেটা আমি আবশ্যই জানি। এবং আপনি সঠিক বলেছেন এটা জানাটা একজন নেতার জন্য খুব জরুরী।

      গোলাম আজম যেন কার শাসনামলে পাকিস্তানী পাসপোর্ট নিয়ে বাংলাদেশ এসেছিলেন? তিনি কার নিরব সম্মতিতে বাংলাদেশে থেকে গেলেন? জামায়াতকে সংগঠিক করার সুযোগ পেলেন? কোন খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধার মনে বিন্দু মাত্র মুক্তিযুদ্ধের মূল্যবোধ বাকি থাকলে কি এটা করতে পারে? নাকি জামাত পুনর্বাসনও গনতন্ত্র পুনর্বাসনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ ছিল?
      ভাই আমিতো আমার লেখায় বলেছি জিয়াই সেটা শুরু করেছেন। এটা গণতন্ত্রের পুনর্বাসনের একটা গুরুত্বপূর্ণ কিনা জানিনা একটা ধাপ ছিল বৈকি। এখন কথা হচ্ছে এটার কি দরকার ছিল কিনা? কিংবা আদৌ সঠিক সিদ্ধান্ত ছিল কিনা?
      -আমি বলবো না ছিলা না।

      1. Thanks for your reply. May be
        Thanks for your reply. May be somehow the chronological order got diluted at some point while reading. So the term “Dalal” resonated in a different tune from a differt time span in my ears. Anyway please shed some light on your following facebook comment.

        “মেজর জিয়া তার সিনিয়র অফিসারকে খুন করার সময় এটা চিন্তা করেননি যে আপনি উনাকে বেচে দিবেন, উনাদের মাথায় তখন শুধু দেশের কথাই ছিল।”

        And again request you to aswer the following questions in light of your above comment.

        প্রশ্ন ২ =
        কর্নেল তাহের, যিনি প্রেসিডেন্ট জিয়াকে মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন, বিচারের নামে তাঁকে হত্যা করাটাকে আপনি কোন দৃষ্টি ভঙ্গিতে দেখেন? বা এটা জাতিকে গনতন্ত্র উপহার দেওয়ার জন্য কতটুকু প্রয়োজন ছিল? নাকি এটা ছিল পথের কাঁটা দূর করার জন্য একটি “সময়োচিত” পদক্ষেপ?

        প্রশ্ন ৩ =
        প্রেসিডেন্ট জিয়ার শাসনামলে কতজন মুক্তিযোদ্ধা আর্মি অফিসার যেন হত্যা করা হয়েছিল? ১ জন, ২ জন, ৫ জন, ১০ জন নাকি………. সহস্রাধিক? ওনারা কি দেশের জন্য জীবন বাজি রাখেন নি? ওনারা কি জিয়ার চেয়ে কম দেশপ্রেমিক ছিলেন? ওনারা কি কারো পিতা, পুত্র বা স্বামী ছিলেন না? কোন মহান গণতন্ত্রের স্বপ্নের বলি ছিলেন এই সময়ের সাহসী সন্তানগুলো? এদের হত্যার বিনিময়ে দেশ কি পেয়েছে? আমরা কি পেয়েছি? আপনি নিজে কি পেয়েছেন?

        প্রশ্ন ৫ =
        আপনার বাবা যদি জিয়ার আমলে নিহত মুক্তিযোদ্ধা আর্মি অফিসারদের মধ্যে একজন হতেন, তাহলে কি আপনি আজ এত গুছিয়ে জিয়ার অনেক গুণ গান করে জাতিকে অতীত ভুলে সামনে এগিয়ে যাওয়ার এই দিকনির্দেশনা টা দিতেন? কিংবা নিহত একজন অফিসারের সন্তানের পীঠে হাত রেখে “ভাই যা হইসে, হইসে বাদ দেন। চলেন সামনে আগাই।” বলে আপনার থিওরি বুঝানোর চেষ্টা করেন তো দেখি?

        1. ভেবেছিলাম এই প্রসঙ্গগুলো টেনে
          ভেবেছিলাম এই প্রসঙ্গগুলো টেনে এনে তথাকথিত রাজনীতিবীদদের মত দড়ি টানাটানি করবোনা। আপনি আমাকে কয়েকটা প্রশ্নের উত্তর দেবেন প্লিজ। রক্ষীবাহিনী কি ধরনের বাহিনী ছিল? তাদের হাতে কতজন লোক মারা গিয়েছিলেন সেই ইতিহাস কি আপনার জানা আছে ভাই? সেই মৃতদের মধ্যে কতজন মুক্তিযোদ্ধা ছিল তার পরিসংখ্যান কি জানা আছে জনাব? সিরাজ শিকাদার তো কেবল মাত্র তাদের একজন তাইনা? এই লোকগুলোর কি বাপ-মা, ভাই-বোন ছিলনা। আমি দুটোর মধ্যে কমপেয়ার করছিনা। কিংবা সেই কাজের জন্য বঙ্গবন্ধুকে ছোট করে জিয়াউর রহমানের ভূলকে জাস্টিফাই করার চেষ্টাও করছি। আমি শুধু বলতে চাচ্ছি যটাকারনে মুজিবকে রক্ষীবাহিনী গঠন করতে হয়েছিল সেই ফ্যাক্টটা কি আমরা বুঝি? কি কারনে জিয়াকে তারই কলিগদের হত্যা করতে হয়েছিল কিংবা সেটা মেনে নিতে হয়েছিল সেই ফ্যাক্ট কি আমরা বুঝি?

          1. আমি জানতাম আপনি রক্ষী বাহিনী,
            আমি জানতাম আপনি রক্ষী বাহিনী, সিরাজ সিকদার এইসব প্রসঙ্গ এনে জিয়া’র কর্ম justfy করার জন্য আমার প্রশ্নের সরাসরি উত্তর এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করবেন| সবাই তাই করে| আপনিও ব্যতিক্রম নন| আমি অবাক হই নি| আমি সে কারণে আপনার প্রথম বা মূল পোস্ট যেখানে আমার প্রশ্নগুলো রেখেছিলাম তার ঠিক শেষে এই কথাগুলো বলেছিলাম|

            “…..শেষ কথা। মন চাইলে আমার প্রশ্নের উত্তর দেবেন, না তো দেবেন না। কিন্তু যদি দেন তাহলে “আওয়ামী লীগও তো হেন করেছিল, তমুকও তো তেন করেছিল” ইত্যাদি বলে কোন Crime কে Justify করারা চেষ্টা করবেন না। যার যার কর্মের দায়ভার তাকেই নিতে হবে।….”

            কুখ্যাত রক্ষী বাহিনী ছিল মুজিব সরকারের পেটোয়া বাহিনী| ওদের অত্যাচার আর স্বেচ্ছাচারিতার ইতিহাস নতুন করে বলার নেই| আর আমি মুজিব বা আওয়ামী লীগকে জাস্টিফাই করতে বসিনি| যদি কোনদিন বসি, সেদিন যে যা প্রশ্ন করবে তার To the point উত্তর দেব| আজ আপনি আমার তিনটা প্রশ্নের To the point উত্তর দিন| যদি এর বাইরে আরো কিছু বলার থাকে সেটা দয়া করে আলাদা প্রতিমন্তব্য হিসাবে পোস্ট করবেন| এগুলোর সাথে মেশাবেন না|

            আরেকটা বিষয় আমি উল্লেখ করতে ভুলে গেছি| আমি অত্যন্ত গর্বের সাথে জানাচ্ছি যে আমার পরিবার অত্যন্ত সক্রিয় ভাবে মুক্তিযুদ্ধের সাথে জড়িত ছিল| আমার ধারণা বাংলাদেশের প্রত্যেক পরিবার কোনো না কোনো ভাবে এই মহান সময়ের পরীক্ষার সাথে জড়িত| আমার পূর্বপুরুষ পারলে আমিও পারব| আজ ব্লগে লিখছি, কাল প্রয়োজন হলে অবশ্যই যুদ্ধে যাব| শুধু আমি না, বাংলার সকল ছেলে যাবে, তার মধ্যে হয়ত আপনাকেও পাব| কি, পাব না?

  4. অনেক পরে চোখে পরছে বলেই উত্তর
    অনেক পরে চোখে পরছে বলেই উত্তর পরে দিচ্ছিঃ
    আপনি আমার নয়টি প্রশ্নের উত্তর দেন নাই আপনি স্বভাব কৌশলে এড়িয়ে গেছেন! আর আপনার এড়িয়ে যাওয়ার প্রয়াসটাও প্রশ্নবিদ্ধ। কীভাবে বলছি–
    ১)”এটা দেখে প্রেগন্যান্ট মহিলার স্বামী তার বন্ধুকে বলল দোস্ত আফসোসের ব্যাপার কি জানিস যেইটা দিয়া প্র্যাগনেন্ট বানাইলাম সেইটাতে হাত বুলাইয়া আমারে কেউ কংগ্রাচুলেশন বলে না!!!!”
    আপনার এই লাইনটাকে আপনি আমার ব্যাখার মত না বলেছেন? তবে এই লাইনটি কেন বলেছেন? এইটা কতটা সুস্থ মানসিকতা আপনিই বলেন। আপনার শিরোনামের বরাত দিচ্ছি- ‘তর্কের খাতিরে তর্ক করে এ যুদ্ধে জয়ী হতে পারবেন না!!!!!!’

    ২) শাহ্‌বাগে আন্দোলনের ৬ দফার মাঝে নাস্তিক্যবাদি কোন ইস্যু নাই তাই আজকের মাহমুদুর রহমানের লিখার বরাত দিয়ে ৫০ বছর পরে কেউ একে নিরপেক্ষ দৃষ্টি বললে তাকে হঠকারিতায় বলতে হবে।। সত্য একটাই, একটা বিষয়ে পরস্পর বিরোধী দুইটি কথা সঠিক হতে পারে না।

    ৩) “আমাদের মুক্তিযুদ্ধের উপর যেসব বই পড়েছি সেগুলো হচ্ছে পরিবর্তনশীল ইতিহাস!!”–
    এইকথাটা কি বিবেচনাযোগ্য? আপনিই বলেন যদি আমার বউকে কেউ তুলে নিয়ে ধর্ষণ করে তবে ধর্ষকের বয়া স্বীকার উক্তি কি পরিবর্তনশীল ইতিহাসের অংশ বলে বিবেচ্য হবে? আপনাকে ‘আকিরা কুরোসাওয়া’র রসোমন চলচ্চিত্রটি দেখার পরামর্শ দিব…
    ১৯৭১ সালে শোষক পাকিস্থানিদের কাছ থেকে মুক্তি পেতে আমাদের আপামর জনগন মুক্তিযুদ্ধ করেছে, আর সুদীর্ঘ ৮ মাস ২০ দিন রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর আমাদের বহুল প্রতিক্ষিত স্বাধীনতা অর্জিত হয়। এর ভিন্ন কোন ইতিহাসই হচ্ছে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের অপচেষ্টা…

    ৪) Second Proclamation Order No. IV of 1978 এর বলে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদের শর্তাংশটি বিলুপ্ত হয়। এরপর থেকে ৩৮ অনুচ্ছেদটি দাঁড়ায়ঃ
    ” জনশৃঙ্খলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধা-নিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সংঘ গঠন করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে।”
    অথচ ১৯৭২ সালের সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছিলঃ
    “জনশৃংখলা ও নৈতিকতার স্বার্থে আইনের দ্বারা আরোপিত যুক্তিসঙ্গত বাধানিষেধ সাপেক্ষে সমিতি বা সঙ্ঘ গঠন করিবার অধিকার প্রত্যেক নাগরিকের থাকিবে; তবে শর্ত থাকে যে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যসম্পন্ন বা লক্ষ্যানুসারী কোন সাম্প্রদায়িক সমিতি বা সঙ্ঘ কিংবা অনুরূপ উদ্দেশ্যসম্পন্ন বা লক্ষ্যানুসারী ধর্মীয় নামযুক্ত বা ধর্মভিত্তিক অন্য কোন সমিতি বা সঙ্ঘ গঠন করিবার বা তাহার সদস্য হইবার বা অন্য কোন প্রকারে তাহার তত্পরতায় অংশগ্রহণ করিবার অধিকার কোন ব্যক্তির থাকিবে না।”[বিস্তারিতঃ কার পাপে আজ বাংলাদেশের এই অবস্থা। ]
    তথাকথ নিরপেক্ষতার উচিলায় মিথ্যাকে সত্যের সমকাতারে আনা স্বেচ্ছাচারিতা…
    [সম্পুরক যুক্তি]

  5. ৫) বঙ্গবন্ধুকে এই নামে না
    ৫) বঙ্গবন্ধুকে এই নামে না ডাকলে যদি কোন বাঙ্গালী প্রতীবাদ করে আর আপনি মনে করেন এইটা আমার বঙ্গবন্ধু প্রীতি তবে তাকে কি বলা উচিৎ? আর জিয়া ১৫ আগস্ট এর পরবর্তীতে যে রাজনৈতিক ভূমিকা নিয়েছেন তাতে করে তাকে কখনই বাঙ্গালী ক্ষমা করতে পারার কথা না। বলছি মনে প্রানে বাঙ্গালী…
    আর জামাতকে জিয়া প্রতিষ্ঠিত করার পর থেকে ১৯৯১ সাল অব্দি যে ইতিহাস দূষণের মহাযজ্ঞ করেছে হানাদারের দোসরেরা তাকে আপনি ‘পরিবর্তনশীল ইতিহাস’ কোটায় ছাড় দিতে চান?
    সত্যকে জানার সাহস থাকলে সত্য ইতিহাস জানা যায়…

    ৬) ‘আমি ভাই ফরচুন টেলার না’— বলেছেন আজকের লিখায়!
    আর, “জিয়াউর রহমানের মারা যাওয়ার দিনে আহাজারি করে, তিনি বেঁচে থাকলে আমরা কৈ চলে যেতাম এসব চিন্তা করে যেমন কোনো লাভ নাই…” এই কথাটা আপনার পূর্ববর্তী লিখার অংশ। আপনি সাহিত্যের নব দৃশ্যকল্পের আশ্রয় নিয়ে ফরচুন টেলারের কাজটি করে গেছেন অতি সুচারুভাবে!! নিজেকে চিনুন-বুঝুন… তর্ক করতে চাইলে এরশাদ, গু আজম ও নিজামিও তর্ক করতে পারবে অনর্গল…

    ৭) ‘পৃথু স্যন্যাল এর কমেণ্টগুলো বরাবরের মতই টু দা পয়েন্ট’ এর উত্তরে আপনি কি করেছেন?– আমি বলি জিয়া একটা বিষবৃক্ষের বপনই শুধু করেন নাই ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত জীবিত ও মৃত জিয়া একে লালন পালন করেছে। আর আপনি বরাবরের মত সুকৌশলে এড়িয়ে গেলেন। এখন ২১ বছরে যে বিষবৃক্ষ চারা থেকে তারুণ্যে তখন তাকে একবারে উপড়ানো সম্ভব না। আগে গাছটিতে উঠে ডালপালা কাটতে হয় তারপর নেমে সমূলে উৎখাত করতে হয়। আশা করি এইবার তাই হবে…

    ৮) ‘ইসলামফোবিয়া মুক্ত হোন। সুস্থ থাকুন!!’! ধর্মীয় মৌলবাদ একটি নিরাময় যোগ্য ব্যাধি!!
    আপনি জানেন আজ গোটা বিশ্ব ধর্মীয় মৌলবাদ নিয়ে তটস্থ। কোন শান্তি প্রিয় ধর্মীয় অনুসারীদের নিয়ে না। আর ফোবিয়াটাও ধর্মীয় মৌলবাদী জঙ্গিদের জন্যে প্রকৃত ইসলামের বা অন্যকোন ধর্মের জন্যে না…

    ৯) “মেজর জিয়াকে আএসআই এর দালাল বলার মত মূর্খতা করে নিজের দেশকে ছোট করবেন না।”– এই কথাটা কেন বুঝলাম না? জিয়া অসংখ্য সেনা কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে খুন করেছেন,তার রক্ষাকর্তা তাহেরকেও রেহায় দেন নাই এবং দেশের মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বিনাশে সর্বাংশেই তিনি চেষ্টা করেছেন। তিনি গু আজম কে দেশে এনে প্রতিষ্ঠিত করেছেন তার ছেলে এইচএসসি তে ৩য় বিভাগে উত্তীর্ণ হলেও তাকে বাংলাদেশের নাগরিক নয় এমন পিতার সন্তান হিশেবে আর্মিতে নিয়েছেন… তার বউ খালেদা আইএসআই এর টাকা নিয়ে নির্বাচন করেছে ১৯৯১ এ।। আরও শুনবেন?

    ১০) বিশ্বের কোন দেশেই প্রথাগত আর্মি অফিসার দুনিয়া কাঁপাতে পারেন নি এমন কি নিজ দেশকেও না। আজও জেনারেল ফারবেয মশাররফ নির্বাচনে দাঁড়ালে কিছু ভোট পাবে। এতে কিছুই প্রমান হয় না। এক বেনিফিশিয়ারির আমলের বেনিফিশিয়ারিরা আজ লেজুরবৃত্তি করবে এ আর নতুন কি!!

    ১১) আমি কারাগার বলতে বৃহৎ অর্থে বুঝিয়েছি। আমি আর্মির ক্যান্টনমেন্ট লাইফকে বুঝাইছিলাম। যার কারণে বলেছি তাহের আর্মি ছেড়ে এসে রাজনীতি করেছেন। আদর্শের জন্ম হয় গরীব-দুঃখী বা বঞ্চিত মানুষের হাহাকার গোছাতে তাদের সাথে থেকে। সেনা বাহিনীর রুটিনড লাইফ থেকে ভাল কিছু কস্মিনকালেও বের হয় নি। ব্যাপারটা ভিন্ন হতে পারে চে এর মন প্রথাবিরোধী গেরিলা আর্মির ক্ষেত্রে বা হুগু সেভেযের মাধ্যমে… জিয়ার মত আদর্শহীন সসামরিক সাশকের দলে যে কোন আদর্শিক মৌলিক অবস্থান নেই তা আজ আবার প্রমাণিত!!

    আপানর জিয়ানুভুতিতে আঘাত লাগলে আমার কিছুই করার নাই…

  6. আতিক ভাইয়ের কোন প্রশ্নের
    আতিক ভাইয়ের কোন প্রশ্নের যৌক্তিক উত্তর দিতে পারেন নি। উত্তর গুলো পড়ে মনে হয়েছে কোন ছোট বাচ্চা তার মায়ের কাছে হাস্যকর কথা বলে বায়না করছে। আপনার কাছে হয়তো ব্যাপক যৌক্তিক মনে হতে পারে।

    “আমি আবারও বলছি এটা জিয়ারই বাংলাদেশ। যে গণতান্ত্রিক ধারায় বাংলাদেশ বিচরন করছে সেটা বঙ্গবন্ধুর জন্ম দেয়া বাংলাদেশ জিয়াউর রহমানের দিয়ে যাওয়া ধারা”

    যে জিয়া গোলাম আযম নিজামিদের পুনরত্থান করে দিতে পারে সে যে কেমন বাংলাদেশ চেয়েছিল তা আপনি কোনোদিন বুঝবেন সে আশা করবে একমাত্র মস্তিস্ক বিকৃতরাই।
    জিয়া যুদ্ধ করেছিলো শেখ মুজিবের নির্দেশে। শেখ মুজিবের হত্যায় তার সমর্থন প্রমান করে তার স্বার্থপরতা।
    কর্নেল তাহেরকে ঠাণ্ডা মাথায় খুন মানে দেশের জন্য চিন্তা????!!!!!! দলীয় চশমা পরা কাকে বলে তা হয়তো আপনি নিজেই জানেন না।
    “হলুদ পাঞ্জাবী” সত্যি, আপনার নাম সার্থক।

  7. ওটা একটা জোকস ছিল ভাই। তাই
    ওটা একটা জোকস ছিল ভাই। তাই ওটার কোন গ্রাঊন্ড নাই তাই ঐটা নিয়া বেহুদা প্যাচাল পাড়লাম না।
    শাহবাগ ইস্যুতে আমি কিন্তু বলিনি যে সত্য সেখানে দুটো ! আপনি যদি সেটা মনে করে থাকেন তবে সেটাকে আপনার বোঝার ভূল বলবো। । আমি যা বলেছি তা হলো, ইতিহাস যখন লেখা হবে সেটা দলমত নিরপেক্ষ হয়ে উঠে দুই দিকের ফ্যাক্টগুলোকে জনগনকে জানাতে হবে। নাস্তিকতা একটি ফ্যাক্ট যেটা গণজাগরনের বিরুদ্ধে দাড় করানো আরেকটা জাগরনের চেষ্টা মাত্র।(ধর্মকে পূঁজি করে) এই ফ্যাক্টটাই ইতিহাসে থাকা বাঞ্চনীয় বলে মনে করেছি। এখানে সত্য একটাই ভাই।

    আর ভাই মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পরিবর্তনশীল নয় অবশ্যই । আমি মনে হয় বোঝাতে সক্ষম হইনি। আমি যেটা বোঝাতে চেয়েছি তা হচ্ছে “আমি যখন ক্লাশ ফাইভে পড়ি তখন পড়েছি স্বাধীনতার ঘোষক অথবা পাঠক যাই বলুন তিনি একজন, কিন্তু যখন আবার সপ্তম শ্রেনীতে ঊঠলাম তখন দেখেছি অন্যজন। কারন কি জানেন সরকার পরিবর্তন।” সো আমি সেই সেন্সেই বলেছি এটা পরিবর্তনশীল ভাই।

    ১৯৭১ সালে শোষক পাকিস্থানিদের কাছ থেকে মুক্তি পেতে আমাদের আপামর জনগন মুক্তিযুদ্ধ করেছে, আর সুদীর্ঘ ৮ মাস ২০ দিন রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর আমাদের বহুল প্রতিক্ষিত স্বাধীনতা অর্জিত হয়। এর ভিন্ন কোন ইতিহাসই হচ্ছে রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের অপচেষ্টা -আপনার কি মনে হচ্ছে যে আমি রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের চেষ্টা করছি এবং আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসকে ভিন্ন দিকে নেয়ার চেষ্টা করেছি। ভাই আমি আপনার সাথে আর লজিক কপচাবোনা। শুধু এইটুকু বলি সবাই সময়ে ইতিহাসকে বদলানোর চেষ্টা করেছে। বিএনপি যেমন করেছে, আওয়ামীলীগও তেমনি করেছে আবার বিএনপির সাথে পরকীয়া প্রেমে লিপ্ত জামাত-শিবির তার প্রেমিকের আস্কারা পেয়ে তারাও চেয়েছে ইতিহাস পরিবর্তন করতে। আমার এই লাইনগুলোর অর্থ যেদিন বুঝতে পারবেন সেদিনই আপনার সাথে আমার বাহাস হবে। আর সাথে আমার স্কুলের উদাহরনতো আছেই।

    আর একটা কথা কি জানেন? মাঝে মাঝে মনে হয় আসলে পড়ালেখা হলো একটা কার্স।!!! কেন বলেছি জানেন আমি আমার দাদার কাছ থেকে শেখ সাবের (আমার দাদা বঙ্গবন্ধুকে তাই বলতো)গল্প শুনতে শুনতে তার প্রেমে পড়ে গেছিলাম সেই শৈশবেই, মজার ব্যাপার কি জানেন সেই একই লোকের মুখে জিয়ার গল্প শুনেছি, শুনেছি গ্রামের লোক জিয়ার মৃত্যুর খবরে কেমনে কেঁদেছে তাও জেনেছি একই শৈশবে। প্রেমে পড়ে গেলাম এই লোকেরও। আমার দাদা হয়তো আপনার আমার মত সংবিধান জানা লোক নন বাট সে কোন ধরনের রাজনৈতিক সুবিধা হাসিলের জন্য আমাকে সেসব গল্প শুনিয়েছে বলে আমার মনে হয়নি।।

  8. আপনার সাথে কথা বলে কোন লাভ
    আপনার সাথে কথা বলে কোন লাভ নাই আপনি প্রশ্নের উত্তর তো দেনই না তুলোনা করে শুকোশলে অন্যদিকে নেবার চেষ্টা করেন। । ।

    সকলের এক প্রশ্ন জিয়া কেন রাজাকার গুলারে তারায় নি কেন তাদের জায়গা দিল ???????

  9. এখানে একের বিপরীতে বেশ
    এখানে একের বিপরীতে বেশ কয়েকজন তর্ক যুদ্ধে লিপ্ত আছেন ,এবং যথেষ্ট ভারসাম্যহীনতাও দেখা দিয়েছে তাই আমি আর হলুদ পাঞ্জাবী ওয়ালা ভাই কে প্রশ্ন করে আর বিব্রত করতে চাই না , ভারসাম্য থাকলে তর্ক যুদ্ধ জমে উঠত ।।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *